ru
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Открыть в Telegram
1 954
Подписчики
Нет данных24 часа
-77 дней
-1830 дней
Архив постов
photo content

গ্রিন কালারের যে ফিচারটার কথা বলছেন সেটা এন্ড্রোয়েড ১১/১২ আপডেটের পর নতুন এড হয়েছে কিছু ডিভাইসে, আপনার ডিভাইস আপডেটেট বিধায
গ্রিন কালারের যে ফিচারটার কথা বলছেন সেটা এন্ড্রোয়েড ১১/১২ আপডেটের পর নতুন এড হয়েছে কিছু ডিভাইসে, আপনার ডিভাইস আপডেটেট বিধায় এই ফিচার পেয়েছেন। ভয়ের কোনো কারণ নেই এই ফিচারটার মাধ্যমে আপনার ফোনের ভয়েস স্পিকার কতক্ষন ইউজ হচ্ছে সেটা দেখা যায়। আপনি যদি কারো সাথে অডিও কলে কথা বলেন, বা ভয়েস ম্যাসেজ পাঠাবেন বলে রেকর্ড করেন তখন এই ফিচার অটো অন হয়ে যায় আর টাইম কাউন্ট শুরু করে কতক্ষন আপনার স্পিকার চালু আছে। কথা বলা শেষ হলে বা ভয়েস স্পিকার এর কাজ শেষ হওয়া মাত্র এটা বন্ধ হয়ে যায়। সেম আরেকটা আপডেট আছে ক্যামেরার জন্য। আপনি ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা বা ভিডিও কল করলেও ক্যামেরার একটা আইকন ওখানে গ্রিন আকারে আসবে। তখন বুঝতে পারবেন যে ক্যামেরা চালু আছে। যদি ক্যামেরা আর স্পিকার দুইটা একসাথে কাজ করে তাহলে দুইটা একসাথেই দেখাবে। অনেকসময় ডিভাইস হ্যাক হলে হ্যাকাররা ক্যামেরা/মাইক্রোফোনের এক্সেস নিয়ে অনেককিছু করে বসে, যার কারণে এই এন্ড্রয়েডের আপডেট টা অনেক ভালো। আপনার অগোচরে ফোনের ক্যামেরা বা স্পিকার ইউজ হচ্ছে কি না বোঝা যায়। আশা করছি নিজের মূলবান সময় নষ্ট করে আপনাকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। 😁

নারীদের মাসিক বা পিরিয়ড চলাকালীন অসুস্থতা হলে কি করবেন? মা বোনদের জন্য খুব দরকারি তথ্য(টাইমলাইনে রেখে দিন) পিরিয়ড নারীর দুর্বলতা নয়, নারীদের অহংকার। মাসিক চলাকালীন মেয়েদের শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে আছে শারীরিক দূর্বলতা, তলপেটের অতিরিক্ত ব্যথা, মুড সুয়িং, খিটখিটে মেজাজ, অনেকেই ডিপ্রেশনে ভুগেন, মাথা ঘোরানো, অ্যাসিডিটি, মুখের অরুচি, বমি বমি ভাব, অস্বস্তিবোধ, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। পিরিয়ডের দিনগুলোতে রক্তক্ষরণের কারণে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। এসব কিছুর সাথে বিভিন্ন পুষ্টির ঘাটতির লিংক আছে। আজকে এসব শারীরিক সমস্যা গুলো মোকাবেলা করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন ইনশাআল্লাহ। প্রথমেই আসি তলপেটের ব্যথা কিভাবে কমাবেন? সাধারণত মাসিক চলাকালীন তলপেটে ব্যথা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে, আমি পুনরায় বলছি প্রাথমিকভাবে আপনি Algin 50 tablet টি খেতে পারেন। এটা খেয়েও ব্যথা না কমলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। কারন এর পিছনে অন্য কোন কারন আছে কিনা চেক করে দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, কিছু খাবার আপনার মাসিক চলাকালীন শারীরিক সমস্যা প্রতিরোধ করতে দারুন সাহায্য করবে।যেমন- ১.পানি পিরিয়ডের সময় রক্তের পাশাপাশি শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে পানিশূন্যতা হতে পারে। তাই অবশ্যই বেশি বেশি পানি ও ফলের জুস পান করবেন। পানি মাসিকের চলাকালীন মাথা ব্যথাও প্রতিরোধ করবে। তাজা ফলের জুস খাবেন, অবশ্যই বাজারের প্যাকেটের জুস পরিহার করবেন। ২. রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ঃ পিরিয়ডের সময় শরীরে আয়রনের ঘাটতি হতে পারে। তাই আয়রন যুক্ত খাবার যেমন কলিজা, কচুশাক, পুঁইশাক, খেজুর, ডালিম, বিট ইত্যাদি অবশ্যই খাদ্যতালিকায় রাখবেন। পাশাপাশি ভিটামিন বি ১২ এবং ফলিক এসিড যুক্ত খাবার যেমন লাল মাংস,লিভার, ডিম ইত্যাদি খেতে হবে। ৩. ফাইবার যুক্ত খাবারঃ এসময় পায়খানা কষা হতে পারে। তাই ফাইবার যুক্ত খাবার ও পানি বেশি পরিমানে খাবেন। ফাইবারজাতীয় খাবার অন্ত্রের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। সব ধরনের শাকসবজি ও ফাইবার সমৃদ্ধ ফলমূল খাবেন। ৪. পেশীর টান ও দুর্বলতা কমাতে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন। এসময় ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার, ভাজা পোড়া, অতিরিক্ত চিনি একদম পরিহার করবেন। অনেকেই আছেন মাসিক সময় বিরক্তির কারনে দীর্ঘসময় প্রস্রাব আটকে রাখেন।তাতে প্রশ্রাবে ইনফেকশন হতে পারে।তাই এই কাজ করবেন না। একটু কষ্ট হলেও প্রশ্রাব আটকে রাখা যাবে না। আর এক্ষেত্রেও পানি খাওয়া জরুরি। ........... প্রচারে ডা মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি: https://www.facebook.com/mahamudulislamchowdhury.mamun?mibextid=ZbWKwL

আল্লাহ্‌র রাসূল ﷺ বলেছেন, দুটি (দোয়া) ফিরিয়ে দেওয়া হয় না, অথবা খুব কমই ফিরিয়ে দেওয়া হয়; আযানের সময় দোয়া এবং যখন যুদ্ধ তীব্র রূপ ধারণ করে। অপর এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, বৃষ্টির সময়। - আবূ দাঊদ ২৫৪০

photo content

হযরত আবু সাঈদ খুদরী(রা.) হতে বর্ণিত, রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন- যার উপর দিয়ে ঘাত-প্রতিঘাত না যায়, সে সহনশীল হইতে পারে না এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তি ব্যতিত কেউ প্রজ্ঞাবান হতে পারে না। (আল আদাবুল মুফরাদ: ইমাম বুখারী, হাদিস নং-৫৬৭)

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

আব্দুল্লাহ্ ইবনু আমর রাঃ বলেন, একজন লোক বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! মুআযযিনদের মর্যাদা আমাদের চেয়ে বেশী হয়ে যাবে। তখন রাসূল ﷺ বললেন, মুআযযিন যা বলে তুমিও তা বল। যখন আযান শেষ হয়ে যাবে তখন আল্লাহ্‌র কাছে চাও, যা চাইবে তা দেয়া হবে। - আবূ দাঊদ ৫২৪

তিন সময়ে মিথ্যা বলার অনুমতি আছে . উম্মে কুলসুম (রাদ্বি.) বলেন, নবীজি (সা.)-কে মানুষের কথাবার্তায় মিথ্যা বলার অনুমতি দিতে শুনিনি, তবে তিন ক্ষেত্র ছাড়া: . (১) যুদ্ধকালে (২) লোকেদের ঝগড়া মিটাবার ক্ষেত্রে (৩) স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের (প্রেম বর্ধক) কথোপকথনে। . সূত্র: সহীহ মুসলিম, ৬৮০০