fa
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

رفتن به کانال در Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

کانال চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 15 573 مشترک است و جایگاه 3 616 را در دسته سیاست و رتبه 1 447 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 15 573 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 13 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -230 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -5 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 9.69% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.47% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 509 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 540 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 32 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 14 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

15 573
مشترکین
-524 ساعت
-417 روز
-23030 روز
آرشیو پست ها
ভারতে মুসলমানদের উপর কোনো কারন ছাড়াই একের পর পর জুলুম নির্যাতন করে যাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদ।

অমানুষের দল অমানুষই থাকে রোজায় শয়তান বন্দী থাকলেও বা কী এরা নিজেরাই একেকটা শয়তান
অমানুষের দল অমানুষই থাকে রোজায় শয়তান বন্দী থাকলেও বা কী এরা নিজেরাই একেকটা শয়তান

বিএনপি সরকারের উন্নয়ন
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন

হুমকি দিয়েও পার পাওয়া যাচ্ছে তাও আবার পুলিশকে। এমন সরকারই তো আমরা চাই
হুমকি দিয়েও পার পাওয়া যাচ্ছে তাও আবার পুলিশকে। এমন সরকারই তো আমরা চাই

ইরা নামের বাচ্চা মেয়েটাকে যখন হাসপাতালে আনা হয়েছিল ডাক্তাররা তাকে জিজ্ঞেস করেছিল- মা মনি তোমার সাথে কারা এ কাজ করেছে? মেয়েটা তখন কথা বলতে পারছিল না। ডাক্তাররা আবারও জিজ্ঞেস করেছিল - তাদেরকে দেখালে কি তুমি চিনতে পারবে? ইরা তখন হাতে ইশারা দিয়ে বুঝিয়েছিল ধ*র্ষকদের দেখলে সে চিনতে পারবে। মেয়েটা তখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল ,কাঁদতেও পারছিল না কারণ কাঁদলে গলা দিয়ে আরও বেশি র*ক্ত বের হচ্ছিল। ডাক্তাররা তাই দেরি না করে মেয়েটাকে অপারেশন থিয়াটারে নিয়ে গিয়েছিল। মেয়েটার হাতে এবং গলায় গভীর ক্ষত ছিল। অনেক র*ক্তক্ষরণও হচ্ছিল এজন্যে ডাক্তাররা অনেকটা টেনশনে ছিল। তারপর দীর্ঘ ৫ ঘন্টার অপারেশন চালায় ডাক্তাররা। অপারেশন পর ৭২ ঘন্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয় তাকে। ইরার অবস্থা তখন একটু একটু করে ভালোর দিকে যাচ্ছিল তাই ওয়ার্ডে শিফট করা হয়েছিল তাকে। ডাক্তাররাও ভরসা পাচ্ছিল। ডাক্তারদের আশা ছিল মেয়েটা যদি সুস্থ হতে পারে তাহলে ধ*র্ষকদেরকে চিনতে পারবে। তাহলে অন্তত বিচারটুকু পাবে। কিন্তু ৭২ ঘন্টা যাওয়ার আগেই ইরার শরীরের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে, পুরো শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছিল। ডাক্তাররা তড়িঘড়ি করে তাকে আইসিইউতে নিয়ে যায়। বাঁচানোর অনেক চেষ্টাই করেছিল ডাক্তাররা কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বাঁচাতে পারেনি মেয়েটাকে। পারবেই বা কি করে? এইটুকুন শরীরে এত বেশি রক্তক্ষরণ আর তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করতে পারেনি মেয়েটা। শেষপর্যন্ত যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতেই ভোরে মারা গেছে। বেঁচে থাকতে ইরা বলেছিল- ধ*র্ষকদের দেখলে সে চিনতে পারবে। কিন্তু এখন তো সে ই না ফেরার দেশে চলে গেল। মরে গিয়ে সম্ভবত ভালোই হয়েছে কারণ ধ*র্ষণের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকাটা আরও বেশি কষ্টকর হতো। ধ*র্ষকরা ধরা পড়বে কিনা জানি না, ধরা পড়লেও মেয়েটা সুষ্ঠু বিচার পাবে কিনা জানি না। কারণ এদেশে প্রতি সেকেন্ডে টাকা আর ক্ষমতার কাছে আইন বিক্রি হয়, ধ*র্ষকদের জামিন হয়। যেই শাহবাগীরা জামায়াতের আমীরের টুইটার পোস্টের কারণে বিক্ষোভ করেছিল, ঝাড়ু মিছিল করেছিল ওরা এখন কথা বলবে না, রাস্তায়ও নামবে না- কারণ মেয়েটা এলিট পরিবারের কেউ না, কোন এমপি মন্ত্রীর মেয়েও না। সে গরিব একটা পরিবারের মেয়ে। তার বাবাটাও অসহায়। এজন্যে এই মেয়েটার পাশেও কেউ দাঁড়াবে না। গত রমজানে আছিয়াকে ধ*র্ষণ করে মেরে ফেলা হলো, আর এবারে ইরা মনিকে। এভাবে সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছেই শুধু। অথচ ধ*র্ষকরা ঠিকই ঘুরে বেড়াচ্ছে আরামসে। ইরার মা গতরাত থেকে সারাটাক্ষন হাসপাতালে বসে ছিল আর হাউমাউ করে কাঁদছিল। আশায় ছিল মেয়েটা হয়তো সুস্থ হবে, তার সাথে কথা বলবে। কিন্তু সবশেষে চলে গেল পরপারে। মেয়েটার তো এভাবে চলে যাওয়ার কথা ছিল না। খেলার পর বাড়ি ফিরার কথা ছিল, একসাথে ভাত খাওয়ার কথা ছিল অথচ কত নিদারুণভাবে চলে গেল। আছিয়া কিংবা ইরা, ওরা মরে গিয়েই যেন বেঁচে গেছে। কারণ এ সমাজে ধ*র্ষণের কলঙ্ক মাথায় নিয়ে মেয়েদের বেঁচে থাকাটা মরে যাওয়ার চাইতেও বেশি কষ্টকর

ইরা নামের বাচ্চাটা আর নেই।গলা কাঁ*টার অসম্ভব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালেই মা*রা গেছে সে। রোযার দিনে শুধু একটাই চাওয়া- হে আল্লাহ,
ইরা নামের বাচ্চাটা আর নেই।গলা কাঁ*টার অসম্ভব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালেই মা*রা গেছে সে। রোযার দিনে শুধু একটাই চাওয়া- হে আল্লাহ, তুমি তার ধ*র্ষকদের এর চাইতেও হাজারগুণ কষ্ট দিয়ে মৃত্যু দিও

আপনি একবার চিন্তা করেন বাংলাদেশ যদি অদূর ভবিষ্যতে কখনো এমন ভয়াবহ হামলার শিকার হয় তাহলে সার্বিক অবস্থা টা কি হবে। বাংলাদেশের না আছে অত্যাধুনিক বিমান, না আছে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আর না আছে কোনপ্রকার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বাংলাদেশে আছে শুধু বুক ভরা চেতনা। এক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর ভর করে ফ্যাসিস্টলীগ ১৭ বছর ধরে পুরো বাংলাদেশটাকে ফোকলা করে দিয়ে দিল্লিতে পালিয়ে গেছে। টিআইবির রিপোর্ট মতে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশ থেকে প্রতি বছর ১২ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার যে দুর্নীতি আর বিদেশে পাঁচার করা হয়েছে সেগুলো দিয়ে আমরা এতদিনে সামরিক ভাবে অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করতে পারতাম। আমাদের দুর্নীতিগ্রস্থ অসৎ নেতৃত্ব পুরো দেশটাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে। এক্ষেত্রে ইউনুস সরকার অনেকটাই ব্যতিক্রমী ছিল। যদিও তারা পর্যাপ্ত সময় পায়নি দেশের জন্য স্থায়ী ভাবে কার্যকরী কিছু করার। বাংলাদেশে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসার আগপর্যন্ত সামরিক ভাবে শক্তিশালী হওয়াটা এখন দিবাস্বপ্নের মতো। কারণ এখন নতুন যারা আসছে তারাও ভারত-আমেরিকার কথার বাইরে পা ফেলবে না। ইরান ইস্যুতে তাদের বিবৃতি অনেক কিছু পরিস্কার করে দেয়। তারা কখনোই ভারত-আমেরিকার স্বার্থের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশকে সামরিক ভাবে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করবেনা। এদিকটায় পুরোপুরি ব্যতিক্রম ১১ দলীয় জোটের। তাদের সেই শক্তিশালী সক্ষমতা ও গাটস আছে ভারতের সাথে চোখে চোখ রেখে এদেশের স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষহীন ভূমিকা রাখার।

এই মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকের আবদুল লতিফ হলে স'শস্ত্র হা'মলা চালিয়েছে ছাত্রদল। প্রাথমিকভাবে ১০ জনের মতো শিক্ষার্থী আ'হত হওয়ার
এই মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকের আবদুল লতিফ হলে স'শস্ত্র হা'মলা চালিয়েছে ছাত্রদল। প্রাথমিকভাবে ১০ জনের মতো শিক্ষার্থী আ'হত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ব্রেকিং: আইআরজিসি জেনারেল জাব্বারি বলেছেন, "আমেরিকানরা তাদের বেশিরভাগ বিমান সাইপ্রাসে স্থানান্তরিত করেছে" আমরা সাইপ্রাসে এত বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করব যে তারা সেখান থেকেও পালাতে বাধ্য হবে।"

অনেকদিন পর একটা চান্দাবাজির নিউজ দিলাম যদিও ডেইলি এগুলা ঘটে।
অনেকদিন পর একটা চান্দাবাজির নিউজ দিলাম যদিও ডেইলি এগুলা ঘটে।

আফগানিস্তানের জমি দখল করছে পাকিস্তান।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সরকারি পুকুর দখল নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দুইজন নিহত।

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন আনন্দনগর ওয়ার্ডের স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ইকরামুন্নেসা হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন স্যারের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে স্থানীয় বিএনপির নেতারা। দক্ষিণ আনন্দনগর ইউনিট বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীর, বিএনপি নেতা খালেক ও আব্দুর রহিম এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়। রোজার মাসে সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে নেই এদের।

ইরানকে সমর্থন দিলো চীন

ফেসবুক বয়কট করলে আদু ভাইয়ের দলের আকাম আর মানুষের কাছে পৌঁছাবে না এটাই আদু ভাইয়ের লাভ। আদু ভাইয়ের মাথায় অনেক বুদ্ধি যদিও
ফেসবুক বয়কট করলে আদু ভাইয়ের দলের আকাম আর মানুষের কাছে পৌঁছাবে না এটাই আদু ভাইয়ের লাভ। আদু ভাইয়ের মাথায় অনেক বুদ্ধি যদিও সে তারেক রহমানের গাড়ির পেছনে পেছনে দৌড়ায়।

এদিকে পাকিস্তান আফগানিস্তানের ব্যাপক ক্ষতি করছে

মুসলিমদের সবসময় থাকার কথা ছিল গণহত্যাকারী ইহুদী খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে কিন্তু নাহ আরবদের বেহাল দশা তারা উল্টো আমেরিকা ও ইজ্রায়েলকে নিজের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে মুসলিম নিধনে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী মানসুরেহ খোজাসতেহ বাগেরজাদেহ আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবর
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী মানসুরেহ খোজাসতেহ বাগেরজাদেহ আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।

রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘তিন প্রকার লোকের সাথে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না। তাদেরকে পবিত্র করবেন না। বরং তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি। তারা হলো-টাখনুর নিচে কাপড় (অন্য বর্ণনায় লুঙ্গি) পরিধানকারী, খোঁটাদানকারী (অন্য বর্ণনায় এসেছে, যে খোঁটা না দিয়ে কোনো কিছু দান করে না) ও মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয়কারী।’ (মুসলিম ১০৬, মিশকাত ২৭৯৫)