এসো সংশোধনের পথে
Открыть в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Больше801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 день
Архив постов
💬💬ভেবে দেখা দরকার💬💬💬
যে ব্যক্তি নিজের ফটো এবং ভিডিওর এজাযত দেন না, তার ভিডিও যদি নযরে আসে তাহলে বুঝতে হবে, নিঃসন্দেহে এটা তার অজান্তে সংগ্রহ করা হয়েছে। ইনসাফের সাথে ভেবে দেখা দরকার যে,এটাও একপ্রকারের চুরি কি না!
-মাওলানা আবদুল মালেক দা: বা:
https://www.alkawsar.com/bn/article/1756/
http://t.me/pathofisla
পঞ্চগড়ে কাদিয়ানী সম্মেলন বন্ধের জোর দাবি
নয়া দিগন্ত অনলাইন ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৫:০৩
পঞ্চগড়ে কাদিয়ানী সম্মেলন বন্ধের জোর দাবি - ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশ-এর সভাপতি ও দারুল উলূম হাটহাজারী মাদরাসার মহা-পরিচালক আল্লামা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া (দা.বা.) পঞ্চগড়ের আহমদ নগরে কাদিয়ানিদের ৩ দিনব্যাপী সম্মেলন বন্ধ করতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।
আজ ১৫ ফেব্রুয়ারী এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, খতমে নবুওয়াত অস্বীকারকারী কাদিয়ানীরা সু্স্পষ্টভাবে অমুসলিম তথা কাফের। ইসলামবিদ্বেষী আন্তর্জাতিক অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নে তারা মুসলিম নাম ও পরিভাষা ব্যবহার করে সাধারণ মুসলমানদেরকে ঈমানহারা করার মিশন চালাচ্ছে। তাদের প্রতারণাপূর্ণ কার্যক্রমের কারণে দেশের কোটি কোটি তাওহিদী জনতা চরম বিক্ষুব্ধ ও প্রতিবাদমুখর। কাদিয়ানীরা শুধু ইসলামের দুশমন নয়, তারা বেআইনী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শান্তি এবং স্থিতিশীলতায় বিঘ্ন ঘটিয়ে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্যও চরম হুমকি তৈরি করছে।
আল্লামা ইয়াহইয়া (দা.বা.) আরো বলেন, আমরা জানতে পেরেছি পঞ্চগড়ের আহমদ নগরে আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারী তিনদিন ব্যাপী সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্যে কাদিয়ানীরা প্রস্তুতি গ্রহণ ও প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে দেশের আলেম সমাজ ও রাসূলপ্রেমি তাওহিদী জনতা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই সম্মেলন চলতে দিলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশংকা আছে। তাই সরকারের প্রতি পঞ্চগড়ে কাদিয়ানীদের সম্মেলন বন্ধ করতে আমরা জোর দাবী জানাচ্ছি।
তাছাড়া বাংলাদেশে কাদিয়ানীদের সকল কার্যক্রম বন্ধ এবং জাতীয় সংসদে আইন পাস করে তাদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, প্রতিটি মুসলমানের জন্য খতমে নবুওয়াতের উপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন ঈমানের অপরিহার্য অঙ্গ। কিন্তু গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর অনুসারী কথিত আহমদিয়ারা খতমে নবুওয়াতে বিশ্বাস করে না। সুতরাং তারা কোনভাবেই মুসলমানদের কোনো পরিভাষা, যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা, মিম্বার, আযান, সালাত, রোযা, ঈদ, কুরবানী ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার করতে পারবে না। তারা অমুসলিম পরিচয় নিয়ে অন্যান্য সংখ্যালঘু নাগরিকদের মতো এদেশে বসবাস করলে তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই।
আল্লামা ইয়াহইয়া (দা.বা.) বলেন, বায়তুল্লাহ আল্লাহর ঘর- কেউ অস্বীকার করলে সে যেমন কাফের। কুরআন আল্লাহর কিতাব- কেউ অস্বীকার করলে সে যেমন কাফের, ঠিক তেমনিভাবে খতমে নবুওয়তকে যদি কেউ অস্বীকার করে, তাহলে সেও ঈমানহীন অর্থাৎ কাফের।
তিনি বলেন, এদেশের মুসলমানদের ঈমান আক্বিদা হেফাজতের জন্য, তাদের প্রতারণা ও ধোঁকায় পড়ে ঈমানহারা হওয়ার হাত থেকে সাধারণ মুসলমানকে বাঁচানোর জন্য পঞ্চগড়ের আহমদ নগরে কাদিয়ানীরা যে সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে তা বন্ধ করতে সরকারের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি। এই ধরনের আয়োজন বন্ধ না করলে ইসলাম প্রিয়, নবী প্রেমিক তৌহিদি জনতা ফুঁসে উঠবে।
ইতিপূর্বে সরকার যেভাবে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাদের এ জাতীয় সম্মেলন বন্ধ করেছিলো, এবারোও তাদের সম্মেলন বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে তাদের ধোঁকা ও বিভ্রান্তি থেকে বাঁচানোর জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হওয়া থেকে রক্ষা করতে তাদের সম্মেলন বন্ধ করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে এবং এর ফলে দেশে উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয় তখন এর দায়ভার সরকারকে বহন করতে হবে।
সূত্রঃ নয়া দিগন্ত অনলাইন
বিদ‘আতী যিন্দেগী
হযরতওয়ালা বলেন, মানুষ যখন আল্লাহওয়ালাদের সুহবাতে না যায়, উলামাদের সুহবাতে না যায়, শয়তান তখন ভুল আমল আর বিদ‘আতকে নেক আমলের সুরতে সুসজ্জিত করে তাদেরকে ঐ কাজে লাগায়। সুহবাতের অভাবে ইলমের অভাব হয়, আর ইলমের অভাবে বিদ‘আতী যিন্দেগীতে তার হায়াত শেষ হয়। অথচ তার এবং তার ধ্যান-ধারনার লোকেরা মনে করে সে আমলদার ছিলো।
শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
ভূমদক্ষিণ মুতাহার আলী ইসলামীয়া মাদরাসা, জয়মন্টপ, সিংগাইর, মানিকগঞ্জ- এর ইফতেতাহী (সবক উদ্বোধনী) মজলিসে মাদরাসা পরিচালনার কর্তৃপক্ষকে লক্ষ্য করে (০৭/০৭/১৮ ঈসায়ীতে) হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ কিছু নসীহত করেন। বয়ানটি অস্পষ্ট বিধায় মাঝখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশটুকু লিখিত আকারে পেশ করা হলো।
হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ বলেন, এক জায়গাতে একটি বড় মাদরাসা ছিল। সেখানে আল্লাহ্র এক বান্দা বড় ধনী মানুষ, এই বাচ্চাদের খাবারের ব্যবস্থা করতেন, মেহমানদারী করতেন। যতো তালেবে ইলম ছিল যাদের লজিং বা অন্য কোন ব্যবস্থা নেই উনি সেসব বাচ্চাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করতেন।বেশ সংখ্যক লোকজন রাখতেন বাড়িতে খানার এন্তেজামের জন্য। খানা পাকিয়ে নিজে মাথায় করে নিয়ে আসতেন। অত্যন্ত মুহাব্বতের সাথে বাচ্চাদেরকে খাওয়াতেন।
তো একদিন কোন কারণে খানা নিয়ে সঠিক সময়ে আসতে পারেননি। উনি যখন খানা মাথায় করে নিয়ে আসছিলেন তখন এক ছেলে অপর ছেলেদেরকে (দুষ্টুমির ছলে/বাচ্চা সুলভ আচরণে) বলছিল, দেখেছিস এই গাধাটা মাথায় করে কেবল খানা আনতেছে! এই কথা ঐ লোকের কানে পৌছলে তার মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো যে, এতো মেহনত করি, এতো কষ্ট করি (তবুও) আমাকে গাধা বলে! যাহ! কালকে থেকে আর এদেরকে খানা খাওয়াবো না।
এই লোকটা ঐ কথা শোনার পর মনটা খারাপ করেলো। সে যে মন খারাপ করলো এটাই লক্ষণ যে, তার ভিতরে (পরিপূর্ণ) এখলাস নাই। আমরা মেজবানরা (মাদরাসার পরিচালনার কর্তৃপক্ষ) যদি কোন কারণে তালেবে ইলমদের আচরণে দুঃখিত হই, মন খারাপ করি এই ভেবে যে, তালেবে ইলমরা এরকম, উস্তাযরা এরকম তাহলে বুঝা গেলো আমার মধ্যে (পরিপূর্ণ) এখলাস নাই। আমি আল্লাহ্র কালামকে (পরিপূর্ণভাবে) ভালোবাসি না, আল্লাহ্র কালামের কেন্দ্রকে (পরিপূর্ণভাবে) ভালোবাসি না। আমি আমার মনে যা চায় তাই করি।ব্যক্তিগত পদ-মর্যাদাকে সম্মান দেই। এটার আকাঙ্খী বলেই আমি এখানে আসছি। তাহলে সে খারাপ বললে আমি খারাপ মনে করবো কেনো? আমি যদি আল্লাহ্র জন্য করে থাকি সে গাধা বলুক আর কুত্তা বলুক আমি তো আল্লাহ্র কাছে বিনিময় চাই। আমি তো ওদের কাছে বিনিময় চাই না। কাজেই কেউ কিছু বললে আমার কি আসে যায়? আমার তো বুঝ হওয়া দরকার ছিল এটা।
তো বেচারা এই ঘটনায় খুব মন খারাপ করে খানা বন্ধ করে দিল। আল্লাহ্র ইচ্ছা, আল্লাহ্র শান! আল্লাহ্ তাকে হেফাযত করবেন। রাতের বেলা সে ঘুমিয়ে পড়েছিল আর ছোট বাচ্চারা তো ঐ দিকে না খেয়ে আছে! তখন সে স্বপ্ন দেখলো, হাশরের ময়দান কায়েম হয়ে গেছে। সব তালেবে ইলমরা পুলসিরাতের পুল পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু সে পার হতে পারছে না। তখন এক তালেবে ইলম বলছে, সবাই আমরা পার হয়ে যাচ্ছি তাহলে ঐ গাধাকে কে নিয়ে যাবে? আয়! আমরা সবাই ঐ গাধাকে নিয়ে যাই। এই কথা বলে তারা তাকে টেনে পুলসিরাত পার করে নিয়ে চলে গেলো।
ঘুম থেকে উঠে সে বড় পেরেশান হয়ে গেলো। কান্নাকাটি করে বলতে লাগলো, হায়! আমি কি জঘন্য অপরাধ করলাম, কেন আমি খানা বন্ধ করলাম! তারপর সে গিয়ে হুজুরদের কাছে মাফ চাইল এবং পুণরায় খানা জারি করে দিল।
আল্লাহ্ তা'আলা এই সমস্ত তালেবে ইলমদের উসিলায় আমার নাজাতের ফয়সালা করবেন।কাজেই এদের থেকে কোন খারাপ আচরণ পেলে বা আমার মনমত আচরণ না পেলে আমি মন খারাপ না করি। আমি আল্লাহ্র জন্য করছি। আল্লাহ্ সন্তুষ্ট হলেই তো হলো! আমি এদের থেকে কিছুই আশা করি না। খেদমত করতে হবে এরকম এখলাস নিয়ে।
http://t.me/khanqaSN
মসজিদে মদ-জুয়ার বিরুদ্ধে কথা বলায় ইমামকে পেটালো কমিটির নেতারা
এ এম ওমর আলী, চকরিয়া-উপকূল (কক্সবাজার) ০৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০৫, আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:১৯
পিটুনির শিকার মাওলানা আবদুল কাইয়ুম
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকায় ছনখোলারজুম জামে মসজিদে আরবী খুৎবা-পূর্ব বাংলা আলোচনাকালে মদ ও জুয়া বিরোধী কথা বলায় ওই মসজিদের ইমামকে প্রকাশ্যে পিটিয়েছে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা।
শুক্রবার ওই মসজিদের উঠানে পবিত্র জুমার নামাজ শেষে বেলা আড়াইটায় এ ঘটনা ঘটে। পিটুনির শিকার ইমামের নাম মাওলানা আবদুল কাইয়ুম (২৫)।
ভুক্তভোগী ইমাম আবদুল কাইয়ুম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার পবিত্র জুমায় আরবী খুৎবার আগে বাংলায় আলোচনাকালে মদ ও জুয়া বিরোধী বক্তব্য প্রদান করি। একইভাবে বেনামাজীদের বিষয়ও আলোচনায় আসে। কিন্তু এসব বক্তব্য মসজিদ কমিটির কয়েকজন নেতার গায়ে লাগে। পরে জানতে পারি কমিটির ওই লোকজন আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন।
আবদুল কাইয়ুম আরো জানান, নামাজ শেষ করে মসজিদ থেকে বের হলে অতর্কিতভাবে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও একই এলাকার মৃত হাবিব উল্লাহর ছেলে আব্দু ছালাম, মৃত শফিকুর রহমানের ছেলে ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ আব্দু ছালামসহ মৃত রশিদ আহমদের ছেলে জামাল হোসেন আমাকে বেদম প্রহার শুরু করেন। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন এসে তাদের নিবৃত্ত করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো: হাসান জানান, নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ পেছনে শোরগোল শুনে ফিরে দেখি মসজিদ কমিটির দু’তিন জন লোক লাঠি-শোটা দিয়ে ইমাম আবদুল কাইয়ুমকে পেটাচ্ছে। এমনকি জুতা দিয়েও পেঠানো হচ্ছে তাকে। আমরা লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করি। পরে জানতে পারি মসজিদে মদ ও জুয়া নিয়ে কথা বলায় তাকে পেটানো হয়েছে।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সূত্রঃ দৈনিক নয়া দিগন্ত
🎤 মৃত্য ব্যক্তির ছবি সংরক্ষণ করা মুর্দার কবরে আযাব পাওয়ার কারণ। স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীর অথবা স্ত্রীর জন্য মৃত স্বামীর ছবি দেখা নাজায়েজ।
কোন মহিলার জন্য তার মৃত স্বামীর ছবি দেখা জায়েজ নেই। কারণ মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের বিবাহ ভেঙে যায় ফলে অপরিচিত পুরুষকে দেখা যেমন গুনাহ তেমনি মৃত স্বামীকে দেখাও তেমন গুনাহ। শরীয়ত এতটুকু ছাড় দিয়েছে যে মৃত্যুর সাথে সাথে দেখল এটা জায়েজ কিন্তু ছবি রেখে মাঝে মাঝে দেখে তাকে স্মরণ করবে এটা জায়েজ নেই।
অনুরূপ স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীর ছবি দেখাও জায়েজ নেই।
বহুত জরুরি মাসআলা।
──────⊱◈◈◈⊰──────
মুফতী মনসূরুল হক দাঃবাঃ
──────⊱◈◈◈⊰──────
t.me/muftimansoor
31.12.2021 After Juma, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর জুমআর পর
ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার বিষয় আজিমুশশান নসিহত।
মাওলানা রিজওয়ান আশরাফ সাহেব উর্দূ কিতাব থেকে গুরুত্বপূর্ণ মালফুয পড়ার পর এ নসিহত পেশ করেন।
অভিনব স্কুলের অভিনব ছাত্র-শিক্ষক
টিচার: বিবি সাহেবা
স্টুডেন্ট: স্বামী সাহেব
বিঃদ্রঃ এমনটা আমরা যেন না হই!
স্থিরতা লাভ না হওয়া গুণাহ নয়, শুধু কষ্ট, যা সওয়াবের কারণ
এক ব্যক্তি হযরতের কাছে পত্র লেখেন যে, কেউ যদি কোনোভাবে আমাকে কষ্ট দেয় বা আমার ক্ষতি করে তাহলে তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ না করা পর্যন্ত শান্তি পাই না। এর চিকিৎসা কী?
উত্তরে হযরত থানভী রহ. বলেন, শান্তি না পাওয়া গুণাহ নয়, শুধু কষ্টের কারণ। তাই এটা শান্তি না পাওয়া হলো না বরং উপকারী হলো। তাছাড়া এই কষ্ট পাওয়ার চিকিৎসা কী, এটা বলে দেওয়া দ্বীনের শিক্ষকের দায়িত্ব নয়। তবুও দয়া করে আমি লিখে দিচ্ছি। তাহলো, কিছুদিন সহ্য করতে থাকলে এটা অভ্যাসে পরিণত হবে। তখন আর এতো বেশী কষ্ট হবে না।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৩৯৪
পৃষ্ঠা ১৭৯
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
২৫/১২/২১ ঈ.
http://t.me/pathofisla
প্রাণীর ভিডিও থেকে নিজেকে বাঁচানো চাই।
বাদ মাগরিব, কচুয়া মসজিদ কান্দানিয়া ফুলবাড়িয়া ময়মনসিংহ
https://t.me/alokitojibon
রবিউল আকরাম
পোষ্ট নং ২১৮৫ ছবি
সৌদি আরবে তাবলীগ জামাতকে হারাম ঘোষণার নেপথ্যে।
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
https://t.me/MuftiMasudKasemi
কারামতের চেয়ে 'ইস্তিকামাত' শ্রেষ্ঠ
হযরত থানভী রহ. বলেন, 'মা'মুলাত' (معمولات) অব্যাহত থাকা এমন এক উঁচু অবস্থা, যার বর্তমানে অন্য কোনো নতুন বিষয় না থাকা ক্ষতিকর নয়। কারণ, আমল অব্যাহত থাকাকে 'ইস্তিকামাত' (استقامت) বলা হয়, যা আকাবিরদের ভাষ্যমতে 'কারামতে'র চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬৬৩
পৃষ্ঠা ৩০৯
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
৩০/০৫/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
আজকে সকালে যখন ভূমিকম্প হলো তখন ফজরের জামাত শুরু হয়ে গেছে ঢাকা শহরের প্রায় সকল মসজিদে। এদেশে যেহেতু ইসফার বা চারদিক মোটামুটি ফর্সা হবার পর ফজরের জামাত শুরু হয়, সেই হিসেবে বলা যায় ওয়াক্ত আর বেশিক্ষণ ছিল না। আল্লাহ না করুন, যদি এই ভূমিকম্প নগরীকে ধ্বসিয়ে দিত তবে কিছু লোক আল্লাহর কাছে মিলিত হতো সালাতে দাড়ানো বা রুকু-সেজদা দেওয়া অবস্থায় কিংবা সালাত শেষে দুআ-দরুদ-তিলাওয়াত করা অবস্থায় আর কিছু লোকের ইহজীবনের সমাপ্তি ঘটত আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ হয়ে বেঘোরে ঘুমন্ত অবস্থায়।
আপনি কোন দলে থাকতেন চিন্তা করে দেখেন এবং হয় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন নয় তওবা করে ফিরে আসেন আনুগত্যের পথে।
26 November 2021
collected
এতোটা উন্মাদনা তো আপনার ইশরাকের জন্য দেখা যায় না, এতোটা উন্মাদনা আপনার তাহাজ্জুদের জন্য দেখা যায় না, এতোটা উন্মাদনা, অস্থিরতা আপনার কুরআন তিলাওয়াতের জন্য দেখা যায় না, এতোটা উন্মাদনা, অস্থিরতা জিকরুল্লাহর জন্য দেখা যায় না, এতোটা উন্মাদনা, অস্থিরতা আল্লাহর দিকে হাত তোলে চোখের পানি ফেলার জন্য দেখা যায় না। যতোটা উন্মাদনা আপনার ছবি তোলার জন্য দেখা যায়। এটা খোদ আলামত ডাল ম্যায় কালা হ্যায়.... এটা খোদ দলিল যে, এখানে কোন ত্রুটি আছে।
-আরেফবিল্লাহ্ শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুসাইন দা: বা:
https://t.me/khanqahbd/3615
http://t.me/pathofisla
তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত বার্ষিক ইসলাহী মাহফিল ২০২১ ঈসায়ীর ১ম দিনের আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ইসলাহী বয়ান করেন
-আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ শামসুজ্জামান দা: বা: (টাংগাইলের হযরত)
খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহ.
বিষয়ঃ হযরতের সাথে সম্পৃক্ত হযরতওয়ালা হারদুঈ রহ. এবং হযরতওয়ালা করাচী রহ. এর তাকওয়াওয়ালা জিন্দেগীর বিভিন্ন হৃদয়গ্রাহী ঘটনা।
স্থানঃ খানক্বাহে নূরিয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, সদর মানিকগঞ্জ
সময়ঃ ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি ১৮/১১/২১ ঈসায়ী বৃহস্পতিবার
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
