fa
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

رفتن به کانال در Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

کانال চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 15 541 مشترک است و جایگاه 3 618 را در دسته سیاست و رتبه 1 440 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 15 541 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 15 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -236 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -16 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 10.21% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.44% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 588 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 535 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 31 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 16 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

15 541
مشترکین
-1624 ساعت
-617 روز
-23630 روز
آرشیو پست ها
গত দেড় মাসে তারেক জিয়ার স্টানবাজি - ১) একদিকে হাদির কবরে গিয়ে দোয়া করছে অপর দিকে দলীয় নেতা কর্মী ও এক্টিভিস্টদের লেলিয়ে দিয়েছ
গত দেড় মাসে তারেক জিয়ার স্টানবাজি - ১) একদিকে হাদির কবরে গিয়ে দোয়া করছে অপর দিকে দলীয় নেতা কর্মী ও এক্টিভিস্টদের লেলিয়ে দিয়েছে হাদির কবর সরানোর জন্য। ২) একদিকে বিজিবির নাম পরিবর্তন করে বিডিআর রেখে চেতনা ফলাচ্ছে, অপর দিকে বিডিআর হত্যাকান্ডের যেন বিচার পিছিয়ে দেওয়ার জন্য নতুন করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। অথচ ফজলুর রহমানের তদন্ত রিপোর্ট ছিল অনেক বস্তনিষ্ঠ তদন্ত রিপোর্ট যেখানে ভারতের ইনভলবেন্টের কথা উঠে এসেছিল। ৩) একদিকে জুলাই নিয়ে চেতনা দেখাচ্ছে , অন্যদিকে দলীয় নেতাদের দিয়ে জুলাই স্লোগান " ইনকিলাব জিন্দাবাদ" এর বিরোধিতা করছে। ৪) একদিকে জাইমা রহমান বিশেষ প্রটোকল নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে চলাচল করছে, অন্যদিকে তারেক জিয়া বিশাল লাট বহর নিয়ে ট্রাফিক জ্যামে দাঁড়িয়ে রেখে জ্যাম আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর জনগনকে দেখাচ্ছে যে আমি রাস্তা বন্ধ করে চলাচল করি না। ৫) একদিকে হাতিয়ায় ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত কর্মীকে প্রটেকশন দিচ্ছে, অন্যদিকে ঢাকায় এসে নারী অধিকার রক্ষার শপথ নিচ্ছে। অনেকটা হাসিনার মেল ভার্সন খুজে পাচ্ছি।

এখন থেকে জুলাইয়ের খুনি ও অতীতে গুম খুন করা প্রশাসনের কুকুরদের বিচার ঠিকভাবে হবে।
এখন থেকে জুলাইয়ের খুনি ও অতীতে গুম খুন করা প্রশাসনের কুকুরদের বিচার ঠিকভাবে হবে।

ঝোল বাংলা
ঝোল বাংলা

লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান, ইন্টিরিম সরকারের আমলে অ*স্ত্র কেনার জন্য সবচেয়ে বেশি দৌড়াদৌড়ি করা ব্যাক্তি। সেনাবাহিনীর এক
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান, ইন্টিরিম সরকারের আমলে অ*স্ত্র কেনার জন্য সবচেয়ে বেশি দৌড়াদৌড়ি করা ব্যাক্তি। সেনাবাহিনীর একমাত্র মেরুদণ্ড ওয়ালা অফিসার, যিনি তার পজিশন থেকে সেনাবাহিনীকে ভারতীয় বলয় থেকে বের করে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। গতবছর তিনি পাকিস্তান সফরে গিয়ে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সাথে বৈঠক করে পাকিস্তানের সাথে সামরিক প্রশিক্ষণ এবং JF-17 যুদ্ধবিমান ক্রয়ের আলোচনা করেন। ওনাকে আজ সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। যেই লোকটা পরবর্তী সেনাপ্রধান হবার কথা, তাকে আর্মী থেকে বের করে দেয়া হলো...! একই সাথে ভারতের দিল্লি দুতাবাসে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজুর রহমানকে প্রোমশন দিয়ে মেজর জেনারেল বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে। কি অদ্ভুত! ভারত সফর করে এলেই সবার প্রমোশন হয়! একজন ৯ বছর ভারতে থেকে ফিরে এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়ে গেছে, আরেকজন অমিত শাহকে কুর্নিশ করে অর্থমন্ত্রী হয়ে গেছে। আর দেশপ্রেমিকদের ভাগ্যে কেবল বিতাড়িত হওয়া লেখা আছে।

শেষ পর্যন্ত দিল্লী-ই জয়ী হলো। নজিরবিহীন ডাম্পিং হয়েছে গতকাল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ভারত-বিরোধী অফিসারদের!

❗ অভিনন্দন, ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরী সাহেবকে। আশাকরি তিনি তাবরেজ, হামিদুল কিংবা জিয়াউল আহসান আর তারেক সিদ্দিকী হয়ে উঠবেন না। শুরু করবেন না নির্বিচার গু'ম আর খু'ন। যদিও তিনি হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব। চীন, আমেরিকাসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর সফরে হাসিনা তাকে সঙ্গে নিতে ভুলতো না। সস্ত্রীক কায়সার সাহেব প্রায়ই নেমন্তন্ন খেতেন হাসিনার গণভবনে। কায়সার রশিদ চৌধুরী সাহেবের পরিবারও অনেক আগ থেকে জড়িত আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে। তার আপন চাচাতো ভাই সেলিম আহমদ চৌধুরী লন্ডন আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক। চব্বিশ পরবর্তী আগ্নে'য়াস্ত্র ঘটিত আওয়ামী নাশকতার নব্বই ভাগ দায় এই লন্ডন ডায়াস্পোরার। ওরা গোপনে না, প্রকাশ্যেই বলে বেড়ায়—আমরা গেরিলা যু'দ্ধ শুরু করেছি বাংলাদেশে। গতবছর ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও অন্যান্য উপদেষ্টাগণ লন্ডন সফরে গেলে তাদের ওপর ডিম ও নর্দমার পানি ছুঁড়ে লন্ডন আওয়ামিলীগ। ওদের নেতৃত্বে ছিল কায়সার চৌধুরীর ভাই সেলিম চৌধুরী। চিহ্নিত আওয়ামী স'ন্ত্রাসী সুশান্ত দাস গুপ্তের ডান হাত সেলিম। ৫ই আগস্টের পরবর্তী মুহূর্তটায় যে ক'জন অফিসার আওয়ামী অ্যাসেটস (জান-মাল) রক্ষায় ব্যস্ত ছিল, তন্মধ্যে কায়সার চৌধুরী অন্যতম। ৬ই আগস্ট থেকে কায়সার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিএনপি, জামায়াত ও বৈষম্যবিরোধী নেতৃদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক চালিয়ে যায়। যেগুলোতে প্রকাশ্য হু'মকি দেয়—কারও বাড়ি ঘর কিংবা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আ'গুন দিলে সেনাবাহিনী বসে থাকবে না! উল্লেখ্য, এর আগে কায়সার যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের প্রধান ছিল।

একটি সূত্রে জানতে পারলাম, কারাগারে আটক ইলিয়াস আলী-সহ হাজারখানেক মানুষের হত্যাকারী মেজর জেনারেল জিয়াউল বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেশ খুশমেজাজে আছে। ওদিকে চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম কে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে জিয়াউল-সহ ক্যান্টনমেন্টে আটক গুম-খুনের সাথে জড়িত সকল সেনাকর্মকর্তাদের রক্ষার জন্য। এসব সেনাকর্মকর্তা বিএনপির নেতাকর্মীদেরই গুম-খুন করেছিল। কাউয়া নাকি কাউয়ার মাংস খায়না, কিন্তু বিএনপি ঠিকই নিজেদের নেতাকর্মীদের মাংস খায়।

RS Fahim কে যেখানেই পাবেন গণধো'লাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন- পাটোয়ারী।

আপনারা যতই চিল্লাপাল্লা করেন, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে তারা চীফ প্রসিকিউটর রাখবে না। অসম্ভব। কারন দিনশেষে ক্ষমতাসীন দলটা বিএন
আপনারা যতই চিল্লাপাল্লা করেন, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে তারা চীফ প্রসিকিউটর রাখবে না। অসম্ভব। কারন দিনশেষে ক্ষমতাসীন দলটা বিএনপি। বাট আমাদের হাতে একটা জিনিস আছে, যেইটা করতে পারলে বিএনপিকে এই তাজুল ইস্যুতে মানুষ ৫০ বছর পরও গালি দেবে। সেইটা হইতেসে, আমরা যেভাবে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে যেভাবে স্মরণ করি, সেলিব্রেট করি, স্মৃতিচারণ করি এবং সর্বোপরি- যেভাবে ওসমান ভাইকে পাবলিক কনসেনশাসে জিন্দা রাখি- তাজুল ইসলামের ক্ষেত্রেও আমাদের সেইটা করা উচিত। তাজুল ইসলাম সম্ভবত জুলাই-পরবর্তী সময়ের একমাত্র মানুষ, জুলাইয়ের মর্যাদা রক্ষায় যার কাজ ওসমান ভাইয়ের কাজের চেয়ে বেশি। ফলে আমার ভয় হয়- ওসমান ভাইয়ের সাথে যা করা হইসে, তা তাজুল ইসলামের সাথে করাও অসম্ভব না। সো ইফ ইউ ওয়ান্ট তাজুল ইসলাম অ্যালাইভ অ্যান্ড সেইফ- লেটস সেলিব্রেট হিজ আমেইজিং ওয়ার্ক হি হ্যাজ ডান ফর দা জাস্টিস ফর জুলাই।

রমজানের রহমতের ছায়ায় থাকুক আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ, আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। 🤲
রমজানের রহমতের ছায়ায় থাকুক আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ, আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। 🤲

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির নেতাকর্মীদের ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছে।

বিএনপি সব জঙ্গিদের কৌশলে জামিন দিচ্ছে
বিএনপি সব জঙ্গিদের কৌশলে জামিন দিচ্ছে

লা'শটা লেগুনা চালক নুরে আলমের। যাকে চাঁদা না দেয়ায় পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছে যাত্রাবাড়ীতে।
লা'শটা লেগুনা চালক নুরে আলমের। যাকে চাঁদা না দেয়ায় পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছে যাত্রাবাড়ীতে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর একটা কাজ ভালো লেগেছে। সে প্রতিদিন কি করবে এই একশন প্লান আগের রাতে জানিয়ে দেয় ভোট ও আগেরদিন রাতে করতে চেয়েছিল।পারেনি সেটা ভিন বিষয় এল।

নিয়ে রাখেন স্ক্রিনশট
নিয়ে রাখেন স্ক্রিনশট