Bangladesh Media monitor
Открыть в Telegram
Media Watchdog and Think Tank Telegram: https://t.me/bdmediamonitor
БольшеСтрана не указанаКатегория не указана
208
Подписчики
-124 часа
+27 дней
+530 день
Архив постов
Media Personnel Face Police Misconduct Near ICT
https://bdmediamonitor.org/media-personnel-face-police-misconduct-near-ict/
In this conversation, Ripon reflects on the challenges of reporting inside the Rohingya camps, digital surveillance, political pressure, the limitations faced by local journalists and the evolving nature of crisis reporting.
https://bdmediamonitor.org/a-secret-service-interrogated-me-several-times-in-one-week/
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাম্প্রতিক এক ফেসবুকে পোস্টে দেশের কিছু গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দেশের মিডিয়া 'হলুদ' বা 'কুচকুচে কালো'। তিনি দাবি করেন, সরকারের নতুন ডেটা সংক্রান্ত আইনগুলো (যেমন ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা আইন) তার টিমের মেধা ও শ্রমের ফল, যা দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে বিশ্বমানে উন্নীত করেছে। একইসাথে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের কিছু মিডিয়া আইনগুলো নিয়ে ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং সরকারের প্রকৃত অর্জন আড়াল করেছে।
পোস্টের দ্বিতীয় অংশে তিনি বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি পত্রিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তারা সচেতনভাবে আইনসংক্রান্ত সংবাদকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে। তিনি বলেন, আইন পাস হওয়ার পরও মিডিয়া তার টিমের কাছে কোনো ব্যাখ্যা চায়নি, না কি আইনটি ভালোভাবে পড়ে দেখার প্রয়োজন বোধ করেছে। বরং, ভুল ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে দ্রুততর সময়ের মধ্যে বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট ও সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। এমনকি আইন পাসের পরে যখন আন্তর্জাতিক মহল যেমন বিশ্বব্যাংক প্রশংসা করেছে, তখনও দেশের মিডিয়া নীরব থেকেছে। এটিকে তিনি 'হীনমন্যতা' বলে অভিহিত করেছেন।
এখানে কিছু যুক্তিসঙ্গত ক্ষোভের প্রকাশ রয়েছে। একজন নীতিনির্ধারক যদি দীর্ঘ সময় ধরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন করেন এবং সেটা যথাযথভাবে প্রচার বা বিশ্লেষণ না হয়, তাহলে হতাশ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেই হতাশা প্রকাশের ভাষা ও ভঙ্গি যদি অবমাননাকর হয়, তা তখন আর তথ্যভিত্তিক সমালোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, তা হয়ে ওঠে রাগের আক্রমণ। এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, তিনি গণমাধ্যমের ভুল কভারেজকে চিহ্নিত করতে চেয়েছেন, কিন্তু সেটা করেছেন বেশ কিছু তীব্র ও অসম্মানজনক শব্দচয়নের মাধ্যমে, যা একজন রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধির কাছ থেকে শোভন নয়।
পোস্টে একাধিক 'প্রোপাগান্ডা কৌশল' লক্ষ্য করা যায়। যেমন, তিনি দেশের মিডিয়াকে 'হলুদ' ও 'সিন্ডিকেট' বলে চিহ্নিত করেছেন, যা 'নেগেটিভ লেবেলিং' বা 'নেম কলিং' প্রোপাগান্ডার অংশ। এতে বিরোধী পক্ষকে হেয় করে জনসমর্থন অর্জনের চেষ্টা করা হয়। তিনি নিজেকে এবং তার টিমকে দেশের প্রকৃত 'স্টেকহোল্ডার' হিসেবে তুলে ধরেছেন, যা 'প্লেইন ফোকস'কৌশলের নিদর্শন। এতে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা কেউ নিজেকে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর বলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। এছাড়া তিনি মিডিয়ার ভুল তথ্যের বিপরীতে নিজের পক্ষের অর্জনগুলোই বারবার তুলে ধরেছেন, যা 'কার্ড স্ট্যাকিং' কৌশল। অর্থাৎ সুবিধাজনক তথ্যগুলো বেছে নিয়ে শুধু নিজের অবস্থান শক্তিশালী করা।
বক্তব্যের শেষে 'জনতা হাতে মিডিয়ার ট্রায়াল' বাক্য ব্যবহার করে 'আমরা বনাম তারা' ফ্রেম তৈরি করা হয়েছে, যা শ্রোতার আবেগে খেলার একটি কৌশল। এতে একটা বিভাজন তৈরি হয়। একদিকে সরকার ও আইন প্রণেতা, অন্যদিকে মিডিয়া ও সমালোচক, যেন তারা স্বার্থবিরোধী শিবিরে।
সব মিলিয়ে, বক্তব্যটিতে কিছু যৌক্তিক ও বাস্তব ভিত্তি আছে, বিশেষ করে যখন তিনি তথ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে ভুল বা অসম্পূর্ণ সাংবাদিকতার অভিযোগ করেন। কিন্তু সেই যুক্তি প্রকাশের ভাষা, শব্দচয়ন এবং মানসিকতা প্রশ্ন তোলে। এই বক্তব্য তথ্য পরিবেশকে উন্নত না করে বরং আরও মেরুকরণ ঘটাতে পারে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে যদি মিডিয়ার ভুল ধরিয়ে দিতেই হয়, সেটা হওয়া উচিত প্রমাণভিত্তিক, সম্মানজনক ও সংলাপের পথ উন্মুক্ত রেখে। তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা প্রচার ও গণমাধ্যমকে আক্রমণ খুবই 'নেতিবাচক'।
ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কালেরকন্ঠের ভিডিওতে ১৪ বছরের শিশুর মুখমণ্ডল প্রকাশ করেছে, সেটি বাংলাদেশের শিশু সুরক্ষা আইন এবং আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার মানদণ্ড উভয়েরই স্পষ্ট লঙ্ঘন। প্রথমত, শিশুর গোপনীয়তার অধিকার মারাত্মকভাবে ভঙ্গ হয়েছে। শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির পরিচয়, মুখ, ঠিকানা বা এমন কোনো উপাদান প্রকাশ করা যাবে না যা তাকে সামাজিক, মানসিক বা শারীরিক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এই ভিডিওতে শিশুর ইউনিফর্ম, মুখ, এমনকি সম্ভাব্য অবস্থানও দৃশ্যমান যা সরাসরি আইন লঙ্ঘন। দ্বিতীয়ত, জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের (ইউএনসিআরসি) শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ ও ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা নীতিও উপেক্ষা করা হয়েছে।
এছাড়া, গণমাধ্যমের আচরণবিধি অনুযায়ী সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে অপ্রাপ্তবয়স্কদের পরিচয় গোপন রাখা বাধ্যতামূলক কিন্তু এখানে কোনো প্রকার ঝাপসা করা, পরিচয় আড়াল করা বা ক্ষতি এড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সাংবাদিকতার নৈতিক মানদণ্ড, যেমন শিশুর ওপর চাপ না দেওয়া, সামাজিক অপমান বা বুলিংয়ের ঝুঁকি না তৈরি করা এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে সংবেদনশীল কনটেন্টে ব্যবহার না করা এসব নীতিও ভঙ্গ হয়েছে। শিশুর অভিভাবক উপস্থিত থাকলেও গণমাধ্যমে প্রকাশযোগ্য অবহিত সম্মতি নেওয়া হয়েছে কি না তা অনিশ্চিত, কিন্তু শিশু সুরক্ষা নীতিতে এমন সম্মতি থাকলেও পরিচয় প্রকাশ করার অনুমতি আইনগতভাবে বৈধ নয়। সব মিলিয়ে এটি গোপনীয়তা লঙ্ঘন, নৈতিক লঙ্ঘন এবং শিশু সুরক্ষা আইনের গুরুতর অবমাননা যা যে কোনো গণমাধ্যমের জন্য অগ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।
মুঠোফোন বা ব্যক্তিগত সামগ্রী তল্লাশীর নামে সাধারণ নাগরিকের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করা কোনোভাবেই ন্যায্য নয়। এটি শুধু প্রযুক্তিগত নজরদারির রূপ নয় বরং মানুষের চিন্তা, মতামত ও ব্যক্তিগত জীবনের ওপর রাষ্ট্রীয় অনুপ্রবেশের প্রতিফলন। বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর বিশ্বাস করে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যেমন রাষ্ট্রের, তেমনি নাগরিকের গোপনীয়তা রক্ষাও রাষ্ট্রের মৌলিক কর্তব্য। প্রতিটি ফোন, প্রতিটি বার্তা একজন মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরের অংশ, যেখানে ভয় নয়, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার পরিবেশ থাকা উচিত। মুঠোফোন তল্লাশীর নামে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি বা কথোপকথন অনুসন্ধান করা মানে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার ভিত্তি দুর্বল করা। তাই বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর এই ধরনের অনধিকার প্রবেশমূলক তল্লাশীর দৃঢ় বিরোধিতা করছে এবং প্রত্যেক নাগরিকের গোপনীয়তা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।
#AntiSurveillance #PrivacyIsARight #RightToPrivacy #NoToMassSurveillance #DemocracyNeedsPrivacy #bangladeshmediamonitor
ফের রাজনৈতিক সংকটে সময় টিভি
একসময় আওয়ামী লীগের 'প্রোপাগান্ডা' চ্যানেল হিসেবে পরিচিত সময় টেলিভিশন নতুন করে রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে। চ্যানেলটির পরিচালক আহমেদ জোবায়ের নতুন করে সময় টিভিতে ফিরে আসার পর মালিকানা ও নিউজরুমে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। আহমেদ জোবায়েরের পক্ষে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার নাম আসছে বারবার। যিনি ঢাকা থেকে বিএনপির পক্ষে মনোনয়ন পেয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে , সময় টেলিভিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান মোরশেদুল ইসলামকে একাধিকবার সেই নেতার পক্ষ থেকে 'পদত্যাগ' করার জন্য 'চাপ' দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর মোরশেদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে, প্রথমে তিনি কতাহ বলতে রাজি হননি। তবে পরে তিনি ঘটনার সত্যতা নীশ্চিত করলেও এর বেশি কিছু জানাননি।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমটিতে কর্মরত বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে তাদের কাছ থেকে অভ্যন্তরীণ আরও কয়েক জনের নাম উঠে আসে। এছাড়াও বিএনপি ঘনিষ্ঠ তিন সাংবাদিক গত ৪ ও ১০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান চেয়ারম্যানকে পদত্যাগের জন্য 'চাপ' প্রয়োগ করে
বলে জানা যায়। এদের সাথে নামে আসে এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক কর্মকর্তার যিনি বর্তমানে একটি জাতীয় দৈনিক কাজ করছেন সময় টিভি থেকে চাকুরিচ্যুত হবার পর।
এদিকে চ্যানেলটির একজন সংবাদকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান একাধিক রিপোর্টার ও একজন ক্যামেরপারসনের নাম বলেছেন । এছাড়াও চাকুরিচ্যুত ঐ সাংবাদিককেও আগের পদে ফেরানোর জন্য বিএনপি নেতার কল এবং ম্যাসেজ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। যদিও চেয়ারম্যানে আমাদের সাথে কোন নাম বলেননি। শুধু 'চাপে' থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
Sports Journalists Boycott BCB Conference
https://bdmediamonitor.org/sports-journalists-boycott-bcb-conference/
Three Journalists Harassed at ESDO Office in Lalmonirhat
https://bdmediamonitor.org/three-journalists-harassed-at-esdo-office/
নির্বাচনের সময় গণমাধ্যমের দায়িত্ব জনগণকে তথ্য দেওয়া, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রচারণা চালানো নয়। দুঃখজনকভাবে, প্রতি নির্বাচনে দেখা যায় বেশিরভাগ গণমাধ্যম নিজেদের স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়ে দলীয় স্বার্থের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। যেখানে সংবাদ নয়, চলে প্রোপাগান্ডা। ফলে জনগণ সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়, আর গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। একটি স্বাধীন গণমাধ্যম হলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, যা সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং জনগণের মত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই নির্বাচনের সময় সাংবাদিকদের উচিত নিরপেক্ষ থাকা, তথ্য যাচাই করে প্রকাশ করা এবং সব দলের প্রতি সমান আচরণ বজায় রাখা। যখন সংবাদ হয় সবার অধিকার, তখনই ভোটার হয় সচেতন আর গণতন্ত্র হয় শক্তিশালী।
The publisher, Tareen Hossain, is also the second wife of Mujibur Rahman Chowdhury (Nixon Chowdhury), an MP and a relative of Sheikh Hasina. Tareen is also a member of the Information and Research Sub-Committee of the Bangladesh Awami League.
https://bdmediamonitor.org/dainik-ittefaq/
Mojo journalism is, at its core, a revolutionary concept. It democratizes information and gives ordinary people a voice. But without ethics, regulation, and accountability, this blessing could turn into a curse. https://bdmediamonitor.org/mojo-journalism-a-path-of-possibility-or-a-risk-of-new-confusion/
যখন কোনো 'ট্রল' বা মঞ্চস্থ 'প্রোপাগান্ডা' ভিডিওকে মূলধারার গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে জানার পরেও প্রচার করে, এবং সেটি একজন ছাত্র নেতার পক্ষে ভাইরাল কনটেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে, তখন এটি স্পষ্টভাবে একটি 'প্রোপাগান্ডা' কৌশল। এখানে গণমাধ্যম জনপ্রিয়তার ভান করে "জনগণের মুড" দেখানোর চেষ্টা করছে, অথচ বাস্তবে এটি কৃত্রিমভাবে তৈরি ও ছড়ানো হয়েছে , যাকে বলে অ্যাস্ট্রোটার্ফিং। এ ধরনের প্রচারে সত্যতা যাচাই উপেক্ষিত হয় এবং এটি রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। এতে সাংবাদিকতা ও প্রোপাগান্ডার সীমা 'ঘোলা' হয়ে যায়, যা জনগণকে বিভ্রান্ত করে এবং মত গঠনের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
#mediamirror #propaganda #bangladeshmediamonitor
If a Chief Reporter or In-charge thinks they own the team, they are wrong. A supervisor's job is to build the team, not break it.
https://bdmediamonitor.org/unprofessionalism-in-journalism-and-newsroom-politics-at-deshkal-news/
Journalist Files GD Over Death Threat Via Messenger
https://bdmediamonitor.org/alfadanga-bnp-gs-threatens-journalist/
ছোটবেলা থেকেই আমরা শিখেছি কথা বলতে হয়, প্রশ্ন করতে হয়, সত্য বলতে হয়। কিন্তু যখন সেই অধিকার বন্ধ হয়ে যায়, ভয় আমাদের নীরব করে দেয়, তখন গণতন্ত্রের হৃদস্পন্দন থেমে যায়। বাকস্বাধীনতা কোনো বিলাসিতা নয়, এটা মানুষের জন্মগত অধিকার, নাগরিক শক্তির প্রতীক। কথা বলা একটি মৌলিক মানবীয় প্রক্রিয়া, ঠিক যেমন বেঁচে থাকা। হঠাৎ করে এই স্বতঃস্ফূর্ত অধিকার রুদ্ধ করা যায় না। যে সমাজে মানুষ মুখ বন্ধ রাখে, সেখানে অন্যায়ের শেকড় গভীর হয়, আর সত্য চাপা পড়ে।
#FreedomOfExpression #saythetruthbangladesh #bangladeshmediamonitor #SpeakUp #Bmm
Such as Bengali-language satellite station Republic Bangla was ranked top among Indian sources with highest number of misinformation items identified with 10 cases found in a greater number of cases (137 cases) of misinformation . The other key media houses cited are the Hindustan Times, Zee News, Aaj tak and the Indian Express.
https://bdmediamonitor.org/how-indian-media-spread-fake-news-against-bangladesh/
