fa
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

رفتن به کانال در Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

کانال চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 15 381 مشترک است و جایگاه 3 633 را در دسته سیاست و رتبه 1 476 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 15 381 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 03 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -254 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -12 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 13.96% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.89% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 147 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 599 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 28 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 04 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

15 381
مشترکین
-1224 ساعت
-667 روز
-25430 روز
آرشیو پست ها
শহীদের ডাকে সাড়া দিতে ক্ষমতা, পদ কিংবা ব্যস্ততা কখনো বাধা হতে পারে না—এটাই আবার প্রমাণ করলেন আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।শ
শহীদের ডাকে সাড়া দিতে ক্ষমতা, পদ কিংবা ব্যস্ততা কখনো বাধা হতে পারে না—এটাই আবার প্রমাণ করলেন আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।শহীদ ওসমান হাদির জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য নিজের ব্রিটেন সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে আসা কেবল একটি সিদ্ধান্ত নয়,এটি একজন নেতার মানবিকতা, দায়বদ্ধতা ও মূল্যবোধের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। যেখানে অনেকেই সুবিধা ও হিসাবের রাজনীতিতে ব্যস্ত,সেখানে ডা. শফিকুর রহমান দেখালেন—শহীদের প্রতি সম্মান,সংগ্রামী মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আসল নেতৃত্বের মানদণ্ড! মানবিক নেতা,ইনসাফভিত্তিক আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নদ্রষ্টা ডা. শফিকুর রহমানকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

তোরা অমানুষ....
তোরা অমানুষ....

যে সব মুসলিমরা এখনো Bangladesh Awami League support করস, তাদের কাছে একটা প্রশ্ন, তোরা কি এতটাই অন্ধ যে এটা দেখার পরও যে আমাদে
যে সব মুসলিমরা এখনো Bangladesh Awami League support করস, তাদের কাছে একটা প্রশ্ন, তোরা কি এতটাই অন্ধ যে এটা দেখার পরও যে আমাদের কালেমা লেখা পতাকা কে জ/ঙ্গি বলে, সে কিভাবে মুসলিম হয় এবং তোরা কিভাবে সেই দলকে সমর্থন করস, তোরা এতটাই অন্ধ?

ভিটরে ভিতরে কাঁদছে এক গাদ্দার
ভিটরে ভিতরে কাঁদছে এক গাদ্দার

বিস্তারিত কমেন্টে,,,।
বিস্তারিত কমেন্টে,,,।

আলহামদুলিল্লাহ, একটুখানি স্বস্তি। শহীদ ওসমান হাদি ভাই চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ায় আগামী সংসদ নির্বাচনে তাঁর বড় বোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কথা হচ্ছে– আপুর মধ্যে হাদি ভাইয়ের ছাপ কিছুটা হলেও রয়েছে। আমরা আমাদের শহীদ ওসমান হাদি ভাইয়ের আদর্শের ধারাবাহিকতা হিসেবে আপুকে পাবো। আমরা আপুকে পূর্ণ সমর্থন দেবো। ঢাকা–৮ আসনে আমরা হারবো না। আমার ভাই হারবে না। ইনশাআল্লাহ্ ভূমিধ্বস বিজয় হবে।❤️‍🩹🇧🇩

আমাদের সময়ের বুদ্ধিজীবী, যিনি পোস্টমর্ডার্ন, ফ্যাশনেবল ননসেন্স একাডেমিক ফ্যাড এর মধ্যে নিজেরে সীমাবদ্ধ রাখেননি।সত্যকে প্রতিষ্
আমাদের সময়ের বুদ্ধিজীবী, যিনি পোস্টমর্ডার্ন, ফ্যাশনেবল ননসেন্স একাডেমিক ফ্যাড এর মধ্যে নিজেরে সীমাবদ্ধ রাখেননি।সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে যিনি নির্ভিক ছিলেন।আমাদের শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ভাই।

মিম্বার হোক হকের কণ্ঠস্বর! বাংলার তৌহিদী জনতা প্রতিটি মসজিদের মিম্বার থেকে যে দিকনির্দেশনা আশা করে, তার নবযাত্রা শুরু হলো জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম থেকে। এই জোয়ার আর থামবে না। খুব শীঘ্রই সারা বাংলার প্রতিটি প্রান্তে, প্রতিটি মিম্বারে এই সত্যের আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হবে, ইনশাআল্লাহ।।

ইনপুট হাদির মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের শোক প্রকাশ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে, যে প্রচারণায় প্রতিমুহূর্তে হাদিকে সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে এবং বাংলাদেশের আন্দোলনকে জঙ্গিবাদ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে, তা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান কার্যত জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব ভারতীয় বয়ানকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা হাদি কিংবা বাংলাদেশের গণআন্দোলনকে উগ্রবাদীকরণ হিসেবে দেখছে না। বরং এই প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক সমাজ ঘটনাটিকে রাজনৈতিক ও মানবিক প্রেক্ষাপট থেকেই বিবেচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মানেই কেবল দুটি শক্তি নয়, তারা বৈশ্বিক মতামতের প্রতীক। সেই বৈশ্বিক মতামত মোদি-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একমত নয়। বিশ্ব অধ্যাপক ইউনূস ও বাংলাদেশের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, এবং এই বাস্তবতাই বর্তমান ভূরাজনৈতিক চিত্রের সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা।

সারাদেশের শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জন্য দেয়াল লিখন, গ্রাফিতি , ছবি ও ব্যানারের আয়োজন করেন। ইতোমধ্যে কলাবাগান ধানমন্ডিতে ওসমান
+1
সারাদেশের শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জন্য দেয়াল লিখন, গ্রাফিতি , ছবি ও ব্যানারের আয়োজন করেন। ইতোমধ্যে কলাবাগান ধানমন্ডিতে ওসমান হাদী ভাইয়ের বিশাল ছবি আঁকা হচ্ছে। গুজবাম হচ্ছে।

বিএনপির বাটপারির লেভেল টা দেখেন। এরা সায়েরের পাঠানো লিস্ট কোনপ্রকার যাচাইবাছাই ছাড়াই কপি-পেস্ট করে বিবৃতি দিয়েছিল। সায়ের যেটা
বিএনপির বাটপারির লেভেল টা দেখেন। এরা সায়েরের পাঠানো লিস্ট কোনপ্রকার যাচাইবাছাই ছাড়াই কপি-পেস্ট করে বিবৃতি দিয়েছিল। সায়ের যেটা আবার লীগ থেকে কপি করেছে। আর সেটা জনগণের কাছে ধরা পড়ে যাওয়ায় এরা সেই লিস্ট টা বাদ দিয়ে দিছে কোনপ্রকার সংশোধনী না দিয়েই। আবার মানুষ যেন কোন মন্তব্য করতে না পারে সেজন্য কমেন্টবক্স বন্ধ করে দিয়েছে। তারিখও ভুল করছে পরে আবার এডিট করে তারিখ ঠিক করছে। জাতীয়তাবাদী বাটপারদল

প্রথমে হাদি ভাইয়ের খুনিদের পালাইয়া যাইতে হেল্প করলো। এরপর কাল রাতে লোক পাঠাইয়া প্রথম আলো ডেইলি স্টারে হামলা করাইলো। আজ শাহবাগের দখলও নিতে চাইছিল, যাতে সাধারণ মানুষ ওখানে না যায়। লাভ হয় নাই। এপলিটিক্যাল প্রতিটা পোলাপান হাদি ভাইকে নিয়ে কথা বলতেছে, মায়েরা হাউমাউ করে কানতেছে। একেবারে জুলাই এর মত। এখন আবার ঢাকায় যাতে জানাজায় লোকজন না আসে, এইজন্য গৃহপালিত সাংবাদিক দিয়ে ভয়ও দেখাতে শুরু করেছে। পুরো এস্টাবলিশমেন্টের একজোট হইসে। গুম খুনের বিচার বন্ধ না করলে নাকি সমস্যা হবে। এতেও লাভ হবে না। জাতিসংঘ হাদি হত্যার তদন্ত চায়। এই খুনের আন্তর্জাতিক তদন্ত করতে হবে। যারা জড়িত, তাদের ছাড় দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। প্রথম স্টেপ, জানাজায় আসা। আগামীকাল মানিক মিয়া এভিনিউতে হাদি ভাইয়ের জানাজায় আসেন সবাই। কষ্ট হলেও আইসেন, দূরে হলেও আইসেন। হাদি শুধু ভারত বা আওয়ামী লীগের হাতে মরে নাই। বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্যও হাদিকে প্রাণ দিতে হলো। জানাজায় আসেন। হেঁটে হলেও আসেন। জানাজাটা কোন সাধারণ মানুষের না। জানাজাটা আমাদের মহান বিপ্লবী শহীদ ওসমান হাদির। মানুষটা আমাদের জন্য পুরো জীবন দিয়ে গেল। আমরা উনার জন্য একটা দিনের একটা বেলা দিতে পারব না? - সাদিকুর রহমান খান

দেশবাসীকে আগামীকাল বাদ যোহর জাতীয় সংসদ ভবন–মানিক মিয়া এভিনিউতে শহীদ ওসমান হাদির জানাজায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। যেসব সহযোদ্ধাগণ ঢাকায় আসতে পারবেন না, তাদেরকে মসজিদে-মসজিদে, পাড়া-মহল্লায়, শহরে-উপশহরে, স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়েবানা জানাজা আয়োজন করার আহ্বান জানাচ্ছি। গায়েবানা জানাজা শেষে আধিপত্যবাদবিরোধী কফিন মিছিল বের করুন। শহীদ ওসমান হাদির শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনায় দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করুন। মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা ইত্যাদি উপাসনালয় গুলোতে প্রার্থনার আয়োজন করুন। আল্লাহ আমাদের ভাই শহীদ ওসমান হাদিকে শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমাদেরকে তাঁর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করার তৌফিক দান করুন। আমীন। Sadik Kayem

সাংবাদিক ইলিয়াসের ফেসবুক পেইজ অদৃশ্য !

আলহামদুলিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ।

শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের জানাজা কালকে দুপুর ২টায় মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। সকলকে জানাজায় শরিক হওয়ার জন্য বিনীতভাবে দাওয়াত রইলো।

কাল বিপ্লবী সরকার না গঠন করলে আমরা আজীবন দাসত্বই করে যাবো
কাল বিপ্লবী সরকার না গঠন করলে আমরা আজীবন দাসত্বই করে যাবো

হাদির খুনীরা আসলে দেশে আছে নাকি ভারতে আছে—এটা খুব সহজেই জানা যেত, যদি আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যে ঘোষণা দিয়েছেন—হাদির খুনিকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার—এই অফারটি বাংলাদেশের বাইরে, বিশেষ করে ভারতেও প্রযোজ্য করা হতো। ভারতেও যদি কেউ এই খুনিদের ধরে সীমান্তের কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারলে ৫০ লাখ রুপি পুরস্কার পেত, তাহলে এতদিনে হয়তো খুনিরা ধরা পড়ে যেত।

কিছুক্ষণ আগে একটি ভিডিও সামনে এলো। সেখানে দেওয়ান খায়রুল হক, সভাপতি—জনকল্যাণ পার্টি—এর কথা শুনে থমকে গেলাম। ছেলেটা প্রথাগত শিক
কিছুক্ষণ আগে একটি ভিডিও সামনে এলো। সেখানে দেওয়ান খায়রুল হক, সভাপতি—জনকল্যাণ পার্টি—এর কথা শুনে থমকে গেলাম। ছেলেটা প্রথাগত শিক্ষায় অগ্রসর না হলেও, তার কথায় যুক্তি আছে, শালীনতা আছে, মানুষের জন্য ভাবনা আছে। তাই তাকে নিয়ে ফেসবুকে ট্রল হলেও, গালি খুব কমই দেখি। মানুষ তাকে মজা করে, কিন্তু স্নেহ করে—কারণ তার ভেতরে একটা আলাদা আদর্শ আছে। অন্যদিকে আম তারেক—এই নামটা দেখলেই ছবিটা যে কোন সাধারণ মানুষের মাথা গরম হয়ে যায়। শত কমেন্টে আশিটা গালি। কারণ তিনি রাজনীতি করেন মানুষের ভালোবাসার জন্য নয়, নিজের পরিবার আর ক্ষমতার লোভে। কথাবার্তা শুনলেই শরীরে আগুন ধরে যায়। আওয়ামী লীগকে নির্বাচন দেখানোর স্বপ্নে বিভোর তিনি—বা*ট*পারি আর টা*উট রাজনীতির এক নগ্ন উদাহরণ। শোনা যায়, তিনি নাকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী—কিন্তু ডিগ্রি দিয়ে মানুষ হওয়া যায় না, সেটা এখানেই প্রমাণ। এই দুইজনকে পাশাপাশি রাখলেই পার্থক্য স্পষ্ট— ডিগ্রি নয়, আদর্শই নেতাকে বড় করে। আমার কাছে দেওয়ান খায়রুল হক অনেক অনেক বেশি দরকারি—কারণ তিনি মানুষের কথা বলেন, মানুষের সঙ্গেই থাকেন।