ru
Feedback
Islam Insight

Islam Insight

Открыть в Telegram

বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সর্বশেষ সংবাদ, নির্যাতিত মুসলমানদের পরিস্থিতি, বিশ্লেষণ ও মতামত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন Other's Platform: Facebook: facebook.com/insightislam5 Website: https://islaminsight.net Youtube: youtube.com/@IslamInsight1

Больше
9 207
Подписчики
-324 часа
-217 дней
-10830 день
Архив постов
🚨আট মাস পেরিয়ে গেলেও প্রকাশিত হয়নি বিডিআর হত্যার তদন্ত রিপোর্ট ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি খুনি হাসিনার নির্দেশে ঢাকার পিল
🚨আট মাস পেরিয়ে গেলেও প্রকাশিত হয়নি বিডিআর হত্যার তদন্ত রিপোর্ট ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি খুনি হাসিনার নির্দেশে ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের ২১১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন গত বছরের ৩০ নভেম্বর সরকারের কাছে জমা দেওয়া হলেও আট মাসেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। বিস্তারিতঃ https://islaminsight.net/2026/8426/

🔴মুসলিম যুবকদের চারিত্রিক অধঃপতনের নীলনকশা (৪র্থ পর্ব) ⚫️ যেভাবে বর্তমান মুসলিম প্রজন্মকে ঐক্য থেকে বিচ্ছিন্ন করা হলো হে প্র
🔴মুসলিম যুবকদের চারিত্রিক অধঃপতনের নীলনকশা (৪র্থ পর্ব) ⚫️ যেভাবে বর্তমান মুসলিম প্রজন্মকে ঐক্য থেকে বিচ্ছিন্ন করা হলো হে প্রিয় মুসলিম যুবক! আপনি এমন এক উম্মাহর অংশ, যার বন্ধন কোনো দেশ, ভাষা, বর্ণ বা গোত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। এই উম্মাহকে একত্র করেছে এক আল্লাহর প্রতি ঈমান, রাসুল ﷺ-এর অনুসরণ এবং একই কিবলার দিকে ফিরে দাঁড়ানো। ইসলামের আগমনের আগে মদিনার আওস ও খাজরাজ গোত্র দীর্ঘদিন পরস্পরের শত্রু ছিল। কিন্তু ইসলাম তাদের এমন ঈমানি ভ্রাতৃত্বে আবদ্ধ করেছিল যে, সেই শত্রুতা চিরতরে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু আজ এক আল্লাহ ও রাসুল ﷺ-এর অনুসারী মুসলিমরাই জাতি, অঞ্চল, ভাষা, রাজনৈতিক দল, সংগঠন, মাযহাব ও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে পরস্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মতপার্থক্য শত্রুতায় পরিণত হচ্ছে, আলোচনা রূপ নিচ্ছে অপমানে, আর একজন মুসলিম আরেকজন মুসলিম ভাইকে সংশোধনের পরিবর্তে পরাজিত করতে চাইছে।

🚨 শাপলা গণহত্যা মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী সন্ত্রাসী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশক
🚨 শাপলা গণহত্যা মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী সন্ত্রাসী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী সন্ত্রাসী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

🔴 রাশিয়া টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (FS
🔴 রাশিয়া টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (FSB) টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে তার নামে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির উদ্যোগ নিয়েছে/জারি করেছে বলে দাবি করেছে। রাশিয়ার অভিযোগ, টেলিগ্রাম এমন কিছু চ্যানেল, গ্রুপ ও বট অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে যেগুলো রাশিয়ার ভেতরে নাশকতা, হামলা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে। দুরভ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, রাশিয়া টেলিগ্রামের স্বাধীনতা, ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা এবং প্ল্যাটফর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। রাশিয়ায় জন্ম নেওয়া দুরভ বর্তমানে ফ্রান্স ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিক এবং রাশিয়ার বাইরে বসবাস করেন। আন্তর্জাতিক পরোয়ানার কারণে তিনি অন্য দেশে গেলে আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন, তবে তাকে রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হবে কি না তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও সিদ্ধান্তের ওপর।

🔴 BRAS জোট: RAW-এর হাত ধরে যেভাবে বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো এক ছাতার নিচে আসলো বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী
🔴 BRAS জোট: RAW-এর হাত ধরে যেভাবে বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো এক ছাতার নিচে আসলো বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরেই নানা কারণে বিভক্ত ছিল। ২০১৭ সালে BLA-এর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে সংগঠনটি বিভক্ত হয়ে যায় BLA-আজাদ (BLA-A) ও BLA-জিয়ান্দ (BLA-J)। পাশাপাশি BLF ও BRA-ও আলাদাভাবে কাজ করত। ভারত বুঝতে পারে যে এই বিভক্ত গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো বড় অপারেশন চালাতে পারছে না, কারণ তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ছিল প্রকট। তাই RAW একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা করে, যেখানে সব গোষ্ঠী একসঙ্গে কাজ করবে, গোয়েন্দা তথ্য ও সম্পদ ভাগাভাগি করবে এবং যৌথভাবে বড় অপারেশন পরিচালনা করবে। বিস্তারিত : https://islaminsight.net/2026/8420/

🔴 UN রিপোর্ট: Boeing নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সন্ত্রাসী RSF-কে অস্ত্র ও যোদ্ধা সরবরাহ হয়েছে সুদানের চলমান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘের
🔴 UN রিপোর্ট: Boeing নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সন্ত্রাসী RSF-কে অস্ত্র ও যোদ্ধা সরবরাহ হয়েছে সুদানের চলমান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘের (UN) একটি নতুন প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক এক মার্কিন সামরিক ঠিকাদারের সঙ্গে যুক্ত একটি বিমান নেটওয়ার্ক Boeing 727 উড়োজাহাজ ব্যবহার করে সুদানের সন্ত্রাসী বাহিনী Rapid Support Forces (RSF)-এর কাছে অস্ত্র, ড্রোন এবং বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধা পৌঁছে দিয়েছে। জাতিসংঘের তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিমান বিভিন্ন গোপন রুট ব্যবহার করে অস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম ও লোকবল পরিবহন করত। বিমানগুলোর চলাচল সুদান ও আশপাশের কয়েকটি দেশের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা বিভিন্ন সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাওয়া নথির ভিত্তিতে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কিছু বিদেশি যোদ্ধাকে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সুদানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তারা RSF-এর বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।

🔴 ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কারোপের আহ্বান জানিয়ে মার্কিন সিনেটে বিল পাশ রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মার্কিন সিনেটে একটি ন
🔴 ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কারোপের আহ্বান জানিয়ে মার্কিন সিনেটে বিল পাশ রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মার্কিন সিনেটে একটি নিষেধাজ্ঞা বিল পাস হয়েছে যা কার্যকর হলে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি করা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা যেতে পারে। রাশিয়ার তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হওয়ায় ভারত এ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

🔴 সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও নেপাল বাংলাদেশ ও নেপাল সার্ককে পুনরায় সক্রিয় করে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন ত্বরান্বিত
🔴 সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও নেপাল বাংলাদেশ ও নেপাল সার্ককে পুনরায় সক্রিয় করে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়ে একমত হয়েছে। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক জোরদার, বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি মৈত্রী গ্রুপ গঠন, সংসদীয় কূটনীতি, আইন প্রণয়ন, সুশাসন, বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, আঞ্চলিক সংযোগ ও জলবায়ু সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নেপালের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অর্জনে বাংলাদেশের সফলতা কামনা করেন।

🔴 যুক্তরাষ্ট্রের মসজিদে হামলা ও ভাঙচুর ৫১ শতাংশের বেশি বেড়েছে: কেয়ারের প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের উপাসনালয় লক্ষ্য করে
🔴 যুক্তরাষ্ট্রের মসজিদে হামলা ও ভাঙচুর ৫১ শতাংশের বেশি বেড়েছে: কেয়ারের প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের উপাসনালয় লক্ষ্য করে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মার্কিন মুসলিম অধিকার সংস্থা কেয়ারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি–জুলাই সময়ে এ ধরনের ঘটনা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ৫১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মে–জুলাই তিন মাসে বৃদ্ধির হার ছিল ১৮৩ শতাংশ।

🔴 নিশ্চয় মুত্তাকীগণ থাকবে জান্নাত ও ঝর্ণাধারাসমূহে। 'তোমরা তাতে প্রবেশ কর শান্তিতে, নিরাপদ হয়ে’ ... সূরাঃ আল-হিজর ৪৫-৪৮

🔴 কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে? ৬৩৬ সালের ইয়ারমুক উপত্যকা। মাত্র ৪০হাজার মুসলিম বাহিনীর সামনে রোমান সাম্রাজ্যের ২লাখে
🔴 কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে? ৬৩৬ সালের ইয়ারমুক উপত্যকা। মাত্র ৪০হাজার মুসলিম বাহিনীর সামনে রোমান সাম্রাজ্যের ২লাখের বিশাল বাহিনী। যুদ্ধ ততক্ষণে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ধুলোয় ঢেকে গেছে আকাশ। তলোয়ারের ঝনঝনানি, আহতদের আর্তনাদ আর তাকবীরের ধ্বনিতে কেঁপে উঠছে পুরো উপত্যকা। মুসলিম বাহিনীর একটি অংশ প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে। শত্রুর অবিরাম আক্রমণে কিছুটা নড়বড়ে হয়ে গেছে মুসলিম বাহিনী। ঠিক তখনই এক যোদ্ধা তার ঘোড়া থেকে নেমে এলেন। হাতে তলোয়ার। চোখে অদম্য দৃঢ়তা। তিনি উচ্চস্বরে ডাক দিলেন—
"কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে?"
এই ঘোষণা কোনো আবেগতাড়িত স্লোগান ছিল না। এটি ছিল বাইআতুল মাওত—মৃত্যু পর্যন্ত অবিচল থেকে যুদ্ধ করার অঙ্গীকার। যারা তার ডাকে সাড়া দেবেন, তাদের অধিকাংশই হয়তো আর জীবিত ফিরে আসবেন না—এ কথা সবাই জানতেন। কিন্তু তবুও একে একে এগিয়ে এলেন সাহসী মুমিনরা। বিস্তারিতঃ https://islaminsight.net/2026/8415/

🚨 যুদ্ধের মধ্যে চীন থেকে শত শত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান: রয়টার্স যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাতে
🚨 যুদ্ধের মধ্যে চীন থেকে শত শত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান: রয়টার্স যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাতের মধ্যে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে চীনের কাছ থেকে শত শত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (ম্যানপ্যাডস) ক্রয় করছে ইরান। প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই চুক্তির অধীনে তেহরান চীনের তৈরি ৩০০ থেকে ৪০০টি ‘কিউডব্লিউ-১২’ (QW-12) এবং ‘এফএন-১৬’ (FN-16) কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাবে, যার প্রথম চালান আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পশ্চিমা বিমান হামলায় ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষা দুর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার পর তেহরান নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম এই ইনফ্রারেড-নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের পদক্ষেপ নেয়। হংকংভিত্তিক ‘ঝাংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সরবরাহ নিশ্চিত করতে চীনের উরুমকি থেকে পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার কিংবা বিকল্প হিসেবে নিরাপদ স্থলপথ ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স

🚨 সন্ত্রাসী নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ সন্ত্রাসী নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের
🚨 সন্ত্রাসী নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ সন্ত্রাসী নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিক্ষোভ করেছেন শত শত মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রে সফররত সন্ত্রাসী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের দাবি জানান তারা। প্রবল বৃষ্টি ও কঠোর নিরাপত্তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের দিকে অগ্রসর হন। কয়েকজন জর্জটাউনের ফোর সিজনস হোটেলের লবিতেও ঢুকে পড়েন, যেখানে নেতানিয়াহু অবস্থান করছিলো। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের সরিয়ে দেয়। গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগে ২০২৪ সালে সন্ত্রাসী নেতানিয়াহু ও সন্ত্রাসী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।

photo content

🚨 জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আইআরজিসির জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটি ও সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি কেন্
🚨 জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আইআরজিসির জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটি ও সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি কেন্দ্র লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি এবং দেশটির স্বার্থে মার্কিন বাহিনীর কথিত অবৈধ পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে প্রতিরোধও চলবে। একই সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের হুমকি ও ইরানের স্বার্থে হস্তক্ষেপ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে আইআরজিসি।

🚨 ইরাকে ‘ইরান-ঘনিষ্ঠ’ গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে মার্কিন-সৌদির সন্ত্রাসী হামলা ইরাকের পূর্বাঞ্চলে ‘ইরান-ঘনিষ্ঠ’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর একাধিক
🚨 ইরাকে ‘ইরান-ঘনিষ্ঠ’ গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে মার্কিন-সৌদির সন্ত্রাসী হামলা ইরাকের পূর্বাঞ্চলে ‘ইরান-ঘনিষ্ঠ’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর একাধিক অস্ত্র ও সরবরাহকেন্দ্রে যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, গত ৭২ ঘণ্টায় আইআরজিসির নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও সৌদি জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ৩০টির বেশি ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। এর জবাবেই মার্কিন ও সৌদি যুদ্ধবিমান লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালায়। সেন্টকম আরও দাবি করেছে, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ইরাকের ইরান-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলো মার্কিন নাগরিক ও স্থাপনায় ৬০০টির বেশি হামলার চেষ্টা করেছে।

🚨 গাজার ইয়ারমুক স্টেডিয়াম-সংলগ্ন ‘আত-তাকওয়া’ মসজিদে বিমান হামলা চালিয়ে ধসিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসী ইসরাইল। YOUTUBE: https://youtube.com/shorts/z16acdVANj8

🏵 আজকের তাফসির জিহাদের ময়দানে দৃঢ় থাকার কোরআনি শিক্ষা ✅ আল্লাহ তাআলা বলেন: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا لَقِيتُمُ
🏵 আজকের তাফসির জিহাদের ময়দানে দৃঢ় থাকার কোরআনি শিক্ষা ✅ আল্লাহ তাআলা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا لَقِيتُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا زَحْفًا فَلَا تُوَلُّوهُمُ الْأَدْبَارَ ۝ وَمَنْ يُوَلِّهِمْ يَوْمَئِذٍ دُبُرَهُ إِلَّا مُتَحَرِّفًا لِقِتَالٍ أَوْ مُتَحَيِّزًا إِلَىٰ فِئَةٍ فَقَدْ بَاءَ بِغَضَبٍ مِنَ اللَّهِ وَمَأْوَاهُ جَهَنَّمُ ۖ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ হে মুমিনগণ! যখন তোমরা যুদ্ধের ময়দানে অগ্রসরমান কাফিরদের মুখোমুখি হবে, তখন তাদের পৃষ্ঠ প্রদর্শন করো না। আর সেদিন যে ব্যক্তি যুদ্ধের কৌশল পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে কিংবা নিজ বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য সরে যাওয়া ছাড়া তাদের পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে, সে আল্লাহর ক্রোধ নিয়ে ফিরবে। তার আশ্রয় হবে জাহান্নাম; আর তা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল! — সূরা আল-আনফাল: ১৫–১৬
জিহাদের ময়দানে শত্রুর মুখোমুখি হয়ে ভীত হয়ে পালিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ। তবে যুদ্ধকৌশল পরিবর্তন, সুবিধাজনক অবস্থান গ্রহণ কিংবা মূল বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে সরে যাওয়া পলায়নের অন্তর্ভুক্ত নয়। ✅ তাফসিরে ইবন কাসিরে বর্ণিত হয়েছে: যুদ্ধের সময় শত্রুকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। তবে যে ব্যক্তি শত্রুকে বিভ্রান্ত করা, নতুনভাবে আক্রমণ করা কিংবা নিজের মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে স্থান পরিবর্তন করে, তার জন্য এই সতর্কতা প্রযোজ্য নয়। তাফসিরে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মুমিনদের উচিত যুদ্ধক্ষেত্রে দৃঢ় থাকা, আল্লাহর সাহায্যের ওপর আস্থা রাখা এবং ভয়ের কারণে নিজেদের দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে না যাওয়া। কারণ বিজয় শুধু বাহ্যিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না; বরং তা আল্লাহর সাহায্য, আনুগত্য ও অবিচলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। ➡️ আমাদের করণীয়:
-যুদ্ধসহ যেকোনো দ্বীনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ভয় ও দুর্বলতার কাছে আত্মসমর্পণ না করা। - আবেগের পরিবর্তে শৃঙ্খলা, প্রস্তুতি ও সঠিক কৌশল অনুসরণ করা। -কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্যের ওপর তাওয়াক্কুল রেখে দায়িত্বে অবিচল থাকা।
হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তর থেকে ভয় ও দুর্বলতা দূর করুন,হকের পথে অবিচল রাখুন এবং আপনার ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করার তাওফিক দিন। আমিন।

🚨 নেপালের সুনসারি জেলার সিনওয়ারি এলাকায় হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের হামলায় একটি মসজিদ ভাঙচুরের শিকার YOUTUBE: https://youtube.com/shorts/OF54vAynWPI

🚨 ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী ‘ধর্ষকদের রক্ষক’: রাহুল গান্ধী ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশিকে ‘ধর্ষকদের রক্ষক’ বলে তী
🚨 ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী ‘ধর্ষকদের রক্ষক’: রাহুল গান্ধী ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশিকে ‘ধর্ষকদের রক্ষক’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে এমন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যে মুসলিম নারী বিলকিস বানু ধর্ষণ মামলার দণ্ডিতদের আগাম মুক্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও বলেন, এই নিয়োগ ভারতের কোটি কোটি নারীর কাছে উদ্বেগজনক বার্তা দিয়েছে।
২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গায় বিলকিস বানুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও তাঁর স্বজনদের হত্যায় দণ্ডিত ১১ জনের মুক্তিকে জোশি সমর্থন করেছিলো। পরে ২০২৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট সেই মুক্তির আদেশ বাতিল করে।
ধর্ষকদের পক্ষে দাঁড়ানো ব্যক্তিকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়ে মোদি সরকার প্রমাণ করেছে, নারীর মর্যাদা নয়, অপরাধীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাই তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।