fa
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

رفتن به کانال در Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

کانال চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 14 959 مشترک است و جایگاه 3 663 را در دسته سیاست و رتبه 1 568 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 14 959 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 29 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -217 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -14 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 6.60% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.72% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 988 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 556 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 26 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 30 اوت, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

14 959
مشترکین
-1424 ساعت
-567 روز
-21730 روز
آرشیو پست ها
যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣
যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣

যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣
যারা সারা জীবন বলে আসলো ঈদের পরে আন্দোলন তারাই এখন এক দফা আর লং মার্চের জনক🤣

ওয়াহিদ ইবন রেজা 🎙️
ওয়াহিদ ইবন রেজা 🎙️

ফেসবুক পোস্টে "চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু" এই কমেন্ট করায় নুরুকে ছোট করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীকে ছোট করা হয়েছে বলে দলবল নিয়ে জবাবদিহি করতে আসছে এমন একটা মজার ঘটনা দেখলাম। এই বিষয়টা দেখলাম প্রত্যেকটা দলের কর্মীদের মধ্যেই আছে। দলীয় প্রধানদের সমালোচনা করলে সর্বদলীয় চাটুকার বাহিনীর নিতে না পারার যে একটা ট্রেন্ড, "আবেগের জায়গায় আঘাত" বলে হামলে পড়তে চায় যে সকল চাটুকার বাহিনী, তাদের এই আবেগ ভরে নিয়মিত মুত্র বিসর্জন করার ট্রেন্ড চালু করতে হবে। রাজনীতি করবে, গণতন্ত্রের কথা বলবে, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ টলারেন্স দেখাইতে শিখবেনা।

পুলিশি পাহারায় রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে বাড়িঘরে জু'তা নিক্ষেপ করছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। সাথে উল্টাপাল্টা স্লোগান আর গা'লাগালি। সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাই এইটা কি মব না? নাকি তারেক রহমানকে নিয়ে কেউ কিছু বললে তার আর নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার থাকে না? তার বাড়িঘরে আ'ক্রমণ করা বৈধ হয়ে যায়?? হ্যাঁ, উনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে তা অবশ্যই রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। এজন্য আপনারা তাকে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানাতে পারতেন। আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারতেন। কিন্তু তাই বলে তার বাড়িঘরে আ'ক্রমণ কেন! - AB Zubair

আইএমএফ এর এই ধাক্কা সরকার সামলাতে পারতো কিন্তু তার অতিবুদ্ধির কারণে আজ সে লোন না পেয়ে আরও কঠিন অবস্থায় পড়বে। প্রধানমন্ত্রী সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছেন। সে এমন একটা দেশ পেয়েছেন যেখানে তার কাধে ঋণের আছে দায় আছে লাখ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু সে যেখানে চলবে কৌশলে কিন্তু সে তা না করে পছন্দ করেছে অন্যপন্থা। সে বাংলাদেশ ব্যাংকে হাত দিয়েছে। তারপর সেখান থেকে মব করে গভর্নর পরিবর্তন করে ফেলেছে। সে ভাবেও নাই এর প্রভাব আসলেই কি হতে যাচ্ছে। আইএমএফ এর এই লোনের বেশীরভাগ শর্ত ই মূলত দেখবাল করে, অনেক জায়গায় সংস্কার করে সেসময়কার গভর্নর এটা ট্যাকেল দিয়ে সব স্বাভাবিক অবস্থায় এনেছিলেন। আর এখন লেগেছে ক্যাচাল। বিএনপির সামনে দুইটা পথ ১. পাবলিক সেন্টিমেন্ট ২. লোন। সবকিছুর দাম যদি বেড়ে যায় বিএনপির বিরুদ্ধে সবাই ক্ষেপে গিয়ে মাঠে নামবে। মানুষ আইএমএফ বুঝেনা, সে বুঝে তার চালের দাম কত, ডালের দাম কত, তেলের দাম কত ইত্যাদি। বিরোধীদল এটাকেই রাজনৈতিক আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে যাবে। বিএনপি সংস্কারগুলো মাঝপথে বন্ধ না করে ধীরে ধীরে যদি এগিয়ে যেত তাহলে এই চিপায় আজ তাকে পড়তে হতোনা। সে এটা করলে আজ হুট করে তাকে আর দাম বাড়াতে হতো। এখন সে ঠিকই সংস্কার করবে এই ঋণের জন্য কিন্তু যখন হুট করে একসঙ্গে দাম বাড়াবে তখন সে আরও চিপায় পড়ে যাবে কারণ সব জিনিস একসঙ্গে করতে গিয়ে সবার চোখে পড়বে এটা। স্বাভাবিক কিস্তির বাহিরেও সরকার ১০০ কোটি ডলার বেশী চেয়েছে কারণ টাকা আসলেই সরকারের কাছে সেই অর্থে নেই। সে বাড়তি টাকা তো দুরের কথা বরং চলমান কিস্তি ই পাচ্ছেনা!!! সব ধরনের কর-ছাড় সুবিধা বাতিল করে ট্যারিফ যৌক্তিকীকরণ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎসহ জ্বালানিতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নিম্ন আয়ের মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা ইত্যাদি বিষয়ে দ্রুত দৃশ্যমান সংস্কারের অগ্রগতি না হলে পরবর্তী কিস্তিও জুন মাসে ছাড় করা হবে না। কথায় আছে সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয়না। একজনকে সরিয়ে আরেকজনকে বসিয়ে দিলেই সবকিছু নিজের হয়ে যায় না। বরং নতুন জন এসে আরও বেশী সংকট তৈরি করে। একদম হাতেনাতে প্রমাণ পেলো বিএনপি।

IMF এ সংবিধান চলে না, IMF এ চলে সংস্কার
IMF এ সংবিধান চলে না, IMF এ চলে সংস্কার

জ্বি, এটাই ছাত্রদল
জ্বি, এটাই ছাত্রদল

বার বার দরকার চোদনা সরকার।

২৪ এর জুলাই শহিদ পরিবার থেকে একজনকে নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দেশে সর্বমোট ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ!!! আজ খুলনার ৬টি বন্ধ হয়ে গেলো!!! লোডশেডিং ভয়াবহ আকারে বাড়তে থাকবে প্রস্তুতি নিন!!!

🔴১৯৮৫ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও মোহাম্মদ গাদ্দাফি— এর মধ্যে এক আলোচনার বর্ণনা (কর্ণেল গাদ্দাফির নিজ ভাষ্যে): ‘খামেনেয়ীর সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতে— আমাদের কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি “পার্সিয়ান গালফ” শব্দটি ব্যবহার করেন, আর আমি এটিকে “আরাবিয়ান গালফ” বলে উল্লেখ করি। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম: “এই বিষয়ে আরব ও পার্সিয়ানদের মধ্যে মতবিরোধ থাকা কি যুক্তিযুক্ত, যদি প্রত্যেকে নিজের পছন্দের নাম ব্যবহার করে?!” খামেনেয়ী জবাব দিলেন: “(পারস্য) উপসাগরের অপর পাশের দেশগুলো প্রকৃতপক্ষে আরব নয়; বরং তারা আমেরিকার উপনিবেশ। যেদিন তারা 'আপনার' মতো বিপ্লবী হয়ে উঠবে, সেদিন আমি প্রথম ব্যক্তি হবো যে এটিকে ‘আরাবিয়ান গালফ’, ‘কুয়েতি গালফ’ বা আপনাদের পছন্দমতো অন্য যে কোনো নামে নামকরণের দলিলে স্বাক্ষর করবো।” গাদ্দাফি বললেন: “আমি এই বক্তব্যের সাথে একমত ছিলাম এরপর আমি তাঁকে প্রস্তাব দেই— আমরা একে “ইসলামিক গালফ” নামে ডাকতে পারি।” এরপর খামেনেয়ী বললেন: “ঠিক সেটাই হওয়া উচিত। যখন আরবরা জেগে উঠবে এবং আমেরিকার দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে সত্যিকারের বিপ্লবী ইসলামের পথে অগ্রসর হবে— তখন আর পার্সিয়ান বা আরব কেউই এ নিয়ে বিরোধ করবে না; উপসাগরটি হবে ইসলামিক।”

ছন্দে ছন্দে দুই দল জড়িয়েছে দ্বন্দে, একজনের অঙুল ভরেছে আরেকজনের পো*ন্দে...😴
ছন্দে ছন্দে দুই দল জড়িয়েছে দ্বন্দে, একজনের অঙুল ভরেছে আরেকজনের পো*ন্দে...😴

হাদির কবর সরানোর পরিকল্পনা চলছে! শাহবাগীরা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাদির কবর নিয়ে আলাজ্বালা শুরু করেছে! কবি নজরুলের কবরস
হাদির কবর সরানোর পরিকল্পনা চলছে! শাহবাগীরা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাদির কবর নিয়ে আলাজ্বালা শুরু করেছে! কবি নজরুলের কবরস্থানকে ওরা দীর্ঘদিন নিজেদের আখড়া হিসেবে ব্যবহার করে আসছে! হাদির কবর ওখানে হওয়ার ওরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়! এখন শাহবাগীদের দাবি পূরণ করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর! আওয়ামী লীগের কোল ঝেড়ে শাহবাগ এখন বিএনপির কোলে! দুইদিন পরে পাইলস হবে, এটা আমার কথা না, হাদির কথা! বিএনপি যেদিন হাদির কবরে টাচ করার দুঃসাহস দেখাবে সেদিনই বাংলাদেশ থেকে বিএনপি নামক দলটি বিলুপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ!

কার্ড বাবা
কার্ড বাবা

আর এখন তো দিনেও থাকেনা
আর এখন তো দিনেও থাকেনা

শাউয়ার খাম্বা সরকার দেশবাসী রে জ্বালাইয়া অতিষ্ট করে ফেললো। কারেন্ট ই থাকেনা,মাঝেমধ্যে একটু আসে। কুত্তা খেদাইয়া শিয়াল আনছি আমরা। এখন আযাব তো আমাদের প্রাপ্যই। বার বার দরকার, কারেন্টবিহীন খাম্বা সরকার।