Lost Modesty
আমরা লস্টমডেস্টি টিম, কাজ করছি অশ্লীলতা আর নোংরামির বিরুদ্ধে। আমাদের প্রত্যাশা সেদিনের যেদিন আমাদের ভাই আর বোনগুলো হবে কলঙ্কমুক্ত, নিষ্পাপ।
Больше📈 Аналитический обзор Telegram-канала Lost Modesty
Канал Lost Modesty (@lostmodesty) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 13 300 подписчиков, занимая 6 699 место в категории Религия и духовность и 1 713 место в регионе Бангладеш.
📊 Показатели аудитории и динамика
С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 13 300 подписчиков.
Согласно последним данным от 08 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -171, а за последние 24 часа — -8, при этом общий охват остаётся высоким.
- Статус верификации: Не верифицирован
- Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 9.23%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 3.61% реакций от общего числа подписчиков.
- Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 227 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 480 просмотров.
- Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 55.
📝 Описание и контентная политика
Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“আমরা লস্টমডেস্টি টিম, কাজ করছি অশ্লীলতা আর নোংরামির বিরুদ্ধে। আমাদের প্রত্যাশা সেদিনের যেদিন আমাদের ভাই আর বোনগুলো হবে কলঙ্কমুক্ত, নিষ্পাপ।”
Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 09 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.
Загрузка данных...
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 08 июля | 0 | |||
| 07 июля | 0 | |||
| 06 июля | 0 | |||
| 05 июля | +2 | |||
| 04 июля | 0 | |||
| 03 июля | +1 | |||
| 02 июля | 0 | |||
| 01 июля | 0 |
| 2 | আল্লাহুম্মাগফিরলী! | 1 315 |
| 3 | কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার মারা গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদের মেয়ে। সম্প্রতি তার চিকিৎসার জন্য ফান্ডিংয়ের আলাপ সামনে আসায় আমার মতো অনেকেই নামটির সাথে প্রথম পরিচিত হয়েছে।
কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এখন আমাদের দেশে এক মহামারীর নাম। এই কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের মহামারিতে পড়ে হেন কোনো কাজ নেই, যা মানুষ করছে না। ঘর থেকে বাহির, স্বামী-স্ত্রী সন্তান থেকে দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজকর্ম—ভ্লগিংয়ের নামে স্বামী-স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তগুলো প্রচার করা কেবল বাকি রেখেছে। এছাড়া আর সবই কন্টেন্ট আর ভ্লগের নামে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
এসব ছাপড়ি ভ্লগারদের কাছে স্বপ্নের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ছিল কারিনা কায়সাররা। যারা এলিট লাইফ, ফেমাস ব্র্যান্ড ডিল, আর শোঅফ করে বেড়াতো। সিংহভাগ গরিবের দেশে যা এক স্বপীল ও লোভাতুর জীবন।
শরিয়ার সীমানা ক্রস করা কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা আসলে কী রেখে যান?
রেখে যান কেবল কন্টেন্ট আর প্রকাশ্য গুনাহের প্রকাশিত ডকুমেন্ট। একথা তো নিঃসন্দেহ সত্য যে, কোনো ফিমেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের পক্ষে শরিয়া মেনে নিয়মিত ভিডিও বানানো সম্ভব না। এবং এমন ব্যক্তির পক্ষে "জনপ্রিয়" কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হওয়া সম্ভবও না। মেয়েদের কন্টেন্ট চলেই তাদের উদ্দামতার কারণে। তার মৃত্যুর পর এখন সেসব কন্টেন্ট প্রচুর ভিউ হবে, প্রচুর আফসোস হবে, কত ভালো ক্রিয়েটর ছিল—তা নিয়ে আলাপ হবে। অন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা তাকে নিয়ে আবেগ বেচে আরও বেশকিছু ডলার বাগিয়ে নেবে। কারিনার আমলনামায় কী জমা হবে? গুনাহে জারিয়া! কারিনার জন্য আক্ষেপ করবে অনেকেই, কিন্তু অন্তর থেকে দুআ করবে ক'জন?
علمت نفس ما قدمت واخرت.
"[কিয়ামতের দিন]
প্রত্যেক মানুষ জানতে পারবে, সে কী আমল আগে পাঠিয়েছে, কী আমল পিছনে রেখে গিয়েছে।" [সূরা ইনফিতার : ৫]
এই ঘটনা ও লেখা মূলত আমাদের জন্য রিমাইন্ডার। কারিনা কায়সার সাব্জেক্ট না, সাব্জেক্ট হলো—আমরা কী লিগ্যাসি দুনিয়াতে রেখে যাচ্ছি, সদাকায়ে জারিয়া না গুনাহে জারিয়া—তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সদাকায়ে জারিয়া না হোক, আমাদের আমলনামায় যেন গুনাহে জারিয়ার পাল্লা ভারী না হয়।
আপনি-আমি বেঁচে আছি মানে, এখনও শেষ হয়ে যায়নি সময়। ফিরে আসার এখনও সুযোগ আছে। কিন্তু, যখন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে, তখন থাকবে কেবল অনন্ত আফসোস... | 2 434 |
| 4 | বিখ্যাত ইসলামিক স্কলার আলী তানতাভীকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার সুদীর্ঘ পাঠ্য-জীবনে সবচেয়ে দামি বাক্যটা কী ছিল?
তিনি বললেন, ৭০ বছর ধরে পড়ছি৷ হাজার হাজার পৃষ্ঠা পড়েছি৷ তন্মধ্যে ইবনুল জাওযীর এই উক্তিটাই মনে বেশি দাগ কেটেছে—
ইবাদাতের কষ্ট ক্ষণিকের, কিন্তু এর প্রতিদান চিরস্থায়ী।
গোনাহের স্বাদ ক্ষণিকের, কিন্তু এর পরিণতি চিরস্থায়ী। | 2 559 |
| 5 | Нет текста... | 3 272 |
| 6 | Нет текста... | 3 487 |
| 7 | বোনরা মনে রেখো, আজকাল অনেক ছেলেই মেয়ে সেজে আইডি চালায়। তাই অনলাইনে নতুন কোনো বোনের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হলে তার সম্পর্কে যতটুকু পারো খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করবে। ভয়েস মেসেজ ও ছবি দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। কোনো বোন যদি বারবার তোমার ভয়েস মেসেজ বা ছবি চায় তাহলে তাকে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ আছে। শুধু অনলাইনের সম্পর্কগুলো শক্তিশালী হয় না। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে থাকে এখানে। ছবি শেয়ারের প্রসঙ্গ যখন আসলো তখন অনেকবার বলে আসা কথাটা আর একবার মনে করিয়ে দেই। কখনোই তোমার খোলামেলা ছবি তুলবে না, ভিডিও করবে না। স্বামীর জন্যেও না। স্বামীকেও তুলতে দিবে না। এটা জায়েজ নেই। মেসেঞ্জারে, ওয়াটসঅ্যাপে ছবি আদানপ্রদান করবে না। ভিডিও কলে অশালীন পোশাক পরবে না। হতে পারে তার ফোন হারিয়ে গেল, হতে পারে আইডি হ্যাক হলো, হতে পারে তার সাথে তোমার ডিভোর্স হয়ে গেল। বারবার বলার পরও এই ভুলটা বারবার হচ্ছে এবং ভয়ংকর মাশুল গুনতে হচ্ছে।
মূল কথা হলো, রাসূল (ﷺ) -এর কথা মেনে বাস্তব দুনিয়ার তুমি যেমন বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে শরীয়াহসম্মত কারণ ছাড়া কথাবার্তা বলবে না, নির্জনে (মানে তোমরা ছাড়া আর কেউ নেই) কথাবার্তা বলবে না, আলাপ আলোচনা করবে না, তেমনি অনলাইনেও ইনবক্সের নির্জনতায় করবে না।
বই: আকাশের ওপারে আকাশ | 3 072 |
| 8 | কখনোই বিপরীত লিঙ্গের কাউকে ইনবক্স করবে না। হোক সে আলেম। আপু, তোমার কিছু জানার দরকার পড়লে নারী আলেমদের কাছে যাও বা তোমার মাহরাম পুরুষের মাধ্যমে কোনো আলেমের কাছ থেকে জেনে নাও।
বিপরীত লিঙ্গের কেউ মেসেজ করলে রিপ্লাই দেওয়া দূরের কথা, সিনও করবে না। সে যতো বড় আলেম, লেখক বা ফেইসবুক সেলিব্রেটিই হোক না কেন। ইসলামের ব্যাপারে বিপরীত লিঙ্গের কেউ কিছু জানতে চাইলেও একই কথা প্রযোজ্য।
দ্বীনি কোনো বিষয়ের উপর অনলাইন কোর্সে ভর্তি হলে অবশ্যই দেখে নিবে সেখানে নারী পুরুষের আলাদা ক্লাস হয় কি না। উস্তাদ বিবাহিত কি না। উস্তাদের স্বীকৃতি আছে কি না, অন্যান্য আলেম উলামারা তাকে চেনেন কি না। যদি না হয়- তাহলে ভর্তি হবার দরকার নেই। এসব কোর্সে ক্লাস করতে গিয়ে ‘হালাল প্রেম’, শুরু করা মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম না।
বাস্তবজীবনে চোখের হিফাযত করো, অনলাইনে ইসলাম নিয়ে লেখালেখি করো, আবার ইনবক্সে বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের সাথে দ্বীন চর্চা করো, কমেন্ট চালাচালি করো, পোস্টে লাভ রিয়্যাক্ট দাও- এটা একধরনের ভণ্ডামি। আত্মমর্যাদাশীল কোনো মানুষের পক্ষে এমন কিছু করা সম্ভব না। আল্লাহর অবাধ্য হয়েই বিপরীত লিঙ্গের সাথে যোগাযোগ শুরু করতে হয়। আর আল্লাহ অবাধ্যতা করে কীসের দাওয়াহ? আল্লাহকে ভয় করো।
পোস্টে লাভ রিয়্যাক্ট দিলে, কমেন্ট করলে বা ইনবক্সে দ্বীনি মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আলোচনা করলে, এমন আর কী হয়- এ ধরনের প্রশ্ন কেউ কেউ করে বসে। দেখো এগুলো ছোট ছোট আগুনের স্ফূলিঙ্গ। এগুলোই ধীরে ধীরে বিশাল এক আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
বারসিসার ঘটনা জানো?
বারসিসা ছিল খুব ইবাদাতগুজার লোক। যুদ্ধে যাবার আগে তিন ভাই তাদের একমাত্র বোনকে বারসিসার যিম্মায় রেখে যেতে চাইলো। প্রথমে না করলেও, ভাইদের পীড়াপীড়িতে অবশেষে বারসিসা রাজি হলো। ঠিক হলো বারসিসা থাকবে তার নিজের বাসায়। আর মেয়েটি থাকবে অন্য এক বাসায়। রোজ খাবার তৈরি করে মেয়েটির ঘরের দরজায় রেখে আসতো বারসিসা। কথা বলতো না।
কিছুদিন কেটে গেল এভাবে। কিন্তু আস্তে আস্তে বারসিসা শয়তানের ফাঁদে পা দিলো।
শয়তান তাকে বোঝালো- এভাবে খাবার দিয়ে চলে আসা তো অভদ্রতা, তাকে ডেকে খাবার দিয়ে আসো। বারসিসা তাই করতে শুরু করলো। তারপর শয়তান বললো, তার সাথে দুই-একটা কথা বলো, কথা বললে আর কী হবে? বারসিসা তাই করলো। তারপর শয়তান বললো- ঘরের মধ্যে বসে একটু কথা বললে আর কী হবে- মেয়েটা সারাদিন একা একা থাকে। বারসিসা শয়তানের কুমন্ত্রণায় সাড়া দিলো।
এভাবে একটু করলে কী হয়… থেকে শুরু করে এক পর্যায়ে বারসিসা সেই মেয়ের সাথে যিনা করলো। মেয়েটা গর্ভবতী হয়ে সন্তান জন্ম দিলো।
ততদিনে ভাইদের ফেরার সময় হয়ে গিয়েছে। বারসিসা প্রচণ্ড ভয় পেলো। শয়তান এবার বুদ্ধি দিলো- ভাইয়েরা যদি এসে এই অবস্থা দেখে, তাহলে তোমাকে কঠিন শাস্তি দেবে। তুমি বরং ঝামেলা মিটিয়ে ফেলো! শয়তানের পরামর্শে বারসিসা সেই মেয়ে ও তার সন্তানকে খুন করে কবর দিলো। ভাইয়েরা ফিরলে কান্নাকাটি করে বললো- তোমাদের বোন অসুখে মারা গেছে। ঐখানে কবর দিয়েছি। ভাইয়েরা কান্নাকাটি করে চলে গেল।
কিন্তু রাতে শয়তান গিয়ে স্বপ্নের মাধ্যমে তিন ভাইকে সত্যটা জানিয়ে দিলো। পরদিন তিন ভাই মিলে বারসিসার কাছে আসলো। মেয়েটির কবরে তার সন্তানের লাশও দেখতে পেলো। নিশ্চিত হলো, বারসিসাই তাদের বোনকে হত্যা করেছে। তারা বারসিসাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলো। তারা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন শয়তান এসে বারসিসাকে বললো, তুমি যদি আমাকে সিজদাহ করো তাহলে আমি তোমাকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করবো, বারসিসা তাই করলো। তারপর? তারপর শয়তান বারসিসাকে ত্যাগ করলো।
এভাবে, একটু কথা বললে কী হয়, একটু তাকালে কী হয়… এই একটু একটুর ফাঁদে পড়ে বারসিসা যিনা করলো, খুন করলো, শিরক করলো, তারপর তাকে সেই অবস্থায় মরতে হলো।
আমাদের সমাজেও এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে সদ্য দ্বীনে ফেরা বোনেরা দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা, আবেগের কারণে খুব সহজেই অনলাইনের ফাঁদে পড়ে যায়। ফেইসবুকে কেউ ইসলাম নিয়ে একটু ভালো লিখলেই, দাড়ি-টুপিওয়ালা কেউ সুন্দর করে দুটো কথা বললেই, নাশীদ গাইলেই, বই লিখলেই তাকে নিয়ে ফ্যান্টাসি শুরু হয়ে যায়। দ্বীন শেখা কিংবা দাওয়াহর ফাঁদে পড়ে দিল দিয়ে বসে থাকে। গোপনে বিয়ে করে। দ্বীনি মুখোশধারী ছেলেপেলে বিয়ে করে কয়দিন ভোগ করে ছেড়ে দেয়। ব্ল্যাকমেইল করে। মনে রেখো, শরীয়াহ দ্বীনি ভাই-দ্বীনি বোনদের জন্য আলাদা না। সেলিব্রেটিদের জন্য আলাদা না। আলিমদের জন্য আলাদা না। শরীয়াহর বিধান সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য।
অনলাইনের জগৎটা বাস্তব দুনিয়া থেকে পুরোই আলাদা। এখানে খুব সহজেই ভান ধরা যায়। অনলাইনে কাউকে ভালো ভাবার দরকার নাই। আবার খারাপ ভাবারও দরকার নেই। কিছুই মনে করার দরকার নেই। বাস্তবজীবনে ইন্টার্যাকশ্যান হয়নি, চেনো না এমন ভাই বা বোনদের খুব বেশি আপন ভাবার দরকার নেই। ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার দরকার নেই। ছবি শেয়ার বা ভিডিও কলে যাবার তো প্রশ্নই ওঠে না। যাকে একেবারেই চেনো না, তার সাথে জরুরি কথা ছাড়া কোনো কথাই বলবে না। পার্সোনাল কোনো তথ্য জানাবে না। | 1 815 |
| 9 | Нет текста... | 1 289 |
| 10 | ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটালের গবেষক ২১-২৮ বছর বয়সী কয়েকজন পুরুষকে সুন্দরী নারীদের ছবি দেখায়। দেখা গেল, ছবি দেখা মাত্রই তাদের ব্রেইনের রিওয়ার্ড সেন্টার (reward center) সক্রিয় হয়ে গেল। কোকেইনের মতো মাদকও ঠিক একইভাবে মস্তিষ্কের এই অংশকে সক্রিয় করে ক্ষণিকের ভালো লাগা তৈরি করে। আসক্তি তৈরি করে। অর্থাৎ মোটামুটি সুন্দরী নারীদের একবার দেখলে, বারবার দেখার জন্য পুরুষের ব্রেইনে আসক্তি তৈরি হয়।
আসলে সৃষ্টিগতভাবেই পুরুষ এমন যে আশপাশে কোনো নারী থাকলে অবচেতনভাবেই সেদিকে তার চোখ চলে যায়।
ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার সাইকিয়াট্রির ক্লিনিক্যাল প্রফেসর ড. লুঅ্যান ব্রিযেনডাইন বলেন — 'আশেপাশে মেয়ে থাকলে পুরুষের চোখ সেদিকে যায়। তাদের শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় সম্মোহিত ব্যক্তির মতো নজর আটকে যায়। আমি যদি বলতে পারতাম যে এই সম্মোহিত হওয়া থেকে পুরুষরা নিজেদের রক্ষা করতে পারে! কিন্তু না, বাস্তবতা হলো তাদের পক্ষে এটা করা সম্ভব না।'
মস্তিষ্কের যে অংশ যৌনতার অনুভূতি তৈরি করে তা নারীদের তুলনায় পুরুষের মস্তিষ্কে ২.৫ গুণ বড়।
এরকম অসংখ্য গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, নারী খোলামেলা পোশাক পরলে পুরুষেরা তাকে বেশি সেক্সি, বেশি আকর্ষণীয় মনে করছে। ধরে নিয়েছে — এর সাথে সহজেই প্রেম করা যাবে, বিয়ের বাইরেও যৌনতায় লিপ্ত হওয়া যাবে, যৌন হেনস্থা করা যাবে।
বিজ্ঞানমনস্ক, সুশীল প্রগতিশীলরা সবক্ষেত্রে বিজ্ঞানকে কষ্টিপাথর মানলেও নারী পুরুষের সাইকোলজি এবং হিউম্যান বায়োলজির এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের দেওয়া উপসংহারগুলো মানতে চায় না। 'মন পবিত্র' রেখে নারী-পুরুষ স্রেফ বন্ধু হয়ে থাকতে পারে — এমন অবাস্তব ও অবৈজ্ঞানিক সব দাবিও তারা জোরেশোরে প্রচার করে।
কিন্তু ইসলাম এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে এবং বাস্তবতা অনুযায়ী বিধান দেয়।
বই: আকাশের ওপারে আকাশ | 1 676 |
| 11 | "বিষ শরীরের যেরকম ক্ষতিসাধন করে, গুনাহ অন্তরের সেরূপ ক্ষতিসাধন করে"।
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
[শাইখ সাঈদ আল কাহতানী, নূরুল হুদা ওয়ায যুলুমাতুদ দ্বালাল, পৃ: ৩৭০] | 1 810 |
| 12 | ফটো কার্টেসী - হযবরল | 2 623 |
| 13 | Нет текста... | 2 337 |
| 14 | ❝আকাশের ওপারে আকাশ❞ বই পড়ার পর এক ভাইয়ের অনুভূতি 💙
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁকে ও আমাদেরকে কবুল করুন। | 2 833 |
