ru
Feedback
DEANY TALKS

DEANY TALKS

Открыть в Telegram
1 492
Подписчики
-124 часа
-27 дней
-1430 дней
Архив постов
শু‘আয়ব (রহ.) বলেন, আমাকে নাফি‘ (রহ.) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণনা করে শুনিয়েছেন যে, ❝জামা‘আতের সালাতে একাকী সালা
শু‘আয়ব (রহ.) বলেন, আমাকে নাফি‘ (রহ.) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণনা করে শুনিয়েছেন যে, ❝জামা‘আতের সালাতে একাকী সালাত হতে সাতাশ গুণ অধিক সওয়াব হয়।❞ সহীহ বুখারী হাদিস নং ৬৪৯

❝আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠিত কর ও যাকাত প্রদান কর এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু কর।❞ সূরা আল-বাকারা আয়াত নং ৪৩
❝আর তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠিত কর ও যাকাত প্রদান কর এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু কর।❞ সূরা আল-বাকারা আয়াত নং ৪৩

photo content

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, ❝হে আয়েশা! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর ন
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন,
❝হে আয়েশা! ক্ষুদ্র গুনাহ থেকেও সাবধান হও। কারণ সেগুলোর জন্যও আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে।❞
সুনানে ইবনু মাজাহ হাদিস নং ৪২৪৩

❝হে বিশ্বাস স্থাপনকারীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যেমনভাবে করা উচিৎ এবং তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যু বরণ করোনা।❞ সূরা আলে-ইমরান
❝হে
বিশ্বাস স্থাপনকারীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যেমনভাবে করা উচিৎ এবং তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যু বরণ করোনা।❞
সূরা আলে-ইমরান আয়াত নং ১০২

💎 জুমার দিন যে সময় দুআ কবুল হয় 💎 আবু হুরায়রা রা. বলেন- ❝রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন জুমার দিনের আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, এইদিন একটা সময় আছে তখন কোনো মুসলিম নামাযরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট যা চাইবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই তা দেবেন।❞ (আবু হুরায়রা রা. বলেন,) এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে ইশারা করেছেন, ঐ মুহূর্তটা অতি অল্প সময়। 📚 সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় স্পষ্ট এসেছে- ❝সে মুহূর্তটি খুব সামান্য সময়।❞ 📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ❝জুমার দিন বারো ভাগ। (এর মধ্যে একটি সময় আছে, যাতে) কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাআলা নিশ্চয় তা দান করবেন। সে সময়টি তোমরা অনুসন্ধান কর আসরের পর দিনের শেষ অংশটিতে।❞ 📚 মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ১০৩২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১০৪৮; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ১৩৮৯১ হাফেয ইবনে হাজার রাহ. লেখেন- ❝এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এসব মতের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য মত হল- আবু মূসা আশআরী রা. ও আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা.-এর হাদীসে উল্লেখিত দুটি মত।❞ 📚ফাতহুল বারী ২/৪৮৮ এক. খতীব খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠার পর থেকে নামায শেষ করা পর্যন্ত। আবু মূসা আশআরী রা., আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা., আবু বুরদা রাহ. প্রমুখ এই মতের প্রবক্তা। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৬, ৫৫০৭; আততামহীদ, ইবনে আবদুল বার ১৯/২২ দুই. জুমার দিনের শেষ সময় তথা আসরের নামাযের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা., আবু হুরায়রা রা., আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., কা‘ব আহবার রাহ., সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহ., মুজাহিদ রাহ. ও তাউস রাহ. প্রমুখ এই মত গ্রহণ করেছেন। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৩-৫৫০৫, ৫৫১৪; আততামহীদ ১৯/২০, ২৩-২৪; আলইস্তিযকার ৫/৮২, ৮৬, ৯৭) সুতরাং আমরা জুমার দিন এই দুই সময় দুআর এহতেমাম করব। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমাদের ঐ বিশেষ সময়ের ফযীলত লাভ হবে এবং আমাদের দুআ আল্লাহ কবুল করবেন। ইমাম আবু উমর ইবনে আবদুল বার রাহ. বলেছেন- ❝প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, কবুলের আশা নিয়ে তার দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ের জন্য এই দুই সময়ে গুরুত্বের সাথে দুআ করা। তাহলে ইনশাআল্লাহ, তার দুআ বৃথা যাবে না।❞ 📚 আততামহীদ ১৯/২৪

photo content

উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ ❝তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম তারা, যারা নিজেরা কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্
উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ
❝তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম তারা, যারা নিজেরা কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।❞
সহীহ বুখারী হাদিস নং ৫০২৮

❝হে আমার ছেলেরা! তোমরা যাও, গিয়ে ইউসুফ আর তার ভাইয়ের খোঁজ খবর লও, আল্লাহর রহমাত থেকে নিরাশ হয়ো না, কেননা কাফির সম্প্রদায়
❝হে আমার ছেলেরা! তোমরা যাও, গিয়ে ইউসুফ আর তার ভাইয়ের খোঁজ খবর লও, আল্লাহর রহমাত থেকে নিরাশ হয়ো না, কেননা কাফির সম্প্রদায় ছাড়া আল্লাহর রহমাত হতে কেউ নিরাশ হয় না।❞
সূরা ইউসুফ আয়াত নং ৮৭

photo content

photo content

💎 জুমার দিন যে সময় দুআ কবুল হয় 💎 আবু হুরায়রা রা. বলেন- ❝রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন জুমার দিনের আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, এইদিন একটা সময় আছে তখন কোনো মুসলিম নামাযরত অবস্থায় আল্লাহর নিকট যা চাইবে আল্লাহ তাকে অবশ্যই তা দেবেন।❞ (আবু হুরায়রা রা. বলেন,) এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে ইশারা করেছেন, ঐ মুহূর্তটা অতি অল্প সময়। 📚 সহীহ বুখারী, হাদীস ৯৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় স্পষ্ট এসেছে- ❝সে মুহূর্তটি খুব সামান্য সময়।❞ 📚 সহীহ মুসলিম, হাদীস ৮৫২ জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ❝জুমার দিন বারো ভাগ। (এর মধ্যে একটি সময় আছে, যাতে) কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহ তাআলার কাছে যা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাআলা নিশ্চয় তা দান করবেন। সে সময়টি তোমরা অনুসন্ধান কর আসরের পর দিনের শেষ অংশটিতে।❞ 📚 মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস ১০৩২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১০৪৮; সুনানে নাসায়ী, হাদীস ১৩৮৯১ হাফেয ইবনে হাজার রাহ. লেখেন- ❝এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এসব মতের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য মত হল- আবু মূসা আশআরী রা. ও আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা.-এর হাদীসে উল্লেখিত দুটি মত।❞ 📚ফাতহুল বারী ২/৪৮৮ এক. খতীব খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে উঠার পর থেকে নামায শেষ করা পর্যন্ত। আবু মূসা আশআরী রা., আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা., আবু বুরদা রাহ. প্রমুখ এই মতের প্রবক্তা। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৬, ৫৫০৭; আততামহীদ, ইবনে আবদুল বার ১৯/২২ দুই. জুমার দিনের শেষ সময় তথা আসরের নামাযের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রা., আবু হুরায়রা রা., আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা., কা‘ব আহবার রাহ., সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহ., মুজাহিদ রাহ. ও তাউস রাহ. প্রমুখ এই মত গ্রহণ করেছেন। 📚 মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, বর্ণনা ৫৫০৩-৫৫০৫, ৫৫১৪; আততামহীদ ১৯/২০, ২৩-২৪; আলইস্তিযকার ৫/৮২, ৮৬, ৯৭) সুতরাং আমরা জুমার দিন এই দুই সময় দুআর এহতেমাম করব। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমাদের ঐ বিশেষ সময়ের ফযীলত লাভ হবে এবং আমাদের দুআ আল্লাহ কবুল করবেন। ইমাম আবু উমর ইবনে আবদুল বার রাহ. বলেছেন- ❝প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, কবুলের আশা নিয়ে তার দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ের জন্য এই দুই সময়ে গুরুত্বের সাথে দুআ করা। তাহলে ইনশাআল্লাহ, তার দুআ বৃথা যাবে না।❞ 📚 আততামহীদ ১৯/২৪

PP_সূরা_আর_রাদ_আয়াত_নং_২৮_20260903_195649_0000.png1.14 KB

photo content

MWP_সূরা_আর_রাদ_আয়াত_নং_২৮_20260903_165331_0000.png0.49 KB

photo content

DWP_সূরা_আর_রাদ_আয়াত_নং_২৮_20260903_204600_0000.png0.74 KB

photo content

photo content

❝জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্ত হয়।❞ সূরা রা'দ আয়াত নং ২৮
❝জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্ত হয়।❞
সূরা রা'দ আয়াত নং ২৮