Mahfuj Ibn Delowar
رفتن به کانال در Telegram
“প্রচার করো, যদি একটি মাত্র আয়াতও হয়।” ️[সহীহ বুখারি-৩৪৬১]
نمایش بیشتر2 590
مشترکین
+124 ساعت
-27 روز
+830 روز
آرشیو پست ها
2 590
যুবকের বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শিতার দিকে তাকাও, তার শারীরিক গঠনের দিকে নয়।
মানুষ তার কাজের মাধ্যমে সম্মানিত হয়, আবার কাজের মাধ্যমেই ছোট হয়ে যায়।
হতে পারে একা একজন মানুষই একটি বিশাল সৈন্যদলকে পরাস্ত করে দিল।
আবার হতে পারে একদল মানুষ একত্রিত হয়ে কেবল অপমান বা নিচতাই বয়ে আনল।
আসল সৌন্দর্য তো অন্তরের ভেতরেই নিহিত,
আর খাঁটি সত্য বা সঠিক বিষয়টি গোপন থাকে কারণ তা বাইরে দেখা যায় না।
তাই নিজের জন্য এমন পথ বেছে নাও যা মানুষ পরবর্তীতে সুনামের সাথে স্মরণ করবে,
কারণ মানুষ মৃত্যুর পর এই দুনিয়ায় কেবল একটি আলোচনা বা গল্প হিসেবেই রয়ে যায়।
2 590
হুতীদের আকিদাতে এমন কুফর রয়েছে যার জন্য তারা মুসলিমদের মিল্লাত থেকে বের হয়ে যায়।
শাইখ উবায়েদ আল জাবেরী রহিমাহুল্লাহ বলে, এতো দলিল পাওয়ার পরো যারা হুতীদের কুফরি নিয়ে সন্দেহ করে সে নিজেই কাফের।
- এটা স্পষ্ট যে হুতীরা কাফের।
2 590
বুধবার যোহর থেকে আসর পর্যন্ত দোয়া কবুলের সময়।
মহান আল্লাহর কাছে মুসলিমদের জন্য মক্কা মদিনার জন্য বেশি বেশি দোয়া করুন। এবং ইসলামের শত্রু, রাফেজী হুতী দের ধ্বংসের দোয়া করুন।
2 590
পারস্যের বংশোদ্ভূত প্রখ্যাত তাবিয়ীন ওয়াহব ইবনে মুনাব্বিহ রহিমাহুল্লাহ [মৃত্যু: ওনার মৃত্যু নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে ধারণা করা হয় ৭২৫ থেকে ৭৩৭ খ্রিস্টাব্দের মাঝে মারা যান]—তিনি বলেন,
«مثل الأعزب مثل شجرة في فلاة يقلبها الرياح هكذا وهكذا»
❝একজন অবিবাহিত ব্যক্তির অবস্থা মরুভূমির একক গাছের মতো,যাকে বাতাস এদিক-ওদিক করে দোলাতে থাকে।❞ “অর্থাৎ; অবিবাহিত ব্যক্তিটি বিবাহিত ব্যক্তির তুলনায় অনেক বেশি ফিতনায় জড়ানোর আশংকা থাকে”
[কিতাবুল মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, হা/১০৩৮৬;খন্ড: ৬ পৃষ্ঠা: ১৭০]
“অবিবাহিত ব্যক্তির অবস্থাকে এমন একটি একাকী গাছের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে,যা জনশূন্য এক বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে আছে।সেই গাছটির চারপাশে নেই কোনো সঙ্গী,নেই আশ্রয় বা রক্ষাকবচ।যখন দমকা হাওয়া বা ঝড় আসে,তখন সেই গাছকে এদিক-ওদিক করে দুলিয়ে দেয়,কেননা তার নেই কোনো দৃঢ় ভিত্তি বা প্রতিবন্ধকতা যা তাকে রক্ষা করতে পারে।
ঠিক একইভাবে,অবিবাহিত ব্যক্তি জীবনের নানা পরীক্ষায়,চাপে ও পরিস্থিতিতে দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। কারণ তার জীবনে নেই কোনো সঙ্গিনী,যে তার মানসিক শান্তি,সহচরিতা ও ভারসাম্য প্রদান করতে পারে।বিবাহ মানুষকে দায়িত্বশীল করে তোলে,চিন্তায় স্থিরতা আনে এবং জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে সহায়তা করে।তাই বিবাহহীন জীবনকে অস্থির, দিকহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে এই উপমার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।”
2 590
- পর্নোগ্রাফিক এবং অনৈতিক ভিডিও দেখা নিঃসন্দেহে একটি কবিরা গুনাহ!
- শাইখ আব্দুল আজিজ ফারহান আল এনাজি হাফিযাহুল্লাহ
2 590
-নারীরাই পুরুষদের নির্মাতা। তাই নারী যদি সচ্চরিত্রবান হন, তবে পরিবার, সমাজ এবং সবকিছুই সৎ হয়ে ওঠে।
2 590
- রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ কেবল মানুষের চিন্তা যে ব্যাক্তি এমন কথা বলে তার হুকুম কী?
- শাইখ সালেহ আল ফাউজান حفظه الله
2 590
তারপর নশ্বর দুনিয়া আমায় ভিশন ক্লান্ত করে দিলো এতোটাই ক্লান্ত যে ক্লান্তির কথা বলতেও ক্লান্তি চলে আসে...
2 590
ক্যাসেট, রেডিও বা ফোনের মাধ্যমে রুকইয়াহ করা শরীয়তসম্মত নয় এবং তা জায়েজ নেই। রুকইয়াহর জন্য শর্ত হলো রাকী (ঝাড়ফুঁককারী) সরাসরি রোগীর কাছে উপস্থিত থাকবেন, নিবেশিত নিয়তে তিলাওয়াত করবেন এবং রোগীর ওপর বা আক্রান্ত স্থানে সরাসরি 'নফছ' (النَفْث - হালকা থুথুমিশ্রিত ফুঁ) দেবেন। লাউডস্পিকার, ফোন বা রেকর্ডিংয়ে যে আওয়াজ আসে তা সরাসরি তিলাওয়াত ও দমের বিকল্প হতে পারে না।
সোর্স: ফাতাওয়া আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ (فتاوى اللجنة الدائمة), ফতোয়া নম্বর: ১৬৬৬৯ (খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৯০-৯২) এবং ফতোয়া নম্বর: ২০০৩৭।
আমাদের সাধারনদের জন্য উচিৎ হচ্ছে নিজে খেয়াল খুসি বা আকলের কথাকে প্রাধান্য না দিয়ে আলেমদের কথা শুনা এবং তা মেনে চলা যেমনটি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন:
"একজন মুসলিম ব্যক্তির ওপর (আল্লাহ ও নেতার নির্দেশ) শোনা ও মেনে চলা (السمع والطاعة) আবশ্যক তার পছন্দনীয় বিষয়ে হোক বা অপছন্দনীয় বিষয়ে হোক; যতক্ষণ না তাকে কোনো গুনাহ বা পাপাচারের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে যখন কোনো গুনাহর আদেশ দেওয়া হয়, তখন আর কোনো শোনাও নেই, মানাও নেই।"
(সহীহ বুখারী: ৭১৪৪, সহীহ মুসলিম: ১৮৩৯)
আমরা বিশ্বাস করি, ইমানদারের জন্য রয়েছে জান্নাত সমূহ এবং রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছে সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৫ ও সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৯ তে। মহান আল্লাহ আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুন।
✍🏻 মাহফুজ ইবনে দেলোয়ার
2 590
পেশাদার রাকীদের বাটপারির অন্যতম আরেকটি অংশ হচ্ছে অনলাইনে রুকইয়াহ করানো। দুরের রুগীদের কম খরচের কথা বলে বিকাশে, নগদে কিছু টাকা নিয়ে whats app গ্রুপ খুলে ৩০/৪০ জনকে অডিও/ভিডিও কলে এনে রুকইয়াহর নামে কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করে শুনায়।
অথবা অনলাইনে রুকইয়াহর নামে প্রবাসী ভাই বোনদের থেকে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নেয়ার ধান্দা।
আহলুস সুন্নাহর আলেমদের মতে ক্যাসেট, রেডিও বা ফোনের মাধ্যমে রুকইয়াহ করা শরীয়তসম্মত নয় এবং তা জায়েজ নেই।
কারন রুকইয়াহর অর্থ হচ্ছে একজন রাকী তিনি আল্লাহর কালাম থেকে বিভিন্ন অংশ রুগীর সামনে তিলাওয়াত করবে এবং কিছু দুআ করবে তারপর রুগীকে সাধারন ফু দিবে আবার থুথুমিশ্রিত ফু দেবেন। অনলাইনে মানে ফোনে রুকইয়াহ করালে রুগী পর্যন্ত ফু পোছায় না তাই আলেমরা অনলাইনে রুকইয়াহ করার বিপক্ষে এবং জায়েজ নেই বলেছেন।
শাইখ আল আল্লাহমা, আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ হাফিযাহুল্লাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো এই (অনলাইনে রুকইয়াহ) বিষয় জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো। নিচে প্রশ্ন উত্তরটি উল্লেখ করছি
প্রশ্নকারী বলছেন:
ফোনের মাধ্যমে কি রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) করা শরীয়তসম্মত? যাতে ঝাড়ফুঁককারী এক স্থানে থাকবে এবং যাকে ঝাড়ফুঁক করা হচ্ছে সে অন্য স্থানে থাকবে, আর ফু (বায়ু) সেখানে গিয়ে পৌঁছাবে?
শায়খ আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ হাফিযাহুল্লাহ উত্তরে বলেন:
আমি বলি: ফু কি যাকে ঝাড়ফুঁক করা হচ্ছে তার কাছে পৌঁছাবে?! অর্থাৎ আমি বলছি, এটি... এটি জামানার (যুগের) এক আশ্চর্য ঘটনা! কারণ রুকইয়াহর মূল ভিত্তিই হলো ফু দেওয়া, এটি তো আর কেবল সাধারণ তেলাওয়াত করা নয় যে শুধু কণ্ঠস্বর এবং পাঠ শোনা যাবে। বরং (রুকইয়াহ হলো) ঝাড়ফুঁককারীর থেকে নির্গত ফু, যা রোগীর ওপর গিয়ে পড়ে। হ্যাঁ।
সূত্র: অনলাইনে প্রচার হওয়া একটি অডিও বক্তব্য থেকে।
রুকইয়াহ ব্যবসায় যেহতু বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নেওয়া যায় সাধারন রুগীদের থেকে তাই দুষ্টি রাকীরা শাইখ হাফিযাহুল্লাহর এই কথাকে কানেই নিবে না এটাই সাভাবিক। টাকা এমন এক জিনিস যা অনেক বিচক্ষণ মানুষাকে অন্ধ বোবা করে তুলে যদিও ব্যাক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ।
তাই আমরা যতই সুন্নাহর আলেমদের ফতোয়া নসিহা পেশ করিনা কেনো রুকইয়াহ ব্যবসায়ীরা তা গ্রহণ করবে না।
মহান আল্লাহ বলেন, তুমি যাকে ভালোবাস তাকেই হেদায়েত করতে পারবে না, বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছে হেদায়েত দান করেন। আর তিনিই ভালো জানেন কারা হেদায়েতপ্রাপ্ত।
(সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৫৬
আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, সেই সঠিক পথপ্রাপ্ত; আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কখনোই তার জন্য কোনো সাহায্যকারী বা পথপ্রদর্শক পাবে না।
(সূরা আল-কাহফ, আয়াত: ১৭)
তাই শেষ করার আগে অনলাইনে রুকইয়াহ করানো সম্পর্কে সুন্নাহর আলেমদের ফতোয়া উপস্থাপন করবো ইন শা আল্লাহ।
শায়খ মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন রহিমাহুল্লাহর কাছে রেকর্ড করা কুরআন বা ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসা করার বিধান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন:
রেকর্ড করা সাউন্ড বা ফোনের মাধ্যমে যা শোনা যায় তাকে 'রুকইয়াহ' বলা যাবে না। কারণ রুকইয়াহর সাথে একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতি, সওয়াব ও চিকিৎসার নিয়ত এবং সরাসরি ফুঁ দেওয়ার আমল যুক্ত থাকে। তবে ক্যাসেট বা ফোনে কুরআন শুনলে কুরআনের সাধারণ বরকত পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু তা শরঈ রুকইয়াহ হিসেবে গণ্য হবে না।"
সোর্স: ফাতাওয়া নূরুন আলা আদ-দারব (فتاوى نور على الدرب), শায়খ ইবনে উসাইমীন, রেকর্ডিং/ক্যাসেট নম্বর: ৩৭১।
শায়খ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান হাফিজাহুল্লাহ অনলাইনে, ইন্টারনেটে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে বা মোবাইল কলে রুকইয়াহ করাকে তিনি দ্বীনের মধ্যে নতুন উদ্ভাবন (বিদআত) ও বাণিজ্যিক অপব্যবহার বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরো বলেন: রুকইয়াহ হলো একটি প্রত্যক্ষ ইবাদত ও শরঈ চিকিৎসা। একে অনলাইনে দূরবর্তী সেবায় রূপান্তর করা শরীয়তসম্মত নয়। রাকী ও রোগীর শারীরিক উপস্থিতি রুকইয়াহর অপরিহার্য শর্ত।
সোর্স: আল-মুনতাক্বা মিন ফাতাওয়া আল-ফাওজান (المنتقى من فتاوى الفوزان), খণ্ড: ২, ফতোয়া নম্বর: ১৭৩ (এছাড়াও তাঁর অফিসিয়াল অডিও ফতোয়া সিরিজ: আস-ইলাহ আল-আম্মাহ)।
শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ রহিমাহুল্লাহ ফোন বা রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে রুকইয়াহ করার বিষয়ে তিনি বলেন: টেলিফোন, অডিও ক্যাসেট বা দূরবর্তী মাধ্যমের সাহায্যে রুকইয়াহ করা রুকইয়াহর শরঈ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ রুকইয়াহর মূল ভিত্তি হলো ঝাড়ফুঁককারীর উপস্থিতি, সরাসরি নিয়ত এবং রোগীর ওপর সরাসরি ফুঁ দেওয়া। সালাফদের (পূর্বসূরী আলেমদের) যুগে এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না।"
সোর্স: মাজমু ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাত মুতানাওউইআহ (مجموع فتاوى ومقالات متنوعة), শায়খ বিন বাজ, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৩৪৭-৩৪৮ (অধ্যায়: العلاج بالرقية)।
সৌদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া কমিটি (اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء) এর ফতোয়া হচ্ছে,
2 590
- নজর লাগার বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা উচিৎ নয়।
- শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী হাফিযাহুল্লাহ
2 590
আমাদের জানা উচিত যে নজর লাগা দুই প্রকারের হয়ে থাকে :
১. হিংসাত্মক নজর (عين حاسدة): এটি একটি খবীছ বা দুষিত নজর, যা আল্লাহর হুকুমে তার হিংসাত্মক খবীছ স্বভাবের কারণে ক্ষতিসাধন করে
২. মুগ্ধতাজনিত নজর (عين معجبة): এটি কখনো ভালোবাসার কারণেও হতে পারে। এমনকি একজন মানুষ নিজের প্রতি নিজে মুগ্ধ হয়ে নিজেকেই নিজে নজর লাগিয়ে ফেলতে পারে।
🎙️শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী হাফিযাহুল্লাহ
2 590
- বদ'নজর লাগার ভয়ে কি মিথ্যা বলা জায়েজ.?
- ইমাম আব্দুল আজিজ বিন বায রহিমাহুল্লাহ
2 590
- ইখওয়ানীরা মানুষকে হেদায়েতের পথে না ডেকে মানুষ কে ধ্বংসের দিকে ডাকে। তারা (ইখওনীরা) মাটি প্রেমি মানুষ, তাদের কাছে মুসলিমদের রক্তে চাইতে মুসলিমদের ভুমি বেশি প্রিয়।
