fa
Feedback
19th NTRCA Information & Exam

19th NTRCA Information & Exam

رفتن به کانال در Telegram

১৯ তম/৯ম শিক্ষক নিবন্ধনের & অন্যান্য চাকরির সকল প্রকার আপডেট পেতে & মডেল টেস্ট পরীক্ষা দিতে আমাদের সাথেই থাকুন।

نمایش بیشتر
1 065
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
+630 روز
آرشیو پست ها
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন–ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে আজ এ সংক্রান্ত প্র
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন–ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে আজ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হয়েছে। যা চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত করা হয়েছে। ©দৈনিক প্রথম আলো

মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নম্বর নিয়ে আলোচনা হয়। স
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নম্বর নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে ভাইভার নম্বর ২০ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করার প্রস্তাব করা হয়। তবে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার নম্বরে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। আগের মতোই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১০০ এবং লিখিত পরীক্ষায় ১০০ নম্বর থাকবে। পরিবর্তন আসবে শুধু মৌখিক পরীক্ষার নম্বরে।

আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা ধ্বংসের মুখোমুখি--- ১. অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত। তাহলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বেশি
আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা ধ্বংসের মুখোমুখি--- ১. অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত। তাহলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বেশি সাবজেক্ট পড়বে কেন? অথচ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বিশেষায়িত শিক্ষা ব্যবস্থা। এখন থেকে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বাছাইয়ে মাদ্রাসা বোর্ডের বাইরে আরো ১০টি বোর্ড এবং অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন অনুসরণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই অতিরিক্ত লোড ভীতি মাদ্রাসা বিমুখ করবে। ২. দাখিল পরীক্ষার ফলাফল সকল বোর্ডের চেয়ে খারাপ এবার। মাত্র ৫৫ শতাংশ পাশ নিয়ে দেশের সর্ব নিম্ন অবস্থান এখানে। ৩. সরকারিকরণে কোনো ক্যারায়টেরিয়াতে একটি মাদ্রাসাকেও নেওয়া হচ্ছে না। ৪. মিড ডে মিল প্রজেক্ট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এখনো নিশ্চিত হয়নি। ৫. স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা সরকারীকরণে বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ নেই। ৬. জনবল কাঠামোতে বৈষম্য তীব্র। শিক্ষার্থী অনুপাতে সেকশন অনুমতি নেই। এসকল বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম মাদ্রাসা শিক্ষাকে সংকোচিত করছে।অথচ মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ফোরামগুলো এ ব্যাপারে যথেষ্ট পরিমাণে সোচ্চার নয়।

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের ইতিহাস: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে মোট আবেদন করেছিলেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন প্রার্থী। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায়
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের ইতিহাস: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে মোট আবেদন করেছিলেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন প্রার্থী। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৩৩ জন, যার মধ্যে পাস করেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন। এরপর লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৮০ জন এবং এতে উত্তীর্ণ হন ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন প্রার্থী। সবশেষে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ৬০ হাজার ৫২১ জন পাস করেছেন। চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পেয়েছেন ৫০ হাজার জন।

সরকারি চাকরির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির (১১-২০ গ্রেড) পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বৃদ্ধি নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে।
সরকারি চাকরির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির (১১-২০ গ্রেড) পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বৃদ্ধি নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপনের খসড়াও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সচিব কমিটির বৈঠকে সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সচিব কমিটিতে অনুমোদন পাওয়া বিধিমালা ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের তিনটি ভাগে লিখিত পরীক্ষা ও ভাইভার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই বিষয়টিই খসড়া প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। খসড়া প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, ১১ ও ১২ গ্রেডের কর্মচারীদের ভাইভায় ১০ নম্বরের পরিবর্তে ৫০ নম্বর করা হয়েছে, যা বিদ্যমান নম্বরের চেয়ে ৪০০ শতাংশ বেশি। খসড়া প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, ১১ ও ১২ গ্রেডের কর্মচারীদের ভাইভায় ১০ নম্বরের পরিবর্তে ৫০ নম্বর করা হয়েছে, যা বিদ্যমান নম্বরের চেয়ে ৪০০ শতাংশ বেশি। একই গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় ৯০ নম্বরের পরিবর্তে ১০০ নম্বর করা হয়েছে। এই গ্রেডে বিদ্যমান লিখিত পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস করতে হয়, প্রস্তাবিত খসড়ায় তা ৩৫ শতাংশ করা করা হয়েছে।

দেশের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাসহ সব মাদ্রাসায় ২০৩১ সালের মধ্যে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। ২০২৬-২০৩১ অর্থবছরের মধ্যে ধাপে
দেশের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাসহ সব মাদ্রাসায় ২০৩১ সালের মধ্যে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। ২০২৬-২০৩১ অর্থবছরের মধ্যে ধাপে ধাপে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

‼️ব্রেকিং‼️ এনটিআরসিএ (NTRCA)-এর ১৯-তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি হতে পারে অক্টোবরে।
‼️ব্রেকিং‼️ এনটিআরসিএ (NTRCA)-এর ১৯-তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি হতে পারে অক্টোবরে।

সচিব কমিটির সুপারিশ সভায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম উল্লেখ আছে। অথচ মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, এ বিষয়ে
সচিব কমিটির সুপারিশ সভায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম উল্লেখ আছে। অথচ মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হবে। পরবর্তীতে দৈনিক শিক্ষার লাইভের মাধ্যমে জানতে পারি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ৯ম পে স্কেলের আওতায় আসছেন। এরপরের দিন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্পষ্টভাবে স্ট্যাটাস দেন—এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পে স্কেলের আওতাধীন।

১৯তম নিবন্ধনে যেসব পরিবর্তন না হলে সমস্যায় পড়বে প্রার্থীরা- ১। সার্কুলার থেকে বয়স গণণা হলে সমস্যা; তাই গণবিজ্ঞপ্ত/যোগদান থেকে
১৯তম নিবন্ধনে যেসব পরিবর্তন না হলে সমস্যায় পড়বে প্রার্থীরা- ১। সার্কুলার থেকে বয়স গণণা হলে সমস্যা; তাই গণবিজ্ঞপ্ত/যোগদান থেকে বয়স গণণা করতে হবে। ২৷ গণবিজ্ঞপ্তি হলে হয়রানির সমস্যা; তাই সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। ৩। লিখিত নাকি MCQ,সিলেবাস, মানবন্টন দোটানায় সমস্যা; তাই সার্কুলারের কমপক্ষে ১ মাস আগে এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করতে হবে। ৪। প্রহসনমূলক ভাইভা সমস্যা; তাই এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ৫। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনে নতুন নীতিমালা আসতেছে। তাই নিয়োগ কিভাবে সম্পন্ন হবে এর সুন্দর একটা পরিপত্র প্রকাশ করতে হবে। এসব হলেই কেবল প্রার্থীরা লাভবান হবে। তা না হলে হয়রানির অন্ত থাকবে না। আর দ্রুত সময়ের মধ্যে সার্কুলার, সিলেবাস প্রকাশ করা সময়ের দাবি!©️

নবম পে-স্কেলের সংক্ষিপ্ত ধাপ: মন্ত্রিসভা অনুমোদন→ খসড়া প্রজ্ঞাপন→ আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং→ এসআরও নম্বর→ বিজি প্রেস→ সরকারি গেজ
নবম পে-স্কেলের সংক্ষিপ্ত ধাপ: মন্ত্রিসভা অনুমোদন→ খসড়া প্রজ্ঞাপন→ আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং→ এসআরও নম্বর→ বিজি প্রেস→ সরকারি গেজেট প্রকাশ।

সরকারি কর্মচারীদের মতো নতুন জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ
সরকারি কর্মচারীদের মতো নতুন জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। চলতি সপ্তাহে নতুন বেত
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। চলতি সপ্তাহে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বরের কথা জানা গেছে। এরমধ্যে প্রজ্ঞাপনের খসড়া বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানকার প্রক্রিয়া শেষে খসড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং নিয়ে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে স্কেল-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বুধবার রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। সেখানকার প্রক্রিয়া শেষে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সবশেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘গেজেট প্রকাশে কোনো বিলম্ব করতে চাই না। প্রক্রিয়াগত কারণে যতটুকু সময় লাগছে, সেটুকুই। আশা করছি, চলতি সপ্তাহেই হয়ে যাবে।’

🔥বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের বেসিক ৫০ হাজার টাকা। নতুন পে-স্কেলে এটি বেড়ে হবে ১ লাখ টাক
🔥বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষদের বেসিক ৫০ হাজার টাকা। নতুন পে-স্কেলে এটি বেড়ে হবে ১ লাখ টাকা। 👉৬ষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় বেতন বেড়ে হবে ৭১ হাজার টাকা। 👉৭ম গ্রেডের উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের মূল বেতন ২৯ হাজার টাকা। যা বেড়ে হবে ৫৮ হাজার টাকা। 👉৯ম গ্রেডে কর্মরত প্রভাষকদের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় যা বেড়ে হবে ৪৪ হাজার টাকা। 👉এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাদের বিএড ডিগ্রি রয়েছে তারা ১০ম গ্রেডে বেতন পেয়ে থাকেন। ১০ম গ্রেডের বেসিক ১৬ হাজার টাকা। যা বেড়ে হবে ৩২ হাজার টাকা। 👉১১তম গ্রেডের সহকারী শিক্ষকদের মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা। যা বেড়ে হবে ২৫ হাজার টাকা। 👉১৬তম গ্রেডের জুনিয়র শিক্ষক, অফিস সহকারী বা হিসাব সহকারী কিংবা কম্পিউটার অপারেটরদের মূল বেতন ৯ হাজার ৩০০ টাকা। যা বেড়ে হবে ২১ হাজার ৯০০ টাকা। 👉২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক, নৈশপ্রহরী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়াদের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা পর্যন্ত। যা বেড়ে হবে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রমজান শুরু হতে পারে। ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেই রাতেই প্রথম তারাবি এবং পর
২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রমজান শুরু হতে পারে। ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেই রাতেই প্রথম তারাবি এবং পরদিন থেকে রোজা শুরু হবে। তবে চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে। রমজান ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে। ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এ মাসেই মহানবী (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়।

প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার। এখন অপেক্ষা গেজেট জারির। নতুন বেতনকাঠামো–সংক্রান্ত আদেশ আগামী রবিবার জারি ক
প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার। এখন অপেক্ষা গেজেট জারির। নতুন বেতনকাঠামো–সংক্রান্ত আদেশ আগামী রবিবার জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

শিক্ষক নিবন্ধন MCQ পদ্ধতি মানে ডিভাইস পার্টি।তাই সময় বেশি লাগলেও লিখিত একদম পারফেক্ট ডিসিশন। ১৮তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সিট প্ল্যা
শিক্ষক নিবন্ধন MCQ পদ্ধতি মানে ডিভাইস পার্টি।তাই সময় বেশি লাগলেও লিখিত একদম পারফেক্ট ডিসিশন। ১৮তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সিট প্ল্যানের বড় একটি অংশ মফস্বল এলাকায় করা হয়েছিল। ১৯তম নিবন্ধনেও মফস্বল এলাকায় সিট পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ এবার আবেদনকারীর সংখ্যা অন্তত ২৪ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে দ্রুত সার্কুলার দিয়ে দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করলে ১ বছরেই সম্ভব।যদিও লিখিত পরীক্ষা নিতে কিছুটা বেশি সময় লাগে তবে এতে পরীক্ষার্থীর প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন তুলনামূলকভাবে যথাযথভাবে করা সম্ভব। তাই শুধু দ্রুত ফলাফলের কথা না ভেবে, স্বচ্ছতা, মেধার মূল্যায়ন ও নিয়োগের মান—এই বিষয়গুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পে-স্কেলের আওতায় আসছেন। তবে ত
বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পে-স্কেলের আওতায় আসছেন। তবে তাদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। এজন্য চারটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট জারির পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মাউশিকে একটি চিঠি পাঠানো হবে। চিঠিতে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী এমপিওভুক্ত জনবলের বেতন-ভাতা দিতে কত টাকা প্রয়োজন হবে সে বিষয়টি জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ তৈরি করবে মাউশি। দ্বিতীয় ধাপে এই সারসংক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তৃতীয় ধাপে মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগ অর্থা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে পৃথক দুটি চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মূলত শিক্ষকদের নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন ছাড়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সম্মতি চাওয়ার জন্য এ চিঠি পাঠানো হবে। চতুর্থ বা শেষ ধাপে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে সম্মতি দিয়ে দুই বিভাগে চিঠি পাঠানো হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি দিলে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

NTRCA মানেই নাটক!এমন ও হতে পারে ১৯তম সার্কুলার দিয়ে পরিক্ষার দিনও সিলেবাস,কারিকুলাম পরিবর্তন করতে পারে। NTRCA কে বিশ্বাস করা
NTRCA মানেই নাটক!এমন ও হতে পারে ১৯তম সার্কুলার দিয়ে পরিক্ষার দিনও সিলেবাস,কারিকুলাম পরিবর্তন করতে পারে। NTRCA কে বিশ্বাস করা আর বাপ্পারাজের চোখের পানি দেখা একই কথা।তবুও দ্রুত সার্কুলার, সিলেবাস,কারিকুলাম প্রকাশ করা সময়ের দাবি!