fa
Feedback
Crypto Tech BD

Crypto Tech BD

رفتن به کانال در Telegram

🔴Business Inquiry 👉 @hassanrobiul999

نمایش بیشتر
4 264
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-267 روز
-17230 روز
آرشیو پست ها
এখানে সূক্ষ্ম একটা নিঞ্জা টেকনিক আছে, হালকাভাবে দেখে গেলে ধরতে পারবেন না। (আরও বিস্তারিত) নো এরশাদ, নো হাসিনা, নো খালেদা বলা
এখানে সূক্ষ্ম একটা নিঞ্জা টেকনিক আছে, হালকাভাবে দেখে গেলে ধরতে পারবেন না। (আরও বিস্তারিত) নো এরশাদ, নো হাসিনা, নো খালেদা বলা হইলো, কিন্তু নো সাঈদী বলা হয় হয়নি। কি বলা হইলো? নো মোল্লা। যে ছবিটা তৈরী করেছে, তার কাছে শব্দের অভাব ছিল না। বলতে পারতো নো জামাত, নো শিবির, নো নিজামী, নো গোলাম আজম। কিন্তু সে ইচ্ছা করে ব্যবহার করছে মোল্লা। যদি একজনের ছবি দিয়ে তার গ্রুপকে বুঝাতে চাইতেন তাহলে এরশাদের জায়গায় নো আর্মি লিখতে পারতেন, কিন্তু লিখেন নাই। ব্যক্তি মারা গেছে দেখে তাকে যদি সিম্বোলিক হিসেবে ব্যবহার করবেন, সেইক্ষেত্রে এরশাদও মারা গেছে। এখন তারা বলবে যে তারা সাঈদী দিয়ে সব জামাত বুঝাতে চাইছে, তাইলে জামাতই লিখতেন। কিন্তু সেটা লিখেন নাই। মোল্লা শব্দটি মৌলভী বা মাওলানা শব্দের সমার্থক। শব্দগুলো আভিধানিকভাবে ইসলাম ধর্মীয় পন্ডিত বা আলেমদের জন্য ব্যবহার করা হয়। আর চলিত ভাষায় দাড়ি-টুপি ওয়ালা ধার্মিক লোকজনকে বুঝানো হয়। এখানে নো মোল্লা ব্যবহার করে আপনি ইসলামোফোবিয়া ছড়াচ্ছেন, স্ট্রেইট কথা। যেই সেইম ফোবিয়া হাসিনা গত ১৬ বছর ধরে ছড়াইছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার আজিজুর রহমান আজিজকে আটক করা হয়েছে। হযরত শাহ আমানত আন্ত
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার আজিজুর রহমান আজিজকে আটক করা হয়েছে। হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার সময় বুধবার বিকেলে (৭ আগস্ট) তাকে আটক করা হয়। জানা যায়, তার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে জায়গা দখলসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সে এখন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। গত কয়েকদিন আগে শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালাতে গিয়ে ব্যাপক মারধরের শিকার হয়েছিল সে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরের পরিচালক উইং কমান্ডার তসলিম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরে তাকে সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা হয় বলেও জানান তিনি।

চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, সন্ত্রাসী-দুর্বৃত্তদের সম্মিলিত ভাবে রুখে দিতে হবে। এরা কোন দলের না। এরা সবসময় সুবিধাভোগী। স্বাধীন বাংল
চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, সন্ত্রাসী-দুর্বৃত্তদের সম্মিলিত ভাবে রুখে দিতে হবে। এরা কোন দলের না। এরা সবসময় সুবিধাভোগী। স্বাধীন বাংলাদেশের সুফল পেতে হলে এদের সর্বাত্মক প্রতিরোধ করতে হবে। ছবি: আজ রাজধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদাবাজ ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে এভাবে বেঁধে রাখে শিক্ষার্থীরা।

আরব আমিরাত, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ আরও অন্যান্য দেশে যে প্রবাসী ভাইয়েরা এখনো বন্দী অবস্থায় আছেন যারা দেশ স্বাধীনের জন্য লড়াই করেছিল, আমরা তাদের অবিলম্বে মুক্ত বাংলাদেশে দেখতে চাই। তাদের যেকোনভাবেই হোক স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হোক। আমরা এই বীরদের বিমানবন্দরে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবো।

কোনো নির্দিষ্ট দলের ক্ষমতার জন্য ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হয়নি : আসিফ মাহমুদ
কোনো নির্দিষ্ট দলের ক্ষমতার জন্য ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হয়নি : আসিফ মাহমুদ

পুলিশের সাধারণ সদস্যদের অভিযোগ- সরকারের পতন হচ্ছে তা আগের দিনই টের পেয়েছিলেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তখন ঊর্ধ্বতন অনেক পুলিশ কর্মকর্তা নিরাপদে চলে যান। অথচ সরকার পতনের দিনও শিক্ষার্থীদের দমন করতে সাধারণ পুলিশ সদস্যদের মাঠে নামানো হয়। এর ফলে থানায় ঢুকে ১৩ পুলিশ সদস্যকে হত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশের এসব হতাহতের জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দায় রয়েছে বলে তারা মনে করেন। এজন্য তারা ‘দায়িত্বহীন’ পুলিশ কর্মকর্তাদেরও বিচার চান।

রাস্তা ঘাটের আশেপাশে , ভার্সিটির দেয়াল থেকে শুরু করে যেসব জায়গায় স্বৈরাচার নিয়ে যেসব দেয়াললিখন, গ্রাফিতি থেকে শুরু করে নানা স্লোগান লেখা ছিলো, এগুলো কারা মুছতে শুরু করেছেন? এগুলো মোটেই মুছবেন না এখন। খুনি স্বৈরাচারের দগদগে স্মৃতি এখনও সবার চোখে ভাসা দরকার। এই দেয়াললিখন, এই গ্রাফিতি, এইসব স্লোগান এগুলো ছিলো এই বিপ্লবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলো কোন অবস্থাতেই মুছবেন না আপাতত! সময় আসুক, তারপর করা যাবে। কিন্তু এই মুহুর্তে কোন অবস্থাতেই নয়। STOP IT IMMEDIATELY! - Saiyed Abdullah

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, শিবির নেতা মুকাদ্দেস, ওয়ালিউল্লাহ ওরা কোথায় তাহলে?
বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, শিবির নেতা মুকাদ্দেস, ওয়ালিউল্লাহ ওরা কোথায় তাহলে?

ছাত্রশিবিরের ব্যাপারে এক রাজপথের সাধারণ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর অভিমত। তার ভাষ্য মতে, "অন্যান্যরা যখন লুটপাটে ব্যস্ত ছিল শিবি
ছাত্রশিবিরের ব্যাপারে এক রাজপথের সাধারণ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর অভিমত। তার ভাষ্য মতে, "অন্যান্যরা যখন লুটপাটে ব্যস্ত ছিল শিবির তখন তা পাহারায় ছিল। আর শিবির না থাকলে হয়তো এতক্ষণে আরও বেশি ধ্বংস হয়ে যেতো। শিবিরের ছেলেরা দেশের সম্পদ পাহারায় ব্যস্ত ছিল।" অথচ এই আদর্শবাদী সংগঠন যাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন অনৈতিকতার অভিযোগ তুলতে পারেনি কেউ সেই তাদেরকে নিয়েই এখন সমানে প্রপাগান্ডা ও কুৎসা রটাচ্ছে শাহবাগী ইসলামবিদ্বেষী বামেরা। তাদের কতজন চলমান আন্দোলনে গুলি খেয়েছে, জেলে গেছে, জীবন দিছে এই প্রশ্ন রাখলাম তাদের কাছ।

গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী দল আ.লীগ সরাসরি মাঠে নামতে পারছেনা জনরোষের ভয়ে। তাই এখন হাসিনার ঘনিষ্ট এই সোহেল তাজ ও গামছা কাদেরকে মাঠ
গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী দল আ.লীগ সরাসরি মাঠে নামতে পারছেনা জনরোষের ভয়ে। তাই এখন হাসিনার ঘনিষ্ট এই সোহেল তাজ ও গামছা কাদেরকে মাঠে নামায় দিছে। এরা এসব বলে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও স্বৈরাচার হাসিনা/অভিশপ্ত মুজিব পরিবারের জন্য মায়াকান্নায় নামছে।

যে দলটা ছাত্রদের র'ক্ত শুকানোর আগেই সমাবেশ করে ! আর যাইহোক সে যে দেশসেবা করতে আসে নাই, সেটা বুঝার জন্য রকেট সাইন্স জানা লাগে নাহ। _ফেসবুক থেকে কালেকশন

রওয়া দিয়েছেন ড.ইউনূস
রওয়া দিয়েছেন ড.ইউনূস

ডিবি হারুন পলাতক তাই তার ভাতের হোটেল আপাতত বন্ধ।
ডিবি হারুন পলাতক তাই তার ভাতের হোটেল আপাতত বন্ধ।

আগামীর বাংলাদেশে সবার স্থান হবে কিন্তু ভারতীয় দালাল কিংবা শাহবাগী ইসলামবিদ্বেষীদের কোন স্থান নেই। সেক্যুলার আওয়ামী স্বৈরাচারের প্রধান দোসর ছিল শাহবাগী বামেরা। এই শাহবাগী বামেরাই খুনি হাসিনাকে একটা দানবে পরিণত করেছিল। ধর্মনিরপেক্ষবাদী স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের হাতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন ও গণহত্যার শিকার হয়েছে ইসলামপন্থীরা। আর সেই স্বৈরাচার হাসিনা পতন আন্দোলনের একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ ছিল ইসলামপন্থী। সেই ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে এখন অনলাইনজুড়ে কুৎসা রটাচ্ছে শাহবাগী বামেরা। স্বৈরাচার হাসিনার উচ্ছিষ্ঠভোগী এই বাম দুর্বৃত্তরা কতজন রাজপথে জীবন দিয়েছে? এদের অবশ্য ব্যানার ধরার লোকই নাই, জীবন দিবে ক্যামনে!

শেখ হাসিনাকে দেশে এনে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে

কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই রাজশাহী স্টার সিনেপ্লেক্সে ভাঙচুর করেছে কে বা কারা।
কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই রাজশাহী স্টার সিনেপ্লেক্সে ভাঙচুর করেছে কে বা কারা।

ডিবি কার্যালয়ের কাউন্টার টেররিজমের গোপন সেলে সেনাবাহিনীর অভিযানে লোমহর্ষক টর্চার সেলের সন্ধান।

photo content

پیام صوتی00:06

মন্দিরের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা দিয়েছে ফরিদপুর জেলা জামায়াত ইসলামী । মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সকালে শহরের দক্ষিণ চরকমলাপুর মহল্লা
মন্দিরের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা দিয়েছে ফরিদপুর জেলা জামায়াত ইসলামী । মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সকালে শহরের দক্ষিণ চরকমলাপুর মহল্লার সার্বজনীন কালী মন্দিরে এ সময় চারটি সিসি ক্যামেরা প্রদান করা হয়।