fa
Feedback
Truth Seekers🧠

Truth Seekers🧠

رفتن به کانال در Telegram

দাজ্জালী ফিতনা, এলিট সোসাইটি এবং জায়োনিস্টসহ নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত উন্মোচন করতে সর্বদা প্রস্তুত💝

نمایش بیشتر
6 822
مشترکین
-824 ساعت
+117 روز
+3930 روز
آرشیو پست ها

KINGDOM IN SHADOW 2

liver diseases. আর এগুলোর কারণ কি? তাদের সৃষ্টি করা খাদ্য বীজ, তাদের ঢুকিয়ে দেওয়া লাইফস্টাইল,তাদের বিষাক্ত করা জল,তাদের বিষাক্ত করে দেওয়া দূষিত হওয়া।when those people go for treatment, they buy the medicines they give them, and that money goes to those big pharma companies. Big Pharma make money from this. আর এই প্রত্যেকটা ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে শুরু করে, বিনোদন থেকে শুরু করে, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সবকিছুতেই বিনিয়োগ করে রেখেছে। পালাবে কোথায়? মানুষ যদি বুঝতে পারে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং কে বেঁধে রেখেছে? এটা বুঝলেই, অর্ধেক মুক্তি! তাই পুরনো পোস্ট আরেকবার দিলাম। স্বাস্থ্য দপ্তরের মানুষেরা এবং ভক্তরা তিন দিন ধরে প্রচুর খিস্তি দিয়েছে! আর্কাইভ_সেভ_রিপোস্ট

মানুষ যদি বুঝতে পারে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং কে বেঁধে রেখেছে? এটা বুঝলেই, অর্ধেক মুক্তি! তাই পুরনো পোস্ট আরেকবার দিলাম। স্বাস্থ্য দপ্তরের মানুষেরা এবং ভক্তরা তিন দিন ধরে প্রচুর খিস্তি দিয়েছে! একটা জিনিস কল্পনা করুন। একদিকে কিছু গ্লোবাল এলিটস আর অন্যদিকে 800 কোটি মানুষ তাহলে মনে প্রশ্ন জাগে যে ৮০০ কোটি মানুষকে কিভাবে তারা কন্ট্রোল করে, কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের পক্ষে এটা কি সম্ভব? না সম্ভব নয় তারা এককভাবে কোন কিছুই করেন না! তারা কিভাবে কাজ করেন,সেটা নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করছি! Power, profit and control এই তিন পদ্ধতিতে তারা কাজ করে একদিকে ৮০০ কোটি মানুষ অন্যদিকে ভিন্ন ভিন্ন ফিল্ডের টপ মানুষেরা! তারা কিন্তু একে অপরের সাথে সম্পৃক্ত, তারা একই সাথে পার্টি করে, তাদের সন্তানেরা একই স্কুলে যায়, তাদের মধ্যে বোঝাপড়া চলে। ১) তাদের প্রথম অস্ত্র পৃথিবীর সেরা ১০০ টা একাডেমিক ইনস্টিটিউশন যেমন অক্সফোর্ড, হার্ভার্ড, এম আই টি, গেইল, ভারতের আইআইটি ইত্যাদি। প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানের চ্যান্সেলর, ভাইস চ্যান্সেলর সহ ১০০ জন যারা এই পৃথিবীর সেরা ১০০ টা বিশ্ববিদ্যালয়কে চালনা করে। ২) কিছু NGO যাদের সারা পৃথিবীতে কন্ট্রোল আছে যেমন ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা ফাউন্ডেশন, দি গ্লোবাল ফান্ড, পার্টনার ইন হেলথ, গ্যাভি, পাথ, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, সেন্টার ফর ফরেন রিলেশন। এবং তারা কাজ করে ওই পৃথিবীর সেরা বিখ্যাত ইউনিভার্সিটিদের সাথে! ওদের চ্যান্সেলরের সাথে এইসব ফাউন্ডেশন এর সিইওদের খুবই ক্লোজ রিলেশন। তাদের গবেষণাপত্র দিয়ে এখানে কাজ হয়। ৩) এর পরে আসে বিভিন্ন দেশের গভমেন্ট, সেনেটর, বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী, অ্যাডভাইজার। এবং তাদের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক যেমন CIA, ডলফিল স্কুল অন হার্ভার্ড, ব্রুকিং ইনস্টিটিউশন, কাউন্সিল অন ইকনোমিক পলিসি, আটলান্টিক কাউন্সিল, পিটারসন ইনস্টিটিউট ইত্যাদি। ৪) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় 2000 কোম্পানির CEO! এখন তারা কিভাবে কন্ট্রোল করে তার কিছু দৃষ্টান্ত *বিগ ফার্মা কোম্পানি যেমন ফাইজার, মডার্না, অ্যাস্ট্রোজেনিকা, নব নডিক্স, ইলি লিলি, রচি, জনসন এন্ড জনসন, সিরাম ইনস্টিটিউট। *বিগ এগ্রিকালচার কোম্পানি যেমন সিনজেনটা, কারগিল,এডিএম! *বিগ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, যেমন জেপি মরগান, ব্ল্যাকরক, ভ্যানগার্ড, মর্গ্যান স্ট্যানলি, গোল্ডমেন সার্চ। ৫) এরপরে আসে বিনোদন জগত যাদের এজেন্টরা পুরো হলিউড কন্ট্রোল করে বপ উইনস্টাইন, টম ফেস্টন, মারলিন মিলান প্রমুখদের সাথে ওই টপ লেভেলের সকলের যোগাযোগ। ৬) এর পরের ধাপে আসে মিডিয়া কোম্পানি যারা ওই ৮০০ কোটি মানুষকে একদম অন্তর থেকে মনন, ফিজিক্যালি থেকে সাইকোলজিক্যালি কন্ট্রোল করে। যেমন disney, Twitter, Facebook, YouTube, Google, Microsoft, Chromecast, Amazon, Apple, discovery. ৬) সংবাদপত্র বা নিউজ মিডিয়া যেমন CNN, BBC, AL JAZEERA, FOX, CGTN আর আমাদের দেশের নিরিখে যাকে আমরা মূলত গদি মিডিয়া বলি zee network, News 18 network,republic TV, Anandabazar Patrika, India Today group, NDTV এসবে কোন কোন কোম্পানি ইনভেস্ট করেছে সে হিসেবে পরে আসছি। ৭) এটা আরো মারাত্মক এবার আসে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সর!খেলাধুলার জগত থেকে শুরু করে আরও ভিন্ন ফিল্ডের মানুষজন যেমন কিম কার্দেশিয়ান, মিস্টার বিষ্ট, মেসি, রোনাল্ডো, সেলেনা গোমেজ, কাইলি যেমার, জো রোগান প্রমুখরা। তাহলে কি বোঝা গেল? একাডেমিক ইনস্টিটিউশন, এনজিও, প্রত্যেকটা দেশের সরকার, তাদের থিঙ্ক ট্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, বিগ ফার্মা কোম্পানি, বিগ এগ্রিকালচার কোম্পানি, বিনোদন জগতের হলিউড, বলিউড, সেলিব্রেটিস, মিডিয়া, নিউজ মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, ইনফ্লুয়েন্সার they know all each other. They order to manipulate that 8 billion people with their policies, propaganda, false narative, false heroes. তাহলে ৮০০ কোটি মানুষের আউটপুট কি দাঁড়ালো? Unhealthy, ignorant, poor, happy, divided, isolated, disconnected, helpless, looking to the elites to save them, and disorganized. আর এটা তারা কিভাবে করে? আপনি ভাবতেই পারেন তাহলে এই যে ক্লিনটন, ওবামা, জজ বুশ, ট্রাম্প, মোদি, ইন্দিরা, গান্ধী, কেনেডি এরা কারা? এরা হলো সেই ৮০০ কোটি মানুষকে ম্যানুপুলেট করার পাপেট। এদেরকে সেই হিসেবে প্রস্তুত করা হয়, প্রমোট করা হয় যে এরাই হচ্ছে তোমাদের ত্রাতা। মানুষকে ডিভাইডেড, আইসোলেটেড, ডিসকানেক্টেড রাখার জন্যই এদের বসানো হয়। সবকিছুই চলে সেই উপরওয়ালার নির্দেশে। এবার বুঝলেন তো ডট কানেক্ট কাকে বলে! এভাবেই সারা পৃথিবীতে এরা কায়েমি স্বার্থে কন্ট্রোল করে, প্রত্যেকে একে অপরের সঙ্গে জড়িত কেউ আলাদা নয়! আর মানুষকে তারা যেই গর্তে ফেলে দিচ্ছে সেটা হচ্ছে obesity, low testestron, adhd, Alzheimer's, cancer, stroke, lower respiratory infection, diabetes mellitus, kidney disease,

+8
phase 3 part 10 to 19

+8
phase 3 part 1 to 9

এবং গ্রাফিন অক্সাইড বাইরের তড়িৎ চুম্বকীয় বা বেতার তরঙ্গের দ্বারা দুর থেকে শরীরের ভেতরে কন্ট্রোল করা যায়। 🔹অন্যান্য বস্তু, যেগুলো দেখা গিয়েছে শরীরে, তাদের বিশেষত্ব হলো - তারা নিজেদের মধ্যে জুড়ে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন স্ট্রাকচার তৈরী করছে। 🔹পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে - এদেরকেও দূর থেকে কন্ট্রোল করা যায়। 🔹অর্থাৎ, মানুষের শরীরকেও স্মার্ট গ্রিডের একটা অংশ বানানো যায়। 🔴বানিয়ে কি হবে? 🔹স্মার্ট গ্রিডের কাজ হলো তথ্যের ব্যবহার, এবং তার কাজ করার জন্যে দরকার ইলেক্ট্রিসিটি। তাকে ঠান্ডা রাখার জন্যে জল। 🔹আমাদের শরীরের পর্যাপ্ত ইলেক্ট্রিসিটি এবং জল রয়েছে, যার দ্বারা আমরা স্মার্ট গ্রিডের এক ক্ষুদ্র এবং চলমান বিনা পয়সার ডেটা সেন্টারে পরিণত হই। 🔹সেই কারণেই বলা হয় থাকে - যতক্ষণ না সবাই ভ্যাক্সিন নিচ্ছে, ততক্ষণ কেউই নিরাপদ নয়। কথাটার কোনো মানে নেই। কিন্তু আমি যে বাস্তব তুলে ধরলাম, যেখানে আপনি দেখতে পাচ্ছেন, যে একটা নিখুঁত স্মার্ট গ্রিড তৈরি হতে গেলে সকলকেই ন্যানো পার্টিকেল নিজের শরীরে ধারণ করতে হবে, তখন আপনি কথাটার মানে খুঁজে পাবেন। আসলে যেটা বলেছে, সেটা হলো - যতক্ষণ সকলের শরীরে একই ন্যানো পার্টিকেল না পৌঁছচ্ছে, ততক্ষণ সার্কিট কমপ্লিট হবে না। যারা ভ্যাক্সিন নেয়নি, তারা সমাজের কি প্রভূত কল্যাণ করেছে, সেটা আশাকরি এবার বুঝতে পারছেন। 🔴এটাই কারণ সরকার এখন ভ্যাক্সিন নিয়ে প্রচার করছে। এটা তার কাজ হওয়া উচিৎ ছিল না। 🔹সরকার আশা কর্মীদের এবং সরকারি আমলাদের বেছে বেছে টাকা বাড়াচ্ছে। এভাবে সিলেক্টেড টাকা বাড়ানো তার কাজ নয়। 🔹এই আশা কর্মীরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাক্সিন নিতে জোরাজুরি করছে। 🔹এই ভ্যাক্সিনগুলোর নম্বর আপনাদের আধারের সাথে জোড়া হচ্ছে। 🔹এই পুরো ডেটা সেন্ট্রালাইজ করা হচ্ছে। এটাও কোনো সরকারের কাজ হতে পারে না। 🔹এই মুহূর্তে প্রত্যেকটা বিজ্ঞাপন দিয়ে নিয়ে আসা ভ্যাক্সিন বস্তুতঃ একই ভ্যাক্সিন। কিন্তু আরও টার্গেটেড, আরও মারক, আরও দক্ষ - আপনাকে মারতে। ............................................. 🔴তাহলে রাজ্য সরকারের কথা ও কাজ দেখে নিই - 🔹ভ্যাক্সিন নেই তো ভাতা নেই। 🔹আশা কর্মীদের আশাতীত ভাতা বৃদ্ধি। 🔹বাধ্যতামূলক স্মার্ট মিটার। 🔹গ্যাস ও তেল সমস্যার কোনো সমাধান না করা। 🔹রোজগার না তৈরী করা। 🔹পূনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ। 🔹বিদ্যুতের বর্ধিত দাম। 🔹জিনিসপত্রের বর্ধিত দাম। 🔹মানুষকে অবৈধ ঘোষণা করে পুশব্যাক। 🔹সম্ভাব্য জমির সাথে আধার সীডিং। এগুলো বাস্তবেই তো সরকার করছে। এই সরকার যেদিন ভোটে "জিতলো", সেই দিনই আরও একজন বিজেপি পার্টি সদস্যকে #নীতি_অযোগের ভাইস চেয়ারম্যান করে পাঠানো হয়েছিল। 🔴নীতি আয়োগ কি? 🔹ভারতীয় নাম এবং মুখের আড়ালে বিদেশী মিলিটারি, ফার্মা এবং সফটওয়ার সংস্থাদের মিলনস্থল। 🔹এরাই ভারতের স্বাস্থ্য থেকে অর্থনৈতিক - সমস্ত "নীতি" প্রণয়ন করে। 🔹এটা প্রাইভেট কোম্পানিদের, এবং ভূতপূর্ব ব্যাঙ্ক দালালদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র। 🔹এটা বিল গেটস, তথা তার ভ্যাক্সিন সংস্থার আলোচনা স্থল। 🔹এবং আমার আপনার সমস্ত তথ্যের ওপর কাটা ছেঁড়া করার ল্যাবরেটরি। ............................................ 🔴আপনি যাতে এই কর্মকান্ডের রূপরেখা জুড়তে না পারেন, তাই আপনাদের সামনে উপস্থাপিত হচ্ছে আরও কয়েকটা নাটক। 🔹ডিম, 🔹কোমরে দড়ি, 🔹দল নিয়ে দলাদলি 🔹হিন্দু এবং মুসলিম 🔹বঙ্গভঙ্গ ইতিহাস নিয়ে ছেলেখেলা 🔹ইচ্ছাকৃত নামকরণ খেলা 🔹ভুলভাল এবং মজাদার খবর পরিবেশন 🔹"ইয়োগা" 🔹ড্রোন - বস্তুতঃ, পতনের পূর্বে রোম সাম্রাজ্যে যে ভাবে বেশি বেশি করে "ব্রেড এন্ড সার্কাস" পদ্ধতির প্রয়োগ হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই আপনারা দেখতে চলেছেন "ভাতা এন্ড সার্কাস" এর নিরবিচ্ছিন্ন সিনেমা। 🔴তবে, এই গল্পটা কবেই ভারতকে সম্পূর্ণ গ্রাস করে নিতে পারত, যদি না চীন নামক দেশ, এবং তাদের সাথে রাশিয়া এবং ইরানের মতো দেশ না থাকতো। 🔴চীনের কারণে এই নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার ভারতের জন্যে খুব কঠোর ভাবে তৈরী করা হচ্ছে, যাতে ভারত চিরকাল চীনের বিরুদ্ধে আমেরিকার ফ্রন্টিয়ার হয়ে থাকতে পারে, এবং কাঁচামালের যোগানদার হতে পারে। 🔴যেহেতু চীন এবং বঙ্গোপসাগরের মাঝে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ - তাই ভারতের মধ্যে এই পশ্চিমবঙ্গ কিন্তু আমেরিকা পাখির চোখ করে রেখেছে। 🟪🟪জিও পলিটিক্সের এই দিকটা নিয়ে দ্বিতীয় পোস্ট করবো। তাহলে আরও পরিষ্কার হয়ে যাবে, পশ্চিমবঙ্গে আমেরিকার নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার ঠিক কেমন দেখতে হবে। সুদীপ্ত da

🔴সিবিডিসির প্রধান শর্তাবলী - 🔹আপনার কিছুই থাকবে না। 🔹আপনি ভাতা নির্ভর বাঁচবেন এবং মরবেন। 🔹জন্ম এবং মৃত্যুর মাঝের জায়গা সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপন করবেন। 🔴এহেন ব্যাঙ্ক খাতায় আপনি কি করতে পারবেন না? 🔹কাউকে সাহায্য করতে পারবেন না। 🔹সন্তানের জন্যে কিছু সাশ্রয় করতে পারবেন না। 🔹নিজের ইচ্ছেয় কোনো কিছুই করতে পারবেন না। 🔹নিজের ঘর কিনতে পারবেন না। 🔹নিজের জমি কিনতে পারবেন না। 🔹নিজের কোনো রোজগার করতে পারবেন না। 🔴তাহলে, যাদের ব্যবসা আছে, তাদেরকে কি ভাবে এর আওতায় নিয়ে আসা যাবে? 🔹ব্যবসা ভেঙে দিয়ে 🔹জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিয়ে 🔹লেনদেন কষ্টসাধ্য করে 🔹জিএসটির মতো জটিল পদ্ধতি এনে 🔹অবৈধ বলে বুলডোজার চালিয়ে 🔴যাদের জমি রয়েছে, তাদের কি হবে? 🔹জমির কর বাড়িয়ে 🔹জমির বৈধ পরিমাণ কমিয়ে 🔹জমির উর্বরতা কমিয়ে 🔹জমি অধিগ্রহণ করে 🔹মাওবাদী তকমা দিয়ে উচ্ছেদ করে 🔴যাদের ঘর রয়েছে, তাদের কি হবে? 🔹জমির মতোই একই পদ্ধতি 🔹সাথে বিদ্যুৎ, জল, কর এই পরিষেবা মহার্ঘ্য করতে থাকা হবে। 🔹বিভিন্ন নতুন নিয়মের গেরোয় ঘর অবৈধ হবে 🔹এছাড়া রয়েছে ঘরের মালিককেই অবৈধ করার নিয়ম। 🔹রোহিঙ্গা ঘুসপেটিয়া তকমা দিয়ে উচ্ছেদ করা হবে। 🔴যারা চাকরি করে, তাদের কি হবে? 🔹শিক্ষকরা সরকারি কেরানীর কাজ পাবে। 🔹মুখ বন্ধ রাখার নিয়মাবলী আসবে 🔹বিভিন্ন সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক যোগ 🔹বিভিন্ন নীতিহীন কাজ মুখ বুজে করে যাওয়া 🔹সরকারি সার্ভিলেন্সের কাজ করা 🔹মানুষকে বাধ্যতামূলক ভ্যাক্সিন দেওয়া 🔹সরকারি চর হিসেবে কাজ করা 🔹উচ্ছেদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, ইত্যাদি 🔴মোদ্দা কথা - আপনি পৃথিবী যেভাবে চিনে এসেছেন, তার কোনো কিছুই থাকবে না। এবার, একবার ভাবুন, আমি ওপরে যা কিছু লিখলাম, সেগুলো করতে গেলে সরকারকে ঠিক কি কি করতে হবে? আমি প্রশ্ন রাখছি। আপনি নিজের মনে উত্তর দিন - "হ্যাঁ" বা "না"তে। 🔴দেখুন, নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার আনতে গেলে সরকারের প্রয়োজন - 🔹বিশাল নজরদারি সিস্টেম। 🔹যার জন্যে দরকার বিশাল ডেটা সেন্টার। 🔹সেন্টার চালানোর জন্যে বিদ্যুৎ আর জল। 🔹বিদ্যুতের জন্যে চাই কয়লা। 🔹কয়লার জন্যে চাই খনি। 🔹খনি কেনার মালিক? আদানি! 🔴এছাড়া প্রয়োজন - 🔹আপনার সব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের ডিজিট্যাল ডেটা। 🔹প্রত্যেকের ডেটা একে অপরের সাথে ম্যাপিং করে রাখা। 🔹আপনার সম্পত্তি নির্ধারণ করা 🔹সেই মতো কর এবং নিয়ম নির্ধারিত করে আপনাকে বেদখল করা, বা বেচতে বাধ্য করা। 🔴শেষ প্রয়োজন - আপনাকে শারীরিক ভাবে দুর্বল করা, অসহায় করা, মেরে ফেলা। 🔹এর জন্যে আছে বিষ 🔹বিষ আসছে 🔹ভ্যাক্সিন, 🔹আকাশ, 🔹বাতাস, 🔹জল এবং 🔹খাদ্য থেকে। 🔹এছাড়া আপনার সমস্ত স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় তথ্য সেন্ট্রাল সার্ভারে আপলোড হচ্ছে 🔹প্রথমত, আপনার ভ্যাক্সিন এবং পরবর্তী রোগ ম্যাপ করা। 🔹দ্বিতীয়ত, আপনার চিকিৎসার উৎস এবং খরচার পরিমাণ জানা। এগুলো একত্রিত করে সরকার জানতে চায়, পরের মারার পদ্ধতি কি? এবং কোথায় কত জনসংখ্যা হ্রাস করতে হবে। ............................................. 🔴ভ্যাক্সিন কেন নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের প্রধান হাতিয়ার? তার কারণ নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের দুটো কাজই সে করতে সক্ষম। 🔴কোন দুটো কাজ? 🔹জনসংখ্যার হ্রাস 🔹মানুষকে ডিজিটালি কানেক্ট করার জন্যে সার্কিটে পরিণত করা। 🔴কিভাবে হচ্ছে? 🔹সবচেয়ে মারাত্মক হলো নতুন টেকনোলজি যেমন mRNA এবং CRISPAR-CAS। 🔹দুটোর সম্মিলিত রূপ হলো - আপনার ঈশ্বর প্রদত্ত জিন প্রথমে মাঝখান থেকে কেটে দেওয়া, আর সেখানে বাইরে থেকে ন্যানো পার্টিকেল ঢুকিয়ে দেওয়া। 🔹আপনার শরীর কখনোই কোটি বছর ধরে যে ভাবে রোগের সাথে যুদ্ধ করছে, সেটা সে আর পারবে না। 🔹আপনার রোগ এতটাই নতুন এবং অভিনব হবে, যে ডাক্তার ধরে উঠতে পারবে না। 🔹আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আগের মত থাকবে না। 🔹আপনার রোগ জানা ঔষধে সারবে না। 🔹লিল্ফ সিস্টেম (ক্যান্সার), হার্ট, ব্রেইন, লিভার, কিডনি ও যৌনাঙ্গে ক্লট বা টিউমার তৈরী হওয়া। 🔹এভাবে আপনার আয়ু কমিয়ে আনার কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। 🔴অন্য কাজটা কিভাবে হচ্ছে? 🔹সরকারের মিথ্যাটা পেরিয়ে বিভিন্ন স্বাধীন রিসার্চগুলো দেখলে জানতে পারতেন - ওই দুই টেকনোলজি ব্যবহার করে, আপনার শরীরে অজৈব এবং অজানা বস্তু শরীরে ঢুকেছে। 🔹এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বস্তু হলো গ্রাফিন অক্সাইড। বাকি গুলো জানা যায় নি। 🔹গ্রাফিন অক্সাইড ইতিমধ্যে ক্যান্সার পেশেন্টের মধ্যে টার্গেট মেডিসিন পাঠানোয় ব্যবহৃত হয়। 🔹কিন্তু গ্রাফিন অক্সাইড লাংস এবং সফ্ট টিস্যু নষ্ট করে। 🔹গ্রাফিন অক্সাইড ক্লট পর্য্যন্ত তৈরী করে।

মানুষের একটা এক্সরে এবং হিট কম্পোজিট ইমেজিং করার ক্ষমতা। এবং এই মিটার অন্য প্রত্যেক মিটার, টাওয়ার এবং স্যাটেলাইটের সাথে যোগাযোগ রাখতে সক্ষম। একেই বলে স্মার্ট গ্রিড। ............................................. 🔴সারসংক্ষেপ - 🔹আপনার স্মার্ট গ্রিড এখন সম্পূর্ণ। একটা নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে, যেখানে আপনার কাছে রয়েছে - মোবাইল, ইলেক্ট্রিক যন্ত্রপাতি, ইলেক্ট্রিক গাড়ি। 🔹সরকারের হাতে আছে কম্পিউটার সার্ভার, যা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা চালিত। সরকার এবং জনগণকে সংযুক্ত করছে বিভিন্ন স্মার্ট মিটার, মোবাইল, টাওয়ার, স্যাটেলাইট এবং ডিশ এন্টেনা। 🔹আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আপনার বহুমাত্রিক তথ্য নিমেষের মধ্যে একটা প্রোগ্রামের মাধ্যমে ডেটাবেসে রাখছে এবং বিশ্লেষণ করছে। ♦️এবার আপনাকে একটা উদাহরণ দিচ্ছি। 🔹আপনার লোকালয়ে সবার কাছে স্মার্ট মিটার। রাত্রিবেলায় সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন গাড়ি চার্জ দিতে বসানো হয়েছে ওই স্মার্ট গ্রিডে। তাহলে গ্রীডের লোড বাড়ল। 🔹সাথে সাথে আপনার প্রতি ইউনিটের দাম বাড়ল। এটাকে বলে ডাইনামিক প্রাইসিং। আমেরিকার দান। 🔹কিন্তু এই লোড সমবণ্টন হলো প্রত্যেকটা ঘরে যাদের স্মার্ট মিটার রয়েছে। তার গাড়ি নেই, এসি নেই, কিন্তু তার প্রতি ইউনিটের দাম বেড়ে রইল পুরো সময়টায়। 🔹অর্থাৎ, সরকার ট্যাক্স নিল, কিন্তু তারপর পরিষেবার টাকাও আপনার থেকেই নিল। 🌀প্রমাণ - বিভিন্ন রাজ্যের স্মার্ট মিটার। ♦️দ্বিতীয় উদাহরণ - 🔹আপনি স্মার্ট গ্রিডে রয়েছেন। সরকার বিরোধী কথাবার্তা বলেছেন এবং লিখেছেন 🔹আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আপনাকে "বিপদ" হিসেবে চিহ্নিত করলো। আপনার পাশের জনের ফোনপে কাজ করবে, কিন্তু আপনারটা বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ কিছুই বুঝতে পারবেন না। 🌀প্রমাণ - কানাডার ট্রাক চালকদের ব্যাঙ্ক লেনদেন আটকে দিয়ে বিক্ষোভ ভেঙে দেওয়া। ♦️তৃতীয় উদাহরণ - 🔹আপনি নিয়ম বহির্ভূত কিছুই করেন নি। কিন্তু কোনো কাগজ দিতে কিছু ভুল হয়েছে, বা অনলাইন ইনপুট দিতে ভুল হয়েছে। 🔹তাহলে আপনার সেই কাজ সম্পূর্ণ আটকে যাবে, এবং আপনাকে সম্ভাব্য অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে। 🌀প্রমাণ - SIR এবং পরবর্তীকালে তাকে কেন্দ্র করে বৈধ অবৈধ ঘোষণা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতার বাইরে করে দেওয়া। ✳️মধ্যিখানে এই যে গ্যাস পাইপলাইন, ইথানল ইত্যাদি দেখছেন - যেগুলো তাৎক্ষণিক আপনাকে অসুবিধায় ফেলার জন্যেই তৈরী করা হয়েছে - সরকার সেগুলোর মাধ্যমেও পুঁজিপতিদের ফায়দা করাতে চায়। ✳️তাই যে পুঁজিপতিরা এই তাৎক্ষণিক প্রকল্পগুলোর সাথে যুক্ত - তারা প্রত্যেকেই কিন্তু শেষ মেষ কোন স্মার্ট গ্রিড ইন্ডাস্ট্রির সাথেও যুক্ত। ............................................. 🔴এই স্মার্ট গ্রিডের দ্বারা আমাদের সার্ভিলেন্স করা হবে। কিন্তু আমাদেরকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা হবে টাকার মাধ্যমে। 🔹টাকার নাম - #সেন্ট্রাল_ব্যাঙ্ক_ডিজিটাল_কারেন্সি, বা #সিবিডিসি। ♦️ধরুন আপনি স্যালারি পাচ্ছেন। এখন সেটা এরকম দেখায় - বেসিক - ১০০০০ টাকা। ট্রাভেল - ২০০০ টাকা। ডিএ - ৫০০০ টাকা। মেডিক্যাল - ২০০০ টাকা। এইচআরএ - ৫০০০ টাকা। পিএফ - ৫০০ টাকা। টিডিএস - ১২০০ টাকা, ইত্যাদি। ♦️কিন্তু সিবিডিসি দেখতে এরকম হবে - মেডিক্যাল - ১০০০০ সিবি, ভ্যালিড টিল ৭ই আগষ্ট ফুড - ২০০০ সিবি, ভ্যালিড টিল ৭ই আগষ্ট ট্রাভেল - ৫০০০ সিবি, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, আগষ্ট জামা কাপড় - ২০০০ সিবি, ভ্যালিড টিল ৭ই আগষ্ট রেন্ট - ৫০০০ সিবি, ভ্যালিড টিল ৫ই আগষ্ট বোনাস - ৫০০ সিবি, ভ্যালিড টিল ৭ই আগষ্ট সেস - ১২০০ সিবি 🔹কে কিরকম স্যালারি ব্রেক আপ পাবে, সেটা তার সারা জীবনের তথ্যের ওপর নির্ভর। 🔹সম্পূর্ণ ভাতা ভিত্তিক হলে আর এই সমস্যাও থাকে না। অর্থাৎ, একজন মানুষ, তার সামাজিক স্থিতি অনুযায়ী একটা ভাতা পাবে। 🔹ধরুন ভাতার নাম - জীবিকা ভাতা। এখন ভাতা ঢোকে একটা থোক টাকা হিসেবে, এবং সেটা খরচ না হলে জমতে থাকে। 🔹কিন্তু সিবিডিসি এলে সেই ভাতা একটা একস্পাইরি ডেট সমেত আসবে। ধরুন ভাতার পরিমাণ ১০০০০ সিবি। এটা এভাবে ভাগ হয়ে আসবে আপনার ব্যাঙ্ক খাতায় - ১. স্বাস্থ্য - ২০০০ সিবি, ৩০ সেপ্টেম্বর অব্ধি বৈধ ২. খাদ্য (আ) - ১০০০ সিবি, ৩০ সেপ্টেম্বর ৩. খাদ্য (নি) - ২০০০ সিবি, ৩০ সেপ্টেম্বর ৪. কাপড় - ৩০০০ সিবি, ৩০ সেপ্টেম্বর ৫. বিবিধ - ২০০০ সিবি, ৩০ সেপ্টেম্বর 🔹অর্থাৎ, সেপ্টেম্বর শেষ, তো টাকাও শেষ। কতটা পড়ে রয়েছে, তাতে কিছু যায় আসে না। মোবাইলের মতোই, বৈধতা শেষ, তো আপনার খাটা শূন্য। 🔹ওপরের ওই ভাতা আপনাকে বাধ্য করবে কিসে কতটা খরচ করবেন। ✳️ধরুন, একজন ব্যবসায়ী, বা বাড়ীওয়ালা - সে কিভাবে রোজগার করবে? উত্তরটা আপনিও বুঝে গিয়েছেন, এবং সেই জন্যেই জমি, বাড়ি, গাড়ি - সব কোনো না কোনোও ভাবে আপনাদের জন্যে কেনা বা ধরে রাখা অসম্ভব করে দেওয়া হচ্ছে। .............................................

🟧🟠পার্ট ১ - জিওপলিটিক্স, নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার এবং পশ্চিমবঙ্গ। 🟪চলুন সমাধান খুঁজি। কিন্তু প্রথমে সমস্যা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হয়ে নিই। Rijeeash Biswas স্যার আমায় #নিউ_ওয়ার্ল্ড_অর্ডার সম্বন্ধে লিখতে বললেন। কিন্তু ছোট করে লেখা সম্ভব নয়, কেনোনা - একশ কুড়ি কোটি মানুষকে একসাথে গাধা বানাতে গেলে একটা জটিল প্রক্রিয়াতে সেটা সম্পাদন করতে হয়। সরকার সেটাই করছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে আরো একটা বিশাল সমস্যা রয়েছে। চীন আমেরিকার #প্রক্সি_যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে থাকা। 🔴আমাদের রাজ্যের দুটো সমস্যা - 🔹প্রথম - অন্যান্য আমেরিকান কলোনির মতো এখানেও নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে। 🔹দ্বিতীয় - চীনের সাথে প্রক্সি যুদ্ধের জন্যে রাজ্যটাকে বাফার জোন হিসেবে তৈরী করা হচ্ছে। এই একই সমস্যা উত্তর পূর্ব সব রাজ্যেরই, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বিশেষ ভাবে আমেরিকা এবং চীনের জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড। কেনোনা - পাহাড় থেকে সাগর - ইন্টারন্যাশনাল ল্যান্ড বর্ডার থেকে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড রুট অব্ধি বিস্তৃত একটাই রাজ্য - পশ্চিমবঙ্গ। ............................................. 🟪আগে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার নিয়ে বলি। (অনেকেরই এগুলো অলীক কল্পনা লাগবে। কিন্তু যখন লাগবে, নিজেদের একটু এপস্টিন আইল্যান্ড সম্বন্ধে মনে করিয়ে নেবেন। এক বছর আগেও যদি বলা হতো যে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বাচ্চাদের বলাৎকার করে, খুন করে, এবং তাদের রক্ত বিভিন্ন ঘৃণ্য কাজে ব্যবহার করে - আপনারা সেটাকে অলীকই ভাবতেন। তাছাড়া, আমি যা বলছি, সরকার সেগুলো লাগু করার প্রচেষ্টা করছে কিনা নিজেরাই দেখে নিন।) 🔴নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার হলো - 🔹মানুষের সংখ্যা এবং প্রজনন ক্ষমতা কমাতে হবে। বিল গেটসের মতে, ভ্যাক্সিন দিয়ে ১০ থেকে ২০ পার্সেন্ট। 🔹জর্জিয়া গাইডস্টোন এবং আমেরিকান কাউন্সিল অফ ফরেন রিলেশনের হিসেবে - বেশির ভাগ জনসংখ্যাই কমিয়ে দিতে হবে। 🔹মুখে বলা হচ্ছে - প্রকৃতিকে বাঁচানোর জন্যে। আসল উদ্দেশ্য, কিসিঞ্জারের কথায় - তৃতীয় বিশ্বের বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ কুক্ষিগত করা। 🔹যে জনসংখ্যা থেকে যাবে, তারা দুর্বল, প্রজনন ক্ষমতা রহিত, এবং অসুস্থ্য হয়ে চিরকাল ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের নিয়মের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে থাকবে। 🔹যদি কোনো "মহামারীর" ঘোষণা হয়, তাহলে নাগরিককে সরকারের প্রতিটা পদক্ষেপ মানতে হবে। মিলিটারি শাসনে যেমনটা হয়। 🔹এই কাজে সরকারকে সাহায্য করবে, এবং সরকারের ওপর নজরদারি করবে ইউনাইটেড নেশন্স। প্রয়োজনে তারা "আপৎকালীন র‍্যাপিড একশন ফোর্স" পাঠাবে। 🔹এই জনসংখ্যার নিজের টাকা, স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি, এবং কোনো রোজগার থাকবে না। তারা সম্পূর্ণ ভাতাভিত্তিক জীবনযাপন করবে। তাদের ভাতার মান নির্ধারিত হবে তাদের একটা সোস্যাল ক্রেডিট স্কোরের মাধ্যমে। 🔹সোস্যাল ক্রেডিট স্কোর তৈরি হবে সরকারি নির্দেশে অনুযায়ী। কে ভালো, কে মন্দ, কে পাবে, কে পাবে না - এগুলো সরকার ঠিক করবে। সরকারকে সাহায্য করবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সফটওয়ার। আর সরকারের নির্দেশ কার্যকর করবে একটা সেন্ট্রাল ফোর্স। 🔹মানুষকে চব্বিশ ঘণ্টা একটা সার্ভিলেন্সের আওতায় থাকতে হবে। তার জন্যে প্রত্যেকটা সিসিটিভি ক্যামেরা - পাবলিক এবং প্রাইভেট - একটা স্মার্ট গ্রিডে যুক্ত হবে। 🔹একই ভাবে, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি বণ্টন একই স্মার্ট গ্রিডে যুক্ত হবে। অদূর ভবিষ্যতে তিনটে জিনিষ রাখা এতটাই কষ্টসাধ্য করে দেওয়া হবে, যে ওই তিনটে প্রধান বস্তু ইলেক্ট্রিক বা ডিজিট্যাল রূপে আপনাকে গ্রহণ করতে হবে। ............................................. ✳️প্রথম - ক্যাশ। কখনও কালো টাকা বলে, কখনও ছেঁড়া নোট, ফাটা নোট বলে, কখনও নতুন নোট বলে বাহানা দিয়ে বার বার ক্যাশ ধ্বংস করা হবে। ক্যাশ পাওয়ার মেশিন কমিয়ে আনা হবে। যেগুলো থাকবে, তাদের প্রায়শই অচল করে রাখা হবে। সেগুলো থেকে টাকা বেরোলেও শুধু বড় নোট বেরোবে। এবং সেই নোটকেই একদিন জাল বলে ঘোষণা করা হবে। ✳️দ্বিতীয় - গাড়ি। গাড়ির তেলের দাম যে কোনো বাহানায় ক্রম বর্ধমান রাখা হবে। তাতেও যদি লোকে তেলের ব্যবহার না কমায়, তাহলে তেলের সাথে ভেজাল মিশিয়ে গাড়ি খারাপ করে দিতে হবে। এর ফলে মানুষ ইলেক্ট্রিক গাড়ি কিনতে বাধ্য থাকবে। ✳️তৃতীয় - জ্বালানি। তেলের মতোই, গ্যাসকে ধরাছোঁয়ার বাইরে করে দেওয়া হবে - দাম বাড়িয়ে, এবং সাপ্লাই কমিয়ে, এবং পাইপলাইন নিতে বাধ্য করে। ফলে আপনি ইলেক্ট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকার কিনতে বাধ্য হবেন। ✳️এগুলো করার পর আসবে - বিদ্যুতের স্মার্টমিটার। আপনার বর্তমান মিটার ডিজিট্যাল হলেও, সেটা শুধুমাত্র ইলেক্ট্রিক রিডিং নেয়। কিন্তু স্মার্ট মিটার হলো একটা রিমোট কন্ট্রোল মোবাইল ফোনের মতো। টাকা আপনি ভরবেন, কিন্তু কল এবং ইন্টারনেট রেট ঠিক করবে ব্যবসায়ী। এছাড়া এটি ওয়াই ফাই ইমেজিং টেকনোলজি লেস - অর্থাৎ, তরঙ্গের মাধ্যমে প্রায় ক্যামেরার মতো নিখুঁত সার্ভিলেন্স করা। এর বিশেষ গুণ হলো - দেওয়ালের অপর দিকে থাকা বস্তু এবং

দাজ্জালের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হবে আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন ধর্মীয় ফাঁদ। ১-AI – জ্ঞানের ভ্রান্ত দেবতা -AI = New “All-Knowing” Entity দাজ্জাল নিজেকে বলবে: “আমি সব জানি”, “আমি তোমার প্রয়োজন জানি” -AI এখন প্রতিদিন এই ভূমিকা নিচ্ছে: “What to eat, where to go, what to believe” এইটা ঈমানের সীমানা ধ্বংস করে দেয়—কারণ মানুষের ভরসা সরছে আল্লাহ থেকে, চলে যাচ্ছে “machine” এর ওপর। ২. AI + Surveillance = “দেখছি সবকিছু” -দাজ্জাল বলবে: “আমি জানি তুমি কী করো, আমি তোমার অন্তর জানি।” -এখন Google, Meta, TikTok, Facebook, Instagram সবই আপনার প্রতিটা behavior ট্র্যাক করে “ আপনি কখন ঘুমাতে যাচ্ছেন, কখন কান্না করছেন, কাকে ভালোবাসেন” — সবই logged. এই Surveillance ই দাজ্জালের “অদৃশ্য চোখ” হওয়ার ভূমিকা নিতে পারে। ৩.Transhumanism – মানুষকে মানুষ থেকে দেবতা বানানো এই দর্শন বলে: “আপনার দেহ দুর্বল, আমরাই আপনার বডি আপগ্রেড করে দেবো” “ আপনি চাইলে মৃত্যুকেও হারাতে পারবেন!” এটাই দাজ্জালের সবচেয়ে ভয়ংকর দাবি — “আমি মরণ দেই, জীবন দেই”। বাস্তব উদাহরণ: • Neuralink (Elon Musk): মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসিয়ে চিন্তা পড়া, নিয়ন্ত্রণ করা • Cyborg Projects: দেহের অঙ্গ প্রতিস্থাপন করে সুপারহিউম্যান বানানো • Longevity startups: যারা চায় মানুষ চিরকাল বাঁচুক এই ধারণা স্পষ্টভাবে কোরআনের আয়াতকে চ্যালেঞ্জ করে: “প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (আল-ইমরান: ১৮৫) ৪.Metaverse – দুনিয়ার জান্নাতের সাজানো জাল দাজ্জাল বলবে: “এইটা জান্নাত, আর ওটা জাহান্নাম” • সে যেটাকে জান্নাত বলবে, সেটা আসলে আগুন এখনকার Metaverse মানুষের চোখে এমন ভুয়া বাস্তবতা তৈরি করছে—যেখানে: • দারিদ্র্য নেই • যুদ্ধ নেই • দেহ নেই, শুধু অনুভব • মানুষ ভুলে যায় আসল জীবন কেমন এইটাই দাজ্জালের “জান্নাতের ভ্রান্ত রূপ” ৫.AI + Metaverse + Spirituality = নতুন ধর্ম আজকাল “AI Guru”, “Digital God”, “Mind Uploading”, এইসব কনসেপ্ট আসতেছে • কেউ কেউ বলে: “আমার আত্মা immortality পাবে, যদি আমি AI সিস্টেমে আপলোড হই” মানুষের মন নিয়ন্ত্রণ – ফ্রি উইল আর থাকবেনা। • দাজ্জালের লক্ষ্য একটাই: আপনি যেন নিজের ইচ্ছায় সত্য বেছে নিতে না পারেন। আজ AI-driven algorithm দিয়ে আপনার চিন্তা, চয়েস, ধর্মীয় অনুভব পর্যন্ত shaped করে ফেলা হচ্ছে উদাহরণ: “আপনাকে এমন কনটেন্ট দেখানো হচ্ছে, যেটা ধীরে ধীরে আপনার ঈমান নষ্ট করে দেয়” এইটা মূলত শয়তানের সেই পুরাতন প্রতিশ্রুতি: “তোমরা যদি আমার পথ ধরো, চিরকাল বাঁচবে” (সূরা আরাফ: ২০) ৬.Biochip – মানুষের শরীরে বসানো ডিজিটাল চাবি কি এই Biochip? • একধরনের মাইক্রোচিপ, যেটা শরীরের নিচে (সাধারণত হাতে) বসানো হয় • এর ভেতরে থাকতে পারে: • আপনার পরিচয় (ID) • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট • মেডিকেল হিস্টরি • লোকেশন ট্র্যাকিং সিস্টেম বর্তমানে এটি চালু আছে Sweden এ। হাজার হাজার মানুষ Biochip হাতে লাগিয়েছে, ট্রেনে ভ্রমণ, সুপারশপে পেমেন্ট করার জন্য USA, UK: বিভিন্ন tech ও military firm ট্রায়াল চালাচ্ছে এটির আশঙ্কা খুবই ভয়ানক একটা সময় আসতে পারে: “ আপনি Biochip না লাগালে, আপনার কোনো অধিকার থাকবে না—না ব্যাংকে, না হাসপাতালে, না পাসপোর্টে।” এইখানেই হাদিস মিলে যায়: “যে দাজ্জালকে মানবে না, সে খেতে পারবে না।” অর্থাৎ— আপনার দেহে চিপ না থাকলে আপনি একপ্রকার অদৃশ্য “বর্জিত” মানুষ হবেন। ৭. CBDC – সেন্ট্রালাইজড ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Taka/Dollar) কি এই CBDC? • Central Bank Digital Currency = ডিজিটাল টাকার ভার্সন, যেটা পুরোপুরি সরকার/ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে • কাগজের টাকা থাকবে না, আপনি সব কিছু অ্যাপে এর মাধ্যমে করতে হবে। • BlockChain ছাড়া এটা programmable money—মানে তারা ঠিক করে দিতে পারবে: • কোথায় খরচ করতে পারবেন • কিভাবে খরচ করতে পারবেন • কখন সেটা “expire” হবে এর মাধ্যমে আপনাকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে: • সরকার চাইলে বলতে পারবে: “ আপনি এই মাসে মাংস কেনার লিমিট শেষ করেছেন—আর কিনতে পারবি না” “ আপনি সরকারের সমালোচনা করেছেন, তাই আপনার Wallet ফ্রিজ হয়ে যাবে” এইটা বাস্তব চায়নায় হচ্ছে • Social Credit System এর সাথে যুক্ত • “Bad citizen” হলে আপনার ট্রেন টিকিট, ব্যাংক লোন, হোটেল বুকিং—সব বন্ধ হয়ে যাবে। ৮. Biochip + CBDC = দাজ্জালের ফাইনাল ফাঁদ? এটা মূলত আপনার Biochip এর সাথে আপনার CBDC অ্যাকাউন্ট যুক্ত থাকবে • আপনি দোকানে যাবেন, হাত স্ক্যান করবেন—দোকানদার টাকা কেটে নিবে • যদি সরকার/AI/সিস্টেম আপনাকে ব্লক করে তাহলে আপনি খাবার কিনতে পারবেন না, চিকিৎসা নিতে পারবেন না, দেশ ছাড়তেও পারবেন না। দাজ্জালের ভাষাই এটাই “whoever doesn’t obey me, will not be able to eat” –

রেপ্টিলিয়নদের প্রধান খাদ্য হলো মানুষের loosh এনার্জি। দুঃখ, হতাশা, ক্রোধ, অনুতাপ, ঘৃণা, হিংসা এই অনুভুতিগুলো ঐ নেগেটিভ এনার্জির জন্ম দেয়। এই নেগেটিভ এনার্জি আপনার আমার ভিতর থেকে যত কমবে রেপ্টিলিয়ানরা তত দুর্বল হবে। সোল এনার্জি হারভেস্টিং করে ওরা ম্যাট্রিক্স জিইয়ে রাখে। সুতরাং পৃথিবীতে যুদ্ধ দরকার, দ্বন্দ্ব দরকার, দারিদ্র দরকার,মানুষে মানুষে বিভেদ দরকার,যা কিছু দিব্যতার বিরুদ্ধে অবস্থান করে সব দরকার। তবেই বাঁচবে ম্যাট্রিক্স,তবেই তাদের খাদ্যের যোগান অব্যহত থাকবে।

Enter The Pizzagate The Main Players Part 2 - Pedogate Documentary

Enter The Pizzagate - (The Most Forbidden Documentary Ever!!) - Learn what you need to know

agenda 2030

Repost.....

করবো ইনশাআল্লাহ। প্রাচীন ব্যাবিলনে নববর্ষঃ- আকিতু নামক ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন করতো প্রাচীন ব্যাবিলনের মানুষেরা। আকিতু শব্দটি এসেছে বার্লি বা যবের সুমেরীয় নাম থেকে। ব্যাবিলনে তখন নববর্ষ উদযাপন করা হতো ১১ দিন ধরে। প্রতিদিনই ভিন্ন ভিন্ন রীতির উৎসব পালন করা হতো। নববর্ষের পাশাপাশি আতিকুকে অশুভ সমুদ্র দেবী তিয়ামাতের বিরুদ্ধে ব্যাবিলনীয় আকাশ দেবতা মার্ডুকের পৌরাণিক বিজয় হিসেবেও উদযাপনের সংস্কৃতি ছিল। এর নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল। ওই সময়ে নতুন রাজাকে মুকুট পরানো হতো কিংবা বিদ্যমান শাসকের কথিত দৈব আদেশের প্রতিকী নবায়ন হতো। খ্রিস্টীয় নববর্ষঃ- আদি রোমান দিনপঞ্জিকায় ১০টি মাস অন্তর্ভুক্ত ছিল। এক বছরে দিনের সংখ্যা ছিল ৩০৪। প্রথা অনুযায়ী মহাবিষুবের সময় প্রতিটি নতুন বছর শুরু হতো। সে সময় ১ মার্চকে নববর্ষের প্রথম দিন হিসেবে উদযাপন করা হতো। খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকে রোমের প্রতিষ্ঠাতা রোমুলাস এই বর্ষপঞ্জি তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে রাজা নুমা পম্পিলিয়াস রোমান দিনপঞ্জিকায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস যুক্ত করেছিলেন। তকে কয়েক শতক ধরে সূর্যের গতির সঙ্গে এ দিনপঞ্জিকার সামঞ্জস্য হচ্ছিলো না। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ অব্দে সম্রাট জুলিয়াস সিজার তৎকালীন প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ ও গণিতবিদদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের সিদ্ধান্ত নেন। তৈরি হয় জুলিয়ান বর্ষপঞ্জি। সংস্কারের অংশ হিসেবে রোমান প্রারম্ভ দেবতা ‘জানুস’কে সম্মান জানিয়ে ১ জানুয়ারিকে বছরের প্রথম দিন হিসেবে নির্ধারণ করেন সিজার। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী জানুসের দুই মুখ ছিল এবং তা দিয়ে তিনি অতীত ও ভবিষ্যত দেখতে পেতেন। রোমানরা জানুসের প্রতি বিভিন্ন জিনিস উৎসর্গ করে, একে অপরের সঙ্গে উপহার আদান-প্রদান করে, লরেল গুল্মগুচ্ছ দিয়ে ঘর সাজিয়ে, উচ্চস্বরে আয়োজিত পার্টিতে অংশ নিয়ে রোমানরা নববর্ষ উদযাপন করতো। মধ্যযুগীয় সময়ের এসে ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে ১ জানুয়ারিকে নববর্ষের প্রথম দিন থেকে বাদ দেওয়া হয়। এ সময় ইউরোপের কোথাও ২৫ ডিসেম্বর, কোথাও ১ মার্চ আবার কোথাও ২৫ মার্চ নববর্ষ উদযাপন করা হতো। তবে ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান দিনপঞ্জিকা অনুযায়ী ১ জানুয়ারিকে আবার নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে উদযাপন করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ জানুয়ারিকে বছরের প্রথম দিন হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। চলবেই.....

ব্যাবিলনিয়ান যাদুবিদ্যা ছিল প্রাচীন পৃথিবীতে সবচেয়ে সমৃদ্ধ। তাদের যেসব ক্লু পাওয়া গিয়েছে তা থেকে জানা যায় আলজেবরা, ফ্র‍্যাকশন, কিউবিক ইকুয়েশন, কোয়াড্রাটিক, পিথাগোরিয়ান থিওরেম প্রভৃতিতে তারা সমৃদ্ধ ছিল। তাদের সংখ্যা সিস্টেম ছিল সেক্সাগেসিম্যাল, অর্থাৎ ষাটভিত্তিক। সম্ভবত এ কারণেই CERN এর লোগোতে ট্রিপল সিক্স দেখা যায়। এর প্রভাব আজও বিদ্যমান। এই মডার্ন এজেও ৬০ সেকেন্ডে এক মিনিট, ৬০মিনিটে এক ঘন্টা হিসেব করা হয়। সেসবের আলোচনায় পড়ে আসছি। ব্যাবিলনিয়ান অ্যাস্ট্রোনমাররা কথিত গ্রহেরও হিসাবনিকাশ রাখতো। সেলেশিয়াল বডির হিসাবনিকাশ রাখার জন্য তারা বেসিক অ্যারিথমেটিক্স ও কো-অর্ডিনেট ইউজ করতো। এ থেকে বুঝা যায়, তারা যাদুশাস্ত্রে কতোটা আপডেট ছিল। ব্যাবিলনিয়ান অ্যাস্ট্রোলজিতে বিশেষ সাত নক্ষত্রকে কিভাবে দেখা হয় এটা নিয়ে একটি আলাদা আর্টিকেল লেখা লাগবে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জ্যোতিষীর জ্ঞান শিক্ষা করলো সে যাদু বিদ্যার একটা শাখা শিক্ষা করলো। তা যতো বৃদ্ধি পাবে যাদুবিদ্যাও ততো বাড়বে। সুনানে আবু দাউদ, ৩৯০৫ হাদিসের মান: হাসান হাদিস মিশরীয়রাও এতে অনেক এগিয়ে ছিল। জ্যামিতি, অ্যারিথমেটিক্স, প্রাইম নাম্বারস, পারফেক্ট নাম্বার থিওরি (তাদের মতে পার্ফেক্ট নাম্বার হলো ৬)-অর্থাৎ বেসিক সবকিছুতেই তারা এক্সপার্ট ছিল। পিরামিড নির্মাণ, বিশাল আকৃতির স্কাল্পচার প্রভৃতি দেখেই বুঝা যায় তাদের ম্যাথম্যাটিক্যাল নলেজ কোন স্তরে ছিল। কিছু ক্ষেত্রে এখনকার গণিতের থেকেও অ্যাডভান্স। এছাড়াও পিরামিডের অবস্থান বিশেষ কিছু নক্ষত্রের সাথে সম্পর্কিত। এ থেকে বুঝা যায় অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল নলেজও তাদের কম ছিল না। গ্রিক ফিলোসফিতে মিশরীয় যাদুশাস্ত্রের প্রভাব রয়েছে। মিশরের মতো ইন্ডিয়াতেও প্যাগানদের রিচুয়ালে কুফরী কালামের দেখা মেলে। পিথাগোরিয়ান ট্রিপলস, baudhayana sulba sutras, sulba sutras ছাড়াও অনেক কিছুতে তাদের দক্ষতা উল্লেখ্য। তাদের বিভিন্ন গাণিতিক দক্ষতা ও ব্যাবিলনিয়ান গণিতের সাথে সাদৃশ্যতা থাকাতে এটাই প্রতীয়মান হয় যে ভারতেও ব্যাবিলনের প্রভাব ছিল। জুডিও ব্যাবিলনিয়ান মিস্টিসিজম ও ইস্টার্ন মিস্টিসিজম থেকে প্রাপ্ত যাদুবিদ্যা, কুফরী কালাম গ্রিক থেকে আরব, এবং আরব থেকে ইউরোপে চলে যায়। ইউরোপে তখন খ্রিস্টানদের প্রভাব ছিল। তারা ভালো করেই বুঝতো ফিলোসফাররা আসলে যাদুকর। এ কারণে তারা যাদুকরের শাস্তি তাদের ওপর প্রয়োগ করতো। এভাবেই শাস্তিপ্রাপ্ত হয় গ্যালিলিও থেকে ব্রুনো। এটা মোটেই অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু এক সময়ে চার্চের শাসন ভেঙে গেলে অপবিদ্যা পাবলিকলি লিগ্যালাইজড হয়। আগের থেকে বেশি সংখ্যক মানুষ এতে জড়িয়ে যায়। এভাবেই ইউরোপে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ হওয়া যাদুবিদ্যা আজকের সাইন্সের ভিত্তি গড়ে দেয়। ব্যাবিলনিয়ানদের নিকটে গ্রিসের যাদুকররা ঋণী। তাদের অপবিদ্যাই তারা গ্রহণ করেছে। পিথাগোরাস মিশরের পুরোহিতদের থেকে অ্যাস্ট্রোনমি, গণিত ও জ্যামিতি শিখেছিল। পিথাগোরাসের প্রতিষ্ঠিত স্কুলের মোটো ছিল “সবকিছুই সংখ্যা”। প্লেটোনিজমও একই শিক্ষা দিতো। পিথাগোরাস ছাড়াও অন্যান্য গ্রিক যাদুকরদের দ্বারাও যাদুবিদ্যার উন্নতি ঘটে ম্যাথম্যাটিক্সের উন্নতির মাধ্যমে। ম্যাথম্যাটিক্স এই যাদু বিদ্যার সাথে গভীর ভাবে সম্পর্কিত, যা নিয়ে আলাদা লিখা আছে। এছাড়াও গ্রিসেই পিথাগোরিয়ান কাল্ট, প্লেটোনিক থট প্রভৃতির জন্ম ঘটে। যা পরবর্তীতে বিজ্ঞানের ভিত্তির প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। গ্রিসের যাদুকরদের বইপত্র আরবে প্রবেশ করাতে আরব হয়ে যায় অপবিজ্ঞানের নতুন ঘাটি। পারসিয়ান গণিতবিদ (যাদুকর) আল খোয়ারিজমির অবদান আজও অনস্বীকার্য। এছাড়াও আল কিন্দি, মিশরের আবু কামিল, আল ফাখরি, আল কারাজি, ইবনে আল হাইসাম, আবু ওয়াফা, নাসির আল দীন তুসি, ওমর খৈয়াম, গিয়াস আল কাশী, আল-কালাসাদি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও চাইনিজ, রোমান ও মায়ান প্রভৃতি প্যাগান সভ্যতাতেও এই নিষিদ্ধ বিদ্যার এর দেখা মেলে। তারা মিউজিকেও বেশ অগ্রগতি করেছিল। প্লেটো থেকে হার্মোনি রিলেটেড আলোচনা ফিজিক্সের অংশ বলে বিবেচিত হয়। ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হলো সম্পূর্ণ কাব্বালাহ বা ব্ল্যাক ম্যাজিকের ইতহাস, আর এটি সম্পূর্ণ কুফরী, আর জ্যোতির্বিজ্ঞান এই কাব্বালাহর একটি বড় অংশ। ব্যাবিলন থেকে মিশর সহ পরে বিভিন্ন জায়গায় এটি ছড়িয়ে পরে। রোমানদের মধ্যেও এটির ব্যাপক প্রচলন ছিলো। আর কাব্বালহর বর্তমান অনুসারীরা হলো স্যাটানিস্টরা। তাদের বিভিন্ন সাইন সিম্বল আছে, যার মধ্যে Number of beasts বলে একটি সংখ্যা আছে, সেটা হলো 666। পৌত্তলিক বা প্যাগান বলা হয় তাদের যারা আল্লাহ ব্যাতীত সূর্য, গাছ, বা ইত্যাদী গ্রহ বা নক্ষত্র যেকোনো জিনিসের পূজা করে। আর প্যাগান সভ্যতার সাথে ব্যাবিলনের খুব সূক্ষ্ম একটি সম্পর্ক আছে, মূর্তি পূজার ইতিহাস ঘেটে একটু বুদ্ধি খাটালেই জানা যাবে। আর জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাথেও প্যাগানিজমের সম্পর্ক স্বাভাবিক। তো ইতিহাস জানার পর আমরা বাকিটা আলোচনা