ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 день
Архив постов
আগে নিজেকে সংশোধন করি। ━━━━ • ✿ • ━━━━ তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম সংক্ষিপ্ত বয়ান। t.me/sunnahbd হযরতের বয়ান পেতে t.me/khanqah24 ★প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে সদকায়ে জারিয়ায় শরিক হোন। জাযাকাল্লাহ্★

হস্তমৌথনের ক্ষতি ও ভয়াবহতা খতীবুল ইসলাম আরেফ বিল্লাহ মুফতি জাফর আহমাদ সাহেব দা.বা. পীর সাহেব, ঢালকানগর সংক্ষিপ্ত বয়ান t.me/sunnahbd ★প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে সদকায়ে জারিয়ায় শরিক হোন। জাযাকাল্লাহ্★

দয়া করে জেনারেল পড়ুয়া কেউ মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের কাউকে বিয়ে করতে যাবেন না। আবার মাদ্রাসা পড়ুয়াদের বলব, জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডের কাউকে বিয়ে করতে যাবেন না। নিজ সীমানায় থাকুন। কপালে অতটা সুখ না থাকলেও দুখ অতটা হবে না। সাত বছর বয়স আমাদের লেখাপড়া শুরু হয়। চলে ২৫ বছর পর্যন্ত। আমাদের জীবনের ভিত গড়ে দেয়া এই ১৮ বছর যে আঙ্গিনায় কেটেছে, যে চেতনায় আমাদের বুঝশক্তি ও চিন্তাসীমানা গড়ে উঠেছে, এর বিপরীত চিন্তা ও চেতনাশীল মানুষের সাথে বাকি জীবন এক ছাদে কাটানো বড়ই চ্যালেঞ্জ! আর কে না জানে জেনারেল লাইনের পরিবেশ ও মাদ্রাসা লাইনের পরিবেশ আকাশ-পাতাল তফাৎ! আমি অনেক জেনারেল দীনি ভাইদের দেখেছি আলেমা পাত্রী তালাশ করতে, আমি মনে করি এটা ভুল। এটা আত্মঘাতী৷ উনারা ভাবেন মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েরা যুগের রাবেয়া বসরী! অনুরূপ আজকাল অনেক জেনারেল দীনি বোনও আলেম খুঁজেন। ভাবেন আলেম মানেই হাসান বসরী। এরপর তাহাজ্জুদ পড়তে না দেখলেও হতাশ হয়ে যান। চেতনা ও বুঝশক্তি এক জিনিস, আর ইবাদাত ও কর্মঠ হওয়া আরেক জিনিস। একেক শিক্ষাঙ্গনে মানুষ একেক রকম চিন্তা ও বুঝ নিয় বড় হয়। এটা ঠিক। বাকি ঐ চিন্তা ও বুঝ অনুযায়ী সবাই আমল করবে, এটা ঠিক না। আপনি আপনার অঙ্গনের সবচেয়ে দীনদার মানুষটাকে বিয়ে করুন। ইনশাআল্লাহ অনেকটা ভালো থাকবেন। মুহতারাম মাসউদ আলীমী Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/FV5mzXNuCC22BUBM1ILDrR *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

শাওয়াল মাসের ৬ রোজা লাগাতার রাখতে হবে কি? ────────⊱◈◈◈⊰─────── ❏ মাসায়েল নং-১৪২১

বিষয়বস্তুঃ সুন্নত মোতাবেক জীবনের প্রতিটি কর্ম পদ্ধতি পরিচালনা করা। বর্তমান মানুষের মধ্যে মোবাইল টিপার এই বদঅভ্যাস অনেক বেশি দেখা যায়। সারা দিন শুধু মোবাইল আর মোবাইল। আমাদের কতগুলো সময় অযথা মোবাইল টিপে নষ্ট হচ্ছে। যাদের বেশি মোবাইল টিপার অভ্যাস হয়ে গেছে তাদের তো প্রতিদিন ২/৩ ঘন্টা বা তারও বেশি সময় অযথায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। না দুনিয়া অর্জন হলো, না আখেরাত। আল্লাহপাক যখন এই সমস্ত বিষয়ে জানতে চাইবেন তখন আমাদের জবাব কি হবে? রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম কদমে কদমে মানুষের জীবনের প্রতিটি কর্ম পদ্ধতি শিখিয়েছেন এবং দিক-নির্দেশনাও দিয়েছেন। যদি আমরা সুন্নত মোতাবেক জীবন গড়ি তাহলে আর দ্বিতীয় কিছু আমাদের লাগবে না। আমিই পৃথিবীর বড় শিক্ষিত। আমিই সবচেয়ে সামাজিক ব্যক্তি। আমিই সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি। আমার কাজকর্মই সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত। যদি আমি কদম কদম রাসূলের সুন্নত মোতাবেক প্রতিটি কাজকর্ম করি।

আয়াসিরা জর্ডানের লোকদেরকে কোরআনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং কোরআনের ছেঁড়া কপিগুলো ডাস্টবিনে ফেলে না দিয়ে সেগুলো সংরক্ষণ করে অপরকে উপকৃত করার আহবান জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন। আয়াসিরার এই মহৎ উদ্যোগকে জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ বিন হুসাইনের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং কিছু দিন আগে রাজদরবারে আয়াসিরার জন্য একটি সম্মানসূচক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং তার এই মহৎ কাজের প্রশংসা করা হয়। তথ্যসূত্রঃ নয়া দিগন্ত অনলাইন ০৯ মে ২০২১ http://t.me/pathofisla

৫০ বছর ধরে ছেঁড়া কোরআন জোড়া দিয়ে যাচ্ছেন সালিম আয়াসিরা মুহাম্মদ সালিম আয়াসিরা। বয়স ৭১ বছর। ৫০ বছর ধরে একটি কাজই করে যাচ্ছেন। তা হলো, বিভিন্ন স্থান থেকে ছেঁড়া কোরআন সংগ্রহ করে সেগুলো মেরামত ও সংরক্ষণ করা। কোথাও পবিত্র কোরআনের কোনো কপি অবহেলিত অবস্থায় আছে জানলেই নিজের জরাজীর্ণ গাড়ি নিয়ে ছোটেন সালিম আয়াসিরা। তারপর সেগুলো পরিষ্কার, সংরক্ষণ ও বিন্যস্ত করে বিভিন্ন মসজিদ, হিফজখানা ও আফ্রিকার দেশগুলোতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। ৫০ বছর ধরে আয়াসিরা এই মহৎ কাজ আঞ্জাম দিচ্ছেন। ছেঁড়া কোরআনের সন্ধানে তিনি দেশের বিভিন্ন শহর-বন্দরে ঘুরে বেড়ান। কোথাও ছেঁড়া কোরআনের সন্ধান পেলে সযত্নে তা লুফে নিয়ে সংস্কার করে কোরআনের সম্মান ফিরিয়ে দেন। জীবনের প্রান্তসীমায় উপনীত কোরআনপ্রেমী বৃদ্ধের এই মহৎ কাজে তার সন্তানদের পাশাপাশি তাদের অধীনে কর্মরত ব্যক্তিরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। তার এই মহৎ কাজে ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান থেকে প্রতি মাসে ৩০০ দিনারের চেয়ে বেশি (৪২০ ডলার) ব্যয় করেন। তার কাজ শুধু কোরআন সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং তিনি বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তক সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানমূলক পুস্তকাদিও সংগ্রহ করে তার বাসভবনের ব্যক্তিগত পাঠাগারের বিশেষ তাকে সেগুলো সংরক্ষণ করেন, সেগুলো অনুসন্ধান কারীদের অপেক্ষায় দিন গুজরান করেন। বিন্যস্তকরণ ও বিলিকরণ আয়াসিরার ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারটিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিয়মিত যাতায়াত করেন। সেখানে তারা মূল্যবান পুরনো বই, সাহিত্যের বই, অভিধান, আল-কোরআনের ব্যাখ্যাগ্রন্থ অনুসন্ধান করেন, ফেরার সময় তাদের পছন্দ মতো যেকোনো বই বিনামূল্যে নিয়ে যান। আলজাজিরা ডটনেটকে আয়াসিরা জানান, বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন দাতব্য সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় ঘানা, নাইজেরিয়া, নাইজার, মালিসহ আফ্রিকার অন্যান্য দেশে পবিত্র কোরআনের ছয় হাজারের বেশি অনুলিপি পাঠিয়েছেন। তিনি আরো জানান, আফ্রিকাতে পাঠানো কোরআন হলো, আমি যেসব কোরআন সংগ্রহ করি, সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করি, পরিষ্কার করি এবং সেগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার করি, সেগুলোই। যদি প্রচ্ছদ ছেঁড়া থাকে, সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জাতীয় গ্রন্থাগারে প্রেরণ করি। আয়াসিরা তার কাছে উপলভ্য কোরআনের কপিগুলো নতুন প্রতিষ্ঠিত মসজিদগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করার পাশাপাশি বিভিন্ন হিফজখানা, সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসার গ্রন্থাগারে কোরআনের কপিগুলো সরবরাহ করেন। এছাড়াও তিনি যেকোনো শিক্ষা ও সংস্কারমূলক কাজে তার কাছে উপলভ্য কোরআনের কপিগুলো সরবরাহ করে থাকেন। আয়াসিরার মতে, জর্ডান কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার (একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান) বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, কোরআনে কারিমের পুরাতন অনুলিপিগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা ও সংরক্ষণ করা। বিশেষ জ্বালানি পদ্ধতি তার গাড়িতে কয়েক ডজন ব্যাগ রয়েছে যার মধ্যে কয়েকটিতে ব্যবহারের উপযোগী কোরআন রয়েছে, এবং কয়েকটিতে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী কোরআন। এসব কোরআন তিনি বিশেষ ব্যাগে সংগ্রহ করেন এবং বিশেষ জ্বালানি পদ্ধতিতে সেগুলো ধ্বংস করে দেন। আয়াসিরা জানান, স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় ব্যবহার অনুপযোগী কোরআন ও ধর্মীয় বই-পুস্তকগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে জ্বালানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। তিনি আরো যোগ করেন, যখন ব্যবহার অনুপযোগী কপিগুলোর একটি বিশাল সংখ্যায় সংগ্রহ হয় তখন সেগুলো আমি বিশেষ পদ্ধতিতে জ্বালিয়ে দিই এবং ছাইগুলো যেখানে সেখানে ফেলে না দিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে, কোরআন ও কোরআনের পাতায় লিখিত সম্মানিত নামগুলোর সম্মান রক্ষায় বিশেষ স্থানে তা দাফন করি। জীবনের প্রান্তসীমায় উপনীত এই বৃদ্ধকে তার শারীরিক দুর্বলতা, শক্তিক্ষয়, বার্ধক্য ও নেতিয়ে পড়া শরীর এই মহৎ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তিনি অব্যাহতভাবে তার অধীনে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় জর্ডানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরআনের ছেঁড়া কপিগুলো সংগ্রহ করে যাচ্ছেন এবং সেগুলো ব্যবহার উপযোগী করে বিভিন্ন মাদরাসা, হিফজখানা ও আফ্রিকার দেশগুলোতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। জ্ঞানের প্রয়োজনে যে কারো জন্যই আয়াসিরার গ্রন্থাগারটি উন্মুক্ত। তিনি জানান, গত মাসে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক সঙ্গে কিছু বিদেশী শিক্ষার্থী নিয়ে তার গ্রন্থাগারে এসেছিলেন। তারা সেখানে প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক অনুসন্ধান করে নিখরচায় সেগুলো নিয়েছিলেন। তার কাজ সম্পর্কে বিস্তর কথোপকথনের ফাঁকে একটি সুন্দর ঘটনা স্মরণ করেছিলেন, একসময় তিনি কোরআন ও ধর্মীয় বই পুস্তক সংগ্রহ করার জন্য একটি বিশাল আকার বর্জ্যপাত্রে প্রবেশ করেন, অসতর্কতাবশত পাত্রটি তার উপর পড়ে যায়। তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে অ্যাম্বুলেন্স চলে আসে, তবে তিনি কোরআনের কপিগুলো ছাড়া অ্যাম্বুলেন্সে উঠছে অস্বীকৃতি জানান এবং তিনি কিছুক্ষণ চিৎকার করেছিলেন কোরআনের কপিগুলোসহ তাকে উদ্ধার করতে।

তাকবীরে তাশরিক কোন ঈদে কিভাবে পড়তে হয়?

মসজিদে এতেকাফ অবস্থায় ফেসবুক, ইউটিউব, খেলার খবর শোনা ও পত্রিকা পড়া এগুলোর অনুমতি আছে কি? ────────⊱◈◈◈⊰─────── ❏ মাসায়েল নং-১৩৭৯

তারাবীহর পারিশ্রমিকের প্রভাব জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করে যে, তারাবীহর নামায পড়িয়ে পারিশ্রমিক নেওয়ার ফলে শুধু মাল হারাম হবে, নাকি নামাযও কবুল হবে না? এবং সতর্ক মুক্তাদী আলাদাভাবে সূরা তারাবীহ পড়বে, নাকি এমন জামাতে অংশগ্রহণ করবে? হযরত থানভী রহঃ বললেন, ইমামের নামায বা যারা পারিশ্রমিক দিয়েছে তাদের নামায কবুল হবে না। যারা পারিশ্রমিক দেয়নি, তাদের নামায কবুল হবে। এই ওযরে জামাত ছাড়া উচিত নয়। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৭৪৮ পৃষ্ঠা ৩৪৯ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ৩০/০৫/১৯ ঈ. http://t.me/pathofisla

এতেকাফ অবস্থায় জানাজা নামাজে শরিক হওয়া যাবে?

আল্লাহর নিকটও নিসবতের মূল্যায়ন হবে হযরতওয়ালা মুফতী সাহেব দামাত বারাকাতুহুম ইরশাদ করেন, দুনিয়াতে যেমন নিসবত দ্বারা পার পাওয়া যায় তেমনি আখেরাতেও পার পাওয়া যাবে। আমি হারদুঈ হযরতের নিকট যখন যাবো তখন করাচী হযরত বাংলাদেশে ছিলেন। তিনি আমাকে একটি চিঠি লিখে দিলেন হযরতের কাছে দেওয়ার জন্য। ঐ চিঠির কারণেই হারদুঈ হযরত আমাকে কাছে ডাকলেন। অন্যথায় হুজুরের সাথে তো আমার পরিচিত হতে হতেই সময় শেষ হয়ে যেত। ইস্তিফাদা আর কখন করতাম। একবার আমি হযরত মুফতী মাহমুদ হাসান গাংগুহী রহ. এর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবো, তখন হারদুঈ হযরত আমার জন্য একটি চিঠি লিখে দিলেন, হযরত গাংগুহীর রহ. কাছে দেয়ার জন্য। হযরতের সাথে তো সাক্ষাতের নির্দিষ্ট সময় ছিল। মেহমান খানায় সিরিয়ালে থাকতে হতো। কিন্তু যখন হারদুঈ হযরতের চিঠি নিয়ে এসেছি শুনেছেন, হযরত তখন আমাকে হযরতের খাস কামরায় ডেকে নিয়েছেন। অনেক মেহমানদারীও করেছেন। আবার আমাকে হাদীয়াও দিয়েছেন। এর মূলে হলো একজনের সাথে নিসবত। আল্লাহওয়ালাদের সাথে নিসবতের বরকতে যেমন দুনিয়াতে পার পাওয়া যায় তেমনি আখেরাতেও আল্লাহওয়ালাদের বরকতে পার পাওয়া যাবে। এজন্য কোন আল্লাহওয়ালার সাথে নিসবত থাকা জরুরী। অন্যথায় হিসাব বড়ই কঠিন হবে। শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

. ❏ মাসায়েল নং- ১২৩ ───────⊱◈◈◈⊰─────── সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর ডান কানে এবং বাম কানে কিভাবে আজান দিবে?

প্রানীর ছবি- বাড়াবাড়ির, সীমালঙ্ঘনের একটা চরিত্র হয়ে গেছে মানুষের মধ্যে। এখানে দ্বীনী মজলিস, এখানে ছবি তোলার কি বিষয়? এটা কাল কেয়ামতে হাশরের মাঠে কি দেখানোর কোন বিষয়? একটু আগে মাগরিবের পর আমি এক মাহফিলে গিয়েছিলাম। সেখানে স্টেজে উঠেছি। আমার বয়ানের ঘোষণা দিয়েছে তারা। দেখি যে বিভিন্ন মিডিয়ার ২০/২৫টা ভিডিও লাগিয়ে রেখেছে। আমি সোজা স্টেজ থেকে নেমে আপনাদের এখানে এসেছি। আপনারাও এখানে বাড়াবাড়ি করলে স্টেজ থেকে নেমে চলে যাব। না'রায়ের তাকবীর আল্লাহর প্রশংসার জন্য দেওয়া হয়। কে আসলো তার আগমন বার্তার জন্য না'রায়ের তাকবীর ঠিক না। কোন আলেম আসলে, কোন হুজুর আসলে, কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি আসলে না'রায়ের তাকবীর আল্লাহু আকবার বলার দ্বারা কী উদ্দেশ্য? তাকবীর যদি আল্লাহর প্রশংসার জন্য হয় তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু ফুকাহায়ে কেরাম লিখেছেন যে, কোন ব্যক্তির আগমনের সংবাদ প্রচারের জন্য না'রায়ের তাকবীর বা সুবহানাল্লাহ বলার অর্থ হলো আল্লাহর যিকির অনেক বড়, আর সেটাকে ব্যবহার করা হলো এক মাখলুকের আগমন বার্তার জন্য। তার মানে নিম্ন উদ্দেশ্যে। তো এই সময় এটা মাকরূহ হয়। ঠিক না এটা। -মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. খতিব, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকা নগর, ঢাকা। Whatsapp এ ''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/DFAet3iiqoX8wcQ3X7J7A1

লটর পটর ঈমানদারদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করা নাজায়েজ। মুফতি মনসুরুল হক সাহেব দামাত বারাকাতুহুম। বয়ান পেতে @islamijindegi সংক্ষিপ্ত বয়ান @sunnahbd Apps play store play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi ★প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে সদকায়ে জারিয়ায় শরিক হোন। জাযাকাল্লাহ্★

. ❏ মাসায়েল নং- ১৫০ ───────⊱◈◈◈⊰─────── ফেসবুক,ইমু,ওয়াটসাপ,ইত্যাদি সোসাল মিডিয়ায় ছবি ব্যবহার করা কেমন?

করোনার ভ্যাক্সিন নিলে কি রোজার কোন সমস্যা হবে? ───────⊱◈◈◈⊰─────── মুফতী মাসউদুর রহমান কাসেমী

আলহামদুলিল্লাহ রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। নতুন চাঁদ দেখলে (এই দু'আ) পড়বে اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ ، رَبِّي وَرَبُّك اللَّهُ . অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি এ চন্দ্রকে ঈমান ও নিরাপত্তা এবং শান্তি ও ইসলামের সাথে উদিত করুন, (এবং হে চাঁদ!) আমার ও তোমার প্রতিপালক এক আল্লাহ। (তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৬০/ মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৭৬৭) https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla