The Success Booth
رفتن به کانال در Telegram
254
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
বাঙালি যখন হেলিকপ্টার বানায়, আমি তখন খুবই আগ্রহ নিয়ে ব্যাপারটা দেখি।
প্রথম হেলিকপ্টার বানাতে দেখি বছর দশেক আগে। খুলনা বা বাগেরহাট বা অন্য কোনো প্রত্যন্ত এক গ্রামে, এক কিশোর হেলিকপ্টার বানিয়েছেন। সেটা নিয়ে লোকাল মিডিয়ায় তখন সাংঘাতিক হৈ চৈ। একটা টেম্পুর মাথায় সিলিং ফ্যান উল্টা করে লাগানো হয়েছে। সুইচ দিলে সেই সিলিং ফ্যান ঘুরছে। টেম্পুর গায়ে লাগানো হয়েছে বাংলাদেশ বিমানের লোগো। লোগোর পাশে পরিষ্কার লেখা : বাংলাদেশ হেলিকপ্টার, মেকার: হানিফ।
হাজার হাজার মানুষ সেটা দেখতে এসেছে। সাংবাদিকরা আবেগঘন গলায় সেই হেলিক্পটারের বর্ণনা দিচ্ছে। ফেসবুকে সেই ভিডিও শেয়ার দিচ্ছেন লাখ খানেক মানুষ। সবার কথা একটাই, বাঙালি আসলে মেধাবী। শুধু বাংলাদেশে জন্মানোর কারণে তার মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। ইউরোপ আমেরিকা হলে এই বাঙালি ফাটিয়ে দিতো।
সর্বশেষ হেলিকপ্টার বানানো দেখলাম দিন তিনেক আগে। স্টিলের রড দিয়ে হেলিকপ্টারের মতো একটা বডি বানানো হয়েছে। মাথার উপর দুই ব্লেডের পাখা। হেলিকপ্টারের মেকার নিজেই পাইলটের সিটে বসে সুইচ দিয়ে পাখা চালু করলেন। হাজার হাজার মানুষ হাততালি দিলো। সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলেন, হেলিকপ্টারে বসার সিট একটা কেন?
পাইলট কাম হেলিকপ্টার মেকার উত্তর দিলেন, টাকার অভাবে একটা সিট রাখছি। সরকারি সাহায্য পেলে দশ সিট বসাতে পারবো।
ভিডিওতে হাজারো বাঙালির কমেন্ট, ইউরোপ আমেরিকা হলে ... শুধু বাংলাদেশ বলে আমরা আগাতে পারছি না ...
তবে এবার নতুন ধরণের কিছু কমেন্ট চোখে পড়লো। একজন লিখেছে, প্রায়ই দেখি আপনারা হেলিকপ্টার বানান। কিন্তু এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান? বিষয়টা কী?
আসল প্রশ্ন এটাই। হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান। দেখতে হেলিকপ্টারের মতো, উপরে পাখাও ঘুরে, বডির গায়ে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা হেলিকপ্টার। তবুও কেন এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ???
বাংলাদেশে যখন কেউ সংস্কারের কথা বলে, তখন আমার এইসব হেলিকপ্টারের কথা মনে পড়ে।
সংস্কারের কথা প্রথম জোরেশোরে শুনি এক এগারোর সময়। দেশে ব্যাপক সংস্কার আনা হবে। বিচার বিভাগ পৃথক হবে। স্বাধীন জুডিশিয়াল হবে। হ্যান হবে, ত্যান হবে। শেষমেষ যেটা হলো, সেটা হচ্ছে একটা হেলিকপ্টার। বাংলা হেলিকপ্টার। এই বস্তুর ঘুরন্ত পাখা আছে, বডি আছে এমনকি লেখাও আছে যে এই যন্ত্রটি হেলিকপ্টার। কিন্তু এটি উড়ে না।
আমাদের অনেকেরই ধারণা, সিস্টেম বদলালেই বোধহয় পরিবর্তন আসে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা যারা বড় হয়েছি, তারা জানি, শুধু সিস্টেম দিয়ে কোনো পরিবর্তন আসে না। ভালো সিস্টেমের মধ্যে ভালো মানুষ, যোগ্য মানুষ, সৎ, বুদ্ধিমান ও দরদী মানুষ দরকার।
ষোল বছর পর আবারো সংস্কার শব্দটা উজ্জ্বল হয়ে জাতির সামনে এসেছে। এবার নাকি আমূল সংস্কার হবে। এরই দুই মাস পার হয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, আমি এবারো জোরেশোরে একটা হেলিকপ্টারের নির্মাণের আয়োজন দেখছি। আমি দুঃখিত এই কথাটি বলার জন্য। সত্যি দুঃখিত।
আপনাদের নিয়ত নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আপনারা আন্তরিকতা নিয়েও আমার কোনো দ্বিধা নেই। আপনাদের অনেককেই আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি।
শুধু এই পছন্দের তাগিদে বলি। আর হেলিকপ্টার বানায়েন না।
এই দেশের মানুষরা ক্লান্ত। তারা সত্যিকারের ম্যাজিক চায়। সত্যিকারের হেলিকপ্টার চায়, যেটা সত্যি সত্যি উড়ে।
This country needs to fly.
-
মূল লেখা - আসিফ ইন্তাজ রবি
আপনি যদি ই#রা#ল এর বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়ে জিততে চান, তাহলে এই চ্যানেলের তথ্য ও টেকনিকগুলো গুলো কাজে লাগাতে পারেন।
https://youtube.com/@breezypolitics?si=0gQDlUlytQPxGhx2
আমার মরহুমা মা একটা কথা প্রায়ই বলতেন -
ধর্ম কাকে বলে?
যে কাজ অন্য কেউ তোমার সাথে করলে তুমি কষ্ট পেতে, সেই কাজ অন্য কারোর সাথে না করাই ধর্ম!
-
ছোট একটা উপদেশ। কিন্তু পালন করা হয়তো বেশ কঠিন।
সেদিন বিকালে মোবাইলে তোলা।
ছবিতে সামান্যতম ফিল্টার ব্যবহার নেই। ন্যাচারাল কালার।
সমন্বয়কদের প্রথমবার প্রশ্ন করেছিলেন যমুনা টিভির উপস্থাপক, ৫ ই আগস্টের পরপরই। প্রশ্ন করা হয়েছিল হাসনাত আব্দুল্লাহকে, হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রশ্ন করায় কোন প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন বলে মনে পড়েনা। কিন্তু চ র ম প্রতিক্রিয়া এসেছিল সাধারণ মানুষের থেকে। হাসনাত আব্দুল্লাহকে প্রশ্ন করায় ক্ষে পে গেছিল তারা।
হাসনাত নিশ্চয়ই এই ক্ষে পে যাওয়া প্রতিক্রিয়া দেখেছে। আর এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তার টিমকে প্রশ্ন করা হলে এবার আর রাখঢাক দেখা যায়নি, প্রশ্ন করা হলে প্রশ্নকারীকে লিগের দোসর ট্যাগ দিয়ে দিয়েছেন।
এরপরের ঘটনা গতকালের। সুনামগঞ্জে কেন্দ্রীয় এক সমন্বয়ক বলেছেন, বৈ ষ ম্য বিরো ধী ছাত্র আন্দো ল ন কে প্রশ্ন করা মানেই সে ফ্যাসি বা দের সহযোগী।
যমুনা টিভির ঐ ঘটনার পর টিভি চ্যানেলগুলি আর সমন্বয়কদের প্রশ্ন করেনি, ক্ষু র ধা র সমালোচনা করেনি। সেই উপস্থাপিকাও এরপর ট্রেন্ড থেকে হারিয়ে গেলেন। এক উনো রিভার্স বাতাবি লেবুর ফলন আস্তে আস্তে শুরু হয়েছে।
টাইমলাইনের দিকে খেয়াল করুন, স্বৈ রা চা র তৈরি করে কারা? শাসক? নাহ। সাধারণ মানুষ। শাসকেরা কখনও অহিং স বুদ্ধ হয়না। শাসকেরা হয় ম ন্স টা র। মন্স টা রের দড়ি থাকে সাধারণ মানুষের হাতে। মানুষ আঙুল তোলা ছেড়ে দিলে, প্রশ্ন করায় ক্ষে পে গেলে মন্সটা র উন্মা দ হয়ে যায়।
এক স্বৈরাচার দূর করে আমরা আরেকটা পটেনশিয়াল স্বৈরাচার তৈরির যুগ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সমন্বয়কদের আমি দোষ দিই না। তাদের জায়গায় এই পৃথিবীর যেকোন শাসক থাকলেই একই আচরণ করত, কারণ শাসক মাত্রই চে পে বসতে চায়।
আয়নায় নিজের দিকে তাকান, যমুনা টিভির ঘটনাটি মনে করুন। ভাবুন, আপনারাই আস্তে আস্তে এমন পরিস্থিতি তৈরি করছেন কিনা। এরপর মন্স টা রের দড়িটা খুঁজুন, শক্ত করে ধরুন।
মূল লেখা - সামিয়াতুল্লাহ সামি
আমেরিকা ধ্বংস হবে। পশ্চিমারা নিঃশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
—এইসব কথা বলে বাংলাদেশের মতো সমাজে হাততালি পাওয়া সহজ।
কিন্তু আমেরিকা কি করে আমেরিকা হয়ে উঠলো, জার্মানরা কি করে জার্মান হয়ে উঠলো, জাপান কি করে জাপান হয়ে উঠলো—সেই ভালো কাজগুলো অনুসরণ করাই কঠিন।
অন্যের ধ্বংস কামনা করা সহজ। কঠিন কাজ হলো নিজেদের উন্নতি। কঠিন কাজটাই আমরা করতে চাই না।
-
খুব সহজ ভাষায় মূল লেখা রাউফুল আলম এর।
সিভি বা রেজ্যুম উন্নত করতে বাজারে প্রচুর রেকোমেন্ডেশন আছে। কোনটা রেখে কোনটা ফলো করবো, সেই নিয়ে প্রচুর কনফিউশন।
আমি শুধু একটা রেকোমেন্ডেশন দেবো।
-
আপনার সিভি বা রেজ্যুমে যখন HR বা হায়ারিং ম্যানেজারের কাছে যায়, তখন তারা কতক্ষণ সময় দেয় আপনার সিভি বা রেজ্যুমে যাচাই করতে?
মাত্র ৬-১০ সেকেন্ড।
-
এই অল্প কয়েক সেকেন্ডের রিভিউ আপনার সিভি বাতিল হয়ে যেতে পারে!
তাই নিজের সিভি বা রেজ্যুমে বারে বারে রিভিউ করেন। এই অল্প কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনি জানাতে চান? বাকিগুলো নির্দিধায় ছেটে ফেলুন।
অপ্রয়োজনীয় তথ্যের মধ্যে আছে।
- শখ
- প্রাইমারি/সেকেন্ডারি স্কুল
- বিবাহিত অবস্থা
ইত্যাদি।
** নন-ফিকশন, অনারেবল মেনশনঃ
১। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানঃ জীবন ও রাজনীতি // বাংলা একাডেমী
২। রাজনীতির মওলানা // মহিউদ্দিন আহমদ
৩। পাকিস্তানি জেনারেলদের মন // মুনতাসীর মামুন
** ফিকশনঃ
১। গল্প সমগ্র // জহির রায়হান
২। চিলেকোঠার সেপাই // আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
৩। জীবন আমার বোন // মাহমুদুল হক
৪। ১৯৭১ // হুমায়ূন আহমেদ
৫। নামহীন গোত্রহীন // হাসান আজিজুল হক
৬। অলাতচক্র // আহমদ ছফা
৭। আকাশ বাড়িয়ে দাও // মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৮। জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা // শহীদুল জহির
৯। তালাশ // শাহীন আখতার
১০। একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন // আহমদ ছফা
১১। দলিল // শওকত আলী
১২। আমরা হেঁটেছি যারা // ইমতিয়ার শামীম
ফিকশনের ক্ষেত্রে আরও কিছু নাম অবশ্যই যোগ করা যেতো, কিন্তু সাহিত্যকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহারের একটা তীব্র প্রবণতা যেহেতু আছে বানলাদেশের অনলাইনে; সেই ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মতে প্রথম শ্রেণির ফিকশনগুলোই তুলে আনলাম। কিশোর উপন্যাস বা ডকু-ফিকশন ঘরানার রচনা ইচ্ছে করেই বাদ রাখা হয়েছে।
সব মিলিয়ে ৫১ টা নন-ফিকশন, ১২টা ফিকশন। আরেকবার স্মরণ করাই, এই তালিকা কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ নয়। তবে বাংলাদেশের ইতিহাস পাঠ করতে আন্তরিক যারা, অন্ততঃ প্রাথমিকভাবে এই তালিকা তাদের উপকার করবে বলেই আশা রাখি, তারপর তারা নিজেরাই পথ খুঁজে নিতে পারবেন।
_
মূল পোস্ট - সুহান রিজওয়ান
বইপত্র
ইতিহাস ব্যাপারটা কী, ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’-এ তলস্তয় সেটা খুব ভালো মতো বলে দিয়েছেন কুতুজভের মুখ দিয়ে। আমার কাছে ব্যাপারটা ফুটবল ম্যাচের মতো। লেফট ব্যাক, মিডফিল্ডার কিংবা স্ট্রাইকার— প্রত্যেকেরই ধারণা গোলের পেছনে তার ভূমিকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বাইরে থেকে যে দর্শক খেলা দ্যাখে, তার কাছে পুরো ম্যাচটাই ধরা দেয় বিক্ষিপ্ত কিছু প্রচেষ্টার সমষ্টি হিসেবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসের ক্ষেত্রে আবার তুলনাটা দিতে হয় হাইস্কুলের ফুটবলের সাথে। আন্তর্জাতিক ম্যাচের মতো দক্ষ ক্যামেরা না থাকায়, দর্শকের অবস্থানটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। খেলা আর ‘অফ দা বল মুভমেন্ট’ —দুটোকেই একসাথে দেখাটা খুব কঠিন।
অনলাইনে ‘বাংলাদেশের ইতিহাস জানার জন্য বইয়ের তালিকা’র অনুসন্ধান দেখছি কদিন ধরে, কেউ কেউ ইনবক্সে জিজ্ঞাসাও করলেন। দর্শক হিসেবে নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়ে তেমন একটা তালিকা তুলে দিলাম এখানে।
যেহেতু এই তালিকা একেবারেই প্রাথমিক পাঠকের জন্য, ফলে রেফারেন্স (উদাহরণঃ মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র / চরমপত্র) বা কাঠখোট্টা (উদাঃ পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি) ঘরানার বই যথাসম্ভব বাদ রাখার চেষ্টা করেছি। নিষ্প্রাণ ইতিহাসের বদলে চেষ্টা করেছি ব্যক্তির বয়ানকে প্রাধান্য দেবার, সব ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়নি। বই পড়তে লোকে আজকাল তত আগ্রহীও নয়, কাজেই লক্ষ্য ছিলোঃ পুরো ফুটবল ম্যাচকে যতটা পারা যায়, কম বইয়ের মাধ্যমে তুলে আনা।
তালিকার প্রথমভাগে রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও যুদ্ধকালীন সমস্ত বই, দ্বিতীয় ভাগে রাখা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের বই। একই বিষয়ে একাধিক বই না রাখার চেষ্টা ছিলো, কিছু ব্যতিক্রম আছে, সেক্ষেত্রে বইয়ের গুরুত্ব অনুযায়ী ক্রম সাজিয়েছি। একেবারে শেষে আছে সংশ্লিষ্ট কিছু ফিকশন।
** নন-ফিকশন, প্রথম ভাগঃ
০১। পাকিস্তানের জন্ম মৃত্যু দর্শন // যতীন সরকার
০২। আগরতলা মামলা, শেখ মুজিব ও বাংলার বিদ্রোহ // ফয়েজ আহমেদ
০৩। সত্য মামলা আগরতলা // কর্নেল শওকত আলী
০৪। একাত্তরের দিনগুলি // জাহানারা ইমাম
০৫। মূলধারা ৭১’ // মইদুল হাসান
০৬। গেরিলা থেকে সম্মুখযুদ্ধে // মাহবুব আলম
০৭। প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলি // আবু সাইদ চৌধুরী
০৮। আমার একাত্তর // আনিসুজ্জামান
০৯। একাত্তর আমার // নুরুল কাদের
১০। মুজিবনগর সরকার ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ // মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান
১১। স্বাধীনতা ভাসানী ভারত // সাইফুল ইসলাম
১২। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, র এবং সিআইএ // মাসুদুল হক
১৩। ফ্যান্টমস অফ চিটাগং // মেজর জেনারেল উবান (অনু), হোসাইন রিদওয়ান আলী খান
১৪। মুজিববাহিনী থেকে গণবাহিনীঃ ইতিহাসের পুনর্পাঠ // আলতাফ পারভেজ
১৫। একাত্তরের রনাঙ্গনঃ অকথিত কিছু কথা // নজরুল ইসলাম
১৬। যখন ক্রীতদাসঃ স্মৃতি ৭১ // নাজিম মাহমুদ
১৭। আমি বীরাঙ্গনা বলছি // নীলিমা ইব্রাহিম
১৮। নিয়াজির আত্নসমর্পণের দলিল // সিদ্দিক সালিক (অনু) মাসুদুল হক
১৯। বাংলাদেশের জন্ম // রাও ফরমান আলী খান (অনু) শাহ আহমদ রেজা
২০। জাতীয় রাজনীতি : ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ // অলি আহাদ
২১। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর // আবুল মনসুর আহমদ
** নন-ফিকশন, দ্বিতীয় ভাগঃ
০১। পাকিস্তানের ভূতদর্শন // যতীন সরকার
০২। শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল // মওদুদ আহমদ
০৩। বঙ্গভবনে পাঁচ বছর // মাহবুব তালুকদার
০৪। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় // মফিজ চৌধুরী
০৫। তাজউদ্দীন আহমদঃ বাংলাদেশ অভ্যুদয় ও তারপর // কামাল হোসেন
০৬। আশা ও ভগ্নআশার দিনগুলি ১৯৭২-৭৫ // কাজী ফজলুর রহমান
০৭। অশ্লেষার রাক্ষসী বেলায় // সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম
০৮। বাংলাদেশঃ জাতি গঠনকালে এক অর্থনীতিবিদের কিছু কথা // নুরূল ইসলাম
০৯। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও বাংলাদেশকে ঘিরে কিছু স্মরণীয় ঘটনা // এম এ ওয়াজেদ আলি মিয়া
১০। মুজিবের রক্ত লাল // এম আর আখতার মুকুল
১১। মুক্তিযুদ্ধঃ আগে ও পরে // পান্না কায়সার
১২। শতাব্দী পেরিয়ে // হায়দার আকবর খান রনো
১৩। জাসদের উত্থান পতন : অস্থির সময়ের রাজনীতি // মহিউদ্দিন আহমদ
১৪। বিএনপি সময়-অসময় // মহিউদ্দিন আহমদ
১৫। বেলা অবেলা // মহিউদ্দিন আহমদ
১৬। রক্ষিবাহিনীর সত্য-মিথ্যা // আনোয়ার উল আলম
১৭। এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্যঃ স্বাধীনতার প্রথম দশক // মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী
১৮। বাংলাদেশের সামরিক শাসন ও গণতন্ত্রের সংকট // রফিকুল ইসলাম
১৯। বঙ্গভবনে মোশতাকের ৮১ দিন //আবু আল সাইদ
২০। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত মধ্য আগস্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর // কর্ণেল শাফায়েত জামিল
২১। রক্তঝরা নভেম্বর ১৯৭৫ // নির্মলেন্দু গুন
২২। তিনটি সেনা অভ্যুথান ও কিছু না বলা কথা // লে-কর্ণেল এম এ হামিদ
২৩। বাংলাদেশঃ রক্তাক্ত অধ্যায় (১৯৭৫-৮১) // বিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন
২৪। সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা // আনোয়ার কবির
২৫। Bangladesh: From Mujib to Ershad // Lawrence Ziring
২৬। বাংলাদেশঃ রক্তের ঋণ // অ্যানথনি মাসকারেনহাস (অনু), মোহাম্মদ শাহজাহান
