fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 322 مشترک است و جایگاه 7 895 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 063 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 322 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 30 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 60 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -1 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 14.01% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.87% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 587 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 665 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 35 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 31 اوت, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 322
مشترکین
-124 ساعت
+47 روز
+6030 روز
آرشیو پست ها
মধ্য প্রাচ্যের সুপার পাওয়ার ইরান এখন হিজ্রাইলকে কিছু করা মানি পুরো পশ্চিমের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া, আমার বন্ধু মফিজের একটি নির্মোহ গবেষণা। . গোলান ভূমিতে বারবার হিজ্রাইলের আক্রমণের পরেও কয়েকদশক ধরে যুদ্ধ আক্রান্ত সিরিয়া পালটা প্রতিক্রিয়া না দেখানো মানি হলো জুলানি আমেরিকার দালাল, বন্ধুর আরেকটি নির্ভেজাল গবেষণা। . লাভিউ বন্ধু।

ইরান না থাকলে মধ্যপ্রাচ্য পুরোটা হিজ্রাইলের দখলে চলে যাবে, বলে গবেষণা করতে থাকা আমার বন্ধু মফিজ। অন্যদিকে ইরানি জুজুর ভয় দেখিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেকে আগেই দখল করে ফেলা আমেরিকা।

হিজ্রাইল ও আব্বো আমেরিকার অনুমতি পাইলে ইরান বড়ধরনের পালটা আক্রমণ করবে। সুতরাং যার কাছে যা আছে তা নিয়ে স্ক্রিনের সামনে বসে যান, আর যুদ্ধের মজা দেখতে থাকেন। .

শাতেমে রাসুলের ইস্যু আসলে একটা কথা ব্যাপকভাবে শোনা যায়, ‘হানাফি মাজহাবেই শুধু শাতেমের তাওবা কবুল হবে, অন্য তিন মাজহাবে শাতেমের তাওবা কবুল হবে না।’ এই কথাটি সঠিক নয়। শাফেয়ী মাজহাবেরও ফতোয়া হলো শাতেমের তাওবা কবুল হবে। হাম্বলি মাজহাবের এক বক্তব্যও হলো শাতেমের তাওবা কবুল হবে। এবং এটার উপর অনেক মুতাকাদ্দিমিন হাম্বলি আলেমের ফতোয়াও আছে। শুধু মালেকি মাজহাবের একক বক্তব্য হলো শাতেমের কোনো তাওবা নাই। . সুতরাং শাতেমের তাওবা কবুল হবে এটা হানাফিদের একার মত নয়, এটাই জমহুর আলেমদের মত। . আমরা আবেগে যেনো মাসআলাকেই পরিবর্তন করে না ফেলি। . এখানে মনে রাখা দরকার, শাতেমে রাসুল প্রমাণিত হওয়ার যেমন নির্দিষ্ট প্রসেস আছে, তেমনি তাওবারও নির্দিষ্ট প্রসেস আছে। যেকোনো মাফ চাওয়াই তাওবা নয়, এটা মাথায় রাখতে হবে।

চতুর্দিকে আবারো নবী অবমাননার ঘটনা ঘটছে। এটা নতুন নয়। মুসলিম পরিচয় দেয়া ছেলেরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মর্যাদা সঠিকভাবে বুঝতেছে না, বা বিদ্বেষী হয়ে যাচ্ছে, এটা মূলত একটা শিক্ষাব্যবস্থার আবশ্যকীয় ফলাফল। যতদিন এই শিক্ষাব্যবস্থা মুসলিমদের উপর বিজয়ী থাকবে ততদিন এই তীব্র সংকট থেকে মুসলমানরা বের হয়ে আসতে পারবে না। . শাতেমদের বিধানের আলোচনার পাশাপাশি হুব্বে রাসুলের আলোচনাও এখন খুবই জোরেশোরে উঠানো দরকার। সিরাতে রাসুলের আলোচনা খুব হওয়া দরকার। এই সংক্রান্ত পূর্বের যাদের যত পোষ্ট, ভিডিও ইত্যাদি যাই আছে সেগুলো আবারো পূনরায় করা দরকার। . প্রকাশনীগুলো সিরাতের বইগুলো স্বল্প মূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নিন। সিরাতের বইগুলোতে বড় ডিসকাউন্ট দিন। . পাঠচক্রের ভাইরা আপাতত অন্যান্য পাঠচক্র রেখে সিরাতের পাঠচক্র শুরুর ঘোষণা দিন। . সিরাত বিষয়ক পডকাস্ট করুন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জাত ও সত্তা নিয়ে, কেনো রাসুলের ভালোবাসা আমাদের ঈমানের অংশ, কেনো এই মহান মানুশকে ভালোবাসতে পারা আমাদের নিজের জন্যোই সৌভাগ্যের, এটা নিয়ে তুমুল আলোচনা করুন। .

১. মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা রা. যখন শাতেম কা'বকে হত্যা করে সকলকে নিয়ে ফিরে আসলেন তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দূর থেকে দেখেই বললেন, أفْلَحَتِ الوُجُوهُ এদের চেহারাগুলো সফলতার।-ফাতহুল বারী ৭/৩৪০ পূর্বসুরিরা যেভাবে সফল হয়েছিলো উত্তরসূরীরাও আজ সেভাবেই সফল হলো। ২. শাতেম আর রাসুলের দুশমনকে হত্যা করতে সাহাবীরা প্রতিযোগিতা করতেন। কা'ব ইবনে আশরাফের হত্যায় অংশগ্রহণ কারী সকল সাহাবী ছিলেন আউস গোত্রের। তখন খাযরাজ গোত্রের সাহাবাগণ ঈর্ষায় পরে গেল। এবং তাঁরা কোনো শাতেম আর খোদাদ্রোহীদের হত্যা করে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা লাভের জন্যে উদগ্রীব হয়ে গেলো। এবং খুঁজতে লাগলো রাসুলের দুশমন কে আছে? অনেক আলোচনা-পর্যালোচনা করে ঠিক করলো—কা'বের মত বড় পাপিষ্ট আরেকজন আছেন সে হলো—আবু রাফে'। তাকে হত্যা করার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে খাযরাজ গোত্রের সাহাবায়ে কেরাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে হাজির হলেন। এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের অনুমতি দিলেন।- ফাতহুল বারী ৭/৩৪২। ৩. আবু রাফেকে হত্যা করে আসার সময় সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে আতিক রা. অন্ধকারের কারণে সিঁড়ি থেকে পরে পায়ের নলি ভেঙ্গে যায়৷ আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রা. বলেন, ‘সকালে হত্যার পুরো ঘটনা যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুনানো হচ্ছিলো তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার পা বিছিয়ে দেও। আমি পা বিছিয়ে দিলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে তাঁর মুবারক হাত বুলিয়ে দেন। আমার পা তখন এমনভাবে ভালো হয়ে গেলো যে মনে হতে লাগলো এই পায়ে কখনো কোনো সমস্যাই ছিলো না। -সহিহুল বুখারী বর্ণনা নং ৪০৩৯ শাতেমদের হত্যাকারীদের সাথে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবেই আচরণ করতেন৷ এবং একজন মুমিনের জন্যে এটাই হলো এমন বীরদের সাথে আচরণের আদর্শ। ৪. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাতেমদের হত্যাকারী মহাবীরদের যে বিচার ব্যবস্থা দোষী সাব্যস্ত করে হত্যার রায় দেয় তা আর যাইহোক ইসলাম অন্তত নয়। এবং এমন ব্যক্তিরা মুমিন কিনা তা ওলামায়ে কেরামকে যাচাই করে দেখতে হবে। ৫. শাতেম হত্যাকারী বীরদের যারা বুঝে বা না বুঝে ‘উগ্রবাদী’, ‘উগ্রপন্থী’, ‘চাপাতি মুজাহিদ’সহ বিভিন্ন উপাধি দিয়েছে তাদের হিদায়েতের দোয়া করা উচিত।

এনসিপিকে যারা এখনো বিশ্বাস করেন তারা কচু গাছের সাথে ফাসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন পিও
এনসিপিকে যারা এখনো বিশ্বাস করেন তারা কচু গাছের সাথে ফাসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন পিও

শাতেমে রাসুল নিয়ে নিজের ইলম বৃদ্ধি করুন ভাই। লেখাটি পড়ুন (পূর্বে পড়া না থাকলে) এবং যাদের কাছে মাসআলাগুলো অস্পষ্ট তাদের কাছে পৌঁছিয়ে দিন।

যে শরীয়াহ শাসন চায়না, তাকে শরীয়াহ শাসনের আন্ডারে আনতে চাওয়াটা এক্সট্রিমিজম আর ফান্ডামেন্টালিজম। তবে যে শরীয়াহ শাসন চায়, তাকে ডেমোক্রেসির আন্ডারে আনা, তার উপর সেক্যুলারিজম, লিবারেলিজম চাপিয়ে দেওয়াটা এক্সট্রিমিজম বা ফান্ডামেন্টালিজম না। এটা হলো এনলাইটমেন্ট। -সাদা চামড়ার পাচাটা বাঙ্গু। ©সাকিব ভাই, কুয়েট

খাইরুল কুরুনের খলিফাদের থেকেও এরদোয়ান ভালো শাসক! কল্পনা করা যায় ভাই!
খাইরুল কুরুনের খলিফাদের থেকেও এরদোয়ান ভালো শাসক! কল্পনা করা যায় ভাই!

সোমালিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী শাবাব সেখানকার রাজধানীকে কার্যত অবরোধ করে রেখেছে। অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছে স্থানীয় সরকার। বাহিরের সাহায্য ছাড়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাত থেকে সোমালিয়াকে রক্ষা প্রায় অসম্ভব। ঠিক এই মুহুর্তে মোগাদিশুর সরকারকে সাহায্যের জন্য যারপরনাই চেষ্টা করে যাচ্ছে এরদোয়ান। মোগাদিশুতে গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য নতুন তিনটি অত্যান্ত শক্তিশালী যুদ্ধ বিমান পাঠিয়েছে তুরস্ক। . ইসলামী গণতন্ত্র রক্ষায় তুরস্কের এই মহান খেদমত ইতিহাসে বরনীয় হয়ে থাকবে। সাথে, আমেরিকা, আফ্রিকান ইউনিয়ন, পার্শ্ববর্তী খ্রিস্টান দেশ ইথিওপিয়া, সকলেই ইসলামি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে যে ত্যাগ দিচ্ছে তা ইতিহাস কখনোই ভুলবে না। . পার্শ্ববর্তী ফিলিস৩-এ যুদ্ধবিমান না পাঠালেও মোগাদিশুতে নিয়মিত অস্ত্র ও সেনা সরবরাহ করছে তুরস্ক, শুধু শুধু মুর্খের মত এইধরনের প্রশ্ন করবেন না। এটাও জিজ্ঞাসা করবেন না, ফিলিস৩-এর পক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার তুরস্ক কেনো হিজ্রাইলের সাথে শীর্ষ বানিজ্যে অবস্থান করছে। এগুলো বুঝতে হলে দুনিয়া সম্পর্কে আরো অনেক জ্ঞান অর্জন করা জরুরি। জিওপলিটিক্সের উপর ডাবল মাস্টার্স ছাড়া এটা বুঝা প্রায় অসম্ভব।

১৯৯৫-পূর্বে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সকলেই মু জা হি দ ছিলো। উ*সা*মা, আল *কা*য়*দা ইত্যাদি। হঠাৎ করে আমেরিকার পক্ষ থেকে ফতোয়া আসলো যে, এরা মু জা হিদ নয় এরা সন্ত্রাসী, বাস আমাদের পাকিস্তান রাষ্ট্র সে ফতোয়া কবুল করে নিলো। এবং আমাদের দ্বীনি জামাতগুলোর একটি অংশও মেনে নিলো। . আমাদের পীরগুলোর কাছে কোটি কোটি টাকা, আপনি একদিন তাদের দস্তরখানে বইসা দেখবেন, তারা কেমন সাচ্ছন্দ্যময় জীবন কাটায়, এই জীবন থেকে বের হয়ে এসে তারা বিদ্যমান সিস্টেমের বিরুদ্ধে কস্মিনকালেও কথা বলতে পারবে না। এটা সম্ভবই না। কারণ তখন আর তাদের এই সুন্দর জীবন থাকবে না। . আমি জিন্নাহকে কায়েদে আজম মানি না। সে তো ইংরেজদের পক্ষ থেকে ছিলো। যেনো তার মাধ্যমে ইংরেজরা তাদের আইন বাস্তবায়ন করতে পারে। স্বাধীনতা আন্দোলনে তার কয়জন লোক, তার পরিবারের কয়জন লোক শহিদ হয়েছে? বা জেলে গেছে? . তারা আমার সাথে জামিয়া হাফসা নিয়ে একটা চুক্তিতে আসতে চেয়েছে, আমি সে চুক্তি পত্র ছিড়ে ফেলেছি। তারা পুরো জামিয়া হাফসাকে তাদের হাতে তুলে দিতে বলেছি। আমি অস্বীকার করেছি। বলেছি, তোমরা তোমাদের পূর্ণ শক্তি—আর্মি, পুলিশ, সব নিয়ে আসো। আমরা আমাদের সাধ্যে যা আছে তা দিয়েই লড়বো। আল্লাহ চাহেতে শহিদ হয়ে যাবো। . মাওলানা আব্দুল আজিজ গাজি হাফিজাহুল্লাহ খতিব, লাল মসজিদ পাকিস্তান, ইসলামাবাদ . পডকাষ্টটা অবশ্যই পুরোটা শুনতে পারেন। . https://youtu.be/lFzzLlhqk_4?si=Xz9MtMcBc_vQdXyX

ছবি ভালো তুলতে না পারার কারণে কলিজার স্বাদটা ভালোমতো বুঝতে পারতেছেন না। . এই কলিজার স্বাদ আর অন্যান্য দুনিয়ার খাবারের স্বাদ!
ছবি ভালো তুলতে না পারার কারণে কলিজার স্বাদটা ভালোমতো বুঝতে পারতেছেন না। . এই কলিজার স্বাদ আর অন্যান্য দুনিয়ার খাবারের স্বাদ!

গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটা পড়েন। অবশ্যই পড়েন। কেনো আমরা কুরবানির ঈদ নিয়ে এত উৎসাহিত! এই ঈদ শুধুই ঈদ নয় এটা আমাদের অস্তিত্বের জানা
গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটা পড়েন। অবশ্যই পড়েন। কেনো আমরা কুরবানির ঈদ নিয়ে এত উৎসাহিত! এই ঈদ শুধুই ঈদ নয় এটা আমাদের অস্তিত্বের জানান। লিংক : https://www.facebook.com/share/p/15SnHAJuev/

৭. নিজে ভালো করে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে । তবে এক্ষেত্রে আলেমদের দিয়ে করানোই উত্তম। ইমাম নববি রহ. (মৃত্যু ৬৭৬ হি.) বলেন, وَلَهُ أَنْ يُوَكِّلَ فِي ذَبْحِهَا مَنْ تَحِلُّ ذَبِيحَتُهُ، وَالْأَوْلَى أَنْ يُوكِّلَ مُسْلِمًا فَقِيهًا، لِعِلْمِهِ بِشُرُوطِهَا. নিজে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে। তবে উত্তম পশু জবাইয়ের শরয়ী বিষয় জানেন এমন একজন আলেমকে দিয়ে জবাই করানো।- রওজাতুত তালেবিন ৩/২০০ ৮. কুরবানির পশু নিজে জবাই না করলেও জবাইয়ের নিজে উপস্থিত থাকা সর্বোত্তম। এক্ষেত্রে পর্দার পরিপূর্ণ লক্ষ্য রেখে মহিলারাও উপস্থিত থাকতে পারেন। যদি কুরবানি মহিলার পক্ষ থেকে হয়। ورواه أبو القاسم الأصبهاني عن عليّ ولفظه: أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: يا فاطمة قومي فاشهدي أضحيتك، فإنَّ لك بأوَّل قطرةٍ تقطرُ من دمها مغفرةً لكلِّ ذنبٍ. হযরত আলী রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমা রা.কে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে ফাতেমা! তুমি তোমার কুরবানিতে উপস্থিত থাকবে। কারণ কুরবানির রক্ত মাটিতে পড়ার সাথে আল্লাহ তোমার সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন।- তারগিব ওয়াত তারহিব ২/১৫৫। মুস্তাদরাকে হাকেম ৪/২১১। قال المنذري : وقدْ حسن بعض مشايخنا على هذا، والله أعْلمُ.(الترغيب والترهيب للمنذري ت عمارة ,٢/ ١٥٥) ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন, فَإِنْ كَانَ يَخَافُ أَنْ يَعْجِزَ عَنْ ذَلِكَ فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَسْتَعِينَ بِغَيْرِهِ، وَلَكِنَّهُ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَشْهَدَهَا بِنَفْسِهِ لِمَا رُوِيَ أَنَّ «النَّبِيَّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - قَالَ لِفَاطِمَةَ - رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا - قُومِي فَاشْهَدِي أُضْحِيَّتَكِ فَإِنَّهُ يُغْفَرُ لَكِ بِأَوَّلِ قَطْرَةٍ مِنْ دَمِهَا كُلُّ ذَنْبٍ أَمَا أَنَّهُ يُجَاءُ بِلَحْمِهَا وَدَمِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ যদি নিজে পশু জবাই করতে না পারে তাহলে উত্তম হলো, অন্য কাউকে দিয়ে করানো। তবে নিজে উপস্তিত থাকা ভালো। কারণ হাদিসে উৎসাহিত করা হয়েছে।- আল মাবসুত ১২/১৮। ৭. গোস্ত তিনভাগে বন্টন করা। قال أبو جعفر الطحاوي: وينبغي له أن يتصدق منها، ولا يقصر عن الثلث. ইমাম তহাবী রহ. (মৃত্যু ৩২১হি.) বলেন, কুরবানির গোস্ত থেকে সদকা করা উচিত এবং তা একতৃতিয়াংশের কম না হওয়া চাই।- মুখতাসুত তাহাবী পৃ.৩০৬ আবু ওয়াফা আফগানী রহ.-র তাহকীককৃত নুসখা। قال أحمد: الصدقة عندهم بالثلث استحبابًا..... وقد روي عن عبد الله بن مسعود أنه كان يهدي الثلث منها إلى أولاد أخيه، ويأكل الثلث، ويتصدق بالثلث، وكذا قال أصحابنا في ذلك، ইমাম জাসসাস রহ. (মৃত্যু ৩৭০হি.)বলেন, তিন ভাগের একভাগ সদকা করা মুস্তাহাব।... আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণনা করা হয়, তিনি একভাগ তার ভাতিজাদের হাদিয়া দিতেন। একভাগ নিজে খেতেন। আর একভাগ সদকা করে দিতেন। আমাদের ওলামায়ে আহনাফও এমনটিই বলেন।- শরহু মুখতাসারুত তাহাবী ৭/৩৩৭-৩৪১। ৮. গোস্ত পরিমানে কম হয় আর পরিবার বড় হয় তাহলে কাউকে না দিয়ে নিজ প্রয়োজন ও পরিবারের জন্যে গোস্ত রেখে দেওয়াই উত্তম। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, إلَّا أَنْ يَكُونَ الرَّجُلُ ذَا عِيَالٍ وَغَيْرَ مُوَسَّعِ الْحَالِ فَإِنَّ الْأَفْضَلَ لَهُ حِينَئِذٍ أَنْ يَدَعَهُ لِعِيَالِهِ وَيُوسِعَ بِهِ عَلَيْهِمْ؛ لِأَنَّ حَاجَتَهُ وَحَاجَةَ عِيَالِهِ مُقَدَّمَةٌ عَلَى حَاجَةِ غَيْرِهِ قَالَ النَّبِيُّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - «ابْدَأْ بِنَفْسِك ثُمَّ بِغَيْرِك. ব্যক্তি যদি গরিব আর আর অসচ্ছল হয় তাহলে উত্তম হলো নিজ পরিবারের জন্যে রেখে দেওয়া। পরিবারের প্রয়োজন পুরণ করা অন্যের প্রয়োজন থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮১। قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا، فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا» يَقُولُ: فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথমে নিজের জন্য খরচ করো। যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে পরিবারের জন্যে খরচ করো। আরো অতিরিক্ত হয় তাহলে আত্মীয়স্বজনের জন্য খরচ করো।-সহিহ মুসলিম হাদিস নং ৯৯৭ (হাঁ, তবে কেউ যদি পুরো অংশই নিজের জন্যে রেখে দিতে চায় কোনো কারণ ছাড়া তাও জায়েয হবে। -আলমুহিতুল বুরহানি ৬/৯৪) আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করে নিক। এবং কুরবানির পূর্ণ শিক্ষা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।

যে কাজগুলো আমার কুরবানিকে করবে আরো সুন্দর ‘কুরবানি’ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক সুবর্ণ সুযোগ। ইমানি চেতনায় বলিয়ান হয়ে মিল্লাতে ইবরাহিমিয়ার জাগরণের জাগ্রত হওয়ার প্রশিক্ষণ হলো মহামান্বিত এই কুরবানি। যুক্তি আর তর্কের উর্ধ্বে উঠে শুধু আল্লাহর আদেশের সামনে নিজেকে সমর্পণ করার মাস হলো এই জিলহজ্জ। এখানের কাজগুলো যুক্তির নিরিখে নয় করতে হবে ইমানের নিরিখে। আল্লাহর আদেশে, নবির পথের অনুসারী হয়ে। এটাই শিক্ষা। আর এই শিক্ষাটুকু মুমিনকে প্রতি বছর স্মরণ করিয়ে দিতে আসে কুরবানি। কুরবানি একটি ওয়াজিব আমল। প্রতিটি সচ্ছল (শরিয়তের দৃষ্টিতে) মুকিম ব্যক্তির জন্যে তা আবশ্যক। তাই সে সংক্রান্ত বেশকিছু বিধানও রয়েছে। আমি এখানে বিধান নিয়ে কিছুই বলবোনা। শুধু কুরবানির এমনকিছু বিধান যেগুলো আমাদের কুরবানির মত এই মহৎ আমলকে করবে আরো সুন্দরময়। ১. কুরবানির পশু সাধ্যমতো দ্রুত ক্রয় করা বা সংগ্রহ করা যাতে তার সাথে একটা মহব্বতের সম্পর্ক তৈরি করা যায় ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, فيستحب أن يربط الأضحية قبل أيام النحر بأيام لما فيه من الاستعداد للقربة وإظهار الرغبة فيها فيكون له فيه أجر وثواب، কুরবানির কয়েকদিন পূর্বেই পশুর ব্যবস্থা করে ফেলা। এতে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করা ও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। আর তাতে রয়েছে সাওয়াব।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৭৮। ২. শরীকে পশু কুরবানি করার চেয়ে একা ছাগল কুরবানি করা উত্তম। ইবনে কুদামা রহ. বলেন, الشاة أفضل من شرك في بدنة لأن إراقة الدم مقصود في الأضحية، و المنفرد يتقرب بإراقته كله. এক গরুতে শরিক হওয়ার চেয়ে আলাদা ছাগল কুরবানি করা উত্তম। কারণ কুরবানিতে আসল উদ্দেশ্য হলো পশুর রক্ত প্রবাহিত করা। আর একা কুরবানিতে তা পূর্ণভাবে হয়।-আল মুগনি ৫/১৬৩ ৩. কুরবানির পশু ক্রয় করার পূর্বেই শরীক নির্ধারণ করে নেওয়া। যদি কেউ শরীকে কুরবানি করতে চায় তাহলে ক্রয় করার পূর্বেই তা নির্ধারণ করে নেওয়া। যদি ব্যক্তি ধনী হয় তাহলে ক্রয় করার পরেও অংশীদার নিতে পারবে। তবে গরিব হলে পারবেনা। ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন, (وَإِنْ اشْتَرَى بَقَرَةً يُرِيدُ أَنْ يُضَحِّيَ بِهَا عَنْ نَفْسِهِ، ثُمَّ اشْتَرَكَ مَعَهُ سِتَّةٌ أَجْزَأَهُ اسْتِحْسَانًا)، ... (وَلَوْ فَعَلَ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَشْتَرِيَ كَانَ أَحْسَنَ)؛ لِأَنَّهُ أَبْعَدُ عَنْ الِاخْتِلَافِ، وَلَيْسَ فِيهِ مَعْنَى الرُّجُوعِ فِي الْقُرْبَةِ لَا صُورَةً، وَلَا مَعْنًى فَكَانَ ذَلِكَ أَفْضَلَ. গরু ক্রয়ের পর কাউকে শরিক করে তাহলে তা বৈধ হবে। তবে উত্তম হলো, ক্রয়ের পূর্বেই শরীক ঠিক করে নেওয়া।- আলমাবসুত লিস সারাখসি ১২/১৫। ৪. কুরবানির পশু দেখতে সুন্দর ও নাদুসনুদুস ক্রয় করা। হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি শিংওয়ালা দুটো মোটাতাজা দুম্বা কুরবানি জবাই করতেন। আমিও তদ্রুপ করতাম।- সহিহ বুখারি হাদিস নং ৫৫৫৩-৫৫৫৪ হযরত আবু উমামাহ রহ. বলেন, আমরা মদিনায় মোটাতাজা পশু কুরবানি করতাম। অন্যান্য মুসলমানরাও তাই করতো।-সহিহ বুখারি ৪/২২৫, মুয়সসাসাতুর রিসালাহ। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, فَالْمُسْتَحَبُّ أَنْ يَكُونَ أَسْمَنَهَا وَأَحْسَنَهَا وَأَعْظَمَهَا لِأَنَّهَا مَطِيَّةُ الْآخِرَةِ কুরবানির পশু নাদুসনুদুস, দেখতে সুন্দর ও বড়সড় হওয়া মুসতাহাব।-বাদায়েয়ুস সামায়ে ৫/৮০ ৫. কুরবানির গরুর মহত্ত্ব ও গুরুত্ব বুঝানোর উদ্দেশ্য তা সাজানো উত্তম। কুরবানি করা ইসলামের শায়ায়েরে অন্তর্ভুক্ত। হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি রহ. বলেন, ولا خلاف كونها -الأضحية- من شعائر الدين. এই বিষয়ে কোনো ইমামের মাঝে ইখতেলাফ নেই কুরবানি দ্বীনের একটি শিয়ার।- ফাতহুল বারী ১০/৩, মাকতাবাতুস সফা। কুরআনের সুরা হজ্জের ৩২ নং আয়াতে দ্বীনের শিয়ারকে সম্মান করতে বলা হয়েছে। ঐ আয়াতকে সামনে রেখে কাসানী রহ. বলেন, فَيُسْتَحَبُّ أَنْ يُقَلِّدَهَا وَيُجَلِّلَهَا اعْتِبَارًا بِالْهَدَايَا، وَالْجَامِعُ أَنَّ ذَلِكَ يُشْعِرُ بِتَعْظِيمِهَا قَالَ اللَّه تَعَالَى {ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ} [الحج: 32] হজ্জের পশুর মত কুরবানির গরুকে সাজানো এবং তার প্রতি আলাদা যত্নবান থাকা মুস্তাহাব। কারণ এতে পশুকে সম্মান করা হয় যা কুরআনে এসেছে।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৭৮ ৬. নিজ হাতে কুরবানি করা। হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে দুটো নাদুসনুদুস দুম্বা কুরবানি করেছেন।- বুখারি হাদিস নং ৫৫৫৮। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন, فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَذْبَحَ بِنَفْسِهِ إنْ قَدَرَ عَلَيْهِ لِأَنَّهُ قُرْبَةٌ فَمُبَاشَرَتُهَا بِنَفْسِهِ أَفْضَلُ مِنْ تَوْلِيَتِهَا غَيْرَهُ كَسَائِرِ الْقُرُبَاتِ، উত্তম হলো, যদি সক্ষম হয় তাহলে নিজের পশু নিজেই জবাই করা। কারণ কুরবানি করা ইবাদত। আর নিজের ইবাদত নিজে আদায় করাই সর্বোত্তম।- বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮৯

দ্বীনকে সোজাসাপ্টা ও আকিদার জায়গা থেকে না বুঝে যারাই ইন্টেলেকচুয়াল নামক ইরান-তুরান দিয়ে দ্বীন বুঝেছে এবং সেগুলোর প্রতি আহবান করছে এগুলো একেকটা সফট সেকুলার ছাড়া আর কিছুই হয় নাই। চাই সেকুলারিজমের বিরুদ্ধে এই জ্ঞানপাপীদের যতই আলাপ আলোচনা থাকুক না কেন!

গতকাল মাদরাসাতুস সুন্নাহ নোয়াখালীতে কুরবানি পূর্বক ছাত্রদের ইলমি প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আসা যাওয়ার খরচ ও খাবারের চুক্তিতে জোর পূর্বক দাওয়াত নেই। সেটার শাস্তি স্বরূপ কিছু কথা বলতে হয়, যা দাওয়াতের চুক্তিতে ছিলো না। . যাইহোক, শুনতে পারেন। . এটা শুনলেই বুঝবেন কেনো আমার জন্য ভিডিওতে না আসা জরুরি।

মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেব শুধু উপমহাদেশই নয় বরং বর্তমান পুরো পৃথিবীর জন্যই রহমত। আল্লাহ হযরতকে যেমন ফিকহি যোগ্যতা দিয়েছেন তেমন দিয়েছেন সময়ের বাস্তবতা বুঝা ও উম্মাহের প্রতি দরদ। যার কারনে সময়ের প্রয়োজনীয় কাজগুলো আল্লাহ তার থেকে নিচ্ছেন। এরমধ্যে একটি হলো বয়কটের শরয়ী বিধান; কিছু আপত্তি ও জবাব এই প্রবন্ধটি। প্রবন্ধটি প্রকাশ হয় আরো কয়েকমাস আগে পাকিস্তানের বিখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য পত্রিকা মাহনামায়ে সফদার-এ। সেখান থেকে অনুবাদ করেছি। আশা করি আমরা এই বিষয়টি সঠিকভাবে অনুধাবন করবো এবং নিজেদের জিম্মাদারী আদায় করবো।

এসব বক্তব্য...!
এসব বক্তব্য...!