ru
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Открыть в Telegram

Больше
Страна не указанаКатегория не указана
1 194
Подписчики
+224 часа
+77 дней
+2930 дней
Архив постов
ছাহাবা কেরামের অনুসৃত পথ গ্রহণ করাই তোমার কর্তব্য। কেননা তাঁরা যে সীমারেখায় থেমেছেন, জ্ঞান ও ইলমের ভিত্তিতেই থেমেছেন এবং মানুষকে যা থেকে বিরত রেখেছেন সুতীক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টির কারণেই রেখেছেন। জটিল ও সূক্ষ্ম বিষয়ের সমাধানে নিঃসন্দেহে তাঁরাই ছিলেন সক্ষম এবং দ্বীনের ক্ষেত্রে তাঁরাই হলেন শ্রেষ্ঠত্বের অধিক হকদার। তোমাদের পথই হিদায়াতের পথ, এ দাবী যদি মেনে নেয়া হয় তাহলে তার অর্থ দাঁড়ায় যে, ফযীলত ও মর্যাদায় তোমরা তাঁদের ছাড়িয়ে গেছ (যা একেবারেই অসম্ভব)। আর যদি বলো যে, এ বিষয়গুলো পরবর্তীতে উদ্ভূত, বিধায় এ ক্ষেত্রে তাঁদের কোনো ভূমিকা ও দিকনির্দেশ নেই। তাহলে মনে রেখো, এসবের উদ্ভাবকরা নিঃসন্দেহে ছাহাবাদের পথ ও পন্থা থেকে বিচ্যুত ও বিচ্ছিন্ন। কেননা, দ্বীনের পথে তারাই হলেন অগ্রবর্তী এবং সকল ক্ষেত্রে রয়েছে তাদের পর্যাপ্ত দিকনির্দেশনা। তাঁদের দেয়া ব্যবস্থাপত্র থেকেই সকল ব্যাধির উপশম লাভ সম্ভব। সুতরাং তাঁদের অনুসৃত পথ ও পন্থায় সংযোজন বা বিয়োজন কোনোটাই সম্ভব নয়। একদল তাতে সংযোজন করতে গিয়ে বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়েছে। আরেক দল তাতে বিয়োজন করতে গিয়ে মূল উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরে পড়েছে। কিন্তু ছাহাবা কেরাম ছিলেন উভয় প্রান্তিকতার মধ্যবর্তী সহজ সরল পথের অনুসারী। -উমর ইবনে আবদুল আযিয রহ. [মাকামে ছাহাবা ও কারামাতে ছাহাবা : ৪৫-৪৫]

হযরত বলেন, শয়তান কখনো মানুষকে অগুরুত্বপূর্ণ কাজে নিবিষ্ট করিয়ে দেয়। পড়াশুনার সময় অধিক নফলে লিপ্ত হওয়া ভালো নয়। আমার চাচাজানের ওখানে নফলের আধিক্য ছিল। আব্বাজান রহ.-এর ওখানে তালীমের আধিক্য ছিল। আব্বাজান রহ, গাঙ্গুহে একাই মীযান জামাত থেকে মেশকাত জামাত পর্যন্ত পাঠদান করতেন। তিনি ছিলেন এ জামাতগুলোর একক শিক্ষক। ওই সময় প্রায় আশিজন ছাত্র পড়াশুনা করত। অনেকগুলো ঘণ্টা করতে হতো। উপরের জামাতের ছাত্রদের দায়িত্ব ছিল, নিচের জামাতের ছাত্রদেরকে সবক পড়ানো। আমার শৈশবের ঘটনা। আমার মাঝে বুযুর্গীর জোশ উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। মাগরিবের নামাযের পর হযরত গাঙ্গুহী রহ.এর কামরার সামনে লম্বা নফলের নিয়ত বেঁধে দাঁড়িয়ে গেলাম। আব্বাজান তখন জোরে থাপ্পর মেরে বললেন, 'সবক ইয়াদ করতে পার না।' ওই সময় আমার মনে প্রচণ্ড ক্রোধ চেপে বসেছিল, নিজে তো পড়েন না। অন্যদেরকেও পড়তে দেন না। কিন্তু খুব দ্রুতই বুঝে এসেছিল যে, আব্বাজানের সিদ্ধান্তই যথাযথ ছিল। শয়তান আমাকে ইলম থেকে দূরে রাখতে নফলের অস্ত্র প্রয়োগ করতে চেয়েছিল। [মাজালিসে যাকারিয়া : ১৬৪]

তোমরা তোমাদের নিজস্ব কাজগুলোর জন্য সময় নির্ধারণ করো। ওই সময় ছোট-বড় কারও পরোয়া করা ঠিক হবে না। কেউ কেউ আখলাকের অজুহাত পেশ করে থাকে, কেউ চলে এলে তো তার সঙ্গে সৌজন্যতা রক্ষা করতে হয়। এর উত্তরে আমি বলে থাকি, ওই সময় যদি তোমার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার প্রয়োজন চেপে বসত, তখন কি ওই ওষর পেশ করতে? পাক্কা অঙ্গীকার করো, মা'মুলাত কখনোই ছেড়ে দেবে না। এটাই উন্নতির সোপান। এটাই আমাদের আকাবির (বড়দের) নীতি ছিল। হযরত গাঙ্গুহী রহ.-কে দেখেছি, কাজের সময় হতেই হযরতের জানালা-দরোজা বন্ধ হয়ে যেত। [মাজালিসে যাকারিয়া : ১৭৫]

দুআ তখনই দুআ হয় এবং মুনাজাত তখনই হয় মুনাজাত, যখন দিলে থাকে চাহাত ও তড়প এবং চাহিদা ও তলব। ক্ষুধার্ত কীভাবে খাবার চায়! পিপাসার্ত কীভাবে পানি চায়! সেভাবে যদি চাইতে পারেন তাহলেই সেটা হবে দুআ-মুনাজাত! [তালিবানে ইলমের রাহে মানযিল : ৫০]

বীজের মতো যারা নিজেদেরকে গোপন করতে চায়, তারাই মহিরুহে পরিণত হয়। আর যারা 'ফুলে' উঠতে চায়, তারা 'ফেটে' বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। [আকাবিরে দেওবন্দের ছাত্রজীবন : ৩/৮২]

ফিরে দেখা লকডাউন...
ফিরে দেখা লকডাউন...

photo content

বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় যারা আছেন, তাদের জন্য এই ভিডিওটা - মাওলানা জুলফিকার আহমেদ নকশবন্দী।

বারবার পইড়েন এই কথাটা।
বারবার পইড়েন এই কথাটা।

ছোট-বড় সবার জন্যই এই বইগুলো। সীরাতের প্রাথমিক পাঠ এগুলো দিয়ে করতে পারেন।
+1
ছোট-বড় সবার জন্যই এই বইগুলো। সীরাতের প্রাথমিক পাঠ এগুলো দিয়ে করতে পারেন।

photo content

photo content

The life lesson diary
The life lesson diary

সহীহ বুখারীর এক হাদিসে প্রতি ফরয নামাজের পর ত্রিশ বারের পরিবর্তে দশবার করে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার পড়ার কথাও এসেছে।  আবু যর রাযি. হতে বর্ণিত অপর এক হাদিসে (সামান্য পার্থক্যসহ) উক্ত ঘটনার বিবরণ আছে। (সেই বিবরণ অনুসারে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, প্রতিবার সুবহানাল্লাহ বলা একটি সদকা, প্রতিবার আলহামদুলিল্লাহ বলা একটি সদকা, স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও সদকা! সাহাবীগণ আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, স্ত্রী-সহবাসে নিজের খায়েশ মেটানো হয়। এটাও সদকা হবে!? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা কী খেয়াল করে দেখেছ, সে যদি তার এই খাহেশাত (প্রবৃত্তি) হারামভাবে পূরণ করত তাহলে কি তার শাস্তি (গুনাহ) হত না? তাই সে যখন বিষয়টা হালালভাবে সেরে নিবে এতে তার সওয়াব হবে। ফায়দা : হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকার নিয়তে স্ত্রী-সহবাস নেকী ও সওয়াবের কারণ হয়। এই ঘটনা সম্পর্কিত অন্য এক হাদীসে 'সহবাসের মাধ্যমে নিজের খায়েশ মেটানো হয়', এই প্রশ্নের জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, বলো দেখি, যদি তোমাদের কারও সন্তান হয়, যৌবনে পৌঁছে এবং তোমরা সেই সন্তানকে দিয়ে উচ্চ আশা পোষণ করতে থাকো আর এমন সময় সন্তান ইন্তেকাল করে; তাহলে কি তোমরা সওয়াবের আশা করো? সাহাবীগণ বললেন, অবশ্যই সওয়াবের আশা করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা কি তাকে সৃষ্টি করেছ? তোমরা কি তাকে হেদায়েত করেছ? তোমরা কি তাকে রিযিক দিয়েছ? বরং আল্লাহ তাআলা তাকে সৃষ্টি করেছেন, তিনিই তাকে হেদায়েত করেছেন এবং তিনিই রিযিক দিয়েছেন। অনুরূপভাবে সহবাসের দ্বারা তোমরা বীর্যকে হালাল স্থানে রেখে থাকো। এরপর তা আল্লাহ তাআলার কবজায় চলে যায়। তিনি ইচ্ছা করলে একে জীবিত করেন। ১৭৪ অর্থাৎ এর দ্বারা সন্তান সৃষ্টি করেন; অথবা এর মৃত্যু ঘটান, সন্তান সৃষ্টি করেন না। এই হাদীস থেকে বোঝা যায়, সন্তান লাভের কারণ ও মাধ্যম হয় বলেই সহবাসে নেকী ও সওয়াব হয়। [ফাযায়েলে আমাল : ৫৩৭]

সীরাতের প্রসিদ্ধ বই তো আর রাহিকুল মাখতুম। আরও দুয়েকটা বই আছে ভালো প্রসিদ্ধ। কিন্তু অনুবাদ কেমন যেন খটখটে আমার কাছে জীবন্ত অনু
+1
সীরাতের প্রসিদ্ধ বই তো আর রাহিকুল মাখতুম। আরও দুয়েকটা বই আছে ভালো প্রসিদ্ধ। কিন্তু অনুবাদ কেমন যেন খটখটে আমার কাছে জীবন্ত অনুবাদ বলে যদি সীরাতের কোনো বই থাকে, সেটা এটা।

Repost from N/a
photo content

photo content

Repost from N/a
সিরাত নিয়ে মাকতাবাতুল হাসানের কাজবাজ।
সিরাত নিয়ে মাকতাবাতুল হাসানের কাজবাজ।

এতো কীসের তাড়াহুড়ো! গতকাল মাগরিবের পর সকাল-সন্ধ্যার নিয়মিত দুআ-দুরুদে কিছুটা কমতি রেখেই তাড়াহুড়ো করে উত্তরার দিকে রওয়ানা দেই। উদ্দেশ্য, উত্তরায় থাকা পরিবারের লোকজনকে বাসায় নিয়ে আসা। ৭ নং সেক্টরে ঢুকতেই একটি মোটর সাইকেল রং সাইডে এসে অটোরিকশায় ধাক্ক মেরে একটু দূরে ছিটকে পড়লো। দুই বাহনের এই ধাক্কায় আমিও অটোর সামনের দিকের লোহার গ্রিলে ধাক্কা খেলাম। প্রাথমিকভাবে মনে হল তেমন কিছু হয়নি, একটু ধাক্কা লেগেছে মাত্র। অটোচালক আর তার রিকশারও তেমন সমস্যা দেখলাম না। তাই বাইক চালককে কিছু না বলে চলে এলাম। আম্মার বাসার সামনে এসে বিবি বাচ্চা নিয়ে নামতেই অটোচালক ভাই বললেন, ওনার সামনের দিকের এক পাশের সকেট জাম্পার ফেটে গেছে। এদিকে আমিও ধীরে ধীরে ডান পাশের মাড়িতে, বুকের ডান পাশে, দুই হাতের পেশিতে আর ডান হাটুতে ব্যথা অনুভব করতে শুরু করলাম। অটোচালক পূর্ব পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠ। আমার কারণেই বেচারা মেইন রোডের এই পাশে এসেছে। তাই একরকম দায় বোধ থেকেই ওনার সকেট জাম্পার ঠিক করার টাকাটা দিলাম। ওনাকে বিদায় দিয়ে বাসায় আসতেই আম্মা বরফের প্যাকেট হাতে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, মাগরিবের পরের নিয়মিত দুআ-দুরুদ পড়েছি কিনা? আবু দারদা রা. এর দুআটা পড়েছি কিনা? বললাম, আজকে পড়া হয়নি। আম্মা একটু নাখোশ হলেন। বললেন, এত কীসের তাড়াহুড়ো যে কয়েক মিনিটের দুআ পড়া যায় না! আসলেই তো, এতো কীসের তাড়াহুড়ো যে, কয়েক মিনিটের আমল করা হয় না! মূলত সবই নফস আর শয়তানের ধোঁকা। যার ধকল সইতে হয় শরীরকে। ফাঁকা হয় পকেট। আর বাড়ে দুশ্চিন্তা। © আহমাদ ইউসুফ শরীফ

আকাবির-কথন থেকে উৎসাহিত হয়ে আপনি কোনো বই সংগ্রহ করেছেন, কিংবা পড়েছেন? কেমনে লেগেছে? টাকাটা গচ্ছা গেছে এমন মনে হয়েছে কোনোটা কি
আকাবির-কথন থেকে উৎসাহিত হয়ে আপনি কোনো বই সংগ্রহ করেছেন, কিংবা পড়েছেন? কেমনে লেগেছে? টাকাটা গচ্ছা গেছে এমন মনে হয়েছে কোনোটা কিনে? এরকম থাকলে তাও চিঠিতে জানাবেন। https://chithi.me/khulachiti [আর হ্যাঁ, চাইলে ফেইসবুকেও শর্ট অথবা লং একটা পোস্ট করতে পারেন।]