BlueSky Tech Point
رفتن به کانال در Telegram
BlueSky Tech Point is one of the most active & informative technology based knowledge sharing communities.
نمایش بیشتر3 668
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-57 روز
-3030 روز
آرشیو پست ها
3 668
শেষ সময়েও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং আরও রক্তপাতের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা।
দেশ ছাড়ার আগে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের চাপ দিয়েছিলেন তিনি। তবে পরিস্থিতি যে একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটা তিনি কিছুতেই মানতে চাচ্ছিলেন না।
পরে পরিবারের সদস্যরাসহ বোঝানোর পর পদত্যাগে রাজি হন। এরপর দ্রুততম সময়ে পদত্যাগ করে সামরিক হেলিকপ্টারে করে গোপনে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের কাছ থেকে শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার শেষ চার ঘণ্টার একটা বিবরণ পাওয়া গেছে।
দলীয় অস্ত্রধারী কর্মীদের নামিয়ে গত রোববার দিনভর সারা দেশে ব্যাপক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটানোর পরও ছাত্র-জনতার আন্দোলন সামাল দিতে পারেননি শেখ হাসিনা।
যদিও পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে রোববার রাতেই শেখ হাসিনাকে তাঁর একজন উপদেষ্টাসহ কয়েকজন নেতা বোঝানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন বলে জানা গেছে।
তবে তিনি তা মানতে চাননি; বরং সোমবার (গতকাল) থেকে কারফিউ আরও কড়াকড়ি করতে বলেন। ভোর থেকে কারফিউ কড়াকড়ি করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সকাল ৯টার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভেঙে নামতে শুরু করেন। ১০টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে জমায়েত বড় হতে থাকে।
বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়।
নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না, সেটার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আন্দোলনকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁজোয়া যানে উঠে লাল রং দিয়ে দিচ্ছেন, সামরিক যানে পর্যন্ত উঠে পড়ছেন—এর পরও কেন তারা কঠোর হচ্ছে না, সেটা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া বিশ্বাস করে এই কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে বসিয়েছেন—সেটাও তিনি উল্লেখ করেন।
একপর্যায়ে শেখ হাসিনা আইজিপিকে দেখিয়ে বলেন, তারা (পুলিশ) তো ভালো করছে। তখন আইজিপি জানান, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে, তাতে পুলিশের পক্ষেও আর বেশি সময় এ রকম কঠোর অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয়।
ওই সময়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।
কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আরেক কক্ষে আলোচনা করেন। তাঁকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন।
শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতা ধরে রাখতে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
এরপর জয় তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর শেখ হাসিনা পদত্যাগে রাজি হন।
সূত্র: প্রথম আলো
3 668
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে।
3 668
এবার আসি কাজের কথায়।
জাতীয় সংসদে আমি আজকে ঢুকেছিলাম। পুরো সংসদ যেভাবে তছনছ করে রেখে গেসে সেটা অকল্পনীয়। অনেকেই বলবে ছাত্ররা লুট করেছে। আমি স্ট্রংলি তাদের ডিফেন্ড করবো। কয়েকটা পয়েন্ট তুলে ধরি কারো অযৌক্তিক মনে হলে জানাবেন। আমিও নতুন করে ভেবে দেখবো। আমি গণভবনে যাইনি তাই আমি শুধু জাতীয় সংসদের কথা বলবো।
১. আমি যে সময়ে সংসদ ভবনে গেসি তখন মাত্র ছেলেপেলে ঢোকা শুরু করসে। বেশ কিছু ছেলেপেলে তখন ঢুকে পড়সে মূলভবনের পাশের লাল বিল্ডিংয়ে। লাল বিল্ডিংয়ে আমিও প্রথমে ঢুকি। অনেকেই দেখলাম এটা সেটা নিচ্ছে কিন্তু পয়েন্ট টুবি নোটেড আমি কাউকে কিছু ভাংতে দেখি নাই। যে যা পারছে নেবার চেষ্টা করছে কিন্তু মার্ক মাই ওয়ার্ড কেউ তেমন কোনো ভাংচুর করেনি। (পরে অবশ্য বেশ কিছু ছাত্র গেটে প্রতিরোধ করায় অনেকেই আর কিছুই বের করতে পারেনি।)
২. মূল সংসদ ভবনে ঢুকেই দেখি প্রত্যেকটা রুম তছনছ। আমি মুটামুটি ৫০+ রুম চেক করসি প্রত্যেকটা রুমের অবস্থা সেইম। এবং প্রতিটা রুমের কাঁচের যা যা ছিলো সেগুলা ভাঙা হয়েছে। ছাত্ররা যদি ভাঙে তাহলে তারা লুট করবে কখন? আর যদি ভেঙেও থাকে তাহলে এত সুন্দর করে কাজটা করলো কখন?আর লুট করেও বেশীরভাগ জিনিসই এক্সিট গেটে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কাছে দিয়ে আসতে হয়েছে। আমি রাত দশটাতেও দেখে আসলাম প্রতিটা এক্সিটে ছেলেপেলে পাহাড়া বসিয়েছে। একটা বইও আনতে দিচ্ছেনা।
৩. যে সব টেবিল বা কাঁচের জিনিসপত্র ভাঙা হয়েছে সেগুলো সাধারণ বাঁশ বা লাঠি দিয়ে ভাঙা হয়েছে বলে আমার মনে হয়নি। মনে হয়েছে ভারী কিছু দিয়েই আঘাত করা হয়েছে। এবং ভেতরে আমি কারো হাতে লাঠি পর্যন্ত দেখিনি। আর কাঁচের টেবিলের প্রতি ছেলেপেলের ক্ষোভ আছে এ আমার মনে হয়না। এই ভারী যন্ত্র কেউ আলাদিনের চেরাগ ঘষে বের করলে হিসাব ঠিক আছে।
৪. একজন সংসদ সদস্য, একজন মন্ত্রী, বা একজন সচিবের টেবিলের ড্রয়ার অবশ্যই নান গুরুত্বপূর্ণ কাগজ থাকবে। এবং সেটার চাবি অবশ্যই ড্রয়ারের সাথে ঝুলবে না। আমি এমন একটা ড্রয়ার পাইনি যেটা আটকানো ছিলো। সবগুলো খোলা এবং প্রায় ফাঁকা ছিলো। একজন মন্ত্রীর টেবিলের চাবি অবশ্যই ছেলের হাতের মোয়া না। সেখানে প্রতেকটা ড্রয়ার খোলা পেয়েছি। আবারো বলছি প্রত্যেকটা।
৫. শুধু টেবিলনা প্রতেকটা রুমের আলমারি, লকার সব খোলা ছিলো। সব লুট করা ছিলো। এসব আলমারিতে চাবি দেয় না কেনো? আমার মা তো আলমারি ভর্তী লেপ-কাঁথা রেখেও আলমারিতে তালা দিয়ে সেই চাবি বালিশের নিচে নিয়ে ঘুমায়। কিজানি আমাদের এমপি,মন্ত্রীরা হয়তো এসবে উদাসীন ছিলো।
৬. আমি মুটামুটি ৩০+ সিপিইউ পাইসি কম্পিউটারের যেগুলোর একটাতেও র্যাম,হার্ড্ডিস্ক আর প্রসেসর ছিলোনা। এবং সেগুলো এলোপাতাড়ি ছড়ানো ছিলো এখানে সেখানে। আমি প্রথম কয়েকটা চেক করার পর আমার খটকা লাগে এবং আমার সাথের একজনকে নিয়ে পাগলের মতো খুঁজতে থাকি বিশ্বাস করেন আমি একটা পিসিতেও র্যাম,হার্ডডিস্ক বা প্রসেসর পাইনি।
৭. সংসদ ভবন বিল্ডিংটা এতো বড় আর গোলকধাঁধার মতো যে আপনি একই রুমে সেচ্ছায় দুইবার যেতে পারবেন না। আমি প্রথমে ছাদে গিয়ে আর ছাদে যাবার রাস্তা পাইনি। এমনকি মূল অধিবেশন যেখানে হয় সেটা অনেক উপর থেকে দেখেছি কিন্তু নিজে যেতে পারিনি। আর সেখানে নতুন একটা বিল্ডিংয়ের সব রুম এভাবে আউটসাইডাররা তছনছ করে ফেললো ব্যাপারটা বুঝতে ফেলুদা হওয়া লাগেনা।
৮. প্রতিটা রুমের আলমারি বা শোকেস ফ্লোরে ফেলে রাখা ছিলো। আলমারির দরজা খোলা, শোকেসের দরজা খোলা। পুরো রুমে কাগজের ছড়াছড়ি। অথচ গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাগজই দেখলাম না। সবই খুবই নর্মাল কাগজ,খাম আর নিজেরদের কিছু বই। আর হ্যা প্রচুর এ ফোর পেপার।
এখন আমি ভুল হতেই পারি। কিন্তু মাত্র দুই-তিন ঘণ্টায় পুরো সংসদ ভবন ভাংচুর করে একাকার করে দেওয়া ছাত্রদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব সেটা বুঝতে মনে হচ্ছে আমার রকেট সাইন্স জানার দরকার নাই।
একদল জানোয়ার এসব এতোদিন ভোগ করেছে এবং পালানোর আগে সব মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে গেছে যাতে চাইলেও খুব অল্পদিনে এই সংস্কার করা না যায়। এতো গেলো সংসদ ভবনের কথা।
দেশটার কি করে রেখে গেছে সেটা হয়তো আমাদের সময়ই বলে দিবে।
পুনশ্চ : আমরা যে দুজন পুরো সময়টা একসাথে ছিলাম সেই ভাই পাঠশালার ফটোগ্রাফার। ভাই অনেক ছবি তুলে রাখছে। সেসব এভিডেন্স হিসেবে দিবো। ছবিগুলো হাতে পাওয়া মাত্রই।
✍️ Nafiur Rahman
3 668
আজ রাতের মধ্যেই একটি অন্তর্ব্তীকালীন সরকার গঠিত হয়ে যাবার কথা ছিল, যেটি হয়নি।
আপনি ধারণা করতে পারেন, কতিপয় আওয়ামীলীগ নেতার নির্দেশে পুলিশ গুলি চালাচ্ছে আর্মির উপরে!
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ স্টিল আমাদের সাথে গেম খেলে যাচ্ছে, যেকোনো সময় পাল্টা কি করে ফেলতে পারে।
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছে কিন্তু নতুন সরকার গঠিত না হলে সাংবিধানিক জটিলতায় আমাদের স্বাধীনতা আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলছেন Saiyed Abdullah ভাই।
ওনার লাইভ টা দেখতে পারেন।
লিঙ্ক: https://www.facebook.com/share/v/hEZEX1q5WnhETiaT/?mibextid=oFDknk
3 668
হাটহাজারীর কালিবাড়ি রক্ষা করছেন হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। পুরো দেশ এভাবে এগিয়ে আসুন আপনার আশেপাশের সংখ্যালঘু ভাইদের জন্য।
আমরা আমাদের দেশে কোন সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চাইনা। আমরা সবাই একসাথেই এদেশ গড়তে চাই।
3 668
যে মসজিদের মাইকে মানুষকে এক হওয়ার ডাক দিয়েছেন, সেই মাইকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাদের ডাক দেন।
নিষিদ্ধ মহলকে তাদের চিরচেনা ধ্বংস লীলা করতে দিয়েন না।
3 668
ছাত্রজনতাকে আমি অনুরোধ করছি সকল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বকদের পক্ষ থেকে যেন তারা ছোট ছোট দল গঠন করে নিজ নিজ এলাকার ধর্মীয় উপাসনালয় গুলো রক্ষা ও পাহারার ব্যবস্থা করে এই মুহুর্ত থেকেই।
বার্তা প্রেরক—
মো. নাহিদ ইসলাম ও
আসিফ মাহমুদ,
সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
3 668
রক্তে কেনা এই স্বাধীনতা, বিজয় যেনো চিরদিন থাকে।
আর কোনো শকুন, হায়েনার আক্রমণে আমার বাংলা যেনো আবার জর্জরিত না হয়।
মুক্ত আকাশের পাখি আমরা সবাই এখন।
তবে মনে রাখবেন, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন।
3 668
গণভবনের লেক থেকে মাছ, স্বৈরাচারীর জামদানী শাড়ি, গণভবনের বালিশ, শাকসবজি, মাছ-মাংস, কাপ-পিরিচ, যে যা পাচ্ছেন, তা-ই নিয়ে দৌড় দিচ্ছেন!
Source: The Business Standard!
3 668
অভ্যুত্থানকারী ছাত্র নাগরিকের প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকারের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এর বাইরে কোন সরকার মেনে নেওয়া হবে না।
ফ্যাসিস্ট, খুনিদের বিচার বাংলার মাটিতে করা হবে, পালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না।
সন্ধ্যার মধ্যে নিরপরাধ ব্যক্তি, রাজবন্দী ও গুমকৃত ব্যক্তিদের মুক্ত করা হবে।
শুধু হাসিনা সরকারের পদত্যাগ নয়, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ ও রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণ করা হবে।
চূড়ান্ত বিজয় ছাড়া কেউ রাজপথ ছাড়বেন না।
বার্তা প্রেরক—
মো. নাহিদ ইসলাম ও
আসিফ মাহমুদ,
সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
3 668
খোন্দকার মোস্তাক আহমেদের নেতৃত্বে আজ ভোরে সামরিক বাহিনী দেশের সর্বময় ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন। দেশের বৃহত্তর স্বার্থের খাতিরে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শেখ মুজিবকে হত্যা করা হইয়াছে। খোন্দকার মোস্তাক আহমেদ নতুন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটেছে।
বাংলাদেশ বেতার, বিশেষ ঘোষণা
১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
3 668
আপডেটঃ বেলা সাড়ে ৪টায় সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষন দিবে। এখনো আলোচনা চলমান...
