ru
Feedback
সমকামী গল্প

সমকামী গল্প

Открыть в Telegram

গল্পঃ গুলো নিয়ে কারোর কোনো মতামত থাকলে আমাকে message করতে পারো @Panutaru_bot Email us: panutaru319@gmail.com অন্যান্য channel গুলো: https://t.me/addlist/WK8ntttrKkkzOTZl https://t.me/mytelegramchannelslink

Больше
নতুন বাংলা গল্পСеть:নতুন বাংলা গল্পСтрана не указанаКатегория не указана
1 596
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
Нет данных30 дней
Архив постов
যেখানেই যাবে মধুর লোভে থাকা মৌমাছির মতন ঝাঁকে ঝাঁকে পুরুষ রা তোমার প্রতি আকৃষ্ট হবে। আর খুব ভালো হয় যদি তুমি সেটা এনজয় করো। একটাই লাইফ সুইট হার্ট। ঠিক ভাবে না বাঁচলে চলবে। " এই বলে হালকা টান মেরে মার শাড়ির আঁচল টা বুকের উপর থেকে সরিয়ে দিল। যার ফলে আমার সামনে এক মুহূর্তে মার বুক পেট সব উন্মুক্ত হয়ে গেছিলো, মা খানিকটা অস্বস্তি বোধ করছিল, আমার ও রুমা আণ্টি র সামনে খানিক টা লজ্জা লাগছিল। একমাত্র রুমা আণ্টি র এসব ব্যাপারে কোনো চক্ষু লজ্জা ছিল না। সে মার মুখের সামনে শুনিয়ে দিল , " উফফ ইন্দ্রানী তুমিও না, এত জনের সামনে কাপড় খুলবার পরেও ছেলের সামনে তোমার শাড়ির আচল সরে যাওয়াতে অ্যাকওয়ার্ড ফিল করছ? এরপর ছেলের সাথে অনেক হাই ক্লাস অফিস পার্টি টে যাবে সেখানে কিন্তু এসব সমানে চলবে... আর তোমার ছেলে রীতিমত বড়ো হয়ে গেছে, তাকে দিয়ে রেগুলার মাই ও টেপাতে পারো, নিজের শরীরের যত্ন ও করাতে পারো, হা হা হা "। মা এর জবাবে কিছু বলতে পারলো না শুধু আমার দিকে একবার তাকাল। তারপর কয়েক পেগ ভদকা খেয়ে আসল কথা বার্তা শুরু হল। মা আর আমি দুজনে মিলে ভাগ ভাগ করে আমাদের সমস্যা গুলো খুলে বললাম আর এই বিষয়ে রুমা আণ্টি র সহায়তা প্রয়োজন এটিও খুলে বললাম। সব কথা শুনে, রুমা আণ্টি কয়েক মিনিট চুপ করে রইলো। তারপর মার দিকে তাকিয়ে বলল, " রবি আর মিস্টার দুবে কে ম্যানেজ আমি করে দিতেই পারি, কিন্তু এর জন্য আমি কি পাবো তোমাদের থেকে...?" মা বললো " ছেলে কে একা ছাড়তে পারব না। ওর সাথে যেতে আমাকে হবেই। এর জন্য আমি যেকোনো মূল্য চোকাতে রাজি আছি।" রুমা আণ্টি র মুখে হাসি ফুটলো, আণ্টি আমাদের দিকে তাকিয়ে বললো" গুড, আমি এটাই শুনতে চাইছিলাম। তোমরা আমার দিক টা দেখলে আমিও তোমাদের হেল্প করবো। চিন্তা করো না।আমি দুদিনের মধ্যে সব ঠিক করে দেবো, আমার বেশ উপর তলা অব্ধি সোর্স আছে তোমাকে ঐ কোম্পানির কন্ট্রাক্ট থেকে বের করা আমার পক্ষে খুব ডিফিকাল্ট হবে না। জাস্ট কটা ফোন কলে কাজ হয়ে যাবে। হা হা হা..." মা জিজ্ঞেস করলো তোমার জন্য কি করতে হবে আমাদের কে, টাকা পয়সা দিয়ে ...." মা তার কথা সম্পূর্ণ করতে পারলো না। তার আগেই রুমা আণ্টি মা কে থামিয়ে দিয়ে বললো, " না না, এ তুমি কি বলছো ইন্দ্রানী, তোমাদের সঙ্গে কি আমার টাকা পয়সা র সম্পর্ক। টাকা পয়সা আমার লাগবে না। আমার একটু অন্য কিছুতে ইন্টারেস্ট। ইন্দ্রানী তুমি বরং এক কাজ করো, আজকের রাত টা আমার এখানে কাটিয়ে যাও, আমার পরিচিত দুজন অতিথি আসবে আজ এখানে আর কিছুক্ষণের মধ্যে। তাদের সাথে আমরা সেলিব্রেট করবো সারা রাত। আমি আজ দেখবো রবি দের সঙ্গে এই ক মাসে তুমি কি কি শিকেছো। দেখো তুমি রেডি তো? কারণ আজকে কিন্তু ঘুমানো যাবে না।" মা রুমা আণ্টি র কথা টে রাজি হয়ে গেল। কিন্তু আমাকে কিছুতেই ওদের সঙ্গে থাকতে allow korlo naa। Ruma aunty বাধ্য হয়ে আমাকে বিদায় জানিয়ে বললো, "ঠিক আছে সুরো তুমি এখন আসতে পারো। কাল দুপুর বেলা এসে তোমার মামনি কে বাড়ি ফেরত নিয়ে যেও কেমন। আর হ্যা কাল কে তোমার রেজাল্ট আউট হবে। তোমার আগামী জীবনের জন্য তোমাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। " আমি এই কথা শুনে আমার মার মুখের দিকে তাকালাম। আমার মা কে রুমা আণ্টি র হাতে এক রাতের জন্য ছেড়ে যেতে কিছুতেই মন চাইছিল না। আমি মার মুখের দিকে তাকাতে আমাকে অবাক করে মা গম্ভীর মুখে এক গ্লাস মদ এক চুমুকে শেষ করে রুমা আণ্টি র নির্দেশ পালন করতে ইশারা করলো। আমিও উঠে পরলাম, আমি বেরিয়ে আসার সময় বেশ কিছুক্ষন রুমা আণ্টির ফ্ল্যাটের বাইরে লনে লিফট এর গেটের কাছে দাড়িয়ে ছিলাম। পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমার চোখের সামনে দিয়ে দুজন লম্বা চওড়া সুট পড়া লোক রুমা আণ্টি র ফ্ল্যাটের ভেতর প্রবেশ করেছিল। ফ্ল্যাট এর ভেতর প্রবেশ করবার মিনিট দুয়েক এর মধ্যে আমি chaimpeign এর বোতল খুলবার আওয়াজ পেয়ে ছিলাম। আমি রুমা আণ্টি র ফ্ল্যাটের বাইরে আর না দাড়িয়ে বাড়ি ফিরে আসলাম।

মা রুমে এসেই ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে চুল আচরাতে লাগলো, তার চোখের কোণে অভিমানে জল ও জমেছে দেখলাম। আমি চট জলদি মার অভিমান ভাগানোর জন্য তার পিছনে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরলাম। মা হালকা অভিমান দেখিয়ে বলল, এখন ছাড় আমায়। আমি মা কে ছাড়লাম না, উল্টে তার কাধের কাছে মুখ এনে বললাম, এই শহর এর জাতাকল থেকে বেরোনোর সুযোগ যখন এসেছে আই থিঙ্ক আমার এটা নেওয়া উচিত, আমার সাথে তুমিও তো যাবে....আমরা নতুন শহরে নতুন ভাবে শুরু করব। রবি আঙ্কেল এর থেকে বেটার মানুষ তুমি ডিজার্ভ কর। এখান থেকে না বেড়ালে সেটা তুমি পাবে না। তোমাকে ওরা নিংড়ে নিচ্ছে মা। বুঝতে পারছো না।" আমার কথা শুনে মা চোখের জল মুছে শান্ত হলো। সে আমার দিকে নরম দৃষ্টি এনে বলল, আমার জন্য তুই এত ভেবেছিস... আর আমি তোকে ভুল বুঝছিলাম....কিন্তু তুই যা বলছিস হয় না রে, আমিও বন্ডে সাইন করেছি। দেড় বছরের আগে এই জীবন থেকে মুক্তি পাবো না।" আমি তাকে যথা সম্ভব আশ্বস্ত করে বললাম, "আরে কেন পাবে না। এখনো সব কিছু শেষ হয়ে যায় নি। তোমার উপযুক্ত replacement Pele Ora tomake thik realese Kore debe। Ami e bishoye Ruma auntyr sange kotha bolbo। ওই পারবে কোনো একটা উপায় বের করতে।" রুমা আণ্টি র নাম শুনে মা খানিক টা চটে গেলো। মা বললো তুই আমার কথা শুনবি না , সেই ঐ স্বার্থপর নারী যে আমাকে ঠকিয়ে আজকের দিনে র জন্য তৈরি করেছিল সেই তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবি তাই না।" আমি বললাম, সে যেরকম টাকার জন্য একটা সময় তোমাকে বাজে ভাবে ইউজ করেছে, তেমনি এখন তুমিও তাকে ব্যাবহার করে এই চুক্তির থেকে মুক্তি পেতেই পারো। মাথা ঠাণ্ডা করে একবার আমার কথা শুনে দেখো। তুমি কি বুঝতে পারছ না। তোমাকে ওরা হোটেলে ডেকে প্রতিদিন নিংরে শেষ করে নিচ্ছে। এখন এদের খপ্পর থেকে না বেরোতে পারলে তুমি তো মা তিলে তিলে শেষ হয়ে যাবে। রুমা আণ্টি র সাহায্যে যদি এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারো এর থেকে ভালো কিছু হয় না তাই না?" মা বললো, " তুই যতটা সহজ ভাবছিস এ ই লাইন থেকে বেরানো ওতো সহজ না। ওরা মানবে না। তাছাড়া আমার নেশা হয়ে গেছে এভাবে একাধিক পুরুষ দের সঙ্গে শুয়ে শুয়ে, ওসব ছাড়া এখন আমি থাকতে পারবো না।" আমি মার কাধে হাত দিয়ে বললাম, " উফফ মা তোমাকে সেক্স করতে কেউ বারণ করছে না। তোমার প্রাইভেট লাইফ তুমি কি ভাবে ডিল করবে সেটা তোমার একান্ত ব্যাক্তিগত বিষয়। কিন্তু তোমাকে এসব করতে এভাবে কেউ ফোর্স করবে না, তোমার ভালো লাগলে নিজের থেকে করবে, কারোর নির্দেশে এভাবে নয়। বুঝতে পারছো?" এটা বলে আমি সামনাসামনি মা কে আবেগের বসে জড়িয়ে ধরলাম। মা ও আমার বুকে মুখ গুজে শান্ত হলো। তবুও রুমা আন্টির কাছে যাওয়া নিয়ে মার মনে অনেক দ্বিধা ছিল। আমি অনেক বোঝানোর পর মা রুমা আন্টির কাছে গিয়ে তার হেল্প নেবার বিষয়ে রাজি হলো। আমি সময় নষ্ট না করে সেদিনই সন্ধ্যে বেলা রুমা আন্টির কাছে নিয়ে গেলাম। আমাদের দুজন কে একসাথে ওর ফ্ল্যাটে দেখে রুমা আণ্টি খুব অবাক হয়ে গেছিল। আমরা নিরূপায় হয়ে ওর সাহায্য চাইতে এসেছি শুনে ওর মুখে একটা মিচকে ধূর্ত হাসি ফুটে উঠে মিলিয়ে গেল। আমাদের স্বাগতম করে ভেতরে ড্রয়িং রুমে বসালো। তারপর আমাকে সফল ভাবে ইন্টারভিউ ক্র্যাক করবার জন্য congratulate করল। আমাকে হাগ করে বললো আমার এই achievement e ruma aunty khub khusi হয়েছে। আমি অন্য শহরে চলে যাব বলে কিছুটা আপসেট ও দেখাচ্ছিল। রুমা আণ্টি যখন এই কথা গুলো বলছিল আমি মার দিকে তাকাচ্ছিলাম। আমার চাকরির খবর মার আগে রুমা আণ্টি পেয়েছে দেখে মা কে খুব একটা সন্তুষ্ট দেখালো না। কোনরকমে ম্যানেজ করে মা কে রুমা আণ্টি র ফ্ল্যাটের ভেতরে এনে তুললাম। আমরা রুমা আণ্টি র ওখানে বসতে না বসতেই রুমা আণ্টি আমাদের কে হার্ড ড্রিংক খেয়ে আমার জব এর খবর টা সেলিব্রেট করবার প্রস্তাব দিল। আমি আর মা দুজনেই না করেছিলাম প্রথমে কিন্তু রুমা আণ্টি র জোরাজুরি টে সেই আপত্তি টিকলো না। আমি মার সামনে অ্যালকোহল ছোঁবো না তাই আমাকে পেপসি দিল। মা মানষিক অস্থিরতায় ভুগছিল, সে রুমা আন্টির কথাতে এসে ওর সঙ্গে ড্রিংক করতে শুরু করলো। ড্রিংক করতে করতে রুমা আণ্টি উঠে এসে মার পাশে গায়ে গা লাগিয়ে বসলো। একহাত দিয়ে রুমা আণ্টি মার কাধের উপর থেকে শাড়ির আঁচল সরিয়ে অন্য হাত দিয়ে মার হাতের স্লিভে হাত বোলাতে শুরু করলো। আর বললো, " ইন্দ্রানী ইউ become more sexy day by day। প্রথম বার যা দেখেছিলাম আজ যা দেখছি অবিশ্বাস্য, এত সৌন্দর্য নিয়ে তুমি তোমার বেড পার্টনার দের ছেড়ে যাবে কোথায়?

photo content

আমি মিসেস বর্মন এর কথায় সাইন করে দিলাম বন্ড পেপারে। ঠিক করে বন্ড পেপারে লেখা ক্লজ গুলো পড়তে পারলাম না, শুধু একটা জিনিস ছাপার অক্ষরে চোখে পড়েছিল, যাতে লেখা ছিল, যাই হয়ে যাক ১০ বছরের আগে আমি ওদের কোম্পানির থেকে রিজাইন করতে পারবো না। সাইন করে আরো এক রাউন্ড বিছানায় শুয়ে ইচ্ছে না করলেও কামিনী ম্যাম কে সন্তুষ্ট করতে হলো। তারপর appointment letter হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। এক সপ্তাহ পর join er date chilo। বাড়ি ফিরে স্নান করে বসেছি আমার মাও হোটেল থেকে ডিউটি সেরে ফিরলো। তাকে সেই সময় খুব tired ar ekhausted দেখাচ্ছিল। বাড়ি ফিরে নিজের রুমে না গিয়ে ড্রইং রুমের সোফার উপর ধপ করে বসে পড়লো। তারপর আমার সামনেই ব্যাগ থেকে সিগারেট এর বাক্স টা বের করে তার থেকে একটা সিগারেট নিয়ে লাইটার দিয়ে ধরিয়ে এক রাশ ধোয়া ছেড়ে বলল, " কাল রাতে হেভী ধকল গেছে বুঝলি...৩ জন পালা করে আমাকে ছিড়ে খেয়েচে। এখন শাওয়ার নেবো, তারপর খাবো। তুই খেয়ে নিয়েছিস?" আমি মাথা নাড়লাম, মা বলল, ঠিক আছে তুই একটু খাবার গরম কর, আমি শাওয়ার নিয়ে পাঁচ মিনিটে আসছি। মা সিগারেট টা শেষ করে উঠে পড়ল। মার নিজের রুমের দিকে যাওয়ার সময় তার পিঠে দুটো জায়গায় টাটকা দাত বসানোর দাগ দেখতে পেলাম। মার ফরসা মসৃণ পিঠ টা লাল হয়ে গেছিলো। ওটা দেখে মন টা খারাপ হয়ে গেলো। লাঞ্চ খেতে খেতে ভাবলাম আমার জব এর কথা টা তুলি, কিন্তু মা অনেক দিন পর বেশ ফুর ফুরে মেজাজে আছে দেখে বলতে পারলাম না। আমি জানতাম না আমার বাইরে চলে যাওয়া নিয়ে মা কিভাবে react korbe। Ar Ami baire gele maa Sab kichu manage Kore adou Amar sange aste paarbe kina। এইসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে খাবার এর ওপর ফোকাস করতে পারছিলাম না। আমার এই চঞ্চলতা মার নজর এড়ালো না। আমার মাথায় হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো ," হ্যা রে তোর কি হয়েছে বল তো?" আমি আস্তে আস্তে মা কে সব কিছু খুলে বললাম। শুনতে শুনতে মার মুখ চিন্তায় উদ্বেগে গম্ভীর হয়ে গেল। সে খাওয়া থামিয়ে, আমার দিকে তাকিয়ে বলল, " নিজের কেরিয়ার নিয়ে এত বড়ো একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলি আমাকে একবার জানালি না। তোর থেকে এটা এক্সপেক্ট করি নি।" এই বলে খাওয়া অসম্পূর্ণ রেখে হাত মুখ ধুয়ে মা টেবিল ছেড়ে উঠে পড়লো, সোজা নিজের ঘরে চলে আসলো। আমি ও মার পিছন পিছন আসলাম তাকে মানানোর জন্য।

কামিনী স্লাট ওম্যান এর বাড়া তাকে ধরে মালিশ করতে করতে বলল," তোমার এটার ভেতরে না আরো রস জমে আছে, পুরোটা বেড়ায় নি এখনও, যত টুকু পারবো আমি ঠিক নিংড়ে নেবো তোমার থেকে। কম অন গেট রেডি।" আমার বাড়াটা খাড়া করে আরো পেগ ড্রিংক বানিয়ে খাইয়ে দিল। ওটা খাবার পর আমি বিছানায় এলিয়ে পড়লাম। কামিনী বর্মন তারপর আমার উপরে শুয়ে পড়ল। আমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খেতে খেতে আমাকে ফের নেশা গ্রস্ত করে তুললো। আমার ঠাটানো বাড়াটা আরো একবার কামিনী দেবীর গুদে প্রবেশ করলো। আর আধঘন্টা ধরে বিছানায় তুমুল আবেগ ঘন আদর করা র পর ফাইনালি মিসেস বর্মন যখন ছাড়লো, আমার সর্বাঙ্গ থেকে বাথ্যা হচ্ছে। মাথা তুলে উঠে দাড়াতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু পারলাম না, বিছানার উপর ধপ করে পরে গেলাম। আর বিছানায় পড়তে মিসেস বর্মন আমাকে পুনরায় জড়িয়ে ধরলো, আমি ক্লান্ত ছিলাম, মিসেস বর্মন এর সুন্দর নরম নগ্ন শরীর টাকে জড়িয়ে খুব সহজেই ঘুমিয়ে পরলাম। সারারাত ঐ ভাবে মিসেস বর্মন এর সঙ্গে এক বিছানায় কাটিয়ে , সকালের আলো জানলা দিয়ে মুখে এসে পড়তেই আমি ধর মর করে উঠে পরলাম। শার্ট টা কুড়িয়ে পড়বার সময় আয়নায় চোখ চলে গেছিল। আমার বুকে টাটকা কামড়ে র দাগ দেখতে পেলাম। ছড়ে গিয়ে হালকা ব্লিডিং ও হচ্ছিল। আমি ওঠবার মিনিট খানেক এর মধ্যে মিসেস বর্মন এর ও ঘুম ভাঙলো। উনি উঠেই আমাকে পিছন দিক থেকে প্রেমিকার মত জড়িয়ে ধরলো, তারপর আমার গালে কিস করে বলল, " তুমি উঠে পড়েছ। লাস্ট নাইট ইউ আর awesome। কবিতা ভুল কিছু বলে নি তোমার বিষয়ে, তুমি সত্যি খুব ভালো খেলো। মনে রাখবে যার তার সাথে শুয়ে নিজের এনার্জি আর পৌরুষ নষ্ট করবে না, নাউ ইউ আর টোটালি মাইন।আগে আমাকে তৃপ্ত করবে তারপর দম থাকলে বাকিদের চাহিদা মেটাবে... আর ভুলে যেও না সামনের সপ্তাহে তোমার জয়নিং। তার আগে তোমাকে এখানে একটা সই করতে হবে।" এই বলে আগের দিনের সেই bond পেপার টা আমার সামনে ধরলেন আর একই সঙ্গে পেন ও এগিয়ে ধরলেন। আমি থমকে আছি দেখে উনি হেসে আমাকে আবারো একটা কিস খেয়ে বলল, " কম অন ডোন্ট গেট afraid, Tumi toh Amar under EI thakbe, bhoy nei, aste aste sob kichu obhyas hoye jabe। Nao Ebar lakkhi cheler moton Soi Kore dao, appointment letter niye Bari jao." আমি আমতা আমতা করে ওনাকে বললাম, " একবার মার সঙ্গে আলোচনা করে নি....তারপর একদিন এর মধ্যে আমি ফাইনাল ডিসিশন নিয়ে সাইন করে নেবো।" আমার কথা শুনে মিসেস বর্মন কে একটু বিরক্ত দেখালো। সে আমাকে ঠেস দিয়ে কথা শোনালো, যা আপনার মেল ইগো কে হার্ট করলো, উনি বললেন, " এত বড়ো হয়েছ। Qualified হয়েছ, এখনো এরকম মা মা করলে সামনের দিকে এগোতে পারবে না। নিজের ডিসিশন নিজেই নাও। এটে ভাবার কি আছে। এত ভালো জব এত ভালো স্যালারি ক্যাপ। তোমার লাইফ ফুল সেট হয়ে যাবে। কম অন আজকেই সাইনিং প্রসেস কমপ্লিট করে ঝামেলা মিটিয়ে ফেল। আমরা এমন ক্যান্ডিডেট চাই যারা কোম্পানির জন্য fully committed Hobe। Tai jonyo EI formality Kora।" Mises burman ER kotha shune Ami চিন্তায় পড়ে গেলাম। মিসেস কামিনী বর্মন আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, " আরে কেনো এত ভাবছো? তোমার লাইফ সিকিউরড করে দেবো। আমি তো আছিই। নিচ্চিন্তে সাইন করো... বাকি টা আমার উপর ছেড়ে দাও।"

আমি দুরু দুরু বুকে কাপতে কাপতে মিসেস বর্মন কে বললাম, " এটা কি করছেন মিসেস বর্মন, প্লিজ ছাড়ুন আমাকে।" কামিনী বর্মন হাসতে হাসতে আমার শার্ট টা খুলে নিয়ে আমার বুকে তার বা হাত টা বোলাতে বোলাতে বললো, " তুমি কিছুই বোঝ না...তাই না। তোমাকে আমাদের সঙ্গে মিশতে গেলে নিজেকে যে একটু পাল্টাতে হবে। স্মুথ বিজনেস এর প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যখন তখন শুতে পর্যন্ত হবে। চলো আজ থেকেই এই সিনসিলা শুরু করে দি" আমি: " এসব কি বলছেন আপনি... কামিনী বর্মন: " আস্তে আস্তে সব শিখে যাবে। ডিরেক্টর দের খুশি রাখা , বিশেষ করে আমার খেয়াল রাখা। সবার সাথে মিলে মিশে কাজ করা। আমাদের সঙ্গে পার্টি টে ড্রিংক করা। সব কিছু শিখবে..." এই বলে উনি নিজের হাতে একটা পেগ বানিয়ে আমার দিকে এগিয়ে দিলেন। আর বললেন এটা খেয়ে নাও, সব কিছু easy haye jaabe।" এই বলে আমার মুখে জোর করে ড্রিংক টা ঢালতে লাগলো। দুই ঢক খেয়েই আমার বমি হয়ে যাবার জো হলো, পেগ টা এত তাই নিট বানিয়েছিল। ঐ গ্লাস টা আস্তে আস্তে শেষ করতেই আমার মাথা টা ঘুরে গেলো। চোখের সামনে দেখতে পেলাম, মিসেস বর্মন নিজের শাড়ি টা খুলে একটু একটু করে আমার দিকে এগিয়ে আসলেন। আমাকে আলতো পুস করে বেডে শুইয়ে দিল। আর তারপর কামিনী আমার কোমরের উপর উঠে প্যান্টের বেল্ট জিপ খুলে, প্যান্ট টা আর জকি টা নীচে নামিয়ে , আমার বাড়াটা বের করে তাতে একটা চকলেট ফ্লেভারের কনডম পড়িয়ে নিজের গুদে সেট করলো। আর আমার হাত দুটি চেপে ধরে আমার কোমরের উপর বসে জোরে ঠাপ খেতে শুরু করলো। ওর দেহের ভার আমার কোমর আর বাড়ার উপর পরছিল, ঐ পজিশনে চোদানোর অভ্যাস না থাকার ফলে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। বাড়া টায় এত চাপ পড়ছিল মনে হচ্ছিল ওটা ফেটেই যাবে, চোদানোর সময় মিসেস কামিনী বর্মন একেবারে নির্দয় ভাবে চুদ ছিলেন। ফুল ডমিনেট করছিলেন, তার আদর আমাকে তৃপ্তির সাথে সাথে ব্যাথায় ভরিয়ে দিচ্ছিল। আমি অনুরোধ করছিলাম ছাড়বার জন্য কিন্তু সেই অনুরোধ উনি কানে দিচ্ছিলেন না। এই ভাবে করতে করতে মাত্র ১০ মিনিটেই আমার বীর্য বের হয়ে গেলো, তারপরেও উনি আমাকে ছাড়লেন না। আরো পনেরো মিনিট একই পজিশনে চোদানো চালিয়ে গেলেন। তারপর একগাদা রস বের করে, কনডম পাল্টে দিয়ে আবার শুরু করল। এবার দাড়ানো পজিশন নিয়ে করা হল। আমি কামিনীর পেছনে যেতে বাধ্য হলাম। রুমের জান লার দিকে কাচের দেওয়াল এর দিকে ফেস করে কামিনীর ass hole e ঢুকিয়ে ইন্টারকোর্স শুরু হলো। কামিনীর কোমর টা আমাকে জড়িয়ে রাখতে হলো সাপোর্ট এর জন্য। তারপর কামিনী বর্মন এর কথায় নেশায় বুদ হয়ে জোরে জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম। এইবার পনেরো মিনিটে মাল আউট হয়ে গেল। তারপরেও কামিনী বর্মন এর শখ মিটল না। নিজের হাতে থুতু বার করে আবারো আমার বাড়া তাকে মালিশ করে বড়ো করতে লাগলো। আমি বললাম, " এত রস আমার কোনোদিনই বের হয় নি। আজ আর আমি পারবো না। প্লিজ ছেড়ে দিন আমায়।"

তারপর ঐ সুন্দরী আধুনিকা নারী তার পরিচয় দিলেন। ওনার নাম ছিল Mrs কামিনী বর্মন। কবিতা আণ্টি র কাছ থেকে উনি আমার খবর পেয়েছিলেন, কবিতা আণ্টি মিসেস বর্মন এর ক্লাসমেট। সম্প্রতি এক প্রাইভেট পার্টি টে এক gigolo r service newar samoy moja na peye peye bar bar Amar name করছিলেন, সাথে এও বলছিলেন আমার একটা এর ভালো জব এর প্রয়োজন আছে। আমার নামে নিজের প্রিয় বন্ধুর কাছ থেকে এত প্রশংসা শুনে কামিনী বর্মন আমাকে টেস্ট করবার জন্য উতলা হয়ে উঠেছিলেন। বিশেষ করে অন্য কোথাও জব পাবার আগেই, আমার রেজাল্ট আউট হবার দিন তিনেক আগে ই উনি আমাকে বাজিয়ে দেখে একটা লোভনীয় চাকরির অফার দিলেন। বর্মন দের ই একটা Pharmaceutical ফার্মে ম্যানেজার rank e Job। Mrs বর্মন ঐ কোম্পানির একজন ডিরেক্টর। এই জবে প্রচুর টাকা স্যালারি পাবো কিন্তু কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই। ২৪*৭ দিন রাত আমাকে বেড়ানোর জন্য রেডি থাকতে হবে। মাসে কেবল চারটে দিন ছুটি পাবো। আর রাজ্যের বাইরেও প্রথম দিকে পোস্টিং হতে পারে, দেশের পচ্ছিম প্রান্তের কোনো শহরে। আমি থাকবার জন্য ফ্ল্যাট, আর ইউজ করবার জন্য ২৪*৭ transport pabo। Kaj charao Amake director der party te aste Hobe , aar oder Majhe modhye songo dite Hobe। তাহলেই একেবারে নিচ্ছিনত লাক্সারি সেট লাইফ হাতের মুঠোয়। কামিনী দেবী আমার পাশে বসে এমন ভাবে কথা গুলো বলছিলেন, আমাকে একটা অন্য জীবনের স্বপ্ন দেখালেন, আমি সহজেই তাতে প্রলুব্ধ হয়ে গেলাম। সাথে সাথে ভালো মন্দ কিছু না ভেবে মিসেস বর্মন কে ওনার জব এ যোগ দেওয়ার পক্ষে প্রাথমিক ভাবে হ্যা বলে দিলাম। উনি ওনার ব্যাগ থেকে একটা bond paper bar করলেন, আমাকে ওটাতে সই করতে বলে রুম সার্ভিস কে দিয়ে হার্ড ড্রিংক আনালেন। আমার মিসেস বর্মণের আচরণ একটু অদ্ভুত লাগছিল। ওনার কথা মতন বন্ড পেপারে সই করার আগে ফোন করে মাকে একবার এই good news ta জানানো শ্রেয় মনে করলাম। মাকে ফোন করবো বলে প্যান্টের পকেট থেকে নিজের স্মার্ট ফোন টা বার করেছি। এমন সময় মিসেস বর্মন আমার হাত থেকে ফোন টা কেরে নিয়ে, আমাকে ডান দিক থেকে এসে জোড়ে joriye ধরলো। কামিনী দেবী আমার কানের পাশে কাধের উপর কিস করতে করতে বলল, " এসব ছারো, তোমার ডিউটি স্টার্ট হয়ে গেছে এখন থেকে আমরা যেটা বলবো তুমি সেটা করবে। কম অন শার্ট টা খুলে ফেলো সোনা, এসো আমরা একে অপরকে আজ থেকেই বোঝা আরম্ভ করি।" মিসেস বর্মন এর মতন অভিজাত না রীর থেকে আমি এরকম আচরণ জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। কামিনী বর্মন আমাকে জড়িয়ে ধরতেই, দেখলাম ওর হাত থেকে ফোন টা নিচে পড়ে গেলো। উনি আমার শার্ট এর বোতাম খুলতে লাগলেন। আমি এসির মধ্যেও ঘামতে শুরু করলাম।

আমি: তোমার খুব ধকল যাচ্ছে। ঘন ঘন ডেট পড়ছে। আজ না গেলেই নয়। দেখো না ফোন করে। মা: উহু আমি একান্ত না যেতে পারলে অন্য কেউ আমার কাজ টা নিয়ে নেবে। এমনিতে এই লাইনে এখন হিউজ কম্পিটিশন, এখন রিস্ক নিতে পারছি না। আমি রাতে তো রেস্ট পেলে না। আজকেও রাত জাগবে পারবে তো। মা: চিন্তা করিস না। টাকার নেশায় এমনিতেই তোর মার ঘুম কমেই গেছে। আমি ঠিক সামলে নেবো। অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে আস্তে আস্তে..। আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম। ব্রেকফাস্ট নেওয়ার পর মা র ফোনে একটা ফোন এলো। মা আমার সামনে কথা না বলে নিজের রুমে চলে গেল। আমিও আমার রুমে চলে আসলাম। আমার ফোনেও কল আসলো। রুমা আণ্টি র কল। আমি কেটে দিলাম, কিন্তু তারপরেও রুমা আণ্টি পুনরায় কল করলো। আমি বাধ্য হয়ে রিসিভ করলাম। বেশ বিরক্তির সুরে বললাম " হ্যালো কি হয়েছে, বার বার কল করছো কেনো।" রুমা আণ্টি হেসে বলল," দরকার আছে বলেই কল করছি বুঝলে, আজ রাতে কি করছো? মা তো অভিসারে বেরোবে একাই কাটাবে? আমি বললাম, " হ্যা একাই থাকবো।" রুমা আণ্টি বললো, " তোমার কোম্পানির ব্যাবস্থা করে ফেলেছি। সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ পৌঁছে যাবে। হোটেল এর অ্যাড্রেস রুম নম্বর তোমাকে sms Kore dicchi।" আমি বললাম, " আমি আর এসব করবো না। এটা অন্যায়। আমাকে এভাবে বিরক্ত কর না। রুমা আণ্টি : দুর পাগল ছেলে, বিরক্ত কিসের, ভালোবেসে ডাকি, তুই ও আনন্দ পাস না বল। বেশি নাটক না করে চলে অায়। আমি: না রুমা আণ্টি না, এটা আর হয় না। তারপর হোটেলে গিয়ে পারবো না। আমাকে ছেড়ে দাও। তোমাকে যত টাকা লাগবে আমি দেবো। আমার সঙ্গে এসব করো না প্লিজ। রুমা আণ্টি: উফফ এত ভারী নাছোড়বান্দা ছেলে, ভালো কথায় কিছুতেই বোঝে না। দেখ, আসতে হবে ই, আমি একজন কে কথা দিয়ে ফেলেছি। আর আমাদের লাইনে জুবানের দাম তাই সব কিছু। আর আমাকে টাকা দেখাস না। টাকা কিভাবে কামাতে হয় আমি জানি। এটাই শেষ বার তুই যদি না আছিস তোর মায়ের ভিডিও টা একজনের খুব পছন্দ হয়েছে, সে মাগীর নাম ঠিকানা চাইছে। কি বল দিয়ে দেবো তাকে তোর মায়ের নাম অ্যাড্রেস। আমি: না না এটা করো না। আমি আসছি। রুমা আণ্টি মুখ দিয়ে একটা চুমুর উম্মননাহ শব্দ বের করে, তারপর বললো, " That's like my good boy, osudh e kaj debe Ami jani। Ma r kotha tulle Suro babu last ha ha ha ..., Sms পাঠাচ্ছি, টাইমে পৌঁছে যাবি। আর গেলে তোর ই লাভ হবে বুঝলি। চল বাই..." আমি আপসেট হয়ে ফোন টা রেখে দিলাম। দুপুর গড়িয়ে দেখতে দেখতে সন্ধ্যে হয়ে গেলো। মা আমার গালে চুমু খেয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে যথা সময় সেজে গুজে বেরিয়ে গেলো। মা বেরিয়ে যাওয়ার আধ ঘণ্টা পর আমাকেও বাড়ি লক করে দিয়ে বেড়াতে হলো। আমার গন্তব্য ছিল দক্ষিণ কলকাতার একটা মাঝারি মাপের হোটেল। সেখানে পৌঁছে নির্দিষ্ট রুমে র সামনে পৌঁছে ডুর বেল টিপতেই, একজন লাস্যময়ী সুন্দরী আধুনিকা মডার্ন নারী দরজা খুলে দিল। যাকে এক ঝলক দেখে আমি একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। বয়স ৩৫-৩৬ এর বেশি হবে না। কিন্তু অসামান্য সুন্দরী। খুব মডার্ন আর সেক্সী ভাবে স্লিভলেস মাইক্রো মিনি ব্লাউজ এর সঙ্গে একটা ট্রান্সপারেন্ট শাড়ী পড়েছে। পাকা আমের মতন উন্নত স্তন জোড়া র অর্ধেক টা টাইট ব্লাউজ এর বাইরে বেরিয়ে ছিল। আমার মুখ হা হয়ে গেছে দেখে মিনিট দুয়েক দাড়িয়ে আমাকে জরিপ করে স্মার্টলি একটা হাসি হেসে উনি বললেন," হে তোমার আমাকে দেখা হয়ে গেলে পর কাম ইন, আমরা ভেতরে এসে কথা বলতে পারি।" আমি সলজ্জ হেসে ওনার সঙ্গে ঐ হোটেল রুমের ভেতর প্রবেশ করলাম। ঘরে ঢুকেই উনি আমাকে জিজ্ঞেস করল, আগে কি নেবে বলো ঠান্ডা কিছু নাকি something hot? Ami matha nere bollam kichu laagbe na।

মা বাড়ি ফিরে এসে রাতের প্ল্যান আর আগামী কাল কি করবে একটা ধারণা দিয়ে চেঞ্জ করবার জন্য নিজের রুমের ভেতর ঢুকতেই আমিও পেছন পেছন ঢুকলাম। আর ঢুকেই মা কে পিছন দিক থেকে জড়িয়ে ধরলাম। মা হাসি মুখে, আমার আদর সামলে, নিজের ভ্যানিটি ব্যাগ টা এগিয়ে দিয়ে বলল, ব্যাগের ভেতর অনেক গুলো টাকা আছে, ওগুলো ব্যাগ থেকে বার করে তোর কাছে রেখে দে।" আমি মার কথা মতন ব্যাগ টা খুলে অবাক হয়ে গেলাম, ভেতরে কারি কারি পাঁচশো র নোট এর বান্ডিল। সব মিলিয়ে পাঁচটা বান্ডিল ছিল, আর প্রত্যেক বান্ডিল এ পঞ্চাশ টা নোট ছিল। আমি দেখে অবাক হয়ে গেলাম, আমি বললাম, "এত টাকা .... আমি নিয়ে কি করবো" মা আমার দিকে তাকিয়ে স্নেহের সুরে বলল, রেখে দে ইচ্ছে মতন খরচ করবি। আমি যা রোজগার করছি সব তো তোর জন্য। আমার কাছে ছাড়া আর কে আছে বল।" আমি আর আপত্তি করতে পারলাম না। মার দেওয়া টাকা গুলো নিজের কাছে ই রেখে দিলাম। যথা সময়ে রাতে একটা বড়ো গাড়ি আমাদের বাড়ির সামনে থামবার আওয়াজ শুনতে পেলাম। গাড়ির আওয়াজ পেয়ে আমি বারান্দায় গেলাম, দেখলাম দিবাকর বাবু নামলেন , সঙ্গে করে আরো এক অপরিচিত ব্যাক্তি ও গাড়ি থেকে নামলেন। এই ২ য় ব্যাক্তি টির দেখলাম বেশ কম বয়েস। দিবাকর বাবুর তুলনায় ওনাকে একটু যেন নার্ভাস মনে হল। বেল বাজাতেই মা দুই মিনিটের মধ্যে দরজা খুলে দিল। আর দরজা খুলে দিবাকর বাবুর সঙ্গে ঐ অপরিচিত ব্যাক্তি কে দেখে একটু হতবাক ই হয়ে গেছিল। যাই হোক ওদের ভেতরে এনে ড্রইং রুমে বসানোর পর দিবাকর বাবু ঐ ব্যাক্তির সঙ্গে মার আলাপ করে দিল। উনি ছিলেন বিখ্যাত industrialist Seth dhanraj er Bhaipo। Ma দিবাকর বাবু র সামনে মদ এর ব্যাবস্থা করতে করতে বলল, "ফোনে তো এনার কথা হয় নি।" দিবাকর বাবু বলল, " ফোনে কি সব কথা হয় ডার্লিং, তোমার মতন সুন্দরীর appointment jokhon peyechi oke songe niyei Aslam। Jao okei aage khusi Kore dao, o বেচারা এখনো ভার্জিন, ওর ফিতে কেটে শুভ সূচনা করে দাও। আমার কয়েক লাখ টাকার অর্ডার ফাইনাল হওয়া এখন তোমার হাতে।" মা কিছুক্ষন ভেবে দিবাকর বাবু র প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেল, একটা লম্বা পেগ ড্রিঙ্কস শেষ করে একটা সিগারেট ধরিয়ে বেশ খানিক টা ধোয়া ছেড়ে বললো, " ওকে আই অ্যাম রেডি। তবে যা দাও আজকে ডাবল পেমেন্ট লাগবে।" দিবাকর বাবু উল্লাসে ফেটে পড়ে বললেন, " তাই দেব, কিন্তু তোমাকে বিছানায় চাই।" আর সময় নস্ট না করে দুজন কে নিয়ে মা তার বেডরুমে প্রবেশ করলো। ঐ মিস্টার ধনরজের ভাইপো যতক্ষণ করছিল মা বেশ শান্তই ছিল, প্রব্লেম টা শুরু হল দিবাকর বাবু বিছানায় মার শরীরের চার্জ নেবার পর থেকেই। উনি মার কথা কানে না তুলে বরাবরের মতন এনাল sex korte shuru করলেন। আর তার সঙ্গে আশাব্র গালাগাল। যা শুনে আমার ই কান লাল হয়ে যাচ্ছিল। মা একটা সময় পর অনুনয় বিনিনয় করা বন্ধ করে দিল। দিবাকর বাবু অনেক দিন বাদে তার ফেভারিট এসকর্ট ইন্দ্রানী কে বিছানায় উন্মত্ত হয়ে উঠেছিলেন। গায়ের জোর দিয়ে বিছানায় চেপে ধরে মা কে ঠাপ দিচ্ছিলেন । প্রতি ঠাপে মা যন্ত্রণায় আর্তনাদ করে উঠছিল। ঠাপাতে ঠাপাতে দিবাকর বাবু ঐ মিস্টার ধনরজ এর ভাইপো কে বলছিল, " এ দেখো সন্দীপ, সাচ্চা মরদ কইসে চুদাতে হে এক পয়লা নম্বর কি রেণ্ডিকো। আও তুম ভি আকে ফির সে শুরু হো যাও। এক ঘন্টা আর ভি বাকি হে।" দিবাকর বাবু র কথা শুনে ঐ সন্দীপ ও আরো একবার মার শরীরের মজা নিতে এগিয়ে এলো। দুজনে মিলে যখন আরো এক ঘন্টার উপর মার শরীর টাকে উল্টে পাল্টে ভোগ করে ফাইনালি ছাড়লো তখন ঘড়িতে রাত আড়াইটা বেজে গেছে। ওরা জামা প্যান্ট পরে নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর আমি কয়েক সেকেন্ড এর জন্য একবার মায়ের রুমে গেছিলাম। আর গিয়ে মা কে পুরো ধর্ষিতা নারী র মতন ক্লান্ত ও নগ্ন অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখে মন টা খারাপ হয়ে গেল। সেই সময় মার ঠোঁটের কোণ কেটে গিয়ে রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। আমি পা টিপে টিপে মার রুমে ঢুকে চাদর দিয়ে মার শরীর টা ঢেকে আলো নিভিয়ে ফের নিজের ঘরে ফিরে এসেছিলাম। তার পর আমার আর মায়ের জীবনে সাম্প্রতিক কালে ঘটা একের পর এক অবিশ্বাস্য ঘটনার কথা ভাবতে ভাবতেই কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম খেয়াল করি নি। ঘুম যখন ভাঙলো বেশ বেলা হয়ে গেছে। মা বিছানা ছেড়ে ততক্ষনে উঠে গেছে। আমি মার রুমে গিয়ে দেখলাম মা উঠে আগের রাতের বাসি ড্রেস চেঞ্জ করে বিছানার উপর বসে তার গোপন অঙ্গে জেল লাগাচ্ছে। আমাকে দেখে হেসে গুড মর্নিং বলে " ব্রেকফাস্ট করেছিস?" জিজ্ঞেস করল। আমি " এই করবো।" মা বললো," তুই আজ একটু সার্ভ কর না। আমার এই হয়ে এসেছে আর ফাইভ মিনিট। মালতি ব্রেক ফাস্ট রেডি করে দিয়েছে।" আমি মার কথা মতন ব্রেক ফাস্ট সার্ভ করে আমাদের দুজনের জন্য ব্রেক ফাস্ট সাজিয়ে ডাইনিং টেবিলে বসবার মিনিট খানেক এর মধ্যে মা একটা সেক্সী পাতলা হাউস কোট পরে ডাইনিং রুমে খেতে আসলো। আগের রাতের ক্লান্তির ছাপ তখনও মার মুখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। আমি খেতে খেতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আজকেও কি বেড়াবে?" মা উত্তর দিল, " হু আজ ও বেড়াতে হবে।"

দিয়া: আমার মা আমার বাবা কে চিট করছে, বাবা কে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। আমি সেটা সহ্য করতে পারছি না। তাই তার lover o cheat korbe tobei Amar Shanti Hobe। Tomake aaj raate amar sange shute Hobe। চলে এসো আমার সঙ্গে। আমার ঘর টা এদিকে। আমি: এসব তুমি কি বলছো। এটা হয় না। দিয়া: আমার মার সাথে করতে পারলে আমার সঙ্গে করতে অসুবিধে হবার কথা না। তোমার অভ্যেস আছে। তাছাড়া আমাকে দেখে ভার্জিন বলে ভুল করো না। Actually ma Jane naa। কয়েক মাস হলো আমার ও সর্বনাশ যা হবার হয়ে গেছে একটা ফ্রেন্ড এর বার্থ ডে টে গিয়ে।" আমি দিয়ার কথা শুনে বাক রুদ্ধ হয়ে গেছিলাম। দিয়া আমার হাত ধরে টানতে টানতে নিজের রুমে নিয়ে গেল। তারপর দরজা টা ভেজিয়ে দিয়ে, আমাকে বিছানায় বসিয়ে আমার শার্ট এর বাটন খুলতে শুরু করলো। নিজেই নিজের টপ টা খুলে শুধু মাত্র অন্তর্বাস পড়ে আমার সামনে আসলো। দিয়া কে ঐ ভাবে দেখে আমি আপনা থেকে উত্তেজিত হয়ে উঠলাম। দিয়া কে আমার বুকে জড়িয়ে ধরলাম। দিয়া উত্তেজনায় মুখ দিয়ে অস্ফুট স্বরে আওয়াজ বার করল, "উফফ মা গো" আমি ওকে নিজের কাছে টেনে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। দিয়া উত্তেজনায় থর থর করে কাপছিল। প্রথম বার এক সদ্য টিন এজ পার করা যুবতীর সঙ্গে করছিলাম, আমিও ভেতরে ভেতরে ভীষণ উত্তেজিত ছিলাম। ওর বুকের উপর থেকে ব্রা টা টেনে নামিয়ে দিয়ে স্তনে মুখ দিতেই দিয়া উত্তেজনায় ছট পট করতে লাগলো। খানিক খন ধরে ঐ ভাবে আদর করার পর আমি ওর প্যান্টের ভিতর হাত বাড়ালাম। দিয়া আবারো কেপে উঠল, কিন্তু আমাকে বাধা দিতে পারলো না। প্যান্ট টা নামিয়ে ওর গোপন অঙ্গে হাত বোলাতে বোলাতে দিয়া কে অস্থির করে আস্তে আস্তে নিজের ঠাটানো বাড়াটা ওর যোনির মুখে সেট করলাম। আমার কাছে সে সময় কোনো প্রটেকশন ছিল না। প্রথম বার যৌনতার অমোঘ আকর্ষণে অন্ধ হয়ে কনডম এর প্রয়োজন অনুভব করলাম না। আমি দিয়ার যোনির মধ্যে নিজের বাড়াটা গেঁথে খুব আস্তে আস্তে যত্নে ঠাপ দেওয়া শুরু করলাম, যাতে ওর ব্যাথা না লাগে। দিয়ার যোনির ভেতর টা এতটাই টাইট ছিল, আমার বাড়াটা কে যেনো গিলে নিচ্ছিল, ঠাপ দিতে দিতে দিয়ার ঠোঁট বুক মুখ দিয়ে আদরে ভরিয়ে দিচ্ছিলাম, দিয়া আমাকে পুরোপুরি সপে দিয়েছিল, ১৫ মিনিট চোদার পর দিয়া আর সহ্য করতে পারলো না। ওর ভেতর টা ভিজে গেছিল, দশ মিনিটের মধ্যেই ওর রস বেরিয়ে গেছিল। শেষে থাকতে না পেরে দিয়া প্রথম বার মুখ খুললো, ও বলল, " তোমার ওটা বের করে নাও প্লিজ আমার ভেতর টা ছিড়ে যাচ্ছে। খুব যন্ত্রণা হচ্ছে। " আমি দিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ওর ঠোঁটে একটা গভীর চুমু একে দিয়ে বললাম, " আর তো কিছুক্ষন সোনা আমার ও হয়ে এসেছে।" এই বলে ঠাপানোর গতি বাড়িয়ে দ্রুত অর্গানিজম বের করবার দিকে নজর দিলাম। দিয়া ক্লান্ত স্বরে বলছিল, বাইরে করো প্লিজ বাইরে কর। আমি ওর কথা মানতে পারলাম না, উত্তেজনায় পাগল হয়ে দিয়ার যোনির ভেতরেই আমার মাল আউট করলাম। আর মাল আউট করে দিয়ার বুকের উপর শুয়ে পড়লাম। যৌন সঙ্গমে র অপার্থিব সুখে দিয়ার চোখ থেকে জল বেরিয়ে এসেছিল, সুখের আবেশ এ কয়েক মিনিট আমাকে নিজের বুকের উপর জড়িয়ে শুয়ে থাকবার পর মুহূর্তে দিয়ার মধ্যে হটাৎ করে ভয় আর উদ্বেগ এর আবির্ভাব হল। দিয়া আমাকে বলল," এটা তুমি কি করলে, আমার বারণ স্বত্ত্বেও ভেতরেই ঢেলে দিলে, কদিন হল আমার পিরিওড irregular hocche, Jodi kichu haye jay Tumi tar day nebe?" আমি ওকে শান্ত করে ওর গালে চুমু খেয়ে বললাম, " দিয়া রিলাক্স, তুমি বড় হয়েছ, তাই এভাবে রিএক্ট করো না। কিছু প্রব্লেম হবে না। একটা ওষুধ খেয়ে নিলেই তুমি ৭২ ঘণ্টার জন্য সেফ। বুঝলে তোমার মার ব্যাগে পেয়ে যাবে আইপিল , খেয়ে নিও। তুমি চাইলে আমিও ওটা এনে দিতে পারি। এখন ওটা তোমার দরকার পড়বে।" আরো আধ ঘন্টা পর নন্দিনী ফিরে আসছে খবর শোনার পর দিয়ার বাড়ি থেকে বেরোলাম, দিয়া আমাকে বাইরে গেট অব্ধি ছেড়ে দিল। তারপর বাড়ি ফিরে আসার পনেরো মিনিট এর মধ্যে দেখলাম, মা ও ফিরে আসলো রীতিমত ক্লান্ত আর বির্ধ্বস্ত অবস্থায়। আর এসেই বললো, বাড়ি ফিরে ও শান্তি নেই, রাতের বেলা একজন জ্বালাতে আসবে...বুঝলি, দিবাকর বাবু দুদিন ধরে আমাকে ফোন করেছিল, আমাকে না পেয়ে রবি কে পাগল করে দিচ্ছে ফোন করে করে, আজকে দুঘন্টা র জন্য আস্তে বলেছি।" আমি মার ব্যাগ টা নিয়ে তার জন্য গ্লাসে জল ঢালতে ঢালতে বললাম," তুমি করতে পারবে আজ রাতে? তোমার রেস্ট এর দরকার।" মা আমার হাত থেকে জলের গ্লাস টা নিয়ে তাতে চুমুক দিয়ে একটা গভীর নিশ্বাস ছেড়ে বলল, পারতে হবে। ভালো পেমেন্ট নেবো আজকের জন্য, তাছাড়া কাল সকাল টা পাচ্ছি রেস্ট নেবার জন্য , বিকেলে একটু বেরোব কেনাকাটি করতে, তুই ও আসবি আমার সাথে, গোয়া ট্রিপের জন্য যা যা প্রয়োজন সব কিনে নিতে হবে কালকেই, না হলে পরে আর সময় পাওয়া যাবে না।"

আমি হোটেল থেকে সোজা বাড়ি ফিরে আসলাম। রাতে আরো মনোযোগ সহকারে মার লেটেস্ট পর্ণ ভিডিও টা পুরোটা চালিয়ে দেখলাম, আর ফুল পার্ভার্ট মাইন্ডেড ছেলের মত ওটা দেখতে দেখতে হস্ত মৈথুন করে শান্ত হলাম। ভিডিও টে মা কে সত্যি অসাধারণ সেক্সী লাগছিল। টাকার জন্য মা এতটা নিচেও নামতে পারে ভিডিও টা দেখবার আগে আমার বিশ্বাস ই হচ্ছিল না। সেদিন রাত্রে তো বটেই, পরদিন সকালে ও মা বাড়িতে ফিরতে পারলো না। মার পাশাপাশি নন্দিনী ও যে হোটেল থেকে বেরোতে পারে নি সেটা ওকে ফোন করে, জানতে পারলাম। নন্দিনীর ফোন সুইচ অফ বলছিল। সাধারণ ভাবে হোটেল রুমে এনগেজ থাকলেই নন্দিনী ফোন সুইচ অফ রাখে , পর দিন দুপুর বেলা যখন আমি সবে মাত্র লাঞ্চ সেরে নিজের ঘরে এসে বসেছি একটা অজানা নম্বরে কল এলো আমার সেল ফোনে। আমি সেটা রিসিভ করতে ওপার থেকে একটা চেনা গলায় বেশ উদ্বেগের আর উত্তেজনা মেশানো কণ্ঠে একটা প্রশ্ন আসলো," আমার মা কোথায়?" আমি চিনতে পেরেছিলাম ফোনের গলা শুনে , নন্দিনীর মেয়ে ফোন করেছিল। আমি ওকে বললাম, " what Tomar maa ekhono Bari fere ni, strange!" দিয়ার পক্ষ থেকে আবার ও এক প্রশ্ন ভেসে আসলো, " আমার মা কোথায়? আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।" আমি বললাম, " আমি জানি না সে কোথায়। তুমি অপেক্ষা কর, তোমার মা আজকের মধ্যে ঠিক বাড়ি ফিরে আসবে। কোনো কাজে নির্ঘাত আটকে গেছে। কাজ শেষ হলেই বাড়ি ফিরবে" দিয়া বললো, " তুমি সব জানো। মা কোথায় আছে। সে বার বার তোমার কথাই বলে। ভালয় ভালোয় বলবে নাকি আমাকে মার খোজ পেতে পুলিশ এর কাছে যেতে হবে?" আমি এই কথা শুনে ভীষন রকম চিন্তায় পড়ে গেলাম। কোনরকমে ওকে শান্ত করে বললাম। তোমাদের বাড়ি থেকে পাঁচ মিনিট দূরত্বে যে কফি হাউস টা আছে তুমি ওখানে আধ ঘন্টায় পৌছাও আমি আছি। আর এলে সামনা সামনি সব কথা হবে। তোমার মনের অন্ধকার দুর করবার চেষ্টা করবো।" ফোন রেখে জলদি বেরোনোর জন্য রেডি হয়ে গেলাম। মনে মনে দিয়া কে কি বলবো সেটা মোটামুটি ভাবতে ভাবতেই ঐ নির্দিষ্ট ক্যাফেটেরিয়ায় পৌঁছলাম। ওখানে দিয়ার সামনে পৌঁছতেই ওকে ভীষন উদ্বিগ্ন দেখালো। আমি আমতা আমতা করে প্রথমে নন্দিনীর বাড়ি না ফেরার আসল কারণ টা লোকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও, দিয়ার চাপে পড়ে আস্তে আস্তে সব কিছু খুলে বলতে বাধ্য হলাম। সব কথা শুনে দিয়া জাস্ট মানসিক ভাবে ভেঙে পড়লো। ও বাচ্চাদের মতন কাদতে শুরু করেছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় তখন বেশ লোক জন ছিল। তারা সবাই আমাদের দিকে তাকাতে লাগলো দিয়ার কান্নার জন্য। বিব্রত বোধ করছিলাম, তাই দিয়া কে নিয়ে তড়িঘড়ি বেরিয়ে পরলাম কফির বিল চুকিয়ে। দিয়া ক্যাফেটেরিয়া থেকে বেরিয়ে আমার কাছে একটা অসম্ভব জেদ করতে লাগলো, ও একবার নিজের চোখে ওর মা কে ঐ হোটেলে কাজ করতে দেখতে চায়। তার সাথে কথা বলতে চায়। আমি ওকে বার বার বোঝাতে চেষ্টা করলাম, দিয়ার মতন মেয়ের কিছুতেই ঐ সব জায়গায় যাওয়া উচিত হবে না। এটে সমস্যা বাড়বে। দিয়া কোনো কথায় কান দিল না। অগত্যা রাস্তা থেকে একটা taxi ডেকে আমরা দুজনে তাতে চড়ে বসলাম। রাস্তায় ট্রাফিক কম ছিল, তাই চল্লিশ মিনিট এর মধ্যেই ঐ হোটেল টায় পৌঁছে গেলাম। রিসেপশন এর ভদ্রলোক ইতিমধ্যে আমাকে চিনে নিয়েছিলেন। আমি গিয়ে ১০৯ নম্বর রুমের স্ট্যাটাস জানতে চাইলে, উনি হেসে বললেন, " আপনি যার খোজ করতে এসেছেন, উনি এক ঘণ্টা হল বেরিয়ে গেছে। আবার পরশু দিন বুকিং আছে।" আমি এসে দিয়া কে খবর টা দিলাম। ওর চিন্তা তাতে আরো কয়েক গুন বেড়ে গেল। আমি ওকে কোনরকমে শান্ত করে ওর বাড়ি অব্ধি ছেড়ে দিলাম। ওর বিদায় নেওয়ার সময়, দিয়া আমার হাত দুটো চেপে ধরে বলল, " মা ফেরা না অব্ধি আমার সঙ্গে একটু থেকে যাও না please, eto boro barite eka eka Amar naa Dom bondho laage।" Or onurodher modhye এমন একটা আন্তরিকতা ছিল। আমি দিয়ার অনুরোধ ফেলতে পারলাম না। আমাকে ভেতরে এনে বসিয়ে দিয়া ওর সম্পর্কে ওর মার সম্পর্কে নানা গল্প বলতে লাগলো। আমার শুনতে বেশ লাগছিল। কথার প্রেক্ষিতে যৌনতার প্রসঙ্গ উঠলো। দিয়া তার মার এই ব্যভিচার কে খুব খারাপ চোখে দেখছিল। আমার এই ব্যাপার টা ঠিক পছন্দ হলো না। আমি দিয়া কে বললাম, " তুমি শুধু নিজের দিক টা বিচার করছো। একবার তোমার মার দিক টা বিচার করে দেখো। প্রত্যেক mature lady r ভেতর একটা যৌন চাহিদা থাকে। তার ডাক প্রত্যাখ্যান করা যায় না।" দিয়া আমার দিকে তাকিয়ে বলল, এসব তুমি কি বলছো? মা যা করছে সেটা...." দিয়ার কথা শেষ হল না আমি ওকে মাঝপথে থামিয়ে বললাম, "তোমার বাবা যদি একটু টাইম দিত, তার চাহিদা গুলো যত্ন সহকারে মেটাতো। আজ নন্দিনী এত টা ডেসপারেট হতো না। সময় হলে তুমি বুঝতে sex ER খিদে কি মারাত্মক জিনিস।" দিয়া বলল, " ঠিক আছে আমাকে বোঝাও। আমার রুমে চলো, তোমাকে এক রাত্রি সময় দিলাম। তার মধ্যে দেখাও আমার মা কি জন্য হোটেলে গিয়ে দিন রাত পরে থাকে কিসের আকর্ষণে।" আমি: তুমি এসব কী উল্টো পাল্টা বলছো। মাথা ঠান্ডা কর।

নন্দিনী আমার বুকে চুমু খেয়ে বললো, " দেখাই যাক না, আমি কোন জায়গায় পৌঁ ছাই, আমার প্ল্যান খুব ই পরিষ্কার, দুই বছর এই কোম্পানির হয়ে গতর খাটাবো নিজের সৌন্দর্য কে বেলাবো, আর তারপর সেই পয়সায় সারা জীবন আয়েশে বসে খাবো।" আমি আরো একবার নন্দিনী কে জড়িয়ে ধরে ওর কানের পাশে চুমু খেয়ে বললাম, "তুমি তো গোয়া যাচ্ছো?" নন্দিনী: " হ্যা যেতে হবে। তবে আমার সঙ্গে যদি তুমিও যাও আমার খুব ভালো লাগবে। কি যাবে আমার সঙ্গে?" আমি: না না সামনের সপ্তাহে আমার রেজাল্ট আউট হবে। তারপর কতগুলো জব ইন্টারভিউ আছে। এখন যাওয়া যাবে না কোথাও। নন্দিনী: আরে এখনো দুই সপ্তাহ হাতে আছে। শোনো তুমি বাইরে প্লেসমেন্ট নেবে। আমি ও ভাবছি এইবার তোমার সঙ্গে সেটেল করবো। তোমাকে ছাড়া থাকতে একদম ভালো লাগছে না। দুজনে মিলে একটা রেস্তোঁরা র ব্যাবসা খুললে কেমন হয়? আমি এই গোয়া ট্রিপ tar por eder নাগালের বাইরে গিয়ে স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই। নতুন করে শুরু করতে চাই। দরকার পড়লে আমরা বিদেশে চলে যাব। ওখানে আমার বন্ধুরা আছে। তোমার উপযুক্ত জব পেতে অসুবিধে হবে না। তাছাড়া আমিও তো কাজ করবো তাই অসুবিধে হবে না। আমি: এসব তুমি কি বলছো নন্দিনী? বাইরে চলে যাবো। নিজের বাড়ি ছেড়ে নিজের মা কে ছেড়ে? নন্দিনী: এখানে থাকলে তুমি প্রতিদিন তোমার ভালোবাসার মানুষ গুলোকে এই মিস্টার দুবের মতন জানোয়ার দের কাছে ইজ্জত লুঠ হতে দেখবে। ওরা তোমাকেও ওদের মতন বানিয়ে ছাড়বে। বাইরে গেলে তুমি বাঁচবে। মার সঙ্গে কথা বলে দেখো। তাকেও নিয়ে যাবে নতুন শহরে। আর আমি তো থাকবোই। আমরা খুব সুখী হব বুঝলে।। ওখানে কেউ আমাদের বিরক্ত করবে না। আমি নন্দিনী কে জড়িয়ে ধরলাম, বললাম আমি ভেবে দেখবো।।আর মা কেও বোঝাবো। সে নিচ্চয় আমার সঙ্গে আসবে। নন্দিনী বললো " হ্যা অবশ্যই তোমার মতন ছেলেকে ছেড়ে কোন মা থাকতে পারবে বলো, সব কিছু ছেড়ে ঠিক তোমার সাথে অন্য জায়গায় সেটেল হবেন তোমার মা। I am very much sure about it" Nandini r kotha Sesh hobar sange sange দরজায় বেল খুব জোড়ে বেজে উঠলো। তার মানে আমাদের একান্তে মিটিং এর সময় শেষ , নন্দিনীর কাজের সময় শুরু। আমি নন্দিনী কে শেষ বারের মতো আকরে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে চুমু খেলাম। তারপর ওর রুম থেকে বাইরে বেরিয়ে আসলাম। আমি বেরানো মাত্র এক অজানা ক্লায়েন্ট আমার দিকে তাকিয়ে হেসে দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে সাথে সাথেই দরজা বন্ধ করে দিল।

আমি বললাম আজ এত তাড়াতাড়ি বেরোতে হচ্ছে কেনো? মা নিজের চুল শোকাতে শোকাতে বললো, " আর বলিস না, কোম্পানি একটা নতুন এসকর্ট ওম্যান appoint করেছে। ওর নাম নন্দিনী। আমার থেকে মাত্র কয়েক বছর এর ছোট , যে লাইনে এসেছে কিছুই জানে না। আমাকে ওকে আজকে আগে পৌঁছে তালিম দিয়ে দিতে ইনস্ট্রাকশন দেওয়া হয়েছে।" " তুই যেদিন সেই হোটেলে গেলি না, ঐ দিনই তো ঐ পাখি ওখানে প্রথম এসে খাচা টে আটক হল।" মার কথা শুনে বুঝতে বাকি রইল না কার কথা বলা হচ্ছে। আমি স্বাভাবিক ভাবেই চুপ করে গেলাম। মা আমার সামনেই চেঞ্জ করল। স্লিভলেস লো কাট ব্লাউজ ট্রান্সপারেন্ট শাড়ী আর কোমরে একটা সুন্দর সোনার চেইন পরে মোহময়ী রূপে সেজে গুজে মা গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার মিনিট দুয়েক এর বাদেই নন্দিনীর ফোন এল। নন্দিনী আমাকে ফোন করে জানালো "আমার সাথে দেখা করতে চাও, ঐ সেম হোটেলে র ১১৩ নম্বর রুমে চলে এসো। আজকে সারা রাত জাগতে হবে। তার আগে সন্ধ্যে টা অন্তত একসঙ্গে কাটানো যাবে।" নন্দিনীর ডাক আমি প্রত্যাখ্যান করতে পারলাম না। দুই ঘণ্টা পর, ঐ হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। হোটেলে পৌঁছে লবি তেই মিস্টার দুবে র সঙ্গে আবারো দেখা হয়ে গেল। উনি আবারো আমাকে নন্দিনীর মতন আইটেম জোগাড় করে দেবার জন্য ধন্যবাদ জানালেন। সঙ্গে এও জানালেন সামনের সপ্তাহে নন্দিনী সহ ওদের appointed besh kichu corporate escort ke goa trip e jete Hobe। আমি এটা শুনে একটু হতবাক হয়ে গেছিলাম। আমি নন্দিনীর কথা ভেবে কাকুতি মিনতি করলাম ওনার কাছে। আমি বললাম, " প্লিজ মিস্টার দুবে, আপনি আরো একবার ভেবে দেখুন। নন্দিনী এসব ধকল নিতে পারবে না। আপনি অন্য কাউকে try korun।" দুবে আমার কাঁধে হাত রেখে আশ্বস্ত করলেন, উনি বললেন," আমি দেখে চিনতে পারি কার কি প্রটেন্সিয়াল। নন্দিনী র মধ্যে আগুন আছে। সেটা আমরা উটিলাইজ করবো। দেখো না ওকে কি থেকে কি বানিয়ে দি। আলরেডি ওর ট্রেনিং শুরু হয়ে গেছে। আমার জান দায়িত্ব নিয়েছে যখন সে আর এক সপ্তাহে রেডি হয়ে যাবে। যাও নিজের চোখে দেখে আসো এই ক দিনেই ও কতটা ইমপ্রুভ করেছে" আমি মিস্টার দুবে কে বিদায় জানিয়ে নন্দিনীর রুমের দিকে রওনা দিলাম। মনে একটা চোরা আশঙ্কা কাজ করছিল। মার সঙ্গে আবারও দেখা না হয়ে যায়। যাই হোক নন্দিনীর রুমে যেতেই নন্দিনী আমাকে জড়িয়ে ধরে warm welcome জানালো। ওর মুখ নিয়ে ভদকা র স্মেল পেলাম। একই সঙ্গে নন্দিনীর ড্রেস আর hot লুক দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেছিল। পাতলা ফিনফিনে একটা ট্রান্সপারেন্ট শাড়ির সঙ্গে ফুল ক্লিভেজ এক্সপস করা স্লিভলেস স্ট্রিপ অলা ব্লাউজ পরে তাকে এক্সট্রিমলি হট লাগছিল। সেই সাথে ওর বডি লেঙ্গুয়েজ টা র তার আগের ভদ্র শালীন ভাব টা র বদলে রুমা আণ্টি দের মতন একটা slutness ভাব লক্ষ্য করছিলাম। আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম " এটা কি পড়েছ? সব কিছু তো দেখা যাচ্ছে। " নন্দিনী আমাকে বিছানার উপর বসিয়ে বললো, " এই কিছু ক্ষন আগে একটা দিদি এসে সাজিয়ে দিয়ে গেল। ওর কাছে অনেক কিছু শিখলাম জানলাম। এবার ওগুলো আমাকে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োগ aকরতে শিখতে হবে। আমাকে কেমন লাগছে?" আমি: দারুন কিন্তু এধরনের ট্রান্সপারেন্ট শাড়ী ব্লাউজ পড়া ঠিক তোমাকে মানাচ্ছে না। আর যাই হোক দের গায়ে পড়া মেয়েছেলে তুমি তো নও। নন্দিনী মুখে একটা দুষ্টু হাসি এনে বললো, তাই বুঝি, তাহলে তো প্রমাণ দিতে হয় আমিও ওদের মতন আদব কায়দা করে পুরুষ দের মনোরঞ্জন করতে পারি। কম অন সুরো let's get some fun! এই আমার কাছে এসে আমার ঠোঁটে এ লাগিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চুম্বন করতে লাগলো। চুমু খেতে খেতে আবিষ্কার করলাম, নন্দিনীর উন্নত স্তনের অংশ বিশেষ আমার বুকে ঘষা খাচ্ছে। আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম ও আমাকে তাড়াতাড়ি মাল আউট করবার জন্য এটা করছিল। পাঁচ মিনিট ধরে লিপ কিস করা সেরে আমাকে আলতো পুস করে নরম সুন্দর বিছানার উপর শুইয়ে দিয়ে, আমার কোমরের উপর চেপে বসলো। আর ওখানে বসে খানিক টা নারা চারা করতেই আমার পুরুষ অঙ্গের মধ্যে একটা তীব্র উত্তেজনা অনুভব করলাম। ওটা যেন নন্দিনীর ছোয়া পেয়ে প্যান্টে র ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। নন্দিনী শাড়ির আঁচল টা টেনে সরিয়ে দিয়ে নিজের বুক উন্মুক্ত করে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে আমার পুরুষ অঙ্গের ওখানে নিজের নিতম্ব র সাহায্যে একটু চাপ দিতেই আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। হটাৎ ই আমার মাল আউট হয়ে গেল, তাও আবার লাভ মেকিং শুরু হবার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই। নন্দিনী আমার অবস্থা দেখলে হাসতে হাসতে বলল, " দেখলে তো সুরো আমার ট্রেনিং এর মহিমা, পাঁচ মিনিট ও টিকলে না, এই বার বল আমি পারবো তো? আমাকে মানাচ্ছে তো?" আমি নন্দিনী কে জড়িয়ে ধরে বললাম কম অন এসব নিয়ে বেশি মেতে ওঠো না। পুরোনো জীবনে ফিরতে পারবে না। এরাই ফিরতে পারবো না।"

কানে হেড ফোন গুজে ভিডিও টা অন করে স্টার্টিং এর কিছু মিনিট দেখে আমি মা কে স্পষ্ট চিনতে পারলাম। আর তাজ্জব বিষয় ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড সেট আপ আমার ভীষন চেনা লাগছিল। আমার কোন শুভানুধ্যায়ী ভিডিও টা পাঠিয়েছে বুঝতে পারলাম না। বাড়ি ফিরে এসে কলিং বেল টিপতেই দু মিনিটে র মধ্যে আবার ও চমক পেলাম। রবি আঙ্কেল হাসিমুখে দরজা খুলে দিয়ে বললো, " আরে সুরো বাবু যে তুমি তো ছিলে না তাই আমাকেই তোমার মার খেয়াল রাখতে হল সুরো বাবু। বাড়িতে অনেক কিছু হলো শেষ ১০-১২ ঘন্টায়, কিছুই দেখতে পেলে না। তাই তোমাকে সদ্য কাল রাতে শুট হওয়া কিছু raw footage share korechi । কেমন লাগলো? নিজের মা কে চিনতে পারলে? আমি আঙ্কেল এর কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েছিলাম, আমি বললাম এসব কি বলছেন আপনি... রবি আঙ্কেল: "ঠিক কাল তোমার মা দারুন ফর্মে ছিল, আর ভিডিও করতে রাজি ও হয়ে গেলো। She is so smart, Bhalo takar offer পেতেই সাথে সাথে রাজি হয়ে গেলো।" আমি থত মত ভাবে দাড়িয়ে আছি দেখে, রবি আঙ্কেল আমার পিঠ চাপরে দিয়ে বললো, "আরে ওতো ভেবো না।। যাও ভেতরে যাও, তোমার মা সকাল থেকেই শুধু তোমার কথাই ভাবছে।" রবি আঙ্কেল এর আগের কথা গুলো শুনে আমার পায়ের তলার মাটি যেনো সরে যাচ্ছিল। কোনরকমে সেই শকিং নিউজ হজম করে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করলাম। নিজের রুমে চলে এসে ড্রেস চেঞ্জ করে, মায়ের রুমে র দিকে গেলাম। মায়ের বেডরুমের দরজা খোলা ছিল। আর ভেতরে ঢুকে দেখতে পেলাম আগের রাতের ড্রিঙ্কস আর বিরিয়ানির প্যাকেট এর উচ্ছিস্ট তখনও ওখানে পরে রয়েছে। ঘরের মধ্যে মা ছিল না, তবে পাশের ওয়াস্ রুমের ভেতর থেকে মায়ের চাপা স্বরে লা.... লা লা লা লা, মুখ থেকে সুর বার করে শাওয়ার নেবার শব্দ ভেসে আসছিল। সেই সুর কানে আসতেই বুঝতে পারলাম রবি আঙ্কেল এর কথা মতন নিষিদ্ধ ছবিতে কাজ করে মা বেশ ফুর্তি টে আছে, আমি বাথরুমের দরজায় আমি বাড়ি ফিরে এসেছি বোঝাতে " মা বাড়ী ফিরে এসেছি" বলে নক করতেই, মা আমাকে ভেতরে শাওয়ার নিতে ডাকলো। আমি ভেতরে ঢুকে পুরো অসস্তিতে পরে গেলাম। মা সেই সময় পুরো নগ্ন অবস্থায় শাওয়ার নিচ্ছিল। আমাকে দেখে আমার দিকে এগিয়ে আসলো। আমাকেও টপলেস করে, সাবান মাখিয়ে দিতে শুরু করলো। কিছুক্ষন বাদে আমিও নিজেকে সামলে রাখতে পারলাম না। মা নিজের কাছে টেনে তার বুকে কাধে পেটে পরম যত্নে সাবান মাখাতে শুরু করলাম। তারপর সাবান মাখা অংশে জল দিয়ে মার সারা গায়ে নিজের হাতের স্পর্শ জাহির করছিলাম। আমার মা কে এক হাতে পিছন দিকে থেকে জড়িয়ে শাওয়ারের জলে ভিজতে ভিজতে অন্য হাতে সাবান মাখানোর কায়দা দেখে আমার মা অসস্তি বোধ করার বদলে দেখলাম, বেশ খুশি হল। আমার বুকের উপর চুমু খেয়ে বললো, " এই তো গুড, আমার ছেলে কিভাবে স্নান করাতে হয শিখে গেছে। বড়ো ও হয়ে গেছে। এইবার তাকে একটা বিয়ে দিয়ে দিতে পারলে আমার নিচ্ছিন্ত।" " কিরে বল আমায় কিরকম মেয়ে তোর পছন্দ? আজ থেকেই তাহলে খোজ করা আরম্ভ করে দি। তাছাড়া তুই কাউকে সিলেক্ট করে রাখলে আমাকে বলতে পারিস। " আমি মাকে জড়িয়ে ধরে তার মাই জোড়া জোরে টিপে দিয়ে লজ্জার মাথা খেয়ে বললাম," আমার কিন্তু তোমার মতন মেয়েই পছন্দ।" মা এই উত্তর শুনে সাথে সাথে আমার হাতে একটা চাপর মেরে আমাকে ছাড়িয়ে বলল, " ইসস অসভ্য ছেলে, খুব শখ না আমার মতন কাউকে নিয়ে খেলার।" আমি মা র কাধে চুমু খেয়ে বললাম, প্লিজ মা আমার তোমার মতই কাউকে চাই। তুমি রাগ কর না।" মা আমাকে হাগ করে বলল," দুর পাগল তোর ইচ্ছে আমি বাধা দিতে পারবো না। দেখছি আমার মতন কেউ যদি তোর দায়িত্ব নিতে রাজি হয় তাহলে তাড়াতাড়ি তোকে তার হাতে তুলে দিয়ে আমিও নিচ্ছিন্ত্ত হয়ে যাব।" আমি মাকে আবেগে আরো জোড়ে জরিয়ে ধরলাম। মার স্তনের নিপেলস গুলো আমার উন্মুক্ত বুকে ঘষা খাচ্ছিল। আমি বললাম " মা, চলো আজকে আমরা সারাদিন খুব এনজয় করবো। মুভি দেখবো, বাইরে তোমার ফেভারিট রেস্তোরায় খাবো, শপিং করবো। আগের, সব আগেকার সময়ের মতো।" আমার কথা শুনে মার মুখ থেকে হাসি মিলিয়ে গেল। মা আমার দিকে করুন ভাবে তাকিয়ে বলল, " আই অ্যাম সরি, আমার ইচ্ছে থাকলেও আজ কিছুতেই তোকে কোম্পানি দিতে পারবো না। আমাকে আর আধ ঘন্টা পর ই বেরিয়ে যেতে হবে। কোম্পানির অর্ডার। ক্লায়েন্ট রা আমার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে।" আমি মন খারাপ করে মা কে ছেড়ে দিয়ে টাওয়েল নিয়ে বেরিয়ে এলাম। মা মিনিট দুয়েক এর পর বেরিয়ে আমার কাছে এসে আমার চুল ভালো করে মুছতে মুছতে বলল, " কম অন সুরো, প্লিজ মন খারাপ করিস না। দুদিন পর আমি আবার ফ্রী থাকবো সেদিন আমরা সব কিছু প্ল্যান মাফিক এনজয় করবো তুই দেখিস।" মা গত রাতে রেকর্ড করা পর্ণ ভিডিও টির বিষয়ে একটা কথাও উল্লেখ করলো না। তাই আমিও যেচে ঐ প্রসঙ্গ তুললাম না।

photo content

এমন সময় রুমা আণ্টি নিজের নাইট ড্রেস এর স্ট্রিপ খোলা অবস্থায় ঐ রুমে এসে প্রবেশ করলো। তার এক হাতে ছিল অর্ধেক পানীয় ভর্তি হুইস্কির একটা বোতল আর অন্য হাতে ছিল নতুন এক সেট কনডম এর প্যাকেট। রুমা আণ্টি ঘরে ঢুকেই আমার দিকে তাকিয়ে একটা নোংরা হাসি হেসে দরজা টা দরাম করে ভেতর থেকে বন্ধ করে দিল। আমি রুমা আণ্টি র বডি language dekhe bhoy peye gechilam। রুমা আণ্টি আমাকে চোদানোর জন্য পাগল হয়ে ছিল, নেশায় তলছিল আমার দিকে তাকিয়ে খালি হাসছিল। কয়েক মিনিট এর মধ্যে রুমা আণ্টি নিজের মনোবাঞ্ছা পরিষ্কার করে দিল, নিজের নাইট ড্রেস টা খুলে আমার মুখে র দিক লক্ষ্য ছুড়ে দিল। তারপর শিকারির মতন আমার দিকে একটু একটু করে এগিয়ে আসলো। আমি বললাম, প্লিজ রুমা আণ্টি আজকে করো না। আমি পারবো না। রুমা আণ্টি আমার বুকের উপর উঠে বসল, তারপর হুইস্কির জারের ছি পি খুলে ঢক ঢক করে মদ গলায় ঢালতে ঢালতে বলল, আমি ভালো করে জানি কিভাবে তোকে চাগাতে হবে, কম অ ন তুই আজকে ৩০ হাজার টাকা earn করেছিস, দুজন স্লাট কে স্যাটিসফাই করে, এবার আমার কমিশন টা বুঝিয়ে দে।" মদ আর রুমা আণ্টি র আবেদন আমার শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। আমি বিছানায় এলিয়ে পড়তে রুমা আণ্টি এসে আমার মুখের ভিতর জিভ ঢুকিয়ে চুমু খাওয়া শুরু করলো। আমিও শারীরিক প্রতিকূলতা কে দূরে সরিয়ে আস্তে আস্তে মেতে উঠলাম। মাঝ পথে মায়ের কল আসায় রুমা আণ্টি ডিস্টার্ব ফিল করছিল, মা হয়তো ডিনার এর জন্য কল করছিল। নিজেই আমার ফোন টা নিয়ে মায়ের কল টা কেটে ফোনটা সুইচ অফ করে, আমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ফের চুমু খাওয়া শুরু করলো। রুমা আণ্টি র কাছ থেকেই যা যা শিখেছিলাম সব টুকু উজাড় করে রুমা আণ্টি কে খুশি করতে শুরু করলাম। আমার বুকে পিঠে রুমা আণ্টির দয়ায় আরো কতগুলো ক্ষত স্থান সৃষ্টি হল। ঐ রুমে জোরদার এসি চলছিল তার মধ্যেও আমি আর রুমা আণ্টি যৌন ক্রীড়ায় রত হয়ে ঘেমেগেছিলাম। আমাদের sex ER দাপটে রুমা আণ্টির খাট টা খুব জোড়ে নড়ে উঠছিল। এই ভাবে কতক্ষন চলে ছিল খেয়াল নেই, রুমা আণ্টি যতক্ষণ পেরেছিল আমার রস শুষে নিয়ে ছিল।।তারপর ক্লান্ত বির্ধ্বস্ত হয়ে নুড অবস্থায়ই আমাকে জড়িয়ে শুয়ে পড়ে। আমাকে জড়িয়ে শোওয়ার আগে আমার ক্ষত স্থান গুলো শুস্রুষা করে ওষুধ লাগিয়ে দেয়। আমি আণ্টি কে জড়িয়ে পরম আবেশে ঘুমিয়ে পড়ি। পরের দিন অনেক বেলা করে ঘুম ভাঙ্গলো। রুমা আণ্টি একটা স্লিভ লেস রোব পরে কোমর দোলাতে দোলাতে এসেই এক কাপ গরম কফি করে এনে ডেকে দিল, বলল " কি হল সুরো ওঠো, আর কত ঘুমাবে। বাড়ি ফিরবে না।" আমার আগের রাতের হাং ওভার তখন কাটে নি, তাই নেশার আবেশ জড়ানো গলায় জিজ্ঞেস করলাম, " কটা বাজে?" রুমা আণ্টি বলল সাড়ে ১২ টা। উঠে পরো আমারও এক ক্লায়েন্ট এর কাছে appointment acche berate Hobe। তোমাকে একা ফেলে তো যেতে পারবো না। Last night Suro you are awesome, eto masti অনেকদিন পর পেলাম। এরপর থেকে প্রত্যেক সপ্তাহ একবার করে আমার কাছে আসতেই হবে কিন্তু।" কফি পান করে বিছানা ছেড়ে নামতে গিয়ে আগের রাতের ঘটে যাওয়া শরীরের উপর অত্যাচার এর এফেক্ট হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। শরীরের নিচের পার্ট যেনো ব্যাথায় ছিড়ে যাচ্ছিল। রুমা আণ্টি কয়েকটা পেইন কিলার দিতে ব্যাথা টা একটু কমতেই একটা ক্যাব বুক করে বাড়ি ফিরলাম। ক্যাবে করে বাড়ি ফেরার সময় একটা unknown number theke ekta notification মেসেজ আমার ফোনে ঢুকলো। আমি স্ক্রিন অন করে ওটা দেখে সারপ্রাইজড হয়ে গেলাম। আমি দেখলাম, মায়ের নতুন একটা পর্ণ ভিডিও গতকাল রাতে একটা অ্যাডাল্ট সাইটে আপলড করা হয়েছে।

আরেকজন মহিলাও বেশ দারুন সুন্দর দেখতে, লম্বা ফর্সা টানা টানা চোখ, মুখে অদ্ভুত রহস্যময় একটা হাসি নিয়ে আমাকে তাকিয়ে তাকিয়ে মাপছিল। রুমা আণ্টি ওনার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিল, ওর নাম ছিল ইপ্সিতা। বেশ ধনী পরিবারের হাউস ওয়াইফ। আমাকে দেখেই উনি বলে উঠলেন, " ওহ্ he is Hot।" কবিতা আণ্টি ও এই কথার সাথে সহমত হল। রুমা আণ্টি পরিচয় করে দিল, জানতে পারলাম ইপ্সিতা দেবীর পরিবারের অনেক পুরনো গয়নার ব্যাবসা আছে। রুমা আণ্টি আমাকে ওদের মধ্যিখানে গিয়ে বসতে বলল। আমি ওদের মাঝে গিয়ে বসতেই, ওরা আমার গায়ের উপর আরো সরে আসলো। আমার হাতে হাত রেখে ভালো ভালো কথা বলে আমার মন জেতবার চেষ্টা করছিল। আমিও হ্যা আর নায় উত্তর দিচ্ছিলাম। রুমা আণ্টি উঠে গিয়ে আমার জন্য beer নিয়ে আসলো। দুই ক্যান Beer kheye Ami সহজ হলাম। ওরা আমার মুখের কাছে নিজেদের মুখ নিয়ে এসেছিল, আমি এক এক করে ওদের মনের ভেতরে র সুপ্ত বাসনা পূরণ করলাম, রুমা আণ্টি র থেকে ইশারা পেয়ে, শার্ট টা খুলতে হল। তারপর ওরা এক এক করে এসে আমার থাই এর উপর ভর করে বসে, ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে চুমু খেটে লাগলো। ১০ মিনিট পর আমার প্যান্টের বেল্ট আর জিপ এও হাত পড়ল। আমি বাধা দিতে পারলাম না আর বাধা দিয়ে কোনো লাভও হতো না। ট্রাউজার টা আমার শরীর থেকে আলাদা করে, কবিতা আণ্টি আমাকে নিয়ে প্রথমে পাশের বেড রুমে ঢুকলো। কবিতা আণ্টি প্রথমে রুমা আণ্টি কে টাকা দিয়েছে তাই ফার্স্ট চান্স ওর ই প্রাপ্য ছিল।। ঢুকেই চেনা ঘর চেনা বিছানায় ওখানে কবিতা আণ্টি র সাথে আগেও করেছি , তাই এবার ও আদিম ক্রীড়ায় মেতে উঠতে কোনো অসুবিধা হল না। কবিতা আণ্টি আমার কোমরের উপর চেপে বসে ঠাপ নিচ্ছিল। "আরো জোড়ে আরো জোড়ে ওহ সুরো , ইউ ডোন্ট নো baby how much I miss you, aj jokhon petechi, tomake puro Puri ningre na niye কিছুতেই ছাড়ছি না।" এধরনের কথা বলতে বলতে খুব সহজেই আমাকে উত্তেজিত করে তুলেছিল। কবিতা আণ্টি কে টপলেস করে জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগলাম। কবিতা আণ্টি ভেতরে ভেতরে খুব গরম হয়ে ছিল। বিছানায় আমাকে এক মুহুর্ত রেওয়াত করলো না। ২০ মিনিট এর ভিতর দুবার মাল বেরালো,তাতেও কবিতা আণ্টি শান্ত হলো না, আরো দশ মিনিট রগ্রে বিছানা ভিজিয়ে আমাকে ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে দীর্ঘ চুমু খেয়ে বললো, " উফফ অনেক দিন বাদে দারুন মস্তি পেলাম। খুব তাড়াতাড়ি তোমাকে বুক করছি। আরো লম্বা সময় এর জন্য চাই। আর হ্যা রেজাল্ট বেরোলেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ কর। তোমাকে একটা দারুন জব দিয়ে আমাদের মাঝেই রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।" আমি মুখে একটা ফেক স্মাইল হেসে বিছানায় ক্লান্ত হয়ে এলিয়ে পড়লাম। আন্ডার ওয়্যার সবে মাত্র পড়েছি , কবিতা আণ্টি বেরিয়ে পাঁচ মিনিট ও হয় নি এমন সময় ইপ্সিতা ঘরের ভিতরে ঢুকল টলতে টলতে। আমি উঠে বসতে গেলাম কিন্তু উনি আমাকে ইশারায় বিছানা থেকে উঠতে বারণ করলেন। তারপর নিজের থেকেই শাড়ির আঁচল টা বুকের উপর থেকে সরিয়ে নিয়ে, একটা রহস্যময়ী হাসি হেসে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ল, আমি তাল সামলাতে পারলাম না। ঈপ্সিতা দেবী বলল কানে কানে " আমি কিন্তু খুব রাফ sex পছন্দ করি। দেখি রুমা তোমাকে কেমন তৈরি করেছে?" মুহূর্তের মধ্যে অশান্ত হয়ে আমাকে নিজের শরীরের উপরে চেপে ধরলো। একবারে আমার ঠাটানো বাড়াটা ইপ্সিতা দেবীর যোনি দেশে গেথে গেলো। তারপর চরম গতিতে ঠাপাতে ঠাপাতে আমি ইপ্সিতা দেবীর ইচ্ছে মত মনোরঞ্জন করতে লাগলাম, উনি এমন ভাবে আমার মুখে বুকে চুমু খাচ্ছিলেন, দাত দিয়ে কামড়াচ্ছিল ব্যাথায় আর উত্তেজনায় আমার অবস্থা কাহিল হয়ে গেছিল। ইপ্সিতা দেবীর সাথে সঙ্গম করতে করতে আমার ঠোঁট কেটে রক্ত বের হচ্ছিল, বুকেও একাধিক ক্ষত চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছিল। আমি বার বার ওনার কাছে হাত জোড় করে ভিক্ষা চাইছিলাম, কিন্তু উনি যৌন নির্যাতন বাড়ালেন বই কমালেন না। আমার পেনিস টা ওনার গভীর গুদে ঘষা খেতে খেতে অসার হয়ে গেছিলো। আমার ইপ্সিতা দেবীর চাহিদা পূরণ করতে খুব কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু ওনার সেসব দিকে কোনো হুস ছিল না। এক ঘন্টার উপর করে একাধিক বার আমার পুরুষ অঙ্গ নিংরে তার থেকে বীর্য বের করে তবে খান্ত হলেন। শেষে প্রথম বার জীবনে ইপ্সিতা দেবীর অনুরোধে ওনার রসে টই তম্বুর যোনীদেশে মুখ দিয়ে সেই রসের স্বাদ গ্রহণ করতে হলো। আমাকে পুরোপুরি ক্লান্ত বির্ধ্বস্ত করে যখন উঠলেন আমার শরীরে মাথা তুলবার মত শক্তি নেই। ইপ্সিতা দেবী আমাকে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খেল। তারপর একটা সোনার দামী চেইন বের করে আমার গলায় পরিয়ে দিল। আর নিজের বিজনেস কার্ড আমার হাতে দিয়ে বললেন, অনেক ইউং মেন কে বিছানায় ভোগ করেছি , but you are very special। যখন ই তোমার টাকার প্রয়োজন হবে আমার কাছে চলে আসবে।" ঈপ্সিতা দেবী ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর আমি বেশ কিছু খন বিছানায় শুয়ে ছিলাম। শরীরের সব অঙ্গ থেকে ব্যাথা হচ্ছিল সে সময়। তবুও নিজের শরীরের সমস্ত জোর এক করে বিছানা ছেড়ে উঠতে যাবো,

মা কে এইভাবে হাসতে হাসতে নতুন কেনা হাউস কোট টা পরে, আঙ্কেল এর সঙ্গে নিজের বেডরুমে ঢুকতে দেখে আমার কেনো জানি খুব একটা ভালো লাগছিল না। রুমে ঢোকার ঠিক আগের মুহূর্তে মা হাউস কোট এর বুকের উপর এর দুটি বোতাম খুলে নিয়েছিল। তাতে মার নতুন পিঙ্ক কালারের ব্রা টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। রবি আঙ্কেল এর সঙ্গ দোষে এতটাই নিজেকে পাল্টে ফেলেছিল, যে তার আর কোনটা ঠিক আর কোন টা ভুল সেটা বিচার করার মত হুস ছিল না। আমি মা কে রুমে ঢুকতে দেখে, আমিও ওদিকে এগিয়ে গেলাম কৌতূহল বশত। মার বেডরুমের দরজা অর্ধেক খোলা আর অর্ধেক ভেজানো ছিল। তার বাইরে দাড়িয়েই যা দৃশ্য দেখলাম তাতে আমার মন টা যন্ত্রণায় বিদ্ধ হল। আমি দেখলাম আঙ্কেল খালি গায়ে শুধু মাত্র একটা আন্ডার ওয়্যার পরে বসে আসে, তার বিশাল সাইজের পেনিস টা মার সামনে দাড়িয়ে আছে, মার মাথার উপর চুলে আঙ্কেল এর একটা হাত রাখা আছে। মা চোখ বন্ধ করে জিভ বের করে আঙ্কেল পেনিস টা নিয়ে আইস ক্রিম খাবার মতন করে চুষছে। আর আঙ্কেল উত্তেজনায় সুখে মুখ দিয়ে অস্ফুট নোংরা নোংরা কথা বার করছে। শুধু ব্লজব এর মজাই নিচ্ছিল না, অন্য হাত দিয়ে নিজের দামী স্মার্ট ফোন চালিয়ে ক্যামেরায় মায়ের ভিডিও সমানে রেকর্ড করে যাচ্ছিল। সেই সময় যে জিনিস টা আমার সব থেকে অবাক লাগলো, মার ঐ আঙ্কেল এর দণ্ড টা একটা পাকা বেশ্যার মত মুখে নেওয়ার ভিডিও চোখের সামনে রেকর্ড হচ্ছে দেখেও মা ছিল একেবারে নির্বিকার। মাঝে মাঝেই আবার মুখ থেকে ওটা বার করে ফোনের ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আঙ্কেল এর নির্দেশ মত হাসি মুখে পোজ ও দিচ্ছিল। এসব কাণ্ড কারখানা দেখে আমার হয়ে গেছিলো, মার মুখের লালা যেভাবে আঙ্কেল এর বাড়ায় মাখামাখি হয়ে যাচ্ছিল, সেটা দেখে আমার বমি বমি পাচ্ছিলো। আমি সেই জন্য আর দাড়িয়ে থাকতে পারলাম না। আর সময় নষ্ট না করে ব্যথিত হৃদয়ে বাড়ির বাইরে রুমা আণ্টি র apointment রাখতে বের হলাম। ছুটির দিন থাকায় রাস্তায় ট্রাফিক ছিল কম, তাই মাত্র আধ ঘন্টা র মধ্যে রুমা আন্টির ফ্ল্যাটে পৌঁছে গেলাম। আর ওখানে পৌঁছে দারুন গ্র্যান্ড ওয়েল কাম পেলাম। রুমা আণ্টি দরজা খুলে আমাকে দেখেই জরিয়ে ধরলো, তারপর হাত ধরে ভেতরে ড্রইং রুমে নিয়ে এসে বসালো। ড্রইং রুমে দুজন সুন্দরী মাঝ বয়সি উচ্চবিত্ত নারী বসে ড্রিংক নিচ্ছিল। তাদের একজন কে চিনতে পেরে চমকে উঠলাম। উনি আর কেউ ছিল না , কবিতা আণ্টি স্বয়ং। বিছানায় ওর থেকে নৃশংস আর কেউ হতে পারে না। আমাকে দেখে ফ্লাইং কিস ছুড়ে, কবিতা আণ্টি বললো, " হি হ্যান্ডসম, কেমন আছো। আজ অনেকদিন বাদে তোমার সাথে খেলবো। Be ready।।"

আমি যখন বেরিয়ে আসছি, মা আঙ্কেল কে নিয়ে নিজের বেডরুমে ঢুকলো নতুন একটা হাউস কোট পরে। মার দিক থেকে চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। খোলা চুলে ঐ পাতলা semi transparent housecoat পরে মা কে দারুন সুন্দর দেখতে লাগছিল।

দুপুর বেলা রবি আঙ্কেল আসলো। আমার সামনেই মা কে ড্রইং রুমে নির্লজ্জের জড়িয়ে ধরলো। তার চোখ মায়ের বুকের উপর থেকে যেনো সরতে চাইছিল না। মা নিজের ক্লিভেজ শো করছিল, আর আঙ্কেল এর তাকানো এনজয় করছিল। আমার মনে হলো, যেহেতু ৪-৫ দিন রবি আঙ্কেল মার সঙ্গে শোবার সুযোগ পায় নি, তাই সে নিজেকে আর শান্ত রাখতে পারছিল না। কোনো বন্ধু কে ডেকে আনে নি, একাই মা কে নিয়ে এনজয় করবে বলে এসেছিল। মা রবি আঙ্কেল এর সেই ছট পটানি খুব উপভোগ করছিল, বেশ লম্বা সময় ধরে আঙ্কেল কে হাগ করে আঙ্কেল এর শরীর থেকে আলাদা করে, মা আমার সামনেই বলল, "আজকে ফুল নাইট আমি শুধু তোমার। কাম উইথ মী।" আঙ্কেল মার জন্য একটা স্পেশাল গিফট এনেছিল। ওটা আমার সামনেই মার গলায় পরিয়ে দিল। জিনিস টা ছিল একটা সুন্দর লম্বা ডিজাইন করা সোনার চেইন। এই গিফট টা পাওয়ার পর আঙ্কেল এর খাতির দারি আরো বেড়ে গেছিল। আমি আঙ্কেল এর সঙ্গে মা কে এভাবে চোখের সামনে ঘনিষ্ট হতে দেখে ভীষন ই uncomfortable feel করছিলাম। আমি নিজের ঘরে চলে আসলাম। আর নিজের ঘরে আসতেই নন্দিনী সেন এর কল এলো। ও বললো সে এখন অনেকটা সুস্থ। তবে মেয়ে ওর রোজ রোজ বেড়ানো নিয়ে সন্দেহ করছে, তাই আজ কিছুতেই আমার সঙ্গে দেখা করতে বেরোতে পারবে না। একেবারে কাল কেই বেরোবে। আমি দু একটা কথা বলে take care bole নন্দিনীর call ta রেখে দিলাম। নন্দিনী সেন এর কল tar মাত্র ১০ মিনিট পর, রুমা আণ্টি ফোন করলো। অনেক দিন রুমা আণ্টির সঙ্গে কথা হচ্ছিল না বিশেষ করে ঐ swinger party r incident tar por থেকে, আমাকে বাধ্য হয়ে কল টা রিসিভ করতে হল। আমি হেলো বলতেই, রুমা আণ্টি শ্লেষ মাখানো গলায় বলল, " কী ব্যাপার হান্ডসম তুমি তো নন্দিনী আমাকে ভুলেই গেলে। আজ কি করছো? ফ্রী থাকলে বিকেলে চলে আস আমার কাছে। তোমার জন্য পার্টি আছে।" আমি বললাম, " সরি রুমা আণ্টি, আমি আর এসব করবো না। প্লিজ আমাকে আর ডেক না। আমার ভালো লাগছে না।" রুমা আণ্টি: দুদিন নন্দিনীর সাথে কাটিয়েই আমাদের সঙ্গ ভালো লাগছে না। হমমম, কিন্তু তোমাকে তো আজ আসতেই হবে হ্যান্ডসম, তোমার ছবি দেখিয়ে বুকিং করেছি, মালদার গেস্ট আসছে।" আমি: না না রুমা আণ্টি। আমি এসব আর করতে পারবো না। তুমি অন্য কাউকে ব্যাবস্থা করো। রুমা আণ্টি: কম অন হ্যান্ডসম, নাচতে নেমে ঘোমটা দেওয়া আমি একেবারে পছন্দ করি না। তুমি আমার কাছে always স্পেশাল, তাই স্পেশাল কেসে তোমাকেই ডাকবো। আরে চলে এসো তাড়াতাড়ি। তোমার মায়ের ভিডিও গুলো কিন্তু আমার কাছে এখনো বেশ যত্ন করে তোলা আছে। ওগুলো লিক করতে আমার সেফ দুই মিনিট সময় লাগবে। আমি: না এটা তুমি করতে পারো না। তুমি আমায় প্রমিজ করে ছিলে। ওগুলো ডিলিট করে দেবে। আর আমাকে প্রয়োজন ছাড়া ডিস্টার্ব করবে না। রুমা আণ্টি: ওহ কাম অন, প্রয়োজন পড়েছে বলেই তো তোকে এখন কল করছি। চলে আসো সুরো। দেখবে কোনো প্রব্লেম হবে না। আমি: না না আমি আসবো না। প্লিজ আমাকে ডিস্টার্ব করো না। রুমা আণ্টি এরপর বিরক্ত হয়ে তুমি থেকে তুই তোকারি টে চলে গেলো, রুমা আণ্টি বললো: tell me what's your problem? বেশ্যার ছেলে হয়ে বেশি ভদ্র ছেলে সাজার ন্যাকামো করিস না তো। আজকে ফুল মালদার পার্টি আছে। তোর পরিশ্রমের ভালো দাম পাবি। তাছাড়া পার্টি কে সন্তুষ্ট করতে পারলে, তোর একটা ভালো চাকরির ব্যাবস্থাও হয়ে যাবে বুঝলি।। সামনেই তো তোর রেজাল্ট বেরোবে, তার আগেই একটা ভালো কোম্পানি টে ভালো পোস্টে join করতে পারবি। বাইরে যেতে হবে না। তারপর এখানেই থেকে মার খেঁয়াল ও রাখতে পারবি আর সেই সাথে আমাদের ও হা হা হা হা...." রুমা আণ্টি আমার কোনো কথা শুনলো না। আমাকে বাধ্য হয়ে এরপর রেডি হয়ে রুমা আন্টির বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরোতে হলো। বেরোনোর সময় মা কে মিথ্যে কথা বললাম, রবি আঙ্কেল আসায় তার ও বাড়ি ফাঁকা হলে সুবিধা হতো। রবি আঙ্কেল ড্রইং রুমের সোফাতে করতে চাইছিল মায়ের সঙ্গে। সে মাকে ইমপ্রেস করবার জন্য পেনিস এনলারজমেন্ট সার্জারি করে নিজের পুরুষ অঙ্গের সাইজ আরো ৩" বাড়িয়ে নিয়েছিল। আমাদের বাড়িতে এসেই মওকা পেয়ে নিজের পুরুষ অঙ্গ খুলে মা কে দেখিয়েছিল। মার মতন বেশ্যা ও ওটার সাইজ দেখে ভয় পেয়ে গেছিল। আমি আড়ালে থেকে ওদের কথা শুনতে পারছিলাম, মা বলছিল, এটা কি বানিয়েছ? কি বড়ো দেখাচ্ছে, আমি কিন্তু এত বড়ো টা নিতে পারবো না। আঙ্কেল মায়ের কথা শুনে বলছিল, "যদি এটা কেউ পুরো নিতে পারে সেটা তুমি ই। তোমাকে বেশিক্ষন ধরে সুখ দেওয়ার জন্যই তো করালাম, আর তুমি বলছো নেবে না। টা বললে কী কখনো হয়?" আজকেই সেটা প্রুভ করে দেখাবো। মা আমার উপস্থিতির কথা ভেবে বেডরুমের ভেতরে সারতে চাইছিল ব্যাপার টা। আমি এক রাত বন্ধুর বাড়িতে কাটাবো শুনে মা আমার কথা বিশ্বাস করে নিল আর আমার বাড়ির বাইরে কাটানোর বিষয়ে আপত্তি ও করলো না।