ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 день
Архив постов
করোনা ভাইরাসে করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বয়ান -মুফতী আবদুল কাদির কাসেমী দা: বা: দাওরা ও ইফতাঃ দারুল উলূম দেওবন্দ, ভারত মুহতামিমঃ মাদরাসা বাইতুল হাবীব স্থানঃ মাদরাসা বাইতুল হাবীব, লাহেরীপাড়া, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী সময়ঃ ৩০/০৩/২০ ঈসায়ী সোমবার বাদ আসর http://t.me/pathofisla

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সভাকক্ষে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি ও শীর্ষ স্থানীয় ওলামায়ে কেরামের উপস্থিতিতে চলমান পরিস্থিতির উপর এক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে খতীবুল ইসলাম আরেফ বিল্লাহ মুফতি জাফর আহমাদ সাহেব দামাত বারকাতুহুম এর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান

ছবি তোলা নিয়ে একটি ভয়ানক স্বপ্ন একদিন ফজরের নামাযের পরে একজন আলেমের সাথে হাটছিলাম। ছবি তোলা, ভিডিও করার ভয়াবহতা এবং বর্তমানে এই গুণাহের ব্যাপকতা নিয়ে কথা হচ্ছিল। তো প্রসঙ্গক্রমে তিনি একটি বাস্তব ঘটনা শোনালেন। তিনি বললেন, আমার এক চাচাতো ভাই (যার বয়স আনুমানিক ১৯) প্রায় তিন বছর আগে মারা গেছে। তার মারা যাওয়ার কিছুদিন পর তার মা একটি ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে ঘাবড়ে যায়। তার মা আমাকে ডেকে নিয়ে সেই স্বপ্নের কথা বলে। তিনি স্বপ্নে দেখেন, তার ছেলে তাকে বলছেন, আমি জান্নাতে যেতে পারছিনা কারণ ফেসবুকে আমার ছবি আছে। পরে তার বন্ধু-বান্ধবদের এই বিষয়টি জানানো হলে তারা সেই ছেলের আইডিতে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু পাসওয়ার্ড জানা না থাকার কারণে ঢোকা সম্ভব হয়নি। ফায়দাঃ ছবির ব্যাপারে রাসূলে আক্বদাস ﷺ হাদীস শরীফে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তা'আলা যাদের প্রতি ভীষণ নারাজ হবেন তাদের মধ্যে ছবি অঙ্কনকারীও (বিনা কারণে ছবি তুলনেওয়ালাও) শামিল। স্বপ্ন কখনো সত্য হয় কখনো হয় না। কিন্তু উপরে বর্ণিত স্বপ্নটিকে কোনভাবেই অবহেলা করার সুযোগ নেই। সেই ছেলেটি জান্নাতে যাক বা না যাক তবুও তার কথাতে হাদীস শরীফে বর্ণিত কঠিন শাস্তির আভাষ পাওয়া যায়। আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সকলকে নিষ্প্রয়োজনে ছবি তোলা, ভিডিও করা এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংঘটিত যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে পরহেজ থাকার তাওফিক দান করেন। http://t.me/pathofisla

২৭-০৩-২০২০ করোনাভাইরাস : মহামারীর ব্যাপারে মুসলমানের আক্বিদা ও করণীয় জামি‘আ রাহমানিয়া, (রাহমানিয়া মাদরাসা) ঢাকা। - মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামিয়া রহমানিয়া, মুহাম্মাদপুর,ঢাকা।

সাপ, বিচ্ছু, উইপোকা, পিপীলিকা এবং পঙ্গোপালসহ যেকোন হিংস্র জন্তু দমনের আমল অনিষ্টকর কীট-পতঙ্গ, পোকা-মাকড় এবং যাবতীয় হিংস্র প্রাণীর অনিষ্ট হইতে হেফাজতের জন্য এই আমলটি খুবই উপকারী বলিয়া প্রমাণিত। নিয়ম এই- নিম্নের আয়াতগুলি কাগজে লিখিয়া মাটির নিচে পুতিয়া রাখিবে অথবা কোন সুবিধাজনক স্থানে লটকাইয়া রাখিবে। আয়াতগুলি এই- بِسۡمِ ٱللّٰهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ ۝ إِنَّهٗ مِن سُلَیۡمَـٰنَ وَإِنَّهٗ بِسۡمِ ٱللّٰهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ ۝ أَلَّا تَعۡلُوا۟ عَلَیَّ وَأۡتُونِی مُسۡلِمِینَ۝ [সূরা নামল, আয়াত-(৩০-৩১)] یَـٰۤأَیُّهَا ٱلنَّمۡلُ ٱدۡخُلُوا۟ مَسَـٰكِنَكُمۡ لَا یَحۡطِمَنَّكُمۡ سُلَیۡمَـٰنُ وَجُنُودُهٗ وَهُمۡ لَا یَشۡعُرُونَ۝ [সূরা নামল, আয়াত-১৮] فَلَنَأۡتِیَنَّهُم بِجُنُودࣲ لَّا قِبَلَ لَهُم بِهَا وَلَنُخۡرِجَنَّهُم مِّنۡهَاۤ أَذِلَّةࣰ وَّهُمۡ صَـٰغِرُونَ۝ [সূরা নামল, আয়াত-৩৭] یُرۡسَلُ عَلَیۡكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارࣲ وَّنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ۝ [সূরা আর রহমান, আয়াত-৩৫] فَسَیَكۡفِیكَهُمُ ٱللّٰهُۚ وَهُوَ ٱلسَّمِیعُ ٱلۡعَلِیمُ۝ [সূরা বাকারাহ, আয়াতাংশ- ১৩৭] وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِیثَةࣲ كَشَجَرَةٍ خَبِیثَتِ نِ ٱجۡتُثَّتۡ مِن فَوۡقِ ٱلۡأَرۡضِ مَا لَهَا مِن قَرَارࣲ۝ [সূরা ইবরাহীম, আয়াত-২৬] كَأَنَّهُمۡ یَوۡمَ یَرَوۡنَ مَا یُوعَدُونَ لَمۡ یَلۡبَثُوۤا۟ إِلَّا سَاعَةࣰ مِّن نَّهَارِۭۚ بَلَـٰغࣱۚ فَهَلۡ یُهۡلَكُ إِلَّا ٱلۡقَوۡمُ ٱلۡفَـٰسِقُوۡنَ۝ [সূরা আহকাফ, আয়াতাংশ-৩৫] وَإِذَا تَوَلَّىٰ سَعَىٰ فِی ٱلۡأَرۡضِ لِیُفۡسِدَ فِیهَا وَیُهۡلِكَ ٱلۡحَرۡثَ وَٱلنَّسۡلَۚ وَٱللّٰهُ لَا یُحِبُّ ٱلۡفَسَادَ۝ [সূরা বাকারাহ, আয়াত-২০৫] فَلَمَّا قَضَیۡنَا عَلَیۡهِ ٱلۡمَوۡتَ مَا دَلَّهُمۡ عَلَىٰ مَوۡتِهِۦۤ إِلَّا دَاۤبَّةُ ٱلۡأَرۡضِ تَأۡكُلُ مِنسَأَتَهٗۖ فَلَمَّا خَرَّ تَبَیَّنَتِ ٱلۡجِنُّ أَن لَّوۡ كَانُوا۟ یَعۡلَمُونَ ٱلۡغَیۡبَ مَا لَبِثُوا۟ فِی ٱلۡعَذَابِ ٱلۡمُهِینِ۝ [সূরা সাবা, আয়াত-১৪] قَالُوا۟ یَـٰمُوسَى ٱدۡعُ لَنَا رَبَّكَ بِمَا عَهِدَ عِندَكَۖ لَٸِن كَشَفۡتَ عَنَّا ٱلرِّجۡزَ لَنُؤۡمِنَنَّ لَكَ وَلَنُرۡسِلَنَّ مَعَكَ بَنِیۤ إِسۡرَ ٰ⁠ۤءِیلَ۝ [সূরা আ'রাফ, আয়াতাংশ-১৩৪] উপরের আয়াতগুলি লেখা শেষ হওয়ার পর সূরা ফাতেহা লিখিবে। যথাযথভাবে আমলটি করিলে আল্লাহর রহমতে সুফল পাইবে এবং যাবতীয় অনিষ্টকর প্রাণী দমন হইয়া যাইবে। আ'মালে কুরআনী -হযরত থানভী রহ. ভাষান্তরঃ মুহাম্মাদ খালেদ প্রকাশনায়ঃ আশরাফিয়া বুক হাউজ দোকান নং ৬, ইসলামী টাওয়ার, ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা প্রকাশকালঃ ২০১১ ঈসায়ী পৃষ্ঠা ১৭১-১৭২ http://t.me/pathofisla

নিচে একটি কার্যকরী আমল দেওয়া হলো। ব্রাউজিং করার সময় যাতে ওযূবিহীন অবস্থায় আয়াতের উপর হাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ারী সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার মজলিসে পুরুষদের সাথে আমাদের জন্য আসা সম্ভব হয় না। আমাদের জন্য একটি দিন ধার্য করুন, যাতে সেদিনটিতে আমরা আপনার নিকট আসতে পারি। তিনি বললেন- مَوْعِدُكُنّ بَيْتُ فُلَانَةَ অর্থাৎ নির্ধারিত দিন অমুক মহিলার ঘরে জমায়েত হও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে তাদেরকে ওয়ায নসীহত করলেন। (সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ২৯৪১; সহীহ বুখারী, হাদীস ১০১) লক্ষ্য করার বিষয়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের ওয়ায-নসীহত করার জন্য পুরুষদের দৃষ্টির আড়ালে বাড়ির ভেতর নির্জন স্থান নির্বাচন করেছেন। তাদের আবদারের প্রেক্ষিতে প্রকাশ্য স্থান যেমন মসজিদে নববী, ঈদগাহ বা ঘরের আঙ্গীনার কথা বলেননি। তিনি তাদেরকে বলেছেন- مَوْعِدُكُنّ بَيْتُ فُلَانَةَ ‘অমুক মহিলার ঘরে একত্রিত হও’। উপরন্তু শরীয়ত অনুমোদিত প্রয়োজন ছাড়া বোরকা পরেও নারীদের জন্য পুরুষদের সমাগম স্থলে যাওয়া থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে, যেখানে আসা যাওয়ার পথে ও অনুষ্ঠান স্থলে পরপুরুষের সাথে মেলা-মেশার আশঙ্কা থাকে। দ্বিতীয়ত শরীয়তের বিধান হল, স্বাভাবিক অবস্থায় মহিলাগণ পরপুরুষের দিকে তাকাবে না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- وَقُلْ لِّلْمُؤْمِنٰتِ یَغْضُضْنَ مِنْ اَبْصَارِهِنَّ. আর মুমিন নারীদেরও বলে দিন, তারা যেন (পরপুরুষ থেকে) তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে। [সূরা আননূর (২৪) : ৩১] হাদীস শরীফে এসেছে, উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন যে, একবার তিনি ও মাইমুনা রা. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলেন। তিনি বলেন, তখন সেখানে (অন্ধ সাহাবী) আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রা. আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমাদেরকে বললেন, তোমরা তার থেকে আড়াল হয়ে যাও। মাইমুনা রা. তখন বললেন, তিনি তো অন্ধ; আমাদেরকে দেখছেন না এবং চেনেনও না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- أَفَعَمْيَاوَانِ أَنْتُمَا؟ أَلَسْتُمَا تُبْصِرَانِهِ؟ তোমরা দু’জনও কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখছ না? (জামে তিরমিযী, হাদীস ২৭৭৮) প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহিলাদের জন্য পুরুষ বক্তাকে দেখানোর আয়োজন কুরআন-হাদীসের এই বিধানগুলোরও খেলাফ। প্রজেক্টরের মাধ্যমে ওয়ায দেখানোর ক্ষেত্রে বেগানা পুরুষকে দেখার বিষয়টি ছাড়াও আরো ফেতনার আশংঙ্কা রয়েছে। জানা কথা যে, বর্তমানে কোনো কোনো বক্তা নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন, যার কারণে তাকে সরাসরি দেখে কোনো যুবতী-নারী ফেতনায় পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতএব প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মাহফিল কমিটির কর্তব্য হবে, মহিলাদের জন্য মাহফিলে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা থেকেই বিরত থাকা। কেননা এর দ্বারা মহিলাদের ব্যাপারে শরীয়তের অনেকগুলো বিধান ও নির্দেশনার লঙ্ঘণ হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে তা পুরেপুরি নাজায়েযের আওতায় চলে যেতে পারে। তাই নিজেদের আবেগ ও চাহিদা অনুযায়ী আমল না করে শরীয়ত নির্দেশিত পন্থায় এবং শরীয়তের চাহিদা অনুযায়ী আমল করাই মুসলমানদের করণীয়। প্রকাশ থাকে যে, দ্বীনের জরুরি ইলম শিক্ষা করা নারীদের উপরও ফরয। তাদেরকে সঠিক ঈমান-আকীদা শিক্ষা দেওয়া, তালীম-তরবিয়ত করা খুবই দরকার। তবে এর পদ্ধতি হতে হবে অবশ্যই শরীয়তসম্মত। আর তা হল ঘরের পুরুষরা দ্বীন শিখে তাদের নারীদেরকে শেখাবে। এমনিভাবে বাড়িতে বাড়িতে ঘরোয়া দ্বীনী মাহফিল এবং ঘরোয়া দ্বীনী তালীমের আয়োজন করা। আর ঘর/বাসার কাছে অনাবাসিক তালীমুল বানাতের ব্যবস্থা থাকলে সেখানে গিয়ে দ্বীন শিখে আসতে পারে। এতে প্রত্যেক ঘরেই দ্বীনী তালীমের চর্চা হবে এবং ঘরে ঘরে দ্বীনী পরিবেশ কায়েম হবে- ইনশাআল্লাহ। https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3233/ http://t.me/pathofisla

আপনি যা জানতে চেয়েছেন রজব ১৪৪১ || মার্চ ২০২০ আব্দুর রহমান - বরিশাল ৫০৫৯. প্রশ্ন আমাদের মাদরাসায় প্রতি বছর বার্ষিক ওয়ায মাহফিল করা হয়, মাহফিলে পুরুষদের প্যান্ডেলের পাশাপাশি মহিলাদের জন্যও ভিন্ন প্যান্ডেলের ব্যাবস্থা করা হয়। মহিলা সমাগমও প্রচুর পরিমাণে হয়। মহিলারা প্রজেক্টরের মাধ্যমে সরাসরি বক্তার ওয়ায দেখে দেখে শুনতে ইচ্ছুক। এখন হযরতের নিকট প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবে প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহিলাদের ওয়ায শোনার ব্যবস্থা করা এবং তাদের জন্য মাহফিলে এসে এভাবে প্রজেক্টরের মাধ্যমে শোনা জায়েয হবে কি? দলীলসহ বিস্তারিত জানালে খুবই উপকৃত হতাম। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। উত্তরঃ মহিলাদেরকে মাঠে-ময়দানে ডেকে এনে ওয়ায শোনানোর আয়োজনটাই শরীয়তসম্মত নয়। কেননা মহিলাদের ক্ষেত্রে শরীয়তের নির্দেশনা হল, ইবাদত-বন্দেগী থেকে শুরু করে তাদের সকল কাজ পুরুষদের থেকে আলাদা হবে। তাদের অবয়ব ও চলাফেরা পুরুষদের দৃষ্টির আড়ালে থাকবে। পুরুষের জন্য যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামায মসজিদে এসে জামাতের সাথে আদায় করা শরীয়তের গুরুত্বপূর্ণ হুকুম। সেখানে নারীদেরকে গৃহাভ্যন্তরে নামায আদায় করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। মসজিদে নববীতে যেখানে এক রাকাত নামাযের ফযীলত এক হাজার রাকাত সমান। এর সাথে আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত ইমামের পেছনে নামায পড়ার সৌভাগ্য তো রয়েছেই। তা সত্ত্বেও সে সময় নারী সাহাবীদেরকে তাদের গৃহাভ্যন্তরের সর্বাধিক নির্জন স্থানে নামায পড়াকে উত্তম বলা হয়েছে। এর উল্টো এমন একটি হাদীসও নেই, যাতে মহিলাদেরকে সম্বোধন করে মসজিদে এসে জামাতের সাথে নামায পড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বা এর দিকে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত আছে- عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سُوَيْدٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَمّتِهِ أُمِّ حُمَيْدٍ امْرَأَةِ أَبِي حُمَيْدٍ السّاعِدِيِّ، أَنّهَا جَاءَتِ النّبِيّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنِّي أُحِبّ الصّلَاةَ مَعَكَ، قَالَ: قَدْ عَلِمْتُ أَنّكِ تُحِبِّينَ الصّلَاةَ مَعِي، وَصَلَاتُكِ فِي بَيْتِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلَاتِكِ فِي حُجْرَتِكِ، وَصَلَاتُكِ فِي حُجْرَتِكِ خَيْرٌ مِنْ صَلَاتِكِ فِي دَارِكِ، وَصَلَاتُكِ فِي دَارِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلَاتِكِ فِي مَسْجِدِ قَوْمِكِ، وَصَلَاتُكِ فِي مَسْجِدِ قَوْمِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلَاتِكِ فِي مَسْجِدِي، قَالَ: فَأَمَرَتْ فَبُنِيَ لَهَا مَسْجِدٌ فِي أَقْصَى شَيْءٍ مِنْ بَيْتِهَا وَأَظْلَمِهِ، فَكَانَتْ تُصَلِّي فِيهِ حَتّى لَقِيَتِ اللهَ عَزّ وَجَلّ. উম্মে হুমাইদ রা. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার সাথে নামায পড়তে খুব পছন্দ করি। তিনি বললেন, আমি জানি তুমি আমার সাথে নামায পড়তে পছন্দ কর। কিন্তু জেনে রাখ, তোমার ঘরের ভেতরের নামায বাহিরের কামরার নামাযের চেয়ে উত্তম। বারান্দার নামায চৌহদ্দির ভেতরের নামাযের চেয়ে উত্তম। চৌহদ্দির ভেতরের নামায তোমার এলাকার মসজিদে নামাযের চেয়ে উত্তম এবং তোমার এলাকার মসজিদের নামায আমার মসজিদের নামাযের চেয়ে উত্তম। বর্ণনাকারী বলেন, তখন উম্মে হুমাইদ রা.-এর নির্দেশে ঘরের সবচেয়ে নিভৃতে এবং অধিক আড়ালে তার জন্য নামাযের স্থান বানানো হয়। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি সেখানেই নামায আদায় করছেন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২৭০৯০) সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে অন্য বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেছেন- إِنّمَا النِّسَاءُ عَوْرَةٌ، وَإِنّ الْمَرْأَةَ لَتَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهَا وَمَا بِهَا مِنْ بَأْسٍ، فَيَسْتَشْرِفُ لَهَا الشّيْطَانُ، فَيَقُولُ: إِنّكِ لَا تَمُرِّينَ بِأَحَدٍ إِلّا أَعْجَبْتِهِ، وَإِنَّ الْمَرْأَةَ لَتَلْبَسُ ثِيَابَهَا، فَيُقَالُ: أَيْنَ تُرِيدِينَ؟ فَتَقُولُ: أَعُودُ مَرِيضًا، أَوْ أَشْهَدُ جِنَازَةً، أَوْ أُصَلِّي فِي مَسْجِدٍ، وَمَا عَبَدَتِ امْرَأَةٌ رَبّهَا مِثْلَ أَنْ تَعْبُدَهُ فِي بَيْتِهَا . নারীগণ আবরণীয়। কোনো নারী যখন নিজ ঘর থেকে বের হয় অথচ তার কোনো সমস্যা নেই; তখন শয়তান তার পিছু নেয় এবং বলতে থাকে, তুমি যার সম্মুখ দিয়ে যাবে তোমাকে তার ভালো লাগবে। আর কোনো মহিলা যখন কাপড় পরিধান করে তখন ঘরের লোকজন জিজ্ঞাসা করে তুমি কোথায় যাও? সে বলে যে, অমুক অসুস্থকে দেখতে যাই বা কারো জানাযা পড়তে যাই, অথবা বলে, মসজিদে নামাযে যাই। অথচ মহিলাদের কোনো ইবাদতই এর চেয়ে উত্তম নয়, যা সে নিজ গৃহে আদায় করে। (আলমুজামুল কাবীর তাবারানী, হাদীস ৮৯১৪; মাজমাউয যাওয়াইদ, বর্ণনা ২১১৮) এ বর্ণনাগুলো থেকে স্পষ্ট যে, মহিলাগণ শরীয়তসম্মত প্রয়োজন ছাড়া কোনো ইবাদত-বন্দেগির জন্যও ঘর থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও যাবে না। তাছাড়া স্পষ্টত নবীযুগের নারীরা পরবর্তী যে কোনো যুগের নারী অপেক্ষা দ্বীন শেখার প্রতি অধিক আগ্রহী ছিলেন। তারা যে পন্থায় দ্বীন শিখেছেন মূলত সেটাই আমাদের অনুসরণীয়। সহীহ বুখারী ও সহীহ ইবনে হিব্বানে বর্ণিত হয়েছে যে, একবার কিছুসংখ্যক ন

নিচে একটি লম্বা মাসআলা দেওয়া হলো। শুধু লিংক দিয়ে দেওয়া মুনাসিব মনে হলো না বিধায় পুরো লেখাটি দেওয়া হল।

করোনাভাইরাস মহামারীর কারন হচ্ছে প্রকাশ্য অশ্লীলতা আর টেলিভিশন হচ্ছে অশ্লীলতার আড্ডাখানা। অতএব অশ্লীলতার এই আড্ডাখানা থেকে নিজেকে বাচানোর ফিকির করা চাই। - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম) t.me/alokitojibon নতুন ইসলামী জীবন t.me/islamijibon key word for search : গুনাহ পোষ্ট নং ১০৯৮

আলহামদুলিল্লাহ পবিত্র শা'বান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। নতুন চাঁদ দেখলে (এই দু'আ) পড়বে اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ ، رَبِّي وَرَبُّك اللَّهُ . অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি এ চন্দ্রকে ঈমান ও নিরাপত্তা এবং শান্তি ও ইসলামের সাথে উদিত করুন, (এবং হে চাঁদ!) আমার ও তোমার প্রতিপালক এক আল্লাহ। (তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৬০/ মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৭৬৭) রজব ও শা'বান মাসে এই দু‘আ পড়বে اَللّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِى رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَان অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে রজব ও শা‘বান মাসের বরকত দান করুন এবং রমাযান পর্যন্ত আমাদের হায়াতকে দীর্ঘ করুন। (বাইহাকী ফী দাওয়াতিল কাবীর, খ. ২, পৃষ্ঠা-১৪২, হাদীস নং-৫২৯) https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

এক মিনিটে একটি মাসআলা মাসআলা ১৪ শাহ নেওয়াজ - কানাইঘাট সিলেট ৫০৬০. প্রশ্ন মুহতারাম মুফতী সাহেব দামাত বারাকাতুহুম! আমার দোকানের শপিং ব্যাগে বরকত ও মহব্বতের প্রকাশস্বরূপ এক পাশে ডিজাইন করে আল্লাহ ও অপর পাশে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লেখা। কিছুদিন আগে এক ভাই তা দেখে আপত্তি করেন। যে এতে নাকি আল্লাহর নামের অপব্যবহার ও অবমাননা হয়। জানার আগ্রহী যে, তার এ কথাটি ঠিক কি না? এটা নিয়ে এখন পেরেশানিতে আছি। সঠিক সমাধানটা দ্রুত জানালে উপকৃত হব। উত্তরঃ শপিং ব্যাগ মানুষ সাধারণত সংরক্ষণ করে রাখে না। কখনো তা ফেলে দেয় আবার কখনো যত্রতত্র রেখে দেয়। তাই আপনার উদ্দেশ্য ভালো থাকলেও এ কাজ করা ঠিক হয়নি। এখন আপনার উচিত হবে ব্যাগগুলো ক্রেতাদের না দেওয়া। আর যদি দিতেই চান তবে সেগুলো থেকে অবশ্যই ‘আল্লাহ’ ও ‘মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ লিখিত অংশটুকু মুছে দিতে হবে। -ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৪২৪; তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/১৬৭; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/৬৬; আলবাহরুর রায়েক ১/২০২; রদ্দুল মুহতার ৬/৩৮৬ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3234/ http://t.me/pathofisla

সন্তান প্রসবের সময় পর্দার ব্যাপারে অসতর্কতা সন্তান প্রসবের সময় দাই বা নার্সের সম্মুখে কেবল জরুরত পরিমাণই কাপড় খোলা যাইবে। উহার অতিরিক্ত নহে। চিকিৎসার কারণেও যদি দেহের কোন অংশ আবরণমুক্ত করিতে হয় তবে সেই ক্ষেত্রেও জরুরতের কথাটি স্মরণ রাখিবে। যেমন রানের উপর যদি ফোঁড়া হয় এবং ডাক্তারকে দেখাইতে হয় তবে কেবল ফোঁড়ার জায়গাটুকুই দেখাইবে, বেশী দেখাইবে না। এইরূপ অবস্থায় কোন পুরাতন কাপড় দ্বারা সমস্ত দেহ আবৃত করিয়া শুধু ফোঁড়ার জায়গাটুকু কাটিয়া দিলে ডাক্তার শুধু ফোঁড়ার জায়গাটুকু দেখিয়া লইবেন, আশেপাশে আদৌ দেখিতে পারিবেন না। কিন্তু চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা নারী ঐ ফোঁড়ার জায়গাটুকুও দেখিতে পারিবে না। অথচ মূর্খ মেয়েলোকেরা প্রসবকালে এইভাবে উলঙ্গ করিয়া লয় যে, উপস্থিত সকল মহিলারাই দেখিতে থাকে। এই গর্হিত পাপ-প্রথা সম্পূর্ণরূপে বর্জন করিবে। ইহা সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করিয়াছেন, সতর যে দেখিবে ও যে দেখাইবে, উভয়ের উপরই আল্লাহ্‌র লা'নত পড়িবে। এই বিষয়ে সকলেরই সতর্ক হওয়া আবশ্যক। গর্ভকালে এবং অন্য কোন কারণে যদি ধাত্রী দ্বারা পেট মালিশ করাইবার প্রয়োজন হয় তবে সেই ক্ষেত্রেও নাভীর নিচের অংশ খোলা জায়েয নহে। কোন কাপড় রাখিয়া উহার উপর দিয়া মালিশ করাইবে। বিনা প্রয়োজনে ধাত্রীকেও দেখানো যাইবে না। সাধারণতঃ পেট মালিশ করাইবার সময় ধাত্রীতো দেখে বটেই, সেই সঙ্গে মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদী, নানী, চাচী, মামী, ননদ ইত্যাদি বাড়ির অন্যান্য মহিলারাও দেখে। ইহা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। কাফের নারীদিগকেও পর্দা করিতে হইবে। তাহাদের সামনেও কেবলমাত্র হাতের পাতা, পায়ের পাতা এবং মুখ ব্যতীত দেহের অপর কোন অংশ এমনকি মাথার একটি চুলও খোলা জায়েজ নহে। সুতরাং ধাত্রী যদি হিন্দু-খ্রীস্টান ইত্যাদি অমুসলমান হয়, তবে প্রসবের সময় কেবল আবশ্যকীয় স্থান ব্যতীত হাতের কব্জির উপরের অংশ, পায়ের গোছা, গলা ও মাথা ইত্যাদি দেখাইলে গুণাহগার হইবে। তরবিয়তে আওলাদ (ইসলামের দৃষ্টিতে সন্তান প্রতিপালন) -হযরত থানভী রহ. পৃষ্ঠা ৩১ প্রকাশনায়ঃ মুহাম্মাদী লাইব্রেরী চকবাজার, ঢাকা-১২১১ http://t.me/pathofisla

রোগ-বালাই ও মহামারির মতো বালা-মুসিবতে কিছু কারর্ণীয় আমল বাতলে দেন। . হযরত মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম

করোনাভাইরাস : এই বিশ্বাস রাখবে—আল্লাহ তাআলা যদি তার তাকদীরে লিখে না থাকেন, তাহলে মহামারী তাকে আক্রান্ত করতে পারবে না। "আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একবার মহামারী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি উত্তর দিলেন—মহামারী ছিল একটা আযাব, আল্লাহ যার ওপর ইচ্ছা পাঠাতেন। তারপর আল্লাহ তাআলা মহামারীকে মুমিনদের জন্য রহমত বানিয়ে দিয়েছেন। কোনো বান্দা যদি মহামারী আক্রান্ত এলাকায় থাকে এবং সেখানে অবস্থান করে, তাহলে সেই অঞ্চল থেকে সে বেরুবে না। ধৈর্য ধারণ করবে এবং সওয়াবের প্রত্যাশায় থাকবে; এবং এই বিশ্বাস রাখবে—আল্লাহ তাআলা যদি তার তাকদীরে লিখে না থাকেন, তাহলে মহামারী তাকে আক্রান্ত করতে পারবে না। আর যদি আক্রান্ত হয়েই যায়, তাহলে তার জন্য রয়েছে একজন শহীদের সমপরিমাণ আজর ও প্রতিদান”। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং-৬৬১৯, ৫৭৩৪) Whatsapp এ ''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z

প্রথম সন্তান স্ত্রীর পিত্রালয়ে হওয়া জরুরী নহে আজকাল প্রায় সকল পরিবারেই ইহা জরুরী মনে করা হয় যে, প্রথম সন্তান স্ত্রীর পিত্রালয়েই হইতে হইবে। ফলে দেখা যায়- এই নিয়ম রক্ষা করার উদ্দেশ্যে সন্তান হওয়ার পূর্বে তড়িঘড়ি করিয়া তাহাকে পিত্রালয়ে পাঠাইবার ব্যবস্থা করা হয়। অথচ এই ক্ষেত্রে ইহা চিন্তা করা হয় না যে, এই সময়টি তাহার সফরের জন্য উপযোগী কিনা। এই ধরণের অসতর্কতার কারণেই অনেক সময় শিশু ও মায়ের স্বাস্থ্যের অপূরণীয় ক্ষতি হয় এবং পরবর্তীতে সারা জীবন উহার মাশুল দিতে হয়। অথচ একটি অপ্রয়োজনীয় নিয়ম রক্ষা করিতে গিয়াই এতো বড় ঝুঁকি গ্রহণ করা হইতেছে। অবস্থা দেখিয়া মনে হয় যেন তাহারা নিজেরাই শরীয়তের কোন নূতন বিধান বানাইয়া লইয়াছে। বিশেষতঃ যখন এইরূপ আক্বীদা করা হয় যে, এই নিয়ম রক্ষা না করিলে আমাদের কোন নহুসত (অমঙ্গল) কিংবা বদনাম হইবে তখন তো উহা আরো মারাত্নক। কারণ, নহুসত-কুলক্ষণ বা অমঙ্গলের আশঙ্কার সহিত শিরকের মিশ্রণ রহিয়াছে। আর বদনামের মিশ্রণ হইল অহংকারের সহিত। অহংকার হারাম হওয়ার বিষয়টি কুরআন-হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং এই সকল বিষয়ে আমাদের সকলেরই সতর্ক হওয়া আবশ্যক। তরবিয়তে আওলাদ (ইসলামের দৃষ্টিতে সন্তান প্রতিপালন) -হযরত থানভী রহ. পৃষ্ঠা ৩০ প্রকাশনায়ঃ মুহাম্মাদী লাইব্রেরী চকবাজার, ঢাকা-১২১১ http://t.me/pathofisla

ঘুমিয়ে থাকার চেয়ে অর্থহীন চেষ্টাও উত্তম হযরত থানভী রহ. বলেন, নেক কাজ করতে থাকো। যেভাবেই হোক নেক কাজ করতে থাকো। টুটা-ফাটাই করতে থাকো। কখনো এমন হয়ে থাকে যে, প্রথম প্রথম নিয়ম শৃঙ্খলার সাথে হয় না, মন বসে না। এর পরোয়া করো না। যেমন হয়ে ওঠে, আমল করো। যে দিন তাওফীক হয় করো। এ চিন্তা করো না যে, কাল তো করিনি, আজ করে কি লাভ? যেমন সম্ভব, তেমনই করে যাও। মাওলানা রূমী রহ. বলেন, "বন্ধু (আল্লাহ্‌ তা'আলা) এই ভঙ্গুরতাকেও পছন্দ করেন। ঘুমিয়ে থাকার চেয়ে অসম্পূর্ণ চেষ্টাও উত্তম। এ পথে অবিরাম কাঁটা-ছেঁড়া করতে হবে (পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে)। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থেমে থাকা যাবে না।" অর্থাৎ সবসময় এক ফিকির থাকতে হবে। যদিও আমলে ত্রুটি হোক, অনিয়মিতই হোক, তবুও হোক। একসময় তুমি পথ পাবেই। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ১০৯৮ পৃষ্ঠা ৪৭৯ বিঃ দ্রঃ মূল শেরটি দেখতে উক্ত কিতাবের ৪৮০ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। http://t.me/pathofisla

ফটোগ্রাফির ছবি এবং ডিজিটাল ক্যামেরায় বা #মোবাইলের ছবির মধ্যে কোন পার্থক্য নাই- - মুফতী মনসূরুল হক দা. বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামিয়া রহমানিয়া, মুহাম্মাদপুর,ঢাকা। বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে ছবি উঠানোর যে এক অত্যাধুনিক পদ্ধতি তথা ডিজিটাল ক্যামেরা আবিষ্কৃত হয়েছে তাতে যে ছবি তোলা হয় যদি তা স্ক্রিনে ধারণ করে সংরক্ষণ করা হয় চাই কাগজে বা অন্য কিছুর উপর তার প্রিন্ট দেয়া হোক বা না হোক সেটা মূলত ছবিই এবং এতে ছবির সকল উদ্দেশ্য পূর্ণমাত্রায় পুরা হয় সুতরাং আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে ডিজিটাল ক্যামেরা বা মোবাইলের ছবির পদ্ধতি যেমনই হোক না কেন তা প্রকৃত ছবি বলেই গণ্য হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বর্ণনা অনুযায়ী হারাম হবে । কোনো কোনো আলেম এটাকে জায়িয বলতে চেয়েছেন কারণ বাহ্যিকভাবে এটা ছবি মনে হয় না । কিন্তু লক্ষ্য উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে এটা ছবিই, কাজেই একে জায়িয বলার কোন অবকাশ নেই। (বুখারী হা.নং ৫৯৫০, উমদাতুল ক্বারী ১৫/১২৪, জাদীদ ফিকহী মাসাইল ১/৩৫০, আহাম মাসাইল জিনমে ইবতেলায়ে আম খ.১পৃ. ২০৩,২০১,২/২৬২) হাফছবি বানানোর বিধানঃ শুধু চেহারা বা মাথা সহকারে উপরের অর্ধাংশের ছবি বিনা প্রয়োজনে আঁকা কিংবা তোলা নাজায়িয ও হারাম। হযরত আবু হুরাইরা রাযি. বলেন, মাথার প্রতিকৃতির নাম হলো ছবি, আর যাতে মাথা নেই তা ছবি নয়। (শরহু মাআনিল আছার, খ.২পৃ.৩৩৯ নাসায়ী হা.৫৩৬৫ সহীহ ইবনে হিব্বান হা.৫৮৫৩ শরহুস সিয়ারিল কাবীর,সারাখছী খ.৪ পৃ.২১৯ ফাতহুল বারী খ.১০ পৃ.৪৭০) প্রয়োজনের সময় ছবি তোলার বিধানঃ পূর্বোল্লিখিত আলোচনার দ্বারা স্পষ্টভাবে বুঝা গেল যে, বিনা প্রয়োজনে কোনো প্রাণীর ছবি উঠানো সম্পূর্ণ হারাম চাই সেটা সম্পূর্ণ ছবি হোক কিংবা হাফ ছবি হোক, তবে বিশেষ কোন প্রয়োজনের কথা ভিন্ন, যেমন: শরয়ী কোন জরুরত বা জীবনোপকরণের নিহায়াত প্রয়োজনে বহির বিশ্বে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বা হজ্ব উমরার উদ্দেশ্যে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বাধ্য হয়ে পাসপোর্টের জন্য কিংবা ভিসার জন্য কিংবা ন্যাশনাল পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য ছবি তোলা বা এমন বিশেষ কোন মুহূর্তে ছবি উঠানো যেখানে মানুষের মুখমণ্ডল সনাক্ত করা আবশ্যকীয় হয় এ ধরনের একান্ত কোন প্রয়োজনে ছবি তোলার অবকাশ আছে। কেননা ফুকাহায়ে কিরাম একান্ত প্রয়োজনের ক্ষেত্রে হারাম হওয়ার বিধানটি শিথিলভাবে বিবেচনা করেছেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা হা.২৭১৭ শরহুস সিয়ারিল কাবীর খ. ৪পৃ.২১৮ তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম, তাকি উসমানী ৪/১৬৪) Whatsapp এ ''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z

দয়া করে ভাই কেউ ছবি তুলবেন না, ভিডিও করবেন না। এটা সম্পূর্ণ গুনাহের কাজ। বুখারী শরীফের শেষ দিকে হাদীস আছে, রাসূল ছাল্লাল্লাহ তাআলা আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন ও ভয়াবহ শাস্তি তাদের হবে যারা ছবি তুলবে ও ভিডিও করবে। একান্তই দ্বীনি যরুরত ব্যতীত অযথা ছবি তোলা ভিডিও করা গুনাহের কাজ। এই সমস্ত সীমালঙ্গনকারীরা কেয়ামতের দিন অত্যন্ত ভয়ংষ্কর আযাবে তারা পাকরাও হবে। আল্লাহপাক এই বিষয়টা আমাদের তওবা করার তাওফিক দান করেন। http://t.me/videoharam

18.3.2020 বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে সারা বিশ্বের সব ভাষায় পৌঁছানোর মতো বাদ ফজর গুরুত্বপূর্ণ মজলিস, খানকাহ এমদাদিয়া আশরাফিয়া ঢালকানগর, ঢাকা তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর আযীমুশশান বয়ান