ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 дней
Архив постов
কিয়ামতের আগে বাইতুল্লাহ উঠিয়ে নেয়া হবে। কিন্তু কেন? এর একটি সম্ভাব্য কারণ হল......... (২.৯ এমবি) -হযরত মাওলানা উমর ফারুক ছাহেব দাঃ বাঃ (তাবলীগের মুরুব্বী) http://t.me/pathofisla

স্বপ্নদোষ রোধের ওযীফা এক ব্যক্তি লিখিতভাবে তার সমস্যা জানায় যে, প্রতিদিন আমার স্বপ্নদোষ হয়। একটি তদবীর বলে দিন। হযরত থানভী রহঃ বললেন। বুযুর্গদের থেকে বর্ণিত আছে যে, 'সূরা নূহ' পড়ে শুলে উপকার হয়। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ১০১২ পৃষ্ঠা ৪৪৯ http://t.me/pathofisla

অহেতুক সকল বিষয় থেকে নযর হেফাজত করা চাই- ১ http://t.me/alokitojibon http://t.me/dinimazlis

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নসীহত যেগুলোর উপর আমল করলে আমাদের জীবন বদলে যেতে পারে। (৯.২ এমবি) -হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এবং হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ http://t.me/pathofisla

ভালো কাজে গিয়েছে তো, গিয়েছেই যখন (নেক কাজ থেকে তাকে) ফিরানো তো আর যাবেই না কিন্তু (আসল) কাজটা (বাস্তবায়িত) হতে দিব না। (শয়তান বলে যে) ওকে ঐখানে বসিয়ে (রেখে বিভিন্ন গুণাহের) তামাশায় (কাজে) লাগিয়ে দিব। কিংবা ফটো (উঠানোর হারাম কাজে) লাগিয়ে দিচ্ছে (এই কথা বলে) ভালো জায়গায় এসেছিস জীবনের ইতিহাস স্মরণ রাখবি, ভিডিও কর, ফটো কর। মসজিদে হারামের ভিতরে (তাকে ফটো তোলায় লিপ্ত করে দিচ্ছে)। ফটো (তোলাই তো) নাজায়েয এবং হারাম। (সেখানে মসজিদে হারামের ভিতরে) যেখানে এক রাকাত নামাজে লাখ রাকাতের (সওয়াব)। কত কঠিন মুআমালা! সেখানে ফটো করছে, সেলফি তুলছে! শয়তান জানে ওকে তো (নেক কাজ থেকে ফিরানো) বাদ করা গেলোই না! টাকা-পয়সা খরচ করে (যখন) এসেই পরেছে কিন্তু এমন কিছু করাবো যাতে করে এই (নেক কাজের প্রকৃত) ছওয়াবগুলো না থাকে!!! (১.১ এমবি) -হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ উচ্চ মধ্যম http://t.me/khanqaSN

খাজা মুঈনুদ্দীন মাদ্রাসায় বয়ানের শুরুতে বলেন, যার ছবি তোলার শখ আছে সে মাহফিল থেকে বের হয়ে যাও। টুপি পাগড়ী মাথায় দিয়ে দ্বীনের মাহফিল, নেকী কামানোর মাহফিলে পাপের কাজ বেপরোয়াভাবে কেন করো! তোমাদেরকে এগুলো শিখিয়েছে কে! ছবি তোলা তো গুনাহের কাজ! দলবেঁধে মোল্লার দল তোমরা এখন ছবি তুলতে থাকো! হায়া-শরম নেই বেপরোয়াভাবে ছবি তুলতে থাকে হাসতে হাসতে! গুনাহের কাজকে উল্লাসের কাজ মনে করে বসে আছে! কি চরম সীমালংঘন! দেড় হাজার বছর ধরে যেটা ডাইরেক্ট পাপের কাজ ছিল এখন কিভাবে সেটা সুন্নত হয়ে গেল! দিনের মাহফিলের বসে বসে ছবি তুলতে থাকে যেন এইটা দেখিয়ে জান্নাতের গেট পার হবে যে, আমি একটা নেক আমল নিয়ে এসেছি। (যারা বলে যে, ওয়াজ মাহফিলে ছবি তোলা এবং ভিডিও করাতে সমস্যা নেই তারা একটু চিন্তা করি.....) http://t.me/pathofisla

তারবিয়াতের শান এক ব্যক্তি চিঠি লেখে যে, অমুক ব্যক্তি আপনার সম্পর্কে এমন এমন বলছিলো, আর আমি তাকে এই এই উত্তর দিয়েছি। এ সম্পর্কে হযরত (থানভী রহঃ) বলেন যে, কেউ আমাকে ভালো-মন্দ বলার কারণে আমার যেমন কষ্ট হয়, একইভাবে কেউ আমার পক্ষপাতিত্ব করলেও আমার কষ্ট হয়। পক্ষের লোকেরাই বেশী ভালো-মন্দ বলিয়ে থাকে। তারা যদি আখেরাতের জন্যেই এ কাজ করে থাকবে তাহলে আমার সামনে তা প্রকাশ করলো কেন? ফায়দাঃ এ ঘটনা দ্বারাও হযরতের তারবিয়াতের শান এবং নফসের অপকৌশল সম্পর্কে গভীর জ্ঞান প্রমাণিত হয়। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৬৯৭ পৃষ্ঠা ৩২২ http://t.me/pathofisla

বিশিষ্ট বেশ ধারণের কখনোই চেষ্টা করবে না হযরত থানভী রহঃ বলেন, কষ্টকর আমল করার ফলে যদি 'উজুব' (আত্নপ্রশংসা, আত্নমুগ্ধতা) সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থাকে তাহলে কষ্টকর আমলের প্রতীক্ষায় থাকবে না। বিশিষ্টরূপে আমল হওয়ার প্রতি মোটেই গুরুত্ব দিবে না। যতোটুকু নেক আমলের সুযোগ হয়, তাকে তুচ্ছ জ্ঞান করবে না। যেমন, শেষরাতে তাহাজ্জুদ পড়লে বেশী ফযীলত এ কারণে শেষরাতের প্রতীক্ষাতেই থাকবে না। সে সময় জাগতে কষ্ট হলে ইশার সময়েই তাহাজ্জুদ পড়ে পরিতুষ্ট হবে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৫৩৫ পৃষ্ঠা ২৩৮ http://t.me/pathofisla

সবচেয়ে বেশী সহজ কাজ কোনটি??? (২ এমবি) -হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN

গুণাহ দিয়ে গুণাহের চিকিৎসা করা, পেশাব দিয়ে পায়খানা ধোয়ার মতো হযরত থানভী রহঃ বলেন, সূফীদের অনেক সময় এ ধরণের ধোঁকা হয়ে থাকে যে, তাদের মধ্যে কখনো আত্নশ্লাঘা (দম্ভ, অহংকার) সৃষ্টি হলে কোনো গুণাহের কাজ করে এর প্রতিকার করা হয়ে থাকে। তারা এতে এই কল্যাণ মনে করে যে, এমন করলে আমরা নিজেদের চোখে পাপী ও হেয় প্রতিপন্ন হবো। ফলে আত্নশ্লাঘার শিকড় কেটে যাবে। কিন্তু এটা তো এমন চিকিৎসা হলো, যেমন কি না পেশাব দিয়ে পায়খানা ধৌত করলো। মালফূয ৪৩৪ কামালাতে আশরাফিয়া পৃষ্ঠা ১৯৫ http://t.me/pathofisla

মসজিদ-মাদরাসায় সিসি টিভি লাগানো কি জায়েজ? মসজিদ-মাদরাসায় নেগরানির উদ্দেশ্যে ইদানিং সিসি টিভির ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এর ব্যবহার জায়েজ কিনা? এর উত্তরে দারুল উলুম দেওবন্দ সম্প্রতি একটি ফতোয়া প্রকাশ করেছে। ফতোয়ায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া মোতাবেক ছবি তোলা হারাম এবং পাপের কাজ। হাদিসের গ্রন্থগুলোতে এ ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া আকাবিরে দেওবন্দের ফতোয়া অনুসারে ডিজিটাল ছবিও এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, স্টিল ছবি বা ভিডিও ধারণকৃত ছবি; উভয়ই ইসলামে নিষিদ্ধ। আর সিসি টিভি ক্যামেরাতে ভিডিও ধারণ করা হয়ে থাকে। এ কারণে সেটাও নিষিদ্ধ। কারণ, সিসি টিভির মাধ্যমে ক্যামেরার সামনে দিয়ে অতিবাহিত প্রত্যেক ব্যক্তির ছবি তার রেকর্ডে চলে আসে। সিসি টিভি লাগানোর মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো মানুষের ছবি তাতে ধারণ হয়ে থাকে। আর কোন হারাম কাজ সহিহ হওয়ার জন্য শরিয়ত যে সমস্ত জরুরত ও অপারগতা নির্ধারণ করে তা সিসি টিভির মধ্যে পাওয়া যায় না। সুতরাং মসজিদ হোক কিংবা মাদরাসা; পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে সিসি ক্যামেরা লাগানো জায়েজ নয়। ফতোয়াটি দেখুন-183-12T/N=3/1440 http://t.me/dinimazlis

মুহাম্মাদ ইলিয়াস, মোমেনশাহী। 494 নং উত্তর: মোবাইলের অ্যাপ কুর'আন নিয়ে টয়লেটে যাওয়া সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ! আল্লাহু আকবার! (২২৯ কেবি) -মুফতী আমানুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

আসল মুফতী অহংকার মুক্ত একবার হযরতওয়ালা (মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ) মাদরাসার ইফতা বিভাগের ছাত্রদেরকে রোযার একটি মাসআলা তাহকীক করার জন্য বলেছিলেন। ২ দিন পর হযরত মাদরাসায় এসে ছাত্রদেরকে ডেকে বললেন, তোমাদেরকে যে তাহকীক করতে বলা হয়েছিল তার রেজাল্ট কী? কিছু পেয়েছ? ছাত্রদের একজন ইমাম মুহাম্মাদ রহ. এর রেফারেন্সে একটি উত্তর দিলেন। আরেকজন আলকামা রহ. এর রেফারেন্সে উত্তর দিলেন। কিন্তু উভয়ের উত্তর পরিপূর্ণ ছিল না। তাই হযরত আবার তাদের তাহকীক করতে বললেন। তারপর হযরতওয়ালা বলেন, কোন হক্কানী মুফতীর অহংকার থাকতে পারে না, কেননা প্রতিদিন-ই তার নিজের ব্যাপারে ২/১ বার এই ইলম হাসিল হয় যে সে আসলে জাহেল। বহু মাসাইল এমন থাকে যা তার ইলমের বাহিরে। নিজেকে সে তখন জাহেল হিসেবে পান। তাই তার অহংকার থাকার কথা না। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

মুহাম্মাদ হাসানাত, মানিকগঞ্জ। 488 নং উত্তর: হালাল হারাম সংক্রান্ত। (হারাম থেকে বাঁচতে হলে, দ্বীনের উপর চলতে হলে জানের বাজি লাগাতে হবে)। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd http://t.me/pathofisla

হযরত মাওলানা আবদুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ জামি'আ নূরে হেরা মহিলা মাদরাসা -এর খতমে বুখারী ও দু'আ মাহফিল উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাহফিলের আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে ১ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ তাকরির পেশ করেন। এটিকে হযরতের ইলমী বয়ানও বলা যেতে পারে আবার বুখারী শরীফের সর্বশেষ হাদীছের দরসও বলা যেতে পারে। এই দরস শুনলে বিশেষভাবে যারা উলামায়ে কেরাম আছেন তারা হযরতের ইলমী ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে সহজেই ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে আশা করি। হযরত যখন দরস দিচ্ছিলেন তখন বারবার এই কথা মনে হচ্ছিল যে, না জানি কবে হযরতের মত এমন ব্যক্তিকে হারিয়ে আমরা ইয়াতিম হয়ে যাই! (২৮ এমবি) হযরতের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এবং হযরত মাওলানা ফয়জুর রহমান রহঃ প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম ও শাইখুল হাদীছঃ জামি'আ ফয়জুর রহমান রহঃ, মোমেনশাহী পেশ ইমাম ও খতিবঃ বড় মসজিদ, মোমেনশাহী স্থানঃ চান্দের বাজার, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী তারিখঃ ২১/০৩/১৯ ঈসায়ী, বৃহস্পতিবার রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ ভাল http://t.me/pathofisla

বুজুর্গদের প্রতি সুধারণা রাখা উচিত হযরত থানভী রহঃ বলেন আল্লাহ্‌ওয়ালাদের সম্পর্কে কে বড়ো আর কে ছোট এরূপ চিন্তা করা বেয়াদবী। আল্লাহ্‌ জানেন তাঁর নিকট কে মকবুল। সবার প্রতি সুধারণা রাখা উচিত। কামালাতে আশরাফিয়া থেকে মালফূয নং ৮৮৪ http://t.me/pathofisla

পরিপূর্ণ সুন্নাতের অনুসরণ (ঈসালে ছওয়াব করলে কি প্রেরণকারীর ছওয়াব হ্রাস পায়?) একবার আসরের নামাযের পূর্বে হযরতের মজলিসে কেবল এই বান্দাই (হযরত মাওলানা ঈসা ছাহেব রহঃ যিনি হযরতের খাস খলিফা ছিলেন) বসা ছিল। ঈসালে ছওয়াব সম্পর্কে আলোচনা উঠলো। ঈসালে ছওয়াব দ্বারা প্রেরণকারীর ছওয়াব মোটেই কমে না, বরং ঈসালের পৃথক ছওয়াব পেয়ে থেকে। তাছাড়া যাদের জন্য ঈসালে ছওয়াব করা হয়, তারা প্রত্যেকেই পুরা ছওয়াব পেয়ে থাকে। এর সমর্থনে হযরত থানভী রহঃ মাওলানা রূমী রহঃ এর এই কবিতা পাঠ করলেন। ( এ সম্পর্কে বিরল বিস্ময়কর প্রামাণ্য গবেষণামূলক আলোচনা ২য় অধ্যায়ের ২২৫ নম্বর মালফূযে রয়েছে) 'অতীন্দ্রিয় বিষয়ে ভাগ ও সংখ্যা নেই, অতীন্দ্রিয় বিষয়ে বন্টন ও অংক নেই' এর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য দৃষ্টান্ত এই যে, যেমন একটি বাতি থেকে হাজারটা বাতি আলোকিত হতে পারে। একজন উস্তায একই সময়ে একশ' জন ছাত্রকে তা'লীম দিতে পারেন। এতে না ঐ বাতির আলো কমে, না ঐ উস্তাযের ইলম হ্রাস পায়। তখন বান্দা (সংকলক) বলে যে, হযরত! আমি তো প্রতিদিন, প্রত্যেক সময়ের জিকির ও নফল ইবাদতের ছওয়াব সকল আত্নীয়-স্বজন ও জীবিত-মৃত সকল নর-নারীকে বখশিয়ে দেই। আর যাদের সাথে বিশেষ সম্পর্ক আছে তাদের নামও বিশেষভাবে উল্লেখ করে থাকি। তখন হযরত থানভী রহঃ বললেন, হ্যাঁ ভাই! আল্লাহ তা'আলা আমাদের বাহ্যিক রিজিক যেমন অন্যদের মাধ্যমে রেখেছেন, তেমনিভাবে বাতেনী রিজিকও রেখেছেন অন্যদের হাতে। ফায়দাঃ এই শেষ বাক্য দ্বারা হযরতের পরিপূর্ণ বিনয়, নম্রতা, তাওহীদ, শোকর ও কৃতজ্ঞতা প্রমাণিত হয়। বিঃ দ্রঃ মূল শেরটি দেখার জন্য কিতাবের ৫৫২ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। মালফূয ৪৩ কামালাতে আশরাফিয়া পৃষ্ঠা ৫৫২ http://t.me/pathofisla

আমাদের দেশের অনেক আলেম উলামা যে কারণে এখনো ক্বওমী মাদরাসার সরকারী স্বীকৃতির বিপক্ষে। (১.৩ এমবি) -শাইখুল হাদীছ মাওলানা আবদুল হক্ব দাঃ বাঃ খলিফাঃ হযরত মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর রহঃ http://t.me/pathofisla

সাফিন শাহরিয়ার, মোমেনশাহী। 481 নং উত্তর: মহিলাদের কবর জিয়ারত করা সংক্রান্ত। লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd