ru
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Открыть в Telegram
1 954
Подписчики
Нет данных24 часа
-77 дней
-1830 дней
Архив постов
ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা একজন ইঞ্জিনিয়ার, তার জনপ্রিয়তা ছবিটির দিকে তাকালেই হয়ত বুঝে যাবেন। তার একটি সত্য গল্প খুব প্রচলিত ছিল, যিনি একটি স্ক্রু ঘোরানোর জন্য ১ ডলার আর কোন স্ক্রু ঘোরাতে হবে সেটা জানার জন্য ৯,৯৯৯ ডলার দাবি করেছিলেন। হ্যাঁ, এই প্রকৌশলী আসলেই ছিলেন। তার নাম ছিল চার্লস প্রোটিয়াস স্টেইনমেটজ (১৮৬৫–১৯২৩)। একবার তার সঙ্গে পরিচিত হন খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হেনরি ফোর্ড। যাকে বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ির নির্মাতা হিসেবে জানি। তো ফোর্ডের রিভার রুজ প্ল্যান্টে একটি বিশাল জেনারেটরে জটিল এক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীরা কোনোভাবেই সমস্যার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না। শেষমেশ হেনরি ফোর্ড নিজেই স্টেইনমেটজকে ডাকেন। যথারীতি স্টেইনমেটজ কারখানায় এসে কারো সাহায্য না নিয়ে শুধু একটি খাতা, কলম আর একটি খাট চাইলেন। মনে হতে পারে না, এত কিছু থাকতে খাট কেন, কেননা তিনি জন্ম থেকেই kyphosis- নামক রোগে এ আক্রান্ত ছিলেন, যার ফলে পিঠে একটি কুঁজ তৈরি হয়। যে কারণে তিনি ছিলেন কুঁজো এবং তার উচ্চতাও ছিল মাত্র প্রায় ৪ ফুট। এছাড়াও তার কাঁধ ও শরীরের গঠন ছিল অস্বাভাবিক, যা চলাফেরা ও কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করত। যাইহোক তিনি টানা দু’দিন ও দু’রাত সেই বিশাল জেনারেটরের শব্দ শুনে কাটালেন, আর করলেন অসংখ্য জটিল হিসাব। হঠাৎ করে তিনি একটি মই, একটি টেপ মাপার ফিতা আর একটা ব্ল্যাকবোর্ডের চক আনতে বললেন। তার শরীরের প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি মই বেয়ে জেনারেটরের উপর পর্যন্ত উঠলেন। তারপর ফিতা দিয়ে মেপে জেনারেটরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে চক দিয়ে একটি দাগ দিলেন। নিচে নেমে এসে আশপাশের অবাক প্রকৌশলীদের বললেন, এই নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইড প্লেট খুলে কুন্ডলি খুলতে হবে, এবং ঠিক ১৬টি তার খুলে ফেলতে হবে। প্রকৌশলীরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলেন। দেখা গেল, জেনারেটর আবার পুরোপুরি সচল হয়ে গেছে। এরপর স্টেইনমেটজ, জেনারেল ইলেকট্রিকের পক্ষ থেকে হেনরি ফোর্ডের কাছে ১০,০০০ ডলারের একটি বিল পাঠান। ফোর্ড কাজের প্রশংসা করলেও, এমন বড় অঙ্কের একটি বিল দেখে তিনি বিস্তারিত খরচ breakdown চেয়ে ফেরত পাঠান। স্টেইনমেটজ তখন বিলটি এভাবে সংশোধন করে পাঠান— জেনারেটরে চক দিয়ে দাগ টানা: ১ ডলার কোথায় দাগ দিতে হবে তা জানা: ৯,৯৯৯ ডলার মোট: ১০,০০০ ডলার এইবার আর কোনো কথা না বলে ফোর্ড পুরো বিলটাই পরিশোধ করেন। তো চার্লস স্টেইনমেটজ ও হেনরি ফোর্ডের ঘটোনাটি আমাদের চোখের সামনে একটি গভীর শিক্ষনীয় বার্তা তুলে ধরে। জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রকৃত মূল্য বোঝা এবং যথাযথ সম্মান করা উচিত। দেখুন স্টেইনমেটজ এক নজরে খুব ছোট একটা কাজ করেছিলেন, চক দিয়ে একটা দাগ টেনেছিলেন। কিন্তু এই ছোট কাজের পেছনে ছিল বছরের পর বছর অর্জিত অভিজ্ঞতা, গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা। এই গল্প আমাদের শেখায় যে, কেবল চোখে দেখা শ্রম নয়, বরং সমস্যার মূল ধরতে পারার ক্ষমতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাই অনেক সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়। তাই কোনো পেশাজীবীর কাজ যখন সহজ মনে হয়, তখন তার পেছনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতা কদর করা উচিত। **এই গল্পটি ১৯৬৫ সালের ১৪ মে "লাইফ" ম্যাগাজিনে ছাপা একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। চিঠিটি লিখেছিলেন জ্যাক বি. স্কট। তার বাবা বার্ট স্কট ছিলেন হেনরি ফোর্ডের বহু বছরের কর্মী। সংগৃহীত © সৈয়দ ভুঁইয়া

photo content

সব কষ্টের জন্য ওষুধ লাগে না !! পয়গম্বর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “তোমাদের প্রত্যেকেই রক্ষণাবেক্ষণকারী (বা দায়িত্বশীল) এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম) আমার চিকিৎসা জীবনের গভীর উপলব্ধি: এই বহু বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতার পর আমি এমন একটি সত্য উপলব্ধি করেছি, যা কোনো চিকিৎসার বই কখনও আমাকে শেখায়নি: প্রতিটি ব্যথা দেখা যায় না। প্রতিটি কষ্ট স্ক্যান বা রিপোর্টে ধরা পড়ে না। প্রতিটি অসুখের নাম নেই; তবুও আত্মা তা অনুভব করে। আমি এমন অনেক মানুষকে দেখেছি যাদের রিপোর্ট ‘নরমাল’ এসেছে, তবুও তারা ঘুমাতে পারে না। তাদের বুক ধড়ফড় করে । তারা ভুলেই গেছে শান্তির অনুভূতি। চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক — ‘যত্ন ’: তারা শুধু ওষুধ খুঁজছিল না; তারা খুঁজছিল এমন একজনকে, যিনি তাড়াহুড়ো না করে শুনবেন, হৃদয় থেকে অনুভব করবেন , আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ -‘সহানুভূতি ’ দেখাবেন । একজন সত্যিকারের চিকিৎসকের অর্থ: তখনই আমি এই হাদীসের আসল তাৎপর্য বুঝতে পারলাম। পয়গম্বর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেননি নেতারা হল শাসক। তিনি বলেছেন তারা হল রক্ষণাবেক্ষণকারী । কারণ একজন সত্যিকারের নেতা, একজন প্রকৃত চিকিৎসক আধিপত্য দেখান না। তিনি পথ দেখান, রক্ষা করেন, ও ‘যত্ন’ করেন তার পালিতদের। প্রত্যেক আত্মার জন্য যত্নবান হওয়া: প্রত্যেক আত্মার প্রতি আমি দায়বদ্ধ — যারা বিশ্বাস নিয়ে আমার চেম্বারে আসে, একটি পূর্ণাঙ্গ সুস্থতার আশায়। আপনি একা নন: যদি আপনি এই লেখাটি পড়ে মনে করেন কেউ আপনাকে বোঝেনি, যদি রিপোর্ট বলে আপনি ভালো আছেন — অথচ আপনার মন বলে আপনি ভালো নেই , জেনে রাখুন- আপনি একা নন। আপনি দুর্বল নন। আপনি কিছু কল্পনা করছেন না। আপনার শুধু চিকিৎসা নয়, আপনার প্রয়োজন এমন একজন, যিনি আপনাকে পূর্ণভাবে, মমতাভরে এবং আন্তরিকভাবে দেখবেন। আমার দোয়া: আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করি: হে আল্লাহ, আমাকে এমন একজন চিকিৎসক বানান, যার স্পর্শ শুধু শরীর নয় — বিধ্বস্ত আত্মাকেও আল্লাহর মদতে আরোগ্যলাভে সাহায্য করতে পারে। আমাকে রাখাল (রক্ষণাবেক্ষণকারী) বানান — ভেড়ার নয় — বরং এমন হৃদয়গুলোর, যারা শান্তির জন্য হাহাকার করে। - ডা. কে. এম. সইফুল্লাহ একজন ভাই। একজন চিকিৎসক। একজন আমানতদার ব্যক্তি।

photo content

জাপানীজদের কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার আছে। এই যেমন, ওরা সরাসরি কিছু বলেনা। একটু ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলা ওদের স্বভাব। এমনকি প্রফেসররা স্টুডেন্টদের কিছু বিষয় পছন্দ না হলে এভাবে বলেন, "তোমার জায়গায় আমি হলে হয়তো এটা এভাবে করতাম না। ওভাবে করতাম" তবে এসবের উদ্দেশ্যটা খুব ভালো, কেউ যেন কারো কথায় কোনভাবে #কষ্ট না পায়। আর আমরা? সবকিছু ডাইরেক্ট, সরাসরি বলতে অভ্যস্ত। কেউ কষ্ট পেলে সেটা তার বিষয়, তার সমস্যা 😥 যাহোক, শুনেছি জাপানে কোন ছেলে কোন মেয়েকে বিয়ের জন্য প্রপোজ করলে কখনো সরাসরি বলেনা, "তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?" বরং ছেলেরা নাকি মেয়েদেরকে বলে, "তুমি কি আমার জন্য সারা জীবন রান্না করবে?" তবে বাংলাদেশে কোন ছেলে এভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তার কপালে দুঃখ আছে, শতভাগ নিশ্চিত :) ওরা এমনকি কাউকে সহজে #ফোন ও করেনা। খুব জরুরী হলে মেসেজ দেয়। আর একান্তই না পারলে তখন ফোন করে। আর ফোন করলেও প্রথমে একবার ক্ষমা চেয়ে নেয়। ফোন শেষ করার সময় আবারও ক্ষমা চেয়ে নেয়। দেখা গেলো, মূল কথা ত্রিশ সেকেন্ডের আর ক্ষমা চাইলো দুই মিনিট! অসম্ভব ভদ্র, ওরা আসলে মাত্রাতিরিক্ত ভদ্র। আমি মাঝে মাঝে বলতাম, ওরা আসলে বিরক্তিকর ভদ্র! আর আমরা? সরাসরি কল দিয়ে বসি। দেখা গেলো, মূল কথা ত্রিশ সেকেন্ডের আর বাকী বিশ মিনিট আজাইরা আলাপ! অপর প্রান্তের মানুষটি বিজি থাকতে পারে, হয়তো টায়ার্ড থাকতে পারে -- এসব ভাবার সময় কোথায়? এখানে #প্রাইভেসি এখনো বিলাসিতা! তাছাড়া জাপানীরা বাসে, ট্রেনে পাশের সীটে বসা কারো সাথে #খাজুরী আলাপ করেনা। বই পড়ে কিংবা নিজের স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। আর আমরা? বাসে / ট্রেনে উঠেই পাশের জনের বাড়ী কোথায় থেকে শুরু করে বাচ্চা কয়টা সেই খবর নিবে। বিয়ে না করলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করার উপদেশ দিবে। বিয়ে করলে তাড়াতাড়ি বাচ্চা নিতে উপদেশ দিবে। আরেক জনের #পার্সোনাল লাইফ নিয়ে আমাদের এত আগ্রহ, অবিশ্বাস্য! আর নিজেকে জাহির করতে বিজি হয়ে পড়ে। নিজের কোন আত্মীয় ভালো পজিশনে থাকলে কিংবা নিজে ভালো কোন জায়গা থেকে পড়াশুনা করে আসলে সেটা দুই মিনিটের মধ্যেই অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলে বসবে! আর কারো বিষয়ে হুট করে সস্তা - আপত্তিকর মন্তব্য করা, জাজমেন্ট করা, #গসিপ করা, এমনকি কিছুই না জেনে কারো চরিত্র নিয়ে টানাটানি করতে ও আমাদের জুড়ি নেই। জাপানিদের আরেকটি অভ্যাস ইন্টারেস্টিং, জাপানীরা লিফটে কেউ কারো চেহারার দিকে তাকায়না। সবাই দরজার দিকে কিংবা নীচের দিকে তাকিয়ে থাকে। আর আমরা? লিফটে ঢুকেই সবার চেহারা একবার একনজর দেখে নিই, নামার সময় আবার সবার চেহারা রিভাইজ করে বের হই! #পুনশ্চ ওদের সব ভালো, আমাদের সব খারাপ বিষয়টি এমন নয়। এবসলিউট কিছু নেই। সবই আপেক্ষিক। যাহোক, হ্যাপী উইক এন্ড!

সন্তান পালিত হোক আর নিজের গর্ভের হোক তাঁকে দ্বীনী শিক্ষা দিতে হবে, যা অভিভাবক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব ছিল। জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা না দেয়ায় অতি আদরে দুধ কলা দিয়ে কাল সাপ তৈরি হয়েছে আর কিছু নয়। আগামী প্রজন্ম কে রক্ষার জন্য কুরআন ও হাদীসের শিক্ষার উপর জোর দেয়া জরুরী। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুন।

#আসুনমায়াছড়াই। #BadalSyed

কিছু নিঃসঙ্গ শেরপার মৃত্যু এবং আমার ভাবনা। গত কয়েক মাসে আমি বেশ কয়েকজন পরিচিতের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। সবার তিনটি জায়গায় মিল... ১. এরা সবাই বয়সে আমার ছোটো কিংবা পিঠাপিঠি, চল্লিশ থেকে পঞ্চান্ন বছর বয়স। ২. সবাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। ৩. সবাই হার্ট অ্যাটাকেবঅকস্মাৎ মারা গেছেন, কিন্তু এরা কেউ হৃদরোগী ছিলেন না। প্রতিটি মৃত্যুই আমার বুকে তিরের মতো বিঁধেছে। আমি অনেক চিন্তা করেছি, সুস্থ, সবল মানুষ, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করতেন, হাঁটতেন এমন কী শখ করে কেউ কেউ ফুটবল খেলতেন, এরা হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবেন কেন? এদের সবার মধ্যে আমি যে 'কমন' ব্যাপারটি পেয়েছি, তাহলো, বিভিন্ন কারণে এরা সবাই অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন। তাঁরা সবাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোটামুটি ভালো চাকুরি করতেন। কেউ ব্যবসা করতেন। বেশ স্বচ্ছল ছিলেন। ভালো ফ্ল্যাট নিয়ে থাকতেন, বাচ্চারা ভালো স্কুলে পড়তো। কিন্তু বিশেষ করে করোনা পরবর্তী সময়ে আর্থিক মন্দার কারণে কেউ চাকুরি হারিয়েছিলেন, কেউ কম বেতনে নতুন চাকুরিতে যোগ দিয়েছিলেন বা কেউ সম্পুর্ণ বেকার হয়ে গিয়েছিলেন। যারা ব্যবসা করতেন তাঁদের ব্যবসায় ধ্বস নেমেছিল। মোদ্দা কথা, এরা সবাই আকস্মিক আর্থিক পতনে ভীষণ বিপদে পড়ে গিয়েছিলেন। এদের আয় কমে গিয়েছিল, কিন্তু খরচ কমেনি। তাই সবাই ছিলেন দিশেহারা। কেউ কেউ চিন্তা করবে বলে পরিবারকে এ বিপর্যয়ের কথা বলেননি। পুরো চাপ একা নিয়েছেন। খাবার টেবিলে হেসেছেন, সে হাসির পেছনে যে রক্তবর্ণ বেদনা লুকিয়ে আছে তা কাউকে বুঝতে দেননি। শেষ পর্যন্ত তাঁরা এ চাপ সইতে পারেননি। ফলাফল- হার্ট অ্য্যাটাকে মৃত্যু। এ মৃত্যুগুলো যে কী ভয়াবহ কষ্টের তা বলার দরকার নেই। তাই আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে কিছু পরামর্শ দিতে চাই, হয়ত কাজে লাগতে পারে। ১. দয়া করে পরিবারের সাথে সমস্যা শেয়ার করুন। তাঁরা আজ বা কাল ব্যাপারটা জানবেনই। তাই গোপন না করে তাঁদের নিয়েই পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন। ২. প্রয়োজনে নাটকীয়ভাবে জীবনযাত্রার খরচ নামিয়ে আনুন। মিডল ক্লাসের প্রচলিত 'ইগো'র কারণে আমরা অযথা অনেক খরচ বাড়িয়েছি। সেগুলো চাইলে বাদ দেয়া যায়। কম দামের বাড়িতে শিফট করুন। গাড়ি বিক্রি করে দিন। অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিন। কে কী বললো সেদিকে পাত্তা দিবেন না, এখন টিকে থাকাটাই মুখ্য। ৩. বাচ্চাদের স্কুল খরচ খুব বেশি হলে তাও বদলে ফেলুন। স্কুলের পরিচয়ে ছাত্রছাত্রীদের আখেরে কোনো লাভ হয় না। কাজ হয় তার রেজাল্টে। সেটা যেকোনো ধরনের স্কুল থেকেই করা যায়। তুলনামূলক কম খরচের স্কুলে বাচ্চাদের শিফট করে নিজে তাদের পড়াশোনা তদারক করুন। ৪. সময়টা খুব খারাপ। তাই কোনো সমস্যা না থাকলেও মাঝে মাঝে ইসিজি করিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন। ৫. সমস্যা নিয়ে ভাইবোনের সাথে আলাপ করুন। পরিবারের যে ভাই বা বোন বিপদে পড়েছেন, তাঁকে অন্যরা আগলে রাখুন। টাকা গেলে টাকা আসবে। ভাইবোন গেলে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। এই কঠিন সময়ে সবাই এক ছাতার নিচে আশ্রয় নিন। একজনের উষ্ণতা দিয়ে আরেকজনকে রক্ষা করুন। ৬. এ দুঃসময়ে পরিবারের সদস্যরা যুথবদ্ধ থাকুন। পরিবারের সবার সম্মিলিত আয় যদি সবার কাজে লাগানো যায় তাহলে সবাই উপকৃত হবেন। স্থায়ী বেদনাকে আমন্ত্রণ জানানোর চেয়ে এটা অনেক ভালো। মনে রাখবেন, যে মেষ শাবক পালছুট হয়, সে-ই বাঘের কবলে পড়ে। আমি মনে করি, পরিবারের সমস্যাগ্রস্ত সদস্যকে রক্ষা করার জন্য যুথবদ্ধ পরিবারের যুথবদ্ধ আর্থিক পরিকল্পনা অনেক বড় ওষুধ হিসেবে কাজ করবে। ৭. দয়া করে সমস্যার কথা বন্ধুদের বলুন। আর যেসব বন্ধুরা ভালো আছেন, তাঁরা বিপদগ্রস্ত বন্ধুকে আগলে রাখুন। প্রয়োজনে তাঁর জন্য 'বেইল আউট' প্ল্যান করুন। সবাই হাত লাগালে বিপন্ন বন্ধুটিকে আবার দাঁড় করিয়ে দেওয়া মোটেও অসম্ভব নয়। ৮. মধ্যবিত্তের যে ইগোর কথা বলছিলাম তা বাদ দিয়ে আয়ের বিকল্প উৎস বের করুন। যেমন, ছাত্রজীবনে যিনি টিউশনি করতেন, তিনি প্রয়োজনে তাতে ফিরে যান। যাদের বাড়িতে জায়গা আছে, তাঁরা কৃষি থেকে আয়ের ব্যবস্থা করুন। পুকুর থাকলে মাছ চাষ করুন, হাঁস-মুরগি পালন করুন। বাড়ির মহিলারা সেলাই কাজ, হোম মেইড ফুড এধরণের ছোটো ছোটো উদ্যোগ নিন।অনলাইন/অফলাইনে বিক্রি করুন। সততাকে পুঁজি করলে ক্রেতার অভাব হবে না। ৯.প্রতি বছর পুনর্মিলনী/ রি-ইউনিয়নের বন্যা আমরা দেখি।লাখ লাখ টাকা এসব অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে। এসব অ্যালামনাই এসোসিয়েশন প্রত্যেক সদস্যের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন। নয়ত এসব মিলনমেলা একটি লোক দেখানো মূল্যহীন ব্যাপার বলে প্রমাণিত হবে। ১০. সবশেষে বলি, বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য হচ্ছেন নিঃসঙ্গ শেরপা। তাঁকে একাই লড়াই করতে হয়। এ একাকী যোদ্ধাকে বাড়ির সবাই স্বস্তি দিন, যত্ন করুন, মায়ায় ডুবিয়ে রাখুন। তিনি যাতে অযথা চাপে না পড়েন সেদিকে নজর দিন। দশ মিনিটের বুকে ব্যথায় যিনি মারা যাচ্ছেন, তা আসলে দশ মিনিটের ব্যথা নয়, দিনের পর দিনের ব্যথা।অনিশ্চয়তার এ দীর্ঘ ব্যথার চাপ আসলে তিনি আর নিতে পারেননি। একমাত্র আমাদের সম্মিলিত হাত সে বুকে রাখলেই এ ব্যথা কমবে।

যৌন সমস্যা নেই। তবে যৌন দুর্বলতা আছে। পুষ্টিকর খাবার, Kegel exercises, কিছু কৌশল আয়ত্ত করলেই সুস্থ হয়ে উঠবেন। মূলত মাথা থেকে দূর করে দিন আপনার কোনো সমস্যা আছে। কিছুটা দুর্বল আছেন যা সঠিক লাইফস্টাইলের মাধ্যমে রিকোভার সম্ভব। খাবার + ব্যায়াম+ কৌশল এর নিয়মগুলো ফলো করুন। খাবার- https://www.facebook.com/milontotto/posts/pfbid02V7uPSPZ2AxNtZNfQzK6376VFfpGdGrSt8GA7rBW4RrgygzgZZsLnM9dyyT2EhwEpl ক্যাগেল ব্যায়াম- https://www.facebook.com/MilonTotto/posts/pfbid0HHGGNJe772fTdcvhmfkMknq22gYHyBTJyA9PZNhcMRzTbvk6k7rGW1eNuXfSmuZml কৌশল- https://www.facebook.com/milontotto/posts/pfbid02N2uVcjaJAQDrFLWaHoZmsBmt2bqQXpi54J6JU75c4qcX8VEvueMc2PsZxWofRMVal খাবারের ডিটেইলস পার্ট টেলিগ্রামে দেওয়া আছে https://t.me/milontottoofficial

লিখাটা দারুণ লেগেছে। ❤️ জীবনের পথে চলতে হলে… চারপাশে অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে, কখনো কখনো আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতেও হবে। এমন সময় আপনি যা করবেন তা হলো—ইগনোর। কারণ জীবনে কিছু মানুষ থাকবে, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আবর্জনা ছড়ানো, অন্যের জীবনে বিষ ঢালা। লাইফ আপনার—চয়েস ও ডিসিশনও আপনার। নেগেটিভিটি যেখানেই দেখবেন, সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের মানসিক শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকা। খারাপ লাগলেও এটা সত্যি—আপনি যাদের বন্ধু ভাবেন, তাদের অনেকেই আপনার পতন দেখতে চায়। সহানুভূতির মুখোশ পরে তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায় আপনাকে আঘাত করার। তাদের সেই সুযোগটা দেবেন না। অপ্রয়োজনীয় তর্কে যাবেন না, কারো কিছু বোঝাতে যাবেন না। কেউ যদি আপনাকে মূর্খ বলে, হেসে বেরিয়ে আসুন। এতে আপনি সময়, এনার্জি আর মানসিক শান্তি—সবই বাঁচাবেন। আপনার রেসপন্সই আপনার শক্তি। যারা জীবনটা সত্যি বোঝে, তারা জানে কাকে রেসপন্স দিতে হয় আর কাকে এড়িয়ে যেতে হয়। সমালোচনার মধ্যে না ডুবে গিয়ে ভালো কিছু করুন— একটা ভালো বই পড়ুন প্রিয়জনের সাথে সময় কাটান ঘর সাজান রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে মনের কথা ফুটিয়ে তুলুন সিনেমা দেখুন, গান শুনুন ছবি তুলুন, ব্যায়াম করুন, গাছ লাগান কিংবা একটুখানি চুপ করে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সংযোগ গড়ুন নিজেকে বাঁচান অপ্রয়োজনীয় মানুষের আগ্রাসন থেকে। আপনার জন্য আসল মানুষগুলোকে চিনে নিন—পরিবার, কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব, যাদের সামনে আপনি আয়নার মতো স্বচ্ছ হতে পারেন। তাদের সঙ্গেই আপনার মনের কথাগুলো ভাগ করুন, কারণ তারা আপনার ভালোটা চায়। বাকি দুনিয়াকে জঞ্জাল ভাবুন, এবং দরকার হলে ঝেড়ে ফেলুন। সবশেষে, মনে রাখবেন— জীবন অনেক সুন্দর। পৃথিবীও অনেক সুন্দর। পথে চলতে গিয়ে আগাছা আর কাঁটাঝোপ থাকবেই, কিন্তু আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোনটা পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবেন। সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুর প্রতিক্রিয়াও দিতে নেই। নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজের পথে স্থিরভাবে এগিয়ে যান। #গুরুত্বপূর্ণ #শিক্ষনীয় সংগৃহীত

📍সঠিক জীবনসঙ্গী পেলেও টক্সিক পরিবারকে কীভাবে সামলাবেন?📍 👉👉জীবনসঙ্গী যদি ভালো হয়, তাহলে জীবনের বড় একটা যুদ্ধ জিতে যাওয়া যায়। কিন্তু… 👉 যদি তার পরিবারে টক্সিক মানসিকতার মানুষ থাকে? 👉 যারা সবসময় নেতিবাচক কথা বলে, মানসিক চাপ দেয়, ছোট করে দেখে, অযথা হস্তক্ষেপ করে? তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আর মানসিক শান্তি — দুটোই কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু উপায় আছে। 🔹 টক্সিক পরিবারের সদস্যদের কীভাবে সামলাবেন? ✅ ১. ইমোশনাল রিঅ্যাক্ট করা বন্ধ করুন: তারা আপনাকে provoke (উত্তেজিত) করতে চাইবে। আপনি শান্ত থাকুন, মাথা ঠান্ডা রাখুন। আপনার শান্ত আচরণই তাদের জ্বালাবে। ✅ ২. নিজের বাউন্ডারি স্পষ্ট করুন: শ্রদ্ধার সাথে সীমারেখা টেনে দিন। "আমি এটা করতে পারবো না", "এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার",স্পষ্টভাবে বলে দিন। ✅ ৩. সরাসরি বিতর্কে যাবেন নামারিয়া কথার উত্তর দিতে হবে না। কিছু কথা 'হাসি দিয়ে এড়িয়ে যান' — এটা আসলে বুদ্ধিমানের কাজ। ✅ ৪. জীবনসঙ্গীর সাথে খোলামেলা কথা বলুন: আপনার অনুভূতি, কষ্ট সবকিছু শেয়ার করুন। দুজনের বোঝাপড়া যত শক্ত হবে, বাইরের চাপ তত সহজে সামলানো যাবে। ✅ ৫. নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিন: সবকিছুর পরেও যদি টক্সিসিটি থেকে যায়, তাহলে নিজের জন্য 'emotional detachment' (মন থেকে দূরে থাকা) শিখুন। সবার মন পাওয়ার দরকার নেই। ✅ ৬. নম্র কিন্তু দৃঢ় থাকুন: নম্রতা দুর্বলতা নয়। আপনি সম্মান দেখান, কিন্তু নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করুন। 🎯শেষ কথা: "জীবনসঙ্গী যদি সঠিক হয়, তাহলে টক্সিক পরিবারের চাপও সামলানো যায়। বুদ্ধিমত্তা, ধৈর্য আর বোঝাপড়ার মাধ্যমে।" 👉 নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখুন, বুদ্ধি দিয়ে পরিস্থিতি সামলান। 🙂 Maria Zaman

আমার এক আত্মীয় আছে। নাম বললাম না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ফেসবুকে নিয়মিত মোটিভেশনাল পোস্ট দেয়। “জীবনে বড় হতে হলে ঘাম ঝরাতে হয়।” সে নিজে ঘাম ঝরায় না। আমি একদিন হুদাই জিজ্ঞেস করলাম, দাদু, চাকরি না পেলে কি করবি? সে গভীর চোখে বলল, বিসিএস দেবো। আর যদি না হয়? - তাহলে এমএসসি করবো। আর যদি ওটাও না হয়? -দাদুর চোখ তখন নিচে। সে আর উত্তর দেয় না। আমার পরিচিত এক হোটেল মালিক আছে, নাম রহিম। সে ক্লাস নাইনে স্কুল ছেড়ে দিয়েছিল। এখন তার তিনটা হোটেল, একখানা পিকআপ, আর একটা চায়ের কার্ট। আমি যখন তাকে দেখি, আমার মনে হয় এই মানুষটাই হয়তো সফলতার আসল সংজ্ঞা। আমরা এমন একটা সমাজ বানিয়েছি যেখানে চা বানানো মানে লজ্জা, আর চায়ের কাপ হাতে বসে থাকা মানে স্ট্যাটাস। ঠিক এখান থেকেই বেকারত্বের শুরু...

photo content

বিয়া করার সময় জিহবা নাভী অব্দি বের না কইরা দেখে শুনে বিয়ে কইরেন আপনার ই লাভ, নইলে মেয়ের বাড়ীর জ্বালায় আপনিই শেষ হবেন আজকে একটা বিয়েতে গিয়েছিলাম। তবে এটাকে সোজাসাপটা "বিয়ে" বললে ভুল হবে। এটা ছিল একপ্রকার কাহিনি-নাকানি চুবানি। যাইহোক অবশেষে উভয় পরিবার ৫ লক্ষ টাকার কাবিনে মীমাংসায় পৌঁছায়। সব ঠিকঠাক চলছিল, যতক্ষণ না ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে গিয়ে আমি ঝামেলা না বাঁধাই। কারণ বরপক্ষ আমার আত্মীয়, আর এ সমস্ত সব রকমের কাহিনি যেহেতু আমার জানা তাই আরকি.. কাবিননামার ❝ ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদ❞ এর ঘরটাই হচ্ছে স্বামীর গলাকাটা ঘর। হ্যাঁ, কাবিননামার সেই ঘর যেখানে লেখা থাকে "স্বামী, স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করিয়াছে কিনা?" সোজা বাংলায়, স্বামী কি তালাক দেওয়ার ক্ষমতা স্ত্রীর হাতে তুলে দিচ্ছে? এখন বেশিরভাগ মানুষ তো কাবিননামা দেখে না, ইভেন্কি ৯৯.৯৯% মানুষ এই ব্যাপারে অজ্ঞ। আর কাজিরা এখানে পাজি তারা এটা দেখায়ও না। তারা চুপিচুপি সেখানে "হ্যাঁ" বসিয়ে দেয়। এবং ব্যস এই ছোট্ট একটা হ্যাঁর মাধ্যমে, স্ত্রী পুরোপুরি আইনি ও ধর্মীয়ভাবে স্বামীর গলায় ছুরি ধরার ক্ষমতা পেয়ে যায়। মানে, সে এখন থেকে চাইলে এনিটাইম নিজেই স্বামীকে তালাক দিতে পারবে এবং তারপর দেনমোহরও নিতে পারবে (আইলাজাদু^_^)। আর এই কারণেই কতশত পুরুষের জীবন, সংসার, মানসিক অবস্থা যে ছারখার হয়ে গেছে তার হিসেব নেই। এখন প্রশ্ন আসে: যদি সেখানে "না" লেখা থাকে? তাহলে স্ত্রী সরাসরি তালাক দিতে পারবে না। তাকে যেতে হবে ‘খুলা' তালাকের পথে। মানে স্বামীকে কিছু দিয়ে, বা দেনমোহর (কাবিনের টাকা) ছেড়ে দিয়ে তালাক নিতে হবে। এতে তার ইচ্ছামতো তালাক নেওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। তাই যারা এখনো বিয়ে করেন নি তারা খুবই সাবধান ভাই। ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে “না” লিখতে হবে। কোনো প্রকার শর্তটর্তও যোগ করা যাবে না। কাজি যদি কথা না শোনে তাহলে তাকে ডাইরেক্ট বাদ দিতে। পরে লেখিরো এগ্লা আলাপ ও চলবে না। অতঃপর বুঝে শুনে পড়ে কাবিননামায় সাইন করতে হবে। বিয়েটা শুধু ফুল-ফুল কল্পনা নারে ভাই, বরং একটা আইনি চুক্তি যেটার প্রতিটি শব্দ ভবিষ্যতে আপনার কাঁধে ছুরি হয়ে বসতে পারে। শয়তান কাজিদেরকে এভাবেই ট্রেনিং দেওয়া হয়, তারা এগ্লা বুঝে শুনেই করে। আর একবার না পড়ে না বুঝে সাইন করলে, পরে কাজি যা যা বসাবে তাই রাইট হবে। সো বি কেয়ারফুল ব্রাদার্স।

photo content

সন্তানের কাছে নিজেকে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করুন। নিজেকে নিষ্পাপ-নির্ভুল হিসেবে তুলে ধরবেন না। কারণ কখনো যদি আপনার ভুল প্রকাশিত হয়ে পড়ে তখন সে বিভ্রান্ত হবে। • ভুল করে ফেললে অকপটে দুঃখ প্রকাশ করুন। এতে আপনার প্রতি সন্তানের শ্রদ্ধাবোধ যেমন বাড়বে তেমনি আপনিও তার মডেল হতে পারবেন। • সন্তানের কোনো ভুলকে অপরাধ বা পাপ হিসেবে তুলে না ধরে শোধরানোর চেষ্টা করুন। এতে তার চিন্তা ও মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্যের সৃষ্টি হবে। • অন্যের সামনে বকবেন না, ভুল ধরিয়ে অপ্রস্তুত করবেন না। আড়ালে সংশোধন করে শুধরে নিতে দিন। • শুধু শাসন করে সন্তান মানুষ করা যায় না। তার মেধার বিকাশে স্নেহ, মমতা ও সমমর্মিতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। • সন্তানকে পরিবারের প্রাত্যহিক কাজে সম্পৃক্ত করে নিন। তাহলে শৈশব থেকেই সে দায়িত্ব নিতে শিখবে। • পড়াশোনা ও ভালো রেজাল্টের নামে সন্তানকে সমাজ-বিচ্ছিন্ন করে বড় করবেন না। ভাইবোনের সাথে শেয়ার করতে শেখান। আত্মীয়স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষায় উৎসাহিত করুন। • আহ্লাদ দিয়ে তার সব চাওয়া না মিটিয়ে শুধু প্রয়োজনটুকু পূরণ করুন। • 'তোকে দিয়ে কিছু হবে না'- এ জাতীয় কথা বলে তার যোগ্যতাকে ছোট করবেন না। • ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে খোঁটা দেবেন না, আপনার উৎসাহ তার ব্যর্থতাকেও সাফল্যে রূপান্তরিত করতে পারে। • জীবনের লক্ষ্য চাপিয়ে দেবেন না। তাকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন। তবে লক্ষ্য বাছাইপর্বে ও অর্জনে তাকে সবরকম সহযোগিতা করুন। • নেতিবাচক কথা বলে তিরস্কার করবেন না। ধমকে কথা বলবেন না। রাগের মাথায় অভিশাপ দেবেন না। • শিশুকাল থেকেই সন্তানের মধ্যে দানের অভ্যাস গড়ে তুলুন। দেয়ার আনন্দের স্বাদ তাকে পেতে দিন। • কোথাও পড়ে আঘাত পেলে সে জায়গাকে পাল্টা আঘাত করতে বলবেন না। এতে সে প্রতিশোধ নিতে শিখবে। • তার মধ্যে রাতারাতি ভালো গুণাবলি দেখতে চাইবেন না। ধৈর্য ধরে পরিবর্তনের জন্যে তাকে উদ্বুদ্ধ করুন। • যে-কোনো ভালো কাজে সন্তানকে উদ্বুদ্ধ করুন। কাজে সংযুক্ত না রাখলে ক্ষতিকর আসক্তি ও খেয়ালিপনায় সে তার সময় নষ্ট করবে। • প্রশ্ন করলে সন্তানকে থামিয়ে দেবেন না। আপনি উত্তর না দিলে তখন অন্যদের জিজ্ঞেস করবে। সে উত্তর সঠিক না-ও হতে পারে। • সন্তানের সহপাঠীর/ খেলার সাথীদের সামান্য মনোমালিন্য অভিভাবক পর্যায়ে বিরোধ হিসেবে নেবেন না। তাদেরকেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে দিন। • পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য ও বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে যথাযথ ধারণা দিন। আর্থিক ব্যাপারে ভুল ধারণা দেবেন না। • উপার্জনক্ষম ছেলে চাকরি পাচ্ছে না বলে তিরস্কার করে তার হতাশাকে বাড়িয়ে দেবেন না। পুনরায় চেষ্টার জন্যে তাকে প্রেরণা ও সাহস দিন। • চাকরির পরিবর্তে স্বাধীন পেশা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করুন। স্বাধীন পেশাই মেধাকে পরিপূর্ণরূপে বিকশিত করে। • বেড়ে ওঠার একটি পর্যায়ের পরে তার সব ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করে চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা দিন। এতে সে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। • একই ব্যাপারে মা-বাবা ভিন্ন মত দেবেন না। এতে সে বিভ্রান্ত হবে। • টিভি বা কোনো ধরনের স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে শিশুকে খাওয়াবেন না। ভিডিও দেখে খেতে অভ্যস্ত হলে শিশুর মনোযোগ থাকে স্ক্রিনের দিকে। ফলে খাবারের স্বাদ-গন্ধ-রঙের তফাত সে বুঝতে পারে না। এভাবে চলতে থাকলে শিশুর হজমপ্রক্রিয়া স্থায়ীভাবে দুর্বল হয়ে যায়। • ভূত বা জন্তু-জানোয়ারের ভয় না দেখিয়ে সুন্দর শিক্ষামূলক গল্প বলতে বলতে ঘুম পাড়ান। • ছেলে/ মেয়ের দাম্পত্য জীবনে নাক গলানো থেকে বিরত থাকুন। • পারিবারিক সুসম্পর্ক আবর্তিত হয় মা এবং বাবাকে ঘিরে। আপনার জীবনে মা-বাবার দোয়াকে গুরুত্ব দিন এবং তাদের সুখশান্তি নিশ্চিত করুন। ______ সূত্র: কোয়ান্টাম কণিকা

ওজন মাপার জন্য সঠিক সময় ও নিয়ম মেনে চললে সঠিক ও স্থিতিশীল ফলাফল পাওয়া যায়। নিচে ওজন মাপার সঠিক সময় ও নিয়ম দেওয়া হলো: সঠিক সময়: ➡️ ওজন মাপার সঠিক সময়: সকালে, খালি পেটে ও টয়লেটের পর ঘুম থেকে উঠেই, কিছু খাওয়ার আগেই ওজন মাপা সবচেয়ে সঠিক ফলাফল দেয়। কারণ তখন শরীরে বাড়তি খাবার বা পানি থাকে না। ➡️কতোদিন পর পর ওজন মাপা উচিত? সপ্তাহে ১ দিন অথবা ১৫ দিনে ১ দিন (সুপার রিকমেন্ডেড) সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো প্রতি সপ্তাহে ১ দিন, একই সময়ে ও একই নিয়মে ওজন মাপা। এতে আপনি বাস্তব ও গড় পরিবর্তন দেখতে পারবেন। যেমন: প্রতি শুক্রবার সকালে খালি পেটে ওজন মাপা। ▶️ যারা প্রতিদিন ওজম মেপে হতাশ হয়ে যাও তারা ১৫ দিনে একবার ওজন মাপবে। ওজন মাপার সঠিক নিয়ম: ➡️ হালকা বা একই ধরনের পোশাক পরে ওজন মাপুন ভারী জামাকাপড় ও জুতার কারণে ওজন বেশি দেখাতে পারে। তাই সম্ভব হলে হালকা পোশাকে ওজন মাপা ভালো। ➡️ সমতল ও শক্ত মেঝেতে স্কেল রাখুন নরম জায়গায় (যেমন বিছানা বা কার্পেট) ওজন মাপলে ভুল হতে পারে। কাঠ, টাইলস বা সিমেন্টের মেঝে সবচেয়ে ভালো। ➡️ স্কেলের ওপর সোজা হয়ে দাঁড়ান দুই পা স্কেলের মাঝখানে রাখুন, শরীর সোজা রাখুন, এবং শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখুন। ➡️ একই স্কেল ব্যবহার করুন প্রতিবার ভিন্ন স্কেল ব্যবহার করলে ওজনের তুলনায় ভুল হতে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য একটি স্কেল বেছে নিয়ে সেটাই ব্যবহার করুন। ➡️ প্রতি সপ্তাহে ১–২ দিন নির্দিষ্ট করে নিন প্রতিদিন ওজন মাপলে হরমোন, পানি বা খাবারের কারণে ওঠানামা দেখা যায়, যা মন খারাপ করতে পারে। তাই ৭ দিন বা ১৫ দিনে ওজন মাপুন। টিপস: ওজন ওঠানামা করতেই পারে (খাবার, পানি, হরমোন, ঘুম, একটিভিটি ইত্যাদির কারণে)। তাই এক দিনের ওজন দিয়ে মন খারাপ না করে ধারাবাহিকভাবে কয়েক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করাই উত্তম। Fit with Aerobics

photo content

"বাবা মায়ের ব্যক্তিত্বেই গড়ে সন্তানের ভাগ্য।" যে বাবা মায়ের সম্পর্ক যত সুমধুর মজবুত,সেই সন্তানের ভবিষ্যৎ তত সুন্দর।যে বাবা মা ব্যক্তি হিসেবে যতটা শালীন,ব্যক্তিত্ববান তাদের সন্তান ততটাই উন্নত মানসিকতা,চরিত্রবান এবং সুন্দর ব্যক্তিত্বর অধিকারী হয়ে গড়ে উঠে। বাচ্চারা অনুকরণ অনুশীলন প্রিয় হয়।আর তাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক তাদের বাবা মা।সন্তান তার বাচন ভঙ্গি কাজ করার কৌশল সব কিছুই শিখে বাবা মায়ের কাছে।বাবা মায়ের আচরন এর প্রভাব সন্তানের ব্যক্তিত্বের ওপরে প্রধান প্রভাব বিস্তার করে। বাবা মা একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল,বিনয়ী যত্নশীল,তারা কতটা নীতিবান সামাজিক তা একজন সন্তানের ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে। যদি কোন সন্তান দেখে তার বাবা মা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত,তাদের বাচন ভঙ্গি অশালীন সন্তান এর মাঝেও সেই আচরন প্রভাব বিস্তার করে।আস্তে আস্তে সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হতে শুরু করে।অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়।সামাজিক আচরন সৌজন্যতা থেকে দূরে সরে যায়। সন্তানকে শুধু দামী পোশাক বিলাসবহুল জীবন যাপনে অবভস্ত্য করলেই সে ভদ্র সভ্য হবেনা।সে তাই করবে যা তার বাবা মাকে সে করতে দেখবে।সে যদি দেখে তার বাবা মা সবার সাথে উচ্চ্যবাচ্য করে,অভদ্রতা করে,উদারতা নেই,অন্যের কাছে সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে কিন্তু নিজে কাউকে সাহায্য করেনা,তাহলে সন্তান তাই শিখবে।স্বার্থপর হয়ে গড়ে উঠবে। আপনি নিজে সি'গারেট খেয়ে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান নে*শা থেকে বিরত থাকবে।আপনি নিজে দ্বিচারিতা করে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান চরিত্রবান হবে।কারন বাবা মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাঝে প্রকাশ পাবেই।সন্তান বাবা মাকে দেখেই শেখে।আপনার ব্যক্তিত্ব আপনার সন্তানের ভাগ্য গড়বে। জানেন তো গোবরে সবসময় পদ্মফুল ফোটেনা।তাই ভাববেন না আপনি খা'রাপ তবুও সন্তান ভালো চরিত্রের হবে। সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে বড় নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শিখালেন কিন্তু মনুষ্যত্ব শিখালেন না।তাহলে শেষ জীবনে বিপদ আপনারই হবে।আপনি অসুস্থ হলে সন্তান ডাক্তার নয় উকিল ডাকবে আপনার সম্পত্তির ভাগাভাগি করতে। আপনার নৈতিকতা নির্ধারন করবে আপনার সন্তান শেষ বয়সে আপনার সেবা করবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে। "সন্তানকে অফিসার বানানোর আগে মানুষ বানান,যেনো অসুস্থ হলে ডাক্তার ডাকে উকিল নয়।" #সংগৃহীত

নিউরো প্যারেন্টিং কেন এতো জরুরি? বর্তমান সময়ে সন্তানের সঠিক মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ নিশ্চিত করা প্রতিটি অভিভাবকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ🤷‍♀️। যুগ পাল্টাচ্ছে, শিশুদের বেড়ে ওঠার পরিবেশও পাল্টাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সন্তানদের বড় করতে হলে আমাদের প্রয়োজন বিজ্ঞানসম্মত অভিভাবকত্ব—আর এখানেই আসে নিউরো প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব। নিউরো প্যারেন্টিং কী?🧠 নিউরো প্যারেন্টিং হলো এমন এক ধরনের প্যারেন্টিং পদ্ধতি যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, আবেগ, আচরণ ও শেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নিউরোসায়েন্স বা স্নায়ুবিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এটি শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও কাজের ধরন বুঝে, সেই অনুযায়ী তার যত্ন ও শেখানোর কৌশল নির্ধারণ করে। কেন নিউরো প্যারেন্টিং জরুরি?🤷‍♀️ ১. প্রথম পাঁচ বছরই ভিত্তি গঠনের সময় বিজ্ঞান বলছে, শিশুর মস্তিষ্কের ৯০% বিকাশ ঘটে জীবনের প্রথম পাঁচ বছরে। এই সময়কালের সঠিক যত্ন ও গঠনমূলক পরিবেশ তার ভবিষ্যতের আচরণ, শিক্ষাগত দক্ষতা এবং আবেগীয় সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সহমর্মিতা শেখানো শিশু যখন রাগ করে বা কাঁদে, তখন তাকে শুধু "চুপ করো" বললে চলবে না। নিউরো প্যারেন্টিং শেখায়, কীভাবে তার আবেগ বুঝে, ভালোভাবে রেসপন্স করতে হয়—যাতে শিশু শেখে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে, আর অন্যের অনুভূতিও বুঝতে। ৩. ইতিবাচক শেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে নিউরো প্যারেন্টিং শিশুদের শেখায় পজিটিভ রিনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে। এটি শিশুকে শাস্তির ভয় নয়, বরং ভালো কাজের পুরস্কার দিয়ে উৎসাহ দেয়, যা তাদের শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে। ৪. ডিজিটাল যুগে মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষা আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি ও অতিরিক্ত উদ্দীপনার মুখোমুখি হচ্ছে। নিউরো প্যারেন্টিং শিশুকে শেখায় কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজের মনোযোগ, আবেগ ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। কীভাবে নিউরো প্যারেন্টিং শুরু করবেন?🤷‍♀️ 👶শিশুর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন 👶ধৈর্য ধরে তাদের কথা শুনুন 👶শাস্তির বদলে ব্যাখ্যা দিন 👶সঠিক সময়ের মধ্যে ভালো অভ্যাস গড়ার দিকে মনোযোগ দিন 👶নিজের আবেগকেও নিয়ন্ত্রণে রাখুন—আপনি যা করবেন, শিশুও তাই শিখবে। শিশুর বেড়ে ওঠা শুধুমাত্র তাকে খাওয়ানো-পড়ানো নয়, বরং তার ভেতরের মস্তিষ্ক, মন এবং আবেগকে ঠিকভাবে গড়ে তোলাও প্যারেন্টিংয়ের মূল অংশ। নিউরো প্যারেন্টিং শুধু শিশুকে নয়, আপনাকেও একজন সচেতন, সহমর্মী এবং প্রজ্ঞাবান অভিভাবক হিসেবে তৈরি করে। শুধু "ভালো অভিভাবক" না হয়ে বিজ্ঞানমনস্ক অভিভাবক হোন—কারণ প্রতিটি শিশুই তার অভিভাবকের প্রতিচ্ছবি। বিদ্র: আমরা একা ১০টা পালছি, আর এখন ১টা পালতে পারেনা, এসব কথা বলা ও শোনা থেকে বিরত থাকুন। যুগ এক না, বাস্তবতা মানতে শিখুন। ধন্যবাদ 🙏 নিউরো প্যারেন্টিং -১