285
Подписчики
Нет данных24 часа
+27 дней
+230 дней
Архив постов
285
রাজশাহী মহানগর যুবলীগের নেতা রুবেল ২ হাতে ২টি পিস্তল নিয়ে ৫ ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি করে। রুবেল ও তার সন্ত্রাসীদের হামলায় সেদিন ৮ জন ছাত্র শহীদ হয়।
রুবেলের বাসা রাজশাহীর লক্ষীপুর, চন্ডিপুর। ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচন করে এই মুজিববাদী সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার পলায়নের ১ মাস পার হলেও এরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই রক্তচোষা সন্ত্রাসীদেরকে অতিশীঘ্রই গ্রেফতার করা হোক।
285
কারণ একটাই, যে ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভের উপর বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র দাড়াইয়া আছে, তা এখনও বহাল তবিয়তে।
কেবল পতাকা কিংবা জাতীয় সঙ্গীত পাল্টাইয়া সেই ন্যারেটিভ থিকা বাইর হইতে পারবেন না।
লড়াইটা আসলে কার বিরুদ্ধে লড়ছেন, সেইটা না বুঝলে কেমনে কী?
শত্রু সইষ্যার মধ্যে ভূত রূপে বিরাজমান নাকি সইষ্যাই ভূত কেমনে বুঝবেন?
এইসব বুঝাবুঝি কিলিয়ার না কইরা কোনো লড়াই জেতা যায় না, বিজয় ধইরা রাখা তো পরের ব্যাপার।
শত্রু কে সেই বিষয়ে আড়েঠারে নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করছি, আপনারা বুঝতে পারছেন বইলা মনে হয় না।
কেউ কেউ বুঝতে পারলেও মানতে পারছেন না।
ফলে এ ব্যাপারে আরও পরিষ্কার কইরা বলতে হবে বুঝতে পারছি।
আপাতত ভারতীয় হিন্দু রবীন্দ্রনাথের জাতীয় সঙ্গীত পাল্টাইতে চাওয়ায় আপনাগো কী দশা হয়, তাই দেখতে থাকি।
285
ইদানিং অনেকেই ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভ ভাংতে চান, তবে একাত্তরকে অক্ষত রাখিয়া!
ব্যাপারটা অনেকটা সোনার পাথর বাটির মতোই কিংবা কাঁঠালের আমসত্বর মতোই অসম্ভব ব্যাপার।
সোনা দিয়া যেমন পাথরের বাটী তৈয়ার করা যায় না, তেমনি কাঁঠাল দিয়া আমসত্ত্ব।
কারণ একটাই, সোনা দিয়া সোনার বাটীই তৈয়ার হয়, পাথর দিয়া পাথরের, তেমনি আম দিয়া আমসত্ত্ব, কাঁঠাল দিয়া কাঁঠালসত্ত্ব হইয়া পারে কেবল।
অবশ্য কাঁঠাল রাণীর কথা আলেদা, সে সব দিয়া সব বানানের রেসিপি আপনাগো অলরেডি দিয়া দিছে।
সেইসব পাতলা আলাপে না যাই, আসল কথায় আসি।
তাইলে একাত্তুরকে আস্ত রাখিয়া ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভ ভাঙা সম্ভব নয় কেন?
এজন্যই যে একাত্তুরই ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভের প্রাণ ভোমড়া, যার শুরুটা হইছিল পূর্ববঙ্গের মুসলমানরে বাঙালি বানানোর মধ্য দিয়া।
তো বাঙালি কারা?
খুব সোজা, যারা বাঙলায় কথা বলে তারাই বাঙালি।
তাই?
আসেন তাইলে দেখি ঘটনা কী?
পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ লোক বাঙলায় কথা কয়, অথচ তারা ভারতীয়!
বাংলাদেশের হিন্দুরাও বাঙলায় কথা কয়, অথচ তারা সব সময় নিজেগো সংখ্যালঘু দাবি করে!
অর্থাত তারা বাঙালি নহেন, কেবলই সংখ্যালঘু!
তাইলে বাঙালি হওয়াটা কার জন্য পইড়া রইল?
আপনার আমার মতো পূরবঙ্গের মুসলমান ভোদাইগো জন্য।
আমি বার বার আপনাদের সতর্ক করছি, শত্রু মিত্র না চিনলে কোনো বিজয়ই আপনারা ধইরা রাখতে পারবেন না, সব ছিনতাই হইয়া যাইব।
তাই হইছে, তাই হচ্ছে, তাই হবেও।
এইবার আসেন মুক্তিযুদ্ধ বা একাত্তর কেন্দ্রিক ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভটা কী সেইটা জানি।
পশ্চিম পাকিস্থানের কলোনিতে পরিণত হওয়া পূর্ব পাকিস্থান ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করিয়া স্বাধীন হয়, ভারতের সহায়তায়।
নিহত তিরিশ লাখ, মা বোনের ইজ্জত যায় দুই লাখ।
নতুন রাষ্ট্রটির নাম হয় বাংলাদেশ।
যারা এই ন্যারেটিভ ভাঙতে চান, তাদের মধ্যে অগ্রগন্য হইলেন পিনাকী ভট্টাচার্য।
তিনি কী বলেন আসেন শুনি।
তিনি বলতে চান বাংলাদেশ কেবল ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় নাই, ১৯৪৭ সালেও স্বাধীন হইছে। আর ২০২৪ সালে তো হইছেই।
বেশ।
এতবার একটা রাষ্ট্রকে স্বাধীন হইতে হচ্ছে কেন, এইটা একটা প্রশ্ন তোলাই যায়।
কিন্তু তার আগে একাত্তর বিষয়ে পিনাকী ভট্টাচার্য কী বলেন, সেইটা আগে জানি।
এই বিষয়ে উনার একটা লিখিত বই আছে, মুক্তিযুদ্ধের বয়ানে ইসলাম, সেইখানে উনি বলতেছেন, মুক্তিযুদ্ধ হিন্দু বনাম মুসলমানের ছিল না।
কারণ মুক্তিযোদ্ধারাও যুদ্ধের সময় নামাজ কালাম পড়তেন, আল্লাহর নাম নিয়াই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন।
কথা সত্য, পাক হানাদার (!) বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে মুসলমানের পোলাপানরাই।
সেই সাথে দেশের আলেম সমাজের বেশ বড় একটা অংশও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন দিছেন।
এরমধ্যে বিখ্যাত হাফেজ্জি হুজুরও ছিলেন।
প্রচুর রেফারেন্স দিয়া পিনাকী ভট্টাচার্য তা প্রমাণ করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সৈনিক অমি রহমান পিয়াল অবশ্য এর একটা সমালোচনা করছিল।
মুক্তিযুদ্ধ হিন্দু মুসলমানের মধ্যে হইছে এই দাবি তো মুক্তিযোদ্ধারা করে নাই, করছিল স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির মুসলীম লীগ।
পিয়ালের কথা ঠিক আছে।
তাইলে পিনাকী ভট্টাচার্য আগ বাড়াইয়া স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির মুসলীম লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ন্যারেটিভ হিন্দু বনাম মুসলমানের যুদ্ধকে কাউন্টার দিতে গেলেন কেন?
ঠাকুরগৃহে কেরে?
মাদার মাদার হাম কদলী নেহি ভক্ষণ করেগা।
এইবার আসেন সেই কদলী ভক্ষণের আসল আলাপ।
শুধু একাত্তরের তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় প্রতিটি লড়াই হিন্দু বনাম মুসলমানের।
কীভাবে, সেই আলাপে যাইবার আগে পিনাকী ভট্টাচার্যের একাত্তর বিষয়ক আলাপে ফিরা যাই।
জ্বি মুক্তিযোদ্ধাগো সিংহভাগই মুসলমান আছিল, তারা যুদ্ধের সময় নামাজ রোজাও রাখছে পড়ছে, বহু মওলানা সাবও মুক্তিপক্ষের পক্ষে গান গাইছে।
কিন্তু কী স্লোগান দিয়া?
জয় বাংলা স্লোগান দিয়া।
জয় বাংলা স্লোগান দিয়া পূর্ব পাকিস্থানরে তারা জয় বাংলা বানাইছে, যা জয় হিন্দের অনুরূপ।
একাত্তরে ইন্ডিয়া সহায়তা করে নাই, সরাসরি যুদ্ধ করছে।
যে জন্য এই যুদ্ধ ইন্ডিয়া পাকিস্তানের যুদ্ধ নামে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ, বিজয়ী ইন্ডিয়ার আর্মির কাছেই আত্মসমর্পণ করে পাক আর্মি।
তিতা হইলেও সত্য ইহাই যে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করতে যুদ্ধ করে নাই, পুর্ব পাকিস্থানরে ইন্ডিয়া তথা হিন্দুদের হাতে তুইলা দিতে যুদ্ধ করছে।
এরফলে বাংলাদেশ নামক যে রাষ্ট্রের জন্ম হইল সেইটা স্বাধীন কোনো রাষ্ট্র না, ভারতের একটা কলোনি।
ফলে বাংলা নামক রাষ্ট্র যে ন্যারেটিভের উপরে দাড়িয়ে আছে, সেইটাই ইন্ডিয়ান ন্যারেটিভ।
সেই ন্যারেটিভ ভাঙতে হইলে সবার আগে একাত্তুররে ভাঙতে হইব।
একাত্তরে বাংলাদেশ স্বাধীন হইছে, এর চাইতে ভুয়া কথা আর হইতেই পারে না।
বরং উল্টা, একাত্তরে ইন্ডিয়া পূর্ব পাকিস্থান জিতা নিছে।
সেই ইন্ডিয়ান কলোনি হইতে ২৪ সালে একটা সাময়িক মুক্তি ঘটছে মনে হচ্ছে, কিন্তু আসলে হয় নাই।
285
শাপলা চত্বর ম্যাসাকার : ডাম্পিং গ্রাউন্ড মাতুয়াইল
গত ১৬ বছরের ফ্যাসিজম আর ডিক্টেটরশিপে পেঁচিয়ে থাকা আতংকের কারণে অনেকেই অনেক ইনফরমেশন প্রকাশ করতে পারেননি। এখন আস্তে আস্তে সেই ইনফরমেশনগুলো সামনে আসছে, মিলে যাচ্ছে অনেকগুলো অসমাপ্ত পাজল। তাই আমিও ভাবলাম একটা ঘটনা শেয়ার করি। এই ঘটনা আমি আমার কাছের অনেককেই পারসোনালি শেয়ার করেছি, কিন্তু পাবলিকলি এই প্রথম বললাম।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য : মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডের ঘটনাটা ওই এলাকায় বাস করেন এমন মানুষজনই আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। উনাদের থেকে যা শুনে এসেছি সেটাই এই পোস্টে লিখেছি। এর সাক্ষী হিসেবে আমার তখনকার কলিগকেও আমি এই পোস্টে ট্যাগ করেছি। ঘটনার সত্যতা কতটুকু সেটা অবশ্যই তদন্তকারী বিভাগ যাচাই করে দেখবেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি শাপলা চত্বরে সেদিন রাতে যা হয়েছিলো সেখানে সরকারী ক্যাজুয়ালটির হিসাব কোনদিনই গ্রহণযোগ্য নয় এবং প্রচুর তথ্য ও এভিডেন্স গোপন করা হয়েছে।)
২০১৬ সালে (মাসটা ঠিক মনে নাই, খুব সম্ভবত এপ্রিল কিংবা মে মাস হবে) ব্যক্তিগত একটা ডকুমেন্টারির কাজে সাইট রেকির জন্য আমি আর Mithun Banik গিয়েছিলাম ঢাকার যাত্রাবাড়ীর পেছনের দিকের এরিয়া, গোলাপবাগের ভেতরে। সেখান থেকে ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাই কাজলার পাড় এলাকায়। লোকাল কয়েকজন ভাইব্রাদার কে নিয়ে এরিয়া ঘুরে দেখছিলাম, উনারাও আমাদেরকে বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা দেখাচ্ছিলেন।
এক পর্যায়ে আমরা এসে পৌঁছাই কাজলার পাড়ের শেষ প্রান্তে, যেখানে শহরের চিহ্ন শেষ হয়ে খোলা ধানি জমি শুরু হয়েছে। আমাদের ডান পাশে ঢাকা-ডেমরা হাইওয়ে, সাঁই সাঁই করে গাড়ি যাচ্ছে। সামনে কিছুটা দূরে, বড় বড় ফ্লাডলাইটের আলোয় আলোকিত বিশাল এক খোলা অঞ্চল। কিছু বুলডোজার আর এক্সক্যাভেটর কাজ করছে, আর এই রাতের বেলাও উড়ছে শত শত কাক। আশেপাশে পুরোটাই খালি জায়গা হওয়ায় কাকের চিৎকার আমাদের কান পর্যন্ত ভেসে আসছে।
আমি একটু কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই ওইটা কি?" আমাদের সঙ্গে থাকা একজন উত্তর দিলেন, "ওইটা? ওইটা মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ড!"
আমি তখন বললাম, "বাপরে, এত বড় ময়লার ভাগাড়ে কাউকে গায়েব করে ফেললে তো কোনদিন খুঁজেও পাওয়া যাবে না!"
এরপরেই উনাদের মাঝে নেমে এলো এক অস্বস্তিকর নীরবতা। ওই ভদ্রলোক নিজে থেকেই জানালেন এক নির্মম সত্য যেটা গোলাপবাগ, কাজলার পাড়, বিবির বাগিচা সহ আশেপাশের সব এলাকার মানুষই জানে কিন্তু মুখ খুলতে কেউ রাজি না।
২০১৩ সালের ৫ই মে রাতে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের অন্তত এক লাখ কর্মীকে চত্বর থেকে সরানোর জন্য রাত ১টা থেকে জয়েন্ট অপারেশন শুরু করে পুলিশ-র্যাব-বিজিবি। এর দুইঘন্টা পর রাত ৩টা/সাড়ে ৩টার দিকে অনেকগুলো ট্রাক প্রবেশ করে মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ডে।
সেই ট্রাকগুলো থেকে নামানো হয় সারি সারি পাঞ্জাবি পায়জামা পরা রক্তাক্ত লাশ। কারো মাথায় তখনো টুপি আছে, কারো মাথায় নাই। কারো বুকের মধ্যে গর্ত, কারো মাথায়। বোঝাই যাচ্ছে গুলি খাওয়া।
সেই লাশগুলোকে নিয়ে যাওয়া হয় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে। সেখানে ওয়েস্ট প্রসেসিং মেশিনে গার্বেজের সাথে একে একে ফেলে দেয়া হয় লাশগুলো। ক্রাশিং এবং শ্রেডিং করে হাড় মাংস সব মিশিয়ে দেয়া হয় ময়লার সাথে। এমনভাবে মিশিয়ে দেয়া হয় যে প্রফেশনাল ফরেনসিক টিম আর তাদের ইকুইপমেন্ট ছাড়া খালি চোখে সেই প্রসেসড গার্বেজ দেখলে কেউ বলতে পারবেনা এর মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ আছে। পুরো ঘটনাটা তদারকি করে র্যাব এবং লোকাল সরকার দলীয় কিছু নেতা।
সেইদিন এক্স্যাক্টলি কয়টা লাশের ভাগ্যে এই পরিণতি হয়েছিলো সেটা কেউ বলতে পারবে না। তবে নাম্বারটা যে তিন সংখ্যার কম নয় এই ব্যাপারে সবাই নিশ্চিত।
285
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ি মোড়, যাত্রাবাড়ি বড় মাদ্রাসা থানার আশেপাশে মাদ্রাসার ছাত্র, সাধারন ছাত্র-জনতার লাশের মিছিল 😭😭
যাত্রাবাড়ি ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শহীদের যায়গা। পাখির মতো গুলিকরে হত্যাকরা হয় নিরীহ মানুষ। পই-পই করে এর হিসাব বাংলার বুকে নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ
285
শুধু এক সাবেক লুটেরা সিনিয়র সচিব শাহ কামালের বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে
- নগদ ৩ কোটি বাংলাদেশী টাকা
- ৩ হাজার মার্কিন ডলার
- ৩৫ হাজার কোরিয়ান মুদ্রা
- ৪ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার
- ৩ হাজার সৌদি রিয়াল
- ২ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
285
ভারতের হার্ড পাওয়ার ও সফট পাওয়ার হয়ে কারা প্রতিনিধিত্ব করছে ।
আপনি ১৯৭১ এর পর থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করলে দেখবেন ভারতীয় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ । যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই ভারতের হ্যান্ড হয়ে কাজ করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে । ভারত কখনো সরকারের পক্ষ হয়ে কাজ করে আবার কখনো বিরোধি দলের পক্ষে । আবার কখনো সরকার দলের সাথে কাজ শুরু করে ভেতরে ভেতরে বিরোধীদলকে শক্তিশালী করে ক্ষমতায় বসানোই প্রধান উদ্দেশ্য থাকে ।
আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারাই ক্ষমতায় বসেছে তারাই ভারতের নতজানু হয়ে কাজ করেছে যখনই পিঠ দেখিয়েছে তখনই তাদের ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয়েছে অথবা মরতে হয়েছে । এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম শুধু হাসিনা সরকার । হাসিনা ৯৬ সনে ভারতের নতজানু পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ করেছিল তবে ২০০১ সনে নানা কারণে ক্ষমতা হারায় । ২০০৯ সনে আবার হাসিনা ফিরে আসে সেই সাথে বাংলাদেশের মাটিতে নতুন করে ভারতের আধিপত্য বিস্তার ঘটে । যার প্রথম ধাক্কায় ৫৭ জন আর্মি অফিসার হারিয়ে ফেলি আমরা ।
দীর্ঘ ষোল বছর ভারত কোথায় নাই বলতে পারবেন ? ভারত একদিকে হাসিনাকে হার্ড পাওয়ার হিসেবে বসিয়েছে অন্যদিকে কালচারাল বডি দিয়ে গোটা দেশ দখল করে নিয়েছে। আপনি হাসিনাকে থামালেন কিন্ত কালচারাল বডি গুলোকে থামাবেন কিভাবে ? লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাগরিক যারা বাংলাদেশের নাগরিক সনদ নিয়ে চাকরি করছেন । ঢাকায় ফ্লাট কিনে বসবাস করছেন । আপনি এই সব ভারতীয় নাগরিকদের কিভাবে খুঁজে বের করবেন। তারপর রয়েছে ২৬ লক্ষের হিসাব ।
ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস এর হাতে বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে । মোহাম্মদ ইউনুসের সামনে অনেক বাধা রয়েছে । ভারতের একটানা ১৬ বছরের স্টাব্লিশমেন্ট। নিখুঁত পরিকল্পনা । আপনি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও ভারতীয় র/ মদদ এর দোহাই দিয়ে পার পাবেন না । ভারতের সাথে আপনার পররাষ্ট্র নীতি কি নতজানু হবে নাকি মাথা উঁচু করা নীতি হবে সেটা আপনার সরকারের সিদ্ধান্ত । তবে ভারত যেভাবে খেলে আপনি সেই খেলা কিভাবে ডিল করবেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ ।
আবার বলছি । ভারতীয় স্টাব্লিশমেন্টের সফ্ট পাওয়ার যদি কালচারাল অর্গান হয় তাহলে আওয়ামীলীগ ও হিন্দুত্ববাদ হার্ড পাওয়ার। তাই শুধু হাসিনা ও আওয়ামীলীগের বিচার বা নিষিদ্ধ হলেই আপনি মনে করবেন না যে দেশের স্বার্বভৌমত্ত রক্ষা করতে পেরেছেন । আপনাকে ভারতীয় কালচারাল অর্গান গুলোর শিকড় সহ উপড়ে ফেলতে হবে । কালচারাল আলাপ আগামী লেখায় পাবেন এবং কিভাবে ভারতীয় কালচার এর বিপরীতে দেশীয় কালচার তৈরি করা সম্ভব সেটাও আলাপ করবো । সেই সাথে মোকাবিলা করার কৌশল গুলো দেখিয়ে দেবো ।
নুকতা : যেভাবে ১/১১ এর ভিলেন দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হচ্ছে তাতে কি হবে বলা মুশকিল । তবে আমাদের যুদ্ধ চলতেই থাকবে ।
285
নগদ ৩ কোটি টাকা ৩ হাজার মার্কিন ডলার, ৩৫ হাজার কোরিয়ান মুদ্রা, চার হাজার সিঙ্গাপুর ডলার, ৩ হাজার সৌদি রিয়াল, দুই হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পাওয়া গেছে ।
বাসা না মানি এক্সচেঞ্জের অফিস বুঝতে না পারা আমি।
বাসায় যদি নগদে এসব পাওয়া যায় তাহলে দেশে বিদেশে নামে বেনামে কি অবস্থা হতে পারে তা আল্লাহ ছাড়া কেউই জানে না।
285
Reminder!
ভারতীয়দের চরিত্র যারা দেখছেন অনেকেই ভীত হচ্ছেন, আঁতকে উঠছেন। ভাবছেন ওদের মতো মানুষ হতে পারে?
সামনে আপনার-আমার যে লড়াইটা সেটা কিন্তু ওদের সাথেই। ওদের লক্ষ্যবস্তু কিন্তু আমাদের মা-বোনেরাই! কথাটা মনে রেখে সেভাবে প্রস্তুতি নিন।
285
(ঘটনাটা শুনেছিলাম বছর কয়েক আগে,অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল,কিন্তু ভিডিওটা দেখার পর আমি টোটালী শক্ড)
নিচের ভিডিওটি মেজর বজলুল হুদার, যাকে শেখ হাসিনা নিজ হাতে জবাই করেছিলেন। আই রিপিট এগেইন, মেজর বজলুল হুদাকে শেখ হাসিনা নিজ হাতে জবাই করে হত্যা করেছিলেন।
মেজর বজলুল হুদাকে চিনে নাও প্রজন্ম, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পাকিস্থান বন্দি শিবির থেকে যে কয়জন অফিসার পালিয়ে এসে বাংলাদেশে যুদ্ধ করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম এই মহান বীর মেজর বজলুল হুদা।
মেজর বজলুল হুদার আরো একটি পরিচয় হল, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট একদল বীর সেনানী জাতিকে দিয়েছিলো এক ‘ডিভাইন জাস্টিস’। জাতিকে মুক্ত করেছিলো এক রাহুগ্রাস থেকে। মেজর বজলুল হুদা তাদের মধ্যে অন্যতম।
মানব থেকে দানবে পরিনত শেখ মুজিবকে হত্যার অপরাধে
২৮শে জানুয়ারী ২০১০ এ মেজর (অব.) বজলুল হুদা সহ মোট ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। রাত ১১টায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব আব্দুস সোবহান শিকদার, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকার জেলা প্রশাসক জিল্লার রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অমিতাভ সরকার, ডিএমপি কমিশনার এ কে এম শহীদুল হক, ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. মুশফিকুর রহমানসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ১১টা ২০ মিনিটে পাঁচটি কফিন বক্স কারাগারের ভেতরে ঢোকানো হয়।
রাত ১১:৪০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের আশেপাশের ও কারাগারের অভ্যন্তরের সব বিদ্যুৎ একসাথে চলে যায় (কয়েকটা পত্রিকায় এটা এসেছিলো তখন)। ঠিক তখন দুইটা কালো টিল্টেড গ্লাসের পাজেরো জীপ ঢূকে কারা অভ্যন্তরে। এর একটা পাজেরোতে ছিলো শেখ হাসিনা স্বয়ং। হাসিনা নিজে সেদিন ফাঁসির মঞ্চের সামনে উপস্থিত ছিলো ৪ জনের ফাঁসি নিজ চোখে দেখার জন্য। শুনে অবাক লাগছে? অনেক পত্রিকায় আসছিলো যে দুইটা ফাঁসির মঞ্চে দু’জন করে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিলো। এবং এও এসেছিলো যে মেজর বজলুল হুদাকে প্রথম ফাঁসি দেওয়া হয়েছিলো!
আসলে মেজর বজলুল হুদাকে ফাঁসির মঞ্চেই নেওয়া হয়নি। মেজর হুদাকে প্রশাসনিক ভবনের একটি রুমে রাখা হয়েছিলো। দু’জন করে চার জনের ফাঁসির কাজ সমাপ্তির পর হাসিনা যায় মেজর বজলুল হুদার সেই রুমে। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলো কাশিমপুর থেকে আনা এক হিন্দু জল্লাদ। যেভাবে কোরবানির গরু জবাই করা হয় ঠিক একই ভাবে চারজন মেজর হুদার শরীর চেপে ধরেছিলো আর হাসিনা মেজর হুদার বুকের উপর এক পা দিয়ে চেপে রেখেছিলো আর সেই হিন্দু জল্লাদ জবাই করেছিলো। প্রত্যক্ষ দর্শীর বর্ণনা থেকে জানতে পারি জবাইয়ের সময় কিছু রক্ত ফিনকি দিয়ে হাসিনার শাড়ির বেশকিছু অংশ ভিজে যায়।
হুদার লাশ পরেরদিন ১০টায় আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে নেওয়ার আগে কয়েক হাজার পুলিশ, বিডিআর ও র্যাব অবস্থান নিয়েছিলো। লাশ নেওয়ার সাথে সাথে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ৫ মিনিটের মধ্যে লাশ দাফনের জন্য চাপ দিতে থাকে তার পরিবারের সদস্যেদের। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা ও কয়েক লক্ষ উপস্থিত মানুষের চাপের মুখে র্যাব কর্তারা পিছু হটে। কফিন খোলার পর দেখা যায় লাশ অর্ধেক ডুবে আছে রক্তের মধ্যে। আবার গোসল করানোর জন্য লাশ নামানোর পর দেখা যায় মেজর হুদার গলা কাটা যা জাল বোনার মোটা সুতা দিয়ে সেলাই করা।
ফাসিতে ঝুলিয়ে মৃত ব্যক্তির গলায় শেলাইয়ের কোন প্রয়োজন হয়না, মেজর হুদার হাত পা ও ঘাড়ের রগও কাটা ছিলো না, এই তথ্য জানা যায় যিনি মেজর হুদার শেষ গোসল করিয়েছিলেন তার মুখ থেকে।
...collected
285
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ মার্চের ভয়াল কালাে রাতে আব্বু গেলেন মুজিব কাকুকে নিতে। মুজিব কাকু আব্বুর সঙ্গে আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করবেন সেই ব্যাপারে আব্বু মুজিব কাকুর সাথে আলােচনা করেছিলেন। মুজিব কাকু সে ব্যাপারে সম্মতিও দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী আত্মগােপনের জন্য পুরান ঢাকায় একটি বাসাও ঠিক করে রাখা হয়েছিল। বড় কোনাে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আব্বুর উপদেশ গ্রহণে মুজিব কাকু এর আগে দ্বিধা করেননি। আব্বুর, সে কারণে বিশ্বাস ছিল যে, ইতিহাসের এই যুগসন্ধিক্ষণে মুজিব কাকু কথা রাখবেন। মুজিব কাকু, আব্বু সাথেই যাবেন। অথচ শেষ মুহূর্তে মুজিব কাকু অনড় রয়ে গেলেন।
তিনি আব্বুকে বললেন, বাড়ি গিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে থাকো, পরশুদিন (২৭ মার্চ) হরতাল ডেকেছি। মুজিব কাকুর তাৎক্ষণিক এই উক্তিতে আব্বু বিস্ময় ও বেদনায় বিমূঢ় হয়ে পড়লেন। এদিকে বেগম মুজিব ঐ শােবার ঘরেই সুটকেসে মুজিব কাকুর জামাকাপড় ভাজ করে রাখতে শুরু করলেন। ঢােলা পায়জামায় ফিতা ভরলেন। পাকিস্তানি সেনার হাতে মুজিব কাকুর স্বেচ্ছাবন্দি হওয়ার এইসব প্রস্তুতি দেখার পরও আব্বু হাল না হেড়ে প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে বিভিন্ন ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে মুজিব কাকুকে বােঝাবার চেষ্টা করলেন। তিনি কিংবদন্তি সমতুল্য বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদাহরণ তুলে ধরলেন, যারা আত্মগােপন করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু মুজিব কাকু তার এই সিদ্ধান্তে অনড় হয়ে রইলেন।
পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী আব্বু স্বাধীনতার ঘােষণা লিখে নিয়ে এসেছিলেন এবং টেপ রেকর্ডারও নিয়ে এসেছিলেন। টেপে বিবৃতি দিতে বা স্বাধীনতার ঘােষণায় স্বাক্ষর প্রদানে মুজিব কাকু অস্বীকৃতি জানান।
মুজিব কাকু তখন উত্তর দিয়েছিলেন, 'এটা আমার বিরুদ্ধে দলিল হয়ে থাকবে। এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের জন্য বিচার করতে পারবে।”
আব্বু লেখা ঐ স্বাধীনতা ঘােষণারই প্রায় হুবহু কপি পরদিন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচারিত হয়। ধারণা করা যায় যে ২৫ মার্চের কয়দিন আগে রচিত এই ঘােষণাটি আব্বু তাঁর আস্থাভাজন কোনাে ছাত্রকে দেখিয়ে থাকতে পারেন। স্বাধীনতার সমর্থক সেই ছাত্র হয়তাে স্ব-উদ্যোগে বা আব্বুর নির্দেশেই স্বাধীনতার ঘােষণাটিকে বহিঃবিশ্বের মিডিয়ায় পৌছে দেন।
— শারমিন আহমেদ,
তাজউদ্দীন আহমদঃ নেতা ও পিতা, ঐতিহ্য, পৃঃ ৪৫-৪৬
285
⛔ ধানমন্ডি-৩২ এ ভুয়া শোক দিবসের নামে নাশকতা করতে আসা সন্ত্রাসীদের বেঁধে সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করে ছাত্র-জনতা।
285
01-*পিলখানা হত্যা 🩸
02-* গুম ৷ 🩸
03-* খুন 🩸
04-* টাকা পাচার 💴
05-* আয়না ঘর 🦴🦴🦴
06-* সাত খুন
07-* দুর্নীতি 💯
08-* ব্যাংক হ্যাক
09-* শাপলা চত্বরে মুসলমানের উপর গুলি🔥
10-* মসজিদে ঢুকে মনুষ হত্যা 🔥
11-* বাসার ভিতর সাংবাদিক হত্যা- 🔗
12-* বীভৎস বিশ্বজিৎ হত্যা⛓️
13-* সকল মন্ত্রণালয়ের দলীয়করণ
14-* বর্ডার হত্যার বিচার না করা🔥
15-*ভারতের কাছে দাসত্ব গ্রহণ:⚰️
16-* শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস 💣
17-* চিকিৎসা ব্যবস্থা ভারতের কাছে তুলে দেওয়া
18-* মানুষের সাধারণ পাঁচটি -🇧🇩
-----মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া🗿
19-* দেশের জনগণকে অবমূল্যায়ন করে কথা বলা
20-* নিরহ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর গুলি করা
21-*কোটা আন্দোলনের সময় গুলি ও হত্যা ।😭
22-* আবরার হত্যা
23-* প্রশ্নপত্র ফাঁস😱
24-*সাগর রুনির নৃশংস হত্যাকান্ড এবং
25- *মেজর সিনহার হত্যাকান্ড--🔥
26-* বিদেশিদের এদেশে চাকুরী দেওয়া 🔥🪝🧰
##BD যত নেতাকর্মী এর পিছনে দায়ী
তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার অনুরোধ রইল- বাংলাদেশের ছাত্র জনতার কাছে 🪝🗣️😥
