fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید

পর্ণগ্রাফি মানবতার জন্য হুমকি

পর্ণগ্রাফি মানবতার জন্য হুমকি

رفتن به کانال در Telegram

পর্নগ্রাফির মরণ ছোবলে আজ আমাদের তরুণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।এই পর্নগ্রাফির ভয়াবহতা এখনই উম্মাহ'র মাঝে তুলে ধরতে হবে

نمایش بیشتر
بنغلاديش27 319دسته بندی مشخص نشده است
220
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
ট্যাবু ভাঙার নামে কিশোর-কিশোরীদের একত্রে বসিয়ে ঋতুস্রাবের গল্প বলতে উদ্বুদ্ধ করছে আমাদের পাঠ্যবই। আবার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, ঋতুস্রাবের প্যাড কেনার প্রয়োজন হলে মাকে নয়, বাবা অথবা বড় ভাইকে বলো। শুধু তাই নয়, কোনো কোনো বিশেষ স্কুলে উদযাপন করে ছাত্র-ছাত্রীর হাতে একত্রে তুলে দেওয়া হচ্ছে প্যাড। সৃষ্টির সূচনাকাল থেকেই ঋতুস্রাবের ট্যাবু ছিল। তাতে পৃথিবীর বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। আর সব ট্যাবুই ক্ষতিকর নয়। আমাদের জীবনে এমন অনেক কিছু আছে, যেগুলোতে আমরা আড়াল রাখি। ভরা মজলিশে আমরা স্বশব্দে বায়ু ত্যাগ করি না। এটা আমাদের শালীনতা, সুরুচিবোধ। ঋতুস্রাবের বিষয়টিও অমন। বর্তমান পৃথিবীতে যারা ঋতুস্রাবের কথিত ট্যাবু ভেঙেছে বা ভাঙতে পারেনি, তাদের কতটুকু লাভ বা ক্ষতি হয়েছে? মূলত জাগতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবের ট্যাবু ভাঙা না-ভাঙার সরাসরি কোনো সম্পর্কই নেই। আমাদের মেয়েরা ঋতুস্রাব বিষয়ে সচেতন হোক, আমরাও চাই। কিন্তু এর সঙ্গে উঠতি বয়সী কিশোরদের জড়ানো কেন! এর মাধ্যমে যে আমাদের চিরায়ত শালীনতাবোধের শেকড় কাটা হচ্ছে, সচেতন মানুষ মাত্রই তা বুঝতে পারেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা দেখতে পাই, নবম শ্রেণীর জীবন ও জীবিকা বইতে স্থান পেয়েছে অশ্লীলতায় ভরপুর নারী সাজা পুরুষদের অন্তর্বাসের ওয়েবসাইটের কিউআর কোড, যা শরীফার গল্পের থিমের সাথে মিলে যায়। এছাড়াও আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা বইগুলোর মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদেরকে অবাধ মেলামেশার উস্কানি দেয়া হচ্ছে, পরিবার-ব্যবস্থাকে উপস্থাপন করা হচ্ছে নেতিবাচকভাবে। শালীনতাবোধ আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের গর্ব। আমাদের পরিবারিক বন্ধন এখনো যে পৃথিবীর বুকে উজ্জ্বল হয়ে টিকে আছে, এর মূলে রয়েছে শালীনতার চর্চা। এই শালীনতা ধ্বংস হলে এদেশের হৃৎপিণ্ডে যে গভীর ক্ষত তৈরি হবে, সেই ক্ষত সারাবার কোনো ওষুধ পাওয়া যাবে না। লিখেছেন শ্রদ্ধেয় শায়েখ Ahmadullah হাফিজাহুল্লাহ্

যে বয়সে মোহাম্মদ বিন কাসেম ভারত জয় করে, সে বয়সে আমরা হস্তমৈথুন আর পর্ণগ্রাফিতে ব্যস্ত

এতদিন ছিল ছেলেদেরও জানতে হবে। এখন বলছে জন্ম দিনের মত প্রথম মাসিকের সময় কেক কেটে উতযাপনের করার কথা। এরা আলাপ করতেছিল মাসিক সেল
এতদিন ছিল ছেলেদেরও জানতে হবে। এখন বলছে জন্ম দিনের মত প্রথম মাসিকের সময় কেক কেটে উতযাপনের করার কথা। এরা আলাপ করতেছিল মাসিক সেলিব্রেশন দিবসে।
পিতামাতারা সচেতন হউন। স্কুলে মাসিক পার্টি হানা দিলে ঢুকতে দিবেন না। লজ্জাবোধ ঈমানের অংশ।
এদের প্রধান উদ্যেশ্য হচ্ছেঃ কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে স্বাভাবিক লজ্জা ভেঙে দেয়া। এই লজ্জাবোধ ভেঙে দিলে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, অবাধ যৌ*চার, ট্রা*ফরমার ইস্যু সব কিছু ছড়িয়ে দেয়া সহজ হয়ে যাবে। একটা ইস্যুর সাথে আরেকটা একই সূতায় গাঁথা! উনারা যদি সত্যিই মাসিকের সমস্যা নিয়ে কন্সার্ন থাকতো, তাহলে কিশোরীদের মায়েদেরকে এখানে ইনভলভ করতো, স্যানিটারি প্যাডের দাম কমানো নিয়ে কথা বলত। একজন কিশোরীর মা, নানী-দাদী, খালা, বড় বোন, এদের সবাইকে ডিঙিয়ে , স্কুলে সেলিব্রেশন এবং ছেলেদেরকে সচেতন করার লক্ষ্যই হচ্ছে স্বাভাবিক লজ্জাবোধ ভেঙে দেয়া। এখন এটা তো আর সরাসরি বলা যায়না - "আমরা কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে স্বাভাবিক লজ্জাবোধ ভেঙে দিতে চাই"। তাহলে তো তারা সমাজে প্রচন্ড ব্যাকল্যাশ খাবে। তাই খুব সূক্ষভাবে মাসিকের সমস্যা কে ঢাল বানিয়ে আগাচ্ছে। এই লজ্জাবোধ ভেঙে গেলে সব অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, অজাচার ইত্যাদি সহজ হয়ে যাবে। এটাই মূল টার্গেট। আল্লাহ আমাদের এইসব ভয়াবহ ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।
সচেতনতার উদ্দেশ্যে পোষ্টটি বেশি বেশি রিপোষ্ট/শেয়ার করুন
⚠️  ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক আলেম ও লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার রিসোর্স

“চোরাবালি” (দশম পর্ব) ❤️ক্রমাগত হস্তমৈথুন আপনার আত্মনিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দেবেঃ সত্যি কথা বলতে কথা বলতে ক্রমাগত হস্তমৈথুন আপনার আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ দিনদিন কমিয়ে দিবে। কেন কিভাবে কমাবে তা নিয়ে আগেই আলোচনা করা হয়েছে। এখন দেখা যাক এগুলোর ফলে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। মেয়েরা কিন্তু তাদের জীবনসঙ্গী হিসেবে পুরুষালি স্বভাবের ছেলেদেরই বেশি প্রাধান্য দেয়। আত্মনিয়ন্ত্রণহীন বা অনেকটা লুতুপুতু স্বভাবের ছেলেদের কিছু সময়ের জন্য ভালো লাগলেও বা কাছাকাছি থাকলেও কখনই এদের মতো কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চায় না। আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা আসলেই একটি বড় যোগ্যতা। আপনি আপনার মনের আবেগে ভেসে হারিয়ে যাচ্ছেন না ,এই যোগ্যতাকে কখনই ছোট করে দেখার উপায় নেই। আত্মনিয়ন্ত্রণ শুধু আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো না, আমাদের ব্যক্তিত্বও গড়ে উঠে এর উপর ভিত্তি করে। আর হস্তমৈথুনের ফলে আপনার এই আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাটাই শেষ হতে থাকে। আপনার মন হতে থাকে অস্থিরতায় ভরপুর। অল্পতেই নিয়ন্ত্রণ হারান নিজের প্রতি আবেগ তাড়িত হয়ে। হতাশা , কাজে অনীহা এই সব কিছুই আসলে এটার ফল। অথচ আপনি শুধু হস্তমৈথুন করা থেকেই বিরত থেকে দেখুন ,আপনার জীবন থেকে এই সব হতাশা ,অস্থিরতা দূর হয়ে যাবে। আগে যেসব ব্যাপারে আপনি অল্পতেই অতিরিক্ত আবেগ তাড়িত হয়ে পড়তেন, উত্তেজিত হয়ে পড়তেন , সেগুলো আপনি এখন আর গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভাববেনই না। এবং নিজেই এখন বুঝতে পারবেন যে আপনি কতটা বোকাই না ছিলেন! ❤️হস্তমৈথুনের ফলে আপনি শারীরিকভাবে অনেক নমনীয়, ভঙ্গুর হয়ে পড়বেনঃ আমাদের শরীর হচ্ছে আমাদের মনের আয়নাস্বরূপ। আপনি আপনার মনের ভিতরকার অবস্থা বেশি দিন চাপা দিয়ে রাখতে পারবেন না । আপনার কথাবার্তা,কাজকর্ম,অভিব্যক্তির মাধ্যমেই এগুলো ফুটে ওঠে। আর হস্তমৈথুনের কারণে আপনার মনের ভিতরে ক্রমাগত অস্থিরতা আপনি লুকিয়ে রাখবেন যেখানে আপনি আপনার মনের জোরটাই ধ্বংস করে ফেলছেন? এটা আপনি পারবেনও না। আপনার সাথে কেউ কথা বললেই তা বুঝতে পারবে যে আপনার মনের ভিতরে অস্থিরতা কাজ করছে। আর মানসিকভাবে দুর্বল হবার কারণে আপনার আচরণও হবে সেরকমই- ভীত, অবসাদগ্রস্ত, কোন কিছু ভালো না লাগা। আপনি ভাবেন যে আপনি তো আপনার অস্থিরতার কথা কাউকে বলছেন না, আপনার নিজের মাঝেই তা রেখেছেন কিন্তু আপনার আচরণ তা ঠিকই প্রকাশ করে দিচ্ছে। আপনি এই অবস্থা থেকে মুক্তি চান? আপনি চান আপনার আচরণ আরও দৃঢ় প্রত্যয়ী হোক? প্রথমে তাহলে আপনার হস্তমৈথুনের অভ্যাস বাদ দিন। তারপর দেখুন কি হয়। ❤️হস্তমৈথুন আপনার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেয়ঃ মাস্টারবেশনের ঠিক পরের অবস্থাটার কথা চিন্তা করুন, আপনি হস্তমৈথুন করে ঠান্ডা হয়ে শুয়ে পড়লেন বিছানায়, বদ্ধ ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে বাতাসে দলবেঁধে ভেসে বেড়াতে লাগলো জীবনের সেই সব প্রশ্নগুলো যার উত্তর আপনি এখনো পাননি, একে একে আসতে শুরু করল জীবনের হিসেব না মেলা সব ঘটনাগুলো। মন খারাপ হওয়া শুরু হল আপনার।‘ধুর! শালা! আমার জীবনটা তো পুরোপুরিই নষ্ট হয়ে গেল, আমি একটা ফেলটুস, আমি একটা গান্ডু, আমি কিচ্ছু করতে পারি না, আমার দ্বারা কিসসু হবে না’ বড় হতে হলে,সফল হতে হলে আত্মবিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক ফ্যাক্টর। হস্তমৈথুন আপনার নিজের ওপর বিশ্বাসটাকে একেবারেই গুঁড়িয়ে দেয়। এক-দুই মাস হস্তমৈথুন থেকে দূরে থাকুন। দেখবেন আপনার ভেতর আত্মবিশ্বাস টইটম্বুর হয়ে আছে। ❤️অতিরক্ত হস্তমৈথুন আপনার মনোযোগ কমিয়ে দেয়ঃ ২০০১ সালের একটা গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, হস্তমৈথুন করার ৩০ মিনিটের মাঝে Noradrenaline (Norepinephrine)এর পরিমাণ অনেক কমে গিয়েছে। এর ফলে কি হবে? কারণ Noradrenaline [১] এমন একটা হরমোন যা আপনার কোন জিনিসের প্রতি অখণ্ড মনোযোগ ধরে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর সেই জিনিটাই আপনি হস্তমৈথুন করে কমিয়ে ফেলছেন , আপনার মনোযোগ তাহলে থাকবে কীভাবে!!!!!! এছাড়া আপনি তো হস্তমৈথুন করে আপনার Dopamine,Testosteroneএগুলোরও তো স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আসতে সময়ের দরকার হয়ে পড়ে। একটা বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, হস্তমৈথুনের পরবর্তী এই অবস্থা কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে অন্তত ২ সপ্তাহ সময় লাগে[২] চিন্তা করে দেখুন, হস্তমৈথুন করার দিনটাতে আপনি ক্লাসে, পড়ার টেবিলে বা অন্য কোন কাজে কি মনযোগ দিতে পারেন, না সবসময় মাথার মধ্যে লাগামছাড়া চিন্তা ভাবনা ঘোরাফেরা করে? চলবে ইনশাআল্লাহ পর্ব৯ঃ @TasawwufOfficial/3308

“চোরাবালি” (অষ্টম পর্ব) ২০০৩ সালে, হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকা ও টেস্টোস্টেরনের পরিমাণের উপর এর প্রভাব নিয়ে পুরুষদের উপর একটা পরীক্ষা চালানো হয়।সেটার ফলাফলে দেখা যায় যে, হস্তমৈথুন থেকে বিরত থাকার প্রথম ১ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ স্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এরপর আরেকটা বড় ‘কিন্তু’ আছে।ষষ্ঠ আর ৭ম দিনে এই বৃদ্ধির হয়ে যায় ১৪৭%!!!! এই ৭ দিনের পরে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ তার স্বাভাবিক পর্যায়ে যায়।”[৩] ❤️এখন দেখা যাক কেন আমাদের  টেস্টোস্টেরন দরকারঃ ·  এনার্জি ·  স্মৃতিশক্তি ·  মনোযোগ ·  আত্মমর্যাদাবোধ ·  আত্মনিয়ন্ত্রণ ·  সুগঠিত পেশি ·  দৈহিক শক্তি ·  কাজ করার সক্ষমতা ·  গলার স্বরের গম্ভীরতা ·  মানসিক প্রশান্তি ·  পুরুষের মত আচরণ ·  প্রভাবশালী আচরণ ·  লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদন ·  হাড়ের স্বাভাবিক গঠনে · যৌন ক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত আমিষ সরবরাহ করা ·  দীর্ঘস্থায়ী যৌন ক্রিয়াতে ·  স্বাস্থ্যকর মেটাবলিজম উৎপাদনে ·  লিভারের কার্যাবলীতে ·  সুগঠিত প্রস্টেট গ্রন্থি গঠনে এথেকে আমরা বুঝতে পারছি যে টেস্টোস্টেরন আমাদের শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটাকেই আমারা হস্তমৈথুনের মাধ্যমে নষ্ট করে দিচ্ছি এই ব্যাপারটা কি আমরা কখনও একটু মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করি? [৪,৫,৬] ❤️আচ্ছা যদি টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমে যায় তাহলে কী হতে পারে? · ক্লান্তিভাব · বিষণ্ণতা · দুর্বল স্মৃতি শক্তি · মনোযোগ কমে যাওয়া · অতিরিক্ত অস্থিরতা · কম শারীরিক সক্ষমতা · আত্মনিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়া · পুরুষালি আচরণ কমে যাওয়া · আচরণে মিনমিনে ভাব আসা · স্বাভাবিক যৌন ক্রিয়াতে আগ্রহ না থাকা · দ্রুত বীর্যপাত · দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া · মেরুদণ্ডে ব্যথা · পেশী সুগঠিত না হওয়া · শরীরে চর্বি হয়ে যাওয়া · হাড় ক্ষয়ে যাওয়া · চুল পড়ে যাওয়া [৭,৮,৯] ❤️ক্রমাগত হস্তমৈথুন করে যাওয়ার ফলে আপনার আচরণ হয়ে পড়তে পারে অপরিণতদের মতঃ অপরিণত আচরণ বলতে আমরা আসলে কী বুঝি? আসলে যাদের আচরণে অতিরিক্ত অস্থিরতা, কম আত্মনিয়ন্ত্রণ , অধৈর্য, কম মনোযোগ এগুলো ফুটে ওঠে, তাদের আচরণই মূলত বলা হয় অপরিণত আচরণ। এগুলো আসলে করবে বাচ্চারা। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির আচরণে অবশ্যই এসব জিনিস থাকবে না। আচ্ছা আমরা তো একটু আগেই আলোচনা করলাম টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলাফল নিয়ে। সেটা আর অপরিণত আচরণ তো আসলে দেখা যাচ্ছে তাহলে একই জিনিস। আর আমার নিজের মতামত জানতে চাইলে বলবো যে যখন আমি হস্তমৈথুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি , আমার আচরণ আগের থেকে অনেক পরিণত হয়ে যায় যা একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সাথে মানানসই। আমি নিজেই এখন বুঝতে পারি যে আমি অনেক ভালো ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, আমি আগের থেকেও আরও বেশি ধৈর্যশীল, আত্মনিয়ন্ত্রণশীল, অধিক মনযোগী, আগের থেকে শান্ত হয়ে বসে থাকতে পারি এবং আগের থেকে বেশি মনেও রাখতে পারি। এখন আমার নিজেরই লজ্জা হয় যে আগে আমি এমন আচরণ কীভাবে করতাম!! ❤️অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কারণে আপনার ভিতর থেকে পুরুষালি ও প্রভাবশালী আচরণ কমিয়ে দেবেঃ মানব সভ্যতার শুরুতে মানুষ ছোট ছোট দলে বাস করত, আধুনিক সমাজের মত সুযোগ সুবিধা সেখানে ছিলনা। সেই সমাজ ব্যবস্থাতেও একটা জিনিস বিদ্যমান ছিল।সাধারণত দলের সবচেয়ে শক্তিশালী, প্রভাবশালী সদস্য,দলনেতা সঙ্গিনী হিসেবে পেত দলের সবচেয়ে ভালো মেয়েকে। আর এটা সে তার নিজের ইচ্ছামত করতে পারতো। অপেক্ষাকৃত দুর্বল, কম প্রভাবশালী বা সাধারণ পুরুষ রা তার তাদের সঙ্গিনী পেত তার পরে। মূলত দলনেতা যেসব মেয়েকে তার সঙ্গিনী হিসেবে নিত না তারাই এসব পুরুষদের কপালে জুটত। এখনকার আধুনিক সমাজের সাথে আদিম সমাজের অনেক পার্থক্য থাকলেও এই ধারাটা কিন্তু এখনও আছে। আমরা আমাদের স্কুল, কলেজ, বন্ধুদের মাঝে বা আমাদের কর্মক্ষেত্রের দিকে তাকালেই এর প্রমাণ পাবো। তাহলে কিন্তু বোঝা যাচ্ছে একজন পুরুষের জীবনে তার পুরুষালি আচরণ, সুন্দর ব্যক্তিত্বের গুরুত্ব ঠিক কতটা। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে টেস্টোস্টেরন। একজন সত্যিকারের পুরুষ হবে প্রবল আত্মবিশ্বাসী, তার কথাবার্তা ,আচার আচরনণেই তার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। তার আচরণের মাখে কোন মিনমিন করা স্বভাব থাকবে না। আর এই জাতীয় পুরুষের প্রতি সবাই সহজেই আকৃষ্ট হয়। আর এই ধরনের বৈশিষ্ট্য থাকতে হলে টেস্টোস্টেরনের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা আগেই আলোচনা করেছি । আসলে আমরা যখন হস্তমৈথুন করে করে আমাদের টেস্টোস্টেরন নিঃশেষ করতে থাকি , আমরা তখন বাইরে একটা পুরুষের খোলসের মাঝি আবদ্ধ থাকি। আমাদের ভেতরটা হয়ে যায় – দুর্বল, ভীতু স্বভাবের। এর থেকে মুক্তির উপায় তো আপনার হাতেই। হস্তমৈথুন বাদ দিয়ে দিন। একমাত্র সমাধান তো এটাই। চলবে ইনশাআল্লাহ📝 পর্ব৭ঃ @TasawwufOfficial/3284

সহজ ভাষায়, যৌনতা, অশ্লীলতা আর সহজলভ্য প্রেম হল মানুষকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার। জনগণকে প্রেমের মাদকে, শরীরী নেশার মায়াজালে আর অশ্
সহজ ভাষায়, যৌনতা, অশ্লীলতা আর সহজলভ্য প্রেম হল মানুষকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার। জনগণকে প্রেমের মাদকে, শরীরী নেশার মায়াজালে আর অশ্লীল বিনোদনে ডুবিয়ে রাখতে পারলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। মনমতো আইনকানুন, জীবনব্যবস্থা চাপিয়েদেওয়া যায়। শোষণ করা যায়। বিশ্বব্যবস্থার রাজারা তাই প্রজাদের জন্য অসীম প্রেম, বিনোদন, শরীরী নেশার স্বাধীনতা দিয়ে রেখেছে–তোমার মন যা চায় তুমি তাই করো–বিনিময়ে তারা প্রজাদের পায়ে পরিয়ে দেয় পরাধীনতার এক অদৃশ্য শেকল। বানিয়ে ফেলে হাতের পুতুল! এসো, আমাদেরকে বন্দীত্বের শেকল পরানো কলুষতার এই সব কারিগর আর তাদের নানা কারিগরি চিনে নেওয়া যাক। কৃতজ্ঞতা : Amatullah Haneen . বই: আকাশের ওপারে আকাশ লেখক: লস্ট মডেস্টি প্রকাশক: Ilmhouse Publication . #আকাশের_ওপারে_আকাশ #LostModesty

আমাদের সন্তান পর্ন দেখে!! (পঞ্চম পর্ব ) আপনার সন্তানের বয়স যদি আরেকটু বেশি হয় তাহলে তাকে তার বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভাবে বোঝান, কিন্তু কথার মূল টোন এরকম রাখার চেষ্টা করুন। ২) পরের ধাপটি হচ্ছে আপনার সন্তানকে পর্নোগ্রাফির ভয়াবহতা বোঝানো। এটা খুব, খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওর যদি পর্নোগ্রাফির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকে তাহলে আজ হোক বা কাল হোক সে পর্ন ভিডিও দেখা শুরু করবেই করবে। ২০১০ সালে North London Secondary School এর ১৪-১৬ বছর বয়সীদের নিয়ে সার্ভে করা হয়। দেখা যায় যে শতকরা ৩০ জন ১০ বছর বা তার চেয়ে কমবয়সেই অনলাইনে পর্নোগ্রাফি দেখে ফেলেছে। শতকরা ৭৫ জন জানিয়েছে তাদের বাবা-মা কখনোই পর্নোগ্রাফি না দেখার ব্যাপারে তাদের সাথে আলোচনা করেননি।[2] আপনার সন্তানের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করুন। আপনার আলোচনাতে কী কী বিষয় উঠে আসবে বা আপনার উপস্থাপনা কেমন হবে সেটা নির্ভর করবে আপনার সন্তানের বয়সের ওপর। নিজে আপনার বাচ্চার সঙ্গে কথা বলতে লজ্জাবোধ করা উচিত না। নিরুপায় হলে আপনার বাচ্চাকে পর্নোগ্রাফির ভয়াবহতার ওপরে বই পড়াতে পারেন, ভিডিও দেখাতে পারেন। তবে নিশ্চিত করতে হবে যে সে পর্নোগ্রাফির ভয়াবহতার ওপর স্বচ্ছ একটা ধারণা পাচ্ছে। ৩) আপনার সন্তানকে পর্ন আসক্তি কাটানোর জন্য মোটিভেট করা শুরু করুন। এই বইয়ে দেওয়া টিপস গুলো ফলো করতে বলুন। ৪) আপনার সন্তানকে পারতপক্ষে একা থাকতে দেবেন না, বিশেষ করে অলস সময়ে। কারণ অলস সময়ই পর্নগ্রাফিতে আসক্ত হবার অন্যতম কারন। তাকে নানা ধরনের খেলাধুলা বা প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যস্ত রাখুন। ভিডিও গেইমস থেকে যতোটা পারুন দূরে রাখুন। অনলাইন ভিডিও গেইমসের পপ আপ অনেক সময়ই পর্ন সাইটের সন্ধান দিয়ে দেয়। তাকে নিয়ে ঘুরুন বা পারলে প্রতি সপ্তাহে একাবার ফ্যামিলি ট্রিপে বের হন। ওকে সময় দিন। ফিরিঙ্গিদের অন্তঃসারশূন্য সভ্যতার চাকচিক্যে আমাদের চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছে। তাদের মতো হওয়াটাকেই আমরা আমাদের জীবনের পরমব্রত বানিয়ে ফেলেছি। দিনরাত টাকা, স্ট্যাটাস আর ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে ছুটতে পরিবারকে সময় দেয়ার সুযোগ হয় না আমাদের। মমতাময়ী মা’রাও আজকাল সন্তানের বুক ভাঙ্গা কান্নাকে ভুলে স্বাধীন হবার মিথ্যে আশায় ঘরের বাইরে অফিস আদালতে চাকরি করতে চলে এসেছেন।। সন্তান মানুষ হচ্ছে বুয়ার কাছে। বাবা মা ক্যারিয়ারের দোহাই দিয়ে সন্তানকে স্নেহ, মমতা, আদর ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে সেই শূন্যস্থান পূরণ করছেন ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটস, খেলনা, দামী জামা কাপড় আর এক আকাশ স্বাধীনতা দিয়ে। সেই স্বাধীনতা ইট-কাঠ-পাথরের খাঁচায় বন্দী বাচ্চাদের বানাচ্ছে পর্ন আসক্ত কিংবা মাদকাসক্ত। ছোট বেলায় আমি ভাত খাওয়া নিয়ে আমার মাকে আমি অনেক জ্বালিয়েছি। মা কতো কষ্ট করে, ধৈর্য ধরে, ডালিমকুমারের গল্প শুনিয়ে, কাঠবিড়ালী আর পেয়ারা গাছের পাতার আড়ালের বুলবুলি দেখিয়ে ভাই খাইয়েছে। এরকম গল্প আমাদের জেনারেশানের প্রায় প্রত্যেকটি ছেলেমেয়ের। এই যুগের চাকরিজীবী মায়েরা সারাদিন তো সন্তানদের তাদের স্নেহ,ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করেন, দিনশেষে ঘরে ফিরলেও সেই গল্পের তেমন কোন পরিবর্তন হয়না। হয়তো সারাদিন আপনার সন্তান চাতক পাখির মতো আপনার জন্য অপেক্ষা করে থাকে। কিন্তু ক্লান্ত শরীরে খুব বেশীক্ষণ আপনি তাকে সময় দিতে পারেননা। ভাত খেতে না চাইলে কার্টুনের সামনে বসিয়ে দেন। সন্তানের হাতে ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেট ধরিয়ে দিয়ে আপনি বিশ্রাম নেন। ধীরে ধীরে তার ছোট্ট মনটাতে ক্ষত সৃষ্টি হতে থাকে। গ্যাজেট আসক্তি তাকে বানিয়ে দেয় পর্ন আসক্ত। একটু স্থির হয়ে বসে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন। কেন আপনি রাত দিন উদয়াস্ত পরিশ্রম করছেন? কেন টাকার পেছনে ছুটছেন? টাকার জন্যই কি বেঁচে থাকা নাকি বেঁচে থাকার জন্য টাকা? আপনার সন্তানকেই যদি আপনি সময় দিতে না পারেন, আপনার সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করতে না পারেন, তাহলে এতো টাকা পয়সা, ক্যারিয়ার দিয়ে কী করবেন? বোন আপনারা স্বাধীন হয়ে, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে কী করবেন যদি আপনার দেহের একটি অংশ মনে মনে আপনার ওপর অভিমান নিয়ে সারাজীবন পার করে দেয়, আপনাকে ঘৃণা করে? চলবে ইনশাআল্লাহ🔸 পর্ব৪ঃ @TasawwufOfficial/3206

এটা কোন বই নয়,এটা আমাদের (তরুণ) প্রজন্মের বেচে থাকার অক্সিজেন,আলোর পথে চলার রসদ,ঘুরে দাঁড়াবার উপকরণ। আল্লাহ মাফ করুক,কবুল করুক। আমীন। মুক্ত বাতাশের খুঁজে PDF.

আয় কান্না ঝেঁপে (দ্বিতীয় অংশ) আল্লাহ আমাদেরকে এই মায়ের চেয়েও অনেক অনেক গুন বেশি ভালোবাসেন । বাবামার অবাধ্য হলে তাদের কথা না শুনলে, তাদের মনে কষ্ট দিলে সন্তান্দের প্রতি তাদের ভালোবাসায় ভাটা পড়ে যায় কিন্তু আল্লাহর ভালোবাসায় কখনো ভাটা পড়ে না । আমি যখন আল্লাহকে স্মরন করি , আল্লাহও আমাকে স্মরন করেন । যখন তাকে ভুলে যাই, তার অবাধ্যতা করি তখনো তিনি আমাকে মনে করেন । আমার জন্য ক্ষুধার খাদ্য পাঠিয়ে দেন , তৃষনার পানি পাঠিয়ে দেন , বুক ভরে শ্বাস নিতে দেন মুক্ত বাতাসে । অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন কখন আমি তাকে ডাকবো । মনের অজান্তেই একবার ইয়া রব্ব বলে ডাক দিলেই তিনি আনন্দিত হয়ে সাড়া দেন – ইয়া আবদি! হে আমার বান্দা বলো , বলো তোমার কি চাই ? আমি যখন আল্লাহর দিকে এক ধাপ এগিয়ে যায় আল্লাহ আমার দিকে দশ ধাপ এগিয়ে আসেন , আমি আল্লাহর দিকে হেঁটে গেলে তিনি দৌড়িয়ে আসেন । আল্লাহ সুযোগ খোঁজেন আমাকে ক্ষমা করে দেবার । অজুর পানির মাধ্যমে তিনি আমার পাপগুলো ঝরিয়ে দেন, দুই সলাতের মাধ্যমে মাঝের সময় গুলোতে করা পাপ গুলো ক্ষমা করে দেন । তিনি রাতে ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেন দিনের পাপীদের জন্য , আর দিনে ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেন রাতের পাপীদের জন্য । তিনি ঘোষনা দিয়ে রেখেছেন কেউ যদি তার সঙ্গে আকাশ সমান উঁচু পাপ নিয়েও দেখা করে কিন্তু শিরক না করে তাহলে তিনি তাকে ক্ষমা করে দিবেন । তারপর তিনি প্রবেশ করাবেন এমন এক জান্নাতে যা কোন চোখ দেখেনি , কোন অন্তর চিন্তাও করেনি ।
“হে আমার বান্দাগন ! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা, নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন । তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও করুনাময়।
[আয-যুমারঃ ৫৩] আমার সলাত, আমার সিজদাহ, আমার তাসবীহ কোন কিছুরই কি প্রয়োজন আছে আল্লাহ’র ? আমি তো ক্ষুদ্র, অতি নগন্য এক সৃষ্টি । এই পৃথিবীর তুলনায় আমি কত ক্ষুদ্র । আমাদের এই পৃথিবীর তুলনায় সূর্‌য প্রায় তের লক্ষগুন বড় । সূরযের পর আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে যে নক্ষত্র রয়েছে তার নাম Proxima Centauri . পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব প্রায় ৪.৫ আলোক বর্‌ষ । আলোর বেগ সবচাইতে বেশী । আলো এক সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে ফেলে । আর পৃথিবীথেকে এই আলোরই Proxima Centauri তে যেতে সময় লাগবে ৪.৫ বছর । ভাবা যায় কতদূরে আছে Proxima Centauri! এরকম ১০০ বিলিয়ন নক্ষত্র রয়েছে আমরা যে গ্যালাক্সিতে রয়েছি সেই ‘ মিল্কি ওয়েতে’। মহাবিশ্বে আবার ১০০ বিলিয়নের মতো গ্যালাক্সি রয়েছে । ২০০৪ সালে বিজ্ঞানীরা একটি নতুন গ্যালাক্সি আবিষ্কার করতে সক্ষম হন । যার নাম তাঁরা দেন ABEL 135 IR 116 . এই বাবাজি পৃথিবী থেকে ১৩.২ বিলিয়ন দূরে অবস্থিত । আর এই সব কিছুই প্রথম আসমানে । দ্বিতীয় আসমান প্রথম আসমানের তুলনায় কত বিশাল সেটা ব্যাখ্যা করার জন্য হাদীসে মরুভুমি এবং একটা আংটির কথা বলা হয়েছে । মরুভূমির বিশাল বুকে পড়ে থাকা একটি আংটি মরুভূমির তুলনায় যতটা ক্ষুদ্র । প্রথম আসমান দ্বিতীয় আসমানের তুলনায় ততোটুকুই ক্ষুদ্র । এভাবে দ্বিতীয় আসমান তৃতীয় আসমানের তুলনায় ক্ষুদ্র , তৃতীয়, চতুর্‌থ আসমানের তুলনায় ক্ষুদ্র । এভাবে চলতে চলতে সপ্তম আসমানে যেয়ে ঠেকে। পর্ব২ঃ https://t.me/TasawwufOfficial/3082 চলবে ইনশাআল্লাহ⏰

আয় কান্না ঝেঁপে (প্রথম অংশ) বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম সন্ধ্যার মরে আসে রোদ চিরকাল আমার মন খারাপ করে দেয় । মাঝে মাঝে সারাদিন ঝুম বৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টি কিছুটা ক্লান্ত হয়ে টিপ টিপ করে পড়ে বা কখনো সম্পূর্ণ থেমে যায় । ধূসর একটা আলোয় ভরে যায় চারপাশ । কেউ খেয়াল করে , কেউ করে না ।নারিকেল আর গগনশিরীষের বৃষ্টি ভেজা পাতা সেই ধুসর আলোতেও চিকচিক করে । দূরের আকাশে কালো একটা বিন্দুর মতো সোনালী ডানার চিল ভেসে বেড়ায় । করুন সুরে ডেকে ওঠে মাঝে মাঝে । চিরকাল খামখেয়ালী জীবন যাপন করা আমি উদাস হয়ে যায় । হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ইচ্ছে করে। কত বেদনা! কত বিচ্ছেদ! কত কথা রাখতে না পারা ! কথা দিয়েছিলাম আমার রব্বকে, ইয়া রব্ব! এবারের মতো মাফ করে দাও । আর কোনদিন একা রুমে ল্যাপটপে বসবনা । সেই কথা রাখতে পারিনি বহুবার আমার এই ২৩ বছরের জীবনে । বহুবার নির্লজ্জের মতো অন্ধকার জগতটাতে ফিরে গেছি । আর তারপর আক্ষেপের অশ্রু আমাকে ঘুম পাড়িয়েছে। অন্ধকার এত কেন টানে আমায়? রব্বের কাছে দু’হাত তুলে চেয়েছিলাম, “ইয়া রব্ব! ভালো একটা ভার্সিটিতে চান্স পাইয়ে দাও” আমার রব্ব আমাকে নিরাশ করেননি। ভার্সিটিতে আসার পর ভুলে গেলাম আমার রব্বকে । বন্ধু, আড্ডা,গান, ফেসবুকিং, চ্যাটিং এর ভীড়ে হারিয়ে ফেললাম আমার রব্বকে । আমার রব্ব কিছুই বলেননি আমাকে। কোন শাস্তিও দেননি । মনে রঙ লাগার বয়সে মনে ধরেছিল এক বালিকাকে । কালো হরিনী চোখের সেই বালিকা যখন সবুজ ওড়না মাথায় দিয়ে আড়চোখে তাকাতো, আমি তখন অভিকর্ষ বলকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে উড়াল দিতাম আকাশে। ভালোবাসা ছুঁয়ে ফেলতো আকাশ। পৃথিবীর সব সুখ চলে আসতো আমার দখলে। রব্বকে কথা দিয়েছিলাম, কখনো হারাম সম্পর্কে জড়াবো না । হারাম সম্পর্কে জড়ায়নি কখনো সেটা ঠিক , কিন্তু চেষ্টা তো কম করিনি ! রব্ব আমাকে দয়া করে প্রত্যেকবার ফিতনা থেকে বাঁচিয়েছেন । দুটো সিজদাহ্‌ কি কখনো দিয়েছি রব্বের এই রহমতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য? চাইলেই কি রব্ব পারেন না, আমার চোখদুটোর আলো কেড়ে নিতে ? যে চোখ দিয়ে আমি গোগ্রাসে গিলি এক্সরেটেড মুভি গুলো? যে চোখ দিয়ে আমি লুকিয়ে লুকিয়ে দেখি বালিকার রাঙ্গা রাজকন্যার মতো মুখটা ? কোন মুখে দাঁড়াবো আমি আমার রব্বের সামনে, যেদিন আমার চোখ, আমার হাত,আমার পা, আমার কান , আমার ত্বক সাক্ষ্য দিবে আমার বিরুদ্ধে ? আমাকে এমন আমলনামা পড়তে দেওয়া হবে যেটা্তে আমার করা প্রত্যেকটা কাজ খুটিনাটি সহকারে লিখা আছে ? সেদিন শুনছিলাম ইউসুফ (আঃ) এর অসাধারণ কাহিনী । চুড়ান্ত মাত্রার আল্লাহ্‌ভীতি, পবিত্র থাকার অদম্য ইচ্ছা ! ক্রীতদাস ইউসুফ(আঃ) এর ওপর ক্রাশ খেয়ে ফেললেন তাঁরই মালিকের স্ত্রী । মহিলার অবশ্য করার কিছু ছিলনা, আল্লাহ্‌, ইউসুফ (আঃ)কে পৃথিবীর অর্ধেক রূপ যে দিয়েছিলেন । মহিলা,কিভাবে নিজেকে সামলাবে ? ইউসুফ (আঃ) কে ফাঁদে ফেলার চক্রান্ত আটা শুরু হল । ইউসুফ (আঃ) হাত তুললেন আল্লাহ্‌র কাছে , “ইয়া আল্লাহ্‌ ! এরা আমাকে যেদিকে আহব্বান করে তার চেয়ে কারাগারো আমার অধিক প্রিয় ...’ জুলায়খা, ইউসুফ’র(আঃ) মালিকের স্ত্রী ছিল সুন্দরী,লাস্যময়ী সেই সঙ্গে তাঁর ওপর প্রভাবশীল। তারপরেও ইউসুফ (আঃ) ফিরিয়ে দিয়েছেন জুলায়খাকে । কতভাবেই না ইউসুফ (আঃ) কে প্রলোভন দেখানো হয়েছে । তারপরেও তাঁকে ভুলানো যায়নি । আর, আমি সামান্য কোন মেয়ের চাহনিতেই কুপোকাত হয়ে যায় । জুলায়খাদের এসে আমাকে প্রলোভন দেখাতে হয়না । আমি নিজেই ভার্চুয়াল জুলায়খাদের আড্ডায় হানা দেই । ঘন্টার পর ঘন্টা পড়ে থাকি নীল রঙের সেই জগতটাতে । বাস্তবে উনার মতো অবস্থায় পড়লে কি হাল হতো আমার ! ইউসুফ (আঃ) তো আমার মতোই রক্ত মাংসের মানুষ ছিলেন । পুরোপুরি তার মতো হতে নাই’বা পারলাম , কিছুটা যদি হতে পারতাম উনার মতো ! কিছুটা ! জানালার বাহিরের আকাশটা আজ অনেক কালো । মেঘ জমে একাকার শীতল একটা বাতাসে সজনে গাছের সাদা ফুল গুলো তিরতির করে কাপছে । বোধহয় একটু পরেই ঝুম বৃষ্টি নামবে । ইশ! আমার বুকের মধ্যেও যদি অনুতাপের মেঘ জমতো , অশ্রু হয়ে অঝোরে ঝরে পড়তো ভারী ভারী সেই মেঘগুলো! আমার অন্তর তো কঠিন হয়ে গেছে। অনেক কঠিন। পাথরের চেয়েও কঠিন। পাথর ফেটেও তো মাঝে মাঝে ঝরনা বের হয়ে আসে । কিন্ত আমার অন্তর তো আল্লাহর ভয়ে আল্লাহর স্মরনে বিগলিত হয় না । শেষ কবে সলাতে কেঁদেছি মনে আছে ? শেষ কবে ঐ জঘন্য পাপ কাজটা করার পর জায়নামাজে সিজদাহয় লুটিয়ে পড়ে ক্ষমা চেয়েছি ? কতটুকু ভালোবাসেন আল্লাহ আমাদেরকে ? কতটুকু ? এক মায়ের ছেলে হারিয়ে গিয়েছে । অনেক খোঁজাখুজির পরেও ছেলেকে পাওয়া গেলনা । মায়ের পাগল হতে বাকী । এমন সময় হারানো ছেলেকে পাওয়া গেল । মা পরম মমতায় জড়িয়ে ধরলেন ছেলেকে। ভালোবাসার অশ্রু তার দুগাল বেয়ে অঝোরে নামছে । রোদ পড়ে চিকচিক করছে মুক্তোর মতো । এই মায়ের পক্ষে কি এই অবস্থায় সাত রাজার ধন এই ছেলেকে আগুনে ফেলে দেওয়া সম্ভব হবে ? চলবে ইনশাআল্লাহ⏰

হে_অশালীন_ভিডিওতে_দৃষ্টিপাতকারী!_Shaikh_Saad_Al_Atik_with_Bangla.mp47.45 MB

পর্নোগ্রাফি তিলে তিলে ধ্বংস করে দিচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে

যুবকদের পাপ ছেড়ে আল্লাহর পথে ফিরে আসার হৃদয় জোড়ানো দৃশ্য!

হে যুবক, হে ভাই আমার,  তুমি কোথায় শান্তি খুঁজে বেড়াও "‼️ -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও নারীতে ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও জিনাতে ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও মিউজিক-এ ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও আ্যলকোহলে ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও নেশা, ড্রাগস, হিরোইন, কোকেইনে ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও তাস-জুয়ার আড্ডায় ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও পর্নোগ্রাফি-মাস্টারবেশনে ? -তুমি শান্তি খুঁজে বেড়াও টিভি, মুভি,গেমিং-এ ? ... আচ্ছা, তুমি কি জানো এই বিশ্বে মোট 300 মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ডিপ্রেশনের শিকার, যার মধ্যে অধিকাংশই তোমার মতো যুবক !  [১] .. ... তুমি কি জানো প্রতি 40 সেকেন্ডে 1 জন মানুষ সুসাইড করে নিজের জীবন শেষ করে, আর তাদের অধিকাংশই হলো তোমার মত যুবক ! [২] -- ভাই আমার, তুমি যেসবে শান্তি খোঁজো সেগুলো তোমাকে তোমার মস্তিক থেকে ডোপামিন রিলিজ করিয়ে কেবল সাময়িক শান্তি দেয়, কিন্তু এর বিনিময়ে তোমার জীবনকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় ! এসব জিনিস তোমাকে ডিপ্রেশন-এর রোগী বানিয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে তোমাকে সুসাইড করতে বাধ্য করে ! ..... যে হৃদয় আল্লাহকে চিনে না, যে হৃদয়ের আল্লাহর সাথে কোনো কানেকশন নেই, সেই হৃদয় কখনো শান্তি খুঁজে পেতে পারে না;  ওয়াল্লাহি। .... তাই, ভাই আমার;  নারী, জিনা, মিউজিক, আ্যলকোহল, নেশা, ড্রাগস, হেরোইন, কোকেইন, পর্নোগ্রাফি-মাস্টারবেশন, মুভি-সিরিজ, গ্যামিং ---ইত্যাদিতে কোনো শান্তি নেই ! "আর যে আমার স্মরণ থেকে বিমুখ হবে তার জন্য রয়েছে কষ্টের জীবন। [৩]ঈ ৹ শান্তি আছে আল্লাহর স্মরণে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর ইবাদতে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর দাসত্ব করে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর আনুগত্য করে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বাঁচতে, ৹ শান্তি আছে যে কাজে আল্লাহ খুশী হয়, তা করতে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর সামনে মাথা নত করতে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহকে সিজদা করার মাধ্যমে, ৹ শান্তি আছে আল্লাহর নিকট হতে পেরে, ৹ শান্তি আছে জীবনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী জীবন অতিবাহিত করতে, যা হলো "আল্লাহর ইবাদত করা"। وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ "আমি সৃষ্টি করেছি জিন ও মানুষকে এ জন্য যে, তারা আমারই ইবাদাত করবে। [৪] "যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণে প্রশান্ত হয়; জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়ে থাকে।  [৫] ..... তাই হে আমার প্রিয় ভাই তুমি ফিরে আসো আল্লাহর কাছে, তুমি ফিরে এসো আল্লাহর সন্তুষ্টির খোঁজে এবং জান্নাতের দিকে; তুমি পশ্চিমা বিশ্বকে অনুসরণ করো না, পশ্চিমা বিশ্ব তোমাকে যে সাফল্যের প্রলোভন দেখাচ্ছে তা আসলে মরুভূমির মরীচিকা, মিথ্যা, ফেইক এবং প্রতারণা কেবল ! "হে মানুষ! নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য; অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে।  [৬] আল্লাহর ওয়াদা কী ? আল্লাহর ওয়াদা হলো, "মাটি থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, মাটিতে তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেব এবং মাটি থেকেই আবার তোমাদেরকে বের করব।  [৭] তাই, আমার ভাই, গুনাহের জীবন ছেড়ে তুমি ফিরে আসো আল্লাহর কাছে, আল্লাহ তোমার ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন । "হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবের ইবাদাত কর, যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।" "তিনিই আল্লাহ, তোমাদের রব। তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। তিনি প্রতিটি জিনিসের স্রষ্টা। সুতরাং তোমরা তাঁর ইবাদাত কর। আর তিনি প্রতিটি জিনিসের উপর তত্ত্বাবধায়ক।" . . 📚রেফারেন্সঃ [৩]  কুরআন 20:124 [৪]  কুরআন 51:56 [৫]   কুরআন 13:28 [৬]  কুরআন 35:05 [৭]  কুরআন 20:55

আর দেখবোনা পর্ন-(পর্ব-৭) নফসকে ধোঁকা দেওয়া। https://youtu.be/VfXU-VWf__M?si=cDq7bDX4LrVqeG6D

আর দেখবোনা পর্ন-(পর্ব-৬) প্রথমে স্বল্প মেয়াদে পর্ণ দেখা থেকে বিরত থাকার হিম্মত করুন। https://youtu.be/CiLeBk9a3oU?si=qmC0oXvau_2iurJB

প্রচুরপড়ালেখা করতে হবে...!!
প্রচুরপড়ালেখা করতে হবে...!!

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা