Dawah Min Al-Qalb
আপনার পছন্দের ডিজাইন করিয়ে নেয়ার জন্য যোগাযোগ করুন 01748059078 আমাদের ফেসবুক পেইজে 👇 https://www.facebook.com/profile.php?id=61559929252953&mibextid=ZbWKwL
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام Dawah Min Al-Qalb
کانال Dawah Min Al-Qalb (@me_dawahminalqalb) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 13 411 مشترک است و جایگاه 6 513 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 741 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 13 411 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 25 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -333 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -11 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 5.76% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 2.59% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 772 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 348 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 12 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“আপনার পছন্দের ডিজাইন করিয়ে নেয়ার জন্য যোগাযোগ করুন 01748059078
আমাদের ফেসবুক পেইজে 👇
https://www.facebook.com/profile.php?id=61559929252953&mibextid=ZbWKwL”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 26 اوت, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 26 اوت | 0 | |||
| 25 اوت | 0 | |||
| 24 اوت | 0 | |||
| 23 اوت | 0 | |||
| 22 اوت | 0 | |||
| 21 اوت | 0 | |||
| 20 اوت | 0 | |||
| 19 اوت | 0 | |||
| 18 اوت | 0 | |||
| 17 اوت | 0 | |||
| 16 اوت | 0 | |||
| 15 اوت | 0 | |||
| 14 اوت | 0 | |||
| 13 اوت | 0 | |||
| 12 اوت | 0 | |||
| 11 اوت | 0 | |||
| 10 اوت | 0 | |||
| 09 اوت | 0 | |||
| 08 اوت | 0 | |||
| 07 اوت | 0 | |||
| 06 اوت | 0 | |||
| 05 اوت | 0 | |||
| 04 اوت | 0 | |||
| 03 اوت | 0 | |||
| 02 اوت | 0 | |||
| 01 اوت | 0 |
| 2 | "পাপ জীবনের বরকত মুছে দেয়। রিযক, ইলম, আমল, আনুগত্য, মোটকথা, দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় বরকত কেড়ে নেয়। এ জন্য দেখবেন পাপীদের জীবন বরকতশূন্য। তাদের দ্বীনদারিতায় না বরকত আছে, না দুনিয়াদারিতায়। এভাবে সৃষ্টির পাপ করার কারণে জমিনও তার বরকত হারায়।
রিযকের প্রশস্ততা রিযকের আধিক্যের মাঝে নয়। বয়সের দীর্ঘতা লম্বা মাস আর বছর পাবার মাঝে নয়। বরং রিযকের প্রশস্ততা এবং বয়সের দীর্ঘতা কেবল এর বরকতেই নিহিত।
রিযক ও হায়াতের বরকত হারানোর পেছনে যদি কাউকে দায়ী করতে হয়, তাহলে আল্লাহর অবাধ্য হওয়াকে দায়ী করুন। কেননা শয়তানকে শুধু তার সহচরদের ওপর কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে। তাদের ওপরই সে ছড়ি ঘুরায়। আর শয়তানের সাথে যে যুক্ত হয়, তার সঙ্গ নেয়, সে নির্ধাত বরকত হারায়।
এ জন্যই খাওয়া-পানাহারে, কাপড় পরিধানে, বাহনে আরোহণকালে ও সহবাসের সময় আল্লাহর নাম নিতে বলা হয়েছে। বরকত আল্লাহর নামেই। তাঁর স্মরণ শয়তানকে হটিয়ে দেয় এবং বরকতের বারিধারা নামায়। পথরোধ করার মতো কেউ তখন থাকে না।
জীবনের বরকত, রিযকের বরকত, ইলম ও আমলের বরকত হারানোর মূলে আছে পাপ, যা মারাত্মক প্রভাবশালী। যে সময়টা আপনি আল্লাহর অবাধ্যতায় কাটালেন, যে অর্থ-সম্পদ, দেহ-শক্তি, যশ-খ্যাতি, জ্ঞান-গরিমা আর কৃতকর্মের মাধ্যমে তাঁর অবাধ্যতায় লিপ্ত হলেন, তার সবগুলোই অযথা নষ্ট করলেন। আপনার অর্জন তীরে এসে তরী ডোবার মতো।
বান্দা দুনিয়াতে যা-ই হারায়, এর ক্ষতিপূরণ মেলে। কিন্তু যখন আল্লাহকে হারায়, তার ক্ষতিপূরণ হয় না।
না কোনোকিছু এর যোগ্যতা রাখে।
কাজেই প্রকৃত জীবন তাকেই বলা হবে, যে জীবন আল্লাহর আনুগত্যে কেটেছে। সত্যিকারের সম্পদ, শক্তি, সম্মান, জ্ঞান আর ভালো কাজ সেটাই, যা আল্লাহর আনুগত্যের অংশ।"
- ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহ.
[আত্মার ওষুধ: ১১১/১১৪] | 86 |
| 3 | এগুলোকে হালাল মনে করার কোনো যুক্তি নেই।
#dawah_min_al_qalb | 234 |
| 4 | 𝗠𝗔𝗪𝗟𝗜𝗗 𝗜𝗦 𝗕𝗜𝗗𝗗𝗔𝗛!
𝗠𝗔ওলিদ (মিলাদ) হলো বিদআত!
শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেন:
“এই [মাওলিদ] আমলটি সালাফগণ করেননি; অথচ তারা তা করার সক্ষমতা রাখতেন এবং তাদেরকে তা করতে কোনো কিছু বাধা দেয়নি।
সুতরাং, যদি এটি কল্যাণকর কোনো আমল হতো, তাহলে অবশ্যই সালাফগণ তা করতেন।
কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি তাদের ভালোবাসা আমাদের ভালোবাসার চেয়েও অধিক ছিল।”
📚 ইকতিদাউস সিরাতিল মুস্তাকীম, ২/১২৩।
~ সংগৃহীত
#dawah_min_al_qalb | 321 |
| 5 | একদিন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মজলিসে হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বসে ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁকে গালিগালাজ ও নানা অপবাদ দিতে শুরু করল।
হযরত আবু বকর (রা.) অত্যন্ত ধৈর্য ধরে চুপচাপ সব শুনতে থাকলেন। তিনি লোকটির কোনো কথারই প্রতিবাদ করলেন না।
লোকটি একের পর এক অপবাদ দিয়ে যাচ্ছিল। আর হযরত আবু বকর (রা.) মাথা নিচু করে নীরবে সব সহ্য করছিলেন। তাঁর এই ধৈর্য দেখে রাসূলুল্লাহ ﷺ মুচকি হাসছিলেন।
একপর্যায়ে লোকটি সীমা ছাড়িয়ে গেলে হযরত আবু বকর (রা.) তার একটি কথার জবাব দিলেন।
তিনি জবাব দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির ছাপ ফুটে উঠল। তিনি মজলিস থেকে উঠে চলে গেলেন।
হযরত আবু বকর (রা.) চিন্তিত হয়ে পড়লেন। তিনি ভাবলেন, হয়তো তাঁর কোনো আচরণে রাসূলুল্লাহ ﷺ কষ্ট পেয়েছেন।
তিনি দ্রুত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পিছু নিলেন এবং বললেন,
“হে আল্লাহর রাসূল! লোকটি আমাকে এতক্ষণ গালি দিল, অথচ আপনি কিছু বললেন না; বরং মুচকি হাসছিলেন। কিন্তু আমি যখন তার একটি কথার জবাব দিলাম, তখন আপনি রাগ করে চলে এলেন! আমার কি কোনো ভুল হয়েছে?”
রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন,
“হে আবু বকর! যতক্ষণ তুমি চুপ ছিলে এবং তার কথার কোনো জবাব দিচ্ছিলে না, ততক্ষণ একজন ফেরেশতা তোমার পক্ষ থেকে তার জবাব দিচ্ছিল। আর আমি সেই দৃশ্য দেখে মুচকি হাসছিলাম।
কিন্তু যখন তুমি নিজেই তার কথার জবাব দিতে শুরু করলে, তখন ফেরেশতা চলে গেল এবং তার জায়গায় শয়তান এসে গেল। আর যেখানে শয়তান থাকে, সেখানে আমি বসতে পারি না।”
এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন,
“হে আবু বকর! তিনটি বিষয় সত্য — এগুলো অবশ্যই ঘটবে।
প্রথমত: কোনো বান্দার ওপর জুলুম করা হলে সে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তা ক্ষমা করে দেয়, তাহলে আল্লাহ অবশ্যই এর বিনিময়ে তাকে সাহায্য করবেন এবং তার সম্মান ও মর্যাদা বাড়িয়ে দেবেন।
দ্বিতীয়ত: যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার উদ্দেশ্যে দান করে, আল্লাহ অবশ্যই তার সম্পদ বাড়িয়ে দেবেন।
তৃতীয়ত: যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ বাড়ানোর আশায় মানুষের কাছে হাত পাতে, আল্লাহ অবশ্যই তার অভাব-অনটন বাড়িয়ে দেবেন।”
সব কথার জবাব দেওয়া জরুরি নয়। কখনো কখনো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নীরব থাকাই উত্তম। অন্যায় কথার জবাব না দিয়ে ধৈর্য ধরলে আল্লাহ নিজেই বান্দার সম্মান রক্ষা করার ব্যবস্থা করেন।
সূত্র: মুসনাদে আহমদ, সুনানে আবু দাউদ
Salman Farsi
#dawah_min_al_qalb | 355 |
| 6 | بدون متن... | 277 |
| 7 | বান্দার জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর বিষয় হচ্ছে তার কর্মহীনতা ও অবসর সময় (ফ্রি টাইম)।
#dawah_min_al_qalb | 356 |
| 8 | 🤍🤍
#dawah_min_al_qalb | 122 |
| 9 | কতো দয়াময় আপনার রব, ভাবুন!
#dawah_min_al_qalb | 440 |
| 10 | পাঁচটি বিষয় আসার আগে,
পাঁচটি বিষয়কে মূল্যায়ন করো।
#dawah_min_al_qalb | 453 |
| 11 | হে আমার রব! তুমি আমাদেরকে নামাজ আদায়কারী বানাও....
#dawah_min_al_qalb | 447 |
| 12 | আলহামদুলিল্লাহ 🤍
#dawah_min_al_qalb | 458 |
| 13 | সুবহে সাদেকে যে ঘুমাতে যায় সে কী করে দেখবে ফজরের সৌন্দর্য কেমন?
— বই: হলুদ ফুলের ইনকিলাব,পৃষ্ঠা: ১০
#dawah_min_al_qalb | 448 |
| 14 | বদনজর থেকে বাচাঁর জন্য নিম্নোক্ত দোয়াটি পড়তে পারেন👇
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ "
আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমা দ্বারা প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টির অনিষ্ট হতে পানাহ চাচ্ছি।
সহিহ বুখারী : ৩৩৭১
#dawah_min_al_qalb | 551 |
| 15 | الحمد لله . ♡ | 534 |
| 16 | উম্মুল মু'মিনিন আয়িশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন,
( ইয়া রাসূলুল্লাহ) আপনি ঋণ থেকে এত বেশি আশ্রয় চান! তিনি বললেন, মানুষ যখন ঋণগ্রস্ত হয় তখন কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে।
[ সহীহ বুখারী, হাদীস ৮৩২ ]
রাসূল দুয়া করতেন,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ المَأْثَمِ وَالمَغْرَمِ .
" হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে গুনাহ এবং ঋণ থেকে আশ্রয় চাই।"
[ সহীহ বুখারী ] | 603 |
| 17 | ঘটনাটি পড়ছিলাম আর কাঁদছিলাম। মানুষের হিসাবে অসম্ভব মনে হলেও এমন দুয়া কবুলের ঘটনাগুলি সত্যই কাঁদিয়ে দেয়। আমাদের অনেকের জীবনে এমন ছোট বড় নানা ঘটনা আছে দুয়া কবুলের।
...
মক্কার একজন আলেম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হলেন।
রাস্তায় খুঁজে পেলেন একটি ব্যাগ। ব্যাগটা নিয়ে ঘরে আসলেন। খুলে দেখলেন সেটাতে একটি হীরার নেকলেস!
তিনি বলেন, এমন নেকলেস আমি আমার জীবনে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি কয়েকশো কোটি টাকার মালিক!
কিছুক্ষণ পর দরজায় একজন নক করলো। তিনি দরজা খুললেন। একজন বৃদ্ধ বললো, "আমি আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে ফেলছি। সম্ভবত আশেপাশের কোথাও পড়েছে। কেউ যদি ব্যাগটি পেয়ে থাকেন, তাকে আমি ৫০০ দিনার দেবো।"
৫০০ দিনার মানে কয়েক কোটি টাকা!
যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাস্তায় বের হলেন, তিনি হীরা পেলেন, হীরা ফেরত দেবার বিনিময়ে কোটি টাকার অফার পেলেন, সেই ব্যক্তি আমাদের কাছে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে না?
কিন্তু, তিনি ভাবলেন অন্য কিছু। তিনি ভাবলেন, এই হীরার মালিক আমি নই, এগুলোর বিনিময়ে ৫০০ দিনার গ্রহণ করা আমার জন্য ঠিক হবে না।
ফলে, বৃদ্ধকে হীরার থলেটি ফিরিয়ে দিলেন।
মক্কায় জ্ঞানার্জন করতে লাগলেন। এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো।
একবার তিনি কয়েকজনের সাথে ভ্রমণে বের হলেন। নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। মাঝপথে ঝড় ওঠে। নৌকা ডুবে যায়, প্রায় সবাই মৃত্যুবরণ করে।
সেই আলেম কোনোরকম একটা তীরে ফিরেন। অপরিচিত দ্বীপে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বললেন। তখন নামাজের সময় হলো।
একজন তার পোশাক দেখে জিজ্ঞেস করলো, "আপনি নামাজ পড়াতে পারবেন?"
তিনি বললেন, "হ্যাঁ, পারবো।"
তার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ। তাকে তারা ইমাম হিশেবে রেখে দিলো। তিনি কুরআন পড়তে পারতেন। সেখানকার বাচ্চাদের কুরআন শেখাতে লাগলেন।
প্রতিদিন নানান উপহার-উপঢৌকন আসতে থাকে। দ্বীপের লোকেরা ইমাম সাহেবকে ছাড়তে রাজি না। এমন ইমাম পেয়ে তারা খুব খুশি।
তিনিও ভাবতে লাগলেন, কই থেকে কই আসলেন? একেবারে অপরিচিত এলাকার মানুষ তাকে আপন করে নিলো। আল্লাহ তার রিযিকের কী সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন!
ইমাম সাহেব যেন তাদেরকে ছেড়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তারা একজন ইয়াতিম মেয়ের সাথে ইমামের বিয়ে দিতে চাইলো। অনেকটা জোর করেই বিয়ে দিলো!
ইমাম সাহেব বাসর রাতে স্ত্রীকে দেখে অবাক। তিনি দেখতে পেলেন স্ত্রীর গলায় সেই হীরার নেকলেস, যেটা তিনি মক্কায় ফেরত দিয়েছিলেন বৃদ্ধকে!
পরদিন লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে সম্ভব?
লোকজন চিৎকার করে বললো, "আল্লাহু আকবর!"
এমন চিৎকারে ইমাম সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন।
লোকজন বললো, "কয়েকবছর আগে আমাদের এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মক্কা থেকে ফিরে একটি ঘটনা শুনান। সেখানে এক যুবক তার হারিয়ে যাওয়া হীরের নেকলেস ফেরত দিয়েছে, যা তিনি নিজের মেয়ের জন্য কিনেছিলেন।
এলাকায় ফিরে তিনি আফসোস করতে থাকেন সেই যুবকের জন্য। তিনি ইচ্ছাপোষণ করেন সেই যুবকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবেন।
কিন্তু, তার আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন!
দেখুন, আপনার তাকদীর, সেই সম্ভ্রান্ত লোকের দু'আ আপনাকে এখানে নিয়ে আসলো। আপনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করেন, যার জন্য সেই মেয়ের বাবা দু'আ করে যান। যেই হীরার নেকলেস আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এখন সেই নেকলেস আপনার ঘরে!"
সেই মহান আলেমের নাম ছিলো কাদিল মারিস্তান।
তার মনে পড়লো কুরআনের একটি আয়াত:
"ধৈর্যধারণ করো। আল্লাহ পুণ্যবানদের প্রতিদান নষ্ট করেন না!" [সূরা হুদ: ১১৫]
- আরিফুল ইসলাম
#dawah_min_al_qalb | 637 |
| 18 | بدون متن... | 483 |
| 19 | নিশ্চয় পরকাল হচ্ছে চিরস্থায়ী আবাস.....।
#dawah_min_al_qalb | 545 |
| 20 | দুঃখে ভারাক্রান্ত হৃদয়টা নিয়ে মানুষের দুয়ারে শতবার গিয়েছি। কিন্তু প্রতিবারই তাদের থেকে আরো দ্বিগুন দুঃখ নিয়ে ফিরেছি।
আর অবশেষে আমি বুঝেছি,
দুঃখ নিয়ে মানুষের দুয়ারে যেতে নেই। মানুষেরা দুঃখ মুছতে পারে না। তারা শুধু পারে ক্ষত হৃদয়ে আরো ক্ষত সৃষ্টি করতে!
দুঃখ শোনার জন্য আমার রব আছেন।
আর হৃদয়ের ক্ষতগুলো উপশমের জন্যও তিনিই যথেষ্ট।
— উম্মু নুসাইবাহ
#dawah_min_al_qalb | 652 |
