ru
Feedback
Okay Bangladesh

Okay Bangladesh

Открыть в Telegram

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Okay Bangladesh

Канал Okay Bangladesh (@newsiea) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 14 860 подписчиков, занимая 14 222 место в категории Новости и СМИ и 1 582 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 14 860 подписчиков.

Согласно последним данным от 05 сентября, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -436, а за последние 24 часа — -24, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.67%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 3.97% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 923 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 590 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 16.

📝 Описание и контентная политика

Описание канала не предоставлено.

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 06 сентября, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Новости и СМИ.

14 860
Подписчики
-2424 часа
-1417 дней
-43630 дней
Архив постов
অন্যদের ক্ষেত্রে শরিয়া নির্ধারিত শাস্তি চাইবে, প্রচলিত আইনে বিচার হয় না এই অজুহাতে আইন হাতে তুলে নিতেও চাইবে, কিন্তু নিজেদের বেলায় শরিয়ার শাস্তি তো দূরের কথা, প্রচলিত আইনেও শাস্তি চাইবে না। দোষ গোপন করার কথা বলবে। তারপরেও ইসলামের কোনো অবমাননা হবে না। তারপরেও তৌহিদি জনতা এই হুজুরের বিরুদ্ধে কোনো মিছিল করবে না। কারণ তৌহিদি কাক অন্য কাকের মাংস খায় না।

আবার এক কাওমে-লূত কয় মোসলমানের দোষ ত্রুটি গোপন রাখা উচিত ' 😀

এত রে*প কেসের পরেও কেন গরীব মানুষদের কাছে মাদ্রাসার আবেদন আছে, তার একটা প্র‍্যাক্টিকাল এক্সপেরিয়েন্স আমি শুনসিলাম।। একটা পাড়ায় বাচ্চা একটা পোলা খেলতে গিয়ে পুকুরে পরে মারা গিয়েছিল, এখন এই ঘটনার পরে ওই পাড়ার বেশিরভাগ লোক তাদের পোলা মাইয়াদের আবাসিক মাদ্রাসায় দিয়ে দিসিল। কারণ দেখাশোনার প্যারা নাই, সেইফটি নিয়ে টেনশনের প্যারা নাই, পড়াশোনার খরচ তুলনামূলক কম। এই আবাসিক সার্ভিসটার জন্যেই অনেকেই মাদ্রাসায় ঢুকায় পোলাপান। তবে এসব মাদ্রাসায় বিশেষত কওমি ঘরানার তে ছাত্র ছাত্রীদের রে*প কেইসের ঘটনা এত বেশি কেন ঘটছে সেটার কারণ আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। কিন্তু কওমির সাথে অন্যান্য ঘরানার মাদ্রাসার একটা পার্থক্য আছে। আলিয়া মাদ্রাসা, এবতেদায়ী মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি মাদ্রাসাগুলাতে শক্তিশালি রেগুলেশন অথরিটি আছে। ফলে একটা অবজার্ভেশনের ভেতর তারা থাকে৷ কওমি ঘরানাতে এই অবজারভেশন অথরিটি টা তারা নিজেরাই। ফলে নিজেদের অভিযুক্ত শিক্ষকদের তারা নিজেরাই নানাভাবে ছাড় দিয়ে দেয় নিজেদের সুনাম রক্ষার জন্য। স্ট্রং অথরিটি+ জবাবদিহিতার আন্ডারে এসব মাদ্রাসাকে না আনলে এই ধরনের ঘটনা আরো বিশ্রী রূপ নিবে। বাই দ্য ওয়ে, এসব রে*প সম্প্রতি বাড়ে নাই। এটা দীর্ঘদিন ধরেই জারি ছিল। বছরখানেক আগে কয়েকজন মাদ্রাসা ছাত্র সাহস করে এসব বিষয় সামনে আনে এতদিন সোশাল মিডিয়ায় সার্কুলেট না হওয়া+ মানুষের সচেতনতার জন্য এসব জিনিস সামনে আসে নাই। থানা গুলাতে গেলে জানা যাবে এসব রে*প কেইসের প্রকৃত সংখ্যা কত।

একজন খ্যাতিমান আলেমকে'কে দেখলাম সোশাল মিডিয়ায় এই বিষয়ে প্রতিবাদ করায় উনি প্রতিবাদকারীর কমেন্টে লিখছে- আপনাকে করছে আপনার সাথে
একজন খ্যাতিমান আলেমকে'কে দেখলাম সোশাল মিডিয়ায় এই বিষয়ে প্রতিবাদ করায় উনি প্রতিবাদকারীর কমেন্টে লিখছে- আপনাকে করছে আপনার সাথে চরম অন্যায় হয়েছে আমি এর বিচার চাই। প্রটেস্টকারি লজ্জায় যেন মুখ বন্ধ করে তাই এই কমেন্ট। এই সব খ্যাতিমান নামধারী আলেমরা সম্ভবত এখন প্রটেস্টকারীদের মুখ বন্ধ করার জন্য ছাএদের ট্রেনিং দিতেছে, ছাএদের শিক্ষাচ্ছে প্রটেস্টকারিদের প্রশ্ন করবি তারা ভুক্তভোগী কি-না, আবার অনেক ইসলামপন্থী টাইপের আলেমকে দেখলাম প্রতিবাদ করায় নিজেই প্রটেস্টকারির * করতে চাচ্ছে, আবার প্রটেস্টকারিকে আমন্ত্রণও জানাচ্ছে * করার জন্য। আমাদের সমাজের অবস্থা খুবই ভয়াবহ আল্লাহ যদি রহম করে।

শিশুটিকে প্রথমে মাদ্রাসার টয়লেটে ধর্ষণ করে তার এক সিনিয়র সহপাঠী। এই ঘটনা জেনে তার আরও বেশ কজন সহপাঠী সুযোগ বুঝে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে শিশুটি যেসব হুজুরের কাছে অভিযোগ দিতে গেছে, তারাও সুযোগ বুঝে তাকে ধর্ষণ করে। ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত টানা ছয় মাস ছেলেটি উপর্যুপরি ধর্ষিত হয়। ভাবছেন কোনো গল্প-উপন্যাস কিংবা সিনেমা-নাটকের ঘটনা, তাই না? না, এই ঘটনা বাস্তব। ঘটেছে সাভারের মারকাযুল উলুম আশ-শরইয়্যাহ মাদ্রাসায়। ছেলেটির বয়স শুনলে আঁতকে উঠবেন। মাত্র সাত বছর। এই ছোট্ট শিশুটির কি অন্যায় ছিল? ছেলেটির অভিভাবক বলেন, ছেলে বাড়িতে এলে তাকে মনমরা হয়ে থাকতে দেখা যেত। সে ঠিকমতো কথা বলত না এবং খাবারও খেত না। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো মাদরাসার পড়ালেখার চাপের কারণে এমনটি করছে। সে মাদরাসায় যেতে চাইতো না। গুরুত্ব না দিয়ে তারা আবার পাঠান। আর বারে বারে হতে থাকে ধর্ষিত। ছোট পায়ু পথে চেপে চেপে বড় যৌনাঙ্গ ঢুকাতে ঢুকাতে জখম করে ফেলেছে। এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তার বাবা। ওই চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। বর্তমানে ওই মাদ্রাসার চার শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষকদের কেউ হাফেজ, কেউ হাফ মাওলানা আর কেউ জবরদস্ত মাওলানা। তাদের শক্তিশালী শরীরের কামুক স্পর্শে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ছোট শিশুটি। শারীরিক মানসিক সব দিক থেকে ভেঙে পড়েছে। —মোহাইমিন পাটোয়ারী

১৯৯৭ সালে, তুর্কী অডিও ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ টেকিন টুপুজদাগ ওমরা করার জন্য মদীনায় গিয়েছিলেন এবং লক্ষ্য করেছিলেন যে মসজিদ আন-নাবউই এর ভেতরের শব্দ অস্পষ্ট ছিল, অনেক বেশি প্রতিধ্বনি এবং প্রতিক্রিয়া সহ। তিনি মসজিদ ব্যবস্থাপনার সাথে কথা বলেন এবং তার ধারনা পরীক্ষা করার জন্য একটি বিভাগ দেওয়া হয়। উন্নতিটি এতটাই লক্ষণীয় ছিল যে তাকে পুরো সাউন্ড সিস্টেম ঠিক করতে সাহায্য করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তী 10 বছরে, তিনি মসজিদ আন-নববীতে অডিও সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে আপগ্রেড করেছেন এবং এছাড়াও মসজিদ আল-হারামের সাউন্ড সিস্টেমের উপর কাজ করেছেন। তিনি মাইক্রোফোন, কেবলস, স্পিকার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন করেছেন, প্রতিটি ইমাম এবং মুয়েযিনের জন্য সিস্টেম সমন্বয় করেছেন, প্রতিধ্বনি এবং প্রতিক্রিয়া হ্রাস করেছেন, এবং মসজিদটিকে সাতটি অডিও জোনে বিভক্ত করেছেন। তিনি মাইক্রোফোনও যোগ করেছেন যাতে প্রার্থনার প্রতিটি অংশে ইমামের কথা স্পষ্ট শোনা যায়। কাজ শেষ করার পর, শব্দ অনেক স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং অনেক বিস্তৃত ফ্রিকোয়েন্সি কভার করে। সৌদি আরব ছেড়ে যাওয়ার আগে, টপুজদাগ সৌদি প্রকৌশলীকেও প্রশিক্ষণ দিয়েছিল যারা পরে রাজ্য জুড়ে মসজিদগুলিতে অডিও সিস্টেম পরিচালনা করতে গিয়েছিল। একটি ওমরা ভ্রমণের সময় যা সমস্যা হিসেবে শুরু হয়েছিল তা হলো পবিত্র দুই মসজিদের শব্দ উন্নয়নের জন্য ১০ বছরের মিশন। —ইসলামিক ইনফরমেশন

photo content

আফগানের তালেবানরা আমেরিকা কে কেন চুসতে শুরু করেছে এই প্রশ্নের খুব যৌক্তিক উত্তর দিয়েছে আসিফ আদনানের দুই মগা ভক্ত। আসিফ আদনানে
+1
আফগানের তালেবানরা আমেরিকা কে কেন চুসতে শুরু করেছে এই প্রশ্নের খুব যৌক্তিক উত্তর দিয়েছে আসিফ আদনানের দুই মগা ভক্ত। আসিফ আদনানের অধিকাংশ ফ্যানের জ্ঞান বুদ্ধির দৌড় এরকম। ভারতীয় এজেন্সি দ্বারা চালিত এই গং লেবাস পরিধান করে মানুষ কে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে।

যাঁরা জ্ঞানী তারা হুজুর বিদ্বেষী হওয়ার অন্য তম কারণ। হুজুর আর তৌহিদি জনতার উচিৎ মোবাই ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকা, অথচ এঁরা নিজে
যাঁরা জ্ঞানী তারা হুজুর বিদ্বেষী হওয়ার অন্য তম কারণ। হুজুর আর তৌহিদি জনতার উচিৎ মোবাই ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকা, অথচ এঁরা নিজেরা দূরে না থেকে আরেক জনকে জ্ঞান দেয়। আর ফেজবুক টিকিট ইউটিউবে এসে বন্ডামি করে। মিথ্যা তথ্য ছড়ায়।

গতকাল একটা ভিডিও দেখলাম। বোরকা পরা এক মুসলিম মেয়ে এক হিন্দু ছেলের সঙ্গে ফার্মেসিতে কনডম কিনতে গেছে। ফার্মেসির লোক তাকে জিজ্ঞেস করল, “মুসলিম মেয়ে হয়ে হিন্দুর সঙ্গে কী করছ?” মেয়েটার উত্তর, “নিজে ঠিক থাকলে সব ঠিক।” চিন্তা করেন, কনডম কিনতে গেছে, আবার নীতিকথাও শোনাচ্ছে, “নিজে ঠিক থাকলে সব ঠিক”! 😆 যারা সারাদিন ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ নিয়ে কান্নাকাটি করেন, তাদের বলি, আগে নিজেদের ঘরের এসব ম্যাগিদের ব্যবস্থা করুন, তারপর হিন্দুদের নিয়ে চিন্তা করবেন। 😏 https://www.facebook.com/share/v/18WZcf1KHF/

নানা ভিডিও ক্লিপ ফেসবুকে আসে। এতে দেখি যে যে সিনিয়র সাংবাদিক এবং ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, "ভারত অত বড় শক্তি! বাংলাদেশ কী পারবে ওদের সঙ্গে? ওদের না ক্ষেপিয়ে মিটমাট করে করে বন্ধুত্ব করা উচিত।" আবার একই বিশ্লেষককে দেখি অন্য ভিডিওতে বলছেন, "মক্কা প্যাক্ট বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক। ওরা ডাকলেও আমাদের যাওয়ার উচিত হবে না"। সরকারের ভারত নীতি কী হবে, মক্কা প্যাক্টে যাবে কিনা- এগুলো নিয়ে আমার আগ্রহ মতামত নাই। আমার আগ্রহ সিনিয়র সাংবাদিক এবং সিনিয়র ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নিয়ে। তাই আমার প্রশ্ন. ভারত শক্তিশালী হওয়ায় যদি বাংলাদেশকে তাদের কথা শুনতে হয়, তাহলে তো সামরিকভাবে ভাবে শক্তিশালীল তুরস্ক, পাকিস্তান তুরস্কের কথাও শুনতে হবে। আর্থিকভাবে শক্তিশাী সৌদির কথাও শুনতে হবে নিজের স্বার্থে। আরও আর্থিক স্বার্থ চিন্তা করলে তো চীন, আমেরিকা, ইউরোপকে মামু, খালু ডাকতে হবে। কিন্তু কী কারণে যেনো সিনিয়র সাংবাদিক ও সিনিয়র ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বাকি সবার সঙ্গে সম্পর্কে কোনো না কোনো সমস্যা দেখে। খালি ভারতের বেলায় সব সুবিধা আর সুবিধা দেখে। এটাই আমি বুঝি না।

যখন বলছিলাম আফগানিস্তানের সাথে আমেরিকা সম্পর্ক স্বাভাবিক করলে, আফগানিস্তান আমেরিকাকে জামাই আদর করে আফগানিস্তানের মাটিতে ফিরিয়ে আনবে, তখন আমাকে এই দেশের কিছু মূর্খ উগ্র পন্থী গালিগালাজ করছে। এখন দেখ তুমার তালেবান ভাইরাই আমেরিকাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে, যখন সবাই আমেরিকাথেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। আমি আবারো একটা পয়েন্ট ক্লিয়ার করি এইদেশে বাম শাহাবাগী, নাস্তিক অথবা ইসলাম বিদ্বেষীদের সাথে কাওমি ঘরোয়ানার লোকদের ধর্মের পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু রাজনৈতিক কোন পার্থক্য নেই। তাঁরা অনেকগুলো চাঁদ একটা-ই দেখবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, যুক্তরাষ্ট
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে গত ২০ বছরের যুদ্ধের ছায়ায় না দেখে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তিতে দেখা উচিত। তাঁর ভাষায়, আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক নীতি 'উন্মুক্ত' এবং মার্কিন বিনিয়োগকে দেশটি 'অবশ্যই' স্বাগত জানাবে। তবে এই প্রস্তাব সরাসরি হোয়াইট হাউসে দেওয়া হয়েছে কি না, তা জানাননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা-সমর্থিত আফগান সরকারের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, আফগানিস্তানে অন্তত ১ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে। তামা, লৌহ আকরিক, নিওবিয়াম, কোবাল্ট, সোনা ও লিথিয়ামের বিশাল মজুত থাকলেও কয়েক দশকের সংঘাতে এসব সম্পদের বড় অংশ এখনো মাটির নিচেই রয়ে গেছে।

"নবীর সন্তান নবী হতে আপত্তি নেই, পীরের সন্তান পীর হলে আপত্তি কেন?" প্রশ্ন করেছেন জনৈক পীর। প্রশ্নটা দেখতে পেয়েছি অনলাইনের এক ভিডিওতে। প্রশ্নটা শুনতেই কলিজার ভেতরটা ধপ করে উঠেছে। চিৎকার করে কাঁদতে মন চাচ্ছে, "লোকটা বললো কি?" কেউ চাইলে নবী হতে পারেন না। কোনো নবী তার সন্তানকে নিজের নবুওয়াতের আসনে বসাতে পারেন না। কোনো সন্তানও বাবার নবুওয়াতের আসন দখল করতে পারেন না। আল্লাহ তা'আলা নিজ ইচ্ছায় যাকে নির্বাচন করেন, একমাত্র তিনিই নবী হন। এখানে বাবা সন্তানের সম্পর্ক মুখ্য নয়। আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছাই মূল বিষয়। দুনিয়াতে নবীর সন্তান নবী ছিলেন, এটা সত্য। কিন্তু নবীর সন্তান কাফেরও তো ছিলেন। বাংলাদেশে একজন পীর নিজের অযোগ্য সন্তানকেও পীরের আসনে বসান, আবার সন্তানও বাবার আসন দখল করে বসেন। এখানে আল্লাহর ইচ্ছা মুখ্য নয়। পীর এবং তার সন্তানের জালিয়াতি, জবরদখল এবং পীরালী ব্যবসারও দখল রয়েছে। সুতরাং.. তওবা করুন, ঈমান নবায়ন করুন, ভুলভাল বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। --- মুফতি মুহাম্মদ নোমান কাসেমী লেখক, শিক্ষক, আলোচক উস্তাজুল হাদিস : শাইখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ঢাকা পরিচালক : আল-মারকাজুল হানাফী বাংলাদেশ, ঢাকা। খতিব : দনিয়া বড় জামে মসজিদ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

ক্বওমিদের সাথে এই বিরোধটা এনসিপির জন্য একটা লার্নিং অপরচুনিটি। শুধু নেতাদের জন্য না, এক্টিভিস্টদের জন্য। কোন সাঁকো নাড়তে নেই, কোন জায়গায় শান্ত থাকতে হয়, সমঝোতা করতে হয় ইত্যাদি! প্রত্যেকটা দেশের কিছু সেনসিটিভ ইস্যু বা জায়গা আছে, বাংলাদেশের জন্য একাত্তর এবং হুজুর সমাজ সেন্সিটিভিটির পাওয়ারটা হোল্ড করে। এই দুইটার সাথে অনেকসময় আপনি এগ্রি না করলেও আপনাকে খুব সন্তর্পনে নৌকা বেয়ে যেতে হবে যেন ধাক্কা না লাগে। হাসিনার নৌকা একবার ডুবতে বসেছিল, পরে ক্বওমিদের জননী উপাধি পেয়ে রক্ষা পায়। একাত্তর অতিরিক্ত ব্যবহার করে যেমন এর ধার ক্ষয় করে ফেলেছে, হুজুরদেরও উচিত হবে নিজেদের এই ক্ষমতার অপব্যবহার না করা। হুজুরদের ক্ষমতার দুটোদিক আছে, এক. তাদের জনসংখ্যা, দুই. সাধারণ মানুষের সম্মান। দুইদিন পর পর যেকোন ইস্যুতে আপনাদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে আপনাদের সেই ধার কমে যাবে।

আমরা বামপন্থী, আমরা কট্টর ডানপন্থী মোল্লা আমরা ক্ষমতাকে প্রশ্ন করি, শাসকের চোখে চোখ রাঙ্গিয়ে কথা বলি। তবে সে শাসক কেবলমাত্র ড.ইউনুস, হাসনাত আবদুল্লা, বিরোধী দল।

যাক এবার শামিমের আক্বিদার ওপরে বো:মা বর্ষণ বন্ধ হবে!
যাক এবার শামিমের আক্বিদার ওপরে বো:মা বর্ষণ বন্ধ হবে!

হাসনাত আবদুল্লাহ আহামরি কোন ভুল করেনি তারপরও ক্ষমা চেয়েছে। ক্ষমা চাইলে ক্ষমতা কমে না বরং মর্যাদা বাড়ে। লীগের আমলে যখন মাহফিল বন্ধ করে দিতো, আবার অনুমতি পাইলেও কোন বিষয়ে আলোচনা হবে লিমিট করে দিয়েছিল তখন কয়জন পায়ুযোদ্ধা রাস্তায় নেমে লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল? একজনও করে নাই। ১১বছরের বাচ্চা মেয়ে যখন কাটমোল্লার লালসার শিকার হয়ে প্রেগন্যান্ট হয়ে যায় তখন কয়জন ধর্ম ব্যবসায়ী প্রতিবাদ জানিয়েছিল? কয়েকদিন পরপর বলৎকারের ঘটনা আমরা দেখতে পায় এই কাটমোল্লাদের হাতে, তখনও তৌহিদী জনতা চুপচাপ। ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য অভিভাবকরা শিশুদের মাদ্রাসায় ভর্তি করায়- সেই কোমলমতি শিশুদের হাতে থালা নিয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করে কাট মোল্লাদের পকেট গরম করে তখন কয়জন ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে কথা বলেছিল? ইসলামে তো ভিক্ষা করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তাহলে মাদ্রাসার নামে ভিক্ষা করে ইসলামকে ছোট করেন কেন? বিএনপি যখন "শরীয়া আইন মানে না" বলে বক্তব্য দিয়েছে তখনও কাটমোল্লারা নিরবতা পালন করছে। হাসনাত আবদুল্লাহ যখন একটা ছোটখাটো ভুল করছে তখনই পায়ুসেনাদের চেতনা দাড়িয়ে গেছে। চেতনাদন্ড দাঁড়ালে সব জায়গায় দাঁড়াতে হয়, শুধু সরকারবিরোধী দলের বিপক্ষে কেন দাঁড়ায়? হাসিনা যখন কাটমোল্লাদের জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে কেলানি দিতো তখনও চুপচাপ, আন্দোলন করা তো দুরের কথা একটা পোস্ট দেওয়ার সাহস পেতো না। ক্ষমতাসীন দলের পা চেটে এখন ধর্ম ব্যবসায়ীরা এক একটা বীর। অতীতে আমরা দেখছি হাসিনাকে মা ডেকে লীগ চেটে বিএনপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতো ধর্ম ব্যবসায়ী কাটমোল্লারা। এখন তারেক রহমানকে বাপ ডাকে হাসনাতরা গু-লির মুখে দাঁড়িয়ে হাসিনার হাত থেকে রক্ষা করছে পায়ু যো-দ্ধাদের। সেই পায়ু সেনারা এখন হাসনাতদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে। বাংলাদেশের বেশির ভাগই মোল্লারা চুতিয়া সুবিধাবাদী বাটপার মুনাফেক। যেই দলেই ক্ষমতায় আসে তাদের পক্ষে চাটাচাটি করে সুবিধা ভোগ করে। সহীহ্ সুদ্ধভাবে পরিপূর্ণ শরীয়া মোতাবেক ইসলাম মেইনটেইন করা আর ধর্ম ব্যবসা এক নয়। ইসলামকে পূজি করে স্বার্থ ফায়দা করে নিজের পকেট গরম করে, নাম দিয়েছে তৌহিদী জনতা। দাঁড়ি রেখে টুপি পাঞ্জাবি পড়ে আলেমের বেশ ধরলে আলেম হওয়া যায় না। আলেম হলে আগে মুনাফেকি বাদ দিতে হয়। হাতে গুনা কয়েকজন আলেম ছাড়া দেশের ৮০% কাটমোল্লা ধর্ম ব্যবসায়ী।