আকাবির-কথন
Открыть в Telegram
Больше
Страна не указанаКатегория не указана
1 221
Подписчики
+424 часа
+347 дней
+4630 дней
Архив постов
1 221
একবার আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. একটি মজলিসে আগমন করলেন। সেখানে তিনি হারেস মুহাসাবির আলোচনা শুনে অনেক ক্রন্দন করলেন। এরপর তিনি বললেন, হৃদয়ের গভীরে কোনো বিগলন আমাকে এভাবে কাঁদায়নি। কিন্তু পরিবেশটাই এমন হয়ে উঠেছিল যে, ক্রন্দনকে আবশ্যক করেছে।
কোনো কোনো মানুষের পরিবেশ কায়েম করার এই এক আশ্চর্য ক্ষমতা আল্লাহ তাআলা দিয়ে থাকেন। তাদেরকে সেটা সঠিক কাজে ব্যবহার করা উচিত।
সালাফে সালেহিনের কেউ কেউ ওয়াজ বা বক্তৃতার মাঝে ঘটনার মিশ্রণকে দূষণীয় মনে করতেন এবং যারা এমনটি করে, তাদের মজলিসে উপস্থিত হতে নিষেধ করতেন। অবশ্য আজকের দিনে সেটা আর সর্বক্ষেত্রে দূষণীয় নয়। কেননা, তখনকার সময়ে মানুষ ইলমচর্চা নিয়ে ব্যস্ত থাকত। সেখানে ঘটনা-কাহিনির উপস্থিতি তাদের জন্য ছিল একটি প্রতিবন্ধকতা। আর আজ ইলমের প্রতিবন্ধকতা অনেক বেড়ে গেছে। সুতরাং আজ ওয়াজের মজলিস—মানুষদের অধিক উপকার করে, তাদেরকে গোনাহ থেকে বিরত রাখে এবং তাওবার দিকে ধাবিত করে। তাই ওয়াজের মধ্যে প্রাসঙ্গিক ঘটনা ও কাহিনি বলতেও কোনো অসুবিধা নেই।
-ইবনুল জাওযি রহ.
[হৃদয়ের দিনলিপি : ১৯০]
1 221
নির্জন মুহূর্তে রিক্তহন্তে অশ্রুসজল নয়নে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করলে তিনি দুহাত ভরে দেন। অথচ তার পরিবর্তে মানুষ একাকী সময় পেয়ে আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়; ফলে তিনি হিদায়াত থেকে বঞ্চিত করে দেন।
যেই একাগ্র সময়গুলোতে আল্লাহর মহব্বত লাভের সুযোগ ছিল, সে সময়ে তাঁর মহব্বত তালাশ না করে সেই সময়েই বান্দা আল্লাহর ক্রোধ জাগ্রতকারী কাজ করে ধৃষ্টতা প্রদর্শন করছে। তার মতো হতভাগ্য আর কে হতে পারে!
[যে রোগে অন্তর মরে : ১৭৯]
1 221
আল্লামা শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণনা করেন, ইসমে আজম হচ্ছে স্বয়ং 'আল্লাহ' শব্দটি। তিনি আরও লিখেছেন যে, আল্লামা তহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি সহ অনেক উলামায়ে কেরাম এবং অধিকাংশ আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিগণ একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এ জন্যেই আল্লাহওয়ালা সুফীদের দরবার ও মজলিসে এই পবিত্র নামের যিকির অধিক পরিমাণে হয়ে থাকে।
[ফাযায়েলে আমাল : ৪৫৫]
1 221
আবু সুলাইমান দারানি রহ. বলেন, আবিদা উম্মে হারুনকে আমি বললাম, আপনি কি মরতে পছন্দ করেন? তিনি না-বাচক উত্তর দিলেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ, যদি আমি কোনো মাখলুকের অবাধ্যতা করি, তার সাথে সাক্ষাৎ করাকেও অপছন্দ করি। তাহলে খালিকের অবাধ্যতা করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করাকে কীভাবে পছন্দ করব?
[জীবনের ওপারে : ২০]
1 221
“আপনার গুনাহের ফল তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পাচ্ছেন না বলে ধোঁকা খাবেন না। হতে পারে এর পরিণতি আপনি চল্লিশ বছর পরে হলেও দেখতে পাবেন।”
.
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[আদ্-দাউ ওয়াদ দাওয়া]
.
কারণ, গুনাহ সময়ের সাথে সাথে মুছে যায় না। এর পরিণতি ঘাপটি মেরে থাকে। যখন আমরা একেবারেই নিশ্চিন্ত হয়ে যাই, খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকি না, তখন গুনাহের ভার আমাদের ওপর নেমে আসে।
.
তাওবা করতে দেরি করাটাই সম্ভবত সেই কারণ, যার জন্য আজ আমাদের জন্য কল্যাণের কোনো কোনো দরজা বন্ধ হয়ে আছে। খুলছে না।
.
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
© মহিউদ্দিন রূপম
