Trade Vault Ltd. | Courses
Открыть в Telegram
2 336
Подписчики
Нет данных24 часа
-137 дней
-4330 день
Архив постов
গতকাল আমরা Trade Vault Lab সরকারিভাবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট একটি কক্ষে আমাদের অফিস করার অনুমিত পেয়েছি।
ট্রেডিং এ লস রিকোভারি নিয়ে ২টা পোস্ট করা আছে মেইন চ্যানেলে।
পড়ে নিতে পারেনঃ https://t.me/tradevaultltd/4958
ট্রেডিং চ্যানেলঃ @tradevaultltd
এখানে কোন রেফার সিস্টেম নেই। তাই ভয়ের কিছু নেই।
Airdrop Channel: @airdrowltd
সব ঠিকঠাক থাকলে ইনশাআল্লাহ এই মাসেই শেষের দিকে আমরা চট্টগ্রাম এ যাবো বিজনেস ট্রিপ এ।
চট্টগ্রামের পরিবেশ, সেখানকার সুযোগ সুবিধা যাচাইকরণ সহ অন্যান্য সকল বিষয়াদি ফাইনালাইজ করার জন্যই আমাদের এই ট্রিপ।
নতুন ২টা পার্টনারশিপে আমরা যাবো ইনশাআল্লাহ। একটাতে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিবে ট্রেড ভল্ট ল্যাব, এবং অপরটিতে কম্বাইন করে বিজনেস পরিচালিত করার প্লেন আছে।
৫-১০ দিনের এই যাত্রা শেষে ওয়ার্কশপ দিতে পারি আমরা।
ট্রেডিংয়ে আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু কে?
লস? ভুল এনালাইসিস? মার্কেটের বিপরীত মুভমেন্ট?
না — সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রু আপনি নিজেই,
যখন আপনি জানেন কী করতে হবে, কিন্তু করেন না।
আর এই "না করা"-র পেছনে যে মানসিক অবস্থা কাজ করে,
তার নাম হচ্ছে অলসতা।
এটা একটা নীরব ব্যর্থতা,
যেটা ধীরে ধীরে আপনার প্র্যাকটিস নষ্ট করে,
জ্ঞানকে ঠুনকো বানিয়ে ফেলে,
আর আপনাকে ঠেলে দেয় একই ভুল বারবার করার দিকে।
-Admin
সবার মতামত দরকার। হতে পারে ১ বাক্যে, হতে পারে ৫ বাক্যে। মতামত যেকেও দিতে পারেন।
আমরা সবার মতামতকে সম্মান জানাতে সদা প্রস্তুত❤️
একটা ৩ ঘন্টার ওয়ার্কশপ করতে চাচ্ছি। অর্থাৎ সারারাত চলবে। আনুমানিক ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত।
টপিকঃ বিজনেস ও ট্রেডিং।
আপনাদের মতামত কি??
লোভ কাকে বলে ট্রেডিংয়ে?
লোভ মানে শুধু বেশি চাই না।
ট্রেডিংয়ে লোভ মানেঃ
– সময়মতো প্রফিট নিতে না পারা
– প্ল্যান করে রাখলেও, তা ভেঙে ফেলা
– বড় লাভের লোভে পজিশন ধরে রাখা
– সবসময় “আরও একটু” বলার অভ্যাস
এই আরও একটু হচ্ছে ট্রেডিংয়ের সবচেয়ে বিষাক্ত বাক্য।
গতকালকে আমার জীবনের সবথেকে বড় একটা ধাক্কা লাগে আমার লেখা বই এর ২য় সংস্করণ যেটা লেখা প্রায় শেষ হয়ে গেছে; Microsoft Word থেকে সব গায়েব হয়ে গেছে। সাথে আমার একাউন্টও লক হয়ে গেছে। 😔💔
Repost from N/a
Gaza-তে Israeli Attack-এ ৩০ জনের মৃত্যু💔
Al Jazeera-এর খবরে বলা হয়েছে, গতকাল থেকে Gaza-তে Israeli forces-এর attack-এ কমপক্ষে ৩০ জন Palestinian মারা গেছে। Gaza-র Health Ministry বলছে, হাসপাতালে medical supplies খুবই কমে গেছে, যেটা dangerously low level-এ পৌঁছে গেছে। এছাড়া, গত মাসে ১৫ জন emergency worker-দের ওপর attack নিয়ে নতুন video footage বেরিয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ambulance-এর emergency lights জ্বালানো ছিল।
@thecryptotodays
প্রিয় কমিউনিটি! আজকে আমার ফাইনাল এক্সাম ছিল রোবোটিক্স এর উপর।
বিষয় ছিল Industrial Robot Operation & Troubleshooting (Advance).
সকাল ৯টা থেকে রাত ৭:৩০টা পর্যন্ত একটানা ৪টা পরিক্ষার মাধ্যমে সবগুলাতে আলহামদুলিল্লাহ বেস্ট পারফর্ম করে ৯৫% মার্ক নিয়ে উত্তীর্ণ হতে পেরেছি!
একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হবার পাশাপাশি এখন অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারও বটে!
অটোমেশনে সময় দিয়েছি টানা ১.৫ বছর।
এখন থেকে আপাদত আপনাদেরকে সময় দিবো ইনশাআল্লাহ! ❤️
Trade War / Tariff War শুরু হয়ে গেছে, আপনারা কি দেখতেছেন??
মজা পাবেন! একে অপরের উপর পাল্টাপাল্টি শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতেছে।
দিনশেষে লস ও মা***রা খাচ্ছে রিটেইল ট্রেডাররা।
হুট করেই একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই শুনবেন সোনার দাম আকাশে উড়তেছে পাখনা মেলিয়ে! ❤️
Repost from N/a
২০১৮ সালে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম চায়নার পণ্যে শুল্ক চাপিয়েছিলেন, তখন থেকেই আমেরিকা-চায়নার ট্রেড যুদ্ধের গল্প শুরু। সেই লড়াইয়ে আমেরিকার কৃষকরা প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের লস খেয়েছিলেন, কারণ চায়না তাদের সয়াবিন ও শুকরের মাংস কেনা বন্ধ করে দেয়।
২০২০ সালে "ফেজ ওয়ান ডিল" নামে একটা সমঝোতা হয়, যেখানে চায়না প্রতিশ্রুতি দেয় ২০০ বিলিয়ন ডলারের আমেরিকান পণ্য কিনবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি রাখা হয়নি।
এখন ২০২৫ সালে ট্রাম্প আবার ফিরে এসে আবার শুল্কের ঝড় তুলেছেন। এবার চায়নার পণ্যে ৬০% পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব এসেছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ১০০% ছাড়িয়ে যাওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে মার্চ-এপ্রিলে এই শুল্ক বাড়তে থাকে—প্রথমে ১০%, তারপর আরও ১০%, এবং সর্বশেষ ৩৪% পর্যন্ত। চায়নাও চুপ করে নেই। তারা আমেরিকার কৃষিপণ্যে ১৫% এবং অন্যান্য পণ্যে ১০-৩৪% শুল্ক বসিয়েছে, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে। চায়না বলছে, "এটা ট্রেড যুদ্ধই হবে, আর আমরা শেষ পর্যন্ত লড়বো।"
এই লড়াইয়ের আঁচ আমাদের বাংলাদেশেও লাগছে। ২০১৮-১৯ সালে আমরা সুবিধা পেয়েছিলাম—চায়নার ওপর শুল্ক বাড়ায় আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানি বেড়ে যায়। কিন্তু এবার ছবিটা অন্যরকম। আমেরিকা যদি সব আমদানি পণ্যে ১০-২০% শুল্ক বসায় এবং বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭% পর্যন্ত শুল্ক আসে, তাহলে আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। তবে আশার কথা, চায়না-ভিয়েতনামের মতো প্রতিযোগীদের ওপর শুল্ক আরও বেশি হলে আমরা এগিয়ে থাকতে পারি। আমাদের রপ্তানি ২০২৩ সালে ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যার বড় অংশ আমেরিকায় যায়।
এই যুদ্ধে আমরা কতটা টিকে থাকব?কে জিতবে—ট্রাম্পের আমেরিকা, না চায়নার অর্থনৈতিক শক্তি? আর আমাদের ভাগ্যে কী আছে—সুযোগ, না সংকট? বাকি আপডেট দিতে থাকবো আমরা। ইনশাআল্লাহ।
@thecryptotodays
কথাটা বলেছিলাম গতবছর ফেব্রুআরি মাসে।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ছিল প্রায় ১,০৫,০০০ টাকা থেকে ১,১০,০০০ টাকার মধ্যে (বাজুসের তথ্য অনুযায়ী)। ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এই দাম বেড়ে বর্তমানে প্রায় ১,৫৪,০০০ টাকা থেকে ১,৫৫,০০০ টাকা হয়েছে (সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, যেমন ২১ মার্চ ২০২৫ এর দাম ছিল ১,৫৪,৯৪৫ টাকা)।সুতরাং, ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে প্রায় ৪৪,০০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা বেড়েছে।
তাহলে মানি ম্যানেজমেন্ট এর পাওয়ার হলোই এটা!
২০১৮ সালে ২ ভরির মতো কেনা ছিল! তখন কিনেছিলাম ৪৫-৪৭ হাজার টাকা প্রতি ভরি!
২০২১ এ বিটিসি কেনা ছিল ২১ হাজার ডলারে।
পাশাপাশি ২০২১ সালে ৬ শতাংশের মতো জমিও কিনেছিলাম।
যদিও তখন বয়স ছিল কম! ফান্ড ছিল কম!
সোনা ও জমি এখনো কাছে আছে, বিটিসিটা সেল করে দিছিলাম। মানি ম্যানেজমেন্ট শুধু ক্রীপ্টোতেই না বা ট্রেডিং ই না, মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পূর্ণ জীবন সাইকেলেই লাগবে।
Repost from Trade Vault Lab.
ব্যাংকে অনেক টাকা জমা থাকলে ৩টা কাজ করতে পারেন-
১) ৪০% ফান্ড দিয়ে জমি কিনুন (সম্ভব হলে)
২) ২০% ফান্ড দিয়ে সোনা কিনুন।
৩) ১০-১৫% ফান্ড ব্যবহার করুন ক্রীপ্টো বা ব্লকচেইন মার্কেটে।
= ২৫% ফান্ড জমা করে রাখুন সাধারণ বিপদে যেন এই এমাউন্ট ব্যবহার করে বিপদ কাটিয়ে উঠা যায়।
--টাকার মান প্রতিনিয়ত কমবে, তাই টাকা জমিয়ে রেখে লাভ নেই।
--বি স্মার্ট, নট গ্রেডি
