প্রানীর ছবি এবং ভিডিও করা হারাম
Открыть в Telegram
হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ পাক বলেন, তার চেয়ে বড় জালিম কে হতে পারে, যে আমার সৃষ্টির ন্যায় সৃষ্টি করে? বুখারী হাদীস ৫৬০৯ নিশ্চয়ই ক্বিয়ামতের দিন (প্রানীর) ছবি নির্মাতাদের কঠিন আযাব হবে। বুখারী হাদীস ৫৬০৬ https://t.me/videoharam/164
Больше304
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
Нет данных30 дней
Архив постов
14-3-2023 Photo Mongolbar Bad Asar Tarbiyati Majlis, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka
শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর- মঙ্গলবার বাদ আসর সাপ্তাহিক তরবিয়তী মজলিসে *ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার* বিষয়ে বলেন,
জিব্রিলে আমীন বলেন যে, ছবি রাখা যাবে না, সমস্ত নবী-রাসূলদের যিনি শ্রেষ্ঠ তিনি বলেন, ছবি রাখা যাবে না।
এখন আমরা নতুন যমানা আবিষ্কার করেছি যে, ইসলামের সেবা আর ইসলামের আওয়াজ পৃথিবীতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছবি রাখতে হবে। ভাই! ছবি কেন রাখতে হবে? এটা বুঝলাম না। ছবি কি জন্য রাখতে হবে? আওয়াজ পৌঁছায়ে দেন।
সারা দুনিয়ার মুসলমানরা রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লামকে দেখে নাই, তারা কি আল্লাহর রাসূলকে মানে না! দেখি নাই; মানবো কেমনে? এটা বলে কেউ?
এটা শুধুই একটা বাহানা মাত্র, এটা একদমই বিভ্রান্তি যে, ছবি দিয়ে ইসলাম প্রচার করতে হবে। যারা এ সকল করছেন কোনভাবেই এটা ঠিক হচ্ছে না, সম্পূর্ণ ভুল কাজ। আল্লাহ তাআলা ছবির প্রতি আমাদের অন্তরে ঘৃণা পয়দা করে দেন।
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
🌿🌿*ছবি তোলার ব্যাপারে হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ এর কঠোরতা*🌿🌿🌿
রূমীয়ে যামানা মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর সুযোগ্য খলিফা আরেফবিল্লাহ মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ একবার এক মাদরাসার উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সেখানে যান। মাদরাসার উদ্বোধনের খবর শুনে সেখানে একজন সাংবাদিক ক্যামেরা নিয়ে আসে। তো হযরত যখন বয়ান শুরু করেন তখন আমরা দেখলাম সেই সাংবাদিক ক্যামেরা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছিল ছবি তোলার জন্য। সে হযরতের বসার স্থান থেকে একটু পিছনে ছিল যার কারণে বলা যায় সে হযরতের দৃষ্টি থেকে আড়ালেই ছিল। আমরা তো আগে থেকেই জানি ছবি তোলার ব্যাপারে হযরতওয়ালা অত্যন্ত কঠোর। তখন আমরা সেই সাংবাদিককে বললাম যে, "হযরত যদি জানতে পারেন তাহলে আপনার খবর আছে! সাবধান হয়ে যান"। তখন সেই সাংবাদিক ভয় পেয়ে তার ক্যামেরা বাক্সে ভরে ফেলল।
ইবনে সুলতান
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/JnJ0e8jPmFEFGThBoMnnxv
প্রাণীর ডিজিটাল ছবি জায়েজ(?) হওয়াতে এখন অনেক সুবিধা হয়ে গেছে। নাউজুবিল্লাহ।
আপনার অতীত জীবনের ছবিগুলো এখন আপনি অনায়াসেই এই জায়েজ হওয়ার বদৌলতে অনলাইনে আপলোড করতে পারছেন। আর হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ তা দেখতেছে। আর তারা অশেষ ফায়দা কামাচ্ছে। নাউজুবিল্লাহ।
*প্রাণীর ডিজিটাল ছবি বর্জন করুন। নিজের দীন ঈমানকে নিরাপদ রাখুন।*
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন। প্রেক্ষাপট ইতোমধ্যেই প্রস্তুত হয়ে আছে। সম্ভবত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডিজিটাল ছবি বলে কিছু থাকবে না। সুতরাং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যদি আপনি বেঁচে থাকেন তাহলে অবশ্যই ডিজিটাল ছবির মোহ থেকে বের হয়ে আসতে আপনি বাধ্য হবেন। তাই বলি, ডিজিটাল ছবি যেহেতু পরিত্যাগ করতেই হবে, আসুন এখন থেকে আমরা ডিজিটাল ছবি থেকে দূরে থাকি।
*প্রাণীর ডিজিটাল ছবি বর্জন করুন। নিজের দীন ঈমানকে নিরাপদ রাখুন।*
Repost from মদিনা🌹ইসলামী জীবন
যারা প্রাণীর ডিজিটাল ছবিকে জায়েজ মনে করে, তাদের পক্ষে কোন দলিল নাই; তাদের আছে শুধু আবেগ, আছে বৈজ্ঞানিক যুক্তি। আর আছে বিবেকের যুক্তি। তারা বলে থাকে, বাতিল যে পথে এসেছে, সেই পথেই তাকে প্রতিহত করতে হবে। এটা একটা গলদ কথা।
*সহীহ কথা হচ্ছে "বাতিলকে প্রতিহত করতে হবে ইসলাম সম্মত পন্থায়।"*
Repost from মদিনা🌹ইসলামী জীবন
১
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথার ওজন যার দিলের মধ্যে আছে, কেয়ামত দিবসকে যে সত্য বলে বিশ্বাস করে, জাহান্নামের আজাবকে যে ব্যক্তি অন্তর চক্ষু দ্বারা দেখতে পায়, সে কিভাবে মসজিদের ভিতরে ভিডিও করতে পারে? সে কিভাবে তওয়াফরত অবস্থায় ভিডিও করতে পারে? সে কিভাবে রওজা শরীফে নবীজির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করতে পারে? সেলফি তুলতে পারে?
২
আর মসজিদের ভিতরে যদি ভিডিও করা ছবি তোলা সহীহ না হয়, বাইতুল্লাহর সামনে যদি ভিডিও করা সহি না হয়, রওজা শরীফে নবীজির সামনে যদি ভিডিও করা, ছবি তোলা সহীহ না হয় তাহলে অন্যত্র প্রানীর ভিডিও করা ছবি তোলা কিভাবে সহীহ হবে?
*প্রাণীর ডিজিটাল ছবিকে বর্জন করুন, নিজের দ্বীন ঈমানকে নিরাপদ রাখুন।*
ইমাম গাজ্জালী রহ. এর বিখ্যাত উক্তি- *মুফতীর (গলদ)ফতোয়া তোমাকে (আপনাকে) জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে পারবে না।*
8 mar 2023
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
🌿*ফটো তোলার ব্যাপারে হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ এর কঠোরতা*🌿🌿
মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ ইরশাদ করেন, আমি এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, সেখানে গোপনে কৌশলে আমার ফটো তুলে নেয়। তারা ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করে এবং ফটো তুলেনি বলে জানায়। তারা বলে বিচ্ছুরিত আলো ক্যামেরার নয় বরং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের। কিন্তু আমি ধমক দিয়ে ক্যামেরাটি হস্তগত করি এবং বলি আমার সম্মুখে নেগেটিভ ধ্বংস করতে হবে, অন্যথায় এখনিই আমি এখান থেকে বিদায় নেব আর কোনোদিন এ বাড়িতে কদম রাখবো না।
আমার এই কঠোর ভূমিকায় তাদের দেমাগ ঠিক হয় এবং তারা আমার সামনেই ঐ নেগেটিভ ধ্বংস করে ফেলে। যেহেতু আমরা গুনাহের ব্যাপারে নমনীয় ভাব পোষণ করি তাই আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গুনাহের ভয়ানক স্রোত বয়ে চলেছে। আমাদের মধ্যে গুনাহ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে।
চায়ের কাপে মাছি পড়তে পারে না, ঘরে সাপ-বিচ্ছু প্রবেশ করতে দেয়া হয় না, কিন্তু চোখের সামনে ঈমান-আমল ধ্বংসকারী সাপ-বিচ্ছু পেটের ভিতরে প্রবেশ করে সবকিছু ধ্বংস করছে অথচ আমরা নির্বিকার।
মালফূয ৭৪
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DxAIkje1PTPALA4MphPjk6
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*ডিজিটাল ছবি-*
শেষ যমানায় কেয়ামতের আগে দ্বীনের নামে বদদ্বীনিকে দ্বীনের কাজ মনে করা হচ্ছে। যেই মসজিদে জুমার নামাজের ভিডিও করা হয় ঐ মসজিদে যাওয়াই ঠিক না। ওখানে না যাওয়া চাই। কাল কেয়ামতে কমিটির উপরও আল্লাহর পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে যে, তোমার মসজিদে এই কাজ করা হয়েছে। তুমি বন্ধ করোনি কেন? এই যমানায় শুধু ঐ ওলামায়ে-দ্বীনের অনুসরণ করা চাই, যারা দেড় হাজার বছরের পূর্বসূরী ওলামায়ে-দ্বীন কোরআন সুন্নাহর যে ব্যাখ্যা করেছেন, সেই ব্যাখ্যার ফলোয়ার যারা, অনুসারী যারা। আর পূর্বসূরী হক্কানী ওলামায়ে দ্বীনের বিপরীত পথে যারা চলে, তাদের থেকে আমাদের দূরে থাকা চাই। নইলে হকের ওপরে থাকার আমাদের কোন রাস্তা বাকি থাকবে না।
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
13.2.2023 Photo, Mesbahul Uloom Madrasa Purbo Lalmohon, Bhola.
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি প্রানীর ডিজিটাল ছবিকে নাজায়েজ বলতেন। আশ্চর্যের বিষয় হযরত এর এক ছাত্র গত দু একদিন আগে হযরত পালনপুরী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে একটা পোস্ট করেছে এবং তাতে হযরত পালনপুরীর ছবি যুক্ত করে দিয়েছে। নাউজুবিল্লাহ।
নিজ ওস্তাদের চাইতে ফিকহ বেশি বুঝার কারণেই কি এমনটি হয়েছে?
গলদ কিয়াস থেকে দূরে থাকুন। সহিহ হাদিসকে আঁকড়ে ধরুন।
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
ইমামে আজম আবু হানিফা রহমাতুল্লাহি 'আলাইহি কোনো বিষয়ে যদি সহিহ হাদিস পেতেন তাহলে সেখানে তিনি কিয়াস করতেন না। আশ্চর্যের বিষয়, আমরা যারা নিজেদেরকে হানাফী বলে দাবি করি, তাদের অনেকেরই হালত এমন যে, সহিহ হাদিসের বিপরীতে কিয়াস বৈজ্ঞানিক যুক্তিকে গ্রহণ করে নিয়েছে। নাউজুবিল্লাহ।
আকাবিরে দীন থেকে আমরা কতটা বিচ্যুত হয়েছি, তা সহজেই এখান থেকে প্রতীয়মান হয়।
fact : প্রাণীর ডিজিটাল ছবি, ভিডিও হারাম।
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
12.1.2023 Photo, Mashik Ijtema, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, DK
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*সাম্প্রতিক সময়ে দেখা একটি স্বপ্ন এবং ছবি সম্পর্কে-*
পেশাওয়ারে একজন খাব দেখেছেন যে, ওলামা-মাশায়েখের বিশাল বড় মজমা। সেখানে এক বুজুর্গকে বলা হচ্ছে যে, আপনি লোকদেরকে বলে দেন যে, সব আলেম-ওলামা যেন পড়েন
اللَّهمَّ اغْفِرْ لي ذَنْبِي كُلَّهُ، دِقَّهُ، وجُلَّهُ، وأوَّلَهُ وآخِرَهُ وعَلانِيتَهُ وسِرَّهُ
হে আল্লাহ আমার সব গুনাহ মাফ করে দেন। ছোটগুলো, বড়গুলো, জীবনের প্রথমে যা করেছিলাম এবং শেষে যা করেছিলাম সবগুলো এবং প্রকাশ্যগুলো এবং অপ্রকাশ্যগুলো সবগুলো মাফ করে দেন।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, যিনি এই খাব দেখেছেন তিনি এটা দুনিয়াব্যাপী প্রচার করতেছেন নিজের ছবিসহ! এটা দ্বীন হলো! এটা দ্বীনের বুঝ হল! কি আশ্চর্যের বিষয় মানুষদের! ওলামা-মাশায়েখদেরকে বলা হচ্ছে যে, তোমরা ইস্তেগফার কর। তাহলে তো বুঝা দরকার ছিল যে, আমাদের ওলামা-মাশায়েখ যারা আজকে দ্বীনের খাদেম আমাদের মধ্যে বেশুমার ভুল-ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটছে। আমাদের সকলের আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া চাই, তওবা করা চাই। খালি বাহ্যিক একটা স্বপ্নের চেহারার ওপর স্থির হয়ে গেল দৃষ্টি। দৃষ্টি এখানে কেন নিবদ্ধ হলো? এর গভীরতায় কেন আমরা যাচ্ছি না যে, তোমরা ওলামা-মাশায়েখের দল, তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে মাফ চাও। তোমরা সবাই আল্লাহর নিকট তওবা করো।
تُوبُوۤا۟ إِلَى ٱللَّهِ جَمِیعًا أَیُّهَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ
তো আমাদের ভুল বিচ্যুতিগুলো দেখা, এবং সেগুলো থেকে নিজেকে মুক্ত করা, মুক্ত হওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত হওয়া আমাদের দায়িত্ব। আর সেই শব্দ প্রচারিত হচ্ছে ছবির মাধ্যমে। ছবি কোন্ দ্বীন!? যেখানে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছাল্লাম পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন,
كلُّ مُصوِّرٍ في النّارِ
যারা প্রাণীর ছবি তৈরি করবে সবগুলো জাহান্নামে যাবে। এ হাদীস শোনার পর অন্তর একটুও কাঁপা উচিত না?
যেখানে আল্লাহপাক বলছেন যে,
إِنَّمَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلَّذِینَ إِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَجِلَتۡ قُلُوبُهُمۡ
ঈমান আছে তার ভিতরে। সত্যিকারের কামেল ইমানওয়ালা তখন এটা প্রমাণিত হবে, যখন আল্লাহর কথা শুনলে তার অন্তর কাঁপতে থাকে, প্রকম্পিত হয়ে যায়। তখন বোঝা গেল যে, সে ঈমানওয়ালা। আর এমন একটা সুন্দর স্বপ্ন দেখার পর সেটা প্রচারও হচ্ছে এই স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষটার ছবি সহকারে! এটা সুন্নত তরীকার দ্বীন প্রচার হলো!
আমাদের আলেম সমাজের মধ্যে কিছু লোক এতটা আমরা বেফিকির কেন হয়ে গেছি! এটা আমাদের ঠিক হচ্ছে না। এই পথ থেকে আমাদের ফেরা উচিত। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছাল্লাম ওলামা-মাশায়েখের মজলিসে যেখানে এইভাবে বলছেন যে, তোমরা সবাই ইস্তেগফার করো। তার মানে মাফ চাও, মাফ চাও, গুনাহ জারি থাকুক। মুখে মাফ চাওয়া, আর গুনাহ করতে থাকা, এই!? আল্লাহপাক আমাদেরকে সত্যিকার এস্তেগফারকারী এবং তওবাকারীদের মধ্যের শামিল করেন।
*এই একই স্বপ্নের ব্যাখ্যা করেছেন ভারতের বিখ্যাত আলেম হযরত মসীহুল্লাহ খান জালালাবাদী রহমাতুল্লাহ এর খলিফা মুফতী মাজ্দুল কুদ্দূস খোবায়েব সাহেব। সাহারানপুরের বড় আলেম, ওনার বাবাও বড় আলেম মুফতী ছিলেন। তিনি এই স্বপ্নের এই ব্যাখ্যাই দিয়েছেন যে, যত রকমের অপরাধ আমাদের মধ্যে আছে, সুদ-ঘুষ-মিথ্যা-গীবত যত হারাম কাজের মধ্যে লিপ্ত হওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে, ছবি তোলা, এসব থেকে তওবা করার জন্য ইঙ্গিত করেছেন রাসূলে পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম। সেই দিকে আমাদের মুতাওয়াজ্জেহ হওয়া উচিত। এটাও তিনি বলেছেন।*
*যার যার মোবাইলে ছবি আছে, ডিলিট করবেন তো ইনশাআল্লাহ। (ইনশাআল্লাহ) এমন মাহফিলে যাবেন না, যে মাহফিলে ছবি তোলা হয়, ভিডিও করা হয়। এমন মাহফিলে যাওয়া কোনভাবেই সহীহ না।*
মসজিদগুলোকে জলদি ভিডিও থেকে সাফ করা চাই। কমিটিরও দায়িত্ব আছে। মসজিদের যারা কমিটি তাদের কি কাল কেয়ামতে জওয়াব দিতে হবে না। ইমাম সাহেব বলেছেন। ইমাম সাহেব কি জন্য বলেন? ইমাম সাহেবকে এরকম অন্যায় কাজের সুযোগ দেওয়া মসজিদ কমিটির কারো জন্য ঠিক হবে না। *সব মসজিদকে ভিডিও মুক্ত করা চাই, ছবি মুক্ত করা চাই।*
*যারা ছবি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছেন, শুধুই নফসের ধোঁকা। শুধুই শয়তানি ধোঁকা। তাদের কাছে কোন দলিল নেই। এর দ্বারা খুশি হচ্ছে নফস এবং শয়তান। আল্লাহ এবং তাঁর রসূল আদৌ খুশি হন না।*
হজের সফরে একবার আমরা মদীনা শরীফে ছিলাম। রওজা শরীফের সামনে গিয়ে দেখলাম মানুষ দলে দলে ছবি তোলে। খুব কষ্ট হলো। আমাদের এক সাথী হাজী সাহেব স্বপ্নে দেখেন যে, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া ছাল্লাম বলছেন, আমার সামনে দাঁড়িয়ে এভাবে ছবি তুলতে থাকে! আমার বড় কষ্ট হয়! এদেরকে ছবি তুলতে নিষেধ করো। মদীনা শরীফের এক আলেমকে জানানো হলে তিনি প্রশাসনকে জানান। প্রশাসন রওজার সামনে ফটো তোলা বন্ধ করে দেয়। রওজার সামনে দীর্ঘদিন ছবি তোলা বন্ধ থাকে। আবার চালু হয়ে গেছে! এটাও তো এক স্বপ্ন ছিলো। এটাকি ইস্তেগফার পড়ারই স্বপ্ন ছিলো, না ছবি থেকে বিরত থাকারও স্বপ্ন ছিল? সঙ্গে এটাও যোগ করুন।
*ডিজিটাল ছবি সম্পর্কে মাওলানা আবদুল মালেক দা. বা. এর মতামত-*
ডিজিটাল ছবি সম্পর্কে মুফতী আবদুল মালেক দা. বা. বলেন- "ডিজিটাল ছবির
ব্যাপারে কোনও কোনও আলেম বলেন,
প্রিন্ট করার আগ পর্যন্ত এটা
সম্ভবত(মানে নিশ্চিত না, সন্দেহযুক্ত) হারাম তাছবীরের মধ্যে পড়বে না। ব্যস! তাঁদের এ কথাকে বাহানা বানিয়ে বহুত এমন লোকও ছবির
ব্যাপারে ঢিলেঢালা হয়ে গেছেন,
যারা এ ব্যাপারে সতর্কতা
অবলম্বন করতেন। এমনটি না
হওয়া উচিত ছিল। শরয়ী
প্রয়োজন ছাড়া কোনো প্রাণীর
ডিজিটাল ছবি থেকেও বেঁচে থাকা
জরুরি।"
কামেল মোমেনের শান হল, সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে বিরত থাকা। এখন কি করবেন, আপনিই সিদ্ধান্ত নিন।
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/KDdpzOEmrrM2vhrVgHOzya
*প্রাণীর ডিজিটাল ছবি ; যারা মানুষকে দ্বীন শিখাচ্ছে মানুষের নিকট দ্বীন পৌঁছাচ্ছে তাদের এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া উচিত।*
আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানিতে দেওবন্দ সফরে আছি। এ সুযেগে আজকে দেখা করতে গিয়েছিলাম দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান মুফতী খলীফায়ে শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ হাবীবুর রহমান খায়রাবাদী সাহেবের কাছে। কথা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলামঃ বর্তমানে অহরহ যে ফটো তোলা হচ্ছে, এর কোন সুযোগ আছে কি?
হযরত বললেন, কোন সুযোগ নেই। লোক অহরহ মদ ও শুয়োর খাওয়া শুরু করে দিলে কি তার সুযোগ দিয়ে দেওয়া যাবে? তা তো রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত। কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এটাকে কি করে সুযোগ দেওয়া যাবে? মুজতাহাদ ফিহি তথা যে বিষয়ে ইজতিহাদ করা যায়, সেগুলোতে অবকাশ থাকতে পারে। তাছাড়া আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের মাশায়েখ, আমাদের আকাবিরগণ এটাকে নাজায়িয মনে করেন।
আরেকটি প্রশ্ন করলাম যে, মওদূদীবাদের সাথে আমাদের এখতেলাফ কোন ধরনের? শাখাগত না আকীদাগত? কিছু আলিম তাদের সাথে আকীদাগত এখতেলাফকে অস্বীকার করেন। হযরত বললেনঃ যারা আকীদাগত এখতেলাফকে অস্বীকার করেন, তারাও অর্ধেক মওদূদীবাদী। মওদূদীবাদের সাথে আমাদের এখতেলাফ শাখাগত নয়, বরং আকীদাগত। কথার চুম্বকাংশ তুলে ধরলাম।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন...
মুহতারাম Mahin ahmed
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
ছবি তোলা ভিডিও করা আখেরাতের কোনো আমল নয়।
শাইখুল উলামা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা:বা:
27.1.2023 Photo Khatme Sihah Sittah, Jamea Hakimul Ummat, Mojadded Nagar, South Keranigonj, Dhaka
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর আযীমুশশান বিভিন্ন বয়ানে ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার বিষয়ে বলেন,
দ্বীনের বুঝেরই বড় কমি। আমাদের ওলামাদের বিশাল অংশ এখন ছবি তোলার মধ্যে ব্যস্ত।
ছবি তোলা সম্পূর্ণ হারাম। সম্পূর্ণ লানতের কাজ। আর এ বিষয়টা বলতে গিয়ে নরমভাবে বলার কি অর্থ। একজনের কাপড় খুলে পড়ে যাচ্ছে। আর একজন তাকে খুব আস্তে বলছে যে, আপনার এটা খুলে... .... । আপনার কাপড় খুলে পড়ে যাচ্ছে জলদি করেন। আপনার কাপড় বাঁধেন। বলা জরুরি কিনা? একজনের গায়ে আগুন ধরে গেছে। আরেকজন একদম কেরাআতের সাথে আগুন নিভানোর জন্য ওয়াজ করছে। এমনটা কি সহীহ? আগুন নিভানো তো তাৎক্ষণিক দরকার। কোন বিলম্ব না করা। এত সঙ্গিন অপরাধ হচ্ছে! গুনাহের কাজ! সেটার ব্যাপারে নরম সুরে কথা বলা যাতে মানুষ এটার কোন আহাম্মিয়তই উপলব্ধি করে না! এটা কিভাবে?
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
ফটো তোলা আগে গুনাহ্গারদের মজলিসে ছিল। আফসোস, এখন দ্বীনদারদের দ্বীনী মজলিসেও ছবি তোলা হচ্ছে। শাহ আবদুল মতীন ছাহেব দা: বা:
শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম বলেন,
প্রিন্ট করা ছবি হারাম হওয়ার বিষয়ে সব ওলামায়ে কেরাম একমত। প্রিন্ট করা ছবির গ্লেজিং তো আস্তে আস্তে নষ্ট হয়।গ্লেজিংটা থাকে না। ধীরে ধীরে এটা নিস্তেজ ও ম্রিয়মাণ হয়ে যায়। কিন্তু মোবাইলের ছবির যে সতেজ ভাব সেটা তো সব সময় বহাল থাকে। তাহলে ঐটা যদি নাজায়েজ হয় এটা কেন নাজায়েজ হবে না?
আসলাফ ও আকাবিরের সামনে যে মাথা ঝুকায় না, সে সহিহ আলেম না। সে ভুল পথে চলছে। সে আলেম উম্মতের সঠিক দ্বীনি রাহবর না। তার এক হাতে আলোকবর্তিকা আর অন্য হাতে অন্ধকারের সামান। দুইটা একসঙ্গে বিলাইতেছে সে। দুই হাতে দুই পথে দুই দিকে ডাকছে। তো মানুষ কোন দিকে যাবে?
• ────── ✾ ────── • Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/JSzruFiTYLYKi1UxFVWDT8
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
এসব ছবি পোস্ট করার মধ্যে দ্বীনি ফায়দা কি? এসব নফসের তাগাদা পুরা করা নয়তো?
