fa
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

رفتن به کانال در Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

کانال চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 15 395 مشترک است و جایگاه 3 636 را در دسته سیاست و رتبه 1 476 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 15 395 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 01 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -251 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -20 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 13.78% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.68% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 121 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 567 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 29 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 02 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

15 395
مشترکین
-2024 ساعت
-707 روز
-25130 روز
آرشیو پست ها
গদি লইড়া যাইতাছে রে গদি লইড়া যাইাছে!
গদি লইড়া যাইতাছে রে গদি লইড়া যাইাছে!

সত্য মেনে নিলে বদ হজম হবে।
সত্য মেনে নিলে বদ হজম হবে।

বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা চুপ কেন? কেন এসবের প্রতিবাদ করছেন না? AI এর লোগোটা না হয় খেয়ালই করেননি তবে একটা মানুষের তিনটা হাত!
বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা চুপ কেন? কেন এসবের প্রতিবাদ করছেন না? AI এর লোগোটা না হয় খেয়ালই করেননি তবে একটা মানুষের তিনটা হাত! এটাও কি খেয়াল করেননি? আপোষহীন দেশনেত্রীকে নিয়ে অনেকেই অনেকভাবে হাসাহাসি করতেছে এসবও কি আপনাদের নজরে আসেনি? আমরা কিছু কইলেই তো বলবেন :-মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশী!

আজ যদি ষাঁড় জীবিত থাকতেন!
আজ যদি ষাঁড় জীবিত থাকতেন!

ছবি সুন্দর হয় নাই আরেকটা তুলেন।
ছবি সুন্দর হয় নাই আরেকটা তুলেন।

মগবাজারে একটা ছেলে যে মা'রা গেলো ক'ক'টেল বি'ষ্ফো'রনে সেটার একটা নিউজও নাই। কোনো খবর নাই, অপরাধীর গ্রেফতার নাই, কোনো বিচারও নাই,কিছুই না। এমনকি আপনারাও কিছু বলতেছেন না ছেলেটার নামটা পর্যন্ত অনেকে জানেনা।জানলেও ভিলতে বসেছে। এই দেশে আমররা সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই।কার কাছে বিচার চাইবো আমরা? একমাত্র আল্লাহ যদি বিচার করে।

খেটে নয় চেটে বড় হও।
খেটে নয় চেটে বড় হও।

বেগম খালেদাজিয়া সম্ভব আর নেই! যেহেতু তার পরিবার বেগম খালেদাজিয়ার সাথে দেখা করার যে ফটো সেটি এ আই দিয়ে বানানো এবং দেখা করার নামে মিথ্যাচার করছে! মিথ্যা বানোয়াট ফটো কেন ব্যবহার করবেন জিয়া পরিবারের সন্তান জাইমা রহমান এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেকে মনে করছে নির্বাচন সামনে এই কারনে বেগম খালেদাজিয়াকে লাইফ সাপোর্ট মাধ্যমে রাখা হয়েছে! মূলত্ব তিনি সম্ভবত মৃত্যুবরণ করেছেন। সূত্র: The Dissent

সবার সমান অধিকার যতদিন না এই দেশে প্রতিষ্ঠা হবে, ততদিন এই দেশ থার্ড ক্লাসই থেকে যাবে।
সবার সমান অধিকার যতদিন না এই দেশে প্রতিষ্ঠা হবে, ততদিন এই দেশ থার্ড ক্লাসই থেকে যাবে।

খালেদা জিয়া বলেছিলেন দলে টোকাই না ঢুকাতে। কিন্তু কে শোন কার কথা। টোকাই না ঢুকালে তাদের দলই নিঃশেষ হয়ে যাবে।

তারেকের চোখ কই যায়

Repost from N/a
এইটা করতে পারলি তোরা?
এইটা করতে পারলি তোরা?

প্রথম আলোর অফিসের ছবি দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম "The Times of India" নিউজ করছে, "বাংলাদেশে ৭ হিন্দু বাড়িতে আগুন" শিরোনামে। কি একটা
প্রথম আলোর অফিসের ছবি দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম "The Times of India" নিউজ করছে, "বাংলাদেশে ৭ হিন্দু বাড়িতে আগুন" শিরোনামে। কি একটা অবস্থা এটা কি ইচ্ছা করে জেনেশুনে এই আকাজ করলো The Times of India!! 😕

খালেদা জিয়া কি জীবিত? আপনার কি মনে হয়?
Anonymous voting

১৫ দিন হয়ে গেলো। এনজিও সরকার ব্যস্ত মাওলানাদের ধরতে। . হাদী বলেছিলো: জান দেবো, জুলাই দেবো না। গাদ্দাররা হাদীর জানটাই বিক্রি ক
১৫ দিন হয়ে গেলো। এনজিও সরকার ব্যস্ত মাওলানাদের ধরতে। . হাদী বলেছিলো: জান দেবো, জুলাই দেবো না। গাদ্দাররা হাদীর জানটাই বিক্রি করে দিলো।

আর এনসিপি ইতোমধ্যে খুব বাজেভাবে ফেইল করেছে। এনসিপির মধ্যে অনেকে করাপ্টেড হয়ে গেছে। এদের পরিস্থিতি অনেকটাই ডাকসু নির্বাচনের মতো ঢাকায় বসে বসে রাজনীতি, মাঠে মানুষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এক হাজার বার বলা হয়েছিল মানুষের কাছে যান, কথা বলেন। শোনেননি।

জামায়াত নিয়ে কিছু কথা: জামায়াত এখনো দেশ পরিচালনা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট পলিসি সামনে আনতে পারেনি। বেকারত্ব দূর করার রোডম্যাপ কী? শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ কী? তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা কোথায়? এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর জামায়াত দেয়নি। বরং জামায়াতের পুরো নির্বাচনী কৌশল দাঁড়িয়ে আছে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রচারণার ওপর বিএনপিকে “ভারতের দালাল”, “চাঁদাবাজ” ইত্যাদি ট্যাগ লাগিয়ে নিজেদের জন্য ভোট চাওয়া। কিন্তু প্রশ্ন হলো বিএনপি চাঁদাবাজ হলে জামায়াতের যোগ্যতা কীভাবে তৈরি হয়? উত্তর নেই। ধরে নিলাম বিএনপি ভারতের দালাল তাহলে জামায়াতের ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে? এই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর নেই।

চলে আসুন হাদি চত্বরে... আবারও অবস্থান নেওয়া হয়েছে,শাহবাগ ব্লক...

ডক্টর ইউনূস বলেছেন ভেবে-চিন্তে ভোট দিতে!!! কথাটা শুনতে ভালো, কিন্তু প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের মানুষের সামনে আদৌ কি ভাবনা-চিন্তার কোনো বাস্তব অপশন আছে? আওয়ামী লীগের আলোচনা আলাদা করে করার দরকার নেই। একটি দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে গণহত্যা চালিয়ে যাওয়ার পর তাদের আর ভোটের রাজনীতিতে ফেরার নৈতিক অধিকার থাকে না। আওয়ামী লীগের পরিণতি মুসলিম লীগের মতো হওয়াই উচিত ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ। এখন বাকি থাকে অন্য দলগুলো। জামায়াত এখনো দেশ পরিচালনা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট পলিসি সামনে আনতে পারেনি। বেকারত্ব দূর করার রোডম্যাপ কী? শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ কী? তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা কোথায়? এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর জামায়াত দেয়নি। বরং জামায়াতের পুরো নির্বাচনী কৌশল দাঁড়িয়ে আছে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রচারণার ওপর বিএনপিকে “ভারতের দালাল”, “চাঁদাবাজ” ইত্যাদি ট্যাগ লাগিয়ে নিজেদের জন্য ভোট চাওয়া। কিন্তু প্রশ্ন হলো বিএনপি চাঁদাবাজ হলে জামায়াতের যোগ্যতা কীভাবে তৈরি হয়? উত্তর নেই। ধরে নিলাম বিএনপি ভারতের দালাল তাহলে জামায়াতের ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে? এই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর নেই। এনসিপি ইতোমধ্যে খুব বাজেভাবে ফেইল করেছে। পরিস্থিতি অনেকটাই ডাকসু নির্বাচনের মতো ঢাকায় বসে বসে রাজনীতি, মাঠে মানুষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এক হাজার বার বলা হয়েছিল মানুষের কাছে যান, কথা বলেন। শোনেননি। “মুজিববাদ মুর্দাবাদ” তসবিহ জপে জপে রাজনীতি করলে তার পরিণতি কী হয় এটা তারা ইলেকশনে বুঝবে। এই বাস্তবতায় একমাত্র বিএনপিই এখন পলিসি নিয়ে কথা বলছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি, ছোট ব্যবসা এসব বিষয়ে বিএনপির হোমওয়ার্ক আছে, এটা সত্য। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে তারেক রহমানের পরিকল্পনাগুলো সত্যিই ভালো। একই সঙ্গে আউল-বাউল, সংখ্যালঘু ও সেক্যুলার জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার ব্যাপারেও বিএনপিকে অন্তত আগ্রহী মনে হচ্ছে। কিন্তু বড় সমস্যা হলো চাঁদাবাজি আর লোকাল লেভেলের সন্ত্রাস। তারেক রহমানের বক্তব্য শুনে আশাবাদী হওয়া যায়। সালাহউদ্দীন আহমদের মতো নেতারা যখন ডেইলি স্টার বা প্রথম আলোর সঙ্গে বসে কথা বলেন, তখন মনে হয় হয়তো বিএনপি আমাদের ন্যূনতম গণতন্ত্রটা দিতে পারবে। কিন্তু একই সময়ে যখন জেলা পর্যায়ের নেতারা বলে “ধানের শীষের বিরুদ্ধে কথা বললে জিহ্বা কেটে নেব”, যখন নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ২০০ মানুষ মারা যায়, তখন তারেক রহমানের কথার ওপর ভরসা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। হ্যাঁ, কিছু জায়গায় বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন ভালো হয়েছে। মায়ের ডাকের তুলি আপার মতো ক্যান্ডিডেট নিঃসন্দেহে ভালো চয়েজ। কিন্তু আবার অনেক আসনে প্রকাশ্য মাফিয়ারাও নমিনেশন পেয়েছে। লোকাল লেভেলের চাঁদাবাজি-ধান্দাবাজি তো আছেই। এই বাস্তবতায় even যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে এই সরকার তারা সাসটেইন করতে পারবে কিনা, সেটা নিয়ে বড় প্রশ্ন আছে। তারেক রহমান ভালো কাজ করতে চাইবেন এটা বিশ্বাসযোগ্য। কিন্তু মাফিয়া এমপি আর চাঁদাবাজ নেতারা সাধারণ মানুষকে আবার অতিষ্ঠ করে তুললে পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যাবে। মানুষ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের ওপরই বিরক্ত। নির্বাচনের পর এই বিরক্তি আরও বাড়বে। জুলাই জেনারেশন রাজপথ ছাড়বে না। বরং অজুহাত খুঁজবে রাস্তায় নামার। পান থেকে চুন খসলেই হাজার হাজার তরুণ রাস্তায় নেমে আসবে এই বাস্তবতা এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই। হাদির জানাজায় মানুষের সমুদ্র দেখে এটা পরিষ্কার মানুষের রাগ, ক্ষোভ এখনো জমে আছে। বিএনপির কোনো বুমার নেতার বাজে বক্তব্য, অথবা কোনো মাফিয়া নেতার একটি খুন বা বড় চাঁদাবাজিই সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিতে যথেষ্ট। এটা শুধু বিএনপির জন্য নয় জামায়াতের জন্যও সমানভাবে সত্য। প্রার্থী বাছাই আর পলিসি মেকিংয়ে যদি ভুল হয়, তাহলে জুলাই শুধু আওয়ামী লীগের জন্য না , বরং আগামীর যেকোনো রাজনৈতিক সরকারের জন্যও একটি স্থায়ী দুস্বপ্ন হয়ে ফিরে আসবে।