ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 день
Архив постов
আমার যতো গুণাহ আছে মাফ করে দাও রমজানে দুঃখ ব্যাথা ভুলিয়ে দাও এইতো চাওয়া প্রাণপনে কণ্ঠঃ মশিউর রহমান http://t.me/pathofisla

খতীবুল ইসলাম আরেফ বিল্লাহ মুফতি জাফর আহমাদ সাহেব দা.বা. খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর- 🌹মালফূযাত🌹🌹 যখন মানুষ গুনাহের কাজ করে তখন থেকেই তার টেনশন শুরু হয়ে যায়। টেনশন করতে করতে এক সময় ডিপ্রেশন শুরু হয়ে যায়। ডিপ্রেশন এমন এক কঠিন রোগ যার হয় সে পেরেশানির কারণে কি করবে তাও বুঝেনা। তারা বলতে থাকে হায় যদি আমি মরে যেতাম। গুনাহের কারণে যারা জাহান্নামে যাবে তাদেরও একই অবস্থা হবে, একই কথা বলতে থাকবে। http://t.me/khanqahnet http://t.me/pathofisla

বদদ্বীন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা এবং তার লেখা ও রচনা অধ্যয়ন করা ক্ষতিকর হযরত থানভী রহঃ বলেন, বদদ্বীন মানুষ দ্বীনী কথা বললেও তার মধ্যে অন্ধকার থাকে। তার লেখার অক্ষরের মধ্যেও এক প্রকারের অন্ধকার জড়িয়ে থাকে। আর দ্বীনদার মানুষ দুনিয়ার বিষয়ে কথা বললেও তার মধ্যে নূর থাকে। কারণ, কথা উৎসারিত হয় মূলত অন্তর থেকে। তাই অন্তরের অবস্থার প্রভাব তার মধ্যে অবশ্যই থাকবে। বক্তার অন্তরের প্রভাব যেহেতু তার কথার মধ্যে এবং লেখকের মনের প্রভাব তার লেখার মধ্যে অবশ্যই হয়ে থাকে, এ কারণে বে-দ্বীন লোকের সান্নিধ্যে বসা এবং বে-দ্বীন লোকের লেখা বই-পুস্তক পড়া মোটেই উচিৎ নয়। কারণ, বই পড়া বইয়ের লেখকের সান্নিধ্যে বসার মতোই। বে-দ্বীনের সান্নিধ্যে বসলে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, তাদের লেখা বই পড়লেও ঐ একই প্রতিক্রিয়া হয়। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ২৯৮ পৃষ্ঠা ১৪৫ http://t.me/pathofisla

জাওয়াহেরে হিন্দ কিতাবের চমৎকার একটি শিক্ষণীয় ঘটনা যা আমাদেরকে বিশেষ করে যুবক-যুবতীদেরকে আল্লাহ্‌ পানে চলতে সাহায্য করবে। -হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ খলিফাঃ আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১১) হযরত মুফতী রশীদ আহমাদ লুধিয়ানভী রহঃ একবার হযরতের দরবারে দক্ষিণ নাযিমাবাদ থেকে জনৈক ব্যক্তি এলো। বয়স্ক মানুষ। সাদা ধবধবে চুল। বাহ্যিকভাবে বেশ দ্বীনদার মনে হলো। প্রচুর অর্থ-বিত্তের মালিক। হযরতের সাথে বেশ দূরের কোনো আত্নীয়তা রয়েছে; বলে জানালো। লোকটি হযরতের কাছে তার ছেলের বিয়ে পড়িয়ে দেয়ার এবং বরযাত্রী হওয়ার আবেদন করলো। হযরত বললেন, 'বর্তমানে বিয়ের আসরগুলোতে ছবি তোলার মহামারী ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে গেছে। এজন্যে আমি সেখানে অংশগ্রহণ করি না'। লোকটি ছবি না তোলার নিশ্চয়তা দিলো। হযরত বললেন, 'যদি বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো ছবি তোলা হয় তাহলে আমি কিন্তু মাঝপথ থেকেই তোমাদেরকে ছেড়ে উঠে যাবো। এখনই চিন্তা-ভাবনা করো। পরবর্তীতে কোনোভাবে হেনস্তা হলে আমায় কিছু বলতে পারবে না'। লোকটি এরপরও পূর্ণ নিশ্চয়তা দিলো। সে দৃঢ়তার সাথে বললো যে, আমি দায়িত্ব নিচ্ছি। কোনোভাবেই ছবি তুলতে দেয়া হবে না। হযরত মুফতী ছাহেব লোকটির সাথে গেলেন। দক্ষিণ নাযিমাবাদ থেকে শুষ্কপথে বরযাত্রীদল মনোড়া পৌঁছুলো। নৌবাহিনীর জনৈক ক্যাপ্টেনের মেয়ের সাথে বিবাহ হবে। মনোড়া পৌছার পর দেখা গেলো যে, একটি বিশাল মাঠে অনেক বড় শামিয়ানা টাঙ্গানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলের বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকজন ক্যামেরাম্যান ক্যামেরা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হযরত বললেন, যতক্ষণ পর্যন্ত শয়তানের এই সবগুলো হাতিয়ার তাদের কাছ থেকে নিয়ে আমার কাছে সোপর্দ না করা হবে ; ততক্ষণ পর্যন্ত আমি শামিয়ানার নিচে যাবো না। যেহেতু এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো না। এজন্যে হযরত বললেন, আমি অমুক মসজিদে চলে যাচ্ছি। আপনারা অনুষ্ঠান শেষে ফেরার সময় আমাকে সাথে নিয়ে যাবেন। লোকটি হযরতকে খুব তোষামোদ করলো যে, আমরা আপনার দিকে তাকিয়ে বিয়ে পড়ানোর জন্যে অন্য কারো ব্যবস্থা করিনি। ঠিক আকদের মুহূর্তে বিয়ে পড়ানোর জন্যে দ্বিতীয় কাউকে ব্যবস্থা করা খুবই মুশকিল। আর এতে আমার বেইজ্জতি হবে। হযরত বললেন, 'যা-ই ঘটুক; বিয়ে পড়ানো তো দূরের কথা, আমার পক্ষে এই শামিয়ানার ভেতরেই যাওয়া সম্ভব না'। কথাগুলো বলে হযরত ওই মসজিদে চলে গেলেন। সেখানে যাওয়ার পর হযরতের মনে হলো যে, এ জাতীয় লোকদের সঙ্গী হওয়াও তো জায়েয নয়। কেননা আল্লাহ্‌ ইরশাদ করেছেন, فَلاَ تَقعُد بَعدَ الذِّکرٰی مَعَ القَومِ الظّٰلِمِینَ (সূরা আন'আমের ৬৮ নং আয়াতের শেষাংশ) তখন হযরত সেখান থেকে উঠে লঞ্চযোগে কেমাড়ি পৌঁছুলেন। ওখান থেকে একটি ট্যাক্সি নিয়ে বাড়ি চলে এলেন। পরবর্তী দিন সেই লোক হযরতের কাছে এসে বললো, আমরা ফেরার সময় আপনাকে অনেক খুঁজেছি। না পেয়ে খুবই পেরেশান হয়েছি। হযরত বললেন, 'এটি হলো তোমাদের কৃতকর্মের প্রতিফল'। দেখুনঃ ডিজিটাল ছবি ও ইলেকট্রিক মিডিয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান পৃষ্ঠা ২৬ - ২৭ মূলঃ মাওলানা মুফতী ইহসানুল্লাহ শায়েক মুফতীঃ জামিয়াতুর রশীদ আহসানাবাদ, করাচী, পাকিস্তান অনুবাদঃ মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারূক উসতাযুল হাদীছ, দারুল উলূম রামপুরা, ঢাকা প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আযহার আদর্শনগর,মধ্যবাড্ডা, ঢাকা প্রকাশকালঃ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ঈসায়ী সহযোগীতায়ঃ হাফেয মুফাখখারুল ইসলাম http://t.me/pathofisla

নিজের শাইখের দিকে অন্যকে উৎসাহিত করার পদ্ধতি হযরত থানভী রহঃ বলেন, 'তালেব' তথা 'প্রার্থী'কে 'মাতলুব' তথা 'প্রার্থিত' বানানো উচিত নয়, এতে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি হয়। দ্বীনের বিষয়ে একটি পর্যায় পর্যন্ত 'ইসতিগনা' তথা অমুখাপেক্ষিতা থাকা উচিত। 'যার ইচ্ছা চলে আসো, যার ইচ্ছা চলে যাও! এ দরবারে পাহারাদার ও দারোয়ান নেই।' তবে হ্যাঁ, সাধারণভাবে দ্বীনের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করবে। ব্যক্তি বিশেষের নাম না নিয়ে একাধিক বুযুর্গের নাম উল্লেখ করে বলবে যে, যাঁর দিকে মন ধাবিত হয় তাঁর সাথে সম্পর্ক গড়ো। আর যদি নিজের শাইখের দিকে উদ্বুদ্ধ করতে হয়, তাহলে নিজের অবস্থা সংশোধন করে নাও। নিজেকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরো। তাহলে মানুষই জিজ্ঞাসা করবে যে, ভাই তোমাকে কে গড়ে তুললো? কোন্ ব্যক্তির প্রভাব তোমার উপর পড়লো? কেউ নিজের থেকে জিজ্ঞেস করলে তখন তোমার শাইখের ঠিকানা বলে দিবে। এছাড়া নিজের থেকে নিজের শাইখের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা ঠিক নয়। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৮১০ পৃষ্ঠা ৩৭৫ বিঃ দ্রঃ মূল শেরটি দেখতে কিতাবের ৩৭৫ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। http://t.me/pathofisla

এলেম হাসিল করতে পারা আল্লাহ্‌ তা'আলার বড় নি'আমত। তালেবে ইলমদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বয়ান থেকে নেওয়া। -মুফতী আবদুল কাদির কাসেমী দাঃ বাঃ প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিমঃ মাদরাসা বাইতুল হাবীব, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী http://t.me/pathofisla

হযরত উবাইদুল্লাহ সিন্ধী রহঃ তৎকালীন ভারতের সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী গান্ধীর বক্তব্যের অত্যন্ত সাহসী জবাব দিয়েছিলেন। যদি সহীহ এলেম থাকে, আল্লাহ্‌ পাক তাঁকে এমন হিম্মত এবং সাহস দেন, কোনও শক্তিকে সে পরওয়া করে না। -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ উচ্চ মধ্যম http://t.me/khanqaSN http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১০) হযরত হাকীমুল উম্মত মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর বাল্যকাল তিনি খেলার মধ্যে নামাযের অভিনয় করিতেন। সমপাঠীদের জুতাগুলিকে কেবলা মুখে সারি করিয়া সাজাইতেন এবং একটি জুতা সারির সম্মুখে স্থাপন করিয়া সঙ্গীদেরকে বলিতেন দেখ দেখ, জুতাও জামাতে নামায পড়ে। এই বলিয়া বেশ আনন্দ উপভোগ করিতেন। ইহাতে বুঝা যায়, জামাতে নামায পড়ার প্রতি তাঁহার অন্তরে কত আকর্ষণ ও ভালবাসা ছিল। তিনি খেলাধুলায় অযথা সময় নষ্ট করিতেন না, বরং দু'আ দুরূদ পড়িতে থাকিতেন। হযরত হাকীমুল উম্মত যখন সবেমাত্র মক্তবের ছাত্র তখন কুতবুল আকতাব হযরত মিয়াজী নূর মুহাম্মাদ ছাহেবের খাছ খলিফা হযরত শায়েখ মুহাম্মাদ (ইনি হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী রহঃ এর পীর- ভাই) বলিতেন, এই বালক উত্তরকালে আমার স্থলাভিষিক্ত হইবে। হযরত হাকীমুল উম্মত বাল্যকালে যখন গৃহের বাহিরে যাইতেন, তখন আকাশের মেঘমালা তাঁহাকে ছায়া দিত। আল্লাহ্‌র ওলী এবং যথার্থ অর্থে "নায়েবে রাসূল" হওয়ার ইহাই একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। (বেজেশতী জেওর কিতাবের শুরুতে হযরত হাকীমুল উম্মত রহঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী হতে নেয়া।) http://t.me/pathofisla

12.4.2019 আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ, ঢাকা তরজুমানে আকাবির মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর মালফুযাত বাড়াবাড়ির, সীমালঙ্ঘনের একটা চরিত্র হয়ে গেছে মানুষের মধ্যে। এখানেও দ্বীনী মজলিস, এখানে ছবি তোলার কি বিষয়? এটা কাল কেয়ামতে হাশরের মাঠে কি দেখানোর কোন বিষয়? একটু আগে মাগরিবের পর আমি এক মাহফিলে গিয়েছিলাম। সেখানে স্টেজে উঠেছি। আমার বয়ানের ঘোষণা দিয়েছে তারা। দেখি যে বিভিন্ন মিডিয়ার ২০/২৫টা ভিডিও লাগিয়ে রেখেছে। আমি সোজা স্টেজ থেকে নেমে আপনাদের এখানে এসেছি। আপনারাও এখানে বাড়াবাড়ি করলে স্টেজ থেকে নেমে চলে যাব। না'রায়ের তাকবীর আল্লাহর প্রশংসার জন্য দেওয়া হয়। কে আসলো তার আগমন বার্তার জন্য না'রায়ের তাকবীর ঠিক না। কোন আলেম আসলে, কোন হুজুর আসলে, কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি আসলে না'রায়ের তাকবীর আল্লাহু আকবার বলার দ্বারা কী উদ্দেশ্য? তাকবীর যদি আল্লাহর প্রশংসার জন্য হয় তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু ফুকাহায়ে কেরাম লিখেছেন যে, কোন ব্যক্তির আগমনের সংবাদ প্রচারের জন্য না'রায়ের তাকবীর বা সুবহানাল্লাহ বলার অর্থ হলো আল্লাহর যিকির অনেক বড়, আর সেটাকে ব্যবহার করা হলো এক মাখলুকের আগমন বার্তার জন্য। তার মানে নিম্ন উদ্দেশ্যে। তো এই সময় এটা মাকরূহ হয়। ঠিক না এটা। http://t.me/islamejebon

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৯) হযরত থানভী রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা হযরত মুফতী শফী রহঃ পাকিস্তান হিজরতের পর প্রধানমন্ত্রী থেকে নিয়ে নিম্নশ্রেণীর অফিসার পর্যন্ত বহু লোকের সঙ্গে হযরত আব্বাজানের (মুফতী শফী রহঃ) সম্পর্ক ছিলো। তাঁরা কখনও কখনও আব্বাজানের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমাদের ঘরেও আসতেন। কিন্তু কেউ জানতো না, এই ঘরে তখন কী কঠিন অভাব-অনটন চলছে! স্বয়ং আমরা বাচ্চারাও জানতাম না, আব্বাজান কী নিদারুণ আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন! আম্মাজান রহঃ লাগাতার কয়েকদিন শুধু ডাল রান্না করতেন। আমার তো এসবের কথা স্মরণ নেই, তবে আমার বড় ভাই হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ রফী উসমানী মাদ্দাযিল্লুহ- যিনি তখন দশ বছর বয়সী ছিলেন- বলেন, একদিন অনুযোগ করে বললাম, 'আপনি নিত্যদিন শুধু ডালই রান্না করেন!' সেদিনই আম্মাজান প্রথমবারের মতো ভাইজানকে বলেছিলেন- 'তোমাদের কি কিছু জানা আছে যে, তোমাদের পিতার আয়-উপার্জনের কোনও ব্যবস্থা নেই।' (দারুল উলূম করাচীর মুখপত্র মাসিক আল-বালাগ, মুফতী তাকী উসমানী দাঃ বাঃ এর ধারাবাহিক আত্নজীবনী 'ইয়াদেঁ' প্রকাশ করেছে। মুফতী ছাহেবের সম্মতিক্রমে রাবেতায়ে আবনায়ে রাহমানিয়ার মুখপত্র দ্বি-মাসিক রাবেতায় এটির ধারাবাহিক তরজমা পেশ করা হচ্ছে। তরজমা করেছেন জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া থেকে ২০১৬ ঈসায়ীতে শিক্ষা সমাপনকারী, বর্তমানে দারুল উলূম করাচীর ইফতা বিভাগে অধ্যয়নরত মাওলানা উমর ফারুক ইবরাহীমী।) -দ্বি-মাসিক রাবেতা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ২০১৯ পৃষ্ঠা ২৯ http://t.me/pathofisla

গুণাহ থেকে বাঁচতে হলে গুণাহের আসবাব থেকে বাঁচতে হবে। (১.৭ এমবি) -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

সূক্ষ্ম শিরোনাম ব্যবহারের শিক্ষা হযরত থানভী রহঃ বলেন, আমাদের মধ্যে যে, 'দেবর' শব্দের ব্যবহার রয়েছে তা খুব খারাপ। হিন্দী ভাষায় 'বর' বলা হয় স্বামীকে, আর 'দে' অর্থ দ্বিতীয়। তাই 'দেবর' অর্থ দ্বিতীয় স্বামী। কতক মূর্খ লোক দেবরকে স্বামীর স্থলাভিষিক্ত মনে করে। তাই শব্দটি পরিবর্তনযোগ্য। এমনিভাবে 'শালা' শব্দের ব্যবহারও আমার কাছে খারাপ লাগে। পূর্ব দেশে 'নিসবতী ভাই' বলে। এ শব্দটি ভালো। কতক শব্দ অনুপযুক্ত ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কারণে অনেক বেশী খারাপ হয়ে যায়। যেমন এক লোকের ছেলে মারা গেলে এক ব্যক্তি তাকে বলে যে, আল্লাহ্‌ তা'আলা তাকে এর উত্তম বদলা দান করুন। এক ব্যক্তি এ কথা শুনছিলো, সে মনে মনে বললো, কেউ মারা গেলে এই শব্দ বলা হয়ে থাকে। ঘটনাচক্রে এক ব্যক্তির বাপ মারা যায়। ঐ ব্যক্তি সেখানে সমবেদনা জানানোর জন্যে এসে বললো, আল্লাহ্‌ তা'আলা এর উত্তম বদলা দান করুন। যার বাপ মারা গেছে সে তো খুবই অসন্তুষ্ট হলো যে, আমার মায়ের জন্যে (সেই ব্যক্তি) স্বামী কামনা করছে। কামালতে আশরাফিয়া মালফূয ৬০৮ পৃষ্ঠা ২৭০ বিঃ দ্রঃ মালফূযটি বড় বিধায় মাঝখান থেকে কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। পুরোটা দেখতে ২৭০ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। http://t.me/pathofisla

ইব্রাহীম খলীল, কাতার প্রবাসী। 438 নং উত্তর: বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও দেখা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd http://t.me/pathofisla

১৯/০৪/১৯ ৩১ মিনিটের জুমু'আর বয়ান। -হযরত মাওলানা সালাহ্ উদ্দীন দাঃ বাঃ ইমাম ও খতিবঃ বড় পুকুরপাড় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী বিষয়ঃ আমল ছাড়া ঈমান টিকিয়ে রাখা দুষ্কর + দুনিয়াতে থাকাবস্থায়ই এমন কাজ করে যাওয়া যার ছওয়াব মৃত্যুর পরেও জারি থাকে রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ ভাল এবং স্পষ্ট http://t.me/pathofisla

এ বছর শবে বারাআত ২১-৪-২০১৯ রবিবার দিন দিবাগত রাতে- এ বছর শবেবরাত সম্পর্কে দুটি তারিখ শোনা যাচ্ছিল। কিছু ওলামায়ে কেরাম বলছিলেন ২০ এপ্রিল দিবাগত রাত শবে বারাত আর সরকারি ভাবে বলা হয়েছিল ২১ তারিখ দিবাগত রাত শবে বরাত। গতকাল শুক্রবার জুমার পরের মজলিসে আমার শাইখ লেছানে হাকীমুল উম্মত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন দা.বা. জুমার পরে যে মজলিশ হয় (লাইভ প্রচার করা হয়) এটা লাইভ অডিও শোনা যায় বিশ্বের যে কোন জায়গা থেকে। এটা আমি শুনতে ছিলাম, এই মজলিসের একেবারে শেষ দিকে আমার শাইখ দা. বা. উপস্থিত ওলামায়ে কেরামকে লক্ষ্য করে জিজ্ঞাসা করলেন যে, শবে বরাত কবে? সেখানে অনেকেই জবাব দিলেন এবং প্রত্যেকের জবাব ছিল একই। ২১ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ রবিবার দিন দিবাগত রাত । এ বিষয়টা শুনার পর আমি আমার ওস্তাদ হযরত মুফতি আব্দুল কাদির কাসেমী দা. বা. এর নিকট ফোন করলাম।হযরতকে জিজ্ঞাসা করলাম। হয়রত বললেন যে, আমি ময়মনসিংহ দারুল উলুম নিযামিয়াতে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছি। শবেবরাত ২১ তারিখ দিবাগত রাত। এর পর আমি দারুল উলুম নিযামিয়ার মুহতামিম মাওলানা আমিনুল হক সাহেব দা. বা. (যিনি বিজ্ঞ আলেমেদ্বীন এবং হযরত প্রফেসর হামিদুর রহমান সাহেব দা. বা. এর খলিফা) এর নিকট ফোন করি। উনিও বলছেন যে ২১ তারিখ দিবাগত রাত শবে বরাত। যাহোক মুফতি আব্দুল কাদির সাহেব কাসেমী দা. বা. বলতেছিলেন, "আমি এখন মানিকগঞ্জে আমার শাইখ মাওলানা সাঈদ নূর সাহেব দা. বা.( যিনি হযরত করাচি রহ. এর খলিফা) এর নিকট আছি। উনিও বলতেছেন ২১ তারিখ দিবাগত রাত শবে বরাত।" এখন তো বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেল। আমাদের দেশের যারা শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, আল্লাহ ওয়ালা আলেমেদ্বীন যারা আছেন তারা ২১ তারিখ দিবাগত রাতের কথা বলতেছেন। তাহলে ২০ তারিখ যে ওলামাদের কথাটা, যে বলা হল, এটা কি? এ বিষয়টি নিয়ে পরে যতটুকু জানার চেষ্টা করলাম, সেটার খোলাসা হল এই, কিছু সংখ্যক আলেম যাদের সংগঠন একেবারে অপরিচিত। যারা আমাদের নিকট মোটেও পরিচিত না। তারা একটা সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছিল যে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় (খাগড়াছড়ি, মুন্সীগঞ্জে) চাঁদ দেখা গেছে একদিন আগেই। কিন্তু বিষয়টা আসলে বাস্তব না। কারণ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে যখন বলা হইল যে, ঠিক আছে তাহলে আপনাদের সাক্ষী নিয়ে আসেন। তো সাক্ষী চাওয়ার পরে আর তারা যায় নাই। আরো জানতে পারলাম, যারা এই কথাটা প্রচার করছে যে ২০ তারিখ শবে বরাত। ওলামা নাম দিয়ে যারা বিষয়টা প্রচার করছে, তাদের সম্পর্কে এইরকমও এখন শোনা যাইতেছে যে, তারা আমাদের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর বাইরের লোক। যাই হোক এ সকল বিষয় মিলিয়ে এখন বিষয়টা স্পষ্ট যে, আমাদের আহলে হক উলামা যারা আছেন, বিজ্ঞ আলেম দ্বীন আল্লাহ ওয়ালা নামে যারা পরিচিত তারা ২১ তারিখের পক্ষে। আর ২০ তারিখের যে কথাটা বলা হয়েছিল, সেটা উলামা নামধারী কিছু সংখ্যক লোকে বলেছিল কিন্তু তারা এর পক্ষে কোন দলীল পেশ করতে পারে নাই। মূল বিষয়টা যখন জানলাম খুব কষ্ট পাইলাম। আলেম নাম ব্যবহার করে কি পরিমাণ ক্ষতি না কত লোক করতেছে। এ বিষয়টি নিয়ে সারাদেশব্যপী বহু মুসলমান পেরেশান। যাই হোক মোটকথা হচ্ছে এখন আমাদের কাছে একেবারে সুস্পষ্ট, এই বৎসর লাইলাতুল বরাত, শবে বরাত হচ্ছে ২১ তারিখ দিবাগত রাত। ২১ তারিখ হচ্ছে রবিবার। রবিবার দিন সারাদিন যাওয়ার পরে যে রাতে আসবে এটাই হচ্ছে ২১ তারিখ দিবাগত রাত। ইনশাআল্লাহ আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করব, আমরা নফল আমলে মশগুল থাকার জন্য। আমার সকল প্রিয় দ্বীনি ভাইদের নিকট খুব দোয়া চাচ্ছি-আল্লাহ তা'আলা যেন আমাকেও এ রাত থেকে বরকত হাসিল করার জন্য খুব তৌফিক দান করেন। - রবিউল আকরাম গুফিরালাহু http://t.me/islamejebon

মুহাম্মাদ হেদায়াতুল্লাহ - তাকমীল, মাদানীনগর ১৮৬৯. প্রশ্ন পুরান ঢাকায় শবে বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন পদার্থ দ্বারা বিভিন্ন প্রকার প্রাণীর আকৃতিতে পাউরুটি, কেক, সন্দেশ ইত্যাদি বানাতে দেখা যায়। এসব প্রাণীর মধ্যে হারাম প্রাণী যেমন কুমির, ভোদর, গুই সাপ ইত্যাদি এবং হালাল প্রাণী যেমন বিভিন্ন জাতের মাছও থাকে। এগুলোকে শবে বরাতের বিশেষ খাবার বলে গণ্য করা হয় এবং খুব চড়া মূল্যে তা বিক্রি হয়। প্রশ্ন হল, প্রাণীর আকৃতিতে এসব খাবার তৈরি করা এগুলোর ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয আছে কি না? উত্তর শবে বরাত উপলক্ষে খাবারের প্রশ্নোক্ত আয়োজন এবং প্রাণীর আকৃতিতে তা তৈরির প্রচলনটি সম্পূর্ণ নাজায়েয। শরীয়তের দৃষ্টিতে এতে দু’টি আপত্তিকর বিষয়ের সমন্বয় ঘটেছে। এক. কোনো প্রাণীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হারাম ও কবীরা গুনাহ। হাদীস শরীফে এ ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে এবং প্রতিকৃতি প্রস্তুতকারীর জন্য আখেরাতে কঠিন শাস্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, প্রতিকৃতি প্রস্তুতকারীরা আল্লাহ তাআলার নিকট সবচেয়ে কঠিন আযাবের মুখোমুখি হবে।-সহীহ বুখারী ২/৮৮০ অপর হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লানত করেছেন, সুদ ভক্ষণকারী ও সুদ প্রদানকারীর উপর, উল্কি অঙ্কন কারীনী নারী ও উল্কি গ্রহণকারীনী নারীর উপর এবং প্রতিকৃতি প্রস্তুতকারীর উপর।-সহীহ বুখারী ২/৮৮১ অন্য হাদীসে আরো বর্ণিত হয়েছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ফেরেশতারা ওই ঘরে প্রবেশ করে না যাতে মূর্তি বা ছবি রয়েছে।-সহীহ মুসলিম ২/২১১২ দুই. শবে বরাতকে উপলক্ষ করে এ ধরনের খাবারের আয়োজন করাকে দ্বীনী বা নেকের কাজ মনে করা হয়, যা সুস্পষ্ট বিদআত ও কুসংস্কার। অতএব শবে বরাত বা অন্য কোনো উপলক্ষে প্রাণীর আকৃতিতে কোনো ধরনের খাবার তৈরি করা হারাম। এথেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য জরুরি। আর এ ধরনের প্রাণীর আকৃতি সম্বলিত খাবারের ক্রয়-বিক্রয়ও জায়েয নেই। কেননা, এর দ্বারা ওই নাজায়েয কাজে প্রস'তকারীদের সহযোগিতা করা হয়। সহীহ বুখারী ২/৮৮০-৮৮১; শরহে মুসলিম নববী ১৪/৮১; আলমাদখাল ইবনে হাজ্জ্ব ১/২৯১; কিতাবুল হাওয়াদিছ ওয়ালবিদা’ পৃ. ১১৮; ইকতিযাউস সিরাতিল মুস্তাকীম ২/৬৩২ প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/151/ http://t.me/pathofisla

শাব্বীর আহমদ - নারায়ণগঞ্জ ১৯৯৯. প্রশ্ন শবে বরাত ও শবে কদর উপলক্ষে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামায আছে কি না-এ প্রশ্ন অনেকে করে থাকেন। এক ধরনের চটি বই পুস্তিকায় বিভিন্ন নিয়মের কথা লেখাও থাকে। বিশেষ বিশেষ সূরা দিয়ে নামায পড়া বা নির্ধারিত রাকাত নামায বিশেষ সূরা দ্বারা আদায় করা ইত্যাদি। প্রশ্ন এই যে, হাদীস শরীফে এ দুই রাতে বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামায আছে কি? থাকলে তা জানতে চাই। তদ্রূপ কেউ কেউ এ রাতগুলোতে জামাতের সঙ্গে নফল নামায পড়তে চায়। এ ব্যাপারে শরয়ী বিধান কী? উত্তর এ দু’রাতের জন্য বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামায নেই। সব সময় যেভাবে নামায পড়া হয় সেভাবেই পড়বে অর্থাৎ দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব হয় আদায় করবে এবং যে সূরা দিয়ে সম্ভব হয় পড়বে। তদ্রূপ অন্যান্য আমলেরও বিশেষ কোনো পন্থা নেই। কুরআন তেলাওয়াত, যিকির-আযকার, দুআ-ইস্তেগফার ইত্যাদি নেক আমল যে পরিমাণ সম্ভব হয় আদায় করবে। তবে নফল নামায দীর্ঘ করা এবং সিজদায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা উচিত, যা কোনো কোনো হাদীস থেকে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন বই-পুস্তকে নামাযের যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানূন লেখা আছে অর্থাৎ এত রাকাত হতে হবে, প্রতি রাকাতে এই এই সূরা এতবার পড়তে হবে-এগুলো ঠিক নয়। হাদীস শরীফে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা। বলাবাহুল্য যে, যে কোনো বই-পুস্তিকায় কোনো কিছু লিখিত থাকলেই তা বিশ্বাস করা উচিত নয়। বিজ্ঞ আলিমদের নিকট থেকে জেনে আমল করা উচিত। শবে বরাত ও শবে কদরের নফল আমলসমূহ, বিশুদ্ধ মতানুসারে একাকী করণীয়। ফরয নামায তো অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার প্রমাণ হাদীস শরীফেও১ নেই আর সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না।-ইকতিযাউস সিরাতিল মুস্তাকীম ২/৬৩১-৬৪১; মারাকিল ফালাহ পৃ. ২১৯ তবে কোনো আহ্বান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায় তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলে ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না। প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/279/ http://t.me/pathofisla

শেব বরাতে ইবাদেতর ফযীলত বিষয়ে ঈসা আ. ও বুযুর্গ বৃদ্ধের (ভিত্তিহীন) কাহিনী (মকসুদুল মো'মেনীন বই হতে সাবধান!!!) মাসিক আল কাউসার মে-জুন ২০১৮ ঈসায়ী লেখাটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/article/2194/ http://t.me/pathofisla