এসো সংশোধনের পথে
Открыть в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Больше801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 дней
Архив постов
হযরত মাওলানা শাহ সৈয়দ আবরারুল হক রহ. এর মালফুযাতঃ
৭১. ইরশাদ করেনঃ
উস্তাদগণ অভিযোগ করে থাকেন যে, আজকাল ছাত্ররা আমাদের খেদমত করে না। আসল কথা হলো, তাদের সাথে আমাদের যে সম্পর্ক রয়েছে তা শুধু আইনগত সম্পর্ক। তাদের প্রতি আমাদের মায়া-দয়ার খুব অভাব। এহেন অবস্থায় তাদের থেকে অধিক খেদমতের আশা করা যায় না। আমাদের আইনগত সম্পর্কের দ্বারা তাদের অন্তরে মুহাব্বাত ও আযমত পয়দা হয় না। হাদীসে বলা হয়েছে-
ليس منّا من لم يرحم صغيرنا ولم يؤقر كبيرنا
অর্থ: ‘যে ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের শ্রদ্ধা করে না সে আমার দলভুক্ত নয়।’ [সূত্র: ত্বাবারানী, পৃষ্ঠা-১১/৩৫৫, হাদীস নং-১২২৭৬]
৭২. ইরশাদ করেনঃ
একবার শিক্ষক নিয়োগের সময় নূরানী কায়দার পরীক্ষা হবে শুনে এক শিক্ষক সাহেব নেহায়েত অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আমি ছাত্র জীবনে সর্বদা প্রথম স্থানে উত্তীর্ণ হয়েছি। আমার সনদে সমস্ত নাম্বার বিদ্যমান রয়েছে। এ কথার অর্থ ছিল যে, তিনি নূরানী কায়দার পরীক্ষা দিতে সম্মত নন। উত্তরে তাকে বলা হল, আপনার সনদে নূরানী কায়দার নাম্বার উল্লেখ নাই। অতঃপর নূরানী কায়দার একজন না-বালেগ ছাত্রকে ডেকে এনে সবক শুনানো হলে সেই শিক্ষক নিজেই বলতে লাগলেন যে, সত্যিই এ বাচ্চাটি আমার চেয়ে অধিক সহীহ করে পড়তে সক্ষম। তখন তাঁকে বলা হল, যদি এই বাচ্চার সামনে আপনাকে ইমাম বানানো হয় তাহলে এর অন্তরে কি আপনার কোন মূল্য থাকবে? যা হোক পরিশেষে তিনি বিষয়টি অনুধাবন করতে সক্ষম হন।
৭৩. ইরশাদ করেনঃ
মাদরাসার ফারেগ ছাত্রদের পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের পরীক্ষা নেয়া উচিৎ। তারা ইমাম নিযুক্ত হয়ে ইমামতিতে তিলাওয়াত করলে নামাযের ক্ষতি তো হয়-ই, সাথে সাথে বদনামও হয়। যে মাদরাসা থেকে ফারেগ হয়ে সনদ প্রাপ্ত হয়, সে মাদরাসা ও কর্তৃপক্ষেরও বদনাম হয়। কমপক্ষে ফারেগ ছাত্রদের দুই পারা পরিমাণ অবশ্যই মুখস্থ করানো উচিৎ, যাতে সুন্নাত মুতাবিক ইমামতি করতে সক্ষম হয়।
৭৪. ইরশাদ করেনঃ
আমি এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, সেখানে গোপনে কৌশলে আমার ফটো তুলে নেয়। তারা ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করে এবং ফটো তুলেনি বলে জানায়। তারা বলে বিচ্ছুরিত আলো ক্যামেরার নয় বরং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের। কিন্তু আমি ধমক দিয়ে ক্যামেরাটি হস্তগত করি এবং বলি আমার সম্মুখে নেগেটিভ ধ্বংস করতে হবে, অন্যথায় এখনিই আমি এখান থেকে বিদায় নেব আর কোনদিন এ বাড়িতে কদম রাখবো না। আমার এই কঠোর ভূমিকায় তাদের দেমাগ ঠিক হয় এবং তারা আমার সামনেই ঐ নেগেটিভ ধ্বংস করে ফেলে। যেহেতু আমরা গুনাহের ব্যাপারে নমনীয় ভাব পোষণ করি তাই আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গুনাহের ভয়ানক স্রোত বয়ে চলেছে। আমাদের মধ্যে গুনাহ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার অনুভূতি বিলুপ্ত হয়ে পড়েছে। চায়ের কাপে মাছি পড়তে পারে না, ঘরে সাপ-বিচ্ছু প্রবেশ করতে দেয়া হয় না, কিন্তু চোখের সামনে ঈমান-আমল ধ্বংসকারী সাপ-বিচ্ছু পেটের ভিতরে প্রবেশ করে সবকিছু ধ্বংস করছে অথচ আমরা নির্বিকার।
৭৫. ইরশাদ করেনঃ
হযরত হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদে মিল্লাত শাহ আশরাফ আলী থানভী রহ. এর ব্যক্তিত্ব সর্বজন স্বীকৃত| তাঁর অসংখ্য ছাত্র, মুরীদ ও ভক্তবৃন্দের কথা কে না জানে? কিন্তু অধিক লোকের সমাবেশ এবং বড় জামাআতের উদ্দেশ্যে তার জানাযাকে মোটেই বিলম্বিত করা হয়নি। এ সম্পর্কে হযরত মহিউসসুন্নাহ স্বচক্ষে দেখা ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে, মাশাআল্লাহ. মাওলানা শাব্বীর আলী থানবী এ ব্যাপারে অত্যন্ত দৃঢ়তা আর সাহসিকতার পরিচয় দেন। যখন থানভী রহ.-এর জানাযার সময় হল তখন খবর এলো যে, হযরত থানভীর অসংখ্য ভক্তবৃন্দ নিয়ে একটি বিশেষ ট্রেন সাহারানপুর থেকে থানাভবনের পথে আছে, অনতিবিলম্বে তা থানাভবনে এসে পৌঁছুবে। তাই জানাযায় একটু বিলম্ব করা হোক, যাতে অনেক লোক শরীক হয়ে সৌভাগ্য লাভ করতে পারে, আর জামা‘আতও অনেক বড় হয়। কিন্তু মাওলানা শাব্বীর আলী সাহেব জানাযা বিলম্বে মোটেও সম্মত হননি। অতঃপর তৎক্ষনাৎ হযরত জাফর আহমদ উসমানীর ইমামতিতে জানাযার জামা‘আত অনুষ্ঠিত হয়। এবং দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।
৭৬. ইরশাদ করেনঃ
হযরত মুহিউসসুন্নাহ রহ. আবেগ ও ভক্তি-শ্রদ্ধার বশীভূত হয়ে শরী‘আতের কিঞ্চিৎ এদিক সেদিক করাকে মোটেও পছন্দ করতেন না এবং প্রশ্রয়ও দিতেন না। তিনি বলতেন যদি শরী‘আতের উপর আমল করার কারণে কারোর কষ্ট হয় তাহলে করার কিছু নেই। শরী‘আতের অনুসরণকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। শরী‘আতের মর্যাদার কথা চিন্তা করে অন্য সব ফায়দা ও লাভের কথা বাদ দিতে হবে। কে কি বলল তার প্রতি তোয়াক্কা করা যাবে না।
৭৭. ইরশাদ করেনঃ
হযরত মুহিউসসুন্নাহ রহ. বলেন, এক লোক আমাকে এসে বলে যে, অমুকের বিবাহের অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে খুব ব্যথিত হয়েছি। কেননা এই মুবারক অনুষ্ঠানে ফটো ও ভিডিও করা হয়েছে এবং গান-বাদ্য ও নাট্যানুষ্ঠান হয়েছে। সামাজিক সৌহার্দ্যতা রক্ষার্থে আমাকেও সেখানে অংশ গ্রহণ করতে হয়েছে। বিরুদ্ধাচরণ সম্ভব হয়নি। আমি তাকে উদ্দেশ্য করে বললাম-যদি আহারের সময় স্বর্ণ-রুপার পাত্রে খাদ্যের সাথে মশা-মাছির চাটনি পেশ করা হতো তাহলে সামাজিক সৌহার্দ্য রক্ষার্থে তা ভক্ষণ করতেন? নাকি অ
অধিক প্রশ্নের উৎস আমল না করা
কামালাতে আশরাফিয়া থেকে
মালফূয নং ১১৭৬
হযরত থানভী রহঃ বলেন, অধিক প্রশ্ন করার উৎস হলো কাজ না করা। (অতি সূক্ষ্ম বিষয়) যার কাজ করার ইচ্ছা আছে, সে তো সামান্য হুকুম পেলেই তামিল করতে আরম্ভ করে। সে তো বরং ভয় করে যে, জিজ্ঞেস করলে আবার কঠিন কাজ চেপে না বসে। তখন হয়তো আমার দ্বারা সে কাজ করা সম্ভব হবে না। আর যার কাজ করার ইচ্ছা থাকে না, সে-ই যতো বক্তব্য ঝাড়ে।
http://t.me/pathofisla
টাকা গননা করা প্রসংগে দুটি কথা---
টাকা গননা করার ক্ষেত্রে টাকার 'বুকের দিক' নিচের দিকে রেখে আর 'পিঠের দিক' উপরের দিকে রেখে গননা করা উচিত। কারন টাকার বুকের দিকে প্রানীর ছবি যুক্ত থাকে, যা না দেখা উচিত।
আপনি যদি টাকার পিঠের দিক উপরের দিকে রেখে গননা করেন, তাহলে আপনাকে প্রানীর ছবি দেখতে হবে না। এটা হচ্ছে দীনী ফায়দা।
আর দুনিয়াবী ফায়দা হচ্ছে- টাকা ছিড়া থাকলে তা সহজেই আপনার নজড়ে পরবে। কারন ছিড়া টাকায় তালি বা পট্টি পেছনের দিকেই লাগানো থাকে।
আল্লাহ পাক আমাদেরকে আমল করার তৌফিক দান করুন।আমীন
- রবিউল আকরাম
http://t.me/dinimazlis
- বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা।
t.me/qaumimalfuzat
- বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা।
t.me/qaumimalfuzat
যার বয়ান শোনে উলামারাও হতভম্ব-
- বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা।
t.me/qaumimalfuzat
হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর মালফূয শুনুন তাঁরই সুযোগ্য খলিফা আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ শামসুজ্জামান ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব টাঙাইলের হযরতের জবান থেকে।
হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ বলেন, হযরতওয়ালা করাচী রহঃ বলতেন, "তোমরা আমার কথা শোনো; একদিন তোমাদের কথাও (মানুষ) শোনবে। আমিও একদিন ভাবতাম না যে, মানুষ আমার কথা শোনবে কিন্তু আমি যে শায়েখ আব্দুল গণী ফুলপুরী রহঃ এর সাথে থেকেছি। সেই সাথে থাকার ফল এখন অনুভব করছি...........
আসুন বাকীটুকু হযরতওয়ালার জবান থেকেই শুনি।
https://t.me/pathofisla
হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর মালফূয শুনুন তাঁরই সুযোগ্য খলিফা আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ শামসুজ্জামান ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব টাঙাইলের হযরতের জবান থেকে।
হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ বলেন, হযরতওয়ালা করাচী রহঃ বলতেন, আমার খানক্বাহ, মাদরাসা, মসজিদ যা দেখো এগুলো সব নজরের হেফাযতের বদলে আল্লাহ্ আমাকে দিয়েছেন।"
https://t.me/pathofisla
রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ্ শাইখুল আরব ওয়াল আজম হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর একজন গুমনাম খলিফা আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ শামসুজ্জামান ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব টাঙ্গাইল ২০১৭ ঈসায়ীতে খানক্বাহ নূরুল আখতার ওয়াল হিকমাহ্, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ এর তিন দিন ব্যাপী বার্ষিক ইছলাহী ইজতেমার দ্বিতীয় দিন আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে অত্যন্ত গূরুত্বপুর্ণ ইছলাহী নসীহত করেন।
সময়ঃ বাদ মাগরিব।
হযরতওয়ালার বয়ানের শেষে করাচীর হযরতের আরেক প্রখ্যাত খলিফা হযরত মুফতী নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ তাশরিফ আনেন। ঐ সময় মনে হচ্ছিল যেন নূরের বৃষ্টি বর্ষিত হচ্ছে। এই দুটি চোখ কখনো এরকম নূর অনুভব করেনি। মনে হচ্ছিল যেন আনন্দের আতিশয্যে লাফ দেই ! পাশাপাশি বাসা ছিলেন হযরতওয়ালা করাচী নাঃ মাঃ এর তিনজন খাস খলিফা। হযরত মাওলানা সাঈদ নূর ছাহেব দাঃ বাঃ, টাঙাইলের হযরত মাওলানা শামসুজ্জামান ছাহেব দাঃ বাঃ এবং খুলনার হযরত মুফতী নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ।
অতি শীঘ্রই খুলনার হযরতের বয়ান আপলোড দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। বয়ান পেতে সাথেই থাকুন।
https://t.me/pathofisla
নিজের থেকে শাইখের অভ্যাসসমূহের অনুসরণ করবে
কামালাতে আশরাফিয়া থেকে
মালফূয নং ৭৩৯
এক মওলবী ছাহেব বললেন, আমার কোনো ভুল হলে আমাকে ধরে দিবেন।
হযরত থানভী রহঃ বললেন, আমি কি পুলিশ বিভাগের সৈনিক যে, সবসময় তোমার পিছনে ডাণ্ডা নিয়ে ঘুরবো। একটা একটা করে কতক্ষণ ধরবো। তোমাদের উচিত, আমাকে দেখতে থাকা এবং আমার অভ্যাসসমূহ গ্রহণ করতে থাকা।
https://t.me/pathofisla
লৌকিকতা ও কৃত্রিমতা ইখলাসের পরিপন্থী
কামালাতে আশরাফিয়া থেকে
মালফূয নং ৮০৫
হযরত থানভী রহঃ বলেন, যা প্রশ্ন করা হবে, নিঃসংকোচে স্পষ্ট ভাষায় তার উত্তর দেওয়া উচিত। প্যাঁচানো বা অস্পষ্ট শব্দ কখনোই ব্যবহার করা উচিত নয়। লৌকিকতা ও কৃত্রিমতা- যা বর্তমানে মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে- ইখলাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক জিনিস।
https://t.me/pathofisla
📢📢বিশেষ ঘোষণা📢📢📢
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল এই চ্যানেলে রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ্ শাইখুল আরব ওয়াল আজম হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর একজন গুমনাম খলিফা আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ শামসুজ্জামান ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব টাঙ্গাইলের ইছলাহি বয়ান আপলোড দেওয়া হবে।
বয়ান পেতে নিচের চ্যানেলে জয়েন দিন ⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️⬇️
https://t.me/pathofisla
এই চ্যানেলে এখন থেকে রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর সুযোগ্য খলিফা গুমনাম বুজুর্গ আরেফবিল্লাহ্ মুহিউস সুন্নাহ্ আলহাজ্ব হাফেয হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর ছাহেব দাঃ বাঃ পীর ছাহেব মানিকগঞ্জ এর মূল্যবান বয়ান এবং মালফূয আপলোড দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ্।
t.me/khanqaSN
রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ্ হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর কবিতাঃ
"এই পৃথিবীতে যদি আমি শান্তি পাইয়া থাকি তবে তাহা পাইয়াছি আল্লাহ্ওয়ালাদের দুয়ারে গিয়া। অতএব অন্তর দিয়া তাহাদের দুয়ারকেই কেন আমি আমার ঠিকানা বানাইব না?"
-আত্বার ব্যাধি ও প্রতিকার
পৃষ্ঠা ৭৭
https://t.me/pathofisla
আমিও যাব একদিন✈️
বুধবার। জুলাইয়ের শেষভাগ। সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল, তবুও বৃষ্টি থামার লক্ষণ নেই। আগামীকাল সকাল সাতটায় আব্বু-আম্মু আল্লাহর ঘরের যিয়ারতে রওয়ানা হবেন। সন্ধ্যার পর টিপটিপ বৃষ্টির মধ্যেই বেরিয়ে পরলাম এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে; আল্লাহ্র ঘরের মেহমানদের বিদায় জানাতে। মহাখালীর প্রচন্ড যানজট কাটিয়ে আমরা একসময় হাজী ক্যাম্পে পৌছলাম। বেশিক্ষণ থাকা হল না এখানে। আব্বু-আম্মুকে বিদায় দিয়ে ভারাক্রান্ত মনে বাসায় ফিরলাম। ভাঙা-ভাঙা ঘুমে কেটে গেলো রাতটা। ফজরের সময় আব্বুকে ফোন দিলাম। জানালেন সকাল সাতটা ত্রিশে ফ্লাইট। নাস্তা সেরে ছাদে গেলাম; বিমানটাকে যদি একনজর দেখা যায়! মিনিট দশেক পর বাতাস কেটে কানে আসল বিমানের আওয়াজ। আমার সন্ধানী চোখদুটো খোলা আকাশে ছুটোছুটি শুরু করলো। হঠাৎ পূব আকাশের মেঘ চিরে বেরিয়ে এল বিশাল বিমানটা। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম সেদিকে। মনটা আনচান করে উঠলো- কবে যাব আমিও আল্লাহ্র ঘরে! এবং কবে দেখব নিজের চোখে প্রিয় নবীর প্রিয় শহর!! অজান্তেই চোখ থেকে গড়িয়ে পড়লো দু-ফোটা তপ্ত অশ্রু (অসম্পূর্ণ)
রাবেতা
রাবেতায়ে আবনায়ে রাহমানিয়ার মুখপত্র
জানুয়ারী ফেব্রুয়ারি ১৯
http://t.me/pathofisla
