fa
Feedback
Backup - Fact Focus with Riad

Backup - Fact Focus with Riad

رفتن به کانال در Telegram
1 187
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-47 روز
-2330 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
اوت '26
اوت '260
در 0 کانال‌ها
ژوئیه '26
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '260
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+11
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '250
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+4
در 1 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+1
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+5
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+1
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+6
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+9
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+4
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+7
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+3
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+9
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+38
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+11
در 2 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+1 929
در 2 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
07 اوت0
06 اوت0
05 اوت0
04 اوت0
03 اوت0
02 اوت0
01 اوت0
پست‌های کانال
ছিলেন কি? তুমি উত্তরে বলেছ, না। আমি বলতে চাই- যদি তাঁর পিতৃপুরুষগণের মধ্যে কোন বাদশাহ থাকতে, তাহ’লে আমি বলতাম, তিনি এমন এক ব্যক্তি, যিনি পিতৃরাজ্য পুনরুদ্ধার করতে ইচ্ছুক। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তোমরা তাঁর নবুঅত লাভের পূর্বে তাঁর প্রতি কোন মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিলে কি? তুমি উত্তরে বলেছ, না। কাজেই আমি বুঝতেছি, তিনি এমন ব্যক্তি নন, যিনি মানুষের ব্যাপারে মিথ্যারোপ করবেন এবং আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করবেন। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি যে, প্রভাবশালী লোকেরা তাঁর অনুসরণ করছে, না নিরীহ-দুর্বল লোকগুলো? তুমি উত্তরে বলেছ, নিরীহ-দুর্বল লোকেরাই তাঁর অনুসরণ করছে। আসলে নিরীহ-দুর্বল লোকেরাই নবী-রাসূলগণের অনুসারী হয়ে থাকে। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তারা সংখ্যায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হচ্ছে, না হরাস পাচ্ছে? তুমি উত্তরে বলেছ, বৃদ্ধি হচ্ছে। ঈমানের ব্যাপারটি পূর্ণতা লাভের সময় পর্যন্ত এরূপই হয়ে থাকে। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, কেউ তাঁর দ্বীনে প্রবেশ করে বীতশ্রদ্ধ হয়ে আবার সে দ্বীন পরিত্যাগ করেছে কি? তুমি উত্তরে বলেছ, না। আসলে ঈমানের দীপ্তি ও সজীবতা অন্তরের সাথে মিশে গেলে এরূপই হয়ে থাকে। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি কোন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন কি? তুমি উত্তরে বলেছ, না। নবী-রাসূলগণ এরূপই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি তোমাদেরকে কি নির্দেশ প্রদান করেন? তুমি উত্তরে বলেছ, তিনি তোমাদেরকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার ও তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক না করার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি তোমাদেরকে মূর্তিপূজা করতে নিষেধ করেন এবং তোমাদেরকে ছালাত প্রতিষ্ঠা করার, সত্য কথা বলার ও পূত-পবিত্র থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। তুমি যা বলেছ তা যদি সত্য হয়, তবে তিনি অত্যল্পকালের মধ্যেই আমার এ পদদ্বয়ের নিম্নবর্তী স্থানের (সিরিয়ার) মালিক হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করবেন। আমি নিশ্চিত জানতাম, তাঁর আবির্ভাব হবে; কিন্তু তিনি যে তোমাদের মধ্য হ’তে হবেন, একথা ভাবতে পারিনি। আমি যদি যথাযথভাবে তাঁর নিকট পৌঁছতে পারব বলে জানতে পারতাম, তাহ’লে আমি তাঁর সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্য সর্ব প্রকার কষ্ট স্বীকার করতাম। আর আমি যদি তাঁর নিকট থাকতাম, তাহ’লে অবশ্যই আমি তাঁর পা ধুয়ে দিতাম।  অতঃপর সম্রাট হিরাক্লিয়াস রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পত্রখানা আনতে বললেন, যে পত্রখানা দিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছাহাবী দেহিয়া কালবী (রাঃ)-কে বছরার শাসনকর্তার নিকট পাঠিয়েছিলেন। বছরার অধিপতি হারেছ পত্রখানা সম্রাট হিরাক্লিয়াসকে প্রদান করলে তিনি তা পাঠ করলেন। পত্রটি ছিল নিম্নরূপ- ‘পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। আল্লাহর বান্দা ও তদীয় রাসূল মুহাম্মাদের পক্ষ হ’তে রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াসের প্রতি। যারা সঠিক পথের অনুসারী, তাঁদের উপর শান্তি বর্ষিত হৌক। অতঃপর, আমি আপনাকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান করছি। ইসলাম গ্রহণ করুন, নিরাপদে থাকতে পারবেন। আল্লাহ আপনাকে দ্বিগুণ পুরস্কারে ভূষিত করবেন। আর যদি মুখ ফিরিয়ে নেন, তাহ’লে সকল প্রজার পাপ আপনার উপর বর্তাবে। ‘হে আহলে কিতাব! ‘তোমরা একটি কথার দিকে চলে আস, যে কথাটি আমাদের ও তোমাদের মধ্যে অভিন্ন, আমরা যেন আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত না করি, তাঁর সাথে অন্য কোন কিছুকে শরীক না করি এবং আমাদের কেউ যেন আল্লাহ ছাড়া অপর কাউকে প্রভু হিসাবে গ্রহণ না করি। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তাদের বলে দাও, তোমরা সাক্ষী থাক যে, আমরা মুসলিম’ (আলে ইমরান ৬৪)। আবূ সুফিয়ান বলেন, যখন সম্রাট হিরাক্লিয়াস তাঁর বক্তব্য ও পত্রখানা পাঠ শেষ করলেন, তখন তাঁর সম্মুখে শোরগোল ও চীৎকার চরম আকার ধারণ করল এবং আমাদেরকে বের করে দেয়া হ’ল। তখন আমি আমার সঙ্গী-সাথীদেরকে বললাম, আবূ কাবশার (মুহাম্মাদ) ছেলের বিষয় তো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, বনু আছফার (রোম)-এর বাদশাহও তাকে ভয় পাচ্ছে। তখন থেকে আমি বিশ্বাস করতাম যে, তিনি শীঘ্রই জয়ী হবেন। অবশেষে মহান আল্লাহ আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক্ব দিলেন (ছহীহ বুখারী হা/৭, ‘অহির সূচনা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৬, মুসলিম হা/১৭৭৩, মিশকাত হা/৫৮৬১)

2
রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াসের দরবারে আবূ সুফিয়ান সপ্তম হিজরী, ৬২৯ খৃষ্টাব্দ। মক্কার কাফেরদের কুরাইশদের সাথে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যে ইসলামের নাম শুনলে জ্বলে উঠত কুরাইশদের গা, আজ সেই কুরাইশগণ স্পষ্টতঃ স্বীকৃতি দিল ইসলামকে একটি শক্তিশালী ধর্ম হিসাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নদীর মোহনায় এসে তাঁর সাধনার স্রোতধারায় শুনতে পেলেন মহাসাগরের কল্লোল। তাই তিনি মনস্থ করলেন বিশ্বের শক্তিশালী রাজা-বাদশাহদের নিকট ইসলামের সুমহান বার্তা পৌঁছাতে। তৎকালীন বিশ্বের বুকে রোম ও পারস্য ছিল সবচেয়ে ক্ষমতাধর শক্তিশালী সাম্রাজ্য। রোমান সাম্রাজ্যের শাসনকর্তা ছিলেন সম্রাট হিরাক্লিয়াস। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রখ্যাত ছাহাবী দেহিয়া কালবী (রাঃ)-কে ইসলামের দাওয়াতপত্র তাঁর কাছে প্রেরণ করেন। সম্রাট হিরাক্লিয়াস ঐ সময় জেরুজালেমে অবস্থান করছিলেন। এদিকে কুরাইশ নেতা আবূ সুফিয়ান (তখনও তিনি মুসলমান হননি) ব্যবসা উপলক্ষে সিরিয়াতে অবস্থান করছিলেন। আবদুল্লাহ বিন আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তাঁকে আবূ সুফিয়ান বিন হারব সংবাদ দিয়েছেন যে, একদা রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াস তাঁকে একদল কুরাইশ সহ ডেকে পাঠালেন। তখন তাঁরা ব্যবসা উপলক্ষে সিরিয়াতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আবূ সুফিয়ান ও কুরাইশদের সাথে হুদায়বিয়ার সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ ছিলেন। সম্রাট হিরাক্লিয়াস তাঁর অমাত্যবর্গ পরিবৃত অবস্থায় ঈলিয়া বা জেরুজালেমে অবস্থানকালে তাঁরা সম্রাটের দরবারে আগমন করলেন। সম্রাট হিরাক্লিয়াস তাঁদেরকে স্বীয় মজলিসে ডেকে নিলেন। তখন তাঁর চতুষ্পার্শ্বে ছিলেন রোমান প্রধানগণ। অতঃপর তিনি কুরাইশগণকে এবং তাঁর দোভাষীকে আহবান জানিয়ে বললেন, যে লোকটি তোমাদের মধ্যে নবী বলে দাবী করছেন বংশগতভাকে তোমাদের মধ্যে কে তাঁর অধিক নিকটবর্তী? আবূ সুফিয়ান বললেন, তখন আমি বললাম, ‘বংশগতভাবে আমিই তাঁর নিকটতম ব্যক্তি’। সম্রাট হিরাক্লিয়াস নির্দেশ দিলেন যে, তাঁকে আমার নিকটবর্তী করো এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীগণকেও ডেকে এনে তাঁর পেছনে উপস্থিত কর। অতঃপর সম্রাট তাঁর দোভাষীকে বললেন, তুমি তাদেরকে বল, আমি এই লোকটিকে তাঁর [(রাসূল (ছাঃ)] সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করব। যদি সে আমার সাথে কোন মিথ্যা কথা বলে, তবে তোমরা যেন তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রমাণ করো। আবূ সুফিয়ান বলেন, ‘আল্লাহর কসম! লোকেরা আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে বলে যদি আমার লজ্জার ভয় না হ’ত, তাহ’লে তখন আমি অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলতাম’। সম্রাট সর্বপ্রথম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, যিনি নবী বলে দাবী করছেন তাঁর বংশ কেমন? আবূ সুফিয়ান : তিনি আমাদের মধ্যে সম্ভ্রান্ত বংশগত। সম্রাট : তাঁর পূর্বে তোমাদের মধ্য হ’তে কোন ব্যক্তি কখনও এমন কথা বলেছে কি? আবূ সুফিয়ান : না। সম্রাট : তাঁর পিতৃপুরুষগণের মধ্যে কেউ বাদশাহ ছিলেন কি? আবূ সুফিয়ান : না। সম্রাট : প্রভাবশালী লোকেরা তাঁর অনুসরণ করছে, না দুর্বল লোকেরা? আবূ সুফিয়ান : দরিদ্র ও দুর্বল শ্রেণীর লোকগুলো। সম্রাট : তাদের সংখ্যা কি দিন দিন বাড়ছে, না কমছে? আবূ সুফিয়ান : না, বরং বাড়ছে। সম্রাট : তাদের মধ্যে কেউ কি সেই দ্বীনে প্রবেশ করার পর তাঁর দ্বীনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে তা ত্যাগ করে থাকে? আবূ সুফিয়ান : না। সম্রাট : সে নবুঅত লাভের পূর্বে কি তোমরা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে অপবাদ দিতে? আবূ সুফিয়ান : না। সম্রাট : তিনি কখনো কোন অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছেন কি? আবূ সুফিয়ান : না। তবে আমরা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর সাথে এক সন্ধি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছি, জানি না এ সময়ের মধ্যে তিনি কি করবেন? আবূ সুফিয়ান (পরবর্তীতে) বলেন, এই কথাটি ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কিছু বলা আমার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সম্রাট : তোমরা কি তাঁর সাথে কোন যুদ্ধ করেছ? আবূ সুফিয়ান : হ্যাঁ। সম্রাট : যুদ্ধের ফলাফল কি?  আবূ সুফিয়ান : তাঁর ও আমাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত যুদ্ধের ফলাফল হ’ল বালতিতে পালাক্রমে পানি তোলার ন্যায়। অর্থাৎ কোনটায় তিনি জয় লাভ করেন এবং কোনটায় আমরা। সম্রাট : তিনি তোমাদেরকে কি নির্দেশ দিয়ে থাকেন?  আবূ সুফিয়ান : তিনি বলেন, তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত কর। তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক কর না। আর তোমরা তোমাদের বাপ-দাদারা যা বলে বেড়াত, তা পরিত্যাগ কর। তিনি আমাদেরকে ছালাত প্রতিষ্ঠা করতে, সর্বদা সত্য কথা বলতে, অশ্লীল ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে দূরে থাকতে এবং আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখতে বলেন। সম্রাট হিরাক্লিয়াস দোভাষীকে বললেন, তুমি তাকে বল, আমি তোমাকে তাঁর বংশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তুমি উত্তরে বলেছ, তিনি তোমাদের মধ্যে সম্ভ্রান্ত বংশজাত। প্রকৃতপক্ষে নবী-রাসূলগণ তাঁদের কওমের সম্ভ্রান্ত পরিবারে প্রেরিত হয়ে থাকেন। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তোমাদের মধ্যে কেউ কি এ কথা (নবী হওয়ার কথা) বলেছেন? তুমি উত্তরে বলেছ, না। আমি বলতে চাই- যদি তাঁর পূর্বে কেউ এ কথা বলত, তবে অবশ্যই আমি বলতে পারতাম, তিনি এমন এক ব্যক্তি, যিনি পূর্বের কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন। আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি, তাঁর পিতৃপুরুষগণের মধ্যে কোন বাদশাহ
86
3
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন: ​"যে ব্যক্তি আমার কোনো ওলীর (বন্ধুর) সাথে শত্রুতা করবে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিচ্ছি। আমার বান্দা আমি তার ওপর যা ফরজ করেছি তার চেয়ে প্রিয় কোনো ইবাদতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য লাভ করতে পারে না। ​এরপর আমার বান্দা ক্রমাগত নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার নিকটবর্তী হতে থাকে, এক পর্যায়ে আমি তাকে ভালোবেসে ফেলি। আর যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে। ​সে যদি আমার কাছে কিছু চায়, তবে আমি অবশ্যই তাকে তা দান করি; আর সে যদি আমার কাছে আশ্রয় চায়, তবে আমি অবশ্যই তাকে আশ্রয় দেই। আমি যা করার ইচ্ছা করি তা করতে আমি কোনো দ্বিধা করি না, যতটা দ্বিধা করি মুমিন বান্দার জান কবজ করতে—সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে, আর আমি তার কষ্ট অপছন্দ করি।"
95
4
আজকে বিজোড় রাত।🤍🌸 হযরত আয়েশা (রা.) আল্লাহর রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি জানতে পারি যে কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, তবে আমি সেই রাতে কী বলব?" তখন নবীজী (সা.) তাকে এই দোয়াটি পড়তে বলেন: লাইলাতুল কদরের বিশেষ দোয়া আরবি: اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউউন, তুহিব্বুল 'আফওয়া, ফা'ফু 'আন্নী। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন। (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ) এই রাতে আরও কিছু আমল ও দোয়া: ১. তাওবা ও ইস্তিগফার করা: নিজের কৃত গুনাহের জন্য লজ্জিত হয়ে বেশি বেশি 'আস্তাগফিরুল্লাহ' পড়া। ২. সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পড়া: এটি ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দোয়া। ৩. নফল নামাজ: তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবীহ বা সাধারণ নফল নামাজ পড়া। ৪. কুরআন তিলাওয়াত: অর্থসহ কুরআন পাঠ করা এবং আল্লাহর কালাম নিয়ে চিন্তা করা। ৫. জিকির ও দরুদ: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ এবং নবীজী (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা।
104
5
Them be like: "কি অপরাধ আমাদের?" 🙃 Ref : https://t.me/FactFocusWithRiad/587
Them be like: "কি অপরাধ আমাদের?" 🙃 Ref : https://t.me/FactFocusWithRiad/587
167
6
এই পুলিশের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। নাম- রাশেদ কাজি জেলা: খুলনা উপজেলা : তেরোখাদা থানা: তেরোখাদা গ্রামের নাম
এই পুলিশের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। নাম- রাশেদ কাজি জেলা: খুলনা উপজেলা : তেরোখাদা থানা: তেরোখাদা গ্রামের নাম : নেবুদিয়া, নেবুদিয়া হাই স্কুলের সামনে ওর বাড়ি। Fb id link : https://www.facebook.com/rashed.kazi.516977
202
7
আরজে কিবরিয়ার সাথে রকমারির সোহাগ ভায়ের ভাইরাল পডকাস্টটার কথা মনে আছে? তিনটা প্রশ্নের সাসপেন্স রেখে পডকাস্টটা শেষ হয়েছিলো, সেই তিনটি প্রশ্নের উত্তর একই জায়গাতে পৌঁছে দেয় -- লুসিফার। এগুলো কন্সপিরেসি থিওরি মনে হতো, কিন্তু এপস্টিন মেইলসগুলোর পর সব কন্সপিরেসি থিওরিকেই সত্য মনে হচ্ছে। গতকাল এপস্টিনের আপন ভায়ের মেয়ের একটা ইন্টারভিউ দেখলাম। এই মেয়ে শৈশব কেটেছে তার বাপ, চাচা এবং তাদের বন্ধুদের কাছে ক্রমাগত ধর্ষিত হয়ে। তাকে সবসময় ড্রাগসের ওপর রাখা হতো। সে বলছে, তার বাপ চাচারা বা'আল দেবতার অনুসারী ছিলো, প্রাচীনকালে যে বা'আল দেবতাকে তুষ্ট করতে জীবন্ত শিশু পোড়ানো হতো। শ্যাটানিক রিচুয়ালে পবিত্র জিনিসের মূল্য অনেক। শিশুরা পবিত্র। শিশু বলি শ্যাটানিক রিচুয়ালের অংশ। এপস্টিন দিবে শিশুহত্যার ঘটনা ঘটতো। এমনি, অল্পবয়স্ক মেয়েরা প্রেগনেন্ট হয়ে পড়লে তাদের এবর্শন করায়ে ফিটাসের সুপ বানাতো, ইন্টেসটাইনাল কনটেন্টও খাইতো। এগুলো তাদের কোন রিচুয়ালের অংশ হতে পারে। আপনারা আরেকটা খবর শুনেছেন, একজন আরব মহিলা এপস্টিনকে কাবার কিসওয়া গিফট করেছিলো, যে কিসওয়া স্পর্শ করেছিলো মিলিয়ন মিলিয়ন হাজি। লাখো হাজির স্পর্শ সম্বলিত এই পবিত্র কিসওয়া কোন রিচুয়ালের ব্যবহৃত হয়েছিলো কিনা জানি না, তবে সম্ভাবনা তো আছে। দেখেন, বর্তমান ওয়ার্ল্ড অর্ডার যারা নিয়ন্ত্রণ করছে তারা ডিরেক্ট শয়তানের অনুসারী - এই কন্সপিরেসি থিওরিটা এখন প্রায় প্রমাণিত সত্য। এরা দাজ্জালের আগমনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে। সেকুলারিজম, লিবারেল ডেমোক্রেসি, ইনডিভিজুয়ালিজম - এগুলোর মাধ্যমে এরা পৃথিবীকে কন্ট্রোল করছে। ইসলামপন্থীরা এইসব সিস্টেমে সাবক্রাইব করে কখনো কখনো সাময়িক ভাল ফল পেলেও, লংরানে এটা এই শয়তানি ওয়ার্ল্ড অর্ডারকে টিকিয়ে রাখতে সহায়ক হয়। এই ওয়ার্ল্ড অর্ডার যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন এপস্টিনরা টিকে থাকবে। এপস্টিনের ভাস্তির ইন্টারভিউ https://t.me/FactFocusWithRiad/642
669
8
بدون متن...
186
9
Epstein File বিস্তারিত টেলিগ্রাম এ পাবেন👇 https://t.me/+RoVTcrs6nVRlMDRl
248
10
🌚
🌚
254
11
শহীদ ওসমান হাদির হত্যার আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পর পর দুটি ভিডিও প্রকাশ। Video 1 : https://youtu.be/N_
শহীদ ওসমান হাদির হত্যার আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পর পর দুটি ভিডিও প্রকাশ। Video 1 : https://youtu.be/N_3AYTYyImQ?si=I5KMl9fvJfNwdcXK Video 2 : https://youtu.be/N_3AYTYyImQ?si=TlWAMWIiolxx1GGZ
165
12
স্থান: জাটনি, ভুবনেশ্বর, ওড়িশা হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী কর্তৃক একজন মুসলিম রাস্তার বিক্রেতাকে তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে লাঞ্
স্থান: জাটনি, ভুবনেশ্বর, ওড়িশা হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী কর্তৃক একজন মুসলিম রাস্তার বিক্রেতাকে তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল এবং তাকে "জয় শ্রী রাম," "বন্দে মাতরম" এবং "মোদী জিন্দাবাদ" স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়েছিল, পাশাপাশি তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছিল।
199
13
🇮🇳১০ দিনে ১৫ ভারতীয় সেনা অফিসারের পদত্যাগ ।কাশ্মীরের ভয়াবহ নৃশংসতা পদত্যাগপত্রে প্রকাশ। কাশ্মীরে বিচার বহির্ভূত কাজে মোতায়
🇮🇳১০ দিনে ১৫ ভারতীয় সেনা অফিসারের পদত্যাগ ।কাশ্মীরের ভয়াবহ নৃশংসতা পদত্যাগপত্রে প্রকাশ। কাশ্মীরে বিচার বহির্ভূত কাজে মোতায়েনের অভিযোগে গত ১০ দিনে ১৫ জন ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। এই কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত নৃশংসতার জন্য ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হতে পারে। উনারা উনাদের রেজিগনেশন লেটারে এটাও উল্লেখ করেছেন যে কাশ্মীরে ভারত সরকারের নির্দেশে সেনারা ভয়াবহ ডিটেনশন চালাচ্ছে এবং এটাকে গাজার মতো মানোবেতর বিষয় হিসেবে উনারা দেখছেন !
177
14
হাদির বাবা ছিলেন একজন মসজিদের ইমাম। তিনি এই শর্তে তার মাদ্রাসা পাশ ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে রাজী হয়েছিলেন যেন তার ছেলে হাদ
হাদির বাবা ছিলেন একজন মসজিদের ইমাম। তিনি এই শর্তে তার মাদ্রাসা পাশ ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে রাজী হয়েছিলেন যেন তার ছেলে হাদি পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমানকে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পারে। যে ইংরেজি না জানার কারনে হাদির জন্মস্থানে ১৯ জন মুসলমান ব্রিটিশ শাসকের গণহত্যার শিকার হয় ১৯২৭ সালে। হাদি একটা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষকতা করতো। হাদি বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয় ফিরে পাবার বিপ্লবের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে অবতীর্ন হয়েছিলো। হাদি বাঙালি মুসলমানের জন্য যে সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু করেছিলো, সেইটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।
217
15
শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর নিথর দেহ। @WeAreHadii+1
শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর নিথর দেহ। @WeAreHadii
201
16
I wish..
I wish..
192
17
সমকামী শিক্ষকের বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পোষণ করে বক্তব্য দেন ডাকসু জিএস ও ঢাক
সমকামী শিক্ষকের বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পোষণ করে বক্তব্য দেন ডাকসু জিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি এস. এম. ফরহাদ
226
18
হেদায়েত হারানোর বেদনা বুঝি ভাইজান___ যহন বুঝবেন— তহন এই পুরো দুনিয়াটা পাইয়্যা গেলেও হেদায়েত হারাইয়্যা ফালানোর আফসোস টা যাইবো না। শুধু মনে হইবো— “আমি কত'ই না বোকা আছিলাম, ক্ষনস্থায়ী এই দুনিয়ার জন্য চিরস্থায়ী আখিরাত বেইচা দিলাম।” —কবরের আগে কথা ছিলো —ফারহান | ১২ শ্রাবণ, ১৪৩২
288
19
আপনি আসবেন বলে জীবনটা অনেক কষ্ট মাঝে ও সুন্দর লাগে! কারণ আমি জানি আল্লাহ তায়া'লা যখন কাউকে দেরিতে দেন তখন সবচেয়ে সুন্দর উপায়ই দেন। আর আপনার অনুপস্থিতিতে আমি অভ্যাস্থ হলে ও হৃদয় গভীরে প্রতিদিন আপনি রক্তক্ষরণ করে থাকেন!❤️
293
20
Work hard. Dress good. Eat well. Talk less. Stay humble. Avoid drama. Chase goals.
283