274
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+17 روز
-230 روز
آرشیو پست ها
আগে আওয়ামিলীগের কোন কথা-কাজের বিরোধিতা করলে এই দলের লোকেরা বলত তুই জামাত-শিবির। এখন বিএনপির কোন কথা-কাজের বিরোধিতা করলে এই দলের লোকেরা বলে তুই জামাত-শিবির। আমরা যারা কোন দলের সাথে ইনক্লুড না, তাদেরকে আওয়ামীলীগ বানায় বিএনপি। বিএনপি বানায় জামাত-শিবির। জামাত-শিবির বানায় চরমোনাই। চরমোনাই বানায় মানহাজি। মানহাজিরা বানায় জি·হাদফোব.... এভাবেই চলছে আরকি। ব্যাপারটা উপভোগ্য। তবে শান্তির জায়গাটা হলো, কারো ভুলের ব্যাপারে আমাদেরকে তাবিল মেশিনের চাপ বহন করতে হয় না। কারণ নিজের বিবেক-বিবেচনা ছাড়া আমাদের আর কারো কাছে দায়বদ্ধতা নেই। আমাদের মুখ স্বাধীন, কোন দলের মুখবন্ধ পরানো নেই তাতে।
মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ
পরিচালক, নুরুল কুরাআন একাডেমি (অনলাইন)
Repost from 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙
আমাদের লাইফটাইমে এমনভাবে ইসলামের ট্রেডিশনাল ইলম বা জ্ঞানকে সার্ভ করে যেতে হবে যেন আমাদের জীবদ্দশায় আমরা ওয়েস্টার্ন ইন্টেলেকচুয়াল হেজিমনির ওপর ইসলামি ইন্টেলেকচুয়াল ট্রেডিশনকে প্রতিষ্ঠিত করে যেতে পারি। এ ব্যাপারে আমাদের নিজেদের সফল হওয়াটা জরুরি নয় কেননা সফলতা আল্লাহ্র সিদ্ধান্ত তিনি কোন প্রজন্মকে দেবেন। আমাদের সফলতা আমাদের চেষ্টায় কোনো ঘাটতি না রাখার ক্ষেত্রে। এ জিনিসটি ঘটতে চলেছে এবং সেটার ক্ষেত্রও তৈরি হচ্ছে ধীরে সুস্থে - রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে - কেবল আমরা সেটাকে সেন্স করে সেই অপার সম্ভাবনার জি-হাদে অংশ নিতে পারি কিনা সেটিই প্রশ্ন। নাকি বাংলাদেশী হিসেবে মৌলিকভাবে অন্যের অনুসারী হয়ে হীনমন্য আমাদের একমাত্র ইন্টেলেকচুয়াল কাজ হবে দেশী প্রেক্ষাপটে অন্যের শেখা থিওরি নিয়ে জ্ঞানগত কসরৎ ও ঝগড়া চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে নিজের ক্ষুদ্র সাময়িক অস্তিত্বকে জিইয়ে রাখা।
—
আসিফ সিবগাত ভুইঞা
১০ আগস্ট ২০২৫
@muslimatrix
মহিলাদের যেমন মেনোপজ-এর পর হঠাৎ করে কমে আসে সব সেক্স-হরমোন। পুরুষের তেমন না, পুরুষের টেস্টোস্টেরোন (T) কমে ধীরে ধীরে।
১৭ বছর বয়েসে সর্বোচ্চ হয়, এরপর ২০-৩০ বছর ধরে সর্বোচ্চের আশেপাশে থাকে। ৩০-এর পর প্রতি বছর ১% হারে এই মাত্রা কমে যায়। ৭০ বছরে গিয়ে সর্বোচ্চের ৩০% এ নেমে আসে । [1]
চিন্তা করেছেন, কী এক জীবন কাটাচ্ছি আমরা, কী এক দুনিয়া বানিয়ে রেখেছি আমরা! যে সময়টা শরীরের চাহিদা থাকে সর্বোচ্চ, সে সময়টাতেই আমরা স্ত্রী ছাড়া থাকি। বায়োলজি-বিরুদ্ধ এক সিস্টেম বানিয়ে পশ্চিমা সভ্যতা আমাদেরকে ডাকছে তাদের মত হবার জন্য। ঠিক কখন আমরা হতে পারব তাদের মত— যখন ইউরোপের মত আমাদেরও ৫০% জনসংখ্যা হবে জারজ, আমাদের ৭০% মেয়েরা ১৮-এর আগেই হারাবে সতীত্ব, সতীত্ব-রক্ষা হবে মান্ধাতার আমলের ধ্যানধারণা। আর T-এর জোয়ারের এই সময়টা অপব্যবহার করে করে বাড়বে যৌনরোগের ওষুধ, সার্জারি, পর্নো-ইন্ডাস্ট্রি, সেক্স-ট্যুরিজম আর ডিপ্রেশনের ওষুধের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাজার।
হয় আমাদেরকেও ওদের পরিণতি বরণ করতে হবে, কেননা ওদের স্কীম অনুসরণের ফলও ওদের মতোই হবে। কাঁঠাল গাছ লাগাবেন, কাঁঠালই ফলবে। আর নয়তো ইউরোপের আধুনিকতা-স্বাধীনতা-প্রগতি-উন্নতির ধারণাকে ছুঁড়ে ফেলতে হবে। স্পষ্ট বলে দিতে হবে: তোমাদের পথেই আমরা হাঁটতে চাই না। আমরা আমাদের সন্তানদের বিয়ে ৩০-এর পরে না, ২৫-এর আগেই, সম্ভব হলে আরও আগে দিব।
ব্যক্তিজীবনে আপনি ইউরোপীয় প্রতিটি ধারণাকে (প্রযুক্তি না, ধ্যান-ধারণা) ছুঁড়ে ফেলতে পারলে ‘কমপক্ষে’ ‘অ্যাট লীস্ট’ আপনার ব্যক্তিগত জীবনে সুখী হতে পারবেন।
ডাক্তার শামসুল আরেফিন শক্তি
বর্তমান ই//জ//রা//ই//ল প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল ব্রি//টি//শদের হাত ধরে। গতকাল সেই ব্রি//টি//শরা স্বাধীন প্যা//লে//টা//ইনের স্বীকৃতি দিল ১০৭ বছর পরে এসে। ঘোষণার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল তারা এই স্বীকৃতি দিচ্ছে, একটা স্থিতিশীল, নিরাপদ ই//জা//ইলের জন্য।
এখানেই জিনিসটা ইস্টারেস্টিং, গত ১০৭ বছর দম//ন, পী//ড়ন, গ//ণ//হ//ত্যা চালানোর পরেও একটা জাতিগোষ্ঠীর ধৈর্য্য আর লেগে থাকার মানসিকতার কাছে নতি স্বীকার করতে হলো পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে কুখ্যাত এই রাজপরিবার ও তাদের দোসরদের।
যারা সা//ত অক্টো//বরের গুরুত্ব তাৎপর্য ধরতে পারতেছিলেন না, তাদের জন্য এই ঘোষণা গভীর চিন্তার দাবি রাখে।
আমি এই ঘোষণায় উচ্ছ্বাসিত নই, বরং সংকিত। তবে নিকৃষ্ট জাতি গুলোর নৈতিক পরাজয়ের কারণে একটা প্রশান্তি পাচ্ছি।
- আবু নুসাইবা
Repost from 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙
নিত্য নতুন শব্দ দ্বারা শরয়ী ব্যবস্থা (তিনি লিখেছেন ধর্মরাষ্ট্র) অস্বীকার করা বা এর আনুগত্য না করার কথা প্রকাশ করা অথবা তা কামনা না করা সেই আগের মতোই ব্যাপার।
মুসলিম হতে হলে, কোনো ধরনের বাহানা ও অপকৌশলের থেকে বিরত থেকে শরীয়া শাসিত ব্যবস্থার প্রতি আন্তরিকতা প্রকাশ করতে হবে।
আমি সেক্যুলার নই, সেন্ট্রিস্ট (মধ্যপন্থী) — এই ধরনের কথা হলো ধোঁকা।
ইসলাম হলো মধ্যপন্থা, কেউ এর বাইরে অন্যকিছুকে মধ্যপন্থা বললেও তা মধ্যপন্থা হবে না। ইসলাম হলো একমাত্র ইনসাফ, কেউ এর বাইরে অন্যকিছুকে ইনসাফ বললেও তা ইনসাফ হবে না।
নতুন শব্দের মাধ্যমে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা বুদ্ধিমান মুমিনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারে না। ইন শা আল্লাহ
আফগানিস্তানে তালিবান একদম ফান্ডামেন্টাল দ্বীনকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে।
সেখানে তুলনামূলক মডারেট লেখা আর ভিন্ন ফিকহের লেখাজোখা ও আকিদার দিক থেকে ভিন্নমতের বই নিষিদ্ধ করা দেখে অবাক হবার কিছু নেই।
শরিয়াহ শাসিত ব্যবস্থার কাজই তো দ্বীনকে অবিকৃত রূপে জনগণের কাছে মজুদ রাখা।
আধুনিক সময়ের তরুণ, যুবক ও কিশোর ছেলেমেয়েদের মুখ থেকে এ জাতীয় বেশ কিছু কথা অহরহ শোনা যায়। আপনি তাদেরকে কোনো নসিহত করলেন, কিংবা আমর-নাহির দায়িত্ব পালনে একটু কঠোর হলেন, তাতেই তারা মুখস্ত এই বুলিগুলো আওড়াতে থাকে — “নিজের চরকায় তেল দিন”, “মাই লাইফ, মাই চয়েজ”, “পোশাক দেখে মানুষ বিচার করবেন না”... ইত্যাদি।
তাদের মধ্যে এসব বক্তব্য বা আচরণ মূলত লিবারেল আইডোলজির প্রভাব। লিবারেল আইডোলজি সমাজে এই চিন্তাকে বিস্তার করেছে।
এটাই মনে হয় সেই ভয়ংকর পরিস্থিতি, যার দিকে ইশারা করে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
وأبغض الكلام إلى الله أن يقول الرجل للرجل : اتق الله، فيقول : عليك بنفسك.
“আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত বাক্য হলো সেটি, যখন একজন ব্যক্তি কাউকে বলে, ‘আল্লাহকে ভয় করুন’, অথচ উত্তরে সে বলে, ‘আপনি আপনার নিজের কাজ করুন!”
নসিহাহ, সৎ কাজের কথা, অসৎ কাজে নিষেধ- এগুলো ইসলামের খুবই বেসিক বিষয়। এখন আমি যদি কারো ভাল-মন্দ জাজই করতে না পারি, তবে তাকে কিসের নসীহাহ করব? আমি যদি, তার ভাল-মন্দকে চিহ্নিতই করতে না পারি, তবে তাকে কিভাবে বলব, ভাই/বোন তোমার এই কাজটা করা উচিত না, কাজটা ভাল না, এরকমটা করো, এভাবে করাটা ভাল হবে।
তোমার কাছে যেটা ভাল আমার কাছে সেটা ভাল না- এভাবে নৈতিকতার বিষয়টিকে আপেক্ষিক বানিয়ে দিলে ইসলামের আর কোন আবেদন থাকে না। ইসলামের দেয়া ভেলুজই যে একমাত্র সত্য ও সঠিক- এই বাস্তবতার কোন মূল্য থাকে না।
ইফতেখার সিফাত
06/01/24 (From FB)
একটা দাবী করা হচ্ছে যে, স্কুলে মিউজিক শেখানো হলে নাকি মাদকতা দূর হবে।
এদিকে ভারতের বিখ্যাত গায়ক হানি সিং নেশাগ্রস্থ হয়ে দীর্ঘদিন বিছানায় পড়েছিলো। অধিকাংশ র্যাপস্টাররা নেশাগ্রস্থ হয়। কনসার্টগুলোতে দেদারসে মদ গাঁজা চলে। মিউজিক ও নেশা একে-অপরের পরিপূরক বলা চলে।
আমেরিকা সহ পশ্চিমে প্রায় সব স্কুলেই মিউজিক ক্লাস থাকে। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ দ্য ফোনোগ্রাফিক ইন্ডাস্ট্রির ২০১৭-র তথ্যমতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি মিউজিক মার্কেট রয়েছে।
ডেটা বলছে আমেরিকার দশম শ্রেণি থেকেই ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্নরকম নেশা করতে শুরু করে, যেমন মদ, মারিজুয়ানা, গাঁজা ও কোকেন।
United Nations Office on Drugs and Crime-এর রিপোর্টে মতে, কোকেন, হেরোইন, মেথ এবং বিশেষ করে গাঁজা এসবের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশাল বাজার।
ব্রিটেনে সঙ্গীত শিক্ষার জন্য বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান আছে, যেমন Royal Academy of Music, Guildhall School of Music & Drama।
স্কুল স্তরেই মিউজিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক কিছু বয়স পর্যন্ত। সেই ব্রিটেন এখন ইউরোপে কোকেনের বৃহত্তম ভোক্তা এবং বিশ্বে (অস্ট্রেলিয়ার পরে) দ্বিতীয়।
ফ্রান্সের সব সাধারণ স্কুলেই মিউজিক শিক্ষা আছে, অন্তত প্রাইমারি ও মিডল স্কুলপর্যায়ে বাধ্যতামূলক। নেদারল্যান্ডসে প্রাইমারি ও Lower Secondary স্তরে মিউজিক শেখানো হয় বাধ্যতামূলকভাবে।
২০২৪ এর পরিসংখ্যান অনুসারে, ইউরোপে নেদারল্যান্ডস এবং ফ্রান্সের জনসংখ্যার মধ্যে কোকেন ব্যবহারকারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল।
- খাইরুল (ভারত থেকে)
২০২২ সালে হার্লান কোবেনের 'টেল নো ওয়ান' থ্রিলারটা পড়ার সময় চমকে উঠেছিলাম, গল্পের একটা জায়গায় লেখক ( কথক) একটা চৌদ্দ বছরে মা হয়েছে এমন নারীকে চিকিৎসা দিচ্ছে। আর বিষয়টাকে খুবই পজিটিভলি তুলে ধরছেন যেন এটা তার কছে সাধারণ কোন বিষয়।
আমি শকড হয়েছিলাম এটা ভেবে যে আমেরিকার মতো সর্বাধুনিক উন্নত রাষ্ট্রে কিভাবে একটা চৌদ্দ বছরের মেয়ে বিয়ে করে সন্তান নেয়! এটা তো অপরাধ! কারণ আঠারোর আগে বিয়ে নয়, বাচ্চা তারও পরে....
এবিষয়ে পরে ঘাঁটাঘাঁটি করে জানতে পারলাম ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমেরিকার ৫০টা রাজ্যেই বাল্যবিবাহ আইনত বৈধ ছিলো। ২০১৮ সালে প্রথম বাল্যবিবাহ বন্ধ করে ডেলওয়ার, এরপর আরো কিছু রাজ্য। বর্তমানে এখনও ৩৬টা রাজ্যে বাল্যবিবাহ আইনত বৈধ অর্থাৎ সেখানে নারীরা ১৫,১৬ বা ১৭ বছরে বিবাহ করতে পারে। মাত্র ১৬টি রাজ্যে সম্পূর্ণভাবে child marriage নিষিদ্ধ করা হয়েছে, অর্থাৎ ১৮-র নীচে বিয়ে আইনত অপরাধ। আর
চারটি রাজ্যে নির্দিষ্ট কোন বিয়ের বয়সই নেই।
নিউ হ্যাম্পশায়ারে তো মেয়েদের ১৩ এবং ছেলেদের ১৪ বছরে বিয়ে বৈধ ছিলো ২০১৮ অব্দি, এরপর বিল পাশ করে সেটা ১৮ বছর করা হয়। ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আলাস্কা , লুইসিয়ানা এবং দক্ষিণ ক্যারোলিনায় ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদেরও বিয়ের লাইসেন্স দেওয়া হত । ২০২২ পর্যন্ত ম্যাসাচুসেটসে মেয়েরা ১২ বছর বয়সে এবং ছেলেরা ১৪ বছর বয়সে বিয়ে করতে পারত।
Unchained at Last (২০২২)-এর গবেষণায় দেখা গেছে যে ২০০০-২০১৮ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই লক্ষেরও বেশি শিশুর বিয়ে হয়ছিলো, তাদের মধ্যে কিছু ১০ বছরেরও কম বয়সী ছিল।
UNICEF-এর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৮৬ শতাংশ বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে একটি মেয়ের বিয়ে হয় একজন বয়স্ক পুরুষের সাথে।
২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ বাল্য
বিবাহের ঘটনা পর্যালোচনা করে ড্যান নোলান এবং ক্রিস অ্যামিকোর তথ্য বলছে:
৬৭% শিশুর বয়স ছিল ১৭ বছর।
২৯% শিশুর বয়স ছিল ১৬ বছর।
৪% শিশুর বয়স ছিল ১৫ বছর।
১% এরও কম শিশু ১৪ বছর বা তার কম বয়সী ছিল।
২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিবাহিত নাবালকদের প্রায় ৯০ শতাংশই ছিল মেয়ে। তাদের বেশিরভাগের বয়স ছিল ১৬ বা ১৭ বছর।
২০১৭ সালে, Human Rights Watch তো বলেই ফেলেছিলো, যে আফগানিস্তানে বাল্যবিবাহের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অংশের তুলনায় কঠোর আইন রয়েছে: আফগানিস্তানে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৬ বছর। সেই তারিখ পর্যন্ত, ২৫টি মার্কিন রাজ্যে কোনও ন্যূনতম বিবাহের বয়সই ছিল না।
___
Sources:
1.Child marriage is still legal in two-thirds of U.S. states. Here’s why.Published July 5, 2023, Updated, July 25, 2025.
2.Delaware Becomes First State to Ban Child Marriage, Frontline.
3 New Hampshire Raises Age for Children to Marry, REBECCA BEITSCH,JUNE 20, 2018
4.Afghanistan Has a Tougher Law on Child Marriage than Florida,Heather Barr
Associate Director, Women's Rights Division,October 20, 2017.
5.Child Marriage in America
By the Numbers, July 6, 2017 / by Anjali Tsui, Dan Nolan and Chris Amico
সেকুলার_মিথ_সিরিজ
- খাইরুল (ভারত থেকে)
ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্যের আলোকে মডার্নিজমের যে পরিচয় আমাদের সামনে ফুটে উঠে তা সংক্ষিপ্ত শব্দে উঠে এসেছে পাকিস্তানি গবেষক ড. আহমদ নাদিমের লেখায়। তিনি লেখেন, ‘মডার্নিজম বা আধুনিকতা হলো এমন আলোকায়ন ও মানবতাবাদ, যা ঐশি যেকোনো সত্তা ও ঐতিহ্যের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে। এটি কেবল আকল ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকেই চূড়ান্ত কর্তৃত্ব হিসেবে মেনে নেয়। আর তা এই ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে, মানুষই হলো স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং তার আকলই হলো সত্যের একমাত্র উৎস।’
.
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা
প্রকাশিতব্য আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা ২০২৫
গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো যদি বিকৃত ইসলাম, কুরআন-সুন্নাহর অপব্যাখ্যা এবং মোডারেট ইসলাম প্রকাশ করে ক্ষমতার দিকে যায় তাহলে সমস্যা। হয় তারা এখান থেকে বের হতে পারে না, তাহলে সেই শাসনব্যবসস্থা ইসলামী হবে না। অন্যথায়, তারা বিদ্রোহের মুখে ব্যর্থ হবে।
গণতান্ত্রিক ইসলামী(!) দলগুলোর বক্তব্য বেশিরভাগ সময় রাজনৈতিক, হিকমাহ এবং দ্বিচারী হয়ে থাকে৷ কোনো নারীবাদী এসে যদি তাদের জিজ্ঞেস করে, আপনারা কি হিজাব পরতে বাধ্য করবেন? তারা উত্তর দেয়, ইট'স হার চয়েস। এগুলো শুনতে খুব ক্যুল লাগে। পক্ষান্তরে আমরা যদি জিজ্ঞেস করি, ভাই এটা কেমনে তার চয়েস হলো?! আল্লাহ তো এটা ফরজ করছেন। এটা না মানলে সে পাপিষ্ঠ। তখন এরা বলে, আল্লাহর বিধানে কোনো কম্প্রোমাইজ নাই। কিন্তু আমরা তো তাকে এজন্য শাস্তি দিতে পারি না৷ আমরা তার অভিভাবক নই।
এখানে অভিভাবকের কোনো প্রশ্নই আসেনি। এখানে প্রশ্ন হলো, অথোরিটি এবং সংজ্ঞায়নের৷ আপনি যদি হিজাবের ব্যাপারে স্বাধীনতা দেন (যে অধিকার আসলে কোনো দলের নেই) তাহলে এর শাস্তিও দিতে পারবেন না। পক্ষান্তরে আপনি যদি বলেন, এটা আল্লাহর আইন৷ এটাই আমরা বিশ্বাস করি। তাহলে আপনি তাদের শরীয়াহ আইন অমান্য করার জন্য বিচারের সম্মুখীন করতে পারবেন। নারীদের শাস্তি দিতে হবে ব্যাপারটা এমন নয়। তার অভিভাবকদের এই বিষয়ে ধরতে পারবেন।
এরকম বহু জিনিসে হিকমাহ অবলম্বন করা ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক। ধরুন, আপনি আজকে হিজাবকে ইট'স হার চয়েস বানিয়ে দিলেন৷ কিন্তু আপনার মনে মনে ছিল, ক্ষমতায় গেলে আমি এর জন্য পাকড়াও করব৷ এমন চিন্তা থাকলে বিপদে পড়বেন৷ ক্ষমতায় যাবার সাথে সাথে মানুষেরা রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে জড়িয়ে যাবে। যারা ইসলামী নন; কিন্তু ইসলামী দলের আশ্বাসে এসেছে৷ তারা যদি সেই আশ্বাস পূরণ করতে দেখতে না পায় তাহলে বিদ্রোহ করে সরকারের পতন ঘটাবে৷ আবার যদি ইসলাম বিরোধী আশ্বাসগুলোই বাস্তবায়ন হয় তাহলে সেটাকে ইসলামী বা শরীয়াহ শাসন বলার কোনো সুযোগ রাখে না৷
ইসলামী শাসন রাতারাতি ভোট পাওয়ার মতো সস্তা কোনো কিছু নয়। এর জন্য দরকার দীর্ঘ দাওয়াহ, প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত ভূমি। এসব ব্যাপারে সাইয়েদ কুতুব রহ. এবং সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. প্রচুর লেখে গেছেন। ইসলামী শাসন ওটাই আল্লাহর বিধান যেটা শুনলাম এবং সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিলাম। যদি ইসলামের বিধান পছন্দ না-ই হয় তবে ইসলামের নাম ত্যাগ করে সাধারণ রাজনীতি করাই ভালো।
ইসলামী শরীয়াহর জন্য সেক্যুলার, লিবারেল ও ইরতেদাদি চেতনার লোকজন প্রয়োজন নেই৷ এদের দিয়ে শরীয়াহ কায়েম হবে না। ইসলামী শরীয়াহর জন্য মুসলিম— যারা দ্বিধাহীনচিত্তে দ্বীনকে গ্রহণ করবে৷ অতএব সেক্যুলার মুরতাদদের খুশি করার থেকে মানুষকে মুসলিম বানানোর এজেন্ডা হাতে নিন। তাহলে শরীয়াহ দেখলেও দেখা যেতে পারে।
জুবায়ের বিন আখতারুজ্জামান
দলগুলো আন্তর্জাতিক বন্ধুকে খুশি করতে গিয়ে ইসলামের আদর্শিক প্রশ্নে এত দূরে সরে যাচ্ছে যে, মনে হচ্ছে তারা আমেরিকা বা ব্রিটেনে রাজনীতি করতেছে। সবাই কতটা সেকুল্যার তা প্রমাণে সদা ব্যস্ত। ইনসাফ বাদ দিয়ে তারা সেক্যুলার ইকুইটি শব্দ পিক করে।
অথচ ইসলামের প্রতিষ্ঠানকালীন সময় থেকে খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কালে দীর্ঘ ইতিহাস আছে ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, ভাষার বিরাট জনগোষ্ঠীকে এক ছাতার নিচে ন্যায় বিচারের ভিতর দিয়ে একত্র রাখার। এরপরেও যে বিভিন্ন ইসলামী রাজতন্ত্র ছিল, সেগুলোও ফার বেটার ফাংশনাল ছিল।
এদিকে আমরা কতটা ছাড় দিয়ে শুধু কালিমা পাঠ করে, রাজনীতির মাঠে টিকে থাকা যায় তা নিয়ে ব্যস্ত। ইসলামী শাসনব্যবস্থা নিয়ে নূন্যতম জ্ঞান না রেখে মিডিয়ার সামনে গিয়ে লোক হাসিয়ে আসি। ডিবেইটে বসে পড়ি তুলনামূলক শাসক ব্যবস্থার উপর সামান্য ধারণা না রেখেই।
ফলাফল গোটা জাতির কাছে ভুল ম্যাসেজ, ভুল শিক্ষা যাচ্ছে। জাতি হিসেবে যার খেসারত আমাদের দিতে হবে দীর্ঘ মেয়াদে।
আবু নুসাইবা
লদভদ সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দিন দিন শক্ত অবস্থান নিয়ে নিচ্ছে। এটার পিছনে কারণ দুইটা। তাদের বিভিন্ন সামাজিক একটিভিটি। আর তাদের পিছনের স্টাবলিশমেন্টের ব্যাকআপ।
জিনিসটা এমন পর্যায়ে গেছে, এই লোকগুলো থেকে আমাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকার কথা, কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের কাছাকাছি চলে আসতেছি আমরা। এটার কারণ তারা পাওয়ারের নিকটবর্তী। যার ফলে তার একটা নির্মোহ ইমেজ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। সেটার সাহায্যে তারা বড় একটা অংশের সাথে কানেক্ট হয়ে, তাদের চিন্তায় স্থান করে নিচ্ছে ধীরে ধীরে।
দুঃশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে, এই চিন্তার অংশ একটা সময় চিন্তার বৈকল্য তৈরি করবে। ফলে লদভদ আন্দোলন যখন শুরু হবে, আমরা মোরালি সেটার সেমি-এলাইমেন্ট হয়ে যাব। যেটা ওমর সুলাইমান কিংবা কিছু ক্ষেত্রে ইয়াসীর কাদীরের ক্ষেত্রে আমরা লক্ষ্য করেছিলাম।
যেহেতু বিরাট একটা অর্থনৈতিক শক্তি এই গ্ৰুপের আছে, ফলে তারা সেটা ব্যবহার করে সামাজিকরণের একটা শক্ত চেষ্টা করবে। তাদের কোন তাড়াহুড়ো নেই, ক্ষমায় যাবার চিন্তা নেই, ফলে তারা ধীর গতিতে আগানোয় বেশি মনোযোগী। আমাদের বর্তমান যে হাল, এভাবে চললে আমরা কতদূর, কতক্ষণ এদের সাথে টিকতে পারব সেটা বলা কঠিন। বর্তমানে পাঠ্যপুস্তক থেকে, সোশ্যাল মিডিয়ায়, প্রচলিত মিডিয়ায় আমরা এই গ্ৰুপের পাওয়ার কিছুটা আঁচ করি।
তাই মানসিক এলাইমেন্ট থেকে যত দূরে থাকা যায়, কাজটায় আমরা তত বেশি শক্ত অবস্থানে থাকতে পারব। তা না হলে, আমরা না ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে দাঁড়াতে পারব, না সমাজকে আরো পচন থেকে বাঁচতে পারব।
- আবু নুসাইবা
কথা বলছিলাম জামাতের এক সিনিয়র ব্যক্তির সাথে।
বললাম ভাই আপনার মতো বিশ্বাসী মানুষ তো পাওয়ারে গেলে বিপদে পড়বেন।
বললাম ধরেন আপনি ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রির কোন দায়িত্ব পেলেন।
এখন দেশে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান মদের ব্যবসা করে বৈধ ভাবে।
এদের একজনের লাইসেন্স কিংবা অন্য কোন ব্যাপারে আপনার সিগনেচার লাগবে।
আপনি তো সাইন করার সময় চিন্তায় পরে যাবেন যে আল্লাহ ব্যাপারটা কিভাবে নেবেন। আখিরাতে কি বলবেন, নিজে হাতে মদের ব্যাবসার ব্যবস্থা করছেন?
আমিও এই বিপদে পড়তাম। কিন্তু আমি তো আর পাওয়ার নিচ্ছি না বা পাওয়ার নেবার স্বপ্নও দেখছিনা। আপনারা দেখছেন।
ভাই বললেন পাওয়ার এ যাবার স্বপ্ন ছাড়া কেউ কেন পলিটিকস করবে?
বললাম সেটা কথা ঠিকই আছে।
কিন্তু ধর্ম সাথে নিয়ে পাওয়ারে গেলে তো পাওয়ার এর আগেই ধর্ম এসে যাবে আপনার ব্যক্তিগত বিবেচনায়।
তখন কি করবেন?
ইনফ্যাক্ট ধর্ম ভিত্তিক যেকোন রাজনীতিক দলের মূল ফিলসফিকাল সমস্যাটাই কিন্তু এইটা।
সমাজের ধর্মহীন করিডোরে ধর্ম ঢুকে যায় ধার্মিক দল ক্ষমতায় গেলে। কারণ যেই ধার্মিক ব্যক্তিরা ক্ষমতায় যান, তারা রাষ্ট্রের চাইতেও বেশী সঠিক ও সত্য থাকতে চান ধর্মের কাছে। কারণ এটাই তাদের জীবন বিধান।
এটা দোষের কিছু না, কিন্তু সেক্যুলার রাষ্ট্রে প্রবলেমাটিক।
বড় ভাই জানালেন তার কাছে একটা সলিউশন আছে।
ভাইয়ের সলিউশন কি ছিল সেইটা আর বলছি না, কারণ এগুলো উনারা নিজেরাই পরে বলবেন।
তবে আমি ধর্ম আর রাষ্ট্র পরিচালনার যে কনফ্লিক্ট সেক্যুলার রাষ্ট্রে অবধারিত ভাবে আসবেই সেইটা ভাইকে মনে করায় দিলাম।
কারণ আমার জানা মতে এই কনফ্লিক্টটার কোন সলিউশন নাই।
আপনাকে হয় ধর্ম কে অগ্রাধিকার দিতে হবে নাহয় সেক্যুলার সংবিধানকে। উভয়কে এক সাথে অগ্রাধিকার দেবার উপায় নাই ধর্মীয় দল ক্ষমতায় গেলে।
- শাফকাত রাব্বি অনিক
ডাক্তার জাহেদ আইডেন্টিটি পলিটিক্স ঘৃনা করেন এই কথা বলে মানুষের উপর একটা কমন আইডেন্টিটি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। যেটা কম্বোডিয়া সহ পৃথিবীর নানা অঞ্চলের কমিউনিস্টরা এক সময় করেছে। খমের রুজ সবার আইডেন্টিটি মুছে দিয়ে একটা কমন আইডেন্টিটি তৈরি করার জন্য ইয়ার জিরো পলিসি গ্রহন করেছিল।
.
খমের রুজ বিশ্বাস করত যে কম্বোডিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং সামাজিক কাঠামো পুরানো এবং "দূষিত"। তাদের মতে, এই উপাদানগুলো শ্রেণিবৈষম্য, সাম্রাজ্যবাদ এবং বিদেশি প্রভাবের প্রতীক ছিল। তাই তারা "ইয়ার জিরো" ঘোষণা করে সমাজকে শূন্য থেকে শুরু করতে চেয়েছিল, যেখানে পূর্বের সব পরিচয়—ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক বা জাতিগত—মুছে ফেলা হবে।
.
এই চিন্তা থেকে খেমার রুজ পৃথিবীর ওর্স্ট ম্যাসাকারগুলো ঘটায়। খেমার রুজের হাত থেকে বৌদ্ধ, মুসলিম, খৃস্টান কেউ রক্ষা পায় নাই। পনেরো থেকে ত্রিশ লাখের মত মানুষ মারা যায়। খেমার রুজের একটাই উদ্দেশ্য ছিল আর তাহল কমন আইডেন্টিটি দিয়ে একটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
.
আর ডাক্তার জাহেদের উদ্দেশ্য হল মানুষের নিজস্ব ধর্মীয় আইডেন্টিটি সহ নানা ধরণের আইডেন্টিটি সড়িয়ে একটি কমন লিবারেল আইডেন্টিটি-র মাধ্যমে লিবারেল ডেমোক্রেসি চর্চা করা।
.
খেমার রুজ সহিংস পদ্ধতিতে কাজটা করেছে এবং এর মাধ্যমে সে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র তৈরি করতে চেয়েছিল আর ডাক্তার জাহেদ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করে আইনের মাধ্যমে মানুষের উপর একটি লিবারেল ডকট্রেইন চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এমন এক লিবারেল ডকট্রেইন যা সবার নিজস্ব আইডেন্টিটি গিলে ফেলবে। অর্থাৎ অসংখ্য আইডেন্টিটি সড়িয়ে একটা কমন আইডেন্টিটি তৈরি করা। এবং সেই আইডেন্টিটি শুনতে ভালো শোনায় এজন্য সেটাকে লিবারেল নাম দেওয়া কিংবা এটা বলা যে আইডেন্টিটি পলিটিক্সের আলোচনা হলে নাকি ওয়েলফেয়ার কমে যায় এধরণের বকওয়াজ করা।
.
ডাক্তার জাহেদ একটা প্যারাডোক্সিয়াল দুনিয়াতে বসবাস করছে সেটা সে নিজেও বুঝতে পারে না কেননা তারমধ্যে ইউরোপিয়ান কলোনিয়ালিজমের ভুত তার উপর ভর করেছে। সে যেহেতু তার নিজের আইডেন্টিটির নাম দিয়েছে লিবারেল তাই তার কাছে মনে হয়েছে এটাই শ্রেষ্ট আর এটাকেই মানুষের ফলো করতে হবে।
সাওয়াবুল্লাহ হক
সাদিক কায়েম জগন্নাথে ১০ ভোট পেয়েছে - ঘোষণার পর উপস্থিত হলবাসীর "এই দশটা কারা?" "মার মার" আওয়াজ আমাকে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধানের শীষে ভোট দেয়ায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। Same same, but different.
আসাদ মেহেদী
এবারের ডাকসু ইলেকশনে মূলত দুইটা প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দিতা হচ্ছে। সাদিক-ফরহাদ প্যানেল যা বিএনপি'র রোল প্লে করেছে। অন্যদিকে আবিদ-হামিম প্যানেল যা প্রো-ছাত্রলীগ রোল প্লে করেছে।
মানে বিএনপি ভার্সেস প্রো-ছাত্রলীগ প্যানেলের মধ্যে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।
অনেকেই অবাক হতে পারেন যে সাদিক ফরহাদদের প্যানেল আবার কিভাবে বিএনপির প্যানেল হলো?
আপনি এবারে সাদিক-ফরহাদদের প্যানেল ঘোষণা সহ পুরো নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে কোথাও ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের কোন ছাপ পাবেন না। এমনকি তাদের কোন পোস্টারে বিসমিল্লাহ পর্যন্ত লেখা নেই।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, পর্দাবিহীন, পর্দাসহ সকল ধরনের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটা পিউর সেকুলার প্যানেল তৈরি করেছে।
প্রেস ব্রিফিং এর সময় ডানে-বামে মেয়েরা ছিল, তারা এতে কোন ধরনের হেজিটেশন বোধ করেনি। নির্বাচনী ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বানানো প্রচারনামূলক গানগুলোতেও ছিল আধুনিকতার ছাপ।
র্যাপ গান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণার আদলে মিউজিক সহ গান ইত্যাদি। যার কোনটাই টিপিকাল কোন ইসলামিক রাজনৈতিক দলের সাথে যায় না। বরং এটা পুরোদস্তুর বিএনপিমনা একটা প্যানেল হিসেবেই কাজ করেছে। যার কারণেই তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে খুব সহজেই পৌঁছাতে পেরেছে।
এখন কেউ যদি ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা শিবিরকে বিজয়ী করেছে তাহলে পুরো বোকার স্বর্গে বসবাস করেছেন। তারা মূলত জামায়াত-শিবিরকে বিজয়ী করে নাই। তারা বিজয়ী করেছে সাদিক-ফরহাদ প্যানেলের নামে পুরো বিএনপি ধারার সেকুলার প্যানেলকে। এতে ইসলামিক দলের লোকেদের আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই।
ছাত্রদল মনোনীত আবিদ-হামিম প্যানেলকে ছাত্ররা বয়কট করেছে মূলত তারা ছাত্রলীগপন্থী রাজনীতি করার কারণে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের যে ৫০ বছরের পুরাতন ন্যারিটিভগুলোকে ছাত্র-জনতা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে, সেগুলোকেই তারা এ নির্বাচনী উপলক্ষে পুনরায় বারবার সামনে হাজির করেছে। তারা মূলত ছাত্রদলের নামে ছাত্রলীগপন্থী ন্যারেটিভ নিয়েই ক্যাম্পেইন করেছে, ফলে তা ছাত্রদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।
আমি যে কথা সবসময় বলে থাকি যে, বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের কমন অভিব্যক্তিই হল বিএনপি। ইভেন বিএনপি নিজেও যদি বিএনপি থেকে সরে গিয়ে আওয়ামী লীগের আচার ধারণ করে তাহলে আবার বিএনপির মত আরেকটি দল তৈরি হবে। সেজন্য এ দেশে যারাই রাজনীতি করতে চায় তাদেরকে জিয়াউর রহমানের বিএনপিই হইতে হবে। ঠিক তেমনি আগামী নির্বাচনে যদি আপনারা মনে করেন জামায়াত ক্ষমতায় যাবে, তাহলেও সেটা নিয়ে সেকুলার লিবারেলদের অত টেনশিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ তখনও জামায়াতকে তার নিজের ইসলামপন্থী রাজনীতি থেকে বের হয়ে এসে জিয়াউর রহমানের বিএনপির রাজনীতিকেই ধারণ করতে হবে।
মহিউদ্দীন হেলাল
প্রাক্তন ঢাবি শিক্ষার্থী
নুরাল পাগলারা হচ্ছে লালসালু উপন্যাসের মজিদ। এই অঞ্চলের সেক্যুলাঙ্গাররা একদিকে মজিদ চরিত্র পোট্রে করে ইসলামকে ব্যাশিং করবে আবার এই মজিদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে তৌহিদী জনতাকে ব্যাশিং করবে। আসলে এই সেক্যুলাঙ্গারদের জন্য সমস্যা মজিদ না, এদের জন্য সমস্যা দ্বীন ইসলাম।
বি.দ্র: কবর থেকে লাশ উঠিয়ে পোড়ানো সমর্থন করি না কারণ এটা জায়েজ না। মুসলিমদের আবেগ অনুভুতি শরীয়াহর সাথে aligned হওয়া জরুরি। তবে যেকোনো কবর ভেঙে সমতল করার পক্ষপাতি।
ফারহান সাদিক
একটা হাসপাতালে এক মেয়ে নার্সের চাকরি করে। তার একজন পুরুষ সহকর্মী আছে, যে সবসময় তাকে হেল্প করে। রিক্সা ডেকে দেয়, অতিরিক্ত কাজ করে দেয়, মাঝে মাঝে মেয়েটার হয়ে প্রক্সিও দেয়। বেশ কয়েকবছর ধরে একসাথে চাকরি করে। এতদিনে মোটামুটি পরিচিত হয়ে গেছে।
একদিন হাসপাতালে একটা ছেলে বাইক অ্যাক্সিডেন্ট করে ভর্তি হলো। মেয়েটা ডিউটি পেল ওই অ্যাক্সিডেন্টের রোগীর।
এখন, আপনি কি জানেন, ওই নার্সের তার সহকর্মীর চাইতে ওই রোগীর প্রেমে পড়ার সম্ভাবনা বেশী? যদিও সে মাত্র অল্প কয়েকদিন হলো তাকে নার্সিং করছে, পেশাগত কাজের বাইরে তেমন ইন্টারঅ্যাকশন হয়নি।
সাইকোলজির ভাষায় এটাকে বলে 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ইফেক্ট'। এর উপর ভিত্তি করে বহু গল্প-উপন্যাস-নাটক রচিত হয়েছে।
কিন্তু এর কারণটা কী আসলে? স্বাভাবিক বিবেচনায় মেয়েটার তো তার সহকর্মীর প্রেমে পড়ার কথা ছিল, তাই না? সে এতদিনে এত কিছু করেছে তার জন্য।
এখানেই আসে একটা সাধারণ সত্য। নারী তারই প্রেমে পড়ে, যাকে সে সেবা দিচ্ছে।
পুরুষের আবার একদম উল্টো, যার কাছ থেকে সেবা পায়। ওই যে শুনেছেন না, 'পুরুষের মনের দরজা তার পেট'।
নারী-পুরুষের এই বিপরীতমুখী স্বভাবের কারণেই দুনিয়ার স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হাজার বছর ধরে টিকে আছে।
সিম্পের দল ঠিক এখানেই ভুলটা করে। তারা ভাবে, যদি আমি এই নারীর পিছনে আমার টাকা, সময় বা অ্যাটেনশন দিই, তাহলে আমি তার কাছে সুযোগ পাবো। কিন্তু আপনারা অলরেডি জানেন, এরকম আসলে হয় না।
আপনারা রিয়েল লাইফে অন্ততঃ এরকম একজন সিম্পকে চেনেন, যে মেয়েদের পড়াশোনায় হেল্প করে, অ্যাসাইনমেন্ট করতে হেল্প করে, বা রিকশা ডেকে দেয় - কেবল একটু অ্যাটেনশনের আশায়। অথচ এরকম ঘটনা তো খুবই কমন, যে মেয়েটার অ্যাসাইনমেন্ট করে দিচ্ছে তার সময় বাঁচাতে, মেয়েটা আবার করছে তার বয়ফ্রেন্ডের অ্যাসাইনমেন্ট ।
ভার্সিটিতে আমাদের ব্যাচেও এরকম একটা ছেলে ছিল। তিন-চারটা মেয়ের একটা গ্রুপকে সে এমন কোন হেল্প নেই যে করেনি। নিজের সিজিপিএ কুরবানি দিয়ে সারাক্ষণ ওদের সময় দিয়েছে। অথচ ফাইনাল ইয়ার আসতে আসতে সবগুলো মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। আমাদের সিম্প ছেলেটা পেল কেবল বিয়ের দাওয়াত।
প্রাসঙ্গিকভাবে, ওয়েবক্যাম গার্লদের কথাও বলা যায়। সিম্পের দল শত শত ডলার ডোনেট করছে চান্সের আশায়, অথচ সে ওই পয়সায় বয়ফ্রেন্ডের সাথে ট্যুর দিয়ে বেড়াচ্ছে। বহু ঘটনা আছে এমন।
নারীরা পুরুষের প্রতি ফিলিং ডেভলপ করে একটু ধীরে। আবহমান কাল ধরে বিয়ে ছিলো অনাত্মীয় দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তৈরীর উপায়। স্বামী-স্ত্রী বিয়ের আগে সেইভাবে বা একেবারেই চিনত না। স্বামী পুরো দুনিয়া সামলাতো, আর স্ত্রী স্বামীকে দেখে রাখতো। এই দেখে রাখার ব্যাপারটা প্রকাশিত হয় সেবার মাধ্যমে। এটা স্ত্রীর লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ।
আমাদের দেশের হারাম রিলেশনের বড় অসঙ্গতি ধরা পড়ে এখানেই। একজন-আরেকজনকে পছন্দ করে, ফাইন, কিন্তু তারা দিনের ১৫-২০ ঘন্টাই থাকে আলাদা। ফলে তাদের যে অসহ্য ফিলিং ডেভলপ হচ্ছে, সেটা আসলে কিউরিসিটি। এদেরই যখন বিয়ে হচ্ছে, কিউরিসিটি আর কতক্ষণ থাকে? কিছুদিন পর সেটা উধাও, সাথে সম্পর্কও। এজন্য এই ডেমোগ্রাফিকটার মধ্যে অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক ডিভোর্সের হার সবচেয়ে বেশী।
নারীদের যে উড়নচন্ডী পুরুষের প্রেমে পড়ার প্রবণতা, সেখানেও একই সাইকোলজি। একটা বখাটে ছেলের মধ্যে সে 'রুম ফর ইম্প্রুভমেন্ট' দেখে, সেখানে সেবা দেবার সুযোগ রয়েছে, যেহেতু বখাটে ছেলেটা নিজের খেয়াল রাখতে পারে না। একই কথা আর্টিস্ট ছেলেদের ক্ষেত্রেও, কারণ এরা অগোছালো হয়।
কিন্তু একজন এভারেজ-নাইস গাইয়ের মধ্যে নারী সেই রুমটা পায় না। একে তো তার লাইফ তেমন 'ফান' না, তার উপর সে নিজের কাপড় নিজেই ইস্ত্রি করে, তাকে সেবা দেওয়ার জায়গাটা কোথায়?
ফেমিনিস্টরা তেড়ে আসে, আমি স্বাধীন নারী, স্বামীর দাসি নাকি।
দেশের এক অভিজাত এলাকায় থাকা ভদ্রমহিলা, যিনি এরকম ৫০টা স্বাধীন নারী পুষতে পারেন। ঘরে ৪/৫ জন কাজের লোক, অথচ স্বামীর শার্টটা কাউকে ধরতে দেন না।
এক ভাই ছিলেন খুবই অগোছালো। মানে টিপিকাল ব্যাচেলরের চেয়েও মারাত্মক অবস্থা। গোসলের পর ভিজে কাপড় পরে ছুড়ে দেন বেডের উপরে, একটা জিনিস জায়গামত রাখেন না - কেডস পায়ে বাড়িময় হেটে বেড়ান। ভাবী একেবারে অতীষ্ঠ, প্রায়ই ঝগড়া। ভাবী বলে দিলেন এরকম চললে আর সংসার করবেন না। ভাই এবার সতর্ক হতে শুরু করলেন, গোছানোর চেষ্টা করেন। ভেবেছিলেন ভাবী হয়ত খুশী হবেন। কিন্তু আশ্চর্য্য ব্যাপার, ভাবী উল্টো মন খারাপ করতে লাগলেন।
পরে জানালেন, ভাই রোজ অফিসে গেলে তিনি ভাইয়ের জিনিসগুলো গোছাতেন।
এখন আর টিশার্ট-টা মেঝে থেকে কুড়িয়ে আলনাতে রাখতে হয় না, ভাই ঠিকমতই রেখে গেছেন। ভাবী ওই ব্যাপারটা মিস করেন।
ফেসবুকে একদম সিমিলার ঘটনা পড়েছিলাম। মানে ব্যপারটা বেশ কমন। অবশ্য হবারই কথা।
*****
আহমাদ খান
❝ বামেরা অশান্ত পরিবেশে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। মুসলমান জনসাধারণের মধ্যে তাদের কোনো শিকড় নেই। বামেরা আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ বেমানান।
— হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
