fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 298 مشترک است و جایگاه 8 092 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 030 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 298 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 27 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 71 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 4 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 19.52% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 7.72% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 206 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 873 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 46 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 28 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 298
مشترکین
+424 ساعت
+97 روز
+7130 روز
آرشیو پست ها
প্রচার করা দরকার।

কাজ: ১. এ ভিডিও যতো বেশি সম্ভব শেয়ার করা ২. ওয়াটস্যাপে পরিচিতদের কাছে/গ্রুপে পাঠানো। ৩. কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা ভিডিও থেকে কেটে ছোট ছোট ক্লিপ/রিলস বানিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা। ৪. বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-খতীবদের এ ভিডিও দেখানো। ©আসিফ আদনান https://youtu.be/Fb5J7zv5wNg?si=oMy0Y7I4FIGUcP12

❤️
❤️

আরবের একজন বড় দাঈ বলেছিলেন— ❞ لو غاب حكام العرب عن بلادنا أسبوعا، لصلينا اليوم الثامن في القدس.❝ আরবের এই শাসকগুলো মাত্র যদি এক সপ্তাহের জন্য হুকুমত ছেড়ে চলে যেতো কোথাও, আমরা অষ্টম দিনেই মসজিদে আকসায় নামাজ পড়তে পারতাম। ©

ইমাম/ রাষ্ট্র ছাড়া কোনোবস্থায়ই জি হ দ করা যাবে না বলে যে বিভ্রান্তকর মাসআলা ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পর্কে সামান্য ধারণার জন্য দেখুন, https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1045905120085392&id=100039977421879&mibextid=Nif5oz

ইমাম ওয়াকি ইবনুর জাররাহ রহ. এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, জালেম ইমাম যদি নিজে জি*হা*দ না করে এবং জি*হা*দের কাজে উল্টো বাঁধা দেয় তাহলে জি*হা*দের জন্য তার অনুমতির প্রয়োজন নেই। বরং প্রত্যেকেই নিজের সাধ্যের মধ্যে থেকে জি*হা*দের কাজ আঞ্জাম দিবে। «وحدث أحمد بن ثعلبة قال:سئل وكيع بن الجراح عن ‌قتال ‌العدو مع الإمام الجائر قال: إن كان جائرا وهو يعمل في الغزو بما يحق عليه فقاتل معه. وإن كان يرتشي منهم ويهادنهم فقاتل على حيالك». (تاريخ دمشق 71/47، تحت ترجمة : أحمد بن ثعلبة العاملي: برقم: ‌‌9566، دار الفكر ١٤١٥ هـ) ইমাম ওয়াকি রহ.কে জালেম ইমামের সাথে জি*হা*দের বিধান জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ইমাম জালেম হয় আর সে জি*হা*দের কাজ আঞ্জাম দেয় যথাযথ, তাহলে তার অনুগত থেকেই জি*হা*দ করতে হবে। আর সে যদি টালমাটাল করে, বা জি*হা*দের বিষয়ে শৈথল্যের (মুদাহানাতের) পরিচয় দেয় তাহলে তুমি তোমার কৌশলনুযায়ী জি*হা*দ চালিয়ে যাও। -তারিখে দিমাশক ৭১/৪৭। . কী মনে করেন, ইমাম ওয়াকি কী ধরনের শাসকের ব্যাপারে এগুলো বলেছেন? এইধরনের মালউন শাসকের ঘোষণা ছাড়া জি হা দ করা যাবে না, বলে যে বিভ্রান্ত ফতোয়া সমাজে দেয়, তাদের থেকে জি হা দের মাসআলা নেওয়া থেকে শতভাগ দূরে থাকেন, চাই, শাইখুল আযহার হোক বা কোনো মাদরাসার মুহাদ্দিস!

photo content

কারারুদ্ধ মাওলানা মামুনুল হক হাফিজাহুল্লাহ নফল নামাজে প্রতি সপ্তাহে এক খতম কুরআন তেলাওয়াত করেন। মুফতী মুনির কাসেমী হাফিজাহুল্লাহ। ©

তালেবে ইলম ভাইরা মিউজিক বিষয়ে গবেষণার জন্য এই বইটি থেকে ভরপুর ইস্তেফাদা করতে পারেন। এই বিশয়ে আমার সামান্য যা ঘাটাঘাটি করার তাওফিক হয়েছে এমন বিস্তৃত আর কোনো বই এখনো আরবি-উর্দুতে নজরে পড়েনি।

ইমাম শাফেয়ীর বক্তব্য থেকে বুঝে আসে, এইধরনের স্বর বিকৃত করে বাঁশি বা ঢোল-তবলা দিয়ে গান বেশি শুনলে তার প্রতি মানুষ আকৃষ্ট হয়ে পড়ে যা মানুষকে কুরআন শুনার প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে, তেলাওয়াত করে যে ফল আসে তার প্রতি আকর্ষন করে না। কুরআনের ইসলাহগুলো আর তার ভালো লাগে না। আর এই বিষয়গুলো একেবারেই স্পষ্ট একটি বিষয়। ৬. অনেকে একটা আপত্তি করেন, গানের মাধ্যমে ভালো কথা দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়। তাদের কথার খণ্ডন করে ইবনে রজব হাম্বলি রহ. লেখেন, نزهة الأسماع في مسألة السماع «أحكام الغناء والمعازف» (2/ 462): «ولا ريب أن ‌التقرب إلى الله تعالى بسماع الغناء الملحن، لا سيما مع آلات اللهو مما يعلم بالضرورة من دين الإسلام، بل ومن سائر شرائع المرسلين أنه ليس مما يتقرب به إلى الله، ولا مما تزكى به النفس وتطهر به فإن الله - تعالى- شرع على ألسنة الرسل كل ما تزكو به النفوس وتطهر من أدناسها وأوضارها. ولم يشرع على لسان أحد من الرسل في ملة من الملل شيئا من ذلك» বিকৃত স্বরের গান বা মিউজক যন্ত্র দিয়ে গান শুনে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা এই বিষয়টি কখনোই সম্ভব নয় তা শুধু জরুরিয়াতে দ্বীন থেকেই নয় বরং পূর্বের সকল নবীর শরীয়ত থেকেই বুঝা যায়। কোনো নবিকে আল্লাহ পাঠাননি যিনি এইধরনের কাজকে তাদের শরীয়তে অনুমতি দিয়েছেন। আশা করি এই ইবারতগুলো আমাদের সামনে অনেক বিষয়গুলো স্পষ্ট করে দিবে। আল্লাহ আমাদের সবধরনের ইলমি খেয়ানত থেকে হেফাজত করুক। আমীন।

মিউজিক বিষয়ে ইমাম ইবনে রজব হাম্বলির কিছু গুরুত্বপূর্ণ নুকতা: মিউজিককে যারা হালাল বলে, তাদের বক্তব্য হলো, আমরা তো মিউজিককে আমভাবে জায়েয বলছি না। “আমরা বলছি, ‘মিউজিকে যদি ভালো কথা থাকে তাহলে তা কোনোভাবেই হারাম নয়। যদি মিউজিকের ভিতর কোনো গুনাহের কথা থাকে, যেমন নারীর দেহের বর্ণনা, মদের কথা ইত্যাদি তাহলে তা হারাম।” এটা হলো তাদের একটি ধোঁকাপূর্ণ বক্তব্য। একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখুন, যে সমস্ত মিউজিকের মধ্যে নারীর অশ্লীল বর্ণনা বা মদের আকর্ষণীয় বর্ণনা সে কথা বা আলোচনা হারাম হওয়ার জন্য কী মিউজিকের কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে? সেগুলোতো ইসলামে স্বাভাবিক অবস্থাতেও নাজায়েজ! এটার জন্য মিউজিকের তো কোনো দরকার নেই। দুটো তো স্বতন্ত্র হারাম। ইবনে রজব হাম্বলি রহ. বলেন, سماع الغناء وسماع آلات الملاهي كلها- وكل منها محرم بانفراده، وقد حكى أبو بكر الآجري وغيره إجماع العلماء على ذلك. গান যার মাঝে নারীর দেহের বর্ণনা, বা যেগুলোতে মানুষের স্বভাব নষ্ট করার বিষয় থাকে তা এবং মিউজিকের বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে গাণ, প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা হারাম। আর এই হারামের বিষয়ে আবুবকর আজুরি রহ. উম্মতের ইজমা দাবী করেছেন। -নুজহাতুল আসমা ফি মাসআলাতিস সামায়ি . আধুনিক যুগের বহু স্কলার মিউজিককে হালাল বানাতে মাজহাবের ইমামদের বক্তব্যকে এক পাশে রেখে ইবনে হাজম যাহেরির অন্ধ তাকলিদ করে! এবং ইবনে হজম রহ.-এর ইলমি ভুল ও খেয়ানতগুলোকে এমন বড় করে হাইলাইটস করে যে, মনে হয় এখানে দ্বিতীয় কোনো ইমামের বক্তব্য নেই! . ইবনে রজব হাম্বলি রহ. (মৃত্যু ৭৯৫ হি.) গান ও মিউজিক বিষয়ে একটি রিসালা লেখেন ‘নুজহাতুল আসমাফি মাসআলাতিস সামায়ি’ নামে। সেখানে তিনি অল্প কথা বিষয়টির চমৎকার আলোচনা করেছেন। সেখানের কয়েকটি আলোচনা দেখলে আশা করি কিছু বিষয় স্পষ্ট হবে। ১. গান যার মাঝে নারীর দেহের বর্ণনা, বা যেগুলোতে মানুষের স্বভাব নষ্ট করার বিষয় থাকে তা এবং মিউজিকের বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে গাণ, প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা হারাম। আর এই হারামের বিষয়ে আবুবকর আজুরি রহ. উম্মতের ইজমা দাবী করেছেন। : فأكثر العلماء على تحريم ذلك -أعني سماع الغناء وسماع آلات الملاهي كلها- وكل منها محرم بانفراده، وقد حكى أبو بكر الآجري وغيره إجماع العلماء على ذلك. والمراد بالغناء المحرم: ما كان من الشعر الرقيق الذي فيه تشبيب بالنساء ونحوه، مما توصف فيه محاسن من تهيج الطباع بسماع وصف محاسنه، فهذا هو الغناء المنهي عنه، وبذلك فسره الإمام أحمد وإسحاق بن راهويه، وغيرهما من الأئمة ২. গান হারাম এটা কুরআনের একাধিক আয়াত থেকেই প্রমাণিত হয়। «فأما تحريم الغناء، فقد استنبط من القرآن من آيات متعددة، فمن ذلك: قول الله عز وجل: {ومن الناس من يشتري لهو الحديث}» ৩. চালুনির মত দেখতে যে সমস্ত দফ সাহাবায়ে কেরাম বাজিয়েছেন বা যুদ্ধের ময়দানে জাহেলি যুগের যে সমস্ত নাশিদ তারা গেয়েছেন তার সাথে ঝুনঝুনি ধরনের দফের কিয়াস করা সম্পূর্ণ ভুল। যারা করেন তারা পূর্ণ ভুল করেছেন। «وإنما كانت دفوفهم نحو الغرابيل، وغناؤهم بإنشاد أشعار الجاهلية في أيام حروبهم وما أشبه ذلك. فمن قاس عَلَى ذلك سماع أشعار الغزل مع الدفوف المصلصلة فقد أخطأ غاية الخطأ، وقاس مع ظهور الفرق بين الفرع والأصل» ৪. দফ যেগুলোতে কোনোধরনের ঝুনঝুনি বা সে জাতীয় কিছু না থাকে তা আমাদের হাম্বলি মাজহাবের ও অন্যান্য কিছু মাযহাবের আলেমদের নিকট জায়েয। তবে শর্ত হলো তা শুধুই মেয়েদের জন্য। পুরুষদের জন্য নয়। «وإنما يباح الدف إذا لم يكن فيه جلجل ونحوه مما يصوت عند أكثر العلماء، نص عليه الإمام أحمد وغيره من العلماء، كما كانت دفوف العرب على عهد النبي - صلى الله عليه وسلم -، وقد رخص في هذا الدف طائفة من متأخري أصحابنا مطلقا في العرس وغيره، للنساء دون الرجال» ৫. ইবনে রজব হাম্বলি রহ. বলেন, «وصح عن الشافعي من رواية الحسن بن عبد العزيز الجروي ويونس بن عبد الأعلى أنه قال: تركت بالعراق شيئا يسمونه التغبير، وضعته الزنادقة، يصدون به الناس عن القرآن. وكرهه الإمام أحمد، وقال: هو بدعة ومحدث. قيل له: إنه (يرقق) (*) القلب! قال: بدعة» “ইমাম শাফেয়ী রহ. থেকে সহিহ সনদে প্রমাণিত, তিনি বলেন, আমি ইরাকে একটি জিনিষ রেখে এসেছি, যাকে সেখানের মানুষ ‘তাগবির’ বলে। এটা সেখানের যিন্দিকরা তৈরি করেছে, যা দিয়ে তারা মানুষকে কুরআন থেকে দূরে রাখে। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. তাগবিরকে অপছন্দ ও বেদয়াত বলতেন। কেউ বললো, এগুলোর মাধ্যমে তো অন্তর নরম হয়। উত্তরে তিনি বললেন এটা বেদয়াতই।” এই নসটি উল্লেখ করার পর ইবনে রজব হাম্বলি রহ. বলেন, وقول الشافعي: إن الزنادقة وضعت التغبير تصد به الناس عن القرآن: يدل على أن الإصرار على سماع الشعر الملحن -مع الضرب بقضيب ونحوه- يقتضي شغف النفوس بذلك وتعلقها به، ونفرتها عن سماع القرآن، أو عن استجلاب ثمرات القرآن وفوائده وإصلاح القلوب به، وهذا ظاهر بين

তাতারিদের ব্যপারে ইবনে তাইমিয়া রহ.-এর যে ঐতিহাসিক ফতোয়া, সেটা নিয়ে আমার অনেকদিনের একটা খটকা আছে। খটকাটি হলো তাতারিরা ইসলাম বাদ দিয়ে ইয়াসাক নামক যে সংবিধান দিয়ে বিচার কার্য পরিচালনা করা শুরু করেছে যার কারনে ইবনে তাইমিয়া রহ. তাদের কা*ফের আখ্যা দিয়েছিলেন, সেটা তো সেসময়ের একটি বড় ধরনের ঘটনা। এত বড় ঘটনায় তো শুধু একা ইবনে তাইমিয়া রহ. একা ফতোয়া দিবে বিষয়টি কেমন! পরে খটকার পালটা আরেকটি খটকা আসে, ইবনে তাইমিয়া রহ.-এর সে ঐতিহাসিক ফতোয়া উনার ছাত্র ইবনে কাসির রহ. তার জগত বিখ্যাত দুটো কিতাব—তাফসির ও আলবিদায়া ওয়াননিহায়াহতে উল্লেখ করেছেন, যা লেখকের সময় থেকেই আলেম সমাজে মুতাদাওয়াল। হাজার হাজার, লক্ষ্য লক্ষ্য আলেম ইবনে কাসির রহ.-এর সে ফতোয়া পড়েছে, কিন্তু আমার অল্প পড়াশোনা মতে এটার খণ্ডন কেউ করেছে বলে জানি না। যাইহোক, এই বিষয়টি নিয়ে একটা দিরাসা হতে পারে। তাতারিদের বিষয়ে আর কোন কোন আলেম সে সময়ে পক্ষে বিপক্ষে ফতোয়া দিয়েছেন। . আমি দুটো ফতোয়া সন্ধান পেয়েছি। সে দুটো ফতোয়া হলো তাতারিরা ইসলাম গ্রহন করে ইয়াসাক দ্বারা বিচার শুরু করা ও ইবনে তাইমিয়া ও ইবনে কাসির কর্তৃক তাদের কাফের আখ্যায়িত করার পরের যুগের। তাতারিদের ইসলাম গ্রহণের পরের প্রজন্মের একজন হলো তাইমুর লং। তাইমুর লংয়ের ব্যাপারে মুহাক্কিক ওলামায়ে কেরামের মত হলো সে বাহ্যত ইসলাম কবুল করলেও সে মুসলিম ছিলো না। উম্মাহের মুহাক্কিক আলেমগণ তাকে কা*ফে*র বলে ফতোয়া দিয়েছেন। এবং সেখানে তার কু*ফ*রির যে ইল্লত বলা হয়েছে তা ছিলো তাই যে ইল্লতের ভিত্তিতে ইবনে তাইমিয়া প্রথম সময়ের ইসলাম গ্রহণ করা তাতারিদের উপর কু*ফরের ফতোওয়া দিয়েছেন। প্রথম : ইবনে আরবশাহ রহ. (মৃত্যু ৮৫৪ হি.) লেখেন, وكان معتقداً للقواعد الجنكيزخانية، وهي كفروع الفقه من الملة الإسلامية، وممشياً لها على الطريقة المحمدية، وكذلك كل الجغتاي وأهل الدشت والخطا وتركستان وأولئك الطغام، كلهم يمشون قواعد الملعون جنكيزخان على قواعد الإسلام ومن هذه الجهة أفتى كل من مولانا وشيخنا حافظ الدين محمد البزازي رحمه الله، ومولانا وسيدنا وشيخنا علاء الدين محمد البخاري أبقاه الله، وغيرهما من العلماء الأعلام، وأئمة الإسلام، بكفر تيمور وبكفر من يقدم القواعد الجنكيزخانية على الشريعة الإسلامية তাইমুর জেঙ্গিসের সংবিধানে বিশ্বাসি ছিলো। ... তারা জেঙ্গিসের তৈরি সে অভিশপ্ত সংবিধানকে ইসলামের নীতিমালার উপর প্রাধান্য দিতো। আর এই কারণে আমাদের সকল মাশায়েখ যেমন, হাফিজুদ্দিন মুহাম্মদ আল বাজ্জাজি, আলাউদ্দিন আল বুখারী (হানাফি)সহ যুগের বড় বড় ওলামায়ে কেরাম তাইমুরকে ও তার মত যারা জেঙ্গিসি সংবিধানকে ইসলামের নীতিমালার উপর প্রাধান্য দিয়েছে কাফের বলে ঘোষণা করেছেন। -আজায়িবুল মাকদুর ফি আখবারি তাইমুর পৃ. ৪৪৫ এই ফতোয়ায় কয়েকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য: ১. এখানে দুজন আলেমের ফতোয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, একজন হলেন বিখ্যাত হানাফি আলেম ফতোয়ায়ে বাজ্জাজিয়ার লেখক। দ্বিতীয়জন হলেন আরেক বিখ্যাত আলেম, উসুল বাজদাবির বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার আলাউদ্দিন আলবুখারী রহ.। কিন্তু উনাদের সে ফতোয়া উনাদের কোনো কিতাবে উল্লেখ আছে কি না জানা নেই। তবে লেখকের সময়কাল ও আলোচনার ধরন দেখে মনে হচ্ছে লেখক দুই মহান ইমামের শাগরেদ। ২. শুধু এই দুজনই নয় আরো অসংখ্য আলেম এই ফতোয়া দিয়েছেন। ৩. শুধু তাইমুর লংই নয় যারাই ইয়াসাককে শরীয়তের উপর প্রাধান্য দিবে তাদের হুকুমও একই। দ্বিতীয় : ইমাম সাখাবি রহ. (মৃত্যু ৯০২ হি.) বলেন, ويعتمد قَوَاعِد جنكزخان ويجعلها أصلا وَلذَلِك أفتى جمع جم بِكُفْرِهِ مَعَ أَن شَعَائِر الاسلام فِي بِلَاده ظَاهِرَة তাইমুর জেঙ্গিস খানে সংবিধানে বিশ্বাসী ছিলো, এবং সেই সংবিধানকে তার রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে। এই জন্য বড় একদল আলেম তাকে কাফের বলে ফতোয়া দিয়েছেন। যদিও তার দখলকৃত অঞ্চলগুলোতে ইসলামের শিয়ারগুলো প্রকাশ্যেই ছিলো। -আদদাওয়ুল লামে ৩/৪৯ (তাইমুর লংয়ের জীবনীর অধিনে) এখানে কয়েকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য : ১. বেশ বড় সংখ্যক আলেমই এই ফতোয়া দিয়েছেন। ২. তাইমুর লংয়ের শাসিত অঞ্চলগুলোতে ইসলামের অনেক শিয়ার প্রকাশ্যে থাকার পরেও আলেমগণ সেই ফতোয়া দিয়েছেন। এটা তো সকলের জানা, তাইমুর লংয়ের আমলে ইলমের চর্চা বেশ ভালোই ছিলো। তাফতাজানি রহ.-এর মত আলেমরা তার দরবারে গিয়ে ইলমের চর্চা করতে পারতো। অর্থাৎ প্রকাশ্যে যত ইসলাম চর্চার বিষয় আছে সবই হতো। এবং তাইমুর লং নিজেকে একজন মুসলমানই দাবী করতো। . যাইহোক, আহলে ইলম ও তালেবে ইলম ভাইরা বিষয়গুলো দেখবেন ইনশাআল্লাহ। . বি.দ্র. আহমদ শাকের রহ. ব্রিটিশদের তৈরি গণ*তা*ন্ত্রিক যে সংবিধান আছে সেটাকে আধুনিক ইয়াসাক বলতেন।

ইনশাআল্লাহ
ইনশাআল্লাহ

গ্রুপে যদি কোনো তালেবে ইলম ভাই থাকেন ও জাতি সংঘের যে হিয়ম্যান রাইটস বা মানবধিকারের ধারাগুলো রয়েছে সে সম্পর্কে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চান, তারা এই কিতাবটা অবশ্যই পড়বেন। অবশ্যই পড়বেন। পাকিস্তানের একজন সুনামধন্য আলেম মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেবের লেখা।

ষষ্ঠ পর্ব। এই পর্বে আমার কিছু খটকা নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি পড়বেন। প্রয়োজনীয় মনে হলে অন্যকে দেখাবেন। https://www.facebook.c
ষষ্ঠ পর্ব। এই পর্বে আমার কিছু খটকা নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি পড়বেন। প্রয়োজনীয় মনে হলে অন্যকে দেখাবেন। https://www.facebook.com/abdullah.binbashir.1/posts/pfbid0pEMLPhe6C7NNe153u8FcxvvLRqzU523E2iHU39Hrq3ooT7odtrahVuK4YyCH2p4Tl

ইন্টারফেইথ নিয়ে অনেক আগের একটি লেখা। আরো কিছু পরিমার্জনসহ সাইটে আপলোড করলাম। আশা করি এই ফিতনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণার জন্য লেখাটি উপকারী হবে। https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a5-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%81/

এই বিষয়টি নিয়ে বহু মানুষ বহু ধরনের সংশয় ছড়ানোর চেষ্টা করে। লেখাটি পড়লে আশা করি অনেক সংশয় কেটে যাবে। লিংক: https://abdullahbin
এই বিষয়টি নিয়ে বহু মানুষ বহু ধরনের সংশয় ছড়ানোর চেষ্টা করে। লেখাটি পড়লে আশা করি অনেক সংশয় কেটে যাবে। লিংক: https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%88%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%93-2/

হায় আল্লাহ আসমান জমিনের সকল সাহায্য তুমি আমার ভাইদের জন্য খুলে দেও।

আল্লাহু আকবর! মুসলমানরা সংখ্যা আর শক্তি দিয়ে জিহাদ করে না। তারা করে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা আর ঈমান দিয়ে! কী সাধারণ অস্ত্র দিয়ে পৃথিবীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে কিছু মানুষ শেষ করে দিচ্ছে!