ru
Feedback
Come Towards Allah

Come Towards Allah

Открыть в Telegram

তুমি তোমার রবের কাছে ফিরে এসো সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে - সূরা আল-ফাজর (আয়াত-২৮)

Больше
5 029
Подписчики
-324 часа
-287 дней
-11030 дней
Архив постов
রামাদানুল মুবারক মাস শেষ… কিন্তু এর শিক্ষা ও অর্জিত ভালো অভ্যাসগুলো নিজের জীবনে ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারাবাহিকতা
রামাদানুল মুবারক মাস শেষ… কিন্তু এর শিক্ষা ও অর্জিত ভালো অভ্যাসগুলো নিজের জীবনে ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ইন শা আল্লাহ, আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “Post Ramadan ইসলাহী মজলিস”। নিজের আত্মিক উন্নয়ন ও ইসলাহর নিয়তে এই মজলিসে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক দাওয়াত রইলো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন। আমিন। #YouthClubctg

সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক
সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক

লাইলাতুল কদরে বেশি বেশি পাঠ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাতটি সহিহ যিকর ও তাসবিহঃ- ❖ [যিকর নং:০১] সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ ও আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে পড়া। . রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— ◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, সে ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে; ◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ্’ বলবে, সে আল্লাহর রাস্তায় যু[দ্ধে]র জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মু[জা]হিদ প্রেরণের সওয়াব পাবে; ◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে, সে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সওয়াব পাবে; ◉ যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে, সে এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও যমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ২/১২৫২; আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৬/৩৪৪; হাদিসটি হাসান] . ❖ [যিকর নং:০২] একটি গুরুত্বপূর্ণ তাসবিহ কমপক্ষে ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করা। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার পড়বে— لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ [মোটামুটি উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর] অর্থ: আল্লাহ্ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা কেবল তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। . ◉ সে ১০টি গোলাম মুক্ত করার সওয়াব পাবে; ◉ তার জন্য ১০০ সওয়াব লেখা হবে; ◉ তার ১০০ গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে; ◉ ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে এবং (সন্ধ্যায় বা রাতে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে) ◉ ওই দিনের হিসেবে কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে বেশি পড়বে।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৩২৯৩; আবু দাউদ, আস-সুনান: ৫০৭৭] . অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেকটি দশবার করে বলবে, সে ইসমাঈল (আ.)-এর বংশের চারজন ক্রীতদাস মুক্ত করে দেওয়ার নেকি পাবে।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪০৪] . ❖ [যিকর নং:০৩] লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ খুব বেশি পরিমাণে পড়তে থাকা। . জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘সর্বশ্রেষ্ঠ যিকর হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৩৮৩; হাদিসটি হাসান] . ❖ [যিকর নং:০৪] ‘সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়া বিহামদিহি’ বেশি পরিমাণে পাঠ করা। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি— سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وبِحَمْدِهِ (সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়া বিহামদিহি—মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত; প্রশংসা কেবল তাঁরই) পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়।’’ [তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৪৬৪; হাদিসটি হাসান সহিহ] . ❖ [যিকর নং:০৫] ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম’ বেশি করে পড়া। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা উচ্চারণে সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। তা হলো— سُبْحَانَ اللّٰهِ وبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ . উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বি‘হামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম। অর্থ: আল্লাহ পবিত্র, প্রশংসা কেবল তাঁরই; মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত। [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪০৬] . ❖ [যিকর নং:০৬] ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ ১০০ বার বা আরো বেশি পাঠ করা। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যদি কেউ দিনের মধ্যে ১০০ বার পড়ে— سُبْحَانَ اللّٰهِ وبِحَمْدِهِ (সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি—আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত; তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা) তার সকল (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪০৫] . ❖ [যিকর নং:০৭] লা ‘হাউলা ওয়া লা কুও-ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ’ বেশি বেশি পাঠ করা। . রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করবো না?” আমি বললাম, নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বলেন, “তুমি বলো— لَا ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ [উচ্চারণ: লা ‘হাউলা ওয়ালা ক্বুও-ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ] অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় নেই এবং (নেক আমল করার) কোনো শক্তি কারো নেই।’’ [বুখারি আস-সহিহ: ৪২০৬; মুসলিম, আস-সহিহ: ২৭০৪] রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা রামাদানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করো।’’ [বুখারি, আস-সহিহ: ২০২০] প্রকৃতপক্ষে শেষ দশকের প্রতিটি রাতই সম্ভাবনাময়, যদিও বেজোড় রাতগুলোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। সুতরাং, অবহেলা না করি। - তাসবীহ

রমাদ্বান নিয়ে ভয় পাওয়া উচিৎ। কেন? কারণ, রমাদ্বান পেয়েও যে গুনাহ মাফ করাতে পারে না, তাকে অভিশাপ দেয়া হইসে। কঠিন অভিশাপ! আর তুমি রমাদ্বানেও গুনাহ করতেসো? এতো এতো রিমাইন্ডার পেয়েও আল্লাহর অবাধ্যতা ছাড়তেসো না? মাফ চেয়ে ফিরতেসো না? সময় পাচ্ছো, তবু ইবাদাত করতে পারতেসো না? ইবাদাতের স্বাদ, আগ্রহ সব ধুয়ে গেসে অন্তর থেকে? ইয়া আল্লাহ, আমাদের কারো অবস্থা যেন এরকম না হয় কখনো। নিজেকে যেন এইভাবে ধ্বংস না করে ফেলি নিজের হাতে। প্লিজ ইয়া আল্লাহ! আপু, ভাইয়া, তোমার অবস্থা যদি এরকম হয়ে থাকে, আর তুমি যদি এই অবস্থায় মারা যাও, কী ধরাটা খাবা আজীবনের জন্য বুঝতে পারতেসো? সিরিয়াসলি? তোমার বুক কেঁপে উঠা উচিৎ। কান্নায় ভেঙে পড়া উচিত। এখুনই মাফ চেয়ে, তাওবা করে পুরোপুরি ফিরে আসা উচিৎ। রমাদ্বান সহ জীবনের বাকি দিনগুলো ইবাদাতের জন্য নিবেদন করা উচিৎ। আর শুরুটা যদি এখুনই, এই মূহুর্তে না করো... মনে রাইখো, আল্লাহ ছাড় দেন, অনেক ছাড় দেন, দিতেই থাকেন। কিন্তু ছেড়ে দেন না। আল্লাহকে ফেলে নিজের নফসের পূজায় দৌড়াচ্ছোতো? দৌড়াও। আরও জোরে দৌড়াবা সামনে। এক সময় গলার রশি ফুরায়ে আসবে। তারপরে এমন হ্যাঁচকা টান খাবা যে ঘাড় মটকে উল্টায়ে পড়বা। তখন চিল্লায়ে বইলো না আবার-- ও আল্লাহ! আমাকেই কেন? Why me? আল্লাহ তোমাকে যথেষ্ট সতর্ক করসেন, বারবার ওয়ার্নিং দিসেন ভালবেসে, তুমিই শুনো নাই। কুরআন থেকে পড়ে, জেনে নিতে চাও নাই। সেইদিন নিজেকে এই কথাটা মনে করায়ে দিয়ে কষে থাপড়ায়ো, প্লিজ। আর খবরদার! আল্লাহকে দোষ দিতে যায়ো না। মনে রাইখো, আল্লাহ কারো সাথেই অবিচার করেন না। ফিরে আসো। ঠিক করে নাও। আল্লাহ তোমাকে এই রমাদ্বানেও হায়াত দিসেন, নিয়ে যান নাই -- এই সুযোগ আর রহমতটা কেয়ার করো। কাজে লাগাও। ফর গ্রান্টেড ধরে নিয়ে ধরা খায়ো না। প্লিজ! আজকেও যারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিসে, এবং নিবে, তাদের লিস্টে হয়তো তোমার নামটাও আছে। . . ~ Mohammed Touaha Akbar

রমজান যত শেষের দিকে যাচ্ছে, বারবার একটা হাদিসের কথা স্মরণ হচ্ছে। সেটা হলো, যে ব্যক্তি রমজান পেল এবং নিজের গুনাহ মাফ করিয়ে নিতে পারল না তাঁর জন্য ধ্বংস! এই  ধ্বংস কামনা করেছেন খোদ নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, যিনি পুরো জগতের জন্য রহমত; স্বীয় উম্মতের দরদে সবচে ব্যাথিত। কারণ হলো, এই মাসে আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা অর্জন করা যে অনেক বেশি সহজ। এত সহজ সুযোগ পেয়েও যে একে কাজে লাগতে পারল না তাঁর জন্য ধ্বংস ছাড়া আর কীইবা আছে! আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে রমজান শেষ হবার আগেই মাগফিরাতের চাদরে মুড়িয়ে নিন। আমিন।

সাহাবায়ে কেরামের স্তরটা কেমন হবে? সবাই তো সমান নন। যতটুকু জেনেছি, সারণীটা এমন: প্রথম স্তর: মক্কায় যারা একেবারে প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। যেমন চার সাহাবী ও অন্যরা। দ্বিতীয় স্তর: কুরাইশরা দারুন নাদওয়ায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৈঠক শুরু করার আগে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তৃতীয় স্তর: হাবশার মুহাজিরগন। চতুর্থ স্তর: আকাবার প্রথম বাইয়াতে অংশগ্রহণকারীগণ। পঞ্চম স্তর: আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াতে অংশগ্রহণকারীগন। ষষ্ঠ স্তর: প্রথম দিকের মুহাজিরগন, যারা নবিজী মদীনায় প্রবেশের পূর্বেই, কুবাপল্লীতে তার সাথে সাক্ষাত করেছেন। সপ্তম স্তর: বদরী সাহাবীগন। অষ্টম স্তর: বদর ও হুদাইবিয়ার মাঝামাঝি সময়ে যারা হিজরত করেছেন। নবম স্তর: হুদাইবিয়ার দিন বাইয়াতে রিদওয়ানে অংশগ্রহনকারী সাহাবীগন। দশম স্তর: হুদাইবিয়া ও মক্কা বিজয়ের মাঝামাঝি সময়ে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। যেমন খালিদ বিন ওয়ালিদ ও আমর ইবনুল আস রা.। একাদশ স্তর: মক্কা বিজয়ের দিন ইসলামগ্রহণকারীগন। দ্বাদশ স্তর: শিশু-কিশোরগন যারা মক্কা বিজয় ও বিদায় হজের দিন নবিজীকে দেখেছে। . কী সৌভাগ্য তাদের! রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু। ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

শয়তানসঙ্গী! -হুযুর! আমার পেছনে শয়তান লেগেছে! -কিভাবে বুঝলে? -শুধু গুনাহ করতে ইচ্ছে হয়! -তুমি নিয়মিত কুরআন কারীম পড়ো? -জ্বি পড়ি! বোঝারও চেষ্টা করি! -তাহলে শয়তান তোমার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারবে না। -কিভাবে বুঝলেন? -আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: = যে ব্যক্তি দয়াময়ের স্মরণ (কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে, আমি তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দিবো! অতঃপর সে-ই তার সঙ্গী হবে! (যুখরুফ: ৩৬)। তুমি কুরআন থেকে যতোটা দূরে সরবে, ঠিক ততোটা শয়তানের কাছাকাছি যাবে! ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

আজ রমাদ্বান এর কততম দিন চলছে? দেখতে দেখতে এ মাস টা শেষ হয়ে যাবে, কতগুলো দুআ কবুলের আশায় চেষ্টা করলাম! কতটা সময় যিকির করলাম! কতটা সময় কুরআন পড়লাম! তাহাজ্জুদ পড়লাম... কাল কিয়ামতের দিন আমার কাছ থেকে হিসেব নেয়ার আগে আজ আমি আমার হিসেব করে নিই ইন শা আল্লাহ।

সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

জরুরি ❗ কেউ কেউ তারাবীর জামাতের সময় প্রথম রাকাতে বসে থেকে ইমামের রুকুতে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। এমনটি করা মাকরূহ।  - ফাতাওয়া খানিয়া ১/২৪৪; আলবাহরুর রায়েক ২/৬৯; রদ্দুল মুহতার ২/৪৮ - মাসিক আল কাউসার

সাহরি আমাদের শেখায়, আমরা ফজরের নামাজের জন্য উঠতে পারি। তারাবিহ আমাদের শেখায়, আমরা রাতভর নামাজ পড়তে পারি। রোজা আমাদের শেখায
সাহরি আমাদের শেখায়, আমরা ফজরের নামাজের জন্য উঠতে পারি। তারাবিহ আমাদের শেখায়, আমরা রাতভর নামাজ পড়তে পারি। রোজা আমাদের শেখায়, আমরা আমাদের ইচ্ছা ও লোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। রমজান কেবল আমাদের ঈমানের সাময়িক বৃদ্ধি নয়; এটি শেখায়—আমরা প্রতিদিনই এগুলো করতে সক্ষম। তাই, জীবনকে রমজান মনে করে বাঁচো, তবে আখেরাত হবে ঈদের মতো আনন্দের। - মাহমুদ বিন নূর

যে ব্যাক্তি কোন সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে, তার জন্য সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সওয়াব থাকবে।কিন্তু এর ফলে সিয়াম পালন কারীর সা
যে ব্যাক্তি কোন সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে, তার জন্য সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সওয়াব থাকবে।কিন্তু এর ফলে সিয়াম পালন কারীর সাওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে নাহ - তিরমিযি, হাদিস : ৮০৭

বুযুর্গগণ বলেন, অন্তরে দ্বীনের তলব ও দ্বীনী বিষয়ে আমল করার আগ্রহ সৃষ্টির মধ্যেই মানুষের সফলতা নিহিত। এ আগ্রহ সৃষ্টি হয়ে গেলে আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে অবারিত সাহায্য লাভহতে থাকে। এটাই আল্লাহ তাআলার নীতি। মাওলানা রূমী বলেন : পানি কম খোঁজ, বরং যত পার তৃষ্ণা জন্মাও, তৃষ্ণা যখন প্রবল হয়ে ওঠে, তখন ওপর-নিচ সব দিক থেকে পানির বান ছোটে। ©[মাওয়ায়েযে উসমানী : ১৫/৯৯-১০০]

রমাদান বিরাট এক জাহাজের মত, গুনাহের সাগরে ডুবে থাকা বান্দাকে উদ্ধার করে মুক্তির বন্দের পৌছে দেয়ার জন্য প্রতি বছর ঘাটে এসে নোঙ্গর ফেলে। - শায়খ আতিক উল্লাহ

ইনজেকশন (INJECTION) রোজা রেখে ইনজেকশন দিলে রোজা ভাঙবে না। ইনজেকশন রগে দেওয়া হোক কিংবা বাহুতে। কারণ, তা শরীরের বড় নালী দিয়ে ভি
ইনজেকশন (INJECTION)
রোজা রেখে ইনজেকশন দিলে রোজা ভাঙবে না। ইনজেকশন রগে দেওয়া হোক কিংবা বাহুতে। কারণ, তা শরীরের বড় নালী দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে না।
রক্ত (BLOOD) আদান-প্রদান:
[ক] রোজা রেখে রক্ত দিলে বা নিলে রোজা ভাঙবে না। [খ] রোজা রেখে শরীর থেকে রক্ত বের করার কারণে রোজা ভাঙবে না। তবে রক্ত দেওয়ার কারণে যদি অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, যার কারণে রোজা রাখা কষ্টকর হয়, তাহলে রক্ত দেওয়া মাকরূহ।
স্যালাইন (SALINE)
রোজা অবস্থায় অসুস্থতার দরূণ যদি গ্লুকোজ স্যালাইন বা অন্যান্য স্যালাইন দেওয়া হয়, তাহলে রোজার কোন ক্ষতি হবে না। তবে কোন অসুখ ছাড়া শক্তি সঞ্চয় করার জন্য স্যালাইন বা ইনজেকশন দেওয়া মাকরূহ।
ইনহেলার ব্যবহার করার কারণে রোজা ভেঙে যায়। ইনহেলার সাধারণত মুখ দিয়ে করা হয়। ইনহেলারের মাধ্যমে একপ্রকার ওষুধ (বাষ্পীয় ভাব যা ইনহেলার গাছে বা কাঠে স্প্রে করলে দেখা যায়) কণ্ঠনালির ভেতর ঢুকে যায়। তাই রোজা অবস্থায় ইনহেলার করা হলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে যদি কোন রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শে ইনহেলার দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত রোজার কাজা ওয়াজিব হবে; কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে না।

রোজার জরুরী কিছু মাসআলা
------------------------------------------- নিম্নোক্ত কারণগুলোতে রোজা ভঙ্গ হবে না: ১- অনিচ্ছায় বমি হলে, বমি মুখ ভরে হলে কিংবা মুখে এসে নিজে নিজে ভিতরে চলে গেলে রোজা ভাঙ্গবে না।
এভাবে ইঞ্জেকশন, ইনসুলিন, অক্সিজেন নিলে, এনজিওগ্রাম করালে, কাউকে রক্ত দিলে বা নিজে রক্ত নিলে, আল্ট্রাস্নোগ্রাম করলে, শরীরে স্যালাইন বা টিকা নিলে, পেশাবের রাস্তায় ওষুধ বা কোন যন্ত্র প্রবেশ করালে, দাঁত তোলা, রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে, ডায়াবেটিসের সুগার মাপার জন্য রক্ত নেওয়া হলে, চোখে ঔষধ বা সুরমা দিলে,
কানে তেল বা ড্রপ/ঔষধ দিলে কিংবা কানের ভেতর পানি চলে গেলে (বর্তমান তাহকীক অনুযায়ী), নকল দাঁত মুখে রাখলে, মিসওয়াক করলে, অনিচ্ছায় মুখে ধোঁয়া/মশা/মাছি ঢুকে গেলে, মাথায় তেল দিলে, আতর বা সেন্ট লাগালে, স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভঙ্গ হবে না।
উল্লেখ্য, কানের পর্দা ছিদ্র বা ফাটা থাকলে কানে তেল/ড্রপ দিলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।
------------------------------------------------------------------------ নিচের কোন একটি পাওয়া গেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে
রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে কুলির পানি ভেতরে চলে গেলে, ইচ্ছাকৃত মুখভর্তি বমি করলে, অল্প বমি হওয়ায় তা ইচ্ছা করে গিলে ফেললে, দাঁতের ফাঁকে থাকা ছোলা বা তার অধিক পরিমাণ খাবার গিলে ফেললে, ঘাম বা চোখের পানি বেশি পরিমাণ হওয়ার কারণে তা মুখ দিয়ে গলার ভেতরে চলে গেলে, আগরবাতি, কয়েল ইত্যাদির ধোঁয়া ইচ্ছাকৃত গলার ভেতরে প্রবেশ করালে, পেস্ট, মাজন বা টুথ পাউডার ব্যবহার করার ফলে এগুলোর স্বাদ গলা পর্যন্ত পৌঁছে গেলে, সাপোজিটরি ব্যবহার করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এভাবে নাকে পানি বা ঔষধ দেওয়ার পর তা গলার ভেতরে চলে গেলে,নেবুলাইজার বা ইনহিলার ব্যবহার করলে, পানি ছিটিয়ে বা ওষুধ দিয়ে এন্ডোসকপি, প্রক্টোসকপি বা ক্লোনাসকপি করালে রোজা নষ্ট হবে।
উল্লেখ্য, কিছু ইনহিলার এমন আছে, যা না গিলে ফেলে দিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। ------------------------------------------------------------ নিম্নোক্ত কারণগুলোতে রোজা মাকরূহ হবে পেস্ট, মাজন বা টুথ পাউডার ব্যবহার করা যদি এগুলোর স্বাদ গলা পর্যন্ত না পৌঁছে, গীবত করা, মিথ্যা বলা ও ঝগড়া করা। -মাওলানা সাঈদ আহমেদ হাফি:

ইতি টানিলেন হলো না দেখা নবুয়ত হলো বন্ধ, হে- নবী আপনাকে দেখার পর আমার চোখ হোক অন্ধ। এক বিষণ্ন দুপুরে, উদাস মনে, দরুদ পাঠে ব্যাকুল হয়ে উঠব। দুঃখভরা হৃদয় নিয়ে, শঙ্কিত আত্মায় পাঠ করব
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
©

চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ। ১) আপনি যখনি রাসূল এর উপর দুরুদ পড়েন,
চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ। ১) আপনি যখনি রাসূল এর উপর দুরুদ পড়েন, সাথে সাথে একজন ফেরেশতা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গিয়ে আপনার নাম বলে। হ্যাঁ, স্বয়ং রাসূলকে আপনার "নাম" বলে। ২) রাসূল এর প্রতি ১বার সালাম পাঠালে, স্বয়ং আল্লাহ, জ্বি স্বয়ং আল্লাহ, আপনার উপর ১০ বার সালাম পাঠান। ৩) অবিরত দুরুদ পড়লে আপনার সমস্ত সমস্যার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়ে নেন। এমনকি যদি আপনি ঐসব সমস্যার জন্য আলাদা করে দুআ নাও করেন। ৪) আপনি তাঁর প্রতি সালাম পাঠাচ্ছেন, যিনি শুধুমাত্র আপনাকে আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার রক্তাত্ত হয়েছিলেন। যার সামনে তাঁর প্রিয় সাহাবীদের হত্যা করা হয়েছিল। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

রমাদানে একে অপরকে কুরআন শোনানো সুন্নাত। নবীজি ﷺ ও জিবরীল (আঃ) একে অপরকে কুরআন শোনাতেন। প্রতিদিন অন্তত এক আয়াত হলেও শোনাশুনি করি। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

"ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল, তবুও তার গুনাহ মাফ হলো না" - মুসতাদরাকে হাকেম, হা/৭৩৩৮ The Ilm Of Sunnah
"ধ্বংস হোক ঐ ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল, তবুও তার গুনাহ মাফ হলো না" - মুসতাদরাকে হাকেম, হা/৭৩৩৮ The Ilm Of Sunnah