সুরাইয়া তারকা - পোস্টমর্টেম
رفتن به کانال در Telegram
ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ (মৃ: ২৫৬ হি:) বলেন: كَانَ مُرجِئًا، سَكَتُوا عنه، وعَنْ رَأيِهِ، وعَنْ حديثه আবূ হানিফা মুরজিয়া ছিলেন। তার রায় এবং হাদীস সকল মুহাদ্দিছীনে কিরাম পরিত্যাগ করেছেন। 📖 [আত-তারিখুল কাবির, ৮/৮১]
نمایش بیشتر469
مشترکین
+424 ساعت
+367 روز
+16030 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
دسامبر '24
دسامبر '24
+30
در 1 کانالها
نوامبر '24
+99
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+138
در 1 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+133
در 1 کانالها
Get PRO
اوت '24
+144
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+35
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+46
در 1 کانالها
Get PRO
مه '24
+396
در 1 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 09 دسامبر | +3 | |||
| 08 دسامبر | +1 | |||
| 07 دسامبر | +7 | |||
| 06 دسامبر | +10 | |||
| 05 دسامبر | +3 | |||
| 04 دسامبر | 0 | |||
| 03 دسامبر | +1 | |||
| 02 دسامبر | +2 | |||
| 01 دسامبر | +3 |
پستهای کانال
| 2 | ইমাম শাহরাস্তানি (রহ.) বলেন,"আসহাবুর রায় হলো ইরাকবাসী তন্মধ্যে আবু হানিফা এবং তার শাগরেদ মুহাম্মদ বিন হাসান, ক্বাযী আবু ইউসুফ, যুফার, হাসান বিন যিয়াদ আল লুলুয়ী, ইবনে সামা'আহ, ক্বাযী আ'ফিয়াহ, আবু মু'ত্বী আল বালখী এবং বিশর আল মারিসি; এদেরকে আসহাবুর রায় নামে এজন্যই ডাকা হয় কারণ, তাদের মনোনিবেশ কিয়াসের পথ পদ্ধতির ইলম অর্জনের উপর ছিলো এবং দৈনন্দিন জীবনের আহকামের মা'আনি উদ্ভাবন করা। আর প্রায়শই তারা কিয়াসে জালি'ইকে খবরে আহাদের উপর প্রাধান্য দিয়েছে৷"
(আল মিলাল ওয়ান নিহাল: ১/১৮৮ পৃষ্ঠা) | 296 |
| 3 | ☞ ইমাম বুখারি রাহিমাহুল্লাহ হলেন সেই ব্যক্তি যার কিতাব মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের পর সবচেয়ে উত্তম ও বিশুদ্ধ কিতাব এবং তার আদালতের উপর সকল মুহাদ্দিস একমত। ইমাম বুখারির বিরুদ্ধে কিছু বলা মানে সূর্য্য কে চেরাগ দেখানো।
©️ Radde Hanafiyat | 129 |
| 4 | 📝 ইমাম আবু হানিফা'র জন্য কি রাসুল (সাঃ) এর পক্ষ থেকে কোনো ভবিষ্যৎবাণী ছিল?
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ عَبْدٌ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ جَعْفَرٍ الْجَزَرِيِّ، عَنِ يَزِيدَ بْنِ الأَصَمِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ كَانَ الدِّينُ عِنْدَ الثُّرَيَّا لَذَهَبَ بِهِ رَجُلٌ مِنْ فَارِسَ - أَوْ قَالَ مِنْ أَبْنَاءِ فَارِسَ - حَتَّى يَتَنَاوَلَهُ "
“মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যদি দ্বীন (আসমানের দূরবর্তী) ছুরায়য়া নক্ষত্ররাজির কাছে থাকত, তাহলেও পারস্যের কিছুলোক; অথবা তিনি বলেছেন, পারস্যের সন্তানরা তা নিয়ে এসে (তা) আত্মস্থ করত।” 📖 সহিহ মুসলিম, হা/৬২৬৬ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ نَزَلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْجُمُعَةِ فَلَمَّا قَرَأَ ( وَآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ) قَالَ رَجُلٌ مَنْ هَؤُلاَءِ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَلَمْ يُرَاجِعْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى سَأَلَهُ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا - قَالَ - وَفِينَا سَلْمَانُ الْفَارِسِيُّ - قَالَ - فَوَضَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ عَلَى سَلْمَانَ ثُمَّ قَالَ " لَوْ كَانَ الإِيمَانُ عِنْدَ الثُّرَيَّا لَنَالَهُ رِجَالٌ مِنْ هَؤُلاَءِ " .
“কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসা ছিলাম। তখন তার উপর সূরা জুমু’আ নাযিল হল। যখন তিনি এই আয়াত পড়লেন (وَآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ) তখন জনৈক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এরা কারা? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কোন উত্তর দিলেন না। এমন কি সে একবার অথবা দু’বার কিংবা তিনবার তাঁকে জিজ্ঞাসা করল। ~ রাবী বলেন তখন আমাদের মধ্যে সালমাল ফারসী (রাঃ) ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত সালমান (রাঃ) এর উপর রাখলেন; এরপর বললেন, যদি ঈমান ছুরায়য়া তারকার কাছে (অর্থাৎ বহু দুরে) থাকত তাহলে অবশ্যই এদের লোকেরা তা আরোহণ করত।” 📖 সহিহ মুসলিম, হা/৬২৬৭ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
❌ ইমাম আবু হানিফা'র ফারসি হওয়ার দলিলঃ
ﺃﻧﺎ ﺇﺳﻤﺎﻋﻴﻞ ﺑﻦ ﺣﻤﺎﺩ ﺑﻦ ﺍﻟﻨﻌﻤﺎﻥ ﺑﻦ ﺛﺎﺑﺖ ﺑﻦ ﺍﻟﻨﻌﻤﺎﻥ ﺑﻦ ﺍﻟﻤﺮﺯﺑﺎﻥ ﻣﻦ ﺃﺑﻨﺎﺀ ﻓﺎﺭﺱ ﺍﻷﺣﺮﺍﺭ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻣﺎ ﻭﻗﻊ ﻋﻠﻴﻨﺎ ﺭﻕ ﻗﻂ
“আমি ইসমাইল বিন হাম্মাদ বিন নু'মান বিন সাবিত বিন নু'মান বিন মারযাবান ফারসির আযাদ ছেলেদের মধ্য থেকে এবং আল্লাহর কসম আমারা কখনও কারো দাসত্ব করি নাই।” 📖 তারিখে বাগদাদ, ১৫/৪৪৭,৪৪৮
☞ এই রিওয়ায়েত কয়েকটি কারণে দ্বয়িফ (দুর্বল)
(১) আহমদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন শাহযান মাজহুল।
(২) আহমদ বিন উবাইদুল্লাহর পিতাও মাজহুল।
(৩) ইসমাইল বিন হাম্মাদ নিজেও দ্বয়িফ। 📖 আল কামিল, ১/২২৬, ক্রমিক নং ৮৬৬
✅ আবু হানিফা আফগানি ছিলেনঃ
উমার বিন হাম্মাদ বিন আবি হানিফা বলেন,
أبو حنيفة النعمان بن ثابت بن زوطى فأما زوطى فإنه من أهل كابل
“ইমাম আবু হানিফার দাদা যুতি আহলে কাবুলের মধ্য থেকে ছিলেন।” 📖 তারিখে বাগদাদ, ১৫/৪৪৬, সনদ সহিহ
◑ ইমাম আবু নুয়াইম আল ফযল বিন দুকিন আল কুফি রাহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ২১৮ হি:) বলেন,
ﺃﺑﻮ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﺍﻟﻨﻌﻤﺎﻥ ﺑﻦ ﺛﺎﺑﺖ ﺑﻦ ﺯﻭﻃﻲ ﺃﺻﻠﻪ ﻣﻦ ﻛﺎﺑﻞ
“আবু হানিফা নু'মান বিন সাবিত বিন যুতি, তার আসাল কাবুল থেকে।” তারিখে বাগদাদ, ১৫/৪৪৬, সনদ সহিহ
☞ প্রমানিত হল যে, আবু হানিফা ফারসি নন বরং তিনি আফগানি ছিলেন, সুতরাং উপরিউক্ত হাদিসে আবু হানিফার ব্যাপারে কোনো সুসংবাদ, ভবিষ্যৎবাণী দেওয়া হয় নাই। আর এই সুসংবাদ দ্বারা আহলে ফারিসের কিছু সংখ্যক মুহাদ্দিস আর আবিদ কে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এই হাদিস দ্বারা প্রথমত যাকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে সেটি সালমান ফারসি (রাঃ) ছিলেন। কারণ, তার ইসলাম কবুলের ঘটনাটিও একটু অন্য রকম ছিল এবং বরফের উপর হামাগুড়ি দেওয়ার মত অবস্থা ছিল। যেমনটি সুরাইয়া তারকাকে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এটি দ্বারা হয়তো ইমাম বুখারিকে বুঝানো হয়েছে কারণ, তিনি ফারসি ছিলেন, যেমনটি ইমাম ইবনে হাজার আস্কালানি রাহিমাহুল্লাহ লিখেছেন,
وكان بردزبه فارسيا على دين قومه، ثم أسلم ولده المغيرة على يد اليمان الجعفي، وأتى بخارى،
“ইমাম বুখারির পূর্বপুরুষ (بردزبه - বারদিযবাহ) ফারসি ছিলেন এবং তিনি তার কওমের দ্বীনের উপর ছিলেন। পরে তার পুত্র মুগিরাহ আল-ইয়ামান আল-জুফির হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং বুখারায় চলে যান।” 📖 মুকাদ্দিমা ফাতহুল বারি, ৪৭৭ পৃষ্ঠা | 402 |
| 5 | بدون متن... | 278 |
| 6 | হানাফীদের ইমাম ইবনে নুজাইম হানাফী বলেন:
“হ্যা! নবীকে গালি দেওয়ার মাসআলাতে মু'মিনদের হৃদয় মাযহাবের বিপরীতে ঢলে যাবে। কিন্তু আমাদের জন্য আমাদের মাযহাবের অনুসরণ করা ওয়াজিব। (অর্থাৎ যিম্মি যদি নবীকে গালি দেয় তবে যিম্মা নষ্ট হবে না, কতলও করা হবে না)।” (নাউজুবিল্লাহ)
📖 আল-বাহরুর রায়েক, ৫/ ১৯৫
©️ Radde Hanafiyat | 307 |
| 7 | ইমাম আবু জাফর তহাবী হানাফী বলেছেন,
“যিম্মি শাতিমে রাসূল ﷺ এর যিম্মা নষ্ট হবে না, কতলও করা হবে না।”
📖 মুখতাসারুত তহাবী
©️ Radde Hanafiyat | 264 |
| 8 | যিম্মি শাতিমে রাসূল ﷺ এর যিম্মা ভঙ্গ হবে না। 📖 হেদায়া, ২/৪৮০
©️ Radde Hanafiyat | 208 |
| 9 | বদ মাযহাবি দেওবন্দি আকাবির...🤣
◑ কাসিম নানুতুবি দেওবন্দি তার এক স্বপ্ন বয়ান করে বলেন: “আমি কাবা ঘরের ছাদের উপর কোনো উচুঁ স্থানে বসে আছি।” 📖 আরওয়াহে ছালাছাহ, ১৭৮ পৃষ্ঠা
◑ ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সিরীন রহিমাহুল্লাহ বলেন: “যদি কেউ (স্বপ্নে) নিজেকে কাবা ঘরের ছাদের উপর দেখে তাহলে এটা তার বদ মাযহাবি হওয়ার প্রমান।” 📖 তা'বিরুর রুইয়্যা, ৫০৫ পৃষ্টা
হে দেওবন্দি ভাউয়েরা! নিশ্চয়ই লা মাযহাবীর চেয়ে বদ মাযহাবীরা বেশি নিকৃষ্ট! তাই নয় কি?
©️ Radde Hanafiyat | 247 |
| 10 | ‘ইমাম ইবনে আব্দুর রহমান আল-সাখাভী রাহিমাহুল্লাহ (৮৩১-৯০২ হি:)’ তার কিতাব ‘আল-জাওয়াহীর ওয়াল-দুরার ফি তারজামাতি শাইখুল ইসলাম ইবনে হাযার’-এ উল্লেখ করেছেন,
وسأله بعض الحنفيَّة عن عِدَّة مَنْ لقي أبو حنيفة رحمه اللَّه مِنَ الصَّحابة رضي اللَّه عنهم، فقال: أنسٌ فقط، قال السائل: فقلت له: إنَّ علماءنا بلغوا بهم سبعةً أو أربعةَ عشر، فقال: مَنْ يقدِرُ ينازعُكم وأنتم أصحابُ السَّيف والرُّمح والخُوذة؟! والذي أعرفه ما قلتُه لك.
“কিছু হানাফি মুকাল্লিদ ইবনে হাজার আসকালানি (রহঃ) কে আবু হানিফা কতজন সাহাবির (রাঃ) এর সাক্ষাৎ পেয়েছে তার সংখ্যার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ শুধু মাত্র আনাস (রাঃ) এর সাক্ষাৎ পেয়েছেন। তো প্রশ্নকারী বলেনঃ 'আমাদের (হানাফি) আলেমরা তো আমাদের জানিয়েছেন যে ৭ জন কিংবা ১৪ জন সাহাবীর সাক্ষাৎ তিনি পেয়েছেন!' তো তিনি (ইবনে হাজার আসকালানি রহঃ) জবাবে বলেনঃ ‘তোমাদের সাথে কে ইখতিলাফ করার ক্ষমতা রাখে যেখানে তোমরা তলোয়ার ও বর্শা এবং মুকুটধারী!’ (অর্থাৎ, শাসনভার যাদের হাতে) আমি যা জানি তা তোমাকে বলে দিয়েছি।”
📖 আল-জাওয়াহীর ওয়াল-দুরার ফি তারজামাতি শাইখুল ইসলাম ইবনে হাযার, ৩/৯৮৬
©️ Radde Hanafiyat | 252 |
| 11 | ইমাম যাহাবী (রহ.) বলেন,"নু'মান বিন সাবিত বিন যুত্বা আবু হানিফা আল কুফী; আহলে রায়ের ইমাম। তাকে ইমাম নাসাঈ, ইবনে আদীসহ অন্যান্য উলামাগণ তার হিফযের কারণে দূর্বল বলেছেন।"
(মিযানুল ইতিদাল: ৯০৯৯ নং রাবী) | 181 |
| 12 | ইমাম ইবনে খালদুন (রহ.) বলেন,"মুতাকাদ্দিমিনদের মাঝে ফিক্বহী দৃষ্টিকোণে দুই ভাগে বিভক্তি ঘটে৷ তন্মধ্যে একদল হলো 'আহলুর রায় ওয়াল কিয়াস' ; আর এরা হলো ইরাকবাসী। আরেকদল 'আহলুল হাদীস'; এরা হলো হিজাযবাসী (মক্কা-মদীনা)। ইরাকবাসীদের মাঝে হাদীস কম ছিলো, যার কারণ আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। অতএব, তারা কিয়াসের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়লো এবং এর উপর দক্ষতা অর্জন করলো। এজন্যই তাদেরকে আহলুর রায় বলা হতো। আহলুর রায়েদের জাম'আতের সর্দার, যার মাঝে ও যার শাগরেদদের মাঝে এই মাযহাব কায়িম হয়; তিনি হলেন আবু হানিফা।"
(তারিখে ইবনে খালদুন: ১/৩৭২ পৃষ্ঠা) | 215 |
| 13 | আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ছিদ্দিক গুমারী (রহঃ) বলেছেন,
وأنه شَيْطَانٌ بعث ليتلاعب بدين الإسلام
“আর সে (জাহিদ আল-কাউসারী) হল ইসলাম ধর্মকে নিয়ে খেল-তামাশা করার জন্য প্রেরিত শয়তান।”
📖 বায়ানু তালবীসিল মুফতারী, ১২৪ পৃষ্ঠা
©️ Radde Hanafiyat | 153 |
| 14 | “সাহাবী হাব্বান বিন মুনক্বিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর আক্কলের একটা স্ক্রু ঢিলা (লুজ) ছিলো।” (নাউযূবিল্লাহ!)
🎙️বাণীতে দারুল উলুম দেওবন্দের সিনিয়র মুহাদ্দিস আকাবীর 'মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী'। 📖 তুহফাতুল আল-মাঈ, ৪/১৬৯
নাউজুবিল্লাহ! একজন সাহাবির শানে এ কেমন শব্দচয়ন।
©️ Radde Hanafiyat | 156 |
| 15 | 📝 যঈফ (দূর্বল) হাদিস প্রেমীদের উদ্দেশ্যে নসীহাহ।
ইমাম আবদুর রহমান ইবনে মাহদি রহিমাহুল্লাহ (মৃ: ১৯৮ হি.) বলেন,
لا ينبغي للرجل أن يشغل نفسہ بكتابة أحاديث الضعاف، فإن أقل ما فيہ أن يفوتہ بقدر ما يكتب من حديث أہل الضعف أن يفوتہ من حديث الثقات
“কোনো ব্যক্তির জন্য এটা সমীচীন নয় যে, সে দূর্বল হাদীস নিয়ে লিখা/পহড়ার ন নিজের সময় অপচয় করবে। কেননা, যতটা সময় সে দূর্বল হাদীসে খরচ করে থাকে ঠিক ততোটা সময় সে চাইলে সহীহ হাদীসের জন্য খরচ করতে পারতো। কিন্তু ততোটা সময় সে সহীহ হাদীস থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।”
📖 আল-মা'রিফাতু ওয়াত তারিখ লিল ফাসাভী, ২/৪৪৯ ; সনদ সহীহ
©️ Radde Hanafiyat | 189 |
| 16 | এ কেমন ফতোয়া?
“তাশাহহুদের পর ইচ্ছা করে হৃদস (বায়ূত্যাগ) তথা উযু ভঙ্গ করলে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) -এর মতে নামায শুদ্ধ হয়ে যাবে।” 😬
📖 প্রশ্নোত্তরে মালাবুদ্দা মিনহু ; কাজী সানাউল্লাহ পানিপথী, ৭৬ পৃষ্ঠা
©️ Radde Hanafiyat | 251 |
| 17 | “হানাফি মাযহাবে - কোন ব্যক্তি যদি রুকু না করে সোজা খাড়া থেকে সিজদায় চলে যায় এবং সুন্নাতের বিপরীত উটের ন্যায় যায়, তবে এ সামান্য ঝুঁকার দ্বারাও রুকু আদায় হয়ে যাবে।”
📖 ফতোয়ায়ে আলমগীরী, ১/১৮৬ 😬
এই হলো প্রচলিত মাযহাব মানার নমুনা। এজন্যই আমরা বলি প্রচলিত মাযহাব মানার শেষ পরিণতি হলো ইসলাম ত্যাগ,
কোরআন হাদিস নয় বরং এদের আকাবির বুজুর্গদের মতামত ওদের কাছে দ্বীনধর্ম শরীয়ত। | 157 |
| 18 | লা হাদীসী, লা সুন্নী হানাফিদের ফতোয়া।
“আল বাহরুর রায়েক” গ্রন্থের লেখক বলেন,
واما الصلاة خلف الشافعية فحاصل ما في المجتبي انه اذا كان مراعيا للشرائط والاركان عندنا فالاقتداء به صحيح على الاصح ويكره والا فلا يصح اصلا
“শাফিয়ী মাযহাবের ইমামদের পিছনে হানাফীদের সালাত প্রসঙ্গে মুজতাবা গ্রন্থে যা আছে তার সারকথা হলো শাফিয়ী ইমাম যদি আমাদের (হানাফীদের) শর্ত ও রুকনগুলো পালনকারী হয় তাহলে বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী তার পিছনে হানাফীদের ইকতিদা সহীহ এবং মাকরুহ হবে। আর যদি (শাফিয়ী ইমাম হানাফীদের শর্ত ও রুকনগুলো পালনকারী) না হয় তাহলে কখনোই শাফিয়ী ইমামের পিছনে হানাফীদের সালাত সহীহ হবে না।
📖 আল-বাহরুর রায়েক, ১/৬১৩
©️ Radde Hanafiyat | 188 |
| 19 | ইমাম ইবনু হাজার আসক্বালানী রহ বলেন,
أَجْمَعَ عُلَمَاءُ الْأَمْصَارِ عَلَى مَشْرُوعِيَّةِ ذَلِكَ إِلَّا أهل الْكُوفَة
“কুফাবাসী ছাড়া সকল শহরের উলামাগণ, রুকু’তে যাওয়া ও রুকু’ হতে ওঠার সময় রফউল ইয়াদাইন করা শরীয়তসিদ্ধ হওয়ার ব্যপারে একমত পোষণ করেছেন।”
📖 ফাতহুল বারী লি ইবনে হাজার, ২/২২০
©️ Radde Hanafiyat | 131 |
| 20 | মুহাক্কিক শায়খ শুয়াইব আরনাউত হানাফি রহিমাহুল্লাহ বলেন,
“আমার কথা বলা শেষ করার পূর্বে আমার জন্য আবশ্যক উস্তায, মুহাক্কিক, শায়খ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (রহ.) এর উপর অশেষ কৃতজ্ঞতা জানানো। যিনি আমাদের সম্মানিত আকাবিরদের সম্পদ থেকে এই দামি সম্পদটি (মুসনাদু আবি বকর সিদ্দিক) আবিষ্কার করা এবং তা ছাপানোর নির্দেশ দেওয়ার জন্য কৃতিত্ব রেখেছেন।”
📖 মুসনাদু আবি বকর সিদ্দিক লিল মারওয়াযি, পৃষ্ঠা ০৮
©️ Radde Hanafiyat | 233 |
