fa
Feedback
Pathway To Noor

Pathway To Noor

رفتن به کانال در Telegram

আস-সালামু 'আলাইকুম ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️ FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor WP: https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n

نمایش بیشتر
3 258
مشترکین
-424 ساعت
-147 روز
-4030 روز
آرشیو پست ها
হঠাৎ মৃত্যু সত্যিই ভীতিকর। তওবা করার কোনো সুযোগ নেই, ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার কোনো সময় নেই—এক মুহূর্তেই সবকিছু শেষ হয়ে যেতে পারে। হে আল্লাহ! এমন অবস্থায় আমাদের মৃত্যু থেকে হেফাজত করুন, যে অবস্থায় আপনি আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট। আমিন। তাই আমাদের প্রতিটি সালাত এমনভাবে আদায় করা উচিত, যেন এটিই আমাদের জীবনের শেষ সালাত। পূর্ণ একাগ্রতা, আন্তরিকতা ও সর্বোচ্চ খুশু-খুযূ নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো উচিত। কে জানে, হয়তো এই সালাতের পর আর কোনো সালাতের সুযোগ আমাদের হবে না। হে আল্লাহ! আমাদের ঈমানের সঙ্গে জীবন শেষ করার তাওফিক দিন এবং আমাদের পরিণতি সুন্দর করুন। আমিন ইয়া রব্বুল আলামিন। —সংগৃহিত @PathwayToNoor

Repost from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
✅ সূরা আল-কাহফ পাঠ করা নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ 🤍 ✅ অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ [“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”] ✅ বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ [“আস্তাগফিরুল্লা-হ”] ✅ আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!! সবাই দোয়া রাখবেন 🌝 @PathwayToNoor ✅ ‌‌

_*যারা বদ নজর,কালো জাদুতে আক্রান্ত আল্লাহর উপর ভরসা করে আমল টা করে দেখবেন ইন শা আল্লাহ🌹*_ > Vdo collected..... @PathwayToNoor

দেখো, একটি কথা মনে রেখো তাড়াহুড়ো শয়তানের কাজ। তাই ধীরে ধীরে শুরু করো এবং নিজেকে কোমলভাবে পরিবর্তন করতে শেখো। কারণ সুন্দর পরিবর্তন একদিনে আসে না। এটি ধীরে ধীরে হৃদয়ে প্রবেশ করে, তারপর অভ্যাসে পরিণত হয় এবং একসময় জীবনের অংশ হয়ে যায়। পর্দার বিষয়টিও ঠিক এমনই। এই পর্যায়ে এসে কিছু নারী ভাবেন— “যতদিন আমি সম্পূর্ণ পর্দা করতে না পারব, ততদিন শুরুই করব না।” দেখো, এই চিন্তাটিই তোমাকে আটকে রাখে। এই চিন্তা তোমাকে সামনে এগিয়ে যেতে দেয় না। তাই একটি কথা সবসময়ের জন্য মনে গেঁথে রাখো— আল্লাহর কাছে তোমার ছোট কিন্তু আন্তরিক পদক্ষেপ বেশি প্রিয়, এর চেয়ে যে তুমি ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ হওয়ার অপেক্ষায় থেকে কোনো পদক্ষেপই নেবে না। তাই সাহস হারিয়ো না। তুমি দুর্বল নও। —সংগৃহিত @PathwayToNoor

শায়খ আহমাদুল্লাহ একবার বলেছিলেন— আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রোজেক্ট হলো আমার সন্তান। ওদেরকে সময় দেওয়ার পর যদি আমার সময় থাকে, তাহলে আমি অন্য কিছু করবো। আর যদি সময় না থাকে, তাহলে কিছুই করবো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা বাবা-মায়ের এখন নিজের সন্তানকে নিয়ে এইভাবেই ভাবা উচিত। এবং সন্তানকে নিয়ে প্রতিটা বিষয়ে উঠতে বসতে আল্লাহর সাহায্য চেয়ে দুয়া করা উচিত। —সংগৃহিত @PathwayToNoor

শায়খ আহমাদুল্লাহ একবার বলেছিলেন— আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রোজেক্ট হলো আমার সন্তান। ওদেরকে সময় দেওয়ার পর যদি আমার সময় থাকে, তাহলে আমি অন্য কিছু করবো। আর যদি সময় না থাকে, তাহলে কিছুই করবো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা বাবা-মায়ের এখন নিজের সন্তানকে নিয়ে এইভাবেই ভাবা উচিত। এবং সন্তানকে নিয়ে প্রতিটা বিষয়ে উঠতে বসতে আল্লাহর সাহায্য চেয়ে দুয়া করা উচিত। —সংগৃহিত

সবসময় আল্লাহর প্রতি ভালো ধারণা রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আপনি যদি কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে থাকেন, বলুন— “আমার আল্লাহ সহজতা এনে দেবেন।” আপনি যদি মানসিক চাপে থাকেন, বলুন— “আমার আল্লাহ পথ দেখিয়ে দেবেন।” আপনি যদি দুশ্চিন্তায় থাকেন, বলুন— “আমার আল্লাহ সাহায্য পাঠাবেন।” আপনার কাছে যদি কোনো কিছু অসম্ভব মনে হয়, বলুন— “আমার আল্লাহ এটাকেও সম্ভব করে দেবেন।” আপনার ওপর যদি কোনো দুঃখ নেমে আসে, বলুন— “আমার আল্লাহ আমাকে ধৈর্য দান করবেন।” যদি মনে হয় সবকিছুই ভুল পথে যাচ্ছে, তবুও বলুন— “আমার আল্লাহ সবকিছু ঠিক করে দেবেন।” এগুলো শুধু কিছু কথা নয়। এগুলো হলো আল্লাহর প্রতি দৃঢ় ঈমান। এগুলো হলো— আল্লাহ সম্পর্কে সর্বোত্তম ধারণা রাখা। —সংগৃহিত @PathwayToNoor

বান্দা যখন হাত তুলে... 🤲😭 ভিক্ষুকের মতো, নিঃস্বের মতো, কাঁদতে কাঁদতে কিছু চায়... ওই হাত খালি ফিরিয়ে দিতে— আল্লাহর লজ্জা লাগে! 😭🤲 হ্যাঁ, আল্লাহ লজ্জা পান! তাই ভিক্ষুকের মতো চাও... মন খুলে চাও... কাঁদতে কাঁদতে চাও... 🤲 কারণ, তুমি যখন দু’হাত তুলে তাঁর কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করো, তখন তোমার রব তোমার কান্না ও দোয়া অবহেলা করেন না। ❤️ একবার হাত তুলে দেখুন তো... চোখের পানি ছেড়ে শুধু বলুন— “আল্লাহ... আমি ছাড়া তোমার কোটি কোটি বান্দা আছে, কিন্তু তুমি ছাড়া আমার কেউ নেই।” 🤲😭 হয়তো মানুষ আপনার কষ্ট বুঝবে না, হয়তো কেউ আপনার কান্না দেখবে না— কিন্তু আল্লাহ দেখেন, আল্লাহ শোনেন। 🤍 তাই আজ রাতেই একবার নিরবে হাত তুলে তাঁর কাছে চেয়ে দেখুন... 🤲 আপনাদের দোয়ায় আমাকে একটু রাখবেন। আল্লাহ যেন আমার সহায় হন, আমার সব কঠিন বিষয় সহজ করে দেন এবং আমাকে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত না করেন। 🤲😭 Collected @PathwayToNoor

*সবচেয়ে ভয়ংকর গোপন শিরক*! রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন– “দাজ্জালের চেয়েও যে বিষয়ে আমি তোমাদের জন্য বেশি ভয় করি, তা কি তোমাদের বলবো না?” সাহাবীগণ বললেন, “জি, বলুন।” তিনি বললেন, “তা হলো গোপন শিরক (রিয়া)। যখন কেউ সালাতে দাঁড়ায়, আর দেখে মানুষ তার দিকে তাকিয়ে আছে– তখন সে তার সালাতকে আরও সুন্দর করে।” – (সুনান ইবনু মাজাহ: ৪২০৪) *রিয়া মানে কি*? রিয়া হলো "লোক দেখানো ইবাদত"। মানুষ আমাকে ভালো বলবে, নামাজী বলবে এই নিয়তে ইবাদত করলে সেটার সওয়াব নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য একে "গোপন শিরক" বলা হয়েছে। আল্লাহুম্মাগফিরলী🥹 © @PathwayToNoor

Repost from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
✅ সূরা আল-কাহফ পাঠ করা নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ 🤍 ✅ অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ [“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”] ✅ বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ [“আস্তাগফিরুল্লা-হ”] ✅ আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!! সবাই দোয়া রাখবেন 🌝 @PathwayToNoor ✅ ‌‌

বিবাহ নিয়া ফ্যান্টাসি আর এক্সপেকটেশন, এসব থেকে বের হয়ে আসুন! . মেয়েরা পুতুল খেলতে খেলতে বড় হয়, মা-বাবারা রাজকন্যা বলে ডাকে, মা, খাদিমা আর ভাবিরা মিলে সংসারের কাজ করে, মেয়েরা নিজেদের মত থাকে, সংসারের কাজ বলতে রামাদানে শরবত বানানো, ঈদে সেমাই পায়েশ বানানো এতটুকুই। খুব কম পরিবারের মেয়েরা সংসারের কাজ করে। বেশির ভাগই কাজ না জানা। . এইসব রাজকন্যাদের কোনো আইডিয়া থাকে না সাংসারিক জীবনের বাস্তবতা নিয়ে। তারা এক ফ্যান্টাসিতে ভোগে। বিয়ে মানে স্বামীর সাথে অনেক রোমান্স, ঘোরাফেরা, খাওয়া-দাওয়া, কিউট কিউট বাচ্চার মা হওয়া ইত্যাদি। . অপর দিকে ছেলেরা এমন ফ্যান্টাসিতে মেয়েদের মত ভোগে না, ছেলেদের বিয়ে নিয়ে যে লাফালাফি, তা বিয়ের ১/২ সপ্তাহ পরেই নিভে যায়। . বিপাকে পড়ে মেয়েরা, সংসারের দায়িত্ব কাঁধেচাপে, পরিবারের নানান মানুষের নানান ধরনের কথাবার্তা, খোঁচাখুঁচি, কাজ আর রান্না নিয়ে দোষ ধরা এইসবে হিকমা খাটায়ে ম্যানেজ করতে পারে না, স্বামীর ইনকাম কম থাকলে বা না থাকলে, অল্প খরচে চলতে কষ্ট হয়। নিজের রিজিক, তাকদিরের কথা খেয়ালে আসে না। অভাবে সবর আসে না। স্বামী যদি চরিত্রহীন হয় বা দ্বীনের ব্যপারে গাফেল হয় তো তাকে কিভাবে ফিরিয়ে আনতে হবে সেই হিকমা জানা থাকে না। অতঃপর চারপাশের অশান্তিতে জর্জরিত হয়ে ভিতর থেকে মেয়েটা মরে যায়। কী ভেবেছি, কী চেয়েছি আর কী পেয়েছি! . বিশ্বাস করো বোন, এই সংসার জীবন অনেক কষ্টের। ফ্যান্টাসি আর এক্সপেকটেশনে না ভুগে বরং এই বিষয়ে পড়াশোনা করা শুরু করো। মানুষের জীবনের গল্প পড়ো, তারবিয়াত নিয়া পড়ো, বিবাহিত জীবন নিয়ে অনেক ভাল ভাল কিতাব আছে সেসব পড়ো, আশেপাশে তাকিয়ে অন্যদের সংসার দেখো, শিখো, বুঝো, নিজেকে ম্যাচুয়ার বানাও। মানুষের জীবনের গল্প তোমাকে যতটা না বাস্তবতা সম্পর্কে জানাবে, আর কোনো কিছুর মাধ্যমে তুমি ততটা জানতে পারবে না। . এই সংসারটা তোমার রাজ্য, সেই রাজ্যের রাণী তুমি। তুমি যদি রাজ্য পরিচালনা করতে না শেখো, তবে কীভাবে হবে? . সংসারের প্রতিটা কাজ শেখো নিপুণভাবে, মজাদার রান্না করা শেখো, আখলাককে উত্তম করো এতটাই যেন কেউ তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করতে বা দোষ ধরতে সংকোচবোধ করে, বাচ্চাদের তারবিয়াত শেখো যেন একজন আদর্শ ও উত্তম মা হতে পারো, স্বামীর জন্য একজন পরম বন্ধু হও যেন সে তোমার মাঝেই তার সকল সুখ-দুঃখের আশ্রয় খুঁজে পায়, এমন ব্যক্তিত্ব বজায়ে চলো যেন স্বামীর যে কোনো ভুল হিকমার সাথে ধরে দিতে পারো ও সেই ভুল থেকে ফিরিয়ে আনতে পারো। . বাস্তবতা সম্পর্কে অজানা মেয়েরা প্রচণ্ড ধাক্কা খায়। আর জানা মেয়েরা সংসারে সুখি না হলেও অন্তত জানে কীভাবে চেষ্টা করলে সব সুন্দর হবে। তারা চেষ্টা করতে পারে। . বর্তমানে সংসারের বাস্তবতা জানা একটা মেয়ে পাওয়া যেমন দুর্লভ ঠিক তেমনই উত্তম চরিত্রের অধিকারী, হক আদায়কারী, ইনসাফকারী, তাকওয়াবান একটা ছেলে পাওয়াও দুর্লভ। বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়া এডিক্টেড, রিজিকের তালাশে অলসতা, নামাজে গাফলতি, স্ত্রীর প্রতি উদাসীন, বাজে কাজে এডিক্টেড, পরকিয়ায় লিপ্ত এমন। - Thoughts of Believers collected @PathwayToNoor

*দোয়া কবুল হতে দেরি হচ্ছে?* হয়তো আল্লাহ আপনাকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন না, হয়তো তিনি শুধু বলছেন— “আর একটু অপেক্ষা করো, তোমার জন্য এর চেয়েও উত্তম কিছু রেখেছি।” 🤍 আপনি যে জিনিসটা খুব করে চাইছেন, তা হয়তো আপনার জন্য ভালো নয়। আর আপনি যেটাকে হারানো ভাবছেন, হয়তো সেটাই আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য রহমত। তাই দোয়া করতে থাকুন... কাঁদতে থাকুন... আশা ছাড়বেন না। 🥹🤲 আল্লাহ দেরি করেন, কিন্তু ভুল করেন না। আপনার রব জানেন— কখন, কীভাবে এবং কোনটা আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো। 🌸 “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” — সূরা আল-বাকারা: ১৫৩ Collected @PathwayToNoor

⚪ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নাম কেন ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা? আপনি কি কখনো ভেবেছেন, কেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নাম ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা রাখা হয়েছে? এই নামগুলো দিনের নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিটি নামাজ আমাদের ব্যস্ত জীবনে আল্লাহকে স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। ▫️ ফজর — ভোরের নামাজ। রাতের অন্ধকার শেষে যখন দিনের আলো ফুটতে শুরু করে, তখন আল্লাহর স্মরণ দিয়ে দিন শুরু করার আহ্বান। ▫️ যোহর — দুপুরের নামাজ। দিনের ব্যস্ততার মাঝেও কাজ থামিয়ে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করার সময়। ▫️ আসর — বিকেলের নামাজ। দিনের শেষভাগে এসে নিজের সময় ও জীবনের কথা স্মরণ করার সুযোগ। ▫️ মাগরিব — সূর্যাস্তের পরের নামাজ। একটি দিন শেষ হওয়ার সময় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার সুযোগ। ▫️ ইশা — রাতের নামাজ। দিনের কাজ শেষ করে আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর ওপর ভরসার মাধ্যমে রাত শুরু করার সময়। 📖 পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আল্লাহর নির্দেশে। আল্লাহ বলেন: “নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।” 📚 সূত্র: ▫️ সূরা আন-নিসা, ৪:১০৩ ⚪ পাঁচটি নাম। পাঁচটি নির্ধারিত সময়। পাঁচবার আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সুযোগ। সালাত কোনো বোঝা নয়; বরং এটি আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক দৃঢ় করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদত। দিনের ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা ও ক্লান্তির মাঝেও নামাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমরা একা নই; আমাদের একজন প্রতিপালক আছেন, যাঁর কাছে আমরা ফিরে যাব। পরকালের প্রস্তুতি Collected @PathwayToNoor

হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর খেলাফতকালের ঘটনা। এক যুবক ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার। মসজিদে ইবাদত আর বাড়িতে বৃদ্ধ বাবার সেবা - এই ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। আমিরুল মুমিনিন হযরত উমর (রা.) নিজেও এই ইবাদতগুজার যুবককে খুব স্নেহ করতেন। প্রতিদিন বাবার কাছে যাওয়ার পথে এক নারী তাকে গুনাহের দিকে প্ররোচিত করত। একদিন শয়তানের ধোঁকায় পড়ে যুবকটি সেই নারীর ঘরের দিকে পা বাড়ালেন। কিন্তু দরজায় পা রাখতেই ঘটল এক অদ্ভুত ঘটনা! হঠাৎ তার অন্তরে তীব্রভাবে আল্লাহর ভয় জেগে উঠল। তার হৃদয় কেঁপে উঠল পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত মনে পড়ে, "যারা আল্লাহকে ভয় করে, শয়তান যখনই তাদের কু-মন্ত্রণা দেয়, তখনই তারা আল্লাহকে স্মরণ করে এবং সাথে সাথেই তাদের চোখ খুলে যায়।" (সূরা আরাফ: ২০১) আয়াতটি মনে পড়ার সাথে সাথে আল্লাহর ভয়ে যুবকটি জ্ঞান হারিয়ে ওই দরজার সামনেই লুটিয়ে পড়লেন। আশেপাশের লোকেরা তাকে উদ্ধার করে তার বৃদ্ধ বাবার কাছে পৌঁছে দিল। গভীর রাতে যখন জ্ঞান ফিরল, বাবা উদ্বিগ্ন হয়ে জানতে চাইলেন, "কী হয়েছিল তোমার?" যুবকটি কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে পুরো ঘটনা খুলে বললেন। বাবা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "বাবা, কোন আয়াতটি পড়ে তুমি বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিলে?" যুবকটি পুনরায় সেই আয়াতটি তেলাওয়াত করতে শুরু করলেন। কিন্তু এবার আর আয়াত শেষ করতে পারলেন না। রবের ভয়ে তার অন্তর এতটাই কেঁপে উঠেছিল যে, আয়াতটি পড়তে পড়তেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন! রাতেই তাকে দাফন করা হলো। পরদিন সকালে খলিফা হযরত উমর (রা.) এই হৃদয়বিদারক খবর পেয়ে ছুটে গেলেন সেই যুবকের কবরের পাশে। তিনি কবরের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন, "হে যুবক! আল্লাহ তো কোরআনে ওয়াদা করেছেন, 'যে ব্যক্তি তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার জন্য রয়েছে দুটি জান্নাত।' (সূরা আর-রহমান: ৪৬)" ঠিক তখনই উপস্থিত সবাইকে হতবাক করে দিয়ে কবর থেকে স্পষ্ট একটি আওয়াজ ভেসে এল, "আমার দয়াময় রব আমাকে সেই দুটি জান্নাতই দান করেছেন!" সুবহানাল্লাহ! আজ আমাদের চারপাশে গুনাহের কত সহজ সুযোগ ছড়িয়ে আছে! চাইলেই চোখের গুনাহ, হাতের গুনাহ করা যায়। কিন্তু গুনাহ করার শত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু রবের ভয়ে নিজেকে ফিরিয়ে নেওয়ার নামই হলো প্রকৃত বীরত্ব। যারা আল্লাহকে ভয় পায়, আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাত - উভয় জগতেই তাদের এভাবেই সম্মানিত করেন। আল্লাহ আমাদেরকে আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন Salman Farsi তথ্যসূত্র: তারিখে দিমাশক - ইবনে আসাকির রহ. Collected @PathwayToNoor

*দোয়া কবুলের সময় চলছে..!* বান্দা যখন হাত তুলে... 🤲😭 ভিক্ষুকের মতো, নিঃস্বের মতো, কাঁদতে কাঁদতে কিছু চায়... ওই হাত খালি ফিরিয়ে দিতে— আল্লাহর লজ্জা লাগে! 😭🤲 হ্যাঁ, আল্লাহ লজ্জা পান! তাই ভিক্ষুকের মতো চাও... মন খুলে চাও... কাঁদতে কাঁদতে চাও... 🤲 কারণ, তুমি যখন দু’হাত তুলে তাঁর কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করো, তখন তোমার রব তোমার কান্না ও দোয়া অবহেলা করেন না। ❤️ একবার হাত তুলে দেখুন তো... চোখের পানি ছেড়ে শুধু বলুন— “আল্লাহ... আমি ছাড়া তোমার কোটি কোটি বান্দা আছে, কিন্তু তুমি ছাড়া আমার কেউ নেই।” 🤲😭 হয়তো মানুষ আপনার কষ্ট বুঝবে না, হয়তো কেউ আপনার কান্না দেখবে না— কিন্তু আল্লাহ দেখেন, আল্লাহ শোনেন। 🤍 তাই আজ রাতেই একবার নিরবে হাত তুলে তাঁর কাছে চেয়ে দেখুন... 🤲 আপনাদের দোয়ায় আমাকে একটু রাখবেন। আল্লাহ যেন আমার সহায় হন, আমার সব কঠিন বিষয় সহজ করে দেন এবং আমাকে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত না করেন। 🤲😭

সকালের জিকিরে আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু নিহিত আছে। অলসতা থেকে মুক্তি, হতাশা ও উৎকণ্ঠা থেকে প্রশান্তি, দৃশ্য-অদৃশ্য সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা কিংবা বিপদ থেকে হেফাজত, সবকিছুই এই জিকিরগুলোতে আছে। আপনি একটু ভাবুন, এই আজকার আপনার দৈনন্দিন জীবনে কতটা প্রয়োজন। আপনি যখন এত চমৎকার জিকির ও দু'আর মাধ্যমে দিনটাকে শুরু করছেন, যখন এসব জিকিরে নিজের নিরাপত্তা, প্রশান্তি ও প্রোডাক্টিভিটি– সকল কিছুই একসাথে চেয়ে নিচ্ছেন, তখন এর চেয়ে উত্তম সূচনা আর কী হতে পারে? এজন্যই সকালের জিকির আপনার অটল দুর্গ, আপনার দিনের নিরাপদ সূচনা। [বই : মর্নিং মেসেজ] Sirah @PathwayToNoor

প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?! দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।” পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন? মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর? যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে। পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ। কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না! মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে? তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়... যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে! কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই। পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই। পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল। যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল: هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟! “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল! হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।” এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে। পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো। অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই। পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি। এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 💝 ~ আরবি থেকে অনূদিত (সংগৃহীত) @PathwayToNoor

ইস্তেগফারের ফজিলত🍂 ১. গুনাহ মাফ হয়ে যায়। ২. এর মাধ্যমে বালামুসিবত দূর হয়। ৩. রিজিক প্রশস্ত হয়। ৪. পরিবারে শান্তি আসে। ৫. শরীরে ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়। ৬. হৃদয় স্বচ্ছ ও নির্মল হয়। ৭. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়। ৮. চিন্তা-পেরেশানি দূর হয়। ৯. রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হয়। ১০. সুসন্তান লাভ হয়। ১১. নদী-নালা প্রবাহিত হয়। ১২. সম্মানিতদের সম্মান বৃদ্ধি হয়। ১৩. আজাব-গজব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ১৪. মুস্তজাবুদ দাওয়ার গুন অর্জন হয়।(অর্থাৎ, ইস্তেগফার পাঠকারী এমন হয়ে যাবেন, যখন তিনি কোনো দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করবেন।) ১৫. পরকালে জান্নাত লাভ হয়। [ সূরা হুদঃ ৫২, সূরা আনফালঃ ৩৩, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাই, সূরা নূহঃ ১০-১২, সূরা হুদঃ ৩ ] Collected @PathwayToNoor

Repost from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
✅ সূরা আল-কাহফ পাঠ করা নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ 🤍 ✅ অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ [“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”] ✅ বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ [“আস্তাগফিরুল্লা-হ”] ✅ আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!! সবাই দোয়া রাখবেন 🌝 @PathwayToNoor ✅ ‌‌

২ বছরে ১ কোটি বার দরুদে ইব্রাহিম ও অন্য ছোট দরুদ পাঠকারী বোন এর সাথে যা হয়েছিল- ২০২৪ সাল থেকে দরুদে ইব্রাহিম তার জীবনের নিয়মিত অংশ হয়ে দাঁড়ায়। প্রথমে তিনি প্রতিদিন ১,০০০ বার দরুদ পড়তে চেষ্টা করতেন, যা শুরুতে তার জন্য কিছুটা কঠিন ছিল।এখন তিনি প্রতিদিন ছোট বড় মিলিয়ে ২০ হাজার বার পাঠ করেন ~ ১)তিনি দয়াল নবিজী রাসুলুল্লাহ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যিয়ারত পেয়েছেন বার বার। ২)প্রায় এক বছর আগে পরিবারে একটি জটিল সমস্যা ও তার এক কাজিনের সম্বন্ধের বিষয় নিয়ে বিপত্তি দেখা দেয়। তখন তিনি বিশেষ নিয়ত করে পড়া শুরু করেন।কাজিন কে যে পরিবার বিবাহ এর জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল সে পরিবার লোভী ছিল যা তার স্বপ্নে প্রকাশ পায়। ৩)তিনি সত্য স্বপ্ন দেখেন অর্থাৎ কোনো স্বপ্ন দেখলে বাস্তবে ঘটে পরবর্তীতে। ৪)দরুদ পড়ার বরকতে আল্লাহ তাআলা স্বপ্নের মাধ্যমে তাকে সংশ্লিষ্ট মানুষের আসল রূপ ও উদ্দেশ্য ফুটিয়ে তুলতে শুরু করেন।অর্থাৎ কোনো মানুষ কি উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছে তার কাছে তিনি তা বুঝতে পারেন আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতায়।অর্থাৎ অধিক পরিমাণে দরুদ পড়ার ফলে তার অন্তর্দৃষ্টি এমন হয়েছে যে কে প্রতারণা করছে বা কার নিয়ত খারাপ, তা তিনি আগে থেকেই বুঝতে পারতেন। ৫) তার সমস্ত দোয়া কবুল হয়,এমনকি মনের মাঝে থাকা এমন ইচ্ছা যার জন্য দোয়া ও করতে হয়নি। তাঁর সাথে আরো অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে যা তিনি প্রকাশ করেননি। তিনি ফজর থেকে শুরু করে দুপুর এবং এশা ও তাহাজ্জুদ পর্যন্ত তার একটানা দরুদ পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলেন। বর্তমানে তিনি ছোট ও বড় দরুদ শরীফ মিলিয়ে প্রতিদিন ২০,০০০ থেকে শুরু করে কখনো কখনো ৬০,০০০ পর্যন্ত দরুদ শরীফ পাঠ করেন। তিনি তাঁর মায়ের কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। (কাফিলা এ দরুদে পাক থেকে) সংগৃহীত @PathwayToNoor