fa
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

رفتن به کانال در Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

کانال চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 15 495 مشترک است و جایگاه 3 623 را در دسته سیاست و رتبه 1 461 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 15 495 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 20 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -208 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -13 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 11.27% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.76% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 747 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 583 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 33 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 21 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

15 495
مشترکین
-1324 ساعت
-747 روز
-20830 روز
آرشیو پست ها
এগুলা যমুনা নিউজ করবেনা কারণ...
এগুলা যমুনা নিউজ করবেনা কারণ...

আমাদের বোন ডা. মাহমুদা মিতুর উপর বিএনপির নগ্ন হামলার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই দলটি চব্বিশের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪টি ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার সাথে জড়িত। জামায়াতে ইসলামীর নারীদের হেনস্তা করেছে, তাদের ওপর হামলা করেছে এবং নারীদের বিবস্ত্র করার হুমকি দিচ্ছে। দিশেহারা হয়ে এখন জুলাইয়ের নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর উপর হামলা চালিয়েছে। হামলা চালিয়ে পরাজয় ঠেকানো যাবেনা। ইনসাফের বিজয় অনিবার্য ইনশাআল্লাহ। - সাদিক কায়েম

সকলে ঘুমিয়ে পড়েন এখন শুধু গুজব চলবে ৫ আগষ্ট যেভাবে সারাদিন গুজব ছড়ানো হয়েছিল তাই নির্দ্ধিধায় ঘুমিয়ে সকালে ভোট দিতে চলে
সকলে ঘুমিয়ে পড়েন এখন শুধু গুজব চলবে ৫ আগষ্ট যেভাবে সারাদিন গুজব ছড়ানো হয়েছিল তাই নির্দ্ধিধায় ঘুমিয়ে সকালে ভোট দিতে চলে যান। আর অবশ্যই ঋণখেলাপিদের ভোট দিবেন না।

বিএনপির সন্ত্রাসী ক্যাডাররা পঞ্চগড় পৌর-এনসিপির সদস্যসচিবকে হুমকি দিয়ে এইমাত্র ২০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে গিয়েছে!

সকলে ঘুমিয়ে পড়েন এখন শুধু গুজব চলবে ৫ আগষ্ট যেভাবে সারাদিন গুজব ছড়ানো হয়েছিল তাই নির্দ্ধিধায় ঘুমিয়ে সকালে ভোট দিতে চলে
সকলে ঘুমিয়ে পড়েন এখন শুধু গুজব চলবে ৫ আগষ্ট যেভাবে সারাদিন গুজব ছড়ানো হয়েছিল তাই নির্দ্ধিধায় ঘুমিয়ে সকালে ভোট দিতে চলে যান। আর অবশ্যই ঋণখেলাপিদের ভোট দিবেন না।

ভোট চুরির বড় বড় সব পেমেন্ট হচ্ছে বিটকয়েনে! ~ শাওন

নিউজ না দেখে কালকে নির্দ্ধিধায় ভোট দিতে চলে যান ১.৫ বছরে তো দেখলেন কোন দল কী করেছে সো সেই হিসেবে ভোট দিয়ে আসেন! ঋণখেলাপি দ্বৈত নাগরিক চাঁদাবাজদের ভোট দিবেন না।

প্রতিটি মিডিয়া আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দালালি করলেও ০৫ই আগস্ট ছাত্রজনতার জয় হয়েছিল। প্রত্যেকেই আমরা একেকজন মিডিয়া হয়ে উঠেছিলাম। লন্ডন থেকে খাম্বা তারেক এসে প্রতিটা মিডিয়াকে তার আয়ত্বে নিয়ে নিতে পারলেও জুলাই বিপ্লবীরা সজাগ আছে এখনো। ভোট ডাকাতি করতে গেলে হাত কেটে রেখে দিবে। সুতরাং সাবধান ভোট ডাকাতেরা।

গুলশান-১ এ মানারত ও মডেল স্কুলে বিএনপি'র ৬০/৭০ জন নেতা কর্মী প্রবেশ করে কেন্দ্র দখল করেছে ৩০ মিনিট আগে।
গুলশান-১ এ মানারত ও মডেল স্কুলে বিএনপি'র ৬০/৭০ জন নেতা কর্মী প্রবেশ করে কেন্দ্র দখল করেছে ৩০ মিনিট আগে।

২০২৬ এর নব্য রাজাকার সমস্ত নিউজ মিডিয়া

বিএনপি কর্মী দ্বারা ধানের শীষে টিক দেওয়া ব্যালট কে জামাত বলে চালিয়ে দিল যমুনা।
বিএনপি কর্মী দ্বারা ধানের শীষে টিক দেওয়া ব্যালট কে জামাত বলে চালিয়ে দিল যমুনা।

গুজব থেকে বেঁচে থাকুন
গুজব থেকে বেঁচে থাকুন

প্রতিটা মিডিয়া কিভাবে গুজব ছড়াচ্ছে দেখুন: পোলিং এজেন্টরা তাদের কার্ড নিতে কেন্দ্রে আসে। সেসময় অভিযোগ ওঠে যে তারা ভোট দেওয়ার আ
প্রতিটা মিডিয়া কিভাবে গুজব ছড়াচ্ছে দেখুন: পোলিং এজেন্টরা তাদের কার্ড নিতে কেন্দ্রে আসে। সেসময় অভিযোগ ওঠে যে তারা ভোট দেওয়ার আঙিনায় প্রবেশ করে। এরপর সেনাবাহিনী এসে সব ভোটের সরঞ্জাম পরীক্ষা করে দেখে যে সব ঠিকঠাক আছে। এইটুকুই। কিন্তু মানবজমিন ক্যাপশনে কি লিখেছ দেখেন। মানুষ তো আর ভিডিওটা দেখবে না। ক্যাপশন পড়েই সে ধরে নিবে যে মানবজমিনের মিথ্যাটাই সত্য।

ঢাকা-১৫ আসনে রাতে ভোট শেষ। পীরেরবাগ ভিক্টোরিয়া স্কুলের কেন্দ্রে ভোট মারার সময় ২জন আটক

আমাদের দেশের প্রশাসন,মিডিয়া সব টাকার কাছে বিক্রিত। জুলাই যেন ব্যর্থ না হয় ই মাবুদ।

ভোট চুরি রুখে দাও বাংলাদেশ
ভোট চুরি রুখে দাও বাংলাদেশ

ভোট সমাচার: বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় থাকলেই তিনি ভোট দিতে পারবেন, এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড সঙ্গে না থাকলেও। অর্থাৎ ভোটাধিকার প্রয়োগে এনআইডি কার্ড বাধ্যতামূলক নয়। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই সাথে অনুষ্ঠিত হওয়ায় দুটি ব্যালটেই একই সাথে ভোট দিতে হবে। সংসদ নির্বাচনের জন্য যে ব্যালট থাকবে সেটি হবে সাদাকালো আর গণভোটের ব্যালট পেপার হবে গোলাপি রংয়ের। ব্যালট পেপারের পেছনে অবশ্যই অফিশিয়াল সিল এবং প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না দেখে নেবেন। সঠিক স্থানে সিল: ব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থী ও একপাশে মার্কা। সিল দিতে হবে মার্কার ওপরে। ( সঠিক উপায়ে ব্যালট ভাঁজ: সিল দেওয়ার পরে ব্যালট পেপারটি ভাঁজ করার পালা। এসময় প্রথমে কাগজটি একবার লম্বালম্বি ভাঁজ দেবেন, তারপর ওপর দিকে। তা না করলে, ব্যালট ভাঁজ করার সময় সিলের কালি ওপর পাশের মার্কায় লেগে যেতে পারে। এক্ষেত্রেও আপনার ভোটটি বাতিল হতে পারে, কারণ তখন একাধিক প্রার্থীর মার্কার ওপর সিলের দাগ দেখা যাবে।) ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি আপনার ব্যালট পেপারটি ছিঁড়ে যায়, তাহলেও বাতিল হবে আপনার ভোট। ধারণা করা হচ্ছে, অনানুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পেতে শুক্রবার দুপুর কিংবা বিকেল হয়ে যেতে পারে। ফলাফল নিয়ে আপত্তি না থাকলে, যাচাই বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। সেটাই আনুষ্ঠানিক সরকারি ফলাফল। এটা আসতে আসতে শনিবার বা রোববার পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেতে যাচ্ছে ১ হাজার ১২০ জন হিজড়া। ব্যালট পেপার নিয়ে আপনি ভোটদানের জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যাবেন। ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং আপনার ভোটটি যেন বাতিল না হয়, সে জন্য ব্যালট ভাঁজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিল মারার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করুন যেন সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ।

যমুনা এইটা নিউজ করছে?
যমুনা এইটা নিউজ করছে?

কাল শুধুই প্রতিরোধ হবে
কাল শুধুই প্রতিরোধ হবে