ru
Feedback
Mining update 24

Mining update 24

Открыть в Telegram
7 337
Подписчики
-1524 часа
-627 дней
-26430 день
Архив постов
Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ  নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admin 🛑Sidra Ret update 1.Token Price 7 টাকা টোকেন যদি 200+ হয় 2.Token Price 6টাকা টোকেন যদি 100+ হয় 3.Token price 5টাকা টোকেন যদি 50+ হয় 4.Token price 4টাকা টোকেন যদি 50 এর কম হয় 🛑Rbl রেট 3টাকা যারা বিক্রি করবেন পোষ্টের সাথে আইডি দেওয়া আছে ওই আইডি তে  সরাসরি ইনবক্স করবেন। কেউ প্রতারিত হবেন না। শুধুমাত্র পোষ্টের সাথে যেই আইডি দেওয়া আছে সেইটা আমার

App থেকে ট্রান্সফার হয় না। আপনাদের অন্য কোন ওয়ালেটে থাকলে দিতে পারেন

Sidra price 7.20 টাকা ইমার্জেন্সি 5000 কয়েন লাগবে। যারা বিক্রি করবেন দ্রুত ইনবক্স করেন সাময়িক সময়ের জন্য @Miningupdate24Admin

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মের সময় পৃথিবীতে এমন কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটেছিল যা সবাইকে অবাক করে শ্রেষ্ঠ নবীর আগমনকে মানুষের সামনে স্পষ্ট করে। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মের কিছুদিন আগে আবরাহার হস্তীবাহিনীর বিনাশ ঘটে। আসহাবে ফিল অর্থাৎ আবরাহার হস্তীবাহিনী খানায়ে কাবার উপর আক্রমণ করেছিল এবং আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে আবাবিল নামক কিছু ক্ষুদ্র পাখি দ্বারা ধ্বংস করেছিলেন। এই ঘটনাটি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মের বরকতের পটভূমি ছিল বলে সিরাতের কিতাবগুলোতে উল্লেখ রয়েছে। হযরত উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ আস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুর মা হযরত ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মের মুহূর্তে আমি মা আমিনার কাছে ছিলাম। আমি দেখলাম বিবি আমিনার ঘরটি আলোয় আলোকিত হয়ে গেল এবং আকাশের সব তারকা নিচের দিকে ঝুঁকে পড়লো। আমার মনে হতে লাগলো তারকাগুলো যেন আমার উপর এসে পড়ছে। বিশ্বনবীর জন্মক্ষণে এদিকে পৃথিবীর মূর্তিশালায় নবুয়তের সূর্যোদয়, অপর দিকে পারস্য সম্রাট কিসরার রাজপ্রাসাদে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। এই ভূমিকম্পের দরুন রাজপ্রাসাদের ১৪টি গম্বুজ ভেঙে গুড়িয়ে যায়। পারস্যের এক অগ্নিকুণ্ড যা ১০০ বছর ব্যাপী বিরতিহীনভাবে জ্বলছিল তা সেই শুভ মুহূর্তে হঠাৎ নিভে যায়। সাওয়া নামক এক নদীতে যথারীতি পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগমনের মুহূর্তে হঠাৎ তার অর্ধেক জলরাশি শুকিয়ে যায়। এটা ছিল অগ্নিপূজাসহ সব ভ্রান্তির অবসানের ইঙ্গিত। সহীহ হাদিসে বর্ণিত জন্মের সময় বিশ্বনবীর মায়ের পেট থেকে এমন একটি নূরের বিচ্ছুরিত ঘটেছিল যার আলোকে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিগন্ত পর্যন্ত সবকিছুই আলোকিত হয়ে গিয়েছিল। কোনো কোনো বর্ণনায় পাওয়া যায় বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ভূমিতে আবির্ভূত হলেন তখন উভয় হাতের উপর ভর দিয়েছিলেন। তারপরে এক মুষ্টি মাটি দিয়ে আকাশের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন। হযরত ইবনে সুফিয়ান বর্ণনা করেন, হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা বললেন, বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্মগ্রহণ করার সময় এক ইহুদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে মক্কা নগরীতে বসবাস করতো। যে রাতে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীতে আগমন করে, সেই রাতের পরবর্তীকালে সে কুরাইশদের কাছে জিজ্ঞেস করলো, গত রাতে এই এলাকাতে কোন শিশুর জন্ম হয়েছে কি? উপস্থিত কুরাইশের লোকেরা বললো, এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। লোকটি বললো, তোমরা এই বিষয়টির অনুসন্ধান করো। কেননা এই রাতে বর্তমান উম্মতের নবী ভূমিষ্ঠ হয়েছে। তাদের মধ্যবর্তী স্থানে একটি বিশেষ নিদর্শন অর্থাৎ মোহরে নবুয়ত রয়েছে। জন্মের পর শিশুটির মুখে জ্বীন আঙ্গুল পুরে রাখার দরুন শিশুটি দুইদিন ধরে কারো দুধ পান করবে না। কুরাইশের লোকেরা সন্ধান করে জানতে পারলো যে আবদুল্লাহর এক পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। ইহুদিকে এ সংবাদ জানানো হলে সেও শিশুটিকে দেখার জন্য আগ্রহ জানালো এবং সে বললো চলো আমিও শিশুটিকে দেখবো। ইহুদি লোকটি যখন শিশুটিকে দেখলো এবং তার দুই কাঁধের মাঝে মোহরে নবুয়তের নিদর্শন দেখতে পেলো, তখন সে চিৎকার করে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর লোকটি বললো, নবুয়তের বনি ইসরাইল আজ থেকে শেষ হয়ে গেল। হে কুরাইশ সম্প্রদায়, ভবিষ্যতে এই শিশু তোমাদের প্রতি এমন এক আক্রমণ পরিচালনা করবে যার সংবাদ পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া আরো অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনা সিরাতের পাতায় পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। আসুন আমরা বিশ্বনবীর চরিত্র লক্ষ্য করে আমাদের জীবন গড়ি, তাহলে এই পৃথিবী থেকে সমস্ত অন্ধকার দূরীভূত হয়ে আসবে। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন যেন আমাদের সকলকে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করেন। সকলেই কমেন্ট বক্সে লিখুন আমিন।

এদিকে আবদুল্লাহ ধীরে ধীরে বড় হতে লাগলো। যখন তিনি বিবাহের উপযুক্ত হলো, তখন বহু জায়গা থেকে আবদুল্লাহর জন্য বিবাহের সম্বন্ধ আসতে লাগলো। কারণ তৎকালীন সময়ে আবদুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে সুন্দর পুরুষ। আবদুল্লাহকে দেখে যে কারো ভালো লেগে যেত। আবদুল্লাহকে পাওয়ার জন্য মক্কার রমণীরা অধীর হয়ে থাকতো। মক্কার রমণীরা মানত করতো আবদুল্লাহকে স্বামী হিসেবে পাওয়ার জন্য। কারণ আবদুল্লাহ ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, ভদ্র ও সৎ চরিত্রবান পুরুষ। প্রতিদিন আবদুল্লাহর জন্য অনেক বিবাহের প্রস্তাব আসতো। কিন্তু কোনটাতেই রাজি হতো না। কারণ আব্দুল মুত্তালিব তার বন্ধু ওয়াহাব ইবনে আব্দুল মান্নাফ এর কাছে ওয়াদা করেছিলেন, তার কন্যার সাথে আবদুল্লাহর বিবাহ দিবেন। ওয়াহাবের কন্যার নাম ছিল আমিনা। তারা মদিনায় বসবাস করতেন। তারপর কিছুদিন পরে আব্দুল মুত্তালিব তার ছোট পুত্র আবদুল্লাহকে নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেলেন। উদ্দেশ্য ছিল আবদুল্লাহর সাথে আমিনার বিবাহ দেওয়া। عبدالله এবং আব্দুল মুত্তালিব যখন মদিনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেলেন, তারা দেখলো পথের ধারে দাঁড়িয়ে আছে তাওরাত কিতাবের পণ্ডিত ওরাকা বিন নওফেলের কন্যা মরিয়ম। তিনি আবদুল্লাহকে দেখে তার কাছে আসলেন। এবং মরিয়ম বললেন, ওহে আবদুল্লাহ, কিছু বছর পূর্বে তোমার পিতার মানত পূরণ করার জন্য তোমার প্রাণের পরিবর্তে যে ১০০টি উট কোরবানি দিয়েছিলেন, আজ আমি শপথ করে বলছি সেই ১০০টি উট তোমার পক্ষ থেকে আমি তোমার পিতাকে দিয়ে দিবো। কিন্তু আমার একটা প্রস্তাব রয়েছে, তার বিনিময়ে তুমি আমাকে বিবাহ করো। কিন্তু আবদুল্লাহ সৎ চরিত্রবান ও ভদ্র এবং লাজুক হওয়ায় মরিয়মের এই প্রস্তাবে কোন উত্তর দিল না। আবদুল্লাহ শুধু বললেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে আছি। পিতাকে ছেড়ে অন্যত্র যাওয়া কিংবা পিতার কথার অবাধ্য হওয়া আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। এই কথা বলে আবদুল্লাহ তার পিতার সঙ্গে মদিনার উদ্দেশ্যে আবার রওনা হলেন। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পরে মদিনায় ওয়াহাব বিন আব্দুল মান্নাফের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন। তৎকালীন সময়ে ওয়াহাব বিন আব্দুল মান্নাফ মদিনার সম্মানীয় বংশের ছিলেন এবং তার মর্যাদা ছিল ভালো। তিনি তার গোত্রের সর্দার ছিলেন। তারপর আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে তার কন্যা আমিনার সঙ্গে আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র আবদুল্লাহর বিবাহ হয়ে যায়। এদিকে আমিনা ছিল তার সম্প্রদায়ের মহিলাদের নেত্রী। অনেক ঐতিহাসিক লিখেছেন, আবদুল্লাহ বিবাহের পর তার শ্বশুর বাড়িতে তিন দিন পর্যন্ত অবস্থান করে তারপর আবদুল্লাহ আমিনাকে বিবাহ করে নিজ গৃহে নিয়ে আসেন। তারপর আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মা আমিনার গর্ভে আসে। عبداللهর বিবাহের অনেক দিন পরে তিনি কোথায়ও যাচ্ছিলেন। তখন দেখলো তাওরাত কিতাবের পণ্ডিত ওরাকা বিন নওফেলের কন্যা মরিয়ম সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মরিয়ম জানতো না ইতিমধ্যেই আবদুল্লাহর বিবাহ হয়ে গেছে। আবদুল্লাহকে দেখে মরিয়ম তার কাছে আসলেন এবং আবদুল্লাহর চেহারার দিকে তাকিয়ে তিনি আর কিছু না বলে মরিয়ম আবারও তার গৃহের দিকে ফিরে গেলেন। এই ঘটনা দেখে আবদুল্লাহ কিছুটা অবাক হয়ে মরিয়মকে জিজ্ঞেস করলেন, হে মরিয়ম, সেদিন তুমি আমাকে বিবাহের জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলে, কিন্তু আমাকে দেখে আজ কিছু না বলে কেন এরকমভাবে চলে গেলে? এর কারণ কি আমি জানতে পারি? তখন মরিয়ম বললেন, তুমি বিয়ে করছ ইতিমধ্যেই। তুমি অন্য এক নারীর স্বামী। তোমার চেহারা পরিবর্তন ঘটেছে। এটা আমি স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি। আমি সেদিন তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম তার কারণ হলো তোমার ললাটে এক উজ্জ্বল নূর ছিল। সেই নূরের জ্যোতি যেমন তেমন ছিল না। এর আগে কখনোই কোন পুরুষের ললাটে এমন দেখিনি। কিন্তু আজ তোমার ললাটে সেই নূর দেখতে পাচ্ছি না। এর কারণ হচ্ছে এখন এটার অধিকারিণী হলো তোমার সৌভাগ্য স্ত্রী। সুতরাং এখন আমার আর তোমার কোন প্রয়োজন নেই। এভাবেই কোন কথা না বলি আমি চলে যাচ্ছিলাম। এই কথা বলা শেষ হলে মরিয়ম সেখান থেকে চলে গেল। অতঃপর আবদুল্লাহ বাড়ি ফিরলো। তারপর থেকে আবদুল্লাহ ও আমিনা সুখে শান্তিতে সংসার করতে লাগলো। কিছুদিন পরে আব্দুল মুত্তালিব আবদুল্লাহকে খেজুর আনার জন্য সুদূর মদিনায় পাঠায়। খেজুর নিয়ে আসার সময় আবদুল্লাহ কুরাইশদের একটি বাণিজ্য কাফেলার সঙ্গে সফর করেছিলেন। কিন্তু পথেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। যার ফলে আবদুল্লাহ মদিনায় অবতরণ করেন এবং সেখানেই তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। عبدالله যখন ইন্তেকাল করেন, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমিনার গর্ভে ছিলেন। বিশ্ব জাহানের সর্দার সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেন।

পুত্র আবদুল্লাহ। প্রিয় সন্তান হারানোর ব্যথা তার হৃদয়ে হইতে লাগলো। কিন্তু ছোট পুত্র আবদুল্লাহকে জবাই করা ছাড়া আব্দুল মুত্তালিবের আর কোন উপায় ছিল না। কারণ আবদুল্লাহকে জবাই না করলে তার দশ সন্তানকে হারাতে হবে এবং পবিত্র জমজম কুপের পানি পুনরায় বন্ধ হয়ে যাবে। এ কারণে হয়তোবা সকল মক্কাবাসীগণ পানির অভাবে মৃত্যুবরণ করবে। তারপর আব্দুল মুত্তালিব তার ছোট পুত্র আবদুল্লাহকে নিয়ে কাবার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেলেন। কিছুক্ষণ পর তারা কাবার চত্বরে উপস্থিত হলেন। সেখানে সকল মক্কাবাসীগণ উপস্থিত হলেন। এদিকে আবদুল্লাহকে জবাই করার খবর পেয়ে মক্কার অন্যান্য নারী-পুরুষ সবাই সেখানে উপস্থিত হলেন। সেখানে যে সকল নারীরা উপস্থিত ছিল তার মধ্যে একজন ছিলেন ওরাকা বিন নওফেলের কন্যা মরিয়ম। ওরাকা বিন নওফেল ছিলেন তৎকালীন তাওরাত কিতাবের পণ্ডিত। তার কন্যা ছিল মরিয়ম। মরিয়মও তাওরাত কিতাবের খুবই পারদর্শী ছিলেন। তিনি জানতেন তাওরাত গ্রন্থে লেখা ছিল এই আবদুল্লাহর ওরশেই জন্মগ্রহণ করবে আখেরি নবী মাহবুব আল্লাম আল্লাহর প্রিয় হাবিব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাই তিনি আবদুল্লাহকে জবাই করতে মানা করলেন। কোন মতেই আবদুল্লাহকে জবাই করতে চাইলেন না। তিনি আব্দুল মুত্তালিবকে বললেন, আবদুল্লাহকে কোন মতেই জবাই করা যাবে না। কারণ তাওরাত কিতাবে লিখিত আছে এই আবদুল্লাহর ওরশেই জন্মগ্রহণ করবে আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কারণ তাওরাত কিতাবে লিখিত আছে এই আবদুল্লাহর ওরশেই আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই পৃথিবীতে আগমন করবেন। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব মরিয়মকে বললেন, আমি মানত করেছিলাম যে জমজম কুপ থেকে পানি পুনরায় উত্তোলন হলে আমি আমার দশ সন্তানের মধ্য থেকে একটি সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে দিবো। সেই অনুযায়ী এখন যদি দশ সন্তানের মধ্য থেকে একটি সন্তানকে জবাই না করি, তাহলে আমার দশ সন্তানকে মৃত্যুবরণ করতেই হবে। এবং জমজম কুপ থেকে আবারো পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। তখন মরিয়ম বললেন, যাই হোক না কেন আবদুল্লাহকে কোন মতেই জবাই করা যাবে না। বিনিময়ে এই মক্কা নগরীতে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে, তবুও আমরা আবদুল্লাহকে জবাই করতে দিবো না। মরিয়ম বললেন, প্রয়োজনে আপনি আপনার অন্য সন্তানের মধ্য থেকে যেকোনো একটি সন্তানকে জবাই করেন। মরিয়মের সঙ্গে সঙ্গে সকল মক্কাবাসীগণ বলে উঠলো, আমরা কোন মতেই আবদুল্লাহকে জবাই করতে দিবো না। অপর দিকে অন্যান্য মক্কাবাসীগণ বললো, আমরা যদি আবদুল্লাহর চেহারা দেখে ব্যবসায় বা সফর করি তাহলে আমাদের ব্যবসা ভালো হয়। হে আব্দুল মুত্তালিব, আপনার ছোট পুত্র আবদুল্লাহকে আমরা কোন মতেই জবাই করতে দিবো না। তারপর আব্দুল মুত্তালিব কোন উপায় দেখতে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তাওরাত পণ্ডিতের কাছে আবার চলে গেলেন এবং সমস্ত ঘটনাগুলি তাদেরকে খুলে বললেন। তখন তাওরাত পণ্ডিত তার প্রশ্ন শুনে বললেন, আপনি এখন গিয়ে লটারির ব্যবস্থা করুন। এই লটারিতে উটের নাম লিখুন এবং আপনার ছোট পুত্র আবদুল্লাহর নাম লিখুন। এই লটারিতে যার নাম উঠবে তাকে আপনি আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে দিবেন। তারপর সকল মক্কাবাসীর সামনে আব্দুল মুত্তালিব লটারির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেখানে উটের নাম লেখা হলো এবং আবদুল্লাহর নাম লেখা হলো। এবং এই দুইটি কাগজ তারা একটি পাত্রের ভিতরে দিয়ে দিল। যখন পাত্রের ভিতর থেকে কাগজটি তুললো, তখন দেখা গেল আবদুল্লাহর নাম উঠলো। এদিকে মক্কাবাসী কোন মতেই আবদুল্লাহকে জবাই করতে দিবে না। আবারও লটারির ব্যবস্থা করা হলো। এবং কাগজ তুলে দেখলো আবারও আবদুল্লাহর নাম উঠলো। এভাবেই লটারি করতে করতে ৯৯ বার এই পাত্র থেকে লটারির মাধ্যমে কাগজটি তোলা হলো। কিন্তু প্রতিবারই আবদুল্লাহর নাম উঠলো। তারপর আব্দুল মুত্তালিব বললেন, আর কোন উপায় নেই। এবার আমার প্রিয় আবদুল্লাহকে জবাই করতেই হবে। যেহেতু আমি মানত করেছিলাম, তাই আমাকে মানত পূরণ করতেই হবে। এবং মানত পূরণ করার জন্য আমাকে শেষ পর্যন্ত আমার প্রিয় পুত্র আবদুল্লাহকে জবাই করতে হবে। আব্দুল মুত্তালিবের এই কথা শুনে তারপর তাওরাত পণ্ডিতের কন্যা মরিয়ম বললেন, না, আবদুল্লাহকে জবাই করা যাবে না। আপনি আবারও নতুন করে লটারির ব্যবস্থা করুন। যতক্ষণ পর্যন্ত উটের নাম না ওঠে, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি লটারি চালিয়ে যাবেন। আবারও লটারির ব্যবস্থা করা হলো। একদম শেষ পর্যায়ে অর্থাৎ ১০০ বারের পর ওই লটারিতে উটের নাম উঠলো। এবার সকল মক্কাবাসীগণ আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠলো। অন্যান্য সকলে খুশি হলো, কারণ তাদের প্রিয় আবদুল্লাহকে আর জবাই করতে হবে না। এই ভেবে সবাই খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠলো। তারপর আব্দুল মুত্তালিব অত্যন্ত খুশি হয়ে ১০০টি উট আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে দিলেন।

পরেরদিন সকাল বেলা আব্দুল মুত্তালিব তাওরাত পণ্ডিতদের ডাকলেন। তাওরাত পণ্ডিতেরা আব্দুল মুত্তালিবের কাছে আসলেন। যখন আব্দুল মুত্তালিব ভীষণ চিন্তিত এবং পেরেশানি অবস্থায় তাওরাত পণ্ডিতদেরকে বললেন, হে পণ্ডিতগণ, আমি মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীনের দরবারে মানত করেছিলাম জমজম কুপ থেকে পানি বের হলে আমি আমার দশ সন্তানের মধ্য হতে একটি সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করে দিবো। আমার মানত মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন কবুল করে নিয়েছিলেন। জমজম কুপ থেকে আবারও পানি বের হয়েছিল। কিন্তু তারপর আমি আমার সেই মানতের কথা একেবারেই ভুলেই গিয়েছিলাম। গত তিনদিন পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন আমাকে স্বপ্নে দেখিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে বলছেন আমার মানত পূরণ করতে। তিনি তিনদিন পর্যন্ত আমাকে বলছেন, হে আব্দুল মুত্তালিব, তোমার কি মনে নেই যে তুমি কি মানত করেছিলে? তুমি তোমার মানত পূরণ করো। আমার দশ সন্তানের মধ্য হতে একটি সন্তানকে জবাই করে দিতে হবে। আমি যদি আমার মানত পূরণ না করি তাহলে দশ সন্তান মৃত্যুবরণ করবে এবং জমজম কুপ চিরদিনের জন্য পুনরায় বন্ধ হয়ে যাবে। আপনারা বলুন এখন আমি কি করতে পারি? তখন পণ্ডিতগণ বললেন, হে আব্দুল মুত্তালিব, যেহেতু আপনি এই মানত করেছেন এবং মানত মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন পূরণ করে আপনাকে স্বপ্নে সেই মানত পূরণ করতে বলেছেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার দশ সন্তানের মধ্য হতে একজনকে আল্লাহর রাস্তায় জবাই করতে হবে। পণ্ডিতদের কথা শুনে আব্দুল মুত্তালিব অত্যন্ত চিন্তিত এবং পেরেশানি হয়ে পড়লেন। তিনি কি করবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছিলেন না। তার দশ সন্তানের মধ্য কাকে তিনি জবাই করবেন তাই তিনি ভেবে পাচ্ছিলেন না। কারণ তার দশ সন্তানই তার কাছে প্রিয় ছিল। তারপর তিনি কোন উপায় না পেয়ে পরেরদিন তার সন্তানদেরকে ডাকলেন। আব্দুল মুত্তালিবের বড় সন্তান ছিলেন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। আব্দুল মুত্তালিব প্রথমে তাকেই বললেন, হে আমার পুত্র, আমি মানত করেছিলাম যে জমজম কুপ থেকে পুনরায় পানি বের হলে আমি আমার দশ সন্তানের মধ্য হতে একটি সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে দিবো। এখন আমি কি করবো? এখন তুমি কি আমার সেই মানতটি পূরণ করবে? তখন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, আব্বাজান একি কেমন মানত? আমি আপনার এই মানত পূরণ করতে পারবো না। আপনি আপনার অন্য সন্তানকে এই মানত পূরণ করতে বলুন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা অর্থাৎ আব্দুল মুত্তালিব তার দ্বিতীয় সন্তান আমির হামজাকে বললেন, হে পুত্র, তুমি আমার মানত পূরণ করো। তখন আমির হামজা বললেন, আব্বাজান আপনি কেমন মানত করেছেন? আপনার মানতের জন্য আমি আমার জীবন দিতে পারবো না। আপনি আপনার অন্য সন্তানকে বলুন। এভাবেই আব্দুল মুত্তালিব একে একে সব সন্তানদেরকে বললেন, কিন্তু কেউই এতে রাজি হলো না। বাকি ছিল তার একটি সন্তান। সেটি হলো তার সবচাইতে ছোট সন্তান, যার নাম হলো আবদুল্লাহ। আবদুল্লাহ ছিলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিতা। এবং আব্দুল মুত্তালিবের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান। আব্দুল মুত্তালিব আবদুল্লাহকে অনেক স্নেহ এবং আদর যত্ন করতেন এবং তাকে অধিক পরিমাণে ভালোবাসতেন। যখন আব্দুল মুত্তালিবের কথায় তার নয়জন ছেলে রাজি হলো না, তখন মুত্তালিব অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তারপর আবদুল্লাহ তার পিতার চিন্তিত মুখমন্ডল দেখে বললেন, আব্বাজান আপনার কি হয়েছে? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। আপনি কি নিয়ে এতো চিন্তা করছেন? তখন আব্দুল মুত্তালিব তার সবচাইতে ছোট পুত্র রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিতা আবদুল্লাহকে বললেন, হে প্রিয় সন্তান আবদুল্লাহ, আমি মানত করেছিলাম যে জমজম কুপ থেকে পুনরায় পানি বের হলে আমি আমার দশটি সন্তানের মধ্য হতে একটি সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে দিবো। কিন্তু দশটি সন্তানের মধ্য হতে কেউই আমার এই মানত পূরণ করার জন্য রাজি হলো না। এবং আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন বলেছেন, হে আব্দুল মুত্তালিব, তুমি যদি তোমার দশটি সন্তানের মধ্য হতে একটি সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় জবাই না করো তাহলে তোমার দশটি সন্তান মৃত্যুবরণ করবে এবং পবিত্র জমজম কুপের পানি পুনরায় বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকি চিরদিনের জন্য সেই পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আমি কি করবো? তখন ছোট পুত্র আবদুল্লাহ বলেন, আব্বাজান আপনি কোন চিন্তা করবেন না। আব্বাজান, আমাকে আপনি আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে আপনার মানত পূরণ করুন। আব্দুল মুত্তালিব তার ছোট পুত্র আবদুল্লাহর কথাগুলো শুনে খুবই খুশি হলেন। কিন্তু অন্য দিকে অত্যন্ত দুঃখ পেলেন। তার কারণ ছিল আব্দুল মুত্তালিবের অত্যন্ত প্রিয় সন্তান ছিল তার ছোট

ভিডিওটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ অডিওর হুবহু বাংলা প্রতিলিপি (Transcript) নিচে দেওয়া হলো: একদিন হঠাৎ মক্কা নগরীতে প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলো। ঝড়-বৃষ্টির প্রবল তাাপটের কারণে মক্কা নগরীর আবে জমজম কুপটি পানিতে পরিপূর্ণ হওয়ায় জমজম কুপ থেকে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে গেল। তারপরে মক্কা নগরীতে প্রবল আকারে পানির সংকট দেখা দিল। কোথায়ও কোন পানির চিহ্ন মাত্র নেই। মক্কার মানুষেরা পানির জন্য এদিকে ওদিকে ছুটাছুটি করতে লাগলো। কিন্তু কোথায়ও পানির সন্ধান না পেয়ে একেবারে তারা দিশেহারা হয়ে পড়লেন। শিশু, যুবক, বৃদ্ধা, বৃদ্ধ সবাই পানির জন্য অতিষ্ঠ হয়ে পড়লেন। তৎকালীন সময়ে মক্কা নগরীর নেতা ছিল হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা অর্থাৎ আব্দুল মুত্তালিব। পানির সংকটের জন্য দিশেহারা হয়ে তারা সবাই তাদের নেতা আব্দুল মুত্তালিবের কাছে উপস্থিত হলেন। আব্দুল মুত্তালিবের কাছে উপস্থিত হয়ে সবাই তাকে বললেন, আপনি আমাদের নেতা। আপনি যেভাবে হোক আমাদের পানির ব্যবস্থা করুন। আপনি জমজম কুপ থেকে পানি উত্তোলন করার ব্যবস্থা করে দিন। আমাদের মনে হয় আপনি ছাড়া আর কেউই জমজম কুপ থেকে পানি উত্তোলন করার ব্যবস্থা করে দিতে পারবে না। উপস্থিত লোকজন বললেন, আমরা যদি জমজম কুপ থেকে পানি না পাই তাহলে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে মারা যাবো। এই কথা শুনে আব্দুল মুত্তালিব ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তিনি মনে মনে ভাবতে লাগলেন কিভাবে জমজম কুপ থেকে পানি উত্তোলন করা যায় এবং কিভাবে পানি উত্তোলন করার ব্যবস্থা করা যায়। কিন্তু তিনি কোন চিন্তা করেই কূল কিনারা পেলেন না, কোন আশার আলো দেখতে পেলেন না। তখন তিনি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দুইখানা হাত উত্তোলন করে দোয়া করলেন এবং বিভিন্ন ধরনের মানত করলেন। কিন্তু কোন দোয়া ও মানত আল্লাহর দরবারে কবুল হলো না। শেষ পর্যন্ত আব্দুল মুত্তালিব দিশেহারা হয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করে বললেন, হে মহান রাব্বুল আলামীন, আপনি জমজম কুপ থেকে পানি উত্তোলন করার ব্যবস্থা করে দিন। বিনিময়ে আমি আমার দশ সন্তানের মধ্য থেকে একটি সন্তানকে আমি আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করে দিবো। আব্দুল মুত্তালিব যখন এই মানত করলেন, তখন এই মানত কবুল হয়ে গেল। অর্থাৎ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা যখন এই মানতটি করলেন, তখন আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তার মানতকে কবুল করে নিলেন এবং তার সাথে সাথেই জমজম কুপ থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হতে লাগলো। এবং জমজম কুপের পানি বের হতে দেখে মক্কাবাসীগণ অবাক হয়ে গেলেন এবং তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়লেন। এরপর জমজম কুপের পানি বের হবার পরে সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস শুরু করলো। কিন্তু এই দিকে এই ঘটনার পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা আব্দুল মুত্তালিবের এই মানতের কথা মনে ছিল না। তিনি অভিরাম এই মানতের কথা ভুলে গেলেন। একদিন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব তার নিজের গৃহে ঘুমাচ্ছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন মহান আল্লাহ তায়ালা আব্দুল মুত্তালিবকে বলছেন, হে আব্দুল মুত্তালিব, তুমি কি ভুলে গেলে তুমি কি মানত করেছিলে? তুমি মানত করেছিলে যে জমজম কুপ থেকে পানি বের হলে তোমার দশ সন্তানের মধ্য থেকে একটি সন্তানকে তুমি আল্লাহর রাস্তায় কোরবানি করে দিবে। তুমি তোমার মানত পূরণ করো। তারপর এই স্বপ্ন দেখার পরে আব্দুল মুত্তালিব ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন এবং উঠে বসে পড়লেন। তারপর তিনি চিন্তা করতে লাগলেন সত্যিই তো আমি মানত করেছিলাম যে জমজম কুপ থেকে পানি বের হলে আমি আমার দশ সন্তানের মধ্য থেকে একটি সন্তানকে আমি আল্লাহর রাস্তায় জবাই করে দিবো। কিন্তু আমি আমার মানতের কথা বেমালুম ভুলেই গিয়েছি। আব্দুল মুত্তালিব তার এই স্বপ্নের কথা কারো সাথে প্রকাশ করলেন না। পরেরদিন রাতের বেলা তিনি আবার যখন ঘুমাচ্ছিলেন, আবারও স্বপ্নে দেখলেন মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তাকে বলছেন, হে আব্দুল মুত্তালিব, তুমি কি ভুলে গেলে তুমি কি মানত করেছিলে? অতএব তুমি তোমার মানত পূরণ করো। এবারও তিনি এই স্বপ্নের কথা কারো সাথে প্রকাশ করলেন না। পরেরদিন আবারও যখন তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, তখনও আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তাকে বললেন, হে আব্দুল মুত্তালিব, তোমার কি মনে নেই যে তুমি কি মানত করেছিলে? তুমি তোমার মানত পূরণ করো। তুমি তোমার দশ সন্তানের মধ্য থেকে একটি সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় জবাই করো। যদি সাত দিনের মধ্যে এই মানত পূরণ না করো তাহলে তোমার দশ সন্তান মৃত্যুবরণ করবে এবং জমজম কুপ থেকে পানি বের হবে না। একেবারেই চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর আব্দুল মুত্তালিব এই স্বপ্ন দেখার পর ভয়ে কাঁপতে লাগলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব চিন্তা করতে লাগলেন যে তিনি কি করবেন কিছুই তো তার বুঝে আসছে না। কারণ তার দশ সন্তানের মধ্য থেকে কাকে তিনি জবাই করবেন এটাই তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না।

Uhhh

Vvvbh

Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admi
Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ  নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admin 🛑Sidra Ret update 1.Token Price 6.5টাকা টোকেন যদি 200+ হয় 2.Token Price 6টাকা টোকেন যদি 100+ হয় 3.Token price 5.5টাকা টোকেন যদি 50+ হয় 4.Token price 5টাকা টোকেন যদি 50 এর কম হয় 🛑Rbl রেট 3টাকা যারা বিক্রি করবেন পোষ্টের সাথে আইডি দেওয়া আছে ওই আইডি তে  সরাসরি ইনবক্স করবেন। কেউ প্রতারিত হবেন না। শুধুমাত্র পোষ্টের সাথে যেই আইডি দেওয়া আছে সেইটা আমার

ফেসবুকের কি সার্ভার ডাউন নাকি

Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admi
Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ  নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admin 🛑Sidra Ret update 1.Token Price 6.5টাকা টোকেন যদি 200+ হয় 2.Token Price 6টাকা টোকেন যদি 100+ হয় 3.Token price 5.5টাকা টোকেন যদি 50+ হয় 4.Token price 5টাকা টোকেন যদি 50 এর কম হয় 🛑Rbl রেট 3টাকা যারা বিক্রি করবেন পোষ্টের সাথে আইডি দেওয়া আছে ওই আইডি তে  সরাসরি ইনবক্স করবেন। কেউ প্রতারিত হবেন না। শুধুমাত্র পোষ্টের সাথে যেই আইডি দেওয়া আছে সেইটা আমার

Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admi
Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ  নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admin 🛑Sidra Ret update 1.Token Price 6.5টাকা টোকেন যদি 200+ হয় 2.Token Price 6টাকা টোকেন যদি 100+ হয় 3.Token price 5.5টাকা টোকেন যদি 50+ হয় 4.Token price 4টাকা টোকেন যদি 50 এর কম হয় 🛑Rbl রেট 3টাকা যারা বিক্রি করবেন পোষ্টের সাথে আইডি দেওয়া আছে ওই আইডি তে  সরাসরি ইনবক্স করবেন। কেউ প্রতারিত হবেন না। শুধুমাত্র পোষ্টের সাথে যেই আইডি দেওয়া আছে সেইটা আমার

Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admi
Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ  নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admin 🛑Sidra Ret update 1.Token Price 6 টাকা টোকেন যদি 200+ হয় 2.Token Price 5.5টাকা টোকেন যদি 100+ হয় 3.Token price 5টাকা টোকেন যদি 50+ হয় 4.Token price 4টাকা টোকেন যদি 50 এর কম হয় 🛑Rbl রেট 3টাকা যারা বিক্রি করবেন পোষ্টের সাথে আইডি দেওয়া আছে ওই আইডি তে  সরাসরি ইনবক্স করবেন। কেউ প্রতারিত হবেন না। শুধুমাত্র পোষ্টের সাথে যেই আইডি দেওয়া আছে সেইটা আমার

Very coin কেও বিক্রি করলে ইনবক্স করুন প্রতি হাজার কয়েন 400 @Miningupdate24Admin

Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admi
Sidra এবং Rbl Token বিক্রি করুন পেমেন্ট বিকাশ  নগদ কিংবা Binance Exchange মাধ্যমে নিতে পারবেন 🔥 Inbox me: @Miningupdate24Admin 🛑Sidra Ret update 1.Token Price 6 টাকা টোকেন যদি 200+ হয় 2.Token Price 5.5টাকা টোকেন যদি 100+ হয় 3.Token price 5টাকা টোকেন যদি 50+ হয় 4.Token price 4টাকা টোকেন যদি 50 এর কম হয় 🛑Rbl রেট 3টাকা যারা বিক্রি করবেন পোষ্টের সাথে আইডি দেওয়া আছে ওই আইডি তে  সরাসরি ইনবক্স করবেন। কেউ প্রতারিত হবেন না। শুধুমাত্র পোষ্টের সাথে যেই আইডি দেওয়া আছে সেইটা আমার

Sidra 200+ হলেই রেট 7 @Miningupdate24Admin

Sidra 100+ হলেই রেট 6.5 @Miningupdate24Admin

Sidra যাদের অ্যাপ এর সাথে metamask কানেক্ট আছে তারা metamask এ গিয়ে দিতে পারেন। যদি ওইখানে ব্যালেন্স শো করে Inbox: @Miningupdate24Admin