বাংলা-Bangla
Открыть в Telegram
@Bangla Channel এ আপনাকে স্বাগতম! আপনার সেলফি, ফটোগ্রাফি,ভিডিও ট্রাভেল ব্লগস অথবা আপনার প্রতিভার ভিডিও আমাদের @Bangla Channel এ পোস্ট করতে আমাদের এই চ্যানেলের গ্রুপে যেয়ে প্রথমে পোস্ট করুন : @GoldenBangla 📵🚷🚱🚯🚭🚳❤💙💚
БольшеБангладеш3 075Категория не указана
7 284
Подписчики
-1024 часа
-47 дней
-4630 день
Архив постов
7 284
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত সফট পাওয়ার ব্যবহার করেননি কারণ দলের মধ্যে অনেকগুলো গাদ্দার ঢুকে পড়েছে তাদেরকে ধরার জন্য। কোন দেশদ্রোহী রেহাই পাবে না কারণ এখন শো টাইম
7 284
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ।
আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে।
১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি।
১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে।
বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব।
১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক।
আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে।
ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া।
পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না।
তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।
২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।
ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ।
ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই।
এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।
7 284
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে চালু, এটি এক নতুন যুগের সূচনা।
আজ সারা বাংলাদেশ আনন্দিত, গর্বিত এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের উন্নয়নের প্রতীক।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন।
গ্রাম থেকে শহর, আলো পৌঁছে যাবে প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্বপ্নে।
আরও একটি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা আমাদের অগ্রযাত্রাকে করবে আরও গতিশীল।
এই সাফল্য প্রমাণ করে, ঐক্য থাকলে বাংলাদেশ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে।
#RooppurNPP #NuclearPower #EnergySecurity #PoweringBangladesh #Rosatom #BangladeshRussiaFriendship
7 284
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অট্টালিকার চূড়ায় বসে, হাতে ক্যামেরা নিয়ে, মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো উচ্চতা থেকে একটি ছবি তুলছিলেন তিনি। তাঁর নির্ভীক মনোভাব এবং যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত, তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যুদ্ধ সংবাদদাতাদের একজন এবং লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম মহিলা ফটোগ্রাফার। এই ছবিটি ফটোগ্রাফির প্রতি তাঁর সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যেখানে তিনি প্রায়শই নিখুঁত শটটি পাওয়ার জন্য নিজেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতেন। তাঁর কাজ কেবল ইতিহাসকেই নথিভুক্ত করেনি, বরং সাংবাদিকতা ও ফটোগ্রাফিতে নারীদের জন্য বাধাও ভেঙেছে।
7 284
> Donald Trump said he would “send Iran back to the Stone Age.”
Sounds like someone still stuck in the Stone Age mentally, confusing reckless threats with leadership.
When noise replaces intelligence, even a microphone can look more qualified than the man using it.
7 284
This is not about choosing sides anymore.
Not about who supports Iran or who stands with the US and Israel.
What we are witnessing is something far more dangerous.
A conflict that is no longer limited to two or three countries.
It’s already pulling in multiple nations, and even those who are not directly involved are starting to feel the impact.
If this continues, the damage will not just be military.
It will be economic, humanitarian, and psychological.
And recovering from it will take years, maybe decades.
The real question is not who has more weapons.
Not who will win or who will lose.
The real question is,
who will have the courage to stop this?
Because in war, those who fight often become nothing more than names on a list of the dead.
And those who cheer for war from a distance are, in truth, the biggest fools of all.
Someone, somewhere, needs to say it clearly:
Enough. Stop this war.
#StopTheWar #NoWar #PeaceNow #PrayForPeace #WorldPeace #CeasefireNow #StopWarNow #HumanityFirst #WarIsNotTheAnswer #GivePeaceAChance #NoMoreWar #PeaceOverWar #DiplomacyNotWar #SaveLives #StopViolence #GlobalPeace #EndTheWar #WarKills #ChoosePeace #StandForPeace #PeaceForAll #StopTheConflict #PrayForHumanity #VoicesForPeace #EndWarNow
7 284
গত ১৭ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত কেমন কেমন দিন যাপন করেছেন আপনারা? দেশের কত উন্নয়ন করলো প্রফেসর ইউনুস?
নেক্সটে কি হতে পারে আপনাদের কোন আইডি আছে?
7 284
যখন প্রায় ১০০০টি পোলিশ বাচ্চা সমুদ্রে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে ছিল এবং বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো একই উত্তর দিয়েছিল " তারা তাদের উদ্ধার করবে না”।
১৯৪২ সাল।
আরব সাগরে একটি জাহাজ ভেসে বেড়াচ্ছিল, যেন একটি ভাসমান কফিন।
সেই জাহাজে চড়ে ছিল প্রায় ১০০০টি পোলিশ ( পোল্যান্ডের ) বাচ্চা – অনাথ, দুর্বল এবং আশাহীন।
তারা সোভিয়েত শ্রমশিবির থেকে বেঁচে ফেরা, যেখানে তাদের বাবা-মা ক্ষুধা, রোগ এবং ঠান্ডায় মারা গিয়েছিল।
ইরানের পথে কোনোরকমে বেরিয়ে এসেছিল তারা, কিন্তু এখন তাদের সামনে দাঁড়িয়েছিল আরও নিষ্ঠুর সমাজ ।
কোনো দেশ তাদের গ্রহণ করতে রাজি ছিল না।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য, তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তি, ভারতের বন্দরগুলোতে একের পর এক দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল।
“এটা আমাদের দায়িত্ব নয়। জাহাজ ফিরিয়ে নিয়ে যান।”
খাবার শেষ হয়ে আসছিল, ওষুধ ছিল না, সময় হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল।
বারো বছরের একটি মেয়ে তার ছোট ভাইয়ের হাত শক্ত করে ধরে ছিল। মা মরার আগে তার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিল: “আমার ছেলের খেয়াল রাখিস।”
কিন্তু যখন পুরো দুনিয়া মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন একটি ছোট্ট মেয়ে কাউকে কীভাবে বাঁচাতে পারে?
গুজরাটের একটি প্রাসাদে নতুন আশা
খবর পৌঁছাল গুজরাটে – নওয়ানগরের শাসক জাম সাহেব দিগ্বিজয় সিংহজীর প্রাসাদে।
তিনি কোনো শক্তিশালী সম্রাট ছিলেন না; ব্রিটিশরা বন্দর, সেনা এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করত।
তার কাছে চুপ করে থাকার পূর্ণ কারণ ছিল।
উপদেষ্টারা বললেন: “হুজুর, প্রায় ১০০০টি বাচ্চা সমুদ্রে আটকে আছে। ইংরেজরা কোনো বন্দরে নামতে দিচ্ছে না।”
জাম সাহেব শুধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতগুলো বাচ্চা?”
“প্রায় এক হাজার, হুজুর।”
তিনি এক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন… তারপর শান্তভাবে বললেন:
“ইংরেজরা আমার বন্দরগুলোতে শাসন করতে পারে, কিন্তু আমার বিবেকের উপর নয়।
এই বাচ্চারা নওয়ানগরে নামবে।”
উপদেষ্টারা ঘাবড়ে গেলেন: “যদি ইংরেজদের চ্যালেঞ্জ করেন তাহলে…”
জাম সাহেব কথা কেটে দিলেন: “তাহলে আমি এখানেই থেমে যাই।”
জাহাজে খবর পাঠানো হল: তোমাদের এখানে স্বাগত।”“তোমরা এখন আর অনাথ নও”
অগাস্ট ১৯৪২-এ, জ্বলন্ত সূর্যের নিচে জাহাজ নওয়ানগরের বন্দরে প্রবেশ করল।
বাচ্চারা দুর্বল, নীরব, খালি চোখ নিয়ে নামল। আশা করতে তাদের ভয় লাগত, কারণ আশা সবসময় ভেঙে গিয়েছে।
জাম সাহেব নিজে বন্দরে উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সাদা পোশাকে।
তিনি বাচ্চাদের সামনে হাঁটু গেড়ে বসলেন, যাতে তাদের চোখের সমান হন।
অনুবাদকের মাধ্যমে বললেন সেই কথাগুলো, যা তারা বছরের পর বছর শোনেনি:
“তোমরা এখন আর অনাথ নও। আজ থেকে তোমরা আমার বাচ্চা। আমি তোমাদের বাপু – তোমাদের বাবা।”
ভারতে একটি ছোট্ট পোল্যান্ড
জাম সাহেব কোনো সাধারণ শিবির বানাননি; তিনি ঘর বানিয়েছিলেন।
বালাচড়িতে ভারতের ভিতরে একটি ছোট্ট পোল্যান্ড গড়ে উঠল।
পোলিশ শিক্ষক, পোলিশ খাবার (স্মৃতির স্বাদ নিয়ে), পোলিশ গান ভারতীয় বাগানে, এমনকি গরম আবহাওয়ায় সাজানো ক্রিসমাস ট্রি।
তিনি বলতেন: “দুঃখ মানুষকে মুছে ফেলতে চায়, কিন্তু তোমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য পবিত্র। এগুলোকে এখানে জীবিত রাখব।”
বাচ্চারা আবার হাসতে, খেলতে, পড়তে শিখল। তারা নিরাপদ বোধ করতে শিখল।
জাম সাহেব প্রায়ই দেখা করতে আসতেন – নাম মনে রাখতেন, জন্মদিন উদযাপন করতেন, কাঁদতে থাকা বাচ্চাদের জড়িয়ে ধরতেন।
ডাক্তার, শিক্ষক, কাপড়, খাবার – সবকিছু তিনি নিজের পকেট থেকে দিয়েছিলেন।
চার বছর ধরে, যখন দুনিয়া যুদ্ধে জ্বলছিল, এই ১০০০টি বাচ্চা শরণার্থী নয়, একটি পরিবার হয়ে বেঁচে ছিল।
স্মৃতি যা কখনো মরবে না
যুদ্ধ শেষ হলে ফিরে যাওয়ার সময় চোখের জল পড়ল। বালাচড়ি তাদের প্রথম এবং শেষ সত্যিকারের ঘর ছিল।
তারা বড় হল – ডাক্তার, শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার, মা-বাবা, দাদা-দাদি হল। কিন্তু কখনো ভুলল না।
পোল্যান্ডে ‘গুড মহারাজা স্কোয়ার’ তৈরি হয়েছে, স্কুলগুলোকে তার নাম দেওয়া হয়েছে, সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু আসল স্মৃতিস্তম্ভ পাথরের নয় – সেটি এই ১০০০টি জীবিত জীবন।
আজ, বহু বছর পরে, সেই বাচ্চারা (এখন বৃদ্ধ) তাদের নাতি-নাতনিদের গল্প শোনান:
“একজন ভারতীয় রাজা ছিলেন, যিনি রাজনীতি নয়, মানবতা বেছে নিয়েছিলেন।”
7 284
Merry Christmas 2025! 🎄
May this Christmas fill our hearts with love, kindness, and hope.
As we celebrate the end of 2025, let us pray for a better future.
May 2026 bring peace to the world and happiness to all people. ✨🌍
Wishing everyone a joyful and blessed 🎄🎁
7 284
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-নারী প্লাটুনের সদস্যদেরকে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ তাদেরকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছে। এই প্লাটুনের বেশির ভাগ নারী সদস্যই একাত্তরের রণাঙ্গনে গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।
7 284
রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ধরা হয় ৫। আর আশ্চর্যজনকভাবে, যদি কোনো ছাত্র একটিও উত্তর না লিখে খাতা জমা দেয়, তবুও সে পায় ২।
প্রথমদিন মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আমি যখন এই নিয়ম জানলাম, তখন সত্যিই বিস্মিত হলাম। আমার কাছে মনে হলো, কেউ যদি কিছুই না লিখে, তার তো প্রাপ্য শূন্য হওয়া উচিত।
আমি কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলাম ড. থিওদর মেদ্রায়েভকে, “স্যার, একজন ছাত্র কিছু না লিখে ২ পাবে, এটা কিভাবে যুক্তিযুক্ত?”
মেদ্রায়েভ হাসলেন। তারপর শান্ত গলায় বললেন, “শূন্য মানে যার কোনও অস্তিত্ব নেই। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, ততক্ষণ সে শূন্য কীভাবে হয়? ভেবে দেখো, একজন ছাত্র কত ত্যাগ স্বীকার করে প্রতিদিন সকালে ক্লাসে আসে। হয়তো কনকনে শীতের মধ্যে সে ভোরে ঘুম থেকে উঠেছে, লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে বাসে, ট্রামে কিংবা ট্রেনে দাঁড়িয়ে এসেছে। খালি খাতা জমা দিলেও সে ক্লাসে এসেছে, মানে চেষ্টা করেছে। এখন বলো, আমি কীভাবে তাকে শূন্য দিই?”
তিনি আরও বললেন, “ছাত্রটি হয়তো উত্তর লিখতে পারেনি। কিন্তু তাই বলে তার সব প্রচেষ্টা বৃথা যাবে? সে যে রাত জেগে পড়াশোনা করেছে, নোটবুক কিনেছে, বই খুলে চেষ্টা করেছে, সেই শ্রম কি আমরা অবহেলা করবো?
না বাবা, মানুষ শূন্য নয়। শূন্য দিলে আমরা তার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেবো, তার ভেতরের আগুন নিভিয়ে দেবো। আর আমরা শিক্ষক হিসেবে চাই, ছাত্র যেন বারবার উঠে দাঁড়াতে পারে, হেরে না যায়।”
আমি নির্বাক হয়ে শুনছিলাম। সেই মুহূর্তে আমার ভেতরটা কেঁপে উঠল। বুঝলাম, শিক্ষা মানে শুধু নম্বর বা খাতার উত্তর নয়, শিক্ষা মানে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা, তার প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়া।
মেদ্রায়েভ সেদিন আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য শিখিয়েছিলেন— শিক্ষা শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, শিক্ষা হচ্ছে মানবিকতার চর্চা।
শূন্য নম্বর অনেক সময় ছাত্রদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা হয়ে দাঁড়ায়। খাতায় শূন্য দেখে তারা ভয় পায়, আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ধীরে ধীরে পড়াশোনার প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি হয়। অথচ একজন শিক্ষকের দায়িত্ব হলো ছাত্রকে উত্সাহিত করা, তাকে বোঝানো— "তুমি পারবে, আবার চেষ্টা করো।"
যখন আমরা একটি খালি খাতার জন্যও ন্যূনতম নম্বর দিই, তখন আমরা আসলে বলি— "তুমি শূন্য নও, তুমি এখনও যোগ্য। তুমি ব্যর্থ হওনি, শুধু সফল হতে পারোনি। আবার চেষ্টা করো।"
এটাই হলো আসল শিক্ষা।
শিক্ষকের হাতেই ছাত্রের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই শিক্ষকেরা যদি একটু মানবিক হন, যদি নম্বরের বাইরেও ছাত্রদের প্রচেষ্টা দেখতে শেখেন, তবে অনেক হতাশ ছাত্র হয়তো নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারবে।
আমার কাছে মনে হয়েছে, এই গল্পটা শুধু রাশিয়ার নয়, সারা বিশ্বের শিক্ষকদের শোনানো উচিত। কারণ শূন্য নম্বর কখনো শিক্ষা নয়, শূন্য নম্বর মানে কাউকে শেষ করে দেওয়া। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, তার প্রাপ্য অন্তত একটি আশ্বাস, একটি স্বীকৃতি।
রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র এটি লিখেছে, নাম জানা নেই।
আপনিও এই লেখাটিকে শেয়ার করুন আপনার প্রিয় শিক্ষকের কাছে, যাতে শিক্ষাব্যবস্থায় একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তন আসে।
#মানুষকোনদিনশূন্যনয় #শিক্ষারদর্শন #StudentMotivation #শিক্ষকওশিক্ষার্থী #EducationPhilosophy #মানবিকশিক্ষা #InspirationForStudents #PositiveEducation #চেষ্টারস্বীকৃতি #MotivationalStory #LifeSavingSkills #lifestylephotography #lifestylefacts #Ananimesh #facts #motivationdaily #storytelling #stories #motivation #story #motivational #storytime #weeklyinspiration
7 284
বাংলাদেশের ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন (অক্টোবর ৭১) সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা প্রবেশের মুহূর্তের একটি ফটো।
photographer সন্তোষ বসাক এই দুর্লভ ছবিটি তুলেন।
ছবিতে আছেন ৯৯ বছরের একজন বৃদ্ধা এবং তার ৭৯ বছর বয়সী সন্তান।
বসাক সেই লোকটিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন,
'কে এই বৃদ্ধা মহিলা? '
উত্তরে লোকটি জানান,
'তিনি আমার মাতা। আমার মা !
এখন একটি শিশুর মতো। তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। এই অবস্থায় আমি তাকে ছেড়ে কিভাবে যাই!! '
★উল্লেখ্য, এই ছবিটি পরবর্তীতে World Press Photo 1972 পুরস্কার লাভ করে।
7 284
মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়াকে ঠাট্টা করে বলতেন, “ষাট বছর বয়স হলে বিপ্লবী আর বিপ্লবী থাকে না। প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়।”
উৎপল দত্ত'র মত নাট্যব্যক্ত্বিত্ব তাঁর আগেও কেউ আসেননি,পরেও কেউ নয়।
চলচ্চিত্র অভিনেতা উৎপল দত্তও, ছিলেন অতুলনীয়। সত্যজিত রায়ও মুগ্ধ ছিলেন তাঁর প্রতিভায়। বলেছিলেন, ‘উৎপল যদি রাজি না হত, তবে হয়তো আমি আগন্তুক বানাতামই না।’ ‘আগন্তুক’ ছবিতে উৎপল দত্তকে নিজের প্রতিভূ হিসেবেই ব্যবহার করেছিলেন সত্যজিত রায়।
১৯৯৩ সালের ১৯ অগস্ট ৬৪ বছর বয়সে “সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ স্টেজ স্টলওয়ার্ট" উৎপল দত্ত'র জীবনাবসান হয়।
7 284
আমি চয়নিকা চৌধুরী তখন ক্লাশ টেন এ পড়ি।
পুরান ঢাকায় থাকি।ঘটনা এবং চেহারা পুরোটাই মনে আছে।তখন পেপার আর বিটিভির যুগ।আর আমার প্রি টেষ্ট পরীক্ষা চলছিল।
তিনিই বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পাইলট ছিলেন।
রোকসানা।পুরো নাম কানিজ ফাতেমা রোকসানা।
১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের আকাশে ঘটেছিল এমন এক ট্র্যাজেডি, যা আজও ইতিহাসের পাতায় রক্তাক্ত দাগ হয়ে আছে..."
৫ আগস্ট, ১৯৮৪। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফকার F27—বিমান নম্বর S2-ABJ। আবহাওয়া ছিল ভয়াবহ। ঝড়, বজ্রপাত, আর একদমই দেখা যাচ্ছিল না রানওয়ে।”
তিনবার অবতরণের চেষ্টা—তিনবারই ব্যর্থ। আর শেষবার, ৫৫০ মিটার আগেই বিমানটি আছড়ে পড়ে এক জলাভূমিতে। ৪৯ জনের প্রাণহানি ঘটে। তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট—কানিজ ফাতেমা রোকসানা।”
“মাত্র ৫,০০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেই নারী পাইলটের স্বপ্ন ছিল আকাশে জায়গা করে নেওয়ার। কিন্তু সেই আকাশই তার শেষ গন্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।”
“তাকে ভুলে গেছি আমরা অনেকেই... কিন্তু তার আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন আজও প্রেরণা হয়ে বেঁচে আছে।
পরপারে ভালো থাকবেন।
❤️🇧🇩✈️
(Collected)
7 284
ভারত ভেঙে হয়েছে ১৫ টা দেশঃ --
➡️➡️➡️➡️➡️➡️➡️⤵️
▶️#ভারত, ইতিহাস জেনে নিন: - ভারতকে আগে অখন্ড ভারত বলা হত। কারণ গোটা বিশ্বে ভারত ছিল অনেক বড়। ১৫ টি দেশ ভারত থেকেই জন্মগ্রহণ করেছিল। এটা কিভাবে হল? এই 15 টি দেশ কি? এটা জেনে রাখুন:----
▶️#ইরান: ভারত থেকে আর্যরা যখন ইরানের বালুচিস্তানের এসেছিল। এই ইরান এর প্রাচীন নাম ছিল আরিয়ান (আর্য সমাজ) । এর পরে আরবের দূস্যরা এখানে আক্রমণ করেছিল। এরপরে এর নামকরণ করা হয় ইরান।
1378 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️#কম্বোডিয়া: প্রথম শতাব্দীতে কম্বোডি নামে এক ভারতীয় ব্রাহ্মণ এ দেশে হিন্দু রাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এ কারণেই এর নামকরণ করা হয়েছিল কম্বোডিয়া। পরে এটি একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়।
এই কম্ভোডিয়া বিশ্বে সব থেকে বড় মন্দির অবস্থিত যা বিষ্ণু(অঙ্কুরভাট) মন্দির নামে পরিচিত ।
▶️#ভিয়েতনাম: এই দেশটির নাম আগে ছিল চম্পা। এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। 1825 সালে হিন্দুজা চম্পায় শেষ হয়েছিল। এটি একটি পৃথক দেশে পরিণত হয়েছিল।
▶️#মালয়েশিয়া: ভারতীয়রা এখানে বোধধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই দেশটি ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত ছিল। 1948 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️#ইন্দোনেশিয়া: এটি ছিল ভারতের সমৃদ্ধশালী দেশ। হিন্দুরা এখানে খুব কমই রয়ে গেল। তারপরে এটি পৃথক মুসলিম দেশে পরিণত হয়। তবে আজও রাম মন্দির রয়েছে। যেখানে মুসলমানরা ইবাদত করে।
▶️#ফিলিপাইন: মুসলমানরা এখানে আক্রমণ করেছিল এবং তাদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। তখন এটি একটি পৃথক দেশে পরিণত হয়েছিল, তবে আজও এখানে হিন্দু রীতিনীতি গৃহীত হয়।
▶️#আফগানিস্তান: এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। এখানে হিন্দু রাজা আম্বির শাসন ছিল। যিনি আলেকজান্ডারের সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি তাকে এই রাজত্ব দিয়েছিলেন। মহাভারতের শাকুনি এবং গান্ধারী এখানকার কান্ডারির অন্তর্গত। 1761 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে আকবর ।
▶️#নেপাল: এটি ভারতের একটি অংশ ছিল। এটি একটি গোর্খা দ্বারা সংহত হয়েছিল। মহাত্মা বুদ্ধ এই রাজবংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। 1904 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️#ভুটান: এটি পূর্বে ভারতের ভদ্রদেশ থেকে জানা ছিল। আমাদের গ্রন্থে এই দেশটির উল্লেখ রয়েছে। 1906 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️ #তিব্বত: আমাদের গ্রন্থে এটির নামকরণ করা হয়েছে ত্রিশীবাদীর নামে। । 1914 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️ #শ্রীলঙ্কা: এর নাম ছিল তাম্রপাণি। প্রথমে পর্তুগিজ, তারপরে ব্রিটিশরা এখানে দখল নিয়েছিল। ১৯৩৫ সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️#মায়ানমার: এর প্রথম নাম ছিল বার্মা। এই স্থানের প্রথম রাজা ছিলেন বারাণসীর রাজপুত্র। ব্রিটিশরা ১৮৫২ সালে এই অধিকার নিয়েছিল। 1937 সালে ভারত থেকে আলাদা করে দিয়েছে ।
▶️#পাকিস্তান: স্বাধীনতার পরে এখানে অনেক হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলা হয়েছিল। লাখ লাখ হিন্দুদের গনহারে হত্যা করা হয়েছে । 1947 সালে নিজেরাই ধর্মীয় দেশ বানিয়ে নেয় ।
▶️#বাংলাদেশ: ১৫ ই আগস্টের আগে এই দেশটিও ভারতের একটি অংশ ছিল। এরপরে এটি পূর্ব পাকিস্তানের অংশে পরিণত হয়। একাত্তরে ভারতীয় সেনাবাহিনী এটিকে পাকিস্তান থেকে আলাদা করে দেয়। পাকিস্তানের ও বাংলাদেশের মুসলমান মিলে বাংলাদেশের হিন্দুদের গনহারে হত্যা ও ধর্ষণ করে। 1971 সালে মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
▶️ #থাইল্যান্ড: এর প্রাচীন ভারতীয় নাম ছিল শ্যাম দেশ। আগে এখানে হিন্দু রাজস্ব ছিল।
7 284
পৃথিবীতে কিছু কিছু জিনিসের কোনো বিকল্প হয় না। এই যেমন ধরুন, আপনি বেকার থাকাকালীন আপনার যে বন্ধুটি নিজের পকেটের সীমিত টাকার মধ্যে থেকেও আপনার শূন্য পকেটের অবস্থা বুঝে চায়ের বিলটি দিয়ে দিত।
আপনার যে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকাটি আপনার দারিদ্র বা অসহায়ত্ব সম্পর্কে জানার পরও আপনার সাথে থেকে গিয়েছিল, তার কোনো বিকল্প হয় না।
আপনার বিষণ্ণতার খোঁজ জানতে পেরে আপনার দুর্দিনে যে মানুষটি মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে “ভয় পেয়ো না, আমি আছি” বলেছিল, তার কোনো রিপ্লেসমেন্ট কিছুতেই হয় না।
একদিন আপনার অনেক কিছু হবে। অনেক বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন আপনার সামনে পিছে ঘুরঘুর করবে। আপনার কিছু লাগবে কিনা তার জন্য একপায়ে খাড়া হয়ে থাকবে অনেকেই। এরা আসলে আপনার আপন কেউ না, এরা আপনার সুসময়ের ঘ্রাণে কেনা কিছু মাছি কেবল।
তারাই আপনার কাছের মানুষ, যারা কোনো স্বার্থ ছাড়াই কখনো ছাদ হয়ে আপনার মাথার উপরে, কখনোবা মাটি হয়ে আপনার পায়ের নিচে থেকে আপনাকে সাপোর্ট দিয়েছিল। তারা সেইসব দিনগুলোতে আপনাকে বেঁচে থাকার সাহস জুগিয়েছিল যখন আপনার পাশে কেউ ছিল না।
যদি আপনার জীবনে এমন কোনো দিন আসে যেদিন আপনি ডুবতে বসেছেন, সেদিন কিন্তু সবগুলো বসন্তের কোকিল আপনাকে ফেলে পালাবে। তাই আপনার শূন্য পকেটের সময়ের বন্ধুদের হারিয়ে ফেলা মানে আপনার অস্তিত্ব হারিয়ে যাওয়া। কেননা ওই বন্ধুগুলোর কোনো রিপ্লেসমেন্ট হয় না।
Уже доступно! Исследование Telegram 2025 — ключевые инсайты года 
