1 036
Подписчики
Нет данных24 часа
-87 дней
-4030 дней
Архив постов
1 036
নাটোরের এমপি শিমুলের বাসায় যখন আগুন দেয়া হয় তখন উপরের তালায় উৎসুক জনতাও ছিলো। নিচতালায় আগুন দেয়ায় উপরে লোকজন আটকা পড়ে। এতে ৮ জন দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করে।
দেশব্যাপী বাড়িতে আগুন দেয়ার এই ট্রেন্ডে অনেক নিরিহ মানুষ মারা যাচ্ছে, যারা কিনা অগ্নি সংযোগের সাথেও জড়িত না।
কেবলমাত্র উৎসুক জনতা।
1 036
পুলিশকে দলীয় গুন্ডাবাহিনী হিসেবে যাচ্ছেতাই ব্যবহার করে এদেরকে গণশত্রুতে পরিণত করে দিয়ে গেছে খুনি হাসিনা। এই পুলিশদের হাতে শত-শত মায়ের বুক খালি হয়েছে খুনি হাসিনার ক্ষমতার নেওয়ার সময় থেকেই। যার কারণে এখন ক্ষুদ্ধ মানুষজন প্রতিটা থানায় থানায় আক্রমণ করছে। এরা বরাবরই আওয়ামী গুন্ডাবাহিনীর মতো আচরণ করেছে সবার সাথে।
যদিও সবার উচিৎ এইমুহুর্তে শান্ত থাকা। এই পুলিশলীগের খুনিদের বিচার যথাযথ আইন মেনে করা হবে ইনশা'আল্লাহ। আপনারা নিজেরা এইমুহুর্তে তাদের সাথে ফাইটে গিয়ে মারা পইড়েন না।
1 036
আজ মঙ্গলবার
স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ
আজ সকাল থেকে বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে।
সকল নাগরিক স্ব স্ব কর্মস্থলে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করবেন। শিক্ষার্থীদের পদচারনায় আবারও মুখরিত হবে শিক্ষাঙ্গন।
1 036
জরুরী লাল সতর্ক (Emergency Red Alert: বার্তা...
শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার (After 24 hours of Resignation of PM) মধ্যে দেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটানো হবে যেন, সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকারীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এজন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে কাজ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়োগ দিয়ে হাসিনার তৈরি করা একটি গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানমন্ত্রীর (হাসিনার) অধীনস্ত থাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (পিমও) প্রায় ৫০০ সদস্য। তাদের পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Task 1. হাসিনার পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কিছু বিভৎস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সেখানে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে ভিডিও করে সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা। Goal: মূলত এই আন্দোলন জামাত-শিবির করেছে সেটা বিশ্বের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে করা হবে।
Task 2. সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক হামলা-হত্যা-লুটপাট করা হবে। সেগুলো ভিডিও ও ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রচার করা হবে। Goal: হাসিনা ছাড়া কারো কাছে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় প্রমাণ করা এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি করা।
Task 3. বিদ্যুৎকেন্দ্র, বড় সেতু, কারখানা বা এমন অনেক স্থাপনা ধ্বংস করে দেয়া। Goal: মেরামত করতে পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সরকার যেন দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়।
- দ্রুত দেশবাসীর কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়া দরকার। আজ রাতে যেন সংখ্যালঘুদের পাহারা দেয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা দরকার। আন্দোলনের সমন্বয়কদের এই ২৪ ঘণ্টা সরকার গঠনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত রাখা হবে। এর মধ্যে সব ঘটনা ঘটিয়ে ফেলা হবে।Ami 100% sure na but hoity pare..
