fa
Feedback
Astagfirullah

Astagfirullah

رفتن به کانال در Telegram

🚩 Channel was restricted by Telegram

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Astagfirullah

کانال Astagfirullah (@astagfirullah68) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 32 068 مشترک است و جایگاه 2 101 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 629 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 32 068 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 05 سپتامبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -637 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -20 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 11.21% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.36% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 3 595 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 1 078 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 96 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
🚩 Channel was restricted by Telegram

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 06 سپتامبر, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

32 068
مشترکین
-2024 ساعت
-1377 روز
-63730 روز
آرشیو پست ها
ট্রু!
ট্রু!

জীবনে পরিবর্তন আনতে সর্বদা মনে রাখুন: ১. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা সবকিছু দেখেন আর সবকিছু শোনেন৷ কোনোকিছুতেই তাঁকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। ২. আপনার কোনো ভালো কাজ আর ভালো চেষ্টাকে তিনি বৃথা যেতে দেন না৷ সেসবের প্রতিদান আপনাকে অবশ্যই দেওয়া হবে৷ হয় দুনিয়া এবং আখিরাত—দুই জায়গাতেই, অথবা—শুধু আখিরাতে। - সংগৃহীত

একদম! 🔥
একদম! 🔥

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই সবচেয়ে বৃহত্তম গণজানাজা। প্রায় তিন বছর ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকার পর গা.জা উপত্যকায
+3
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই সবচেয়ে বৃহত্তম গণজানাজা। প্রায় তিন বছর ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকার পর গা.জা উপত্যকায় ১১২ জন শহীদের মরদেহকে ফিলিস্তিনিরা একযোগে একটি জানাজার মাধ্যমে বিদায় জানিয়েছে।

ফোনটা চালু করতেই স্ক্রিনে পরপর ভেসে উঠল একটি নাম—উম্মি...আমার মা। ৩৮টি মিসড কল, যেনবা উত্তরহীন ৩৮ টি ডাক। প্রতিটি কল থেকে একট
ফোনটা চালু করতেই স্ক্রিনে পরপর ভেসে উঠল একটি নাম—উম্মি...আমার মা। ৩৮টি মিসড কল, যেনবা উত্তরহীন ৩৮ টি ডাক। প্রতিটি কল থেকে একটি প্রশ্নই ভেসে আসছিল—‘বাবা, কোথায় তুমি?' ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ছেলেটি আর কোনো দিন সেই ফোন ধরবে না, এ কথা তখনও জানতেন না তার মা। গাজার এক হামলায় শহিদ ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করার সময় তার পকেটে মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়। ফোনটি খুলে উদ্ধারকর্মীরা দেখেন, মায়ের করা ৩৮টি কল উত্তরহীন পড়ে আছে। হয়তো প্রতিবার কল কেটে যাওয়ার পর মা ভেবেছেন, একটু পরই ছেলে ফিরতি ফোন করবে। হয়তো ভেবেছেন, নেটওয়ার্ক নেই, ব্যস্ত আছে, কিংবা কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছাতে পারেনি। কিন্তু সেই অপেক্ষা আর কোনোদিন শেষ হবে না। ছেলে আর ফিরবে না, আর কখনো বলবে না, 'আম্মু, আমি ভালো আছি।' মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে জমে থাকা কয়েকটি সংখ্যা মুহূর্তেই পরিণত হয় একজন মায়ের অজানা শোকের দলিলে। যেনবা প্রতিটি মিসড কল একটি অপূর্ণ ডাক, একটি সমাপ্তিহীন অপেক্ষা আর একজন মায়ের বেদনার ধারাভাষ্য। এটাই গাজা। সবসময়ের, রাতের, দিনের হয়তোবা অনন্তকালের গাজা এমনই।

আজ ফজরের সময় গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় শহীদ হয়েছে ফিলিস্তিনি শিশু যায়েদ নাওফল। তিন ভাইয়ের শাহাদাতের পর মায়ের একমাত্র অবলম্ব
আজ ফজরের সময় গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় শহীদ হয়েছে ফিলিস্তিনি শিশু যায়েদ নাওফল। তিন ভাইয়ের শাহাদাতের পর মায়ের একমাত্র অবলম্বন ছিল সে। এর আগে তার তিন ভাই—আমিন, হামজা ও আহমাদ—একই আগ্রাসনে শহীদ হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত যায়েদও তাদের সঙ্গে মিলিত হলো। একে একে তিন সন্তানকে হারানোর পর শেষ পর্যন্ত একমাত্র সন্তান যায়েদকেও হারালেন।

-হুযুর! আপনি বলেছিলেন আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে, তিনি শোনেন। - ঠিকই তো বলেছি। - কই, আমি তো দিনরাত ইয়া লম্বা লম্বা দু‘আ করছি। কিছ
-হুযুর! আপনি বলেছিলেন আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে, তিনি শোনেন। - ঠিকই তো বলেছি। - কই, আমি তো দিনরাত ইয়া লম্বা লম্বা দু‘আ করছি। কিছুই তো হচ্ছে না। - কবুল হওয়ার জন্যে লম্বা দু‘আ লাগবে এটা তোমাকে কে বললো? নূহ (আ.) তার দু‘আয় মাত্র চারটা শব্দ উচ্চারণ করেছেন: 'আন্নী মাগলুবুন ফানতাসির'। অর্থ: আমি অসহায়, সাহায্য করুন! এই দু‘আর ফলে কী হলো? আল্লাহ দুনিয়াটাকে ডুবিয়ে দিলেন। আরও দেখো সুলাইমান (আ.) তার দু‘আয় মাত্র তিনটা শব্দ উচ্চারণ করেছেন: 'হাব লী মুলকান'। অর্থ: আমাকে রাজত্ব দান করুন। কী হলো? পুরো বিশ্বের তো বটেই, পশু-পাখিরও রাজত্ব দিয়ে দিলেন। শব্দসংখ্যা নয় রে, ইখলাস, আন্তরিকতা আর আত্মনিবেদনই দু‘আর প্রাণশক্তি! - শায়েখ আতীক উল্লাহ (হাফি.)

বাংলাদেশ সেনাপ্রধান! 🔥
বাংলাদেশ সেনাপ্রধান! 🔥

গতকাল গাজা সিটিতে গাড়ি লক্ষ্য করে টার্গেটেড হামলা চালিয়ে ৪ ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী।

লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ!
লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ!

এটাই একমাত্র হালাল ইসলামি ব্যাংকিং!
এটাই একমাত্র হালাল ইসলামি ব্যাংকিং!

একদম! ❤️‍🔥
একদম! ❤️‍🔥

🇧🇩 From Bangladesh to Gaza 🇵🇸 Support Palestinian Resistance গাযযাহর জন্য নিবেদিতপ্রাণ কাসসামের ভাইদের পাশে দাঁড়াতে ৯ম বা
🇧🇩 From Bangladesh to Gaza 🇵🇸 Support Palestinian Resistance গাযযাহর জন্য নিবেদিতপ্রাণ কাসসামের ভাইদের পাশে দাঁড়াতে ৯ম বারের মতো ক্যাম্পেইন চালু করা হলো। এবারের এই উদ্যোগকেও আল্লাহ যেন সফলতা দান করেন। ➢ মোবাইল: 01980630509 (bKash, Nagad) সময়সীমা: ২০ আগস্ট পর্যন্ত

কিছু গুনাহের খারাপ প্রভাব ঠিক মৃ*ত্যুর সময় প্রকাশ পায়। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে যি*নার গুনাহ। যি*নার গুনাহের কারণে মানুষ মৃ*ত্যুর সময় ঈমান থেকে বঞ্চিত হয়, জিহ্বা অকেজো হয়ে যায়, কালেমা পড়তে চাইলেও পড়তে পারে না। আল্লাহ তাওফীক ছিনিয়ে নেন। এজন্য এসমস্ত গুনাহ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তাওবা করে নেয়া জরুরি। — শায়খ জুলফিকার আহমেদ নকশবন্দি (রহি.)

একদম! 🔥
একদম! 🔥

১২ টা কাজ করবেন। জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ। ১. সময়মত নামাজ আদায়। ২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী। ৩. সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল। ৪. প্রতিদিন কিছু অংশ কুরআন তিলাওয়াত। ৫. ইশরাকের নামাজ। ৬. বিতরের নামাজ বাদ দেবেন না। ৭. জুমআর দিন সূরা কাহাফ। ৮. রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা। ৯. আযান ও ইকামতের মাঝে দুয়া করা। ১০. পিতামাতার আনুগত্য। ১১. সাদাকাহ করা। ১২. দরূদ পড়া। আল্লাহ তায়ালা জীবনের উপর রহমত ও বরকতের বন্যা বইয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ। ~ উস্তাদ আম্মারুল হক হাফিঃ

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণা আমাদের একটি বিষয় নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে—আমরা কি ধীরে ধীরে সেই সুন্নতকে ভুলে যাচ্ছি, যার প্রতি রাসূলুল্লাহ ﷺ এত গুরুত্ব দিয়েছিলেন? মিসওয়াক কোনো পুরোনো বা অপ্রয়োজনীয় অভ্যাস নয়; এটি নবী ﷺ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। তিনি মিসওয়াককে এত বেশি গুরুত্ব দিতেন যে, উম্মতের জন্য কষ্টকর না হলে প্রতিটি নামাজের আগে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। (সুনানে আবু দাউদ; যায়েদ ইবন খালিদ আল-জুহানী রা. থেকে বর্ণিত) আজ আমরা দাঁতের যত্নে আধুনিক নানা ধরনের টুথপেস্টের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। কিন্তু সেগুলো আসলেই আমাদের জন্য কতটা নিরাপদ? আজ দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডিও)-এর এক গবেষণায় দেশে বিক্রি হওয়া প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। শিশুদের জন্য তৈরি কয়েকটি টুথপেস্টেও এ ধরনের কণা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত নমুনাগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যার মধ্যে কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত ব্র্যান্ডও রয়েছে। অবশ্যই এই গবেষণায় সব টুথপেস্টকে অনিরাপদ বলা হয়নি, আবার শতভাগ নিরাপদ বলেনি। তবে এই বাস্তবতা অন্তত একজন মুসলিমকে একটি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—রাসূলুল্লাহ ﷺ যে সুন্নতকে এত গুরুত্ব দিয়েছেন, তা কি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যথাযথ স্থান পাচ্ছে? একজন মুসলিমের জন্য এটি আত্মসমালোচনারও একটি মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ মিসওয়াককে মুখের পবিত্রতার মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অথচ সেই সুন্নতকে আমরা অনেকেই প্রায় ভুলে গেছি। আজ যখন আধুনিক পণ্যের নিরাপত্তা ও উপাদান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন একজন মুসলমানের কি উচিত নয় নবী ﷺ-এর এই মহান সুন্নতের মূল্য নতুন করে উপলব্ধি করা এবং নিজের জীবনে তা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা?

photo content

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণা আমাদের একটি বিষয় নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে—আমরা কি ধীরে ধীরে সেই সুন্নতকে ভুলে যাচ্ছি, যার প্রতি রাসূলুল্লাহ ﷺ এত গুরুত্ব দিয়েছিলেন? মিসওয়াক কোনো পুরোনো বা অপ্রয়োজনীয় অভ্যাস নয়; এটি নবী ﷺ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। তিনি মিসওয়াককে এত বেশি গুরুত্ব দিতেন যে, উম্মতের জন্য কষ্টকর না হলে প্রতিটি নামাজের আগে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। (সুনানে আবু দাউদ; যায়েদ ইবন খালিদ আল-জুহানী রা. থেকে বর্ণিত) আজ আমরা দাঁতের যত্নে আধুনিক নানা ধরনের টুথপেস্টের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। কিন্তু সেগুলো আসলেই আমাদের জন্য কতটা নিরাপদ? আজ দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডিও)-এর এক গবেষণায় দেশে বিক্রি হওয়া প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। শিশুদের জন্য তৈরি কয়েকটি টুথপেস্টেও এ ধরনের কণা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত নমুনাগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যার মধ্যে কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত ব্র্যান্ডও রয়েছে। অবশ্যই এই গবেষণায় সব টুথপেস্টকে অনিরাপদ বলা হয়নি, আবার শতভাগ নিরাপদ বলেনি। তবে এই বাস্তবতা অন্তত একজন মুসলিমকে একটি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—রাসূলুল্লাহ ﷺ যে সুন্নতকে এত গুরুত্ব দিয়েছেন, তা কি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যথাযথ স্থান পাচ্ছে? একজন মুসলিমের জন্য এটি আত্মসমালোচনারও একটি মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ ﷺ মিসওয়াককে মুখের পবিত্রতার মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অথচ সেই সুন্নতকে আমরা অনেকেই প্রায় ভুলে গেছি। আজ যখন আধুনিক পণ্যের নিরাপত্তা ও উপাদান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন একজন মুসলমানের কি উচিত নয় নবী ﷺ-এর এই মহান সুন্নতের মূল্য নতুন করে উপলব্ধি করা এবং নিজের জীবনে তা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা?

photo content