ru
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Открыть в Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Канал চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 15 410 подписчиков, занимая 3 634 место в категории Политика и 1 472 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 15 410 подписчиков.

Согласно последним данным от 30 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -237, а за последние 24 часа — -10, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 13.60%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 3.58% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 096 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 552 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 29.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 01 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Политика.

15 410
Подписчики
-1024 часа
-507 дней
-23730 день
Архив постов
চতুর্দিকে শুরু হয়েছে হাহাকার
চতুর্দিকে শুরু হয়েছে হাহাকার

কাম সারছে সবাই সাবধান ‼️
কাম সারছে সবাই সাবধান ‼️

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আপত্তি নেই আইসিসির

গুম কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট : গুম থেকে জীবিত ফেরা ৭৫ শতাংশই জামায়াত-শিবিরের।
গুম কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট : গুম থেকে জীবিত ফেরা ৭৫ শতাংশই জামায়াত-শিবিরের।

একজন পুলিশ এভাবে হুমকি দিচ্ছে—ভাবা যায়? সুদি ইউনুস আর হুমায়ুন কন্যা শাওনের ঘর জামাই শ্বশুর কার বাল ফালায় ?
একজন পুলিশ এভাবে হুমকি দিচ্ছে—ভাবা যায়? সুদি ইউনুস আর হুমায়ুন কন্যা শাওনের ঘর জামাই শ্বশুর কার বাল ফালায় ?

ঐতিহাসিক ইলেকশন।
ঐতিহাসিক ইলেকশন।

রিটার্নিং অফিসার আর ডিসিদের জুতা দিয়ে পিটাইতে হবে নাকি?
রিটার্নিং অফিসার আর ডিসিদের জুতা দিয়ে পিটাইতে হবে নাকি?

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন দফা : ১. শুধু জামিন নয়, মাহদীর নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহার করতে হবে। ২. জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সকল কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি প্রদান করে আগামী ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। ৩. জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী সহ সামরিক, আধা সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা, সৈনিক ও কর্মচারীদের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে, তাদের সম্মাননা, স্বীকৃতি ও আইনী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে তাদের হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করতে হবে। এবং ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্যাসিবাদের রোষাণলে পরে সশস্ত্র বাহিনীতে পদোন্নতি বঞ্ছিত অফিসারদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল পদগুলিতে পদায়ন করতে হবে।

তারেক জিয়া কী এমন দেখতে?
তারেক জিয়া কী এমন দেখতে?

জাতীয়তাবাদী গরু চোর দিল।
জাতীয়তাবাদী গরু চোর দিল।

এই ছবিটি সোমালিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের। ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র আকাশপথে অভিযান চালিয়ে সোমালিয়ার জাতীয় প্রতির
এই ছবিটি সোমালিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের। ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র আকাশপথে অভিযান চালিয়ে সোমালিয়ার জাতীয় প্রতিরোধ বাহিনীর নেতা মোহাম্মদ ফারাহ আইদিদকে অপহরণের চেষ্টা করে। কিন্তু ফলাফল ছিল লজ্জাজনক। দুটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত হয়, ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়, ৭৩ জন আহত হয় এবং একজন পাইলট আটক হন। নিহত সেনাদের মরদেহ মোগাদিশুর রাস্তায় টেনে নেওয়া হয়—যা বিশ্বকে দেখিয়ে দেয় তথাকথিত “অজেয় শক্তি” আসলে কতটা ভঙ্গুর। এটি স্পষ্ট প্রমাণ—আমেরিকা কোনো দেবতা নয়, অজেয়ও নয়। ভিয়েতনাম, ইরাক, সোমালিয়া, আফগানিস্তান—এবং আজ গাজায়ও তারা একই বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। ভেনিজুয়েলায় যা ঘটেছে, তা কোনো শক্তির পরিচয় নয়—এটি ছিল সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্র। ইতিহাস কখনো মিথ্যা ঢেকে রাখে না, সময়ই সব মুখোশ খুলে দেবে।

আলীগের মতো খেলনা কিনে রাখছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
আলীগের মতো খেলনা কিনে রাখছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

হেভিওয়েট প্রার্থী
হেভিওয়েট প্রার্থী

কুপ্রস্তাবের ফোন রেকর্ড: বালবেলার সাংবাদিক নাইমুর রহমান দুর্জয় জুলাইয়ের সহযোদ্ধা সুরভী তাহরীমাকে কক্সবাজার যাবার অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সুরভীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠায়!

নির্বাচন কমিশন কাদের দখলে?
নির্বাচন কমিশন কাদের দখলে?

ডিসি ইকবাল কোথায়? এই প্রশ্নটা ইতিপূর্বে আমি অসংখ্যবার করেছি৷ আজকেও আবার করছি- ডিসি ইকবাল কোথায়? উত্তাল জুলাইয়ে ইকবাল খুনী হাসিনার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে বলেছিলো, "স্যার গুলি করি একটা, মরে একটা, যায় একটা, বাকিডি যায় না।" শহীদ তাঈমকে যাত্রাবাড়িতে যেই সকল পুলিশ সদস্যরা হত্যা করেছিলো, তাদের স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ আছে, অথচ তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছিলো না৷ তাঈমের বড়ভাই সুনির্দিষ্টভাবে সেই সকল পুলিশ সদস্যদের গ্রেফতারের দাবিতে জিরো পয়েন্ট ব্লকেড আহ্বান করলে আমরা এতে সমর্থন জানাই৷ তৎকালীন এই ব্লকেড উঠিয়ে নিতে আগের রাতে শহীদ তাঈমের বাসায় পুলিশ গেছে৷ রবিউল বন্ধুর বাসায় আশ্রয় নিয়েছে৷ কর্মসূচি উঠিয়ে নিতে উপদেষ্টারা বারবার তার সাথে ফোনে কথা বলছিলেন৷ আমি তখন আরেকটা ফোনে রবিউলের সাথে যুক্ত ছিলাম। তাদের সমস্ত কথোপকথন শুনেছি৷ তৎকালীন ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং আসিফ মাহমুদ দুইজনই আমাকে নিশ্চিত করেছেন, ডিসি ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা ডিবি হেফাজতে আছেন৷ আমি বলেছিলাম, নিউজ হচ্ছে না কেন? নিউজ না হলে কর্মসূচি উইথড্র হবে না৷ একজন উপদেষ্টা তখন জানান, আইজিপি নিজে নিশ্চিত করেছেন ইকবাল এরেস্টেড। আইজিপির ভয়েস আমি চাইলে আমাকে পাঠাতে পারেন৷ আমি বলেছিলাম, আইজিপির ভয়েস আমার শোনার দরকার নাই৷ আমার দরকার খুনী পুলিশ সদস্যরা এরেস্ট হয়েছেন এমন নিশ্চয়তা। এইটার পাবলিক এনাউন্সমেন্ট থাকতে হবে৷ ব্লকেড কর্মসূচি শেষে নাহিদ ইসলাম আন্দোলনকারীদেরকে সচিবালয়ে ডেকে নিয়ে ১০ দিনের মধ্যে খুনী পুলিশ সদস্যদেরকে গ্রেফতারের আশ্বাস দেন। ১ বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও সেই ১০ দিন আজও শেষ হয়নি। ডিসি ইকবালের আজও কোন খোঁজ মেলেনি৷ ডিজিএফআইয়ের চীফ ওয়ারেন্ট ইস্যু হওয়ার পরে ক্যান্টনমেন্ট থেকে লাপাত্তা হয়ে যায়৷ হাউজ এরেস্ট থেকে হারিয়ে যায় আর্মির জেনারেল। এই প্রশ্নের জবাব কে দিবে? আর্মি চীফ, ইউনুস নাকি সিকিউরিটি এডভাইজার খলিল? ২ টায় হাদিকে খুন করা হয়, বর্ডার সিলগালা করা হয় রাত সাড়ে ৮ টায়। খুনি আরামসে ভারত পালিয়ে যায় বলে আমরা শুনি৷ এই ব্যর্থতার দায় কে নিবে? ৫ আগস্টের পর থেকে অসংখ্যবার আমি বলেছি, বক্তৃতা, বিবৃতি, স্ট্যাটাস, টেলিভিশনে বলেছি, '১৪, '১৮ এবং '২৪ এর নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আমলাদেরকে ১ মিনিটের জন্য প্রতীকী সাজা হলেও দিতে হবে; এই দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার অপরাধে। হাজার হাজার বিপ্লবীর জীবন আজ বিপন্ন। মিলিটারি, পুলিশ এবং আমলাতন্ত্রের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্টের গায়ে একটা আঁচড়ও যে আমরা গণঅভ্যুত্থানের পরে দিতে পারলাম না, এই দায় আমরা শোধ করবো হাদির মতো আরো আরো বিপ্লবীর শাহাদাত এবং মাহদীর মতো ছেলেদের জেল, জুলুম, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সহ্য করার মধ্য দিয়ে। এই ইন্টেরিমে ক্ষমতা কাঠামোতে যারা আপনারা ছিলেন, আপনাদের একজনকেও ইতিহাস ক্ষমা করবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু। পেশায় ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ মাত্র ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা।

আজ রবিবার, ৪ জানুয়ারি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে- কাওরান বাজারে আন্দোলনকারীদের ওপর আইনশৃঙ্
আজ রবিবার, ৪ জানুয়ারি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে- কাওরান বাজারে আন্দোলনকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। একদিকে রাস্তা অবরোধ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে একপক্ষকে অন্ধকারে রেখে শক্তি প্রয়োগ করাও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। দুই পক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনায় বসলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব ছিল। কিন্তু বারবার আন্দোলন ও দমননীতি চলতে থাকলে জনভোগান্তি বাড়বে, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে- যা একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কখনোই আশা করা যায় না।