ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 день
Архив постов
১৯২. গুনাহ্গারকে বে-ইজ্জতি করা হারাম হযরতওয়ালা মুফতী সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, কেউ কোন গুনাহ বা অন্যায়ের মাঝে থাকলে তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে, তার সম্মানহানি করা বে-ইজ্জতি করা হারাম। যেমনটি করেছিলেন শায়েখ আবু আব্দিল্লাহ আন্দালুসির মুরিদানরা, কান্নাকাটি করে চোখের পানি ফেলে তাকে ফিরিয়ে এনেছেন, কিন্তু অপমান অপদস্ত করেন নি। শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ২৩ একদিন যোহর নামায আদায় করার জন্য মহল্লার মসজিদে যাই। গিয়ে দেখি, ইমাম সাহেব বাড়ীতে গিয়েছেন; তাই মুসল্লীরা আমাকে নামায পড়াতে বললেন। আমি নামায পড়ালাম এবং জামাত শেষ হওয়ার পর সেখানে দাঁড়িয়েই পরবর্তী সুন্নত নামায আদায় করলাম। উপস্থিত মুসল্লীদের মধ্যে একজন আলেমও ছিলেন। নামাযের শেষে তিনি আমার কাছে এসে বললেন, যেখানে দাঁড়িয়ে আপনি ইমামতি করেছেন সেখানে পরবর্তী সুন্নত নামায পড়া আপনার জন্য অনুত্তম হয়েছে।  আমি বললাম, আসলে বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি জানতে চাচ্ছি, তার কথা কি ঠিক? উত্তর হাঁ, উক্ত আলেম ঠিক বলেছেন। কেননা ইমাম যেখানে দাঁড়িয়ে ফরয নামায আদায় করেছেন, সেখানেই পরবর্তী সুন্নত ও নফল নামায আদায় করা অনুত্তম। হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- لَا يَصْلُحُ لِلْإِمَامِ أَنْ يُصَلِّيَ فِي الْمَكَانِ الَّذِي أَمَّ فِيهِ الْقَوْمَ حَتَّى يَتَحَوَّلَ أَوْ يَفْصِلَ بِكَلَامٍ. ইমাম যেখানে দাঁড়িয়ে ইমামতি করেছে, সেখান থেকে (ডানে বামে কিংবা পেছনে) না সরে অথবা (কারো সাথে) কোনো কথা বলার আগে সেখানেই (সুন্নত-নফল) নামায পড়া তার জন্য অনুচিত। (মুসান্নাফে আবদুর রায্যাক, বর্ণনা ৩৯১৭) ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. বলেন- لَا يُصَلِّي الْإِمَامُ التَّطَوُّعَ حَيْثُ يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ. ইমাম যেখানে দাঁড়িয়ে ফরয নামায পড়েছে, সেখানে সুন্নত-নফল আদায় করবে না। (মুসান্নাফে আবদুর রায্যাক, বর্ণনা ৩৯১৯) অতএব ফরয নামাযের পর ইমাম নিজ স্থান থেকে ডানে বা বামে কিংবা পিছনে সরে গিয়ে সুন্নত বা নফল আদায় করবেন। -আলমাবসূত, সারাখসী ১/৩৮; আলবাহরুর রায়েক ১/৩৩৫; জামিউল মুযমারাত ১/৩৫৫; হালবাতুল মুজাল্লী ২/২২৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৭৭ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/4704/

#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain 12.1.2023 Photo, Mashik Ijtema, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, DK Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z *আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹

*সাম্প্রতিক সময়ে দেখা একটি স্বপ্ন এবং ছবি সম্পর্কে-* পেশাওয়ারে একজন খাব দেখেছেন যে, ওলামা-মাশায়েখের বিশাল বড় মজমা। সেখানে এক বুজুর্গকে বলা হচ্ছে যে, আপনি লোকদেরকে বলে দেন যে, সব আলেম-ওলামা যেন পড়েন اللَّهمَّ اغْفِرْ لي ذَنْبِي كُلَّهُ، دِقَّهُ، وجُلَّهُ، وأوَّلَهُ وآخِرَهُ وعَلانِيتَهُ وسِرَّهُ হে আল্লাহ আমার সব গুনাহ মাফ করে দেন। ছোটগুলো, বড়গুলো, জীবনের প্রথমে যা করেছিলাম এবং শেষে যা করেছিলাম সবগুলো এবং প্রকাশ্যগুলো এবং অপ্রকাশ্যগুলো সবগুলো মাফ করে দেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, যিনি এই খাব দেখেছেন তিনি এটা দুনিয়াব্যাপী প্রচার করতেছেন নিজের ছবিসহ! এটা দ্বীন হলো! এটা দ্বীনের বুঝ হল! কি আশ্চর্যের বিষয় মানুষদের! ওলামা-মাশায়েখদেরকে বলা হচ্ছে যে, তোমরা ইস্তেগফার কর। তাহলে তো বুঝা দরকার ছিল যে, আমাদের ওলামা-মাশায়েখ যারা আজকে দ্বীনের খাদেম আমাদের মধ্যে বেশুমার ভুল-ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটছে। আমাদের সকলের আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া চাই, তওবা করা চাই। খালি বাহ্যিক একটা স্বপ্নের চেহারার ওপর স্থির হয়ে গেল দৃষ্টি। দৃষ্টি এখানে কেন নিবদ্ধ হলো? এর গভীরতায় কেন আমরা যাচ্ছি না যে, তোমরা ওলামা-মাশায়েখের দল, তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে মাফ চাও। তোমরা সবাই আল্লাহর নিকট তওবা করো। تُوبُوۤا۟ إِلَى ٱللَّهِ جَمِیعًا أَیُّهَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ তো আমাদের ভুল বিচ্যুতিগুলো দেখা, এবং সেগুলো থেকে নিজেকে মুক্ত করা, মুক্ত হওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত হওয়া আমাদের দায়িত্ব। আর সেই শব্দ প্রচারিত হচ্ছে ছবির মাধ্যমে। ছবি কোন্ দ্বীন!? যেখানে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছাল্লাম পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, كلُّ مُصوِّرٍ في النّارِ যারা প্রাণীর ছবি তৈরি করবে সবগুলো জাহান্নামে যাবে। এ হাদীস শোনার পর অন্তর একটুও কাঁপা উচিত না? যেখানে আল্লাহপাক বলছেন যে, إِنَّمَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ ٱلَّذِینَ إِذَا ذُكِرَ ٱللَّهُ وَجِلَتۡ قُلُوبُهُمۡ ঈমান আছে তার ভিতরে। সত্যিকারের কামেল ইমানওয়ালা তখন এটা প্রমাণিত হবে, যখন আল্লাহর কথা শুনলে তার অন্তর কাঁপতে থাকে, প্রকম্পিত হয়ে যায়। তখন বোঝা গেল যে, সে ঈমানওয়ালা। আর এমন একটা সুন্দর স্বপ্ন দেখার পর সেটা প্রচারও হচ্ছে এই স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষটার ছবি সহকারে! এটা সুন্নত তরীকার দ্বীন প্রচার হলো! আমাদের আলেম সমাজের মধ্যে কিছু লোক এতটা আমরা বেফিকির কেন হয়ে গেছি! এটা আমাদের ঠিক হচ্ছে না। এই পথ থেকে আমাদের ফেরা উচিত। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াছাল্লাম ওলামা-মাশায়েখের মজলিসে যেখানে এইভাবে বলছেন যে, তোমরা সবাই ইস্তেগফার করো। তার মানে মাফ চাও, মাফ চাও, গুনাহ জারি থাকুক। মুখে মাফ চাওয়া, আর গুনাহ করতে থাকা, এই!? আল্লাহপাক আমাদেরকে সত্যিকার এস্তেগফারকারী এবং তওবাকারীদের মধ্যের শামিল করেন। *এই একই স্বপ্নের ব্যাখ্যা করেছেন ভারতের বিখ্যাত আলেম হযরত মসীহুল্লাহ খান জালালাবাদী রহমাতুল্লাহ এর খলিফা মুফতী মাজ্দুল কুদ্দূস খোবায়েব সাহেব। সাহারানপুরের বড় আলেম, ওনার বাবাও বড় আলেম মুফতী ছিলেন। তিনি এই স্বপ্নের এই ব্যাখ্যাই দিয়েছেন যে, যত রকমের অপরাধ আমাদের মধ্যে আছে, সুদ-ঘুষ-মিথ্যা-গীবত যত হারাম কাজের মধ্যে লিপ্ত হওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে, ছবি তোলা, এসব থেকে তওবা করার জন্য ইঙ্গিত করেছেন রাসূলে পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম। সেই দিকে আমাদের মুতাওয়াজ্জেহ হওয়া উচিত। এটাও তিনি বলেছেন।* *যার যার মোবাইলে ছবি আছে, ডিলিট করবেন তো ইনশাআল্লাহ। (ইনশাআল্লাহ) এমন মাহফিলে যাবেন না, যে মাহফিলে ছবি তোলা হয়, ভিডিও করা হয়। এমন মাহফিলে যাওয়া কোনভাবেই সহীহ না।* মসজিদগুলোকে জলদি ভিডিও থেকে সাফ করা চাই। কমিটিরও দায়িত্ব আছে। মসজিদের যারা কমিটি তাদের কি কাল কেয়ামতে জওয়াব দিতে হবে না। ইমাম সাহেব বলেছেন। ইমাম সাহেব কি জন্য বলেন? ইমাম সাহেবকে এরকম অন্যায় কাজের সুযোগ দেওয়া মসজিদ কমিটির কারো জন্য ঠিক হবে না। *সব মসজিদকে ভিডিও মুক্ত করা চাই, ছবি মুক্ত করা চাই।* *যারা ছবি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছেন, শুধুই নফসের ধোঁকা। শুধুই শয়তানি ধোঁকা। তাদের কাছে কোন দলিল নেই। এর দ্বারা খুশি হচ্ছে নফস এবং শয়তান। আল্লাহ এবং তাঁর রসূল আদৌ খুশি হন না।* হজের সফরে একবার আমরা মদীনা শরীফে ছিলাম। রওজা শরীফের সামনে গিয়ে দেখলাম মানুষ দলে দলে ছবি তোলে। খুব কষ্ট হলো। আমাদের এক সাথী হাজী সাহেব স্বপ্নে দেখেন যে, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া ছাল্লাম বলছেন, আমার সামনে দাঁড়িয়ে এভাবে ছবি তুলতে থাকে! আমার বড় কষ্ট হয়! এদেরকে ছবি তুলতে নিষেধ করো। মদীনা শরীফের এক আলেমকে জানানো হলে তিনি প্রশাসনকে জানান। প্রশাসন রওজার সামনে ফটো তোলা বন্ধ করে দেয়। রওজার সামনে দীর্ঘদিন ছবি তোলা বন্ধ থাকে। আবার চালু হয়ে গেছে! এটাও তো এক স্বপ্ন ছিলো। এটাকি ইস্তেগফার পড়ারই স্বপ্ন ছিলো, না ছবি থেকে বিরত থাকারও স্বপ্ন ছিল? সঙ্গে এটাও যোগ করুন।

ফয়জান ইকবাল - বিসিক, গোপালগঞ্জ ৬১০১. প্রশ্ন ভিক্ষুকরা ঘরের দরজায় এসে সালাম দিয়ে থাকে। আবার রাস্তা-ঘাটেও তারা ভিক্ষা করার সময় সাধারণ মানুষদেরকে সালাম দিয়ে থাকে। জানার বিষয়, ভিক্ষুকদের এই সালামের জবাব দেওয়া কি ওয়াজিব? বিষয়টি জানতে চাই। উত্তর সাধারণত ভিক্ষুকরা ভিক্ষা করার সময় মানুষদেরকে সালাম দেয় মূলত তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যেই; সালাম দেওয়া মূল উদ্দেশ্য থাকে না। তাই এমনটি মনে হলে সেই সালামের জবাব দেওয়া ওয়াজিব নয়। কিন্তু কখনো যদি মনে হয় যে, সে বাস্তবে মন থেকে সালাম দিয়েছে তাহলে সেক্ষেত্রে তার সালামেরও জবাব দিতে হবে। -ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৪২৩; ফাতাওয়া সিরাজিয়া, পৃ. ৭২; আলইখতিয়ার ৪/১৪৪; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/১৭; ফতাওয়া বায্যাযিয়া ৬/৩৫৪; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলাদ্দুর ৪/২০৬ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/4727/

প্রথম দিনের বেফাক পরীক্ষা শেষে ভারাক্রান্ত মনে ছেলে মাকে ফোন করে জানিয়েছে, মা, পরীক্ষা বেশী ভাল হয় নি। ছেলের মন খারাপের দিনে মায়েরা সাধারণত মমতাভরা কণ্ঠে স্বান্তনা বাণী শোনান। কিন্তু ছেলেটির মা বললেন অদ্ভুত কথা। তিনি বললেন, তোমাকে তো বেফাকে ভাল রেজাল্ট করার জন্য পাঠাই নি; পাঠিয়েছি আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার জন্য। আল্লাহ তাআলার কাছে কবুল হওয়ার চেষ্টা করো। শুনে খনিকের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। এই মায়ের লেখাপড়ার সীমা তৃতীয় শ্রেনী পর্যন্ত। অল্প বয়েসে সংসারকর্মে জড়িয়ে যেতে হয়েছিল বিধায় আর পড়া হয় নি। শিক্ষা ও শিক্ষিতের প্রচলিত মানদণ্ডে তিনি উত্তীর্ণ হবেন না হয়ত; কিন্তু নিঃসন্দেহে হাজার জন মাস্টার্স সম্পন্নকারী সনদধারীর চেয়ে শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞান-বুদ্ধিতে তিনি প্রাগ্রসর। এমন কিছু আলোকিত মা যতদিন থাকবেন, সন্তানরা ততদিন পথ হারাবে না, ইনশাআল্লাহ। 22 - 02 - 2023 Collected

*হাত জোর করে বলছি,,,,* মেহেরবানী করে কেউ আমার বয়ান/ আমাকে ভিডিও করবেন না, ছবিও তুলবেন না,ফেইসবুক লাইভও দিবেন না,,,,,,,,শুধু অডিও করা যাবে। এখন থেকে জুমার বয়ান শুধু অডিও করে আপলোড করা হবে, কথা শ্রবণ করাই যদি মুল উদ্দেশ্য হয় সেটা তো অডিও দিয়েই আদায় হয়ে যায়। অতিতের ভিডিওগুলি পারলে অডিও করে ছেড়ে দিয়ে ভিডিওগুলি মুছে দেওয়ার আবদার রইল। যাদের মোবাইলে আমার ছবি আছে, মেহেরবানী করে ডিলেট করে দিয়েন। মাহফিল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার, আমাকে বয়ানে বসানোর পুর্বে মাহফিলের পরিবেশ একেবারেই ভিডিও মুক্ত এবং ছবি উঠানো মুক্ত নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ তৈরী করতে না পারলে আমাকে দাওয়াত না করার আহ্বান রইল। যাযাকুমুল্লাহ 🖋️ Arif Bin Habib Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DFAet3iiqoX8wcQ3X7J7A1

বাচ্চা হওয়ার হোমিও চিকিৎসা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামি'আ রাহমানিয়া মাদরাসা,ঢাকা। t.me/qaumiboyan

গর্ভবতী মায়ের প্রসব বেদনা কম হওয়ার ২টি বিশেষ আমল হোমিওপ্যাথিক ঔষধ Palsetila 200 ৮ মাস গর্ভবতীকালিন সময় প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১টা করে খাওয়ালে সেই গর্ভবতী মহিলা প্রসবের সময় কোন কষ্টই বুঝবে না ইংশা আল্লাহ । ───────⊱◈◈◈⊰─────── 🎤 মুফতী মনসূরুল হক দাঃবাঃ 📌 পোস্ট নং - ২০২ ↪️ মাজালিসে মানসূর

*ছবি তোলাকে মানুষ এখন জান্নাতের আমল মনে করতে শুরু করছে! ছবি তুলে তারা পুলসিরাত আরামে পার হবে!* ভালো ভালো ভদ্রলোক পাগড়ী মাথায় ছবি তুলছে। এ নিয়ে কোন টেনশন নেই। বড় বিপদ এখন। লোকদের ইসলাম এখন খামখেয়ালীর ইসলাম। মন যা চায় সেটাই করতে শুরু করে। আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া ছাল্লাম যে কাজের উপরে আল্লাহর আযাবের কথা বলেছেন সেটা আমাদের বিশ্বাস তো করা উচিত। এটা নিয়ে তামাশা করা কিভাবে ঠিক হয়? মাজালিসে আকাবির:- মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দা.বা. খতিব, বাইতুল হক জামে মসজিদ ঢালকা নগর, ঢাকা। whatsApp এ মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর বয়ান ও কবিতা নিয়মিত পেতে জয়েন হোন নিচের লিংকে https://chat.whatsapp.com/8KkCAlBGsMcLYUK3eJhs6e

*মানুষের দোষ গোপন রাখার সীমাহীন লাভ!* 🌼✨🌼✨🌼 . রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "যে ব্যক্তি কোনো মুমিন ব্যক্তির দোষ গোপন করলো, সে যেন জীবন্ত পুঁতে ফেলা কোনো কন্যাকে কবর থেকে উঠিয়ে জীবন দান করল।" [মুসতাদরাক হাকিম: ৪/৪২৬, সহিহ ইবনু হিব্বান: ২/২৭৫, হাদিসটি সহিহ] . অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ গোপন করবে, আল্লাহ্ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন রাখবেন।’’ [সহিহ বুখারি: ২৪৪২, মুসলিম: ৫৮] . চিন্তা করে দেখুন—আমরা এমন কে আছি, যার কোনো গুনাহ নেই? আল্লাহ্ যদি আমাদের গুনাহগুলো প্রকাশ করে দেন, আমরা কি সমাজে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবো? আর এসব গুনাহ যদি হাশরের ময়দানে পৃথিবীর সকল মানুষের সামনে উন্মোচন করে দেন, তবে অবস্থাটা কী হবে? আল্লাহর কত দয়া যে, তিনি আমাদের গুনাহগুলোকে সেদিন ঢেকে রাখবেন, যদি আমরা মানুষের গুনাহ এবং দোষ-ত্রুটিগুলো ঢেকে রাখি! সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি। . কারো মাঝে দোষ পেলে কী করণীয়? . (১) যদি কেউ গোপনে গোনাহ করে, যে গোনাহের ফলে সে একাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়—অন্যরা হয় না—সেই গোনাহের কথা কারো কাছে বলা জায়েয নেই। তাকে গোপনে এ ব্যাপারে সংশোধন করতে হবে। যেমন: কেউ বিবাহবহির্ভূত হারাম সম্পর্কে থাকে; সে এটিকে গোপন রাখে, কাউকে জানায় না। এমন ক্ষেত্রে তার এই গোনাহের কথা বাইরে বলে বেড়ানো যাবে না, বরং তাকে পার্সোনালি সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। . (২) যদি কারো গোনাহ দ্বারা সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে সেটির প্রতিবাদ করতে হবে। যেমন: প্রকাশ্যে গান-বাদ্য বাজানো, প্রকাশ্যে মদ্যপান করা, প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ও পাপাচার করে বেড়ানো ইত্যাদি। এগুলোর প্রকাশ্যেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে। কারণ এগুলো দ্বারা সমাজের ক্ষতি হয়, সমাজের লোকেরা পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার মোটিভেশান পায়। . আমরা মূল আলোচনায় আসি। গিবত বা পরচর্চা খুবই খারাপ অভ্যাস। যারা গিবত ও পরচর্চা করে, তাদের কখনই প্রশ্রয় দিবেন না। . একটি চরম বাস্তবতার দিকে লক্ষ করুন। যেটি ইমাম শাফে'ঈ রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন- . ‘যে তোমার কাছে অন্যের নিন্দা করে, সে তোমার নিন্দাও অন্যের কাছে করে। যে অন্যের গোপন কথা তোমার কাছে প্রকাশ করে, সে তোমার গোপন কথাও অন্যের নিকট প্রকাশ করে।’ [তবাকাতুশ শাফি‘ইয়্যাতিল কুবরা: ১/৯৬] . গিবত-পরনিন্দার চর্চা না থাকলে একটি সমাজ এমনিতেই চমৎকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও ভালাবাসাময় হয়ে ওঠে। এছাড়া, মানুষের দোষ গোপন রাখার দ্বারা আল্লাহ্'র কাছেও মর্যাদাবান হওয়া যায়। আল্লাহ্ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন। Collected Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/IlGu9lhFH4VAUcnXhJ9tgh

প্রাণীর ডিজিটাল ছবি। হযরত মাওলানা মুফতী আব্দুল মালেক সাহেব দাঃবাঃ আমীনুত তা'লীম(শিক্ষাসচিব),মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া,হযরতপুর,কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

লিঙ্গ পরিচয়ে সংশয় সমকামিতার উসকানি কী শিখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা- ৩ শাহেদ মতিউর রহমান ২২ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:০০, আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:০১ পাঠ্যবই থেকে শিশুদের মনে তাদের লিঙ্গ পরিচয় নিয়েই সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে। একজন শিক্ষার্থী ছেলে না মেয়ে তার এই পরিচয় আল্লাহ প্রদত্ত শারীরিক গঠন বা অবয়ব না ভেবে বরং তাদের চিন্তা ও আচরণ থেকেই নির্ধারণের কৌশল শেখানো হয়েছে সপ্তম শ্রেণীর নতুন পাঠ্যসূচির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুশীলন বইয়ে। যদিও মনোবিজ্ঞানীদের মতে শুধু হরমোনাল ইমব্যালেন্স বা হরমোন বিষয়ে ভারসাম্যহীন ব্যক্তিরাই এমন অস্বাভাবিক আচরণ বা চিন্তা করতে পারে। সার্বিকভাবে কোমলমতি সব শিক্ষার্থীর জন্য পাঠ্যসূচিতে এমন একটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা সমীচীন হয়নি বলেও জানান তারা। এই বইয়ের তৃতীয় তথা সম্প্রদায় অধ্যায়ে (৪৪ থেকে ৬১ পৃষ্ঠা) শিশুদের লিঙ্গ পরিচয়ের নানা দিক বর্ণনা করা হয়েছে। বইয়ের ৫১ পৃষ্ঠায় নতুন পরিচয় অনুচ্ছেদে শরীফার গল্প অংশে শিক্ষার্থীদের জন্য গল্পে গল্পে শেখানো হয়েছে একজন ছেলে তার চিন্তা থেকেই এবং আচরণগত পরিবর্তন করে নিজেকে মেয়ে পরিচয় দিতে পারে। এমনকি একজন ছেলে তার ইচ্ছার কারণে নিজেকে মেয়ে হিসেবেও সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এই গল্পে আনাই নামে একজন শিক্ষার্থীর সাথে শরীফার যে কথোপকথন হয়েছে সেখানে শরীফা নিজেই স্বীকার করছে, সে ছোটবেলায় ছেলে ছিল। কিন্তু যখন আস্তে আস্তে বড় হলো তখন সেই শরীফ আহমেদই নিজেকে মেয়ে ভাবতে শুরু করল এবং মেয়েদের মতো আচরণ করতে লাগল। আর এটা তার ভালো লাগে। একই বইয়ের ৫৩ পৃষ্ঠায় নতুন প্রশ্ন অনুচ্ছেদে পাঁচজন শিক্ষার্থীর (গণেশ, রনি, অন্বেষা, রফিক ও নীলা) কথোপকথন বর্ণনা করা হয়েছে। এই কথোপকথনে রনি নামের একজন শিক্ষার্থী বলছে ‘তার মা তাকে শিখিয়েছেন ছোটবেলায় লিঙ্গ পরিচয়ের ক্ষেত্রে কোনো ছেলে বা মেয়ে হয় না।’ বড় হতে হতে তারা ছেলে বা মেয়ে হয়ে ওঠে। অর্থাৎ শিশুকাল থেকে ছেলে বা মেয়েদের যে আদালা লিঙ্গ পরিচয় থাকে এটা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মন থেকেই মুছে দেয়া হয়েছে সপ্তম শ্রেণীর বইটির এই অধ্যায়ে। বইটির বর্ণনা অনুযায়ী এখানে প্রশ্ন হচ্ছে, একজন ছেলে যদি তার ইচ্ছামতো মেয়ের আচরণ করতে পারে কিংবা তার সার্বিক আচরণ বা তার বন্ধু সহপাঠী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও যদি সে মেয়েদেরকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে বড় হতে থাকে তাহলে একটি পর্যায়ে সমাজ সংস্কৃতি বা রীতি অনুসারে সে তার বিয়ে কিংবা যৌনচাহিদা মেটাতে গিয়ে অবশ্যই একজন ছেলেকেই বেছে নেবে। আর এভাবেই সমলিঙ্গের মধ্যে বিয়ে বা সমকামিতার চর্চাও সমাজে চলে আসবে। মুসলিম প্রধান একটি দেশে পাঠ্যপুস্তকে এমন বিতর্কিত বিষয়ে এবং চিরন্তন একটি সত্য ও আল্লাহ প্রদত্ত নিয়মকেই আমাদের সমাজ থেকে তুলে দেয়ার অপচেষ্টা হচ্ছে। বইটির ৫৫ ও ৫৬ পৃষ্ঠায় লিঙ্গ বৈচিত্র্য এবং জেন্ডারের ধারণা অংশে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আলোচনা করা হয়েছে সেখানে ফাতেমা নামের একজন শিক্ষার্থী নিজেই বলছে এই পাঠে তারা যেটা বুঝেছে সেটা হলো ছেলেমেয়েদের চেহারা আচরণ কাজ বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের স্বতসিদ্ধ কোনো নিয়ম নেই। তারা নিজেকে ছেলে বা মেয়ে যেটা ভাববেন সেই অনুযায়ীই আচরণ করতে পারবে। বাংলাদেশের বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং পিরোজপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি কাজী সাইফুদ্দীন গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে জানান, ট্রান্সজেন্ডার বিষয়টি মূলত কোনো ছেলে বা মেয়ের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। এটা মূলত একটি মানসিক রোগ। এটা সবার মধ্যে আবার হয় না। কারো মধ্যে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হলেই কেবল এটা হতে পারে। তাই কেউ যদি ইচ্ছা করল সে ছেলে আর তাই সে ছেলে হবে, আবার কেউ ইচ্ছা করল সে মেয়ে, কাজেই সে মেয়ে হয়ে গেলো এটা হবে না, সম্ভবও না। আর সপ্তম শ্রেণীর নতুন পাঠ্যবইয়ে এমন একটি বিষয়কে কেনইবা কোমলমতি ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলো এটা আসলে আমার বোধগম্যও নয়। এগুলোর লেখকইবা কারা? তারা কেন এগুলো ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের বইয়ে (পাঠ্যসূচিতে) নিয়ে এলো? সূত্রঃ নয়া দিগন্ত

বিষয় আছে যেগুলো ধর্মীয়ভাবেই গোপনে শিক্ষালাভ করতে হবে। কাজেই সব বিষয়ে এভাবে খোলামেলাভাবে শ্রেণিকক্ষে ছাত্রছাত্রীদের একত্রে একই ক্লাসরুমে আলোচনা ইসলাম ও ঈমানের বরখেলাপ।

৬ষ্ঠ শ্রেণীর বইয়ে যৌনতার সুড়সুড়ি কী শিখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা - ১ শাহেদ মতিউর রহমান ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:০০, আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:০০ - লাজ শরমের যেন কোনোই বালাই নেই ক্লাস সিক্সের বিজ্ঞান বইয়ের একটি অধ্যায়ে। বিজ্ঞান অনুশীলন পাঠ বইয়ের ১১তম অধ্যায়ের ‘মানব শরীর’ শিরোনাম অংশে কিশোর-কিশোরীর বয়ঃসন্ধিকালে তাদের শরীরের নানা অঙ্গের যেভাবে বর্ণনা দেয়া হয়েছে প্রকাশ্যে তা পড়ার/ পড়ানোর উপযোগী নয়। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক কিংবা বাসাবাড়িতে অভিভাবকদের সামনেও এই বর্ণনা প্রকাশ করার মতো নয়। বইয়ের ১১৯ থেকে ১২২ পৃষ্ঠায় কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধি অধ্যায় যেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, তা চটি বইয়ের রগরগে রসালো রীতিমতো গল্পকে হার মানাবে। বইটির ১২০ পৃষ্ঠায় বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শারীরিক পরিবর্তনের বিশদ বর্ণনা দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের গলার স্বর ও বিভিন্ন অঙ্গের পরিবর্তন হতে থাকে। বিশেষ করে এক জায়গায় বলা হয়েছে পেশি সুগঠিত হওয়ার পাশাপাশি ছেলেদের শিশ্ন (পেনিস) ও অণ্ডকোষ এই সময়ে আকৃতিতে বড় হতে থাকে। এই বৃদ্ধি ঘটতে থাকে ৩০ বছর পর্যন্ত। এ ছাড়া পেনিসে রক্ত ও অক্সিজেন সঞ্চালন বৃদ্ধি হতে থাকলে ছেলেদের পেনিস সময়ে সময়ে দৃঢ়তা বা শক্ত হয়ে ওঠে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলেদের পেনিসে ও অণ্ডকোষে শুক্রানো তৈরি হয় এবং তা অণ্ডকোষে জমা হতে থাকে। বইটির ১২১ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে ছেলেদের বয়ঃসন্ধিতে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লোম বা পশম গজাতে থাকে। প্রথমে পেনিসের গোড়ার দিকে লোম গজালেও পরে এই লোম আস্তে আস্তে পেনিসের উপরের দিকেও ছড়িয়ে পড়ে। একই বইয়ের ১২২ পৃষ্ঠায় মেয়ের বিভিন্ন অঙ্গের যেভাবে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তা আরো আপত্তিকর। বলা হয়েছে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের বেশি অংশজুড়েই পরিবর্তন আসতে থাকে। মেয়ের স্তনগ্রন্থি, অর্ধনিম্নাংশ, উরু, উপরের বাহু ও নিতম্ব অঞ্চল বেশি পরিবর্তন হয়। মেয়েদের শ্রেণী দেশীয় লোম বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর প্রধান লক্ষণ। প্রথম দিকে কেবল যোনিপথের চারপাশে ও উপরের দিকে হালকা ও ছোট লোম দেখা গেলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে লোমের বিস্তার বাড়তে থাকে এবং ঘনত্বও বাড়ে। একই সাথে মেয়ের উরুতে ও বগলেও চুল গজাতে থাকে। মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এই সময়ে তাদের দুই স্তনের মধ্যে শক্ত ও কোমল পিণ্ড দেখা যায়। স্তনের উভয় পাশেই ফুলে নরম হয়ে ওঠে। আর এটি হয় মূলত মেয়েদের স্তন অঞ্চলে মেদ সঞ্চয়ের কারণে। একই অধ্যায়ে আরো বলা হয়েছে এই সময়ে মেয়েদের যোনিপথ জরায়ু ও ডিম্বাশয়েরও পরিবর্তন এবং কাজের ধরনেও ব্যাপকতা আসে। প্রথম দিকে যোনিপথে দিয়ে সাদাস্রাব বের হয়। এর দুই বছর পর থেকে যোনিপথ দিয়ে নিয়মিতভাবে মাসে রক্ত স্রাব বের হয়। এটাকেই মেয়েদের মাসিক বা পিরিয়ড বলা হয়। বইটির ১১৯ পৃষ্ঠায় এটাও বলা হয়েছে যে ছেলেমেয়েদের এসব হরমোন সেক্স বা লিঙ্গভিত্তিক হরমোন শিক্ষাই তাদেরকে পূর্ণতার দিকে নিয়ে যাবে। একটি সময়ে ছেলে এবং মেয়েরা তাদের বাহ্যিক প্রজনন অঙ্গগুলোর বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠবে। ক্লাস সিক্সের বইয়ে যৌনতার এসব বিষয়ে এত বেশি খোলামেলা আলোচনাকে ভালোভাবে দেখছেন না অধিকাংশ অভিভাবক ও শিক্ষকরা। তাদের মতে ক্লাসরুমে ছেলেমেয়ের গোপন অঙ্গ বিষয়ে বিশদ এত আলোচনার কোনোই প্রয়োজন ছিল না। কয়েক বছর আগের পাঠ্যবইয়েও এসব বিষয়ে এভাবে বিস্তারিত বর্ণনা ছিল না। তাই বলে কি সে সময়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো অজানা ছিল? বরং বেশি খোলামেলা আলোচনা হলেই বিপদের আশঙ্কা বেশি। ছেলেমেয়েরা লাজ শরম হারিয়ে ফেলে। তাদের মধ্যে বেহায়াপনা চলে আসে। অভিভাবকদের পক্ষেও তখন তাদের আর নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয় না। আর মেয়েদের কিছু বিষয় তারা তাদের মা খালা বা দাদী চাচীদের কাছ থেকেই বেশি জানতে পারে। বিশেষ করে মেয়েদের গোপন বিষয়গুলো এতবেশী খোলামেলাভাবে পাঠ্যবইয়ে আলোচনা করার প্রয়োজনই নেই। এ দিকে পাঠ্যবইয়ে নানা ধরনের অসঙ্গতি তুলে ধরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতারা। তারা এসব অপ্রকাশতুল্য বিষয়াদি পাঠ্যবই থেকে বাদ দেয়ারও দাবি জানিয়েছেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শাইখুল হাদিস গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম এ বিষয়ে বলেন, কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বেহায়াপনা বাড়াবে এমন বিষয় পাঠ্য বইয়ে থাকা কোনো মতেই উচিত নয়। একই সাথে পাঠ্যসূচি থেকে নাস্তিক্যবাদী ও বেহায়াপনার সাথে সম্পর্কিত শিক্ষা পরিহার করে সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। অবিলম্বে পাঠ্যবইয়ে বিতর্কিত অংশগুলো সংশোধন করারও দাবি জানান তিনি। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি ও ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রকীব বলেন, নতুন শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামবিদ্বেষী শিক্ষা সংযোজন এবং ইসলামী শিক্ষা সঙ্কোচন করে ছাত্রছাত্রীদের নাস্তিক্যবাদী বানাবার ষড়যন্ত্র চলছে। ৯৫ ভাগ মুসলমানদের এই দেশে লাজ লজ্জাহীন কোনো বিষয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন দেশবাসী মেনে নেবে না। এ ছাড়া কিছু