ru
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Открыть в Telegram
1 996
Подписчики
-124 часа
+27 дней
+230 день
Архив постов
”রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাক্বীর” رَبِّ إِنِّيْ لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ "..হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।" (সূরা কাসাস, ২৪) এই এক বাক্যে আছে কৃতজ্ঞতা, প্রশংসা আর দোয়ার সমন্বয়। এই বাক্য বলার কারণে আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালামকে স্ত্রী, বাসস্থান এবং কর্ম দিয়েছিলেন। . - ইবন আশূর (রাহিমাহুল্লাহ) [আত-তাহরীর ওয়াত-তানওয়ীর: ২০/৩৮৮]

আমি যখন ড্রাইভিং শিখি, তখন একটা ভিডিওতে খুব চমৎকার একটা অ্যাডভাইস পেয়েছিলাম। ইন্সট্রাক্টর বলেছিলেন, একটা ড্রাইভ টেস্টে তুমি স্পিড লিমিটের মধ্যে থাকতে পারো কিনা সেটা দেখা হয়। আশপাশের বেশির ভাগ ড্রাইভার সে লিমিটের মধ্যে থাকে না। অন্তত ৫-১০ কিমি বেশি গতিতে চালায়। অবচেতনভাবেই তুমি যদি তোমার সামনের গাড়িকে ফলো করো, তুমিও তার স্পিডেই চলতে শুরু করবে। তার ওপর তোমার পাশ দিয়ে যখন হুশ করে সব গাড়ি বেরিয়ে যাবে, মনে হবে তুমি স্লো যাচ্ছ। তোমার ইন্সটিংক্ট হবে স্পিড বাড়িয়ে তাদের গতিতে চলা। কিন্তু সেটা করলে তুমি টেস্টে ফেইল করবে স্পিড লিমিট মানতে না পারার জন্য। কাজেই তোমার জন্য সবচে জরুরী কাজ হবে আশপাশের সবকিছু যখন তোমাকে স্পিডিং করতে বলবে, তুমি সেই ইচ্ছাকে দমন করে নিজের মতো, স্পিড লিমিটে থেকে ড্রাইভ করবে। এই কথাটা যে কি অদ্ভুত সত্যি! লাইসেন্স পাবার পর এটা আরও বেশি খেয়াল করেছি আমি। সবাই যখন পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, মনে হয় কি রে ভাই? আমি কি খুব আস্তে যাচ্ছি নাকি? অথচ আমি নিজেও কিন্তু ঠিক স্পিডেই যাচ্ছি। এবং মজার ব্যাপার হল, একটু সামনে গিয়ে দেখি রেড লাইটে আমার মতোই আটকে আছে স্পিডিং করা বা আমাকে কাট অফ করে চলে যাওয়া ড্রাইভার। আমার স্বভাব সব কিছু থেকে নানারকম শিক্ষা নেয়া। এই ব্যাপারটা আমাকে রোজ মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, আমার অন্য কারো গতিতে জীবন কাটাবার কোন দরকার নেই। যাকে দেখে মনে হয় সে অনেক দ্রুত তার লক্ষে পৌঁছে যাচ্ছে, সেও বিভিন্ন জায়গায় আটকে থাকবে। তার মনে হবে কেউ তার চেয়েও দ্রুত চলে যাচ্ছে। কেবল সেই যথেষ্ট দ্রুত এগোচ্ছে না। এই রেস চক্রের মতো চলতেই থাকে। এর কোন শেষ নেই। অথচ দিনশেষে এই স্পিড আসলে অতটা ম্যাটার করে না। ম্যাটার করে সেইফ থেকে গন্তব্যে পৌঁছানো। আমাদের গন্তব্য যেহেতু এক না, এক স্পিডে, এক রুটে ড্রাইভ করতে যাওয়ার তো কোন মানেই হয়না। এমনিতেও অনেক আগেই আমি কার আগে চাকরি পেলাম, কবে গাড়ি কিনলাম, বিয়ে করলাম, কার বাচ্চা কবে হল এসব তুলনা থেকে নিজেকে বের করে এনেছি । আজকে এই চিন্তাটা মাথায় আসায় মনে হল, ড্রাইভিং লেসনগুলো আসলে লাইফ লেসন ছিল। কত কি শিখি রোজ। আবার ভুলে যাই। এটা মনে রাখতে পারলে ভালো থাকা যাবে। তাই মনে রাখতে পারার জন্য লিখে ফেললাম। 🙂 ©️Sincerely, Zana (নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারেন কিন্তু ক্রেডিট ছাড়া কপি পেস্ট করবেন না কাইন্ডলি 🙂)

এক বোনের দু'আ কবুলের গল্প 🌻 আমি এই আমলটা করার পর থেকে প্রয়োজন কোনদিক দিয়ে যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা পূরণ করে দিচ্ছেন টেরই পাই না আলহামদুলিল্লাহ। এটা একটা পরীক্ষিত আমল। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা (আর রঝ্ঝাক্ব) উত্তম রিযিকদাতা। যেকোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য আমলটি করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। আমলটি হলো— "এশারের পর ১০০ বার দুরুদ, ৪৯৯ বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, ১বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যিম এবং ১০০ বার দুরুদ পড়বেন। তারপর মুনাজাতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে যা চাওয়ার চাইবেন।" لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ (লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যিম)

কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার কমাবেন ডা. অপূর্ব চৌধুরী লন্ডন, ইংল্যান্ড ১. বন্ধু সংখ্যা সীমিত রাখুন । ২. তাদের বন্ধু লিস্টে রাখুন, যাদের লেখা থেকে কিছু শিখতে পারেন, ভাবতে পারেন । একজন ভালো বন্ধুর লেখা আপনার প্রিয় পত্রিকার মতো । ৩. সেলিব্রিটিদের অনফলো করবেন । ওনারা প্রাপ্ত বয়স্ক দেহে শিশু মস্তিষ্ক । আপনার মস্তিষ্ককে বিষক্রিয়া করতে একজন সেলিব্রিটি যথেষ্ট । ৪. গ্রুপ সংখ্যা কমিয়ে আনুন । কেবল নিজের লেখা শেয়ার করতে ভালো লাগা গ্রুপে অ্যাড হবেন, কিন্তু আনফলো রাখবেন, যাতে গ্রুপের আবর্জনা লেখা আপনার নিউজফিডে না আসে । বেশিরভাগ গ্রুপ হলো গরুর হাট । ৫. পরিবার বা পরিচিত যাদের লেখা দেখলে বিরক্ত লাগে কিন্তু অ্যানফ্রেন্ড করলে ভেজাল করে, তাদের অ্যানফ্রেন্ড না করে আনফলো করবেন । সাপ মরবে, লাঠি ভাঙবে না । ৬. পেইজ লাইক একেবারেই অপ্রয়োজনীয় । পেইজ বাদ দেবেন লাইক দেয়া থেকে । পেইজ হলো সেলিব্রিটিদের পয়সা খরচ করে আপনাকে আবর্জনা খাওয়ানোর বুষ্ট আপ করা বিজ্ঞাপন । ফেসবুকে একমাত্র পেইজ এই বিজ্ঞাপন বুস্ট আপ করা যায় । ৭. পত্রিকাগুলো আনফলো করবেন । পত্রিকা গুলো হলো জাতীয় আবর্জনার ভাগাড় । পড়লেও যা জানবেন, না পড়লেও একই থাকবেন । ৮. লাইভ দেখে সময় নষ্ট করবেন না । বেশি দেখতে মাথা চুলকালে টয়লেটে বসে ওসব ট্র্যাশ দেখবেন, সময় উপরে অপচয় হবে না, কিন্তু সময়টি মসৃণ যাবে নিচে । ৯ ফেসবুকের ভিডিও গুলো দেখবেন কম । রান্না বা দৈনন্দিন কোনো টিপস জাতীয় লাইফ হ্যাক ভিডিও থাকলে দেখবেন সে গুলো, কিভাবে জীবনটাকে সহজ করা যায় । কারো ভিডিও ভ্লগ দেখার কিছু নেই, ওসব তাদের দৈনন্দিন অপকর্মের তালিকা । ১০. ফেসবুককে ব্যবহার করবেন বিকেলে একটু পাড়া ঘুরার মতো । এর চেয়ে বেশি করলে সারাদিন পাড়া ঘুরে যে লাভ, ওই এক টুকরো বিকেলে ঘুরে একই লাভের চেয়ে বেশি কিছু পাবেন না । বিনিময়ে কেবল সময় নষ্ট করবেন । মনে রাখবেন, ফেসবুক আপনার এই সময় বিক্রি করে বছরে একশো বিলিয়ন ডলারের বেশি কামায়, কিন্তু আপনার পকেটে কিছু আসে না ।

# 21 days Challenge # আপনাকে নতুন অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে। কমফোর্ট জোন থেকে বের হতে সাহায্য করবে। 1)পর্ণ ভিডিও দেখা যাবো না। 2)সোশ্যাল মিডিয়ায় কম সময় কাটান। 3)প্রতিদিন সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠুন। 4)প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। 5)একটা বই নিন, প্রতিদিন ১ চ্যাপ্টার পড়ুন। 6)প্রতিদিন ৭/৮ ঘন্টা ঘুমান। এই রুলস গুলো ২১ দিন কনসিস্টেন্সি ফলো করুন নতুন অভ্যাস গড়তে।

# পার্সোনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট টেকনিক # ১. কথা হজম করতে শিখুন! এইটা অনেক বড় গুণ!আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে! # ২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না! আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন! আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশী হয় সে জিতে গেছে ভেবে! আপনি একটু হাসুন! # ৪. মনে রাখবেন, কখনও কখনও জিততে হলে হারতে হবে! আর আপনার আজকের এই হারই আপনাকে বড় জয় এনে দিবে! # ৫. হারতে শিখুন! সব জায়গায় জিততে নেই! এটা বোকামি! # ৬. মনে রাখবেন, কথায় কাজ হবে না! তাই কাজ শুরু করুন নিরবে! আপনার কাজই কথা বলবে! # ৭. আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের চিন্তা বাদ দিন! নিজেকে বিশ্বাস করুন! নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে! # ৮. আপনি অনেক কিছু পারেন! কি দরকার বলে বেড়ানোর! কাজ করুন! যার প্রয়োজন সে আপনাকে এমনেতেই খুঁজে বের করবে! # ৯. মনে রাখবেন, চিতা বাঘ কখনও কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না! কুকুরদের জিততে দিন! আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন! # ১০. নিজের প্রয়োজনেই তর্ক এড়িয়ে চলুন! আর নিরবে কাজ করুন! আপনার কাজই আপনার কথা বলবে # লাষ্ট একটা কথা বলব.... কোনকিছু পারসোনালি না নিতে শিখুন, সবার থেকে প্রত্যাশা না করতে শিখুন। আপনার পাশে বো'ম্ব ফাটালেও সাইলেন্ট থাকুন 💥

গত দুইবছরে আমি একটা জিনিস শিখছি। কোনো পুরুষকে কোনোদিন শিখাইতে হবেনা আপনাকে গুরুত্ব দিতে, টাইম দিতে কিংবা আপনার পেছনে এফোর্ট দিতে। পুরুষ এমন একটা জাত, যে তারা যেই নারীকে পছন্দ করে তার পায়ের নিচে দুনিয়া এনে দিতেও দ্বিধাবোধ করেনা। কোনো পুরুষ যদি আপনাকে ভালোবাসে, আর কখনো জানতে পারে আপনার প্রিয় ফুল গোলাপ ; আর পৃথিবীতে যদি একটাই গোলাপ অবশিষ্ট থাকে সে চেষ্টা করবে সেই একটাই গোলাপ আপনাকে এনে দিতে। আর যে ভালোবাসেনা সে যদি জানে গোলাপ আপনার প্রিয় আর সারা দুনিয়ার আনাচে কানাচে পানির মতোন গোলাপ ছিটিয়েও থাকে সে এনে আপনার হাতে তুলে দেবেনা। আমি এমন পুরুষ দেখছি যারা বছরের পর বছর সম্পর্ক করেও একজনের পেছনে এফোর্ট দেয়না, আবার ৬ মাসের পছন্দে একটা মেয়েকে বিয়ে করে ফেলে এবং সেই সব তার জন্য করে যা তার এক্স তাকে করার জন্য বেগ করতো। আপনি শত চাইলেও সেইসব আপনার জন্য করবেনা কারন আপনি সেই নারী না যার সাথে সে থাকতে চায়। পিপোল চেইঞ্জ ফর হুম দে ওয়ান্ট। Men Are Born To Pursue. They Make Time And Effort For Something They Want. লেখা: ফারিয়া হোসাইন

ক্লাউড স্টোরেজ মানেই অন্যের কম্পিউটারে (সার্ভারে) নিজের ফাইল রাখা। এ হিসেবে সাধারণ ব্যাকআপের জন্য সেইফ হলেও প্রাইভেসির জন্য সেইফ বলা যায় না। সার্ভারের অ্যাডমিন রিভিউর প্রয়োজনে দেখতে পারে, সার্ভার হ্যাকও হতে পারে। অল্টারনেটিভ হলো - ফিজিক্যাল স্টোরেজ (হার্ডড্রাইভ, পেনড্রাইভ, এসডি কার্ড) - ফাইলগুলো পাসওয়ার্ড দিয়ে আর্কাইভ করে ক্লাউডে আপলোড দেওয়া। (Winrar, Peazip বা 7zip সফটওয়্যার দিয়ে)

পুরুষের আমলনামা 3 টা. বিয়ের আগ পর্যন্ত একটাই থাকে, কিন্তু বিয়ের পর নিজ স্ত্রীর এবং সন্তানদের আমল নামার খাতা নিজ আমলনামার সাথে যুক্ত হয়ে 3 টা হয়.

"একজন নারী যদি বেপর্দায় চলাফেরা করে তাহলে চারজন পুরুষ জাহান্নামে যাবে, এই চার জন পুরুষ কে 'দাইয়ুস' বলা হয়। সে চারজন পুরুষ হল-- ১. নারীর বাবা ২. নারীর ভাই ৩. নারীর স্বামী ৪. নারীর ছেলে। ____________________(মুসনাদে আহমদ ৫৮৩৯) দাইয়ুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না’। (নাসাঈ : ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাত : ৩৬৫৫; সহীহুল জামে : ৩০৫২) عَمَّارِ بْنِ يَاسَرٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثَةٌ لاَ يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ أَبَدًا اَلدَّيُوْثُ وَالرَّجْلَةُ مِنَ النِّسَاءِ وَمُدْمِنُ الْخَمْر. আম্মার ইবনু ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন শ্রেণীর মানুষ কখনো জান্নাতে যাবে না। (১) যে ব্যক্তি তাঁর পরিবারে বেহায়াপনার সুযোগ দেয়। (২) পুরুষের বেশধারী নারী। (৩) নিয়মিত নেশাদার দ্রব্য পানকারী। (তাবরাণী, তারগীব হা/৩৩৮১) দাইয়ুসের গুণাগুণ অনেককেই দেখা যায়, তারা নিজেদের স্ত্রী’র সুন্দর ছবি আপলোড করে সবাইকে দেখার জন্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়। যারা নিজেদের স্ত্রী’কে সাজিয়ে-গুছিয়ে পর পুরুষের উপভোগের জন্য খোলা ময়দানে বা রাস্তা ঘাটে বেড়াতে পাঠায় বা মনোরঞ্জনের জন্য পাঠায় তারাও ‘দাইয়ুস’।

*দাইয়ুস:* *যে পুরুষ তার স্ত্রী-কন্যা-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেন না তাকে দাইয়ুস বলে*। *দাইয়ুস ব্যক্তির পরিণতি সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ* ‘দাইয়ুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না’। নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫; সহীহুল জামেঃ ৩০৫২ *নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন: "তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে যাবেন না* — (১)মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, (২)পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী/নেশাদার দ্রব্যে আসক্ত ব্যক্তি এবং (৩)দাইয়ুস অর্থাৎ যে পুরুষ তার স্ত্রী-কন্যা-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেন না।।" *নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন: "তিন ধরনের মানুষের দিকে বিচার দিবসে আল্লাহ তাআলা তাকাবেন না।* মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, পুরুষের সদৃশ অবলম্বনকারী নারী এবং দাইয়ুস।" — আহমাদ ২/৬৯,১২৮[৪], সুনানে নাসায়ি ২৫৬২, মিশকাতুল মাসাবিহ ৩৬৫৫, মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস নং: ২২৬

বই পড়াকে আকর্ষণীয় ও ইফেক্টিভ করার কিছু কৌশল : 🔹 বই পড়ার জন্য বাসায় পছন্দমত কোনো স্থান নির্বাচন করে নেওয়া। 🔹 সামর্থ্য থাকলে বাসার কোনো স্থান বা রুমকে স্টাডি রুম হিসেবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া। 🔹 দৃষ্টিনন্দন সেলফ বানিয়ে নিলে তা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এবং পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাহায্য করে থাকে। 🔹 মাঝেমধ্যে নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক মনোভিরাম স্থানে যেয়ে বই পড়া যেতে পারে। 🔹 বইয়ে হাত রেখে বা স্পর্শ করে পড়া হলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় ৷ 🔹 আন্ডারলাইন করার জন্য কলম বা পেন্সিলের পাশাপাশি মার্কার ব্যবহার করলে তা দৃষ্টিকে একপ্রকার আনন্দ দেয় এবং অধ্যয়নে মনোযোগ আনয়নে সহায়তা করে। 🔹 সবসময় নিঃশব্দে না পড়ে সশব্দেও পড়ার অভ্যাস করে নেওয়া যেতে পারে। শব্দ করে পড়লে একসাথে চোখ এবং কান দুইটি ইন্দ্রিয় ব্যবহৃত হয়। ফলে তা অন্তরে অধিকতর স্থায়ী হয়। 🔹 পড়তে বসার পূর্বে সকলপ্রকার connectivity-এর সামগ্রীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা। 🔹 পড়াকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে নিলে পড়ায় গতি বৃদ্ধি হয় এবং মনোযোগ বাড়ে। 🔹 সম্ভব হলে সুন্দর ও আকর্ষণীয় কাভারের বই নির্বাচন করা, কেননা তা বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। এবং বই প্রিন্ট করিয়ে নিলে সম্ভব হলে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর কাভারের সাথে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া। 🔹 প্রতিদিন রাতে পরবর্তী দিনের পড়ার রুটিন করে স্টিকি নোটে লিখে দৃশ্যমান কোনো স্থানে সেঁটে দেয়া গেলে খুব ভালো হয়। 🔹 পড়ার ক্ষেত্রে এমন পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যা নিজের তুলনামূলক সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়ে বেশি হবে না। 🔹 পড়তে কষ্ট হলে বা কঠিন হলে দিনের একাধিক অংশে পড়া শেষ করার চেষ্টা করা। 🔹 সর্বোপরি নির্দিষ্টকৃত অংশ শেষ করার প্রাণপণ চেষ্টা করা। 🔹 কঠিন বই হলে পড়তে সময় নেয়া, কেননা তা আত্মস্থ হতে সময় লাগে। প্রয়োজনে একাধিকবার পড়া। 🔹 পঠিত বিষয় মনে রাখার জন্য তা আমলে পরিণত করা। 🔹 পঠিত বিষয়বস্তু কারো সাথে আলোচনা করা। এতে তা সহজে মনে থাকে। [Aslaf Academy এর The Art of Reading কোর্স থেকে] টিপসগুলো ভালো লেগে থাকলে পরিচিতজনের সাথে শেয়ার করুন। আরো এমন টিপস-ট্রিকস পেতে আসলাফ একাডেমির পেইজে চোখ রাখুন...

বিষয়বস্তুু : লিভার সিরোসিস হেপাটাইটিস বি সি ভাইরাস মানেই কি লিভার সিরোসিস? লিভারের অসুখ মানেই কি সিরোসিসের ঝুঁকি? লিবার সিরোসিস কি? কিভাবে হয়? লক্ষ্মণ কি? চিকিৎসা কি? প্রতিরোধের উপায় কি? এসব নিয়ে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে খোলামেলা আলোচনা। ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল গবেষক ও চিকিৎসক লিভার বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, পিজি হাসপাতাল। শাহবাগ ঢাকা। চেম্বার : লিভার কেয়ার এন্ড লার্নিং সেন্টার ৪৬-৫১,মোহাম্মদপুর টাউন হল কাচা বাজার মার্কেটের ২য় তলা মোহাম্মদ পুর - ঢাকা। বিকাল পাঁচ টা থেকে রাত দশটা শুক্রবার বন্ধ। যোগাযোগ : ০১৭৪৬২২৫১১০ হোয়াটসঅ্যাপ : ০১৯৮৫১০২৫৩৩( চিকিৎসক ব্যক্তিগত।)

⛔হঠাৎ গ্রেফতারি পরোয়ানা ⛔ হলে আপনি কি করবেন প্রত্যেকটা মানুষ যে যে পেশার সাথে জড়িত সেই পেশার বাইরে অন্য কিছু সম্পর্কে অনেকের ই বেসিক নলেজ থাকে না ।আমার এই লেখাগুলার মাধ্যমে ক্ষুদ্র চেষ্টা আপনাদের সাথে আমার বেসিক নলেজ শেয়ার করা। যদি কেউ উপকৃত হন। আমি নিজেও যে সব জানি তা কিন্তু নয়। আজকে আমরা আলোচনা করবো গ্রেফতারি বা ওয়ারেন্ট নিয়ে। হঠাৎ করে যদি কারো নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয় তাহলে সে যেই লেবেলেরই হোক না কেন অবশ্যই প্যানিক হবে। এবং সেই বিষয়ে তার যদি জানা না থাকে তাহলে অবশ্যই সে ভুল সিদ্ধান্ত নিবে আর সাধারণত মানুষ প্যানিক থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। 🛑গ্রেফতারি পরোয়ানা পেলে কি করবেন? চলুন তাহলে জেনে নেই হঠাৎ গ্রেফতারের পরোয়ানা পেলে আপনি কি করবেন ?সাধারণত আমরা প্রথমে একটা ভুল করি সেটা হল যখন কোন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় যদি সেই মুহূর্তে আমরা বাসায় না থাকি এবং পরে জানতে পারি নিজে স্ব শরীরে থানায় খোঁজ নিতে যাই। এটা করা যাবে না। যদি বাসায় অনুপস্থিত থাকেন এবং বাসায় এসে জানতে পারেন যে কোন পুলিশ এসেছিল আপনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানিয়েছে যে আপনার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানায় রয়েছে তখন অবশ্যই প্যানিক হয়ে নিজেই থানায় চলে যাবেন না। পুলিশের কাজ পুলিশকে করতে দেন। সেই মুহূর্তে আপনি যেটা করবেন সেটা আপনার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজন অথবা বন্ধু-বান্ধবদের থেকে কোন একজনকে সেই থানায় পাঠাবেন যেখান থেকে আপনার খোঁজ নিতে এসেছিল। সেই থানায় পাঠিয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিবেন যে কি বিষয়ে এবং কে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠিয়েছে এবং গ্রেফতারি পরোয়ানার একটি ফটোকপি সংগ্রহ করবেন যাকে পাঠিয়েছেন তার মাধ্যমে। পুলিশ এটা চাইলে তাকে দিয়ে দেবে। পরবর্তী ধাপে আপনার করণীয় হলো সে পরোয়ানাতে আপনার যে স্থায়ী ঠিকানাটা দেওয়া আছে সেই ঠিকানায় কিছুদিনের জন্য না থাকা অর্থাৎ সেই কিছুদিন আপনি অন্যত্র অবস্থান করে জানার চেষ্টা করবেন যে আপনার বিরুদ্ধে কেন গ্রেফতারি পরানো জারি করা হয়েছে? এবং যখন আপনি জানতে সক্ষম হবেন যে কোন বিষয়ের উপরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সমসাময়িক সময়ে আপনি আরও একটি কাজ করবেন সেটা হল হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসবেন। আগাম জামিন সাধারণত ৪ সপ্তাহ, ৮ সপ্তাহ মতো সময় দিয়ে থাকে। এবং আগাম জামিনের ক্ষমতা শুধু হাইকোর্টেই আছে ।এটা অন্য কোর্ট থেকে আপনি নিতে পারবেন না। এই আগাম জামিন দেওয়ার সাথে সাথে আপনাকে কিছু ডিরেকশনও হাইকোর্ট থেকে আপনাকে দেবে ।অবশ্যই এই ডিরেকশন মানতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে যে এই সময়ের মধ্যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন যেন আপনি না হন আগাম জামিন নেয়ার আগে ।আগাম জামিন নিয়ে আপনি আপনার নির্দিষ্ট কোর্টে ঐ নির্ধারিত সময় পরে একজন দক্ষ আইনজীবের মাধ্যমে সারেন্ডার করবেন। তবে হ্যাঁ এই সারেন্ডার এর আগে যদি ওয়ারেন্ট এর ইস্যু টি নেগোসিয়েশন করা যায় বাদী পক্ষের সাথে তাহলে সেটাও করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ

একজন সাহাবী অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন। তখন তাঁর নূরানী চেহারা ঝলমল করছিল! বেশ কিছু মানুষ উনাকে দেখতে উনার বাড়িতে দেখা করতে এলে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই চেহারার এই অপার্থিব উজ্জ্বলতার রহস্য জানতে চাইলেন! . সেই অসুস্থ সাহাবী হযরত আবু দুজানা {রাদিয়াল্লাহু আনহু} বললেন, দুইটি গুণ আমি দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছি: ১. আমি অপ্রয়োজনীয় কথা বলি না। ২. আমার অন্তর মুসলিমদের জন্য নিরাপদ। অর্থাৎ, তিনি কারও বিষয়ে মন্দ ধারণা রাখতেন না এবং কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতেন না। . [1] তোমার মুখের কথা হল তোমার বন্দি। তাই, যখন তোমার মুখ হতে তা বের হয় তখন তুমি তাঁর বন্দি হয়ে গেলে! সুতরাং, কথা-বার্তা একটু চিন্তা করে বলা উচিত! . [2] সফল লোকদের ঠোটে যে দুটি জিনিস সবসময়ই থাকে তা হলো- হাসি ও নীরবতা। কারণ এক টুকরো হাসি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, আবার একটু নীরবতা অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দেয়। . [3] দুটি বস্তু ছাড়া সহজে নফস কে ঘায়েল করতে পারবে না! নীরবতার খঞ্জর, নির্জনতার বর্ষা,, এই হাতিয়ার গুলো যার অর্জিত হয়নি তার নফস কখনো সহজে সংশোধিত হবে না! . [4] "ইসলামের সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা!" ~ আখেরী ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} [মেশকাত শরীফ হাদীস: 4839] . আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমান - আমলের মেহনত করে হক্বের পথে এলেম শিখার, আল্লাহর ওলী বুজুর্গদের সোহবতে এসলাহী নফস, এবং নবীজী {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} এর রেখে যাওয়া আমানত দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ জিম্মাদারীর সাথে উম্মতের দরদ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে করার তাওফীক দান করুন! আমিন। 1 ~ [হায়াতুস সাহাবা চতুর্থ খন্ড] 2 ~ ইমাম_ইবনুল_কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ [ আদ দা ওয়াদ দাওয়া ] 3 ~ ড. বিলাল ফিলিপস 4 ~ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার رحمه الله [পান্দেনামা]

একজন সাহাবী অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন। তখন তাঁর নূরানী চেহারা ঝলমল করছিল! বেশ কিছু মানুষ উনাকে দেখতে উনার বাড়িতে দেখা করতে এলে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই চেহারার এই অপার্থিব উজ্জ্বলতার রহস্য জানতে চাইলেন! . সেই অসুস্থ সাহাবী হযরত আবু দুজানা {রাদিয়াল্লাহু আনহু} বললেন, দুইটি গুণ আমি দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছি: ১. আমি অপ্রয়োজনীয় কথা বলি না। ২. আমার অন্তর মুসলিমদের জন্য নিরাপদ। অর্থাৎ, তিনি কারও বিষয়ে মন্দ ধারণা রাখতেন না এবং কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতেন না। . [1] তোমার মুখের কথা হল তোমার বন্দি। তাই, যখন তোমার মুখ হতে তা বের হয় তখন তুমি তাঁর বন্দি হয়ে গেলে! সুতরাং, কথা-বার্তা একটু চিন্তা করে বলা উচিত! . [2] সফল লোকদের ঠোটে যে দুটি জিনিস সবসময়ই থাকে তা হলো- হাসি ও নীরবতা। কারণ এক টুকরো হাসি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, আবার একটু নীরবতা অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দেয়। . [3] দুটি বস্তু ছাড়া সহজে নফস কে ঘায়েল করতে পারবে না! নীরবতার খঞ্জর, নির্জনতার বর্ষা,, এই হাতিয়ার গুলো যার অর্জিত হয়নি তার নফস কখনো সহজে সংশোধিত হবে না! . [4] "ইসলামের সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা!" ~ আখেরী ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} [মেশকাত শরীফ হাদীস: 4839] . আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমান - আমলের মেহনত করে হক্বের পথে এলেম শিখার, আল্লাহর ওলী বুজুর্গদের সোহবতে এসলাহী নফস, এবং নবীজী {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} এর রেখে যাওয়া আমানত দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ জিম্মাদারীর সাথে উম্মতের দরদ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে করার তাওফীক দান করুন! আমিন। 1 ~ [হায়াতুস সাহাবা চতুর্থ খন্ড] 2 ~ ইমাম_ইবনুল_কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ [ আদ দা ওয়াদ দাওয়া ] 3 ~ ড. বিলাল ফিলিপস 4 ~ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার رحمه الله [পান্দেনামা]

"বিসমিল্লাহ" বলে টয়লেটে প্রবেশ করলে ওখানে থাকা জ্বীনেরা প্রবেশকারীর লজ্জাস্থান দেখতে পায় না। তিরমীযি— ৬০৬, ইবনু মাজাহ— ২৯৭।

শারিরীক দিক বললে লম্বা মেয়েদের নালাপথ থেকে ক্লাইটোরাসের দুরত্ব এক ইন্সির বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এতে যথেষ্ট সামর্থ থাকা সত্যেও সে এবং আপনি পূর্ন আনন্দ উপভোগ নাও করতে পারেন। কিন্তু লম্বারা এটা জানে না, সুতরাং সে আপনাকে অক্ষম ভাবতে পারে। কিন্তু সামাজিকতা ঠিক থাকলে সে হয়তো এটা মেনে নিবে। তবে লম্বা মেয়েদের শিশু মৃত্যুর হার কম, নরমাল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার প্রবণতা প্রখর। চঞ্চলতা কোন বিষয় না, উপভোগ্য তবে, বুদ্ধিহীন নির্বোধ চঞ্চলতা এলার্মিং। চঞ্চলতা মানায় যদি মাথায় মাল থাকে, থিউরি অফ রিলেটিভিটি জানে না, কিন্তু মারাত্নক পাকনা, এরমানে তার ভেতর আসলে গু। মানে জ্ঞান, বুদ্ধি, সহমর্মিতা, আর ভালোবাসার পাশাপাশি চঞ্চলতা আলাদা মার্ক পায়, বাট সেগুলো ছাড়া ০। খাটো মেয়ে শান্ত, খারাপ না। আবার মানানসই তো লাগবে, আপনার তৃপ্তি শারিরীক না হলে ঠিক আছে। খুব বেশি গুমোট, শান্ত এলার্মিং। এরা তলে তলে অহংকারী, অসামাজিক আর খ্যাপাটে, সময় হলে রঙ চিনাবে। সুতরাং দিনশেষে সিদ্ধান্ত আপনার।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা নিজেদের অপেক্ষা নিম্ন অবস্থার লোকের প্রতি তাকাও। এমন ব্যক্তির দিকে তাকিয়ো না যে তোমাদের চাইতে উচ্চ পর্যায়ের। তাহলে এ পন্থা অবলম্বনই হবে আল্লাহর নি'আমাতকে অবজ্ঞা না। করার এক উপযোগী মাধ্যম। . [সহীহ বুখারী ৬৪৯০, মুসলিম ৮-২৯৬৩]

অনেক দ্বীনদার লোককেও এমন কাজ করতে দেখেছি, তারা সারাদিন ব্যস্ত থাকেন, অথবা দ্বীনের দাওয়াত নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, আর ঘরে-বাইরে সব কাজ সামলান স্ত্রী। এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ঘরের পুরুষ তো আর সব সময় ব্যস্ত থাকে না। অফিসে যাওয়ার আগে বাজারের সময় থাকে, অথবা অফিস থেকে ফেরার পথে রাতেও বাজার থাকে। এই দুই সময়ে বাজার করা যায়। অথবা মূল বাজারগুলো সপ্তাহে একদিন শুক্রবারে করে নিয়ে এরপর টুকটাক বাজারগুলো প্রতিদিন যেকোনো সময়ে করলেই হয়। মোটকথা, ঘরের মহিলাদের এভাবে বাজারে পুরুষদের ভিড়ে ছেড়ে দেয়া কোনো গাইরতমান্দ পুরুষের কাজ হতে পারে না। একজন আত্মমর্যাদাসম্পন্ন পুরুষ কখনোই চাইবে না যে, তার স্ত্রী বাজারে, মার্কেটে ঘুরে ঘুরে গাইরে মাহরামের সাথে কথা বলে বাজার-সদাই করবে। উপরন্তু অনেক দোকানদার মহিলাদের সাথে খারাপ ব্যবহারও করে। একজন স্বামী কীভাবে এটা সহ্য করে যে, তার স্ত্রী ঘরের বাইরে গিয়ে গাইরে মাহরামের কাছে অপমানিত হচ্ছে! আমার চোখে দেখা একটি কারগুজারি হলো, একবার বাজারে আপাদমস্তক পর্দা করা এক নারীকে তরকারি ক্রয় করতে দেখলাম। বাজার ব্যাগে ভরার পর সেই নারীর বক্তব্য হলো, তিনি দোকানদারকে ৫০০ টাকার নোট দিয়েছেন, আর দোকানদারের বক্তব্য হলো, তিনি ১০০ টাকার নোট দিয়েছেন। ৫০০ টাকার কোনো নোট তাকে দেয়া হয়নি। এটা নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে গেল। সেই নারী বেশ ধীর গলায় দোকানদারকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন; কিন্তু দোকানদার তার সাথে আরও খারাপ ব্যবহার করা শুরু করল। তখন সেখানে উপস্থিত আমরা কয়েকজন পুরুষ উভয়কে বুঝিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করলাম। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পর একটা কথাই আমার মাথায় ঘুরছিল, এই নারীর ঘরেও হয়তো সুস্থ মাহরাম পুরুষ রয়েছেন, আর তিনি দুনিয়ার কোনো কাজে অথবা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। অথচ তার স্ত্রী অথবা মা বাজারে গাইরে মাহরামের কাছে অপমানিত হলো, এটা কিন্তু সে ক্ষুণাক্ষরেও জানবে না। অথবা জানলেও তার আত্মমর্যাদায় আঘাত হানবে না। কারণ, যে পুরুষ তার ঘরের নারীকে এভাবে বাজারে পাঠিয়ে দেয়, তার আত্মমর্যাদায় তখন অনেক কিছুই লাগে না। সবকিছুই তখন স্বাভাবিক মনে হয়। তবে ঘরে যদি কোনো সুস্থ মাহরাম পুরুষ না থাকে, তাহলে মহিলারা প্রয়োজনমতো বাজার-সদাই করতে পারবেন। এর জন্য উত্তম হলো, যখন বাজারে ভিড় থাকে না, তখন গিয়ে বাজার করা। অথবা পাশের ঘরের মহিলাকে বলে সেই ঘরের কোনো পুরুষকে দিয়ে বাজার করানো। . বই : পর্দা গাইডলাইন লেখক : তানজীল আরেফীন