ru
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Открыть в Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Канал চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 15 577 подписчиков, занимая 3 619 место в категории Политика и 1 443 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 15 577 подписчиков.

Согласно последним данным от 11 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -246, а за последние 24 часа — -3, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 9.21%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 3.51% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 435 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 547 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 33.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 12 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Политика.

15 577
Подписчики
-324 часа
-577 дней
-24630 день
Архив постов
যুদ্ধের প্রভাবে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে অস্বাভাবিক ভর্তুকির লাগাম টানতে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। 😁

ক্ষমতাগ্রহণের পর বিএনপির ২ মাসের আমলনামা।
ক্ষমতাগ্রহণের পর বিএনপির ২ মাসের আমলনামা।

মাত্র এক মাসে দুইবারের মত গ্যাসের দাম বাড়াইয়া দিসে। একটা সিলিন্ডার কিনতে এখন লাগবে ২ হাজার টাকার কাছাকাছি। মজুত থাকার পরেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করলো মালিকরা, দাম বাড়াইয়া দেওয়া হলো তেলের। এখন আজ সন্ধ্যায় বাস মালিক আর লঞ্চ মাকিকরা বসবে এক সাথে শুনলাম বাস ভাড়া আর লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর আয়োজন সম্পন্ন হয়ে গেছে। বিদ্যুতের দামও বাড়বে বাড়বে না শুধু আমার আপনার জীবন আর জীবিকার দাম। মাস শেষে আপনার চাপ আরেকটু বাড়বে, খাবারের পাত থেকে মাংসের টুকরাটা কমবে, আমার আপনার ছেলে মেয়ের ডিম আর দুধের বাজেট কমবে। পছন্দের বইটা হয়তো বাদ দিতে হবে, পছন্দের ট্যুরটা হয়তো কাট করে ফেলতে হবে। বাট আমার আপনার পছন্দের বই, ডিম আর দুধের বদলে ওদের ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করবে ইউরোপে। আমাদের ছেলে মেয়েরা কারেন্ট না থাকার জন্য রাতে ঘুমাতে পারবে না। আর ওদের ছেলে মেয়েরা আমাদের এই না হওয়া ঘুম চুরি করবে, আমাদের স্বপ্ন চুরি করবে তেলের দামে। আমাদের বাবাদের হাইপারটেনশন বাড়বে, আমরা ছেলেরা তেলের আর গ্যাসের দামের ঘানি টানতে টানতে আরেকটা আমাদের বাবাতে পরিণত হব। আর ওরা বড় বড় কথা বলে আরাম করে আমাদের শাসন করবে। আমাদের প্রেশার আর হার্টের রোগের বিনিময়ে ওদের সাম্রাজ্যে জমা হবে একেকটা ইট। নির্বাচনের আগে ব্যবসায়ীরা কেন কোটি কোটি টাকা ঢালে, এবার বুঝেছেন তো? রাজনীতির নামে এরা আমার আপনার রক্ত, আপনার ঘাম, আমার আর আপনার স্বপ্ন বিক্রি করে দেয়, কোটি কোটি ছেলে মেয়ের পাতের একটু ডিম, এক গ্লাস দুধ এরা বিক্রি করে দেয় তেল আর পরিবহন মালিকদের কাছে। এসবকেই মূলত আমরা রাজনীতি বলে জানি।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা!

তাড়াতাড়ি বাংকার আর টানেল বানান। পালাতে হবে তো।
তাড়াতাড়ি বাংকার আর টানেল বানান। পালাতে হবে তো।

আসছে প্রবাসী কার্ড... নতুন আরেক কার্ড পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিকরা।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন সাহেব'কে ১০ এ কত দিবেন?
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন সাহেব'কে ১০ এ কত দিবেন?

দুই মাসেই সরকারের উপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে" আলহামদুলিল্লাহ 🙂

তেল সংকটের কথা সরকার এতোদিন স্বীকার করে নাই। ২ মাসের জ্বালানি নাকি মজুত আছে। থাকলে দাম বাড়ানো হলো কেন? সরকারের কম টাকায় কেনা ২ মাসের জ্বালানি এখন জনগণ কেন বেশি টাকা দিয়ে কিনবে? না হলে এতোদিন বড়ো বড়ো লেকচার দিয়েছে কেন? জনগণকে বিভ্রান্তির মধ্যে কেন রেখেছে?

We have a plan দেশে তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: অকটেন - ১৪০ ডিজেল - ১১৫ পেট্রোল - ১৩৫
We have a plan দেশে তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: অকটেন - ১৪০ ডিজেল - ১১৫ পেট্রোল - ১৩৫

হুরমুজ প্রনালী আবার বন্ধ করে দিয়েছে ইরান

এই দেশে মানুষ নিরাপদ নয়। চারদিকে এত এত ধর্ষণের খবর তাও কোনো বিচার নেই। গতকাল এক স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে জোরপূর্বক মাস্তানরা তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করলো।মানুষ বউ নিয়ে রাস্তায় বের ও হতে পারবেনা এই দেশে। এরকম ঘটনা অহরহ ঘটতেছে। সরকারের কোনো নজর নেই সেদিকে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে এই সন্ত্রাসী গুলোর বাপ দাদা নেতাখেতার আত্নীয় হবে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী ভারতকে কি অপমান করলো?
নেপালের প্রধানমন্ত্রী ভারতকে কি অপমান করলো?

হাওয়া ভবন 2.0 তে স্বাগতম। সরকারের সমালোচনা করায় খুনি হাসিনার স্টাইলে তুলে নিয়ে গেছে।
হাওয়া ভবন 2.0 তে স্বাগতম। সরকারের সমালোচনা করায় খুনি হাসিনার স্টাইলে তুলে নিয়ে গেছে।

যতই আমি বিএনপির পক্ষ করিনা কেন কারেন্ট না থাকলে আমার প্রিয় নেতাকে ছেড়ে কথা বলবোনা। কারেন্ট ছাড়া অন্ধকারে গরমে থাকলে মাথা ঠিক থাকেনা। তখন নেতা আর দলের সম্মান আর মাথায় থাকেনা। কারেন্ট এর এই অবস্থা বহাল থাকলে বিএনপি চুদি।

যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣
যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣

যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣
যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣

ওয়াহিদ ইবন রেজা 🎙️
ওয়াহিদ ইবন রেজা 🎙️

ফেসবুক পোস্টে "চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু" এই কমেন্ট করায় নুরুকে ছোট করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে ছোট করা হয়েছে বলে দলবল নিয়ে জবাবদিহি করতে আসছে এমন একটা মজার ঘটনা দেখলাম। এই বিষয়টা দেখলাম প্রত্যেকটা দলের কর্মীদের মধ্যেই আছে। দলীয় প্রধানদের সমালোচনা করলে সর্বদলীয় চাটুকার বাহিনীর নিতে না পারার যে একটা ট্রেন্ড, "আবেগের জায়গায় আঘাত" বলে হামলে পড়তে চায় যে সকল চাটুকার বাহিনী, তাদের এই আবেগ ভরে নিয়মিত মুত্র বিসর্জন করার ট্রেন্ড চালু করতে হবে। রাজনীতি করবে, গণতন্ত্রের কথা বলবে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ টলারেন্স দেখাইতে শিখবেনা।