ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 дней
Архив постов
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত বুযুর্গানে দীন তাঁদের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন, তিনটি এমন সুন্নাত আছে, যেগুলোর উপর আমল করতে পারলে অন্তরে নূর পয়দা হয় এবং এর দ্বারা অন্য সকল সুন্নাতের উপর আমল করা সহজ হয়ে যায় এবং অন্তরে সুন্নাতের প্রতি আমল করার স্পৃহা জাগ্রত হয়। ১. সহীহ-শুদ্ধ করে আগে আগে সালাম করা ও সর্বত্র সালামের ব্যাপক প্রসার করা। (মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-৫৪/ তিরমিযী, হাদীস নং-২৬৯৯) বি.দ্র. اَلسَّلامُ (আস্‌-সালামু) এর শুরুর হামযা এবং মীমের পেশ স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে হবে। সালামের উত্তর শুনিয়ে দেয়া ওয়াজিব। (আলমগিরী, ৫ : ৩২৬) ২. প্রত্যেক ভাল কাজে ও ভাল স্থানে ডান দিককে প্রাধান্য দেয়া। যথা : মসজিদে ও ঘরে প্রবেশকালে ডান পা আগে রাখা। পোশাক পরিধানের সময় ডান হাত ও ডান পা আগে প্রবেশ করানো এবং প্রত্যেক নিম্নমানের কাজে এবং নিম্নমানের স্থানে বাম দিককে প্রাধান্য দেয়া। যথা : মসজিদ বা ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বাম পা আগে রাখা, বাম হাতে নাক পরিষ্কার করা, পোশাক থেকে বাম হাত বা বাম পা আগে বের করা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং-১৬৮/ মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৫০৪৩) মুস্তাদরাক, হাদীস নং-৭৯১/ মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-২০৯৭) ৩. বেশি বেশি আল্লাহ তা‘আলার যিকির করা। (সূরায়ে আহযাব, ৪১/ মুস্তাদরাক, হাদীস নং-১৮৩৯)। তাছাড়া ক. উপরে ওঠার সময় আল্লাহু আকবার, নীচে নামার সময় সুবহানাল্লাহ, সমতল ভূমিতে চলার সময় লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্‌ পড়তে থাকা। (বুখারী শরীফ, হাদীস নং-২৯৯৩/ তিরমিযী, হাদীস নং-৩৩৮৩) খ. প্রতিদিন কুরআনে কারীম থেকে কিছু পরিমাণ তিলাওয়াত করা বা অন্যের তিলাওয়াত শ্রবণ করা। (মুসলিম, হাদীস নং-৭৯১/ বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৫০৩৩) গ. পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর সুন্নাত থাকলে সুন্নাতের পরে নতুবা ফরযের পরে তিনবার ইস্তিগফার, একবার আয়াতুল কুরসী, একবার সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস এবং তাসবীহে ফাতেমী অর্থাৎ ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ্‌, ৩৩ বার আল-হামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়া। (মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-৫৯১/ ইমাম নাসায়ীর সুনানে কুবরা, হাদীস নং-৯৮৪৮/ তাবারানী কাবীর, হাদীস নং-৭৫৩২/ নাসায়ী শরীফ, হাদীস নং-১৩৩৬/ আবু দাউদ, হাদীস নং-১৫২৩/ মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-৫৯৬) ঘ. সকাল-বিকাল তিন তাসবীহ আদায় করা অর্থাৎ ১০০ বার কালিমায়ে সুওম-সুবহানাল্লাহি ওয়াল্‌ হামদুলিল্লাহি ওয়া লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ১০০ বার ইস্তিগফার ও ১০০ বার কোন সহীহ দরূদ শরীফ পড়া। (মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-২৬৯২, ২৬৯৫/ মুসলিম, হাদীস নং-২৭০২/ ইতহাফ, ৫ : ২৭৫) ঙ. প্রত্যেক কাজে মাসনূন দু‘আ পড়া। (মুসলিম, হাদীস নং-৩৭৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-৩৩৮৪) নবীজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ খলিফায়ে হযরতওয়ালা হরদুঈ রহঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

রোগ সংক্রমণ বিষয়ে আক্বীদা জনসমাজে ছোঁয়াচে রোগ বা সংক্রামক ব্যাধি সম্বন্ধে যে ধারণা রয়েছে, সে সম্পর্কে ইসলামের আক্বীদা হল, কোন রোগের মধ্যে সংক্রমণের নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই। তাই দেখা যায়, তথাকথিত সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের কাছে যাওয়ার পরও অনেকে আক্রান্ত হয় না, তাছাড়া ডাক্তাররা তাদের সেবায় নিয়োজিত থেকেও তাদের অনেকের রোগ হয় না। আবার অনেকে না যেয়েও আক্রান্ত হয়ে যায়। এ বিষয়ে সহীহ আক্বীদা হল, রোগের মাঝে সংক্রমণ বা অন্যের মাঝে বিস্তৃত হওয়ার নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই। কেউ অনুরূপ রোগীর সংস্পর্শে গেলে যদি তার আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহর ফায়সালা হয়, সে ক্ষেত্রেই কেবল সে আল্লাহর হুকুমে আক্রান্ত হবে, অন্যথায় নয়। কিংবা এরূপ আক্বীদা রাখতে হবে, এসব রোগের মাঝে স্বাভাবিকভাবে আল্লাহ তা‘আলা সংক্রমণের এই নিয়ম রেখে দিয়েছেন। তবে আল্লাহর ইচ্ছা হলে সংক্রমণ নাও ঘটতে পারে। অর্থাৎ সংক্রমণের এই ক্ষমতা রোগের নিজস্ব ক্ষমতা নয়, এর পশ্চাতে আল্লাহর দেয়া ক্ষমতা এবং তার ইচ্ছার দখল থাকে। তবে ইসলাম প্রচলিত এসব সংক্রামক রোগে আক্রান্ত লোকদের নিকট যেতে নিষেধ করেছে বিশেষভাবে কুষ্ঠ রোগীর নিকট, এ কারণে যে, উক্ত রোগীর নিকটে গেলে আর তার আক্রান্ত হওয়ার খোদায়ী ফায়সালা হওয়ার কারণে সে আক্রান্ত হলে তার ধারণা হতে পারে যে, উক্ত রোগীর সংস্পর্শে যাওয়ার কারণেই সে আক্রান্ত হয়েছে, এভাবে তার আক্বীদা নষ্ট হয়ে যেতে পারে, তা যেন হতে না পারে, এজন্যই ইসলাম এরূপ বিধান দিয়েছে। তবে কেউ মজবুত আকীদার অধিকারী হলে, সে অনুরূপ রোগীর নিকট যেতে পারে। এমনিভাবে সংক্রামক রোগে আক্রান্ত লোককেও সুস্থ এলাকার লোকদের নিকট যেতে নিষেধ করেছে। যাতে তা অন্য কারো আক্বীদা নষ্টের কারণ না ঘটে। এসো ইমান শিখি হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ! উলামায়ে কেরামের তত্বাবধানেই আগামী ১৪,১৫,১৬ তারিখ ২০১৯ ( বৃহষ্পতিবার,শুক্রবার, শনিবার) #বিশ্ব_ইজতেমা শুরু হবে।শনিবার আখেরি মোনাজাতে হবে ইনশাআল্লাহ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার জুমা'সহ রোববার ফজর পর্যন্ত উলামায়ে কেরামের তত্তাবধানে তাবলিগের বিশ্ব ইজতিমা ইনশাআল্লাহ। উলামায়ে কেরামের ইজতিমার মূল বয়ান ১৪ ফেব্রুয়ারি'১৯ বৃহষ্পতিবার ফজরের নামাজের পর থেকেই শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।তাই আম সাথীগণ সেভাবেই প্রস্তুতি নিই।বুধবারের ইজতেমা ময়দানে উপস্থিত থাকার জন্য তৈরি থাকি। সাথীগণ খুরুজের জন্য মেহনত করতে থাকি। দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম ,বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তাবলিগের সাথী,জিম্মাদার ভাই এবং মাদ্রাসার উস্তাদ, ছাত্র সবাই অংশগ্রহণ করবে ইনশাআল্লাহ। ইনশাআল্লাহ হক্কানি উলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে আখেরি মুনাজাত হবে ১৬ফেব্রুয়ারি'১৯ শনিবার । বিঃদ্রঃ বিতর্কিত সাদ সাব আসবেন না ইজতেমায়। ১৭,১৮ তারিখ টঙ্গী মাঠে সাফাই জামায়াত (টয়লেট ও মাঠের আবর্জনা পরিষ্কার করার জামায়াত কাজ করবে। সাদপন্থি ভ্রান্ত মতবাদে যেন কোনো সাধারণ মানুষকে ধোঁকা না খায় সে দিকে খেয়াল রাখি। সবাই বেশি নফল নামাজ, রোজা, কুরআন তেলাওয়াত, জিকির,দু'আ, দান-সদকা করি। আল্লাহ যেন বিশ্ব ইজতেমা ভরপুর কামেয়াবি দান করেন এবং বাতিলের সকল ষড়যন্ত্র থেকে পবিত্র মেহনতকে হেফাজত করেন। (সবাই কপি করে /শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিই।আগামী শুক্রবার প্রত্যেক জুম'আর বয়ানে মসজিদের ইমাম /খতিব সাহেবগণ ইজতেমার তারিখ এলান করার জন্য কথা স্মরণ করিয়ে দিই।) আল্লাহ তায়া'লা আমাদেরকে হকের ওপর অটল রাখুন।বাতিলকে বাতিল হিসেবে চেনার এবং তা থেকে দূরে থাকার তৌফিক দিন। সাদপন্থীদের ধোঁকা থেকে হেফাজত করুন। হক্কানী উলামায়ে কেরামের পরামর্শে দ্বীনী সকল কাজ করার তৌফিক দান করুন। আমিন collected http://t.me/dinimazlis

মসজিদের ওযুখানা থেকে পানি নিয়ে ব্যবসা করা সম্পর্কে- http://t.me/dinimazlis

ক্বুরআন শরীফের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব অধম (হযরতওয়ালা করাচী রহঃ) মসজিদের কার্পেটে ঐসব কাগজ যেগুলোতে দ্বীনী ঊলুম লিপিবদ্ধ করছিলাম রাখার পরিপ্রেক্ষিতে হযরতওয়ালা মুহিউস সুন্নাহ রহঃ বলেন, "এমনটি করা উচিত নয়। যেখানে মানুষ পা অথবা নিতম্ব রাখে সেখানে রুমাল ইত্যাদি ব্যাতিত সরাসরি দ্বীনী কিতাব রাখা ঠিক নয়। অনেকে মসজিদের মিম্বরে ক্বুরআন শরীফ অথবা অন্য কোন দ্বীনী বইপত্র রেখে দেন অথচ সেখানে মানুষ পা রাখে! এটা বেয়াদবী। কোন রুমাল বিছিয়ে তার উপর রাখবে। " সংকলকের (হযরতওয়ালা করাচী রহঃ) বক্তব্য অনেকে ক্বুরআন শরীফের উপর চশমা-কলম বা টুপি রেখে দেয়। (যেখানে) কোন দ্বীনী কিতাবের উপর এগুলো রাখাই বেয়াদবী! সেখানে ক্বুরআনে কারীম যা আহকামুল হাকিমীনের কালাম তার উপর কিছু রাখার ব্যাপারে বলাই বাহুল্য। এমনিভাবে ক্বুরআনে পাকের উপর হাদীছ শরীফের কোন কিতাব রাখবে না। আর ফিক্বহের কিতাবও হাদীছের (কিতাবের) উপর রাখবে না এবং তাসাওউফের কিতাবও ফিক্বহি কিতাবের উপর রাখবে না। এমনিভাবে যে কাগজে কোন ফিক্বহি মাসআলা লিখা আছে ঐ কাগজে তাসাওউফের কোন মাসআলা সম্পর্কে প্রশ্ন করবে না। একটি উর্দু শেরের বাংলা তরজমাঃ "হে আল্লাহ্‌! আমরা আপনার নিকট তাওফিক ও আদব কামনা করি, কেননা বেআদব আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হয়। " বিঃদ্রঃ উর্দু শেরটি মূল কিতাবে আছে। সেখান থেকে দেখে নেওয়া যাবে। মাজালিসে আবরার থেকে মালফূয নং ১৫ ৬৫ পৃষ্ঠা http://t.me/pathofisla

কাপড় পরিধান করার সময় পড়বে الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِى كَسَانِى هَذَا الثَّوْبَ وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّى وَلاَ قُوَّةٍ. অর্থঃ আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও শোকর আদায় করছি যে, তিনি আমার কোনই শক্তি-সামর্থ্য না থাকা সত্ত্বেও আমাকে এ কাপড়ের ব্যবস্থা করেছেন ও পরিধান করিয়েছেন। (আবু দাউদ হাদীস নং-৪০২৩/,৪০২৫/ আল আযকার হাদীস নং-৩৪ মুসতাদরাকে হাকেম হাদীস নং-৭৫৬৮) কিতাবুস সুন্নাহ মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

আজকে আমি ওযূর আগে মিসওয়াক করেছি তো? http://t.me/pathofisla

আমাদের এই চ্যানেলে রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম শাইখুল আরব ওয়াল আজম আরেফবিল্লাহ্ হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর সুযোগ্য খলিফা গুমনাম বুজুর্গ আরেফবিল্লাহ্ মুহিউস সুন্নাহ্ শাইখুল হাদীছ আলহাজ্ব হাফেয হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব মানিকগঞ্জ এর মূল্যবান বয়ান এবং মালফূয আপলোড দেওয়া হয়। নিয়মিত পোস্ট পেতে নিচের লিঙ্কে জয়েন দিন⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️ t.me/khanqaSN

ছোটদের তরবিয়ত সম্পর্কে - http://t.me/alokitojibon

তারবিয়াতুস সালিক থেকে ৩য় খন্ড, ৩১৫ পৃষ্ঠা হযরতওয়ালা থানভী রহঃ কে এক সালেক লিখিতভাবে নিজের নিম্নলিখিত হালাত ( অবস্থা) জানায়। হালঃ এই অধম বান্দা এমনিতেই গুণাহগার পাপী এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু ইজ্জত-সম্মান ও পদ-পদবীর লিপ্সা আমাকে একেবারে বরবাদ করে দিল। আল্লাহ্‌র দরবারে সবসময় এগুলো প্রতিরোধের তাওফিক কামনা করি। কিন্তু কোনই উপকার পাচ্ছি না। এ কারণেই হুযূরের কাছে দু'আর প্রার্থনা জানাচ্ছি। হযরতওয়ালা থানভী রহঃ সেই সালেকের (মুরীদের) উপরোক্ত হালাতের নিম্নোক্ত বিশ্লেষণ করেন। বিশ্লেষণঃ নিজের পক্ষ থেকে দোষণীয় বা গুণাহের খেয়ালগুলো প্রতিরোধ করতে থাকুন। যেগুলো অনিচ্ছাকৃত হয়ে যাবে সেগুলোর ব্যাপারে কোনো পাকড়াও নেই। কোনো জবাবদিহিতা নেই। নিশ্চিন্ত থাকুন। প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে খুব বেশি জোরালো চেষ্টার প্রয়োজন নেই। তাতে কলব বেকার ও দূর্বল হয়ে পড়বে। 'নিশ্চয় তোমার উপর হক রয়েছে তোমার দেহের।' এই হাদিসের কথা মনে রাখবেন। http://t.me/pathofisla

অগোছালো অবস্থায় আমল শুরু হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ বলেন, নেক আমল করার ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই এই চিন্তা করি, যে আমাদের জীবন চলার পথে যে টুকিটাকি ঝামেলার কাজ থাকে তা গুছিয়ে নিয়ে তারপর শুরু করবো, কিন্তু এমন করা ঠিক না। হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি অগোছালো অবস্থায় আমল চালু করে দেয়, আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন তার সমস্ত কাজকে গুছিয়ে দেন। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi https://t.me/pathofisla

📢📢একটি বিশেষ ঘোষণা📢📢📢 গত ২৬ জানুয়ারী আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ শামসুজ্জামান ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব টাঙ্গাইলের ইছলাহী বয়ান আপলোড দেওয়া হয়েছিল। ওই পোস্টেরই শেষের দিকে বলা হয়েছিল যে, অতি শীঘ্রই হযরত মুফতী নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব খুলনার ইছলাহী বয়ান আপলোড দেওয়া হবে। অনাকাঙ্খিত কারণবশত হযরতের বয়ান আপলোড দিতে দেরী হচ্ছে।এইজন্য আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। হযরতের বয়ান যতো দ্রুত সম্ভব আপলোড দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের এই ত্রুটির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। https://t.me/pathofisla

মসজিদের কার্পেট সম্পর্কে দু'টি কথা- http://t.me/dinimazlis

সহীহ জ্ঞান অর্জন করা ফরয মাজালিসে আবরার থেকে সংকলকঃ আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ মালফূয নং ১৬২ হযরতওয়ালা মুহিউস সুন্নাহ মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ বলেন, মুযাফফর নগরের ঘটনাঃ জনৈক বৃদ্ধ যোহরের ৪ রাকাআত সুন্নাত ৫০ বৎসর ধরে ঠিক ফরয নামাযের মত করে পড়ে আসছিলেন। অর্থাৎ দু'রাকাআত সূরা সহ আর দু'রাকাআত সূরা ব্যতীত শুধু সূরা ফাতিহা। একদিন কোন আলিম থেকে ওয়াযের মধ্যে শুনেছেন যে, ৪ রাকাআত বিশিষ্ট সুন্নাতের (সুন্নাত নামাযের) প্রত্যেক রাকাআতে সূরা ফাতিহার সাথে সূরা মিলাতে হবে। তখন তিনি আরয করেন যে, আমি তো ৫০ বৎসর ধরে দু'রাকাআত সূরা সহ এবং দু'রাকাআত সূরা ব্যতীত আদায় করে আসছি! মাওলানা বললেন, আপনার এ সুন্নাত নামায আদায় হয়নি। বৃদ্ধ মাথায় হাত রেখে কাঁদতে লাগলেন। আর বলতে লাগলেন, হায়! ৫০ বৎসরের সুন্নাত বৃথা গেল!! সহীহ জ্ঞান না থাকলে এমন মুসীবতই হয়। মেহনতও করা হয়, সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হতে হয়। সহীহ জ্ঞান অর্জন কতা যে কত জরুরী তা উল্লেখিত ঘটনা থেকে সহজেই অনুমেয়। কিয়ামতের দিন অজ্ঞতা কোন ওযর হবে না বরং সহীহ জ্ঞান হাসিল করাও ফরয। http://t.me/pathofisla

ইমাম সাহেবের মুক্তি চাই- দিনাজপুরের বিরামপুরে মাদরাসা পড়ুয়া ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রীর বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে হাফেজ মোশারফ হোসেন নামের এক মসজিদের ইমামকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নারী ম্যাজিস্ট্রেট।... ১৬ বছর বয়সী হাজার হাজার মেয়ে ধর্ষিত হচ্ছে, লাখ লাখ মেয়ে প্রেম - প্রণয়ে জড়িয়ে কৌমার্য হারাচ্ছে। কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু বিয়ে দেওয়া আর বিয়ে পড়ানোর কারণে বড় 'পাপ' হয়ে গেছে! নারী ম্যাজিস্ট্রেটের 'ইজ্জতে' লেগে গেছে! সেঞ্চুরি মানিকেরা এখানে সাজা পাবে না। তার বান্ধবীরা বিয়ে পড়ানো ইমামদেরই সাজা দেবে! এটাই নিয়ম। মুহতারাম শরিফ‌ মুহাম্মাদ http://t.me/dinimazlis

এ বদ অভ্যাসটি সম্পর্কে সচেতন হতে চেষ্টা করি- জামানা, সময় ও কালকে গালি দেয়া নাজায়েয। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু-আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেন- মহান মর্যাদাশীল আল্লাহ বলেছেন, “আদম সন্তান কালকে গালি দিয়ে আমাকে কষ্ট দেয়, অথচ আমিই কাল, কর্তৃত্ব আমারই হাতে, আমিই রাত-দিনের পরিবর্তন করি।” সহীহ-বুখারী,আহমদ, আবূ দাউদ। আল্লাহ্-তা'আলা আমাদের জবানকে হেফাজত করার তৌফিক দান করুন।আমীন http://t.me/dinimazlis