fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید

One Ummah 2.0

One Ummah 2.0

رفتن به کانال در Telegram

মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন। জি৳হা৳দ সন্ত্রাস নয়, সন্ত্রাস জি৳হা৳দ নয়। আল্লাহ দ্রোহী ও ইসলামের শত্রুদের নির্মুল করার একটি আল্লাহপ্রদত্ত মাধ্যমের নাম জি৳হা৳দ।

نمایش بیشتر
5 664
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-1730 روز
آرشیو پست ها
অফিসিয়ালি ঘোষণা করা হয়েছে—আবু উবায়দা (রাহিমাহুল্লাহ) আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
অফিসিয়ালি ঘোষণা করা হয়েছে—আবু উবায়দা (রাহিমাহুল্লাহ) আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ইনকিলাব সেন্টারে নিয়মিত গোয়েন্দা এজেন্ট পাঠাতো DGFI তাদের এজেন্ট পাঠানো টা শুরু হয় ইনকিলাব মঞ্চ শুরুর হবার অনেকদিন পর থেকে। হাদী ভাইয়ের বিভিন্ন ভিডিও, টক শো, ইন্টারভিউগুলো যখন লাইমলাইটে আসতে শুরু করে, যখন আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন দলের, সেনাপ্রধানের এবং ভারতের সমালোচনা শুরু করে তখন থেকে পর্যবেক্ষণে নামে DGFI. প্রথমদিকে হাদী ভাইকে এবং ইনকিলাব মঞ্চকে তেমন একটা আমলে নেয়নি তারা। কিন্তু যখন লাইমলাইটে আসে তখন তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করে পুরো বিষয়ে একটা রিপোর্ট জানাতে বলা হয়েছিল। তাই তারা সরাসরি লোক পাঠিয়ে বুঝার চেষ্টা করছিল ওসমান হাদী আসলেই ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্যে থ্রে*ট কি-না। এজন্যে ইনকিলাব সেন্টারে সিভিল বেশে গোয়েন্দা এজেন্ট পাঠানো হতো। সেটা তারা পাঠাতো হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে। ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এমনিতেই নিয়মিত DGFI এর কয়েকজন এজেন্টরা অবস্থান করে। বড় বড় রাজনীতিবিদদের মিটিং গুলোও হতো এই হোটেলে। কারণ এখানে সবচেয়ে বেশি প্রাইভেসি পাওয়া যেত, নিউজ লিক হবার সম্ভাবনা কম ছিল। অন্য জায়গা থেকে এজেন্ট না পাঠিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকেই এজেন্টদের পাঠানোর সবচেয়ে বড় কারণ ছিল- এখান থেকে ইনকিলাব সেন্টারে যেতে সময় লাগে মাত্র ১০-১২ মিনিট। যেহেতু তারা একটা দীর্ঘ সময় যাবত পর্যবেক্ষণ করতে চেয়েছিল সেজন্যেই এই হোটেলে অবস্থান নেয়া এজেন্টদের পাঠাতো। যুদ্ধের আগে সৈন্যরা যেমন শত্রুর পরিস্থিতি রেকি করে ঠিক তেমনি DGFI তাদের লোক পাঠিয়ে হাদী ভাইয়ের মোটিভ এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতিটা বুঝার চেষ্টা করছিল। সে তাদের পুরো গ্রুপটার জন্যে থ্রে*ট কি-না সেটাও বুঝার ট্রাই করছিল। সেজন্যে DGFI এর পাঠানো লোক ইনকিলাব সেন্টারে কি কি বই আছে, কারা এখানে আসে, এখানে কি কি কার্যক্রম হয়, কি শেখানো হয় সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিল। এমনকি বইগুলোও ঘেঁটে ঘেঁটে দেখতো কোন টাইপের বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সেখানকার বেশিরভাগ বই ই ছিল অবশ্য ভারতীয় আধিপত্যবাদ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বিপ্লব সংক্রান্ত বই। ওরা যখন পর্যবেক্ষণ করছিল তখন হাদী ভাইয়ের খু*নী ফয়সাল অ*স্ত্র মামলায় জেলে ছিল। কোনদিন কি কি পর্যবেক্ষণ করেছে সেসব ওরা আবার ভারতীয় বিভিন্ন রাজনীতিবিদদের কাছে পাঠাতো। রাজনীতিবিদ হয়ে কিছু ভারতীয় সাংবাদিকও সেসব নিউজ পেত। ভারতীয় পত্রিকা The Hindu হাদী ভাইয়ের ইনকিলাব সেন্টারে কোনদিন কি কি হয়েছে সেগুলো নিয়েও নিউজ করেছিল। ভিতরকার এত ডিটেইলস ভারতে বসে সাংবাদিকের জানার কথা না। মূলত নিউজ বাইপাস হয়েছে। পরে হাদী ভাইয়ের হ*ত্যার পর The Hindu পত্রিকাটা ওই আর্টিকেলগুলো ডিলিট করে দিয়েছে (কমেন্টে সেগুলোর স্ক্রিনশট দিয়েছি)। আমাদের সোর্সদের মতে DGFI তাদের এজেন্ট পাঠিয়ে আনুমানিক ২০-২৫ দিনের মতো ইনকিলাব সেন্টারে রেকি করিয়েছিল। তারপর তারা ফাইনাল রিপোর্ট এবং ফাইনাল সিগনাল দেয় যে ওসমান হাদী এবং ইনকিলাব মঞ্চ ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে থ্রেট হিসাবে গণ্য হতে পারে। তাকে সরিয়ে দেয়াটাই বেটার। DGFI এর এজেন্টরা এই সংবাদটা পাঠায় যারা তাদেরকে এ কাজে নিযুক্ত করেছিল তাদের কাছে। এর মাসখানেক পরই শ্যুটার ফয়সালকে অবৈধভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং বিপুল টাকা খরচ করে জামিন নিয়ে দেয়া হয়। দুই দুইবার জামিন নিয়ে দেয়া হয়েছিল তাকে। তাকে মূলত এই কি*লিং মিশনের উদ্দেশ্যেই বের করা হয়েছিল এবং বর্ডার ক্রস করিয়ে দেয়ার আশ্বাসও দেয়া হয়েছিল। তারপরই শ্যুটার ফয়সাল তার চুল ছোট করে, চোখে কন্টাক্ট লেন্স লাগিয়ে পুরো লুক পাল্টিয়ে হাদী ভাইয়ের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করতে থাকে। তাকেও শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল কিভাবে কিভাবে মিশতে হবে। শ্যুটার ফয়সাল সেই অনুযায়ীই হাদী ভাইয়ের সাথে মিশে এবং নির্বাচনী প্রচারণাও চালায়। এভাবেই ১০-১৫ দিন একসাথে থেকে বিশ্বস্ততা অর্জন করার পর হাদী ভাইকে খু*ন করার মিশনটা সাকসেসফুল করে সে। তার পালিয়ে যাওয়ার সব সেট-আপও আগে থেকেই রেডি করা ছিল বেশ কয়েকটা গ্রুপের মাধ্যমে। মূলত হাদী ভাইকে খু*ন করার আগে গোয়েন্দাদের দুইটা ইউনিটের এজেন্ট পাঠিয়ে বুঝার চেষ্টা করা হয়েছিল ওসমান হাদী ভবিষ্যত রাজনীতির জন্যে এবং তাদের উর্ধ্বতন নেতাদের জন্যে হুমকিস্বরূপ কি-না। পর্যবেক্ষণ করে বুঝার পরপরই বাকি কাজগুলো ধাপে ধাপে করা হয়েছিল। এমনকি বিচার না করা এবং বিচারের ব্যাপারে মুখ না খোলার পিছনেও ব্যাকআপের জন্যে লাস্ট স্টেপের আরেকটা গ্রুপ কাজ করছে যাদের কাজই ছিল মে*রে ফেললে আইন,আদালত এবং টাকা-পয়সার ব্যাকআপটা দেয়া। আমাদের সমস্ত অনুসন্ধান, ইনফরমেশন এবং সবকিছু ক্রসচেক করার পর মনে হচ্ছে- ঠিক এভাবেই হাদী ভাইকে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ রাজনীতি থেকে এবং পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে! - Ibrahim Khalil Shawon

বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপির কেউ প্রার্থী হলে দল থেকে বহিস্কার করবে। জোটবদ্ধ হয়ে যারা বিএনপির ধানের শীষে নির্বাচন করবে, নিশ্চিতভাবেই সেই আসনে পূর্বেই বিএনপির সবুজ সংকেত পাওয়া বিএনপির নেতা পদত্যাগ করে প্রার্থী হবেন অথবা বিএনপি নিজেই তাকে বহিস্কার করবে। নির্বাচনে বিএনপির সাথে জোট করা ব্যক্তি হেরে যাবে, জিতে যাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী। জয়ী হবার ১ মাসের মাথায় আবার বিএনপিতে যোগদান করবেন তথাকথিত বহিস্কৃত নেতা/নেত্রী, বিএনপিও তাকে কাছে টেনে নেবেন। বিএনপির সাথে আসন ভাগাভাগি করা নেতারা একুল ওকুল হারানোর বেদনায় হায়হুতাশ করবে সেটা দেখার অপেক্ষায় রইলাম...

🤣
+1
🤣

পাকিস্তান 🇵🇰: তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখোয়ার বারায় একটি পাকিস্তানি সেনা পোস্টে আক্রমণ করেছে।

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী মহান বিপ্লবী শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যার দায়ে ভারতকে অভিযুক্ত করে বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ করেছে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ। শিখ ফর জাস্টিস (এসএফজে) নামে একটি সংগঠনের নামে যুক্তরাষ্ট্রেরও ওয়াশিংটন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, কানাডার টরেন্টো, ভ্যানকুভার, ইতালির মিলান এবং অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে তারা বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন তাদের নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জার এবং ওসমান হাদিকে হত্যার পেছনে সরাসরি ভারতের হাত রয়েছে। দুজনই ভারতের বিরোধীতা করতেন। এ কারণে তাদের হত্যা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে কানাডার ব্রাম্পটোনে হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে গুলি করে ভারতীয় গুপ্তচররা। শিখ কমিউনিটির অভিযোগ ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল। নিজ্জারকে হত্যার ঘটনায় ভারত ও কানাডার সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি ঘটেছিল।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার পর সরাসরি হামলার সাথে যুক্ত না এমন অনেককেও গ্রেফতার প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার পর সরাসরি হামলার সাথে যুক্ত না এমন অনেককেও গ্রেফতার প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম

পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের পাকিস্তান মুসলিম লীগ এর যুবশাখার প্রেসিডেন্ট একটি ভিডিওবার্তায় বলেন:
ভারত যদি বাংলাদেশে আক্রমণ করে বা তাদের নজর দেয় তবে তারা জেনে রাখুক আমাদের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী, মিসাইল তাদের থেকে খুব বেশি দূরে নয়।

ইয়ে কিয়া!

এই প্রথম আলো নিয়ে মায়াকান্না কাদের সেটা স্পষ্ট!
এই প্রথম আলো নিয়ে মায়াকান্না কাদের সেটা স্পষ্ট!

+1
বুর্কিনাফাসো 🇧🇫: সাহেলের আল-কায়েদা (জেএনআইএম) বুর্কিনাফাসোর সরকার তাগুদ সেনাবাহিনীর প্রথম ইব্রাহীম ট্রাওরেকে বার্তা দেওয়ার জন্য একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে।

🗣 হামাস: - সন্ত্রাসী দখলদার সরকার গাজা উপত্যকায় বেসামরিক লোকদের ইচ্ছাকৃত এবং ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্য করে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। চুক্তি ঘোষণার পর দুই মাসের বেশি সময়ে ৪০০ এর বেশি মানুষ শহীদ হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরাধের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমাজের অক্ষমতা এবং নীরবতা বিস্ময়কর। - আমরা যুদ্ধবিরতির গ্যারান্টিদাতা এবং মার্কিন প্রশাসনকে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি; লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে, যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহু সরকারের চুক্তির মূলের বিরুদ্ধে চাপ বন্ধ করতে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করতে।

আজ রবিবার ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৭ ০৬ পৌষ ১৪৩২ বাংলা -------------------- ফজর- ৫:১৩ মিনিট জোহর- ১১:৫৮ মিনিট আসর- ৩:৩৭ মিনিট মাগরিব- ৫:১৭ মিনিট ইশা- ৬:৩৫ মিনিট ------------------------- আজ সূর্যাস্ত- ৫:১৪ মিনিট আজ সূর্যোদয়- ৬:৩৩ মিনিট

ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন (হামাস) প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর...

আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার প্রতিবাদ করছে বাংলাদেশের মুসলিম সমাজ। হাতে কাগজ ও কাঠ দিয়ে তৈরি প্রতীকী RPG ও উসামা বিন লাদেনের
আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার প্রতিবাদ করছে বাংলাদেশের মুসলিম সমাজ। হাতে কাগজ ও কাঠ দিয়ে তৈরি প্রতীকী RPG ও উসামা বিন লাদেনের ছবি। সময়কাল: ২০০১ সালের অক্টোবর। স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।

photo content

আগামী পরশু ১৬ই ডিসেম্বর। এই উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে স্বাধীনতাবিরোধীদের কল্পিত চেহারা এঁকেছে চু-শীলরা। ৭১এর স
আগামী পরশু ১৬ই ডিসেম্বর। এই উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে স্বাধীনতাবিরোধীদের কল্পিত চেহারা এঁকেছে চু-শীলরা। ৭১এর স্বাধীনতাবিরোধীরা এমন শ্মশ্রুমণ্ডিত ছিলো? পরিবর্তিত বাংলাদেশেও কাঠামোগত ইসলাম-বিদ্বেষ থেকে এই হতভাগা জাতির মুক্তি মিলল না, হায় বাংলাদেশ! হায় বাংলাদেশের মুসলিম জনতা! তোমার দুর্ভোগ আর কমনো না, তোমার অবকাঠামো থেকে ইসলামবিদ্বেষ আর গেলো না। ©

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে জান্তা বাহিনী ও আল-ক|(য়দ| সংশ্লিষ্ট জেএ/নআইএম মু*জ|হিদদের মধ্যে এক মাসের অঘোষিত যু/দ্ধবিরতির অবসান ঘটেছে। ফলে জান্তা বাহিনীর উপর হ|মল|র তীব্রতাও বেড়েছে। আঞ্চলিক গণমাধ্যম ও ফ্রান্স-২৪ এর সিনিয়র রিপোর্টার ওয়াসিম নাসেরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ নভেম্বর থেকে মালির ক্ষমতাসীন জান্তা ও সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী জেএ/নআইএম'এর মধ্যে একটি অঘোষিত যু/দ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই যু/দ্ধবিরতির অংশ হিসাবে জান্তা বাহিনীর জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলিকে হ|মল|র লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত থাকে জেএ/নআইএম। সেই সাথে জেএ/নআইএম তাদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে জান্তা প্রশাসনের জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলিকে নিরাপদে রাজধানী বামাকো ও দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে  প্রবেশের অনুমতি দেয়। জ্বালানি ট্যাঙ্কারের হ|মল|র মধ্যে সীমাবদ্ধ এই যু/দ্ধবিরতির বিনিময়ে জান্তা বাহিনী ১৪৫ জন জেএ/নআইএম যোদ্ধাকে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। চলতি ডিসেম্বর মাসের ৫ তারিখ শুক্রবার ছিলো এই যু/দ্ধবিরতির শেষ দিন, ফলে এদিন জেএ/নআইএম'এর শর্ত অনুযায়ী ফুলানী বংশের সাথে সম্পৃক্ত সর্বশেষ ৪৫ জন কারাবন্দীকেও মুক্তি দেয় জান্তা প্রশাসন। শুক্রবার যু/দ্ধবিরতি শেষ হওয়ার একদিন পর, অর্থাৎ ৬ ডিসেম্বর শনিবার, জেএ/নআইএম পূণরায় জান্তার জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলি ট|র্গেট করতে শুরু করেন। এই ধারাবাহিকতায় জেএ/নআইএম যু/দ্ধবিরতির পর জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলি লক্ষ্য করে শনিবার সকালে প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করেন বোগৌনির কাছে। প্রায় ২০০টি ট্যাঙ্কার নিয়ে ঘটিত উক্ত জ্বালানি কনভয়ে মু*জ|হিদদের হ|মল|য় কয়েক ডজন জান্তা সদস্য হতাহত হয় এবং কনভয়ে থাকা শতাধিক জ্বালানি ট্যাঙ্কার ধ্বংস ও অকার্যকর হয়ে পড়ে।

photo content

আজ দুপুর ২টায়..
আজ দুপুর ২টায়..